শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

অর্থনীতি

আবারও বাড়ল সোনার দাম

আবারও বাড়ল সোনার দাম

দেশের বাজারে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এবার ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গয়নার দাম ভ্যাটসহ হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। আজ শনিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ায় নতুন করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। শনিবার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির সভায় এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বাজুসের দামের তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনার গয়নার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা। সবশেষ ১২ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের সোনার গয়নার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এ দিকে নতুন মূল্য তালিকায় রুপার গয়নার দাম বাড়িয়েছে বাজুস। তালিকায় দেখা যায়, ২২ ক্যারেটের রুপার গয়নার প্রতি ভরির দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির রুপার গয়নার প্রতি ভরি দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। সোনা ও রুপার গয়নার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তিতাস গ্যাস

বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশীয় উৎস থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে বড় সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) আওতাধীন তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে যাচ্ছে।পাশাপাশি আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদের আরও ৪টি কূপ থেকে প্রায় সাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তিতাস-২৮ নম্বর কূপের আপডেট‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান:কূপের গভীরতা: প্রায় ১৩ হাজার ফুট।প্রায় এক মাস আগে খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ও গ্রিডে সংযোগ দেওয়া হবে।উদ্বোধন: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নতুন এই কূপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।আগামী ৩-৪ মাসের গ্যাস উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাদেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এলএনজি (LNG) আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পেট্রোবাংলা ও বিজিএফসিএল যৌথভাবে অতিরিক্ত কূপ খনন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।কূপের নামবর্তমান অবস্থালক্ষ্যমাত্রা (দৈনিক)তিতাস-২৮চালুর প্রক্রিয়ায় (আগামীকাল)১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুটতিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১খনন ও উন্নয়ন কাজ চলমানপ্রায় ৫০+ মিলিয়ন ঘনফুটবাখরাবাদ-১১উন্নয়ন কাজ দ্রুত অগ্রসরমাণ১৫-১৭ মিলিয়ন ঘনফুটমোট সম্ভাব্য সংযোজনআগামী ৩-৪ মাসের মধ্যেসাড়ে ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুটবিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, বর্তমান বিএনপি সরকারের নির্দেশনা ও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রে নতুন কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার জোরদার করা হয়েছে। এই উদ্যোগ সফল হলে জাতীয় গ্রিডে চাপ কমার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে তিতাস গ্যাস

স্বর্ণের দাম আরও কমবে, নাকি বাড়বে?

বছরের শুরুতে রেকর্ড উচ্চতায় ওঠার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন দেখা দিয়েছে। এতে মূল্যবান ধাতুটির দাম সামনে আরও কমবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববাজারে স্পট মার্কেটে প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণ প্রায় ৪ হাজার ৩৪৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। অথচ গত ২৮ জানুয়ারি একই পরিমাণ স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০২ ডলারে উঠেছিল। বর্তমান হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় বিশ্ববাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় দুই লাখ টাকার কাছাকাছি।দেশের বাজারেও চলতি বছর স্বর্ণের দামে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। গত ২৪ জুলাই ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ২০ হাজার টাকার ঘরে নেমে এসেছিল। তবে বুধবার সেই দাম বেড়ে প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে।অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নির্ধারণে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ডলারের মূল্য, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার, জ্বালানি তেলের দাম এবং বিভিন্ন দেশের সংঘাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়ালে সাধারণত সুদ পাওয়া যায় না এমন স্বর্ণের মতো সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ কমতে পারে। এর প্রভাবে দাম কমার চাপ তৈরি হয়। বিপরীতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা তৈরি হলে স্বর্ণের চাহিদা ও দাম বাড়ার সুযোগ থাকে।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বর্তমানে তাদের স্বর্ণের মজুদ বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে যুদ্ধ, ডলারের গ্রহণযোগ্যতায় পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে নিয়মিত ওঠানামা হচ্ছে।ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, গত চার বছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরে গড়ে প্রায় এক হাজার টন স্বর্ণ কিনেছে। এর আগের দশকে এই গড় ছিল প্রায় ৫০০ টন। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর এ ধরনের ক্রয় অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।এদিকে গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ট্রয় আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদে সুদের হার, তেলের দাম ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মতো বিষয়গুলো স্বর্ণের বাজারে চাপ তৈরি করলেও দীর্ঘমেয়াদে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার প্রবণতা দাম বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।অর্থনীতিবিদ ড. আহসান হাবীবের মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়লে ব্যক্তি ও বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকতে পারেন। ফলে সামনে স্বর্ণের বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই দাম আবার বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

স্বর্ণের দাম আরও কমবে, নাকি বাড়বে?

সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৬ সুবিধা

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও সুবিধাজনক করতে নতুন কয়েকটি সুযোগ যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট সময় চাঁদা দেওয়ার পর বিশেষ প্রয়োজনে সঞ্চিত অর্থ তোলার সুযোগ, পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়া এবং ৫৫ বছর বয়স থেকেই পেনশন পাওয়ার ব্যবস্থা। পাশাপাশি ইসলামি পেনশন স্কিম, স্বাস্থ্য বিমা এবং গ্রাহক নিবন্ধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাবও রয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় মোট ১১টি বিষয় আলোচনার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করবেন। পর্ষদের অনুমোদন পাওয়া সিদ্ধান্তগুলো পরবর্তী সময়ে বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকবে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ওপর।বর্তমানে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা ও প্রবাস—এই চারটি স্কিম চালু রয়েছে। ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট চার শ্রেণির মানুষের জন্য এ কর্মসূচি চালু করা হয়। চালুর প্রায় তিন বছর পর বর্তমানে চার স্কিমে নিবন্ধিত গ্রাহকের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২০ জন। তাদের জমা অর্থের পরিমাণ ২৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা।প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি পাঁচ বছর নিয়মিত চাঁদা দেওয়ার পর শারীরিক বা আর্থিকভাবে চাঁদা চালিয়ে যেতে অক্ষম হলে বিশেষ পরিস্থিতিতে তার জমা অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পেতে পারেন। বর্তমানে পেনশন স্কিমে যুক্ত হওয়ার পর সেখান থেকে বের হওয়ার সুযোগ নেই।এ ছাড়া কোনো পেনশনভোগীর মৃত্যু হলে তার মনোনীত স্বামী বা স্ত্রীকে আজীবন পেনশন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদ্যমান নিয়মে পেনশনভোগী মারা গেলে স্বামী বা স্ত্রী নিয়মিত পেনশন পান না। শুধু চাঁদাদাতা ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে নমিনি তার ৭৫ বছর বয়স পর্যন্ত অবশিষ্ট সময়ের জন্য পেনশন পান।পেনশন পাওয়ার বয়সও কমানোর প্রস্তাব এসেছে। বর্তমানে ৬০ বছর বয়স থেকে পেনশন দেওয়া হলেও নতুন ব্যবস্থায় ৫৫ বছর বয়স থেকেই তা চালুর কথা বলা হচ্ছে।সুদভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা এড়িয়ে চলতে আগ্রহীদের জন্য সর্বজনীন পেনশনের আওতায় ইসলামি পদ্ধতির একটি আলাদা সংস্করণ চালুর প্রস্তাবও রয়েছে। একই সঙ্গে পেনশনভোগীদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় বিবেচনায় স্বাস্থ্য বিমা চালুর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।গ্রাহক নিবন্ধনে সহায়তাকারী ব্যাংক, ডাক বিভাগ, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিশনও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে গ্রাহকপ্রতি ১৫ টাকা কমিশন দেওয়া হয়। এটি বাড়িয়ে ২৫ টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি এবং মুনাফার হারের পরিবর্তন থেকে সৃষ্ট আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি রিজার্ভ বা কনটিনজেন্সি তহবিল গঠনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পেনশন কর্তৃপক্ষের মতে, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এমন তহবিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সর্বজনীন পেনশনে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৬ সুবিধা

বিস্কুট-রুটির দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের নতুন সিদ্ধান্ত

আপাতত বেকারি পণ্যের (বিস্কুট ও রুটি) মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে এই খাতের ব্যবসায়ী নেতারা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সম্প্রতি বেকারি পণ্যের মূল্য বাড়ানোর বিষয়ে ব্যবসায়ীদের ঘোষণাসহ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ ব্যয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আলোচনার পর ব্যবসায়ী নেতারা বিস্কুট ও ব্রেডের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখার বিষয়ে সম্মতি দেন। এদিকে বেকারি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যয়, কাঁচামালের মূল্য, কর ও শুল্কসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সভায় সরকার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে জনস্বার্থ ও ভোক্তাদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে যৌক্তিক মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সভায় সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা এবং বেকারি পণ্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার থেকে রুটির দাম বাড়িয়েছিল বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি। সংগঠনটি জানায় রুটি, বিস্কুটসহ বিভিন্ন বেকারি পণ্যের দাম এবং ওজন সমন্বয় করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, হাতে তৈরি বেকারি বিস্কুটের দাম কেজিতে গড়ে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। আগে সাধারণ মানের যেসব বিস্কুট ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো, তা বর্তমানে ১৫০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, বনরুটি ও অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ওজনেও পরিবর্তন এনে সমন্বয় করা হয়েছে। আগে যেসব বনরুটি ও মাফিন কেকের ওজন ৪০ গ্রাম ছিল, সেগুলোর দাম একই রেখে ওজন কমিয়ে ৩৫ গ্রাম করা হয়েছে। আবার ১০ বা ১২ টাকা দামের প্রতি পিছ বনরুটির দাম বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়েছে। অবশ্য এ ক্ষেত্রে বনরুটির আকার সামান্য বড় করা হয়েছে। এর আগে দাম বাড়ানোর দাবিতে গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বেকারি কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুদিন বন্ধ থাকার পর নতুন নির্ধারিত মূল্যে ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বাজারে বেকারি পণ্য সরবরাহ করে বেকারিগুলো।

বিস্কুট-রুটির দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের নতুন সিদ্ধান্ত

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। কয়েক দফা কমার পর বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই বর্ধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে। ফলে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে নির্ধারিত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। একই পরিমাণ ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সে সময় প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা করা হয়েছিল।বাজুসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে অলংকার তৈরিতে নকশাভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুসের নির্ধারিত এই দাম কার্যকর থাকবে।

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

আবারও স্বর্ণের দাম বেড়ে যত হলো

দেশের বাজারে কয়েক দফা কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি হলমার্ক করা স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতভাবে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। ফলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে বাজুস নির্ধারিত নতুন দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।এর মাত্র এক দিন আগে, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর), স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম বাড়ল।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ার কারণে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। পাশাপাশি স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত এই মূল্যেই স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।

আবারও স্বর্ণের দাম বেড়ে যত হলো

এক লাফে কমলো সোনার দাম

জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের উল্লম্ফনের জেরে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (Fed) সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় দরপতন ঘটেছে। টানা তিন সপ্তাহ ধরে দরপতনের ধারাবাহিকতায় দাম আরও নিচে নেমেছে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৩৪.৩১ ডলারে নেমে আসে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম ০.৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪,৩৭৫ ডলারে লেনদেন হয়।সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কায় স্বর্ণের বাজারে চাপ:  ফেডের কড়া অবস্থান: সিএমই ফেডওয়াচ (CME FedWatch) টুলের তথ্য মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার ও বুধবার অনুষ্ঠেয় বৈঠকে ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা বেড়ে ৮৬.৫ শতাংশে পৌঁছেছে। আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ও মৌলিক সূচক চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা ডলারের দিকে ঝুঁকিছেন। স্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকটের কারণে চলতি শুক্রবার ব্যাংক অব জাপানও (BOJ) সুদের হার বাড়াতে পারে বলে বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।  কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, তেল ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার বাড়ানোর গুঞ্জন স্বর্ণের ওপর বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে। যেহেতু স্বর্ণ কোনো নির্দিষ্ট সুদ বা লভ্যাংশ দেয় না, তাই উচ্চ সুদের হারের বাজারে এতে বিনিয়োগের আকর্ষণ সাময়িকভাবে কমে যায়।  বাড়ছে তেলের দাম  সোনার দাম কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক দিনেই ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে:সৌদিতে হামলা ও পাইপলাইন বন্ধ: সৌদি আরবে হুথিদের নতুন হামলা এবং সে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহ সংকটের ভীতি জোরালো হয়েছে।  

এক লাফে কমলো সোনার দাম

চেনা চিত্র বদলে ভারত থেকে আসছে ইলিশ

এবার উল্টে গেছে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ইলিশ বাণিজ্যের চেনা চিত্র। দীর্ঘদিন ধরে ভারত বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের সবচেয়ে বড় বিদেশি বাজার ছিল। বিশেষ করে দুর্গাপূজার মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে ভারতে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ইলিশ রপ্তানি করা হতো। কিন্তু এবার বাংলাদেশে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকেই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে—দেশটির মৎস্য ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৫০০ টন ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে। বাংলাদেশে চলতি বছর ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে দামও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের পদ্মার ইলিশ বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই সংকটের কারণে কিছু বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রচলিত বাণিজ্যপথের বাইরে গিয়ে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছেন। ভারত থেকে আসা ইলিশের বড় অংশ গুজরাট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ভরুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু চালান পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া পাইকারি মাছবাজার হয়েও গেছে। হাওড়া হোলসেল ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ বলেন, বাংলাদেশ এবার প্রথমবারের মতো ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গ থেকে বোয়াল, রুই, পারসে ও ট্যাংরা মাছ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। গুজরাটের ইলিশে প্রচুর ডিম বা রো থাকায় ভারতের বাজারে এর চাহিদা তুলনামূলক কম। কিন্তু বাংলাদেশে বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে ডিমভরা ইলিশের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে গুজরাটের ইলিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। মাকসুদ বলেন, এসব ইলিশের ডিম আলাদাভাবেও বিক্রি করা হচ্ছে। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে অন্য দেশেও পুনরায় রপ্তানি করা হচ্ছে। তবে শুধু গুজরাট নয়, পশ্চিমবঙ্গের ডায়মন্ড হারবার ও কোলাঘাট থেকেও মাঝারি আকারের ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। কিছু চালান এসেছে গুজরাট ও মুম্বাই থেকে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত দুই মাসে অন্তত ৪৫০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। রোববারও প্রায় ১০ টন ইলিশ নিয়ে দুটি চালান এই স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা শুরুতে এসব চালানের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তাদের আশঙ্কা ছিল, ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ পাঠানোর খবর প্রকাশ হলে বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানির সম্ভাবনাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু রপ্তানিকারক প্রথমে দাবি করেছিলেন, ইলিশ রপ্তানির কোডের অধীনে পাঠানো চালানে সামুদ্রিক মাছ থাকতে পারে। পরে পেট্রাপোলের ল্যান্ড পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও কাস্টমসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন, ভারত থেকে বাংলাদেশে সত্যিই ইলিশ রপ্তানি হয়েছে। মৎস্য আমদানিকারক সমিতির সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মৎস্য ব্যবসায়ীদের মতে, সীমান্তের দুই পাশেই ইলিশের সংকট এই অস্বাভাবিক বাণিজ্যের অন্যতম কারণ। অনিয়মিত বাতাস ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে মাছ ধরায় ব্যাঘাত ঘটেছে। এতে ইলিশের আহরণ কমার পাশাপাশি জেলেদের লোকসানও হয়েছে। এক ভারতীয় রপ্তানিকারক বলেন, বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা আরব সাগর ও নর্মদা নদীর মোহনা থেকে পাওয়া ইলিশ সংগ্রহ করছেন। এসব মাছ দেখতে ভালো হলেও মিঠাপানির ইলিশের মতো সুস্বাদু নয়। তবে পদ্মার ইলিশের তুলনায় দাম কম হওয়ায় এবং বাজারে ব্যাপক সংকট থাকায় ব্যবসায়ীরা এগুলো আমদানি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ভারত থেকে বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানির এই পরিবর্তন এবার দুর্গাপূজাকে ঘিরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রপ্তানি হবে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে এনেছে। গত বছর বাংলাদেশ ভারতকে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতে পৌঁছায় মাত্র ১৪৩ দশমিক ৮০ টন। এর আগের দুই বছরেও ভারতে ইলিশ আমদানি ৬০০ টনের নিচে ছিল। মূলত বেশি দামের কারণে আমদানিকারকেরা অনেক চালান নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। এবার কলকাতার মাছ আমদানিকারকেরা বাংলাদেশকে আবার ইলিশ রপ্তানি শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। শহরভিত্তিক একটি সংগঠন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে। বাংলাদেশি মাছ ব্যবসায়ীরাও একই ধরনের অনুরোধ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে তারেক রহমানের সরকার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ। সেই দেশের বাজারে ইলিশের ঘাটতি মেটাতে এবার প্রতিবেশী ভারত থেকেই ইলিশ আসছে। বিষয়টিকে তাই শুধু বাণিজ্যের উল্টো স্রোত নয়, দুই দেশের দীর্ঘদিনের ইলিশ-সম্পর্কেরও এক অস্বাভাবিক অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং এজেন্টস স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ‘ভারত এখন বাংলাদেশে ইলিশ রপ্তানি করছে, এটি অবশ্যই গর্বের বিষয়। তবে আমার ইচ্ছা, ইলিশ যেন চিরকাল দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে থাকে।’

চেনা চিত্র বদলে ভারত থেকে আসছে ইলিশ

সেপ্টেম্বরে ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি

চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১২ দিনে দেশে ১২৩ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ১৭৯ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে এ হিসাব করা হয়েছে।রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ৯১ কোটি ৬৯ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২১ কোটি ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো ৯ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো ২৮ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে।ব্যাংকভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির মাধ্যমে। ব্যাংকটি ২২ কোটি ৯২ লাখ ৯০ হাজার ডলার সংগ্রহ করেছে।দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ৯ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার নিয়ে তৃতীয় এবং ব্র্যাক ব্যাংক ৯ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার ডলার নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

সেপ্টেম্বরে ১২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি

বেনাপোল দিয়ে দেদারসে আমদানি হচ্ছে ভারতীয় ইলিশ

ভারত ও মিয়ানমারের ইলিশ দেদারসে আমদানি হচ্ছে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। ৫০০ টাকায় কেনা ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশ পদ্মার ইলিশ বলে ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে বেনাপোল, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। আগে ভারতে রপ্তানি হতো পদ্মার ইলিশ। এখন ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে শত শত কেজি ভারতীয় ইলিশ। দেশের কয়েকজন আমদানিকারক এই ইলিশ আমদানি করছে।কাস্টমস ও ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৭ কেজি ইলিশ আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে জুলাইয়ে এসেছে ২৯ হাজার ৪৪০ কেজি এবং আগস্টে ৩ লাখ ২৩ হাজার ৩৪৬ কেজি ভারতীয় ইলিশ আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা এসব ইলিশের মূল্য দেখানো হয়েছে মোট ৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। জুলাইয়ে আমদানি মূল্য ছিল ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৬ টাকা এবং আগস্টে ৬ কোটি ৫৭ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ টাকা। দুই মাসে ফেমাস ট্রেডার্স, সততা ফিস ফিড, শরীফ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, স্বর্ণালী ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি এন্টারপ্রাইজসহ মোট ২২ জন আমদানিকারক এসব মাছ এনেছেন।ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে আমদানি করা ইলিশের দাম পড়ছে প্রতিকেজি ২৫২ টাকা, সরকারি শুল্ক ১৬২ টাকা, ট্রাক ভাড়া, এলসি খরচসহ অন্যান্য খরচ আরো কেজিকে ১০০ টাকা ধরলে মোট দাম পড়ে কেজিতে ৫১৪ টাকা। সেই মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে। সেই মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে  ১৪০০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজিতে।শুধু বাংলাদেশে নয় পশ্চিমবঙ্গের বাজারগুলোতে প্রবেশ করেছে টনের পর টন গুজরাট, মুম্বাই ও মিয়ানমারের ইলিশ। কিন্তু ‘স্বাদ ও গন্ধহীন’ এসব মাছকে বাংলাদেশের সুস্বাদু ইলিশ পরিচয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ইলিশ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বাজারে গেলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা ভারত-মিয়ানমারের ইলিশকে বাংলাদেশি পদ্মার ইলিশ বলে ব্যাগে দিয়ে দিচ্ছে। বাড়িতে নিয়ে রান্নার পর দেখছেন, সেই সেই ইলিশে নেই কোনো স্বাদ, নেই সুস্বাদু গন্ধ। দেশি ইলিশের সঙ্গে দেখতে প্রায় একই রকম। আকারেও বড়। অথচ দামে প্রায় অর্ধেক। বেনাপোল যশোরসহ দেশের বিভিন্ন মাছের বাজারে এমন ইলিশের সরবরাহ বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের কাছে এসব মাছ ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশ নামে পরিচতি। অনেকে রোহিঙ্গা ইলিশ বলেও প্রচার করে। বাজারে বাংলাদেশি ইলিশের চাহিদা বিপুল। দামও তুলনামূলক ভাবে বেশি। সেই সুযোগে অনেক ব্যবসায়ীই ভারত ও মিয়ানমার থেকে মাছ আমদানি করে এনে ‘পদ্মার ইলিশ’ বলে বিক্রি করেন বলে অভিযোগ।ক্রেতাদের অভিযোগ দেশি ইলিশ মনে করে এসব মাছ কিনে প্রতারিত হচ্ছেন তারা। স্বাদ ও গন্ধে দেশি ইলিশের সঙ্গে বিস্তর পার্থক্য থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ক্রেতাকে তা জানানো হচ্ছে না। এই চাহিদার সুযোগ নিয়ে একশ্রেণির অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের পরিদর্শক আশওয়াদুল আলম বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৭ কেজি ইলিশ আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে। মোট ২২ জন আমদানিকারক এসব মাছ এনেছেন। মাছ ভাল ভাবে পরীক্ষা করেই আমরা কোয়ারেন্টাইন সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকি।মাছ ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও মিয়ানমারের এসব মাছ ভারত হয়ে বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করছে। তবে বেনাপোল স্থলবন্দর ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের তথ্য বেনাপোল দিয়ে আসা ইলিশ ভারতীয় ইলিশ। মিয়ানমার থেকে যে ইলিশ আসছে সেগুলো চট্রগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রবেশ করে। তবে বাজারে মিয়ানমারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বলে তারা নিশ্চিত করেছেন। এসব মাছকে রোহিঙ্গা মাছ বলাও হয়ে থাকে।এদিকে একটি সূত্রের দাবি অনেক ইলিশ অবৈধভাবেও দেশে এসেছে। গত ২২ জুলাই বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সাদা মাছের ঘোষনা দিয়ে আমদানি করা ১২ কার্টুন (প্রায় ৩৬০ কেজি) ভারতীয় ইলিশ মাছ জব্দ করে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।বেনাপোল বাজারে ইলিশ কিনতে আসা মো. মহিউদ্দিন  বলেন, দেশি ইলিশ মনে করেই তিনি একটি মাছ কিনেছেন। পরে খাওয়ার পর বুঝতে পারেন, মাছটির স্বাদ ও গন্ধ দেশি ইলিশের মত নয়। তার অভিযোগ দেখতে প্রায় একই হওয়ায় সাধারন ক্রেতাদের পক্ষে বিদেশি ও দেশি ইলিশের পার্থক্য বোঝা কঠিন।আরেক ক্রেতা আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কখনও চাঁদপুর, কখনও বরিশাল, কখনও চট্টগ্রামের ইলিশের নাম করে তারা ইলিশ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ ইলিশগুলি সবই ভারতীয় ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করা। এক শ্রেণির মাছ ব্যবসায়ী চড়া দামে বিক্রি করছেন। এর ফলে ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন। আমরা চাই আইন মোতাবেক অভিযুক্ত মাছ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুক প্রশাসন। অবিলম্বে এ সব বন্ধ করতে হবে।বাজারের ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ১ কেজি ২০০ গ্রাম থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের দেশি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি প্রায় ৩ হাজার ৩০০ থেকে ৩ হাজার ৪০০ টাকা দরে। বিপরীতে একই ওজনের কথিত ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশের দাম প্রায় ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থাৎ আকারে বড় হলেও বিদেশি ইলিশের দাম দেশি ইলিশের তুলনায় অনেক কম। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্রেতাদের একটি বড় অংশ কম দামের মাছের দিকে ঝুঁকছেন।নাভারন বাজারের মাছ ব্যবসায়ী যাদব হালদার বলেন, এসব মাছ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে আসছে বলে তিনি শুনেছেন। তাদের দাবি বাগআচড়ার কুদ্দুস ও বেনাপোলের জাফর নামের দুই ব্যক্তি এসব মাছ আমদানি করছেন। তবে মাছ গুলো এলসির মাধ্যমে বৈধভাবে আমদানি করা হয়েছে। তবে দেশের বাজারে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ও মিয়ানমারের ইলিশ আমদানির ফলে দেশি ইলিশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে বলে তিনি জানান।বেনাপোল বাজারের দেশি ইলিশ ব্যবসায়ী উৎস্য মন্ডল, বাবু, মাহাবুব, মোস্তাফিজুর, পরিতোষ বিশ্বাসসহ কয়েকজন বলেন, কম দামে বড় আকারের এসব বিদেশি ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের বিক্রি কমে গেছে। ক্রেতারা দামের পার্থক্যের কারণে বিদেশি ইলিশ কিনছেন। এতে প্রকৃত দেশি ইলিশ ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিদেশি ইলিশকে দেশি ইলিশের নামে বিক্রি করা হলে একই সঙ্গে দুইটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারা এবং বাজার হারাচ্ছেন দেশি ইলিশের ব্যবসায়ীরা।এ বিষয়ে আমদানিকারকের সাথে যোগাযোগ করা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, আমরা বৈধ ভাবে এলসির মাধ্যমে সরকারি শুল্ক পরিশোধ করে ভারত থেকে ইলিশ মাছ আমদানি করেছি। সেটা বাজারে আড়তদারদের কাছে বিক্রি করে থাকি। তারা এই মাছ বাজারে বিক্রি করে। বাজারের ব্যবসায়ীরা কি বলে বিক্রি করে সেটা তাদের বিষয়। আমরা ভারত থেকে আমদানি করি এটা সবাই জানে।এদিকে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, বিদেশি ইলিশ দেশি বলে বিক্রি করা হলেও বাজারে ভোক্তা অধিকার বা প্রশাসনের কোন নজর নেই। এসব মাছ পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। মাছগুলো আদৌ ইলিশ কি না, কোথা থেকে আনা হয়েছে এবং সেগুলোর উৎসের প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখা দরকার।

বেনাপোল দিয়ে দেদারসে আমদানি হচ্ছে ভারতীয় ইলিশ

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে টানা তিন দফা দাম কমার পর আবারও স্বর্ণের মূল্য বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই সংশোধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য বাড়ার প্রেক্ষাপটে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ক করা প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা ভরি। আর ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির মূল্য ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। ওই সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।পুরোনো অলংকার বদলের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম থাকবে। এসব লেনদেনের ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে ভ্যাট কর্তনের সুযোগ নেই।বাজুসের পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নির্ধারিত মূল্যেই স্বর্ণ বিক্রি হবে।

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

টানা ৩ দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম

টানা তিন দফা কমার পর দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। এবার প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা।শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে এ মূল্য কার্যকর হয়েছে।বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সেই অনুযায়ী স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা করা হয়েছে।এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছিল বাজুস। তখন প্রতি ভরির দাম ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা। তার আগে ৯ সেপ্টেম্বর ও ৬ সেপ্টেম্বরও দুই দফায় দাম কমানো হয়।বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রুপার অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।পুরোনো অলংকার বদলের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দেওয়ার পর ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম বহাল থাকবে। এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে বাজুস নির্ধারিত নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে।

টানা ৩ দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকায়।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্যসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। এছাড়া স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।অন্যদিকে, অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম বহাল থাকবে। এক্সচেঞ্জ বা পারচেজের সময় আলাদাভাবে ভ্যাট কর্তনের সুযোগ থাকছে না।বাজুসের পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই নির্ধারিত দরেই স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

বাংলা কিউআরে বাড়ছে লেনদেন, সপ্তাহে ছাড়াল ৭০০ কোটি টাকা

‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থা চালুর পর দেশে বাংলা কিউআরের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, বর্তমানে এই ব্যবস্থায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২০ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। সাপ্তাহিক লেনদেনের পরিমাণও ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।লেনদেনের সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ দুই দিক থেকেই বাংলা কিউআরের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুলাইয়ের শুরুতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হলেও আগস্টের মাঝামাঝি তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে। একই সময়ে দৈনিক লেনদেনের অর্থমূল্য প্রায় তিন গুণ হয়েছে।চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে দেশে বাধ্যতামূলকভাবে ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নিজস্ব কিউআর কোডের বদলে বাংলা কিউআরের সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে বড় শপিংমল থেকে শুরু করে ছোট দোকান ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীরাও একই ধরনের কিউআর ব্যবহারের সুযোগ পান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআরে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ ৭৮ হাজার লেনদেন হতো। এসব লেনদেনের মোট মূল্য ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগস্টের মাঝামাঝি দৈনিক লেনদেন বেড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজারে পৌঁছায় এবং অর্থমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।ব্যবসায়ীদের মধ্যেও বাংলা কিউআর ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। ২১ জুলাই পর্যন্ত ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ থাকলেও পরে তা বেড়ে ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, বর্তমানে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১২০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে। সপ্তাহে এই লেনদেন ৭০০ কোটি টাকার বেশি।তিনি বলেন, এই লেনদেনের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যতবে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা এমডিআর নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তার মতে, ১০০ টাকার পণ্য বিক্রি করে একজন ব্যবসায়ী যদি ৯৯ টাকা পান, তাহলে এক টাকা কেন কম পাবেন এমন প্রশ্ন তার মনে আসতেই পারে। তবে ডিজিটাল লেনদেন বাড়লে ব্যবসায়ীদের বিক্রির পরিমাণও বাড়তে পারে।আরিফ হোসেন খান জানান, নগদবিহীন লেনদেনকে আরও উৎসাহিত করতে ব্যবসায়ীদের জন্য ভর্তুকির বিষয়টিও বিবেচনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ধরনের উদ্যোগের পর বাংলা কিউআরে লেনদেনের গতি আরও বেড়েছে বলেও জানান তিনি।একটি কিউআর কোড দিয়েই বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাব থেকে টাকা পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে গ্রাহকদেরও সুবিধা বেড়েছে। আগে নির্দিষ্ট সেবার কিউআর কোড না থাকায় অনেক দোকানে পেমেন্ট করতে সমস্যায় পড়তে হতো। এখন একটি কোড স্ক্যান করেই পছন্দের ব্যাংক বা এমএফএস হিসাব থেকে টাকা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।ব্যবসায়ীদের জন্যও নগদ টাকা রাখার ঝুঁকি কমেছে। বিশেষ করে বেশি দামের পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে কিউআরের মাধ্যমে দ্রুত ও সহজে অর্থ নেওয়া যাচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীরা আবার খুচরা টাকার সংকট থেকেও কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।সব মিলিয়ে নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি কমানো, গ্রাহকের পেমেন্ট সহজ করা এবং ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল লেনদেনে যুক্ত করাই বাংলা কিউআরের অন্যতম লক্ষ্য। সাম্প্রতিক লেনদেনের তথ্য বলছে, দেশের দৈনন্দিন কেনাবেচায় অভিন্ন কিউআর ব্যবস্থা ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

বাংলা কিউআরে বাড়ছে লেনদেন, সপ্তাহে ছাড়াল ৭০০ কোটি টাকা

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকায়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দর কার্যকর হয়েছে।বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য কমে যাওয়ায় দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরিতে কমেছে ১ হাজার ১০৮ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে প্রতি ভরি ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪০ টাকা করা হয়েছে।এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি কমেছে ৭০০ টাকা; নতুন দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা।বাজুস জানিয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির হার কমবেশি হতে পারে।

আবারও কমলো স্বর্ণের দাম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream