মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

জোর করে জয় বাংলা জয় বঙ্গব্ন্ধু স্লোগান দেওয়ানোর চেষ্টা / ইতালিতে অভিনেত্রী বাঁধনের উপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হামলা

ইতালির মেস্ট্রেতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মীদের জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে হামলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ভিডিওতে অভিনেত্রী আজমেরি হক বাঁধন বলেছেন, ‘আমি ভাইয়ের পরিবারের সাথে একটা পার্কে গিয়েছিলাম। এ সময় বাঙালি ভাইয়েরা এসে আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেছে। আমার গায়ে পানি কোক ছুঁড়ে মেরেছে। আমার গায়ে হাত তুলেছে। আমার ফোন ফেলে দিয়েছে। কানের পাশে বাড়ি মেরেছে।’বাঁধান বলেন, ‘আমাকে হামলা করার সময় তারা বলেছে আমি জুলাই যোদ্ধা। হ্যাঁ আমি জুলাই যোদ্ধা। হামলাকারীরা বলেছে, তারা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। তারা আমাকে জোর করে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে বলেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামীলীগের যে কর্মীরা জানেন না, আমি ভেনিসে যে সিনেমাটা নিয়ে এসেছি তার পরিচালক রুবায়েত হোসেন। তার বাবা আপনাদের আওয়ামীলীগের মন্ত্রী ছিলেন। আপনারা ভেবেছেন এ ধরনের আচরণ করে আপনারা আবার রাজনীতিতে ফিরবেন। আমার তা মনে হয় না। আমাকে অশ্লীল গালাগাল করা হয়েছে। আমার মনে হচ্ছিল, আজ আমাকে মেরেও ফেলতে পারে।’ বাঁধন বলেন, ‘একজন আজমেরী হক বাঁধনকে দমানো এত সহজ হবে না। আপনারা আজ সারাবিশ্বের মানুষকে দেখালেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী একজন অভিনেত্রীকে হেনস্তা করা হলো।’এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনও রাজনৈতিক দলের অংশ হওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভিডিওবার্তায় সজীব ওয়াজেদ জয়কে বিষয়টি জানানোর অনুরোধও করেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘সজীব ওয়াজেদ জয়ও ভেনিসে আছেন, আশা করি আপনার তার কাছে বিষয়টি পৌঁছে দেবেন।’ ভিডিওবার্তায় বাঁধন জয়ের সঙ্গে দেখা করে তার দলের কর্মীরা কী চায় তা জানার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এদিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তার উপর ছাত্রলীগের হামলার বেশ কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করেছেন বাঁধন।

মার্কিন নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়া

সিউল এখন নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আচরণে হঠাৎ পরিবর্তনের মুখে থাকায়। দেশের নিরাপত্তায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভরসা করে হাত গুটিয়ে বসে থাকার সময় শেষ বলে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আগের মতো দয়ালু বড় ভাই নয়। তারা এখন নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এই উদ্বেগের মূল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে শিগগির বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন। একই সঙ্গে খরচের অজুহাতে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। তার দাবি, এসব মহড়ায় অনেক টাকা নষ্ট হয় এবং উত্তর কোরিয়াকে অযথা উসকে দেওয়া হয়। সিউলের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে বাধ্য না করে শুধু নতুন অস্ত্র তৈরি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে। এ কারণে ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করে, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে হঠাৎ কোনো চুক্তি হলেও যেন দক্ষিণ কোরিয়ার নিরাপত্তা বিপন্ন না হয়, সে জন্য স্বাধীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া উপায় নেই। পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ পথ খোঁজারও পরামর্শ দিয়েছে তারা। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দেশে সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে সহনশীলতার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, হানাহানি নয়, আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন কোনোভাবেই আবার হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, খুব শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দিনটি স্থানীয় মানুষসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের জন্য আনন্দের। এর ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বাড়বে।রাষ্ট্রপতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার বিস্তারের উদ্যোগ নতুন গতি পেল। বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার জন্য নতুন সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটি ছিল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি আর দেখতে চাই না: রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের দাবি এবার বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর আয়োজিত সুধী সমাবেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ছিল স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এবং স্থান নির্ধারণের বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমি পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত মাস্টারপ্ল্যান ও অবকাঠামোর নকশা চূড়ান্ত করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।তার মতে, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি এখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, তাই রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখন সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন। এছাড়া সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের তথ্য দুদককে দিল এফবিআই

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদের তথ্য দুদককে দিল এফবিআই

ঢাকা: সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী রুকমীলা জামানের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদ, ব্যাংক হিসাব এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমের নথি বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সরবরাহ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে কমিশনের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রীর বিদেশে থাকা সম্পদ ও আর্থিক কার্যক্রমের তথ্য পেতে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পারস্পরিক আইনি সহায়তা (MLAR) চাওয়া হয়েছিল। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নথি, আর্থিক তথ্য কিংবা সম্পদ শনাক্ত ও জব্দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে এই ধরনের আইনি সহযোগিতা ব্যবস্থার ব্যবহার হয়।দুদকের ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই এফবিআই তথ্য সরবরাহ করেছে বলে জানিয়েছেন আকতারুল ইসলাম। তবে এফবিআইয়ের পাঠানো নথিতে ঠিক কী ধরনের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব বা ব্যবসায়িক তথ্য রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি দুদক।যুক্তরাষ্ট্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কোনো সম্পদ ইতোমধ্যে জব্দ বা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পদের মোট মূল্য সম্পর্কে জানতে চাইলে দুদকের কর্মকর্তা বলেন, তথ্য যাচাই ও পর্যালোচনার পর প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।এর আগে দুদকের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার একটি আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিভিন্ন দেশে থাকা সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন। আদালতের ওই আদেশে সাত দেশে থাকা সম্পদের মোট মূল্য ১ হাজার ৮২৪ কোটি টাকার বেশি বলে উল্লেখ করা হয়।দুদকের আবেদনে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সম্পত্তির ক্রয়মূল্য প্রায় ৪৩৭ কোটি টাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।এদিকে একই ব্রিফিংয়ে দুদক জানিয়েছে, নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার, তাঁর স্ত্রী নাসরিন ইসলাম এবং তাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে আইল অব ম্যান কর্তৃপক্ষ আইনি সহায়তার অনুরোধ বাস্তবায়নের তথ্য দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সম্পদ অবরুদ্ধ করার বিষয়েও তথ্য পেয়েছে দুদক।অন্যদিকে, ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান ওবায়দুল করিমকে তিন মাসের জন্য বিদেশ ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

১২ ঘন্টা আগে
পাটওয়ারীর পর এবার আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন

পাটওয়ারীর পর এবার আসিফ মাহমুদের ভোটার এলাকা পরিবর্তন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার ভোটার ছিলেন। সম্প্রতি তার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আফতাবনগর এলাকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।পোস্টে বলা হয়, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম-১৩ অনুযায়ী আবেদন করেছিলেন তিনি। আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই এবং দাপ্তরিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে তা অনুমোদন দেয়।এর ফলে এখন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন এনসিপির এই মুখপাত্র।অন্যদিকে একই দিনে ঢাকা উত্তর থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ভোটার হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলটি জানায়, এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উত্তরা এলাকার ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। সম্প্রতি তার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দেশে সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে সহনশীলতার পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, হানাহানি নয়, আলোচনা ও পারস্পরিক সমঝোতার মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন কোনোভাবেই আবার হারিয়ে না যায়, সেজন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর এদিন বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে নির্ধারিত স্থানে স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি।প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, খুব শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দিনটি স্থানীয় মানুষসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের জন্য আনন্দের। এর ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বাড়বে।রাষ্ট্রপতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার বিস্তারের উদ্যোগ নতুন গতি পেল। বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলার শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার জন্য নতুন সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটি ছিল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রথম সরকারি সফর। দুই দিনের সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

১৬ ঘন্টা আগে
সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি আর দেখতে চাই না: রাষ্ট্রপতি

সংঘাত-প্রতিশোধের রাজনীতি আর দেখতে চাই না: রাষ্ট্রপতি

ঠাকুরগাঁওয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘদিনের দাবি এবার বাস্তব রূপ নিতে যাচ্ছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ভাতারমার ইক্ষু খামার এলাকায় প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পর আয়োজিত সুধী সমাবেশে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ছিল স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন এবং স্থান নির্ধারণের বিষয়ে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জমি পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রুত মাস্টারপ্ল্যান ও অবকাঠামোর নকশা চূড়ান্ত করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।তার মতে, নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি এখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন, তাই রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত ও প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এখন সমঝোতা, গণতন্ত্র ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. ইসরাফিল শাহীন। এছাড়া সিন্ডিকেট সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১৯ ঘন্টা আগে
জামিন পেলেন না সেই সিফাত আব্দুল্লাহ

জামিন পেলেন না সেই সিফাত আব্দুল্লাহ

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ এবং প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে গ্রেফতার সিফাত আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এর বিচারক রাকিবুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশেদুল ইসলাম রবি বলেন, সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন চাওয়া হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সিফাতের বক্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীকে করা কথিত কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিষয়টি মামলার এজাহারে উল্লেখ নেই। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে এ বিষয়টি উপস্থাপন করেননি বলে জানান তিনি।আইনজীবী আরও বলেন, ৪ জুনের একটি মামলায় সিফাতকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, যার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি রাজনৈতিকভাবে হয়রানির ঘটনা বলেও অভিযোগ করেন তিনি।অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহানগর আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সিদ্দিকির রহমান বলেন, সিফাত আব্দুল্লাহ ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। সোমবার তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, ৫ আগস্টের আগেও সিফাত ফ্যাসিস্টদের হয়ে কাজ করেছেন এবং এখনও সেই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।এর আগে ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুরের বাসা থেকে সিফাত আব্দুল্লাহকে আটক করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানা পুলিশ। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয়। তিনি রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী।পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের পুরোনো একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

১৯ ঘন্টা আগে
নতুন দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া

নতুন দায়িত্ব পেলেন মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত ১০টি স্থায়ী কমিটি নতুন করে গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে কমিটিগুলো গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব পাস হয়। সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি প্রস্তাবগুলো সংসদে উত্থাপন করেন।সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধির আওতায় এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পদাধিকারবলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকছেন।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, চট্টগ্রাম-৫ আসনের মীর মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা, রাঙ্গামাটি আসনের দীপেন দেওয়ান, চট্টগ্রাম-১২ আসনের মোহাম্মদ এনামুল হক, যশোর-২ আসনের মোহাম্মদ মোস্তফা আল ফয়সাল, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং নেত্রকোনা-৫ আসনের মাসুম মোস্তফা।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাজ পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান এবং সরকারের কর্মকাণ্ডে সংসদীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।একই দিনে কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়, শ্রম ও কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, যুব ও ক্রীড়া এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়।

২০ ঘন্টা আগে
নতুন দায়িত্ব পেলেন সেলিম রেজা

নতুন দায়িত্ব পেলেন সেলিম রেজা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য একেএম সেলিম রেজা।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতভাবে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সংসদ নেতার পক্ষে এসব প্রস্তাব উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৬, ২৪৭ ও ২৪৮ বিধি অনুযায়ী প্রস্তাবগুলো উত্থাপন করা হয়।কমিটিতে পদাধিকারবলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সদস্য হিসেবে থাকবেন।কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন বগুড়া-২ আসনের মীর শাহ আলম, ময়মনসিংহ-১০ আসনের মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আজাদ, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের আলহাজ্ব জসিমউদ্দীন আহমেদ, চাঁদপুর-৩ আসনের শেখ ফরিদ আহমেদ, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩৫-এর তাহমিনা সুলতানা, রংপুর-২ আসনের এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের মোহাম্মদ ইসলাম খান।সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সুপারিশ এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে সংসদীয় নজরদারি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।এদিন কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি বিষয়ক, খাদ্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিও গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়।

২০ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আটক ১

রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, আটক ১

রাজধানীর শাহআলীতে ছুরিকাঘাতে মেহেদী হাসান (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাহআলী মহিলা কলেজের সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মেহেদীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহআলী থানার উপপরিদর্শক আতোয়ার রহমান। নিহত মেহেদীর বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামে। তার বাবার নাম মো. আলম। তিনি বর্তমানে মিরপুর থানার বড়বাগ এলাকায় থাকতেন। সাইনবোর্ড তৈরির কাজ করতেন মেহেদী। এসআই আতোয়ার রহমান জানান, মধ্যরাতে শাহআলী মহিলা কলেজের সামনের সড়ক থেকে চাকুসহ একজনকে আটক করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যক্তি পাশেই এক যুবককে ছুরিকাঘাত করেছেন। পরে আহত যুবককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা, নাকি পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান এসআই আতোয়ার রহমান।  

২০ ঘন্টা আগে
উপজেলা নির্বাচন সামনে রেখে ইসির নতুন নির্দেশনা

উপজেলা নির্বাচন সামনে রেখে ইসির নতুন নির্দেশনা

নতুন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০২৬ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত নতুন বিধিমালা ৩ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে জারি করা হয়। নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি মিছিল-শোডাউন, হেলিকপ্টার ব্যবহার, সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর বা বিদ্বেষপূর্ণ কনটেন্ট প্রচারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে নতুন বিধিমালায়। নতুন বিধিমালায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের প্রচারণার ধরন ও ব্যয়ের ওপরও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে। নতুন আচরণবিধির অন্যতম বড় পরিবর্তন হলো পোস্টার নিষিদ্ধ করা। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি স্থাপনা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ্য মিছিল করার সুযোগ থাকবে না। ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান ও ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে মিছিল বা শোভাযাত্রাও করা যাবে না। নির্বাচনী প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারণার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ধরনের প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থীকে কোন কোন মাধ্যম ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তথ্য দিতে হবে।  একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যয় হওয়া অর্থও নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে। ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতেও বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।  নির্বাচনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এমন কনটেন্ট তৈরি বা প্রচারও নিষিদ্ধ। এআই ব্যবহার করে এ ধরনের ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা যাবে না। ভোটারদের প্রভাবিত করতে অর্থ, খাদ্য, পানীয় বা উপহার দেওয়ার ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।  ধর্মীয় উপাসনালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিসে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না। ধর্মের অপব্যবহার, পেশিশক্তির ব্যবহার কিংবা কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কুৎসা বা ব্যক্তিগত চরিত্রহননমূলক প্রচারণাও নিষিদ্ধ থাকবে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করেও কোনো প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না। সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বা অন্য কোনো সরকারি সম্পদ নির্বাচনী কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ। একইভাবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের ওপর বিধিনিষেধ থাকবে। নির্বাচনের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে আনা-নেওয়ার জন্য যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহারের সুযোগও থাকবে না। নির্বাচনী প্রচারণায় নির্ধারিত সীমার বাইরে ক্যাম্প স্থাপন ও মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিমালায় নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। নতুন বিধিমালায় নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতাও জোরদার করা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন বলে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।  অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুতর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়া নির্বাচনী ব্যয়সীমা অতিক্রম করা, অর্থ বা পেশিশক্তি দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা এবং সরকারি সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। নির্বাচন কমিশনের নতুন এ বিধিমালার মূল লক্ষ্য হলো উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে আরও অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। বিশেষ করে পোস্টার, মিছিল ও শোডাউন বন্ধ এবং ডিজিটাল প্রচারণায় এআই-নির্ভর অপপ্রচার ঠেকানোর বিধান এবারের উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

২১ ঘন্টা আগে
পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ

পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ

আট দিন পর বাঁধের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমে আসায়। জলকপাটগুলো রোববার রাত ৯টার পর বন্ধ করা হয়। এর আগে হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় গত ২৯ আগস্ট রাত ৮টায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হয়। পরে পানির চাপ বাড়তে থাকায় কয়েক দফায় পানি ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ১৬টি জলকপাট দিয়ে তিন ফুট করে পানি ছাড়া হয়। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী তারেক আহমেদ জানান, জলকপাট বন্ধ করা হলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট থেকে দৈনিক ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় প্রতি সেকেন্ডে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি আর জানান, রাতে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০৪ দশমিক ৯৮ মিটার এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ মিটার এমএসএল। কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান বলেন, বৃষ্টিপাত কমে আসায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমছে। এ কারণে জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার জলকপাট খোলা হবে কি না, তা হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৬০ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

২২ ঘন্টা আগে
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু দল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু দল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফেরাতে বিএনপিই লড়েছে: মাহদী আমিন

যখনই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশে , তখনই তা ফিরিয়ে এনেছে বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। রাজধানীতে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মাহদী আমিন বলেন, ‘যতবার বাংলাদেশ গণতন্ত্রের বাধার মুখে পড়েছে, ততবারই বিএনপি লড়াই করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে।’ তিনি বলেন, দেশের জন্য বিএনপির যে ত্যাগ, তা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে দেখা যায় না। দলটি দেশের স্বার্থে দীর্ঘদিন ধরে নানা ত্যাগ স্বীকার করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ নানা ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারেক রহমান সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

লিংক কপি করা হয়েছে!

রাতারাতি খ্যাতি, তারপরই আড়ালে মালিনী শর্মা

রাতারাতি পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘রাজ’ সিনেমার মাধ্যমে । বিক্রম ভাট পরিচালিত ২০০২ সালে এই সিনেমায় ডিনো মরিয়ার সঙ্গে তার অভিনয় দর্শকের নজর কাড়েন। এরপর হঠাৎ করেই তিনি বলিউড থেকে। দীর্ঘদিন পর এই অভিনেত্রী জানান, কেন অভিনয় থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। বলছি, অভিনেত্রী মালিনী শর্মার কথা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মালিনী। সেখানে অভিনয়ে আসা ও সিনেমা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণ জানান তিনি। মালিনী জানিয়েছেন, অভিনেত্রী হওয়ার কোনো পরিকল্পনাই তার ছিল না। ‘রাজ’-এ অভিনয়ের সুযোগও অনেকটা হঠাৎ করেই এসেছিল। পরে সিনেমাটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিলে সেই জনপ্রিয়তার সঙ্গে কীভাবে এগোবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়ে যান তিনি। এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে মালিনী লেখেন, ‘অভিনেত্রী হওয়ার কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার কখনো ছিল না। ‘রাজ’ হঠাৎ হয়ে গিয়েছিল এবং আমি পরিস্থিতির সঙ্গে এগিয়ে গিয়েছিলাম। সিনেমাটি মুক্তির পর আমার ওপর হঠাৎ করে যে বিপুল আলো এসে পড়ল, তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম না। তাই একটু ধীর হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ তবে মালিনী স্পষ্ট করেছেন, তিনি হঠাৎ করে সবকিছু ছেড়ে দেননি। কিছুদিন সিনেমার আড়ালে কাজ করেছেন। পরে সন্তানদের জন্মের পর তার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে যায়। সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, যেভাবে বলা হয় আমি হঠাৎ উধাও হয়ে যাইনি। কিছুদিন ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছি। এরপর আমার জীবনে সন্তানরা আসে এবং তাদের দেখাশোনা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ি।’ অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মালিনী পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিলেন না। সিনেমার বাইরে নিজের জন্য নতুন একটি জীবন গড়ে তুলেছেন তিনি। ক্যামেরার পেছনে কাজ করার পাশাপাশি ‘দ্য স্লো লোকাল’ নামে একটি ব্র্যান্ডও তৈরি করেছেন। সময়ের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির কার্যক্রম ও রূপে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে সাহ্যাদ্রি পাহাড় এলাকায় বসবাস করছেন মালিনী। সেখানে একটি ফার্মস্টে পরিচালনা করছেন তিনি। অর্থাৎ বলিউডের আলোঝলমলে জীবন থেকে অনেকটাই দূরে গিয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি একটি জীবন বেছে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে ভক্তদের অনেকেই এখনও বড় পর্দায় তাকে দেখতে চান। মালিনী আবার অভিনয়ে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। অবশ্য সম্ভাবনার দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করেননি। এক ভক্ত তাঁকে আবার সিনেমায় ফেরার অনুরোধ করলে মালিনী সংক্ষেপে উত্তর দেন, ‘দেখা যাক। ভাগ্যে থাকলে হবে।’ অভিনেত্রী হিসেবে ‘রাজ’ তার জীবনে হঠাৎ আসা একটি অধ্যায় হলেও সিনেমাটির জনপ্রিয়তা তাঁকে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে দেয়। এরপর বলিউড থেকে সরে গিয়ে সন্তান, প্রকৃতি ও নিজের উদ্যোগকে ঘিরে নতুন জীবন বেছে নিয়েছেন তিনি। আবার কখনো অভিনয়ের জগতে ফিরবেন কি না, সেই উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রেখেছেন মালিনী শর্মা। সূত্র: এনডিটিভি

ব্রেকআপের পর কী করবেন?

হঠাৎ কোনো সম্পর্কের সমাপ্তি মানুষকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে। প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে বুকের ভেতর জমে থাকা শোক, একাকিত্ব ও অস্থিরতা অনেক সময় দৈনন্দিন জীবনেও। হঠাৎ করে বদলে যেতে পারে ঘুম ও খাওয়ার অভ্যাস, কমে যেতে পারে কাজে মনোযোগ, বাড়তে পারে একাকীত্ব ও উদ্বেগ। বিশেষ করে ব্রেকআপের পর প্রথম কয়েকটি দিন অনেকের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হয়ে ওঠে। আবেগের তীব্রতায় কেউ কেউ এমন সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেন, যা পরে অনুশোচনার কারণ হতে পারে।  এ সময় নিজেকে সামলে নেওয়ার কিছু উপায় তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ‘মার্গ মাইন্ডকেয়ার’-এর মনোবিজ্ঞানী শিরীন দারগানের পরামর্শ অনুযায়ী, ব্রেকআপের পর প্রথম সপ্তাহে লক্ষ্য হওয়া উচিত দ্রুত প্রাক্তন সঙ্গীকে ভুলে যাওয়া নয়; বরং নিজের মানসিক স্থিরতা ফিরিয়ে আনা। ব্রেকআপের পর ‘সামনে এগিয়ে যাওয়া’ মানেই কোনো ‘রিভেঞ্জ গ্লো-আপ’ (প্রতিশোধমূলকভাবে নিজেকে আকর্ষণীয় প্রমাণ করার চেষ্টা) পরিকল্পনা করা নয়, কিংবা প্রাক্তন সঙ্গী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কী করছেন, নতুন কারও সাথে যুক্ত হচ্ছেন কি না তা বারবার পরীক্ষা করাও নয়।  প্রথম সপ্তাহের লক্ষ্য এই নয় যে তাৎক্ষণিকভাবে প্রাক্তনকে মন থেকে মুছে ফেলতে হবে; বরং এই সময়টির মূল লক্ষ্য হলো নিজেকে মানসিকভাবে স্থিতিশীল করা, নিজের অনুভূতিগুলো বুঝতে পারা এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রুটিনে ফিরে এসে নিজের পায়ের নিচের মাটি পুনরায় খুঁজে পাওয়া।  নিজের মৌলিক প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিনমানসিক চাপের সময় ঘুম, খাওয়া ও শরীরের যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ বিষয়গুলোও অবহেলিত হতে পারে। অথচ এগুলো ঠিক না থাকলে মন খারাপ ও উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম, সময়মতো খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা শারীরিক নড়াচড়া বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত। খুব বেশি কিছু করার শক্তি না থাকলেও কিছুক্ষণ হাঁটা, গোসল করা কিংবা স্বাস্থ্যকর কিছু খাওয়ার মতো ছোট কাজ দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। আবেগকে চেপে রাখবেন নাব্রেকআপের পর দুঃখ, রাগ, হতাশা কিংবা একাকীত্ব অনুভব করা স্বাভাবিক। এসব আবেগ থেকে পালানোর বদলে সেগুলোকে স্বীকার করা প্রয়োজন। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট নিজের অনুভূতির জন্য আলাদা করে রাখা যেতে পারে। এ সময় ডায়েরিতে লেখা, কান্না করা কিংবা নিজের অনুভূতিগুলো নিয়ে নিরিবিলি ভাবার সুযোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে আবেগকে বোঝা ও নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে। তবে সারাদিন যেন এসব চিন্তাই দখল করে না নেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রাক্তনকে ঘিরে ডিজিটাল ট্রিগার এড়িয়ে চলুনব্রেকআপের পর প্রাক্তন সঙ্গীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বারবার দেখা, পুরোনো ছবি বা মেসেজ ঘাঁটা কিংবা তিনি কখন অনলাইনে আসছেন তা খেয়াল করা মানসিক কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কিছুদিনের জন্য এসব যোগাযোগ সীমিত করা যেতে পারে। প্রয়োজনে আনফলো, মিউট বা অন্যান্য গোপনীয়তা সেটিং ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি প্রতিহিংসার প্রকাশ নয়; বরং নিজের মানসিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় দূরত্ব তৈরি করার একটি উপায়। কাছের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুনব্রেকআপের পর নিজেকে সবার কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। কিন্তু পুরোপুরি একা হয়ে যাওয়ার বদলে অন্তত এক বা দুজন বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ভালো। সবসময় নিজের সমস্যা নিয়ে আলোচনা বা সমাধান খোঁজার প্রয়োজন নেই। কাছের কারও সঙ্গে কিছুক্ষণ বসে থাকা, একসঙ্গে হাঁটতে যাওয়া কিংবা একবেলা খাবার খাওয়াও একাকীত্ব কমাতে সাহায্য করতে পারে। এতে একই চিন্তা বারবার মাথায় ঘুরতে থাকার প্রবণতাও কিছুটা কমতে পারে। আবেগের বশে বড় সিদ্ধান্ত নেবেন নাব্রেকআপের পর মানসিক অস্থিরতার মধ্যে হঠাৎ চাকরি ছেড়ে দেওয়া, প্রাক্তনকে বারবার মেসেজ পাঠানো, অতিরিক্ত মাদক বা অন্য ক্ষতিকর উপায়ে আশ্রয় নেওয়া কিংবা দ্রুত নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। এ সময় কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া জরুরি। কারণ তীব্র আবেগের মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থাকতে পারে। মনে রাখবেন, সেরে ওঠার পথ একরকম নয়ব্রেকআপের পর মানসিকভাবে স্বাভাবিক হয়ে ওঠা কোনো সরলরেখার মতো প্রক্রিয়া নয়। একদিন হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে ভালো লাগতে পারে, আবার পরদিনই মন খারাপ হয়ে কান্না আসতে পারে। এমন ওঠানামা স্বাভাবিক এবং এর অর্থ এই নয় যে আপনি আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র বিষণ্ণতা বা উদ্বেগ, ঘুম ও খাওয়ার সমস্যা চলতে থাকলে কিংবা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা এলে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের সহায়তা নেওয়া প্রয়োজন।

মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা

মৌলভীবাজারে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা

মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল হকের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম।সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন,বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান এবং জেলা পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সদস্যদের কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।সভা শেষে আগস্ট ২০২৬ মাসের কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা ও থানা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নির্বাচিত হন মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. সাইফুল ইসলাম।শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হন সদর মডেল থানার এসআই রিপটন পুরকায়স্থ। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক অফিসার নির্বাচিত হন জুড়ী ট্রাফিকের টিএসআই মো. আলাউদ্দিন। শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হন শ্রীমঙ্গল থানার এএসআই মো. আবু হানিফ।এ ছাড়া আলোচিত দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সদর মডেল থানার এসআই জয়ন্ত সরকারকে পুরস্কৃত করা হয়। সিডিএমএসে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মামলা ও ওয়ারেন্ট এন্ট্রি করায় সদর কোর্টের সিডিএমএস অপারেটর কনস্টেবল নজরুল ইসলামকেও পুরস্কার দেওয়া হয়।সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আসিফ মহিউদ্দীন,পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা,পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খায়ের,জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধান,সব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream