জোর করে জয় বাংলা জয় বঙ্গব্ন্ধু স্লোগান দেওয়ানোর চেষ্টা / ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনের উপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হামলা
ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীদের জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে হামলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ভিডিওতে অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন বলেছেন, ‘আমি ভাইয়ের পরিবারের সাথে একটা পার্কে গিয়েছিলাম। এ সময় বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছে। আমার গায়ে পানি কোক ছুঁড়ে মেরেছে। আমার গায়ে হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে। কানের পাশে বাড়ি মেরেছে।’বাঁধান বলেন, ‘আমাকে হামলা করার সময় তারা বলেছে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। হামলাকারীরা বলেছে, তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে জোর করে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে বলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামীলীগের যে কর্মীরা জানেন না, আমি ভেনিসে যে সিনেমাটা নিয়ে এসেছি তার পরিচালক রুবায়েত হোসেন। তার বাবা আপনাদের আওয়ামীলীগের মন্ত্রী ছিলেন। আপনারা ভেবেছেন এ ধরনের আচরণ করে আপনারা আবার রাজনীতিতে ফিরবেন। আমার তা মনে হয় না। আমাকে অশ্লীল গালাগাল করা হয়েছে। আমার মনে হচ্ছিল, আজ আমাকে মেরেও ফেলতে পারে।’ বাঁধন বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারাবিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভিডিওবার্তায় সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিষয়টি জানানোর অনুরোধও করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন, আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’ ভিডিওবার্তায় বাঁধন জয়ের সঙ্গে দেখা করে তার দলের কর্মীরা কী চায় তা জানার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এদিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তার উপর ছাত্রলীগের হামলার বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন বাঁধন।
মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়া
সিউল এখন নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে হঠাৎ পরিবর্তনের মুখে থাকায়। দেশের নিরাপত্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করে হাত গুটিয়ে বসে থাকার সময় শেষ বলে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো দয়ালু বড় ভাই নয়। তারা এখন নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্বেগের মূল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে শিগগির বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন। একই সঙ্গে খরচের অজুহাতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। তার দাবি, এসব মহড়ায় অনেক টাকা নষ্ট হয় এবং উত্তর কোরিয়াকে অযথা উসকে দেওয়া হয়। সিউলের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে বাধ্য না করে শুধু নতুন অস্ত্র তৈরি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে। এ কারণে ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে হঠাৎ কোনো চুক্তি হলেও যেন দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা বিপন্ন না হয়, সে জন্য স্বাধীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া উপায় নেই। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পথ খোঁজারও পরামর্শ দিয়েছে তারা। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি
দেশে সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে সহনশীলতার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, হানাহানি নয়, আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন কোনোভাবেই আবার হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, খুব শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দিনটি স্থানীয় মানুষসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের জন্য আনন্দের। এর ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বাড়বে।রাষ্ট্রপতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার বিস্তারের উদ্যোগ নতুন গতি পেল। বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার জন্য নতুন সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটি ছিল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি আর দেখতে চাই না: রাষ্ট্রপতি
ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের দাবি এবার বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর আয়োজিত সুধী সমাবেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ছিল স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এবং স্থান নির্ধারণের বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমি পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত মাস্টারপ্ল্যান ও অবকাঠামোর নকশা চূড়ান্ত করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।তার মতে, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি এখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, তাই রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখন সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন। এছাড়া সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু দল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?
সংসদে জামায়াতকে ‘বিনা পয়সায়’ বুদ্ধি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংসদে জামায়াতকে ‘বিনা পয়সায়’ বুদ্ধি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
দারুসসালামে নিজ বাসায় গৃহবধূ গু''লিবিদ্ধ, স্বামীসহ তিনজন গ্রে'প্তার
নিখোঁজ শিশুদের ফিরে পেতে আকুতি, সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবকদের কান্না
প্রবাসীর ৬ তলা বাড়ির ভাড়া দখলের অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে
টমি মিয়ার জীবনী নিয়ে আসছে সিনেমা
বিশ্বের ১৩৩ দেশের মাঝে বাংলাদেশের চার হাফেজের অনন্য অর্জন