সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ
পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ

আট দিন পর বাঁধের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমে আসায়। জলকপাটগুলো রোববার রাত ৯টার পর বন্ধ করা হয়। এর আগে হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় গত ২৯ আগস্ট রাত ৮টায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। 

এতে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হয়। পরে পানির চাপ বাড়তে থাকায় কয়েক দফায় পানি ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ১৬টি জলকপাট দিয়ে তিন ফুট করে পানি ছাড়া হয়।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী তারেক আহমেদ জানান, জলকপাট বন্ধ করা হলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট থেকে দৈনিক ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় প্রতি সেকেন্ডে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আর জানান, রাতে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০৪ দশমিক ৯৮ মিটার এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ মিটার এমএসএল।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান বলেন, বৃষ্টিপাত কমে আসায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমছে। এ কারণে জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার জলকপাট খোলা হবে কি না, তা হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৬০ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের সৃষ্টি হয়।

বিষয় : কাপ্তাই বাঁধ জলকপাট বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


পানি কমতেই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আট দিন পর বাঁধের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমে আসায়। জলকপাটগুলো রোববার রাত ৯টার পর বন্ধ করা হয়। এর আগে হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছায় গত ২৯ আগস্ট রাত ৮টায় কাপ্তাই বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। 

এতে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছাড়া হয়। পরে পানির চাপ বাড়তে থাকায় কয়েক দফায় পানি ছাড়ার পরিমাণ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ১৬টি জলকপাট দিয়ে তিন ফুট করে পানি ছাড়া হয়।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী তারেক আহমেদ জানান, জলকপাট বন্ধ করা হলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট থেকে দৈনিক ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় প্রতি সেকেন্ডে আরও ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি আর জানান, রাতে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয়েছে ১০৪ দশমিক ৯৮ মিটার এমএসএল। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ মিটার এমএসএল।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান বলেন, বৃষ্টিপাত কমে আসায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা কমছে। এ কারণে জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আবার জলকপাট খোলা হবে কি না, তা হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করবে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১৯৬০ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়। বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে কৃত্রিম কাপ্তাই হ্রদের সৃষ্টি হয়।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream