বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

বিনোদন

এআইয়ের জাদুতে আশির দশকে ফিরছেন নেটিজেনরা

এআইয়ের জাদুতে আশির দশকে ফিরছেন নেটিজেনরা

আকর্ষনীয় একটি ছবিতে খুব পরিপাটি বেশে নারী অথবা পুরুষ। পরনে আশির দশকের পোশাক। চুলের স্টাইলও সেই সময়ের। ব্যাকগ্রাউন্ডে কৈশর বা যৌবনের তপ্ত সময়ের ফেলে আসা রাস্তা। ছবিটির রঙও কিছুটা ফিকে। দেখলে মনে হবে, চার দশক আগে কোনো এক বিকেলে ক্যামেরায় বন্দি হয়েছিল মুহূর্তটি।  কিন্তু ছবিটি আসলে তোলা হয়নি আশির দশকে। এমনকি সেই সময় ছবিতে থাকা মানুষটির জন্মই হয়নি হয়তো। ছবিটি বানিয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। স্যোশালমিডিয়ায় এখন এমন ছবির ছড়াছড়ি। বিশেষ করে ফেসবুকে নিজেদের ছবি দিয়ে আশির দশকের আবহ তৈরি করে প্রোফাইল ছবি কিংবা পোস্ট হিসেবে শেয়ার করছেন অনেকে। কেউ নিজেকে দেখছেন তরুণ বয়সের পোশাকে। কেউ ফিরছেন পুরোনো পরিচিত রাস্তায়। কেউ আবার বন্ধু, ভাই-বোন কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তৈরি করছেন এমন ছবি, যার কোনো বাস্তব অস্তিত্বই ছিল না। প্রযুক্তির ভাষায় এটি একটি এআই জেনারেটেড ইমেজ। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভাষায় এটি যেন ‘হারানো সময়কে ফিরে পাওয়া’। কেন আশির দশক? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে নস্টালজিয়ার কাছে যেতে হয়। আশির দশক মানে অনেকের কাছে ক্যাসেট, ভিসিআর, ফিল্ম ক্যামেরা, বড় চুল, রঙিন শার্ট, পুরোনো সিনেমার পোস্টার, পাড়ার দোকান আর দীর্ঘ আড্ডা। সেই সময়ের প্রযুক্তি ছিল সীমিত, কিন্তু তার দৃশ্যমান সংস্কৃতির একটি আলাদা চরিত্র ছিল। বর্তমানের অত্যন্ত পরিষ্কার, নিখুঁত ও ডিজিটাল ছবির বিপরীতে আশির দশকের ছবির কৃত্রিম ‘অসম্পূর্ণতা’ও এখন আকর্ষণের অংশ। ছবিতে সামান্য গ্রেইন, পুরোনো ক্যামেরার আলো কিংবা বিবর্ণ রঙ এসবই এআই দিয়ে করা যাচ্ছে। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন এক ধরনের নস্টালজিয়া। মজার বিষয় হলো, এই নস্টালজিয়া শুধু আশির দশকে বেড়ে ওঠা মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা নেই- এমন তরুণরাও রেট্রো সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অর্থাৎ এখানে শুধু স্মৃতি কাজ করছে না; কাজ করছে কল্পিত স্মৃতিও। এআই কীভাবে ‘পুরোনো’ ছবি বানায়? এআইকে একটি ছবি এবং নির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেমন- আশির দশকের পোশাক, পুরোনো ফিল্ম ক্যামেরার লুক, সেই সময়ের রাস্তা, ঘরের সাজ, আলো বা রঙের ব্যবহার। এরপর এআই মানুষের মুখের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ধরে রেখে আশপাশের দৃশ্য ও পোশাককে নতুনভাবে তৈরি করে। ফলে একজন মানুষকে এমন একটি সময়ে বসানো সম্ভব হয়, যখন তিনি বাস্তবে সেখানে ছিলেন না। এটি অনেকটা ডিজিটাল সময়ভ্রমণের মতো। ছবি কি আর প্রমাণ? একসময় ছবি ছিল ঘটনার প্রমাণ। কোনো ঘটনা ঘটেছিল, তার সবচেয়ে শক্তিশালী দৃশ্যমান দলিলগুলোর একটি ছিল ছবি। কিন্তু জেনারেটিভ এআই সেই ধারণা বদলে দিচ্ছে। এখন এমন একটি ছবি তৈরি করা সম্ভব, যেখানে মানুষটি সত্যিই ছিলেন না, ঘটনাটিও ঘটেনি। অথচ ছবিটি দেখতে এতটাই বাস্তব হতে পারে যে সাধারণ চোখে পার্থক্য করা কঠিন। এই কারণেই প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত ও লেবেল করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। মেটা তাদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসে এআই-তৈরি ছবি শনাক্ত হলে ‘AI Info’ লেবেল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন একটি নতুন প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে- ছবিটি সুন্দর কি না, তার পাশাপাশি ছবিটি সত্য কি না।

‘শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপ’—বাঁধনের পাশে মৌসুমী হামিদ

অভিনয়শিল্পী মৌসুমী হামিদ ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন। তার মতে, ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপের,’ বিদেশের মাটিতে বাঁধনের ওপর হামলা ঘটনা মনে করিয়ে দেয়। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) মৌসুমী হামিদ লেখেন, ‘এই দেশে শিল্পী হওয়াটাও পাপের। কারণ, শিল্পীরাই দেখি সবচেয়ে বড় রাজনীতিবিদ হিসেবে কথা বলছেন। কোনো শিল্পীর ওপর হামলাই কাম্য নয়। সেটা ৩২ নম্বরে হোক আর ইতালির ভেনিসেই হোক। ’ নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, জীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও দেশের ভালো-মন্দ নিয়ে সবসময় কথা বলেছেন। একই সঙ্গে একজন শিল্পী হিসেবে আরেক শিল্পীর পাশে থাকার কথাও জানান তিনি। বাঁধনের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের একাংশের বক্তব্যের সমালোচনা করে মৌসুমী লেখেন, ‘যেসব শিল্পীরা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হওয়া হামলাকে সমর্থন করছেন বা তুলনা করছেন, বলছেন যারা বাঁধনের জন্য কানছে তারা ৩২ নম্বরে হামলার সময় কথা বলে নাই কেন। তাদেরকে বলতেছি, আপনারা যদি মনে করেন ৩২ নম্বরে একজনের কাপড় টেনে ছেঁড়া হইছে দেখে এখন আর একজনের কাপড় টেনে ছেঁড়ার অধিকার আপনারা যে রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন তাদের আছে। তাইলে আপনারা কিসের নেতা হবেন, সেটা বুঝা যাইতেছে। আপনেরা দেশের জন্য কি করবেন সেটাও বুঝা যাইতেছে।’ jwARI.fetch( $( "#ari-image-jw6aa000ee009d3" ) ); তিনি আরও বলেন, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে শিল্পী বা মানুষকে বিচার করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা প্রয়োজন। মানুষের নেতৃত্ব ও মানবিকতার জায়গাটিকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মৌসুমী হামিদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান ও মওলানা ভাসানীর মতো নেতাদের উদাহরণ টানেন। পোষ্টের শেষাংশে তিনি লিখেন, ‘শিল্পী হয়ে মানুষকে তার মনুষ্যত্ব দিয়ে বিচার করা ভুলে আমরা শুধুমাত্র দল দিয়ে বিচার করা শিখতেছি, বাহ!’    

‘শিল্পী হওয়াটাই যেন পাপ’—বাঁধনের পাশে মৌসুমী হামিদ

সৃজিতের জীবনে ‘স্থায়ী সঙ্গী’ নেই, মিথিলাকে ঘিরে প্রশ্ন

দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে  টলিউডের নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সম্পর্ক নিয়ে। সৃজিত এবার নিজের জীবনে ‘স্টেবল পার্টনারশিপ’ বা স্থায়ী সঙ্গীর অভাবের কথা জানিয়েছেন। তার এই মন্তব্যের পর মিথিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের টকশো ‘স্ট্রেইট আপ উইথ শ্রী’ তে অতিথি হয়ে নিজের অতীত সম্পর্ক, সাবেক প্রেমিকাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং একাকিত্ব নিয়ে কথা বলেন সৃজিত। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জীবনের এই বয়সে এসে তিনি স্থায়ী সঙ্গীর অভাব অনুভব করেন। সৃজিত ও মিথিলার বিয়ের প্রায় ছয় বছর পেরিয়ে গেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের একসঙ্গে সংসার করা নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। গত কয়েক বছরেও একাধিকবার তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। এবার সরাসরি মিথিলার নাম না নিলেও সৃজিতের ‘স্থায়ী সঙ্গী নেই’ মন্তব্য সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। তবে সৃজিত বা মিথিলা কেউই তাদের সম্পর্কের অবস্থা নিয়ে নতুন করে কোনো ঘোষণা দেননি। ফলে আপাতত বিষয়টি সৃজিতের মন্তব্য ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেমিকাদের সঙ্গেও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কথা জানান সৃজিত। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও ঋতাভরী চক্রবর্তীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেলেও তাদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গেও কথা বলেন সৃজিত। তিনি জানান, একসময় সুস্মিতা তার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সম্পর্কের নির্দিষ্ট লেবেল থাকে না। সময়ের সঙ্গে তাদের সেই ঘনিষ্ঠতা কমে গেছে, তবে তারা এখনো একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী। সৃজিতের ভাষায়, জীবন একটি যাত্রার মতো, অনেকে কয়েকটি স্টেশন পর ট্রেন থেকে নেমে যায়। সুস্মিতাও নেমে গেছেন, হয়তো অন্য কোনো ট্রেনে উঠেছেন।

সৃজিতের জীবনে ‘স্থায়ী সঙ্গী’ নেই, মিথিলাকে ঘিরে প্রশ্ন

‘এভাবে কেন?’ বাঁধনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরীমণি

ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি তীব্র প্রতিক্রিয়া ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করার ঘটনায়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বাঁধনের ওপর হামলার সংবাদের ভিডিও শেয়ার করে এক স্ট্যাটাসে এই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘বেশি কিছু না। কতগুলা কুত্তার বাচ্চা রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করছে। এদের কাছে মানুষের বাচ্চার কান্না কিছুই ম‍্যাটার করে না। করেও নাই।’ পরীমণির এই বার্তা স্যোশাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।  নেটিজেন এবং তার ভক্ত-অনুরাগীরাও তার এই ক্ষুব্ধ বার্তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নারী শিল্পীর প্রতি এ ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালিতে অবস্থানকালে সম্প্রতি একটি পার্কে পরিজনদের সামনেই একদল ব্যক্তি আজমেরী হক বাঁধনের ওপর আক্রমণ করে, তার ওপর কোল্ড ড্রিংকস ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে।  ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে বিনোদন ও রাজনীতি অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড় বইছে।

‘এভাবে কেন?’ বাঁধনের ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরীমণি

বাঁধনের ওপর হামলা, ‘লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ’ সাফা

জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর ইতালির ভেনিসে একটি পার্কে হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারা। তাদের মধ্যে অভিনেত্রী সাফা কবির রয়েছেন । তিনি বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় মর্মাহত, ক্ষুব্ধ ও লজ্জিত বলে জানিয়েছেন। সাফা কবির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘বাঁধন আপু ও তার পরিবারকে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো শিল্পীরই এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া উচিত নয়।’ দেশের বাইরে কোনো চলচ্চিত্র উৎসবে শিল্পীরা নিজেদের কাজ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে গেলে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে সাফা আরও লিখেছেন, ‘একজন শিল্পী যখন দেশের বাইরে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের চলচ্চিত্র ও নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যান, তখন তাঁর প্রাপ্য হওয়া উচিত সম্মান ও নিরাপত্তা। অপমান, হয়রানি বা আতঙ্ক নয়।’ শিল্পীদের রাজনীতির টানাপোড়েনে জড়ানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাফা কবির। তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে, আমাদের দেশের শিল্পীদের বারবার কোনো না কোনোভাবে রাজনীতির জঘন্য টানাপোড়েনের মধ্যে টেনে আনা হয়। শিল্পী সত্য, ন্যায় ও মানুষের কথা বলবেন—এটাই তো শিল্পীর স্বাধীনতা। কিন্তু সেই কণ্ঠের জন্য কেন তাঁকে বারবার মূল্য দিতে হবে?’ এ ধরনের ঘটনার কারণে বিদেশে পুরো বাংলাদেশের মানুষকে নেতিবাচকভাবে দেখার আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। সাফা লিখেছেন, ‘আরও কষ্ট হয় যখন কিছু মানুষের আচরণের কারণে পুরো জাতিকে বিচার করা হয়, আমাদের হিংস্র, উগ্র কিংবা অসভ্য হিসেবে পরিচিত হতে হয়। কিছু মানুষের কাজের দায় কেন একটি পুরো দেশের মানুষ বহন করবে? কেন সাধারণ বাংলাদেশিদের তার মূল্য দিতে হবে, দেশের বাইরে সম্মান থেকে শুরু করে ভিসা কিংবা চলাচলের ক্ষেত্রেও?’ বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে সাফা বলেন, ‘বাঁধন আপুর সঙ্গে যা ঘটেছে, তাতে গভীরভাবে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ। আমি চাই, এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হোক এবং তিনি ন্যায়বিচার পান।’ তবে এমন ঘটনা কয়েক দিনের আলোচনা-সমালোচনার পর যেন হারিয়ে না যায়, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি। সাফার ভাষায়, ‘তবে একই সঙ্গে ভয়ও হয়, এই ঘটনাটিও কি কয়েক দিনের খবর হয়ে থাকবে? কিছু আলোচনা, কিছু প্রতিবাদ, কিছু সংবাদ, তারপর নতুন কোনো ঘটনার নিচে চাপা পড়ে যাবে?’ সবশেষে বিষয়টি শুধু একজন শিল্পীর নিরাপত্তার প্রশ্ন নয় বলেও মন্তব্য করেন সাফা কবির। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা যেন ভুলে না যাই। কারণ একজন শিল্পীর নিরাপত্তা, সম্মান এবং স্বাধীনতার প্রশ্ন শুধু একজন শিল্পীর নয়, এটি আমাদের সমাজ, আমাদের দেশ এবং আমাদের পরিচয়েরও প্রশ্ন। একজন শিল্পীর কণ্ঠ, সম্মান ও নিরাপত্তা কখনোই রাজনীতির মূল্য হওয়া উচিত নয়।’

বাঁধনের ওপর হামলা, ‘লজ্জিত ও ক্ষুব্ধ’ সাফা

রাতারাতি খ্যাতি, তারপরই আড়ালে মালিনী শর্মা

রাতারাতি পরিচিতি পেয়েছিলেন ‘রাজ’ সিনেমার মাধ্যমে । বিক্রম ভাট পরিচালিত ২০০২ সালে এই সিনেমায় ডিনো মরিয়ার সঙ্গে তার অভিনয় দর্শকের নজর কাড়েন। এরপর হঠাৎ করেই তিনি বলিউড থেকে। দীর্ঘদিন পর এই অভিনেত্রী জানান, কেন অভিনয় থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। বলছি, অভিনেত্রী মালিনী শর্মার কথা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মালিনী। সেখানে অভিনয়ে আসা ও সিনেমা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণ জানান তিনি। মালিনী জানিয়েছেন, অভিনেত্রী হওয়ার কোনো পরিকল্পনাই তার ছিল না। ‘রাজ’-এ অভিনয়ের সুযোগও অনেকটা হঠাৎ করেই এসেছিল। পরে সিনেমাটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিলে সেই জনপ্রিয়তার সঙ্গে কীভাবে এগোবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়ে যান তিনি। এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে মালিনী লেখেন, ‘অভিনেত্রী হওয়ার কোনো উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার কখনো ছিল না। ‘রাজ’ হঠাৎ হয়ে গিয়েছিল এবং আমি পরিস্থিতির সঙ্গে এগিয়ে গিয়েছিলাম। সিনেমাটি মুক্তির পর আমার ওপর হঠাৎ করে যে বিপুল আলো এসে পড়ল, তখন ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি নিশ্চিত ছিলাম না। তাই একটু ধীর হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ তবে মালিনী স্পষ্ট করেছেন, তিনি হঠাৎ করে সবকিছু ছেড়ে দেননি। কিছুদিন সিনেমার আড়ালে কাজ করেছেন। পরে সন্তানদের জন্মের পর তার জীবনের অগ্রাধিকার বদলে যায়। সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, যেভাবে বলা হয় আমি হঠাৎ উধাও হয়ে যাইনি। কিছুদিন ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছি। এরপর আমার জীবনে সন্তানরা আসে এবং তাদের দেখাশোনা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ি।’ অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও মালিনী পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিলেন না। সিনেমার বাইরে নিজের জন্য নতুন একটি জীবন গড়ে তুলেছেন তিনি। ক্যামেরার পেছনে কাজ করার পাশাপাশি ‘দ্য স্লো লোকাল’ নামে একটি ব্র্যান্ডও তৈরি করেছেন। সময়ের সঙ্গে ব্র্যান্ডটির কার্যক্রম ও রূপে পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে সাহ্যাদ্রি পাহাড় এলাকায় বসবাস করছেন মালিনী। সেখানে একটি ফার্মস্টে পরিচালনা করছেন তিনি। অর্থাৎ বলিউডের আলোঝলমলে জীবন থেকে অনেকটাই দূরে গিয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি একটি জীবন বেছে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে ভক্তদের অনেকেই এখনও বড় পর্দায় তাকে দেখতে চান। মালিনী আবার অভিনয়ে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। অবশ্য সম্ভাবনার দরজাও পুরোপুরি বন্ধ করেননি। এক ভক্ত তাঁকে আবার সিনেমায় ফেরার অনুরোধ করলে মালিনী সংক্ষেপে উত্তর দেন, ‘দেখা যাক। ভাগ্যে থাকলে হবে।’ অভিনেত্রী হিসেবে ‘রাজ’ তার জীবনে হঠাৎ আসা একটি অধ্যায় হলেও সিনেমাটির জনপ্রিয়তা তাঁকে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে দেয়। এরপর বলিউড থেকে সরে গিয়ে সন্তান, প্রকৃতি ও নিজের উদ্যোগকে ঘিরে নতুন জীবন বেছে নিয়েছেন তিনি। আবার কখনো অভিনয়ের জগতে ফিরবেন কি না, সেই উত্তর আপাতত ভবিষ্যতের হাতেই রেখেছেন মালিনী শর্মা। সূত্র: এনডিটিভি

রাতারাতি খ্যাতি, তারপরই আড়ালে মালিনী শর্মা

ভেনিসে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর বিশ্ব প্রিমিয়ার

বাংলাদেশের সিনেমা ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে ইতালির ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে । রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত সিনেমাটি উৎসবের ৮৩তম আসরের সম্মানজনক ‘অরিজোন্তি’ প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রথম কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলাদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে ভেনিসের পর্দায় ইতিহাস গড়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। শৈশবের স্মৃতি, একটি বিউটি পার্লার ও বিয়েবাড়ির ভীতিপ্রদ গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। প্রায় ২০ বছর ধরে সিনেমাটির ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন। শৈশবে পার্লারে শোনা একটি গল্প ও সেই সময়ের কিছু স্মৃতি তাকে দীর্ঘদিন ধরে তাড়া করে ফিরেছে। সেই স্মৃতি থেকেই ঢাকার একটি বিউটি পার্লার, একটি বিয়ে এবং ছোটবেলার এক ভয়ের গল্পকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।  ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর আরেকটি বিশেষত্ব হলো এর নারীনির্ভর নির্মাণদল। আবহ সংগীত ছাড়া চিত্রগ্রহণ, সম্পাদনা ও প্রোডাকশন ডিজাইনসহ প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান ছিলেন নারীরা। এ প্রসঙ্গে পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন বলেন, নারী টেকনিশিয়ানদের দক্ষতা ও কাজের গতি ছিল বিস্ময়কর। নারীরা ভালো সিনেমা বানাতে পারে না এমন ভুল ধারণা ভাঙতে পেরেছে সিনেমাটি।  চলচ্চিত্রটির মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন নতুন মুখ জাইনীন চৌধুরী করিম। এ ছাড়া বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রিকিতা নন্দিনী শিমু ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। অতিথি চরিত্রে দেখা গেছে আজমেরী হক বাঁধন ও দামীর খানকে। ফ্রান্স, পর্তুগাল, নরওয়ে, জার্মানি ও বাংলাদেশের খনা টকিজের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। চলতি বছরের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সিনেমাটির প্রদর্শনী হবে। আর আগামী বছর বাংলাদেশের দর্শকেরা প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখতে পারবেন।  

ভেনিসে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর বিশ্ব প্রিমিয়ার

পর্দায় কম, সামাজিক মাধ্যমে বেশি নিপুণ

চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার একসময় বেশ আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে।  তাকে সবসময় সিনেমায় অভিনয়ের চেয়ে স্যোশাল মিডিয়াতেই বেশ সরব থাকতে দেখা গেছে। যদিও ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি শিল্পী সমিতি থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত হওয়ার পর নিপুণকে বিনোদন জগতের কোন মাধ্যমে দেখা যায় নি। এমন কী স্যোশাল মিডিয়ায়ও এখন তিনি নিরব।  নিপুণের ২০০৬ সালে অভিনীত প্রথম ছবির নাম ‘রত্নগর্ভা মা’, যা আজও মুক্তি পায়নি। তার অভিনীত ‘পিতার আসন’ প্রথম মুক্তি পাওয়া ছবি।  তিনি ২০১৩ সালে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির সাথে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র অভিষিক্ত হন।

পর্দায় কম, সামাজিক মাধ্যমে বেশি নিপুণ

পূজার সাজে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন

দুর্গাপূজা আসছে। পূজা মানেই অনেক অনেক কেনাকাটা। নিজের জন্য, বাড়ির সব নারীরই যেন শাড়ি কেনার ধুম পড়ে। ডিজাইনাররাও এ উপলক্ষে নতুন নতুন থিমভিত্তিক শাড়ির নকশা করতে বসেন। সেই শাড়িগুলো কিন্তু আসতে শুরু করেছে বাজার এবং অনলাইন পেজগুলোতে। সামনে আরও আসবে। ষষ্ঠী থেকে দশমী, বিশেষ করে তুলতে পূজার প্রতিটি দিন বেছে নেওয়া চাই জুতসই উৎসবের শাড়ি। অনলাইন ও অফলাইনভিত্তিক ফ্যাশন উদ্যোগ সরলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিয়ে এসেছে শাড়ির বিশেষ সংগ্রহ। সরলার স্বত্বাধিকারী মানসুরা ইয়াসমিন স্পৃহা বলেন, ‘উৎসভিত্তিক কাজের নকশা করার সময় একটি বা দুটি পরিধেয় থাকে, যা একেবারে থিমভিত্তিক। এবার পূজা উপলক্ষে এমন অনেক কাজ করা হয়েছে। আমি সব সময় চেষ্টা করি স্টোরিটেলিং ধরনের কাজ করার। মোটকথা, শাড়িতে একটা গল্প থাকবে। শাড়িটা একটা গল্প বলবে!’ এর আগে তিনি শাড়িতে ঢাকার গল্প এঁকেছেন। বাংলাদেশের গল্পচিত্র তুলে ধরেছেন। সরলায় ঢাকার গল্প ১ ও ২ এমন সিরিজ আকারে শাড়ি তৈরি হয়েছে। কোনোটা উত্তরা থেকে মতিঝিলের, কোনোটা আবার মতিঝিল থেকে সদরঘাট পর্যন্ত গল্প বলেছে। স্পৃহা এই প্রথম হাজির হয়েছেন শাড়িতে দুর্গাপূজার গল্প নিয়ে। মূলত ঢাকা শহরের পূজার গল্প সাজিয়ে তুলেছেন উজ্জ্বল রঙের শাড়িতে। স্পৃহা জানান, শাড়িতে সরাসরি দেবী প্রতিমা রাখা না হলেও পূজামণ্ডপ, মণ্ডপের গেট, জনসমাগম, পূজার মেলা ও পূজার আনন্দ তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। কমলা, লাল ও অন্যান্য উজ্জ্বল রঙের এই শাড়ি দুর্গাপূজায় আনা সরলার মূল থিমেটিক শাড়ি। এ ছাড়া পূজার জন্য বিশেষভাবে লাল-সাদা থিমে দুটি শাড়ির নকশা করেছেন তিনি। যাঁরা শৈল্পিক শাড়ি ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য ফোক আর্ট ও মডার্ন আর্ট—এ দুটি ধরন মিলিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন স্পৃহা। পূজার জন্য কেউ চাইলে ওয়ার্লি আর্টের শাড়ি নিতে পারেন, আবার যাঁরা অবয়ব বা প্রাণীর মোটিফ পছন্দ করেন না, তাঁরা ফ্লোরাল মোটিফ ও প্যাটার্নওয়ার্কের শাড়িও নিতে পারবেন। এখন কলমকারি খুব পছন্দ করেন নারীরা। সরলায় রয়েছে কলমকারি ইন্সপায়ার শাড়িও। পূজার বিশেষ শাড়ি সম্পর্কে স্পৃহা বলেন, ‘দেবী ও নারীকে আমি রানির মতোই অপরূপ ও শক্তিশালী হিসেবে উপলব্ধি করি। পূজায় তাই একটা রানির থিমে শাড়ির নকশা করেছি, যেখানে তাসের রানি ও দেবী মিলেমিশে একটা চমৎকার অবয়ব তৈরির প্রয়াস ছিল। পপ কালার ব্যবহার করে নকশা করা শাড়িটি যে কেউ চাইলে অষ্টমীতে পরতে পারবেন।’ এ ছাড়া ধূসর ও লাল রঙের কনট্রাস্ট করে এবং কালো-লালের কম্বিনেশনেও শাড়ি এসেছে সরলায়; যেগুলো অঞ্জলি ও রাতের দাওয়াতে পরে যাওয়ার জন্য একেবারেই আদর্শ। এসব শাড়ির দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে রয়েছে ২০ শতাংশ ছাড়। সরলায় বেশির ভাগ কাজ যেহেতু ডিজিটাল মাধ্য়মে হয়, তাই শাড়ির জন্য মিক্সড ফ্যাব্রিকস বেছে নেন স্পৃহা। বেশির ভাগ সুতি ও সিল্কের মিশ্রণে নিজেদের তাঁতিকে দিয়ে তৈরি করা এই কাপড়ের নাম দিয়েছেন মুন সিল্ক। এসব কাপড় আরামদায়ক। বাড়িতে এবং বাইরেও অনায়াসে পরে থাকা যায় বলে জানান তিনি। সরলাকে নারীরা চিনতে শুরু করেছে মূলত সুন্দর ফিটিংয়ের ব্লাউজের কারণে। স্পৃহা বলেন, ‘আমাদের ব্লাউজের চাহিদা থাকে সারা বছর। পূজার জন্য সরলা থেকেও ব্লাউজ নেওয়া যাবে। আবার চাইলে নিজের পছন্দের কাপড় দিয়ে এখান থেকে কাস্টমাইজ করে ব্লাউজ তৈরি করা যায়।’ কাপড়, নকশা ও ধরনভেদে এসব ব্লাউজের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে পূজার জন্য ব্লাউজের ওপরও ছাড় থাকছে। সরলা ছাড়া হরিতকী, জায়া, খাঁচা, রঙ বাংলাদেশ, বিশ্বরঙ, নহলী, আরাত্রিকাসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস ও ফেসবুক অনলাইন পেজে দুর্গাপূজার জন্য বিশেষ আয়োজন রয়েছে।

পূজার সাজে ঐতিহ্য আর আধুনিকতার মেলবন্ধন

‘আলহামদুলিল্লাহ’—নবজাতককে কোলে নিয়ে পরীমণির পোস্ট

ফের এক ফুটফুটে সদ্যোজাত চিত্রনায়িকা পরীমণির কোলে। তা দেখেই চক্ষু চড়কগাছ ভক্তদের। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে, ফেসবুকে একটি ছবি প্রকাশ করে একটি পোস্ট করেছেন পরীমণি। সেই ছবি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, ‘তিন নাম্বার জন ডান। আলহামদুলিল্লাহ।’ ব্যস!  এদিকে এমন ছবি আর ক্যাপশনের পর নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি আবার মা হলেন এই অভিনেত্রী? নিজের সন্তানদের তো বটেই, এমনিতেও শিশুপ্রেমী এই চিত্রনায়িকা।  এর আগে বহুবার বলেছেন, একাধিক সন্তানের মা হতে চান; কখনো বলেছেন- ১০০ সন্তানের মা হতে চান। হয়তো এমন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছেন নায়িকা।  চিত্রনায়ক শরিফুল রাজের সঙ্গে বেশ কয়েক বছরের সম্পর্কের পর তাদের ঘরে আসে প্রথম সন্তান শাহীম মোহাম্মদ পূণ্য। এরপর রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে ছেলেকে একাই সামলাতে থাকে ‘মা’ পরীমণি। তার বছর কয়েক পর নেন কন্যা সন্তানের দত্তক। নাম রাখেন সাফিরা সুলতানা প্রিয়ম। বর্তমানে দুই সন্তানকে নিয়ে একা হাতেই বড় করছেন এই অভিনেত্রী। কাজের পাশাপাশি বাকি সবটুকু সময় সন্তানদের সঙ্গেই কাটান তিনি এবং মাঝেমধ্যেই তাদের সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন।  শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, গাড়িতে বসে চোখে রোদচশমা পরে পরিপাটি সাজে আছেন পরীমণি, আর তার কোলে এক শিশু। ছবিটি পোস্ট করার পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভিড় জমাচ্ছেন ভক্তরা। সাধারণ দর্শক থেকে শুরু করে অনুরাগীরা অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি প্রশ্ন তুলছেন শিশুটির পরিচয় নিয়ে। পরে শিশুটির পরিচয় ও ক্যাপশনের সত্যতা জানতে এই অভিনেত্রীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। প্রসঙ্গটি না তুলতেই কলটি কেটে দেন তিনি। ফলে রহস্যময় শিশুটিকে ঘিরে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা আরও ঘনীভূত হতে থাকল। যদিও নেটিজেনদের অনুমান ওখানেই আটকে যে- নতুন কোনো সন্তান দত্তক নিলেন পরীমণি।

‘আলহামদুলিল্লাহ’—নবজাতককে কোলে নিয়ে পরীমণির পোস্ট

নতুন লুকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন পূজা চেরী

ব্যস্ত শুটিং ও গ্ল্যামার জগতের ব্যস্ত শিডিউল ভেঙে শহরের কোলাহল এড়িয়ে সমুদ্রের অপার নীলিমায় হারিয়ে গেছেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী। প্রকৃতির কাছে ফেরার তাগিদ থেকেই তাঁর এই সাম্প্রতিক সমুদ্রভ্রমণ।সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমুদ্রভ্রমণের একগুচ্ছ নতুন ছবি শেয়ার করেছেন পূজা চেরী, যা তাঁর ভক্ত-অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। ছবিগুলোতে কোলাহলমুক্ত সমুদ্রের পাড়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন আবহ ও স্নিগ্ধ রূপে ধরা দিয়েছেন তিনি।রোদেলা দুপুরে সমুদ্রসৈকতের বালুকাময় পাড়ে পূজার পরনে ছিল হালকা গোলাপি বা কোরাল রঙের একটি প্লিটেড জাম্পস্যুট (Pleated Jumpsuit), যা সমুদ্রভ্রমণের জন্য একই সঙ্গে আরামদায়ক ও ফ্যাশনেবল।চোখের নীল রঙের স্টাইলিশ সানগ্লাস ও পরিপাটি করে পেছনে বাঁধা চুলে অভিনেত্রীর শান্ত ও প্রশান্ত ভঙ্গি ফুটে উঠেছে।খোলা আকাশ আর বিশাল জলরাশির সামনে আড়চোখে তাকিয়ে থাকার ভঙ্গিটিকে কেবল পোজ নয়, বরং প্রকৃতির প্রতি এক গভীর অনুভূতির প্রকাশ হিসেবেই মনে করছেন তাঁর ভক্তরা। পূজা চেরীর এই ভ্রমণচিত্রের স্নিগ্ধ লুক এখন নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রে।

 নতুন লুকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন পূজা চেরী

সালমান শাহকে স্মরণে তিন দিনের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনের উন্মুক্ত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করেছে। এ উৎসব চলবে ‘সালমান শাহ স্মরণে’ শিরোনামে আজ রোববার থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিএফডিসির ভিআইপি প্রজেকশন হলে প্রতিদিন বিকেল ৪টায় দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে এই আয়োজন। আজ রোববার এ অভিনেতার ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী। আয়োজকরা জানিয়েছেন সালমান অভিনীত ৩ টি সিনেমা দেখানো হবে উৎসবে। প্রথম দিন আজ বিকাল ৪টায় প্রদর্শিত হবে এম এ খালেক পরিচালিত সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’। ১৯৯৫ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় সালমানের বীপরীতে অভিনয় করেন শাবনূ ও সোনিয়া। দ্বিতীয় দিন আগামীকাল একই সময়ে দেখানো হবে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। ১৯৯৩ সালে মুক্তি পাওয়া এ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়েছিল সালমান শাহ ও মৌসুমী জুটির। সিনেমায় অভিনয় করেছেন রাজীব, আবুল হায়াত প্রমূখ। উৎসবের শেষ আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় থাকছে মতিন রহমান পরিচালিত ‘তোমাকে চাই’।  ১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমায় সালমান শাহর বিপরীতে অভিনয় করেছেন শাবনূর। চার বছরের অভিনয়জীবনে সালমান সিনেমা করেছেন ২৭টি। ১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের দারিয়াপাড়ায় নানাবাড়িতে জন্ম সালমান শাহর। শৈশবে সংগীতের পাঠ নিয়েছিলেন ছায়ানটে, গেয়েছেন গানও।

সালমান শাহকে স্মরণে তিন দিনের চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

গল্প-চরিত্র বাছাইয়ে ঋতাভরীর পছন্দই আলোচনায়

খুব একটা চোখে পড়ে না সমকালীন অভিনেত্রীর মতো ঋতাভরী চক্রবর্তীর ব্যস্ততা। তারপরও টলিউড ও বলিউডে যেখানেই কাজ করেছেন, নির্মাতাদের আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন এবং একইভাবে দর্শক প্রশংসা কুড়িয়েছেন অনিন্দ্য অভিনয় দিয়ে। যে কারণে সিনেমা বা সিরিজের গল্প ও চরিত্র নির্বাচন থেকে শুরু করে ঋতাভরী প্রতিটি কাজে তাঁর চিন্তাভাবনাকে মূল্যায়ন করে সিনেমাপ্রেমীরা। এবার শিক্ষক দিবসে ঋতাভরী যা করলেন, তা নিয়ে রীতিমতো বিস্মিত নেটিজেনরা। কারণ, এদিন অভিনেত্রী যা পোস্ট করেছেন, তার পুরো ফ্রেমজুড়ে ছিল কেবলই বাঁশের ছবি। আর সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা ‘আমার জীবনের সব থেকে ধারাবাহিক শিক্ষককে জানাই শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।’ শিক্ষক দিবসে ঋতাভরী এই ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট করতে পারেন, তা স্বপ্নেও ভাবেনি কেউ। যার দারুণ, সামাজিক মাধ্যমে কটাক্ষের তীর ছোড়া শুরু করেছেন নেট দুনিয়ার বাসিন্দরা। সংবাদ প্রতিদিন, এই সময় অনলাইন থেকে শুরু করে ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, প্রতিবছর ৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হয় শিক্ষক দিবস। এ বছরও ভারতরত্ন ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণের জন্মজয়ন্তীকে স্মরণ করে সবাই নিজের স্কুল-কলেজের প্রিয় শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এর মাঝেই হঠাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যঙ্গাত্মক এক পোস্ট করে নজর কেড়েছেন টলিউড ও বলিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। পোস্ট ঋতাভরী তাঁর শিক্ষা জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতাকে বাঁশের সঙ্গে তুলনা করেছেন। অভিনেত্রীর এমন পোস্টের মন্তব্য বাক্সে রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে। হেসে খুন অনুরাগীরা। এমনকী ঋতাভরী চক্রবর্তীর পোস্ট দেখে স্থির থাকতে পারেননি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও। কমেন্টে হেসে গড়িয়েছেন তিনিও। কেউ বা নায়িকার কৌতুকবোধের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে আপাতদৃষ্টিতে এই পোস্ট মজার বলে মনে হলেও নেট ভুবনের একাংশ কিন্তু অভিনেত্রীর আক্ষেপই দেখছেন! তাদের কৌতূহল, সব ঠিক আছে তো? এসব প্রশ্নের নিরিখেই ঋতাভরীর পোস্ট আতশ কাচের নিচে রেখেছেন নেটিজেনরা। উদ্ধারের চেষ্টা করছেন, অভিনেত্রী তাঁর পোস্টের মাধ্যমে কী বোঝাতে চাইছেন। এদিকে পূর্ব ভারতের অভিনেত্রী হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সবচেয়ে বেশি অনুসরণকারীর মালকিন বনে যাওয়া ঋতাভরীর হাতের বড় কোনো প্রজেক্ট নেই। ‘পরী’, ‘নেকেড’সহ আরও বেশ কিছু সিনেমা সিরিজে অভিনয়ে করে দর্শক প্রশংসা কুড়ালেও ব্যস্ততা বাড়েনি এতটুকু। সর্বশেষ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে ‘ছদ্মবেশী’ নামে থ্রিলার ওয়েব সিরিজে দেখা গেছে তাঁকে। এরপর থেকে তিনি কেবলই আলোচনায় ছিলেন সামাজিক মাধ্যমের পোস্টগুলো নিয়ে। যেখানে দেশ ও সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে অকপটে নিজ মন্তব্য তুলে ধরেছেন ঋতাভরী। যার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, অনৈতিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই তিনি আপস করতে চান না। তবে আগের পোস্টগুলো নিয়ে কেউ সোরগোল না তুললেও শিক্ষক দিবসের ঘটনাটি চমকে দিয়েছে তাঁর অনুরাগী ও নেটিজেনদের।

গল্প-চরিত্র বাছাইয়ে ঋতাভরীর পছন্দই আলোচনায়

মাদক মামলায় ফাঁসির আদেশ, তালিকায় জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকাও

মিসরের একটি আদালত মাদকদ্রব্য তৈরি ও পাচার সংশ্লিষ্ট মামলায় দেশটির সুপরিচিত এক নারী টেলিভিশন উপস্থাপকসহ ১২ জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন। দেশটির সরকারি গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘মিশন ইম্পসিবল’ নামের অপরাধ ও নিরাপত্তাবিষয়ক একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপিকা হিসেবে পরিচিত ৩৯ বছর বয়সী সারাহ খলিফা। মাদক উৎপাদন ও পাচারের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গড়ে তোলার অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে। তবে সারাহ খলিফা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র ‘আল-আহরাম’ জানিয়েছে, খলিফা ও অন্য ১১ আসামি বিদেশ থেকে মাদক তৈরির কাঁচামাল আমদানি করে তা দিয়ে সিন্থেটিক মাদক তৈরি করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এসব মাদক বিক্রি ও পাচারের জন্য তৈরি করা হতো। মামলার তদন্তে ৭৫০ কেজির বেশি মাদক ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়। এ ছাড়া দুটি অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালিয়ে সেগুলো মাদক তৈরির গবেষণাগার হিসেবে ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়। সেখানে লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আল-আহরাম। আদালতে সরকারি কৌঁসুলিদের কাছে ২০ জন সাক্ষীর দেওয়া জবানবন্দি উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি কথোপকথন ও ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক প্রমাণও আদালতে উপস্থাপন করা হয়। গত সেপ্টেম্বরে আদালতে শুনানির সময় বিচারক তার কথিত ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদকবিরোধী কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে মাদকের সঙ্গে ছবি তোলার আগে আমি কখনো কোনো মাদক দেখিনি। মিশরের আইন অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডের রায় চূড়ান্ত করার আগে দেশটির গ্র্যান্ড মুফতির কাছ থেকে ধর্মীয় মতামত নেওয়া বাধ্যতামূলক। সেই প্রক্রিয়া শেষে আদালত ফাঁসির আদেশের রায় চূড়ান্ত করেন। তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে। খলিফার আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। এই মামলায় আরও নয়জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এক তরুণকে অপহরণ ও মারধরের পৃথক মামলায় খলিফা ও অন্য কয়েকজনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মিশরে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাসবাদ, নির্দিষ্ট কিছু ধর্ষণ এবং মাদক পাচারের মতো অপরাধে ফাঁসির আদেশের বিধান রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মিশরে ৪৯২টি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয় এবং ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অন্যদিকে ‘ইজিপশিয়ান কমিশন ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমস’-এর হিসাবে, একই বছরে দেশটিতে ৫৪১টি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল।

মাদক মামলায় ফাঁসির আদেশ, তালিকায় জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপিকাও

বিশ্বসুন্দরীর মুকুট উঠল জোহেইরির মাথায়

ডোমিনিকান রিপাবলিকের জোহেইরি মোলা দোমিঙ্গেস মিস ওয়ার্ল্ড ২০২৬ মুকুট জিতেছেন । বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের নিয়া ট্রাং শহরে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ১১১ জন প্রতিযোগীকে টপকে বিশ্বসুন্দরীর এই খেতাব জেতেন তিনি। জোহেইরি মোলা মিস ওয়ার্ল্ড ডোমিনিকান রিপাবলিক ২০২৫ খেতাব জেতেন। সেই প্রতিযোগিতায় জয়ী হবার সুবাদে এবার বিশ্ব আসরে আসার সুযোগ পান।ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে সফল জোহাইরি একাধারে শিক্ষক, সাংবাদকর্মী, সমাজকর্মী।  শনিবার তার মাথায় নীল মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ওয়ার্ল্ড থাইল্যান্ডের ওপাল সুচাতা চুয়াংস্রি। এখন থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিস ওয়ার্ল্ড সংস্থার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজ এবং বিশ্বজুড়ে ‘বিউটি উইথ আ পারপাস’ প্রচার অভিযানের প্রতিনিধিত্ব করবেন এই ডোমিনিকান সুন্দরী।  প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়েছেন স্পেনের এলিসাবেথ রেইনেস এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মিস মালয়েশিয়া তানুসিয়া চেট্টি।

বিশ্বসুন্দরীর মুকুট উঠল জোহেইরির মাথায়

সিডনিতে এক ফ্রেমে শাবনূর ও তাসকিন

ক্রিকেট মাঠের গতির তারকা তাসকিন আহমেদ ও ঢালিউড রূপালী পর্দার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর—দুই ভিন্ন অঙ্গনের দুই খ্যাতনামা তারকাকে দেখা গেল এক ফ্রেমে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আয়োজিত এক ঘরোয়া আমেজের বারবিকিউ পার্টিতে দুই তারকার হাস্যোজ্জ্বল উপস্থিতির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর তা দ্রুতই ভক্ত-অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সিডনির নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে ছবিটি সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের গতি তারকা তাসকিন আহমেদ।ছবিটিতে দেখা যায়, দুই জগতখ্যাত তারকা অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্ত ও হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন। পোস্টের ক্যাপশনে তাসকিন জানান, সিডনিতে শাবনূর ও তাঁর পরিবারের আন্তরিক আমন্ত্রণে একটি পারিবারিক বারবিকিউ সন্ধ্যায় অংশ নেন তিনি। দারুণ আতিথেয়তার জন্য শাবনূর ও তাঁর পরিবারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাসকিন লেখেন, “সেটা একটা সুন্দর সন্ধ্যা এবং বারবিকিউ রাত ছিল। আমাদের আতিথেয়তা করার জন্য শাবনূর আপু ও তাঁর পরিবারকে ধন্যবাদ।”ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে আসার পর থেকেই লাইক ও কমেন্টের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। ভক্তরা দুই জগতের দুই তারকাকে একসঙ্গে দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন এবং তাঁদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ক্রিকেট মাঠের গতিময় পেসার তাসকিন আহমেদ এবং বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূরকে আলো-ঝলমলে চেনা আঙিনার বাইরে এক ঘরোয়া ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দেখতে পাওয়া ভক্তদের জন্য ছিল এক বিশেষ চমক।

সিডনিতে এক ফ্রেমে শাবনূর ও তাসকিন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream