বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

অন্যান্য

চিলাহাটিতে পঞ্চনীল জামিয়া রহমানিয়ার পাঁচতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

চিলাহাটিতে পঞ্চনীল জামিয়া রহমানিয়ার পাঁচতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন

নীলফামারী ও পঞ্চগড় দুই জেলার শেষ সীমানা ডোমার থানার ১ নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের কাঠালতলী ও দেবিগঞ্জ থানার চিলাহাটি ইউনিয়নের খাদিয়াডাঙ্গা নামক এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পঞ্চনীল জামিয়া রহমানিয়া নুরুল উলুম জমিরিয়া আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে।গত ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পাঁচতলা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা নুরুল শফিক ও সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল হাশেম জমিরী সাহেবের উপস্থিতি ও আমন্ত্রিত স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিলাহাটি নিজ ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক ধর্মানুরাগী জনাব আলহাজ্ব মোহাব্বাত হোসেন বাবু,চিলাহাটি সদর জামে মসজিদের খতিব আব্দুর রাজ্জাক,ধর্মানুরাগী আতিউর রহমান,চিলাহাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম ওহাবুল, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক কাজল, সমাজসেবক আরিফুর রহমান জনি,ভাউলাগঞ্জের বিশিষ্ট সমাজসেবক জনাব ইউসুফ আলম, আলমগীর হোসেন ও শামসুদ্দোহা এছাড়াও মাদ্রাসার হিতাকাঙ্ক্ষী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।জানা যায়, পঞ্চনীল জামিয়া রহমানিয়া নুরুল উলুম জমিরিয়া আরবি বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরবঙ্গের একমাত্র এমনই একটা মাদ্রাসা, যেখানে দাওরায়ে হাদিস তথা মাস্টার্স সমমানের শিক্ষা সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছেন ১৭ জন শিক্ষক এবং ৩ জন কর্মচারী।শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, শিক্ষা কার্যক্রমের সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাঁচতলা ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ভবনটি নির্মিত হলে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।প্রতিষ্ঠানটির এই উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মাদ্রাসার হিতাকাঙ্ক্ষী, শুভানুধ্যায়ী ও উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তাঁদের প্রত্যাশা নতুন ভবন নির্মাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সৈয়দপুরে 'নাইট ফুটবল ক্লাব'র উদোগে রেলওয়ে মাঠ থেকে মাদকসেবীদের আস্তানা উৎখাত

বাংলাদেশ রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশ আমলে গড়ে উঠা সৈয়দপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়াঙ্গন সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ। সাম্প্রতিক সময়ে সন্ধ্যা নামলেই যেখানে অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকত, বসতো মাদক আড্ডা। সেখানে এখন জ্বলছে আলোকবাতি। আর সেই আলোয় সন্ধ্যার পর থেকে জমে উঠছে খেলাধুলার আসর। একসময় মাদকসেবীদের দখলে থাকা রাতের মাঠকে খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের করে নিয়েছেন সাংবাদিক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সমন্বয়ে সদ্য গড়ে উঠা সংগঠন ‘নাইট ফুটবল ক্লাব (এনএফসি)। ফলে সম্পূর্ণভাবে পাল্টে গেছে বিগত সময়ের চেনা পরিবেশ। ফিরেছে অতীত ঐতিহ্যের নতুন  আবহ। এনএফসি'র অন্যতম উদ্যোক্তা ও সাধারণ সম্পাদক সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক মো. সোহেল বলেন, প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা রেলওয়ে মাঠে ফুটবল খেলা হয়। কাজের ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম বা জিম করার সুযোগ হয় না। তাই শরীর সুস্থ ও ফিট রাখতেই রাতে ফুটবল খেলার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, তাদের লক্ষ্য শুধু শরীরচর্চা নয়; মাদকের আড্ডা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসরকে সুস্থ বিনোদনের পরিবেশে রুপান্তর করা। আর সেই উদ্যোগেই যেন বদলে গেছে মাঠের রাতের চেহারা। একসময় সন্ধ্যা নামলেই যেখানে বসত মাদকের আড্ডা, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ত নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা। সেই সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠ এখন মুখর ফুটবলের উচ্ছ্বাসে।এখন টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক আশিকুর রহমান আশিক বলেন, সারাদিন বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার পর রাতে ফুটবল খেলার মাধ্যমে শরীরচর্চা করা হচ্ছে। এতে শরীর ভালো থাকার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলার অভ্যাসও তৈরি হচ্ছে। দিনভর কর্মব্যস্ততা শেষে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, গাড়িচালক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সেখানে জড়ো হন। শুরুতে মাত্র আটজনকে নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও এখন নিয়মিত খেলোয়াড়ের সংখ্যা প্রায় ৩৫ জন। এনএফসি'র সভাপতি দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সৈয়দপুর উপজেলা প্রতিনিধি জাকির হোসেন জানান, রেলওয়ে মাঠ ঐতিহ্য হারিয়ে মাদক আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। এনিয়ে প্রশাসনকে জানানো ও সংবাদ প্রকাশের পরও এখানে বন্ধ করা যায়নি মাদকের বিক্রি ও সেবন। তাই কয়েকজনের ইতিবাচক ভাবনার ফলে এই উদ্যোগের সূচনা।তিনি আরও বলেন, মাদক প্রতিরোধে শুধু অভিযান বা সচেতনতামূলক প্রচারণাই নয়, তরুণদের জন্য বিকল্প সুস্থ বিনোদনের জায়গা তৈরি করাও জরুরি। সৈয়দপুর রেলওয়ে মাঠের এই উদ্যোগ যেন তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। যেখানে মাদকের আড্ডা সরিয়ে জায়গা করে নিয়েছে ফুটবল। উদ্যোগটির আরেকটি বড় অর্জন হলো মাদকের আড্ডা কমে যাওয়া। খেলাধুলা শুরু হওয়ার পর মাদকসেবীদের আনাগোনা অনেকটাই কমে গেছে। এখন আরও অনেক মানুষ মাঠে খেলতে আসছেন। এমনকি আমাদের দেখে অন্য এলাকাতেও রাতে ফুটবল খেলার উদ্যোগ শুরু হয়েছে।ব্যবসায়ী কাইয়ুম খান ডলফিন ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর তানভির বলেন, আগে মাঠে বিভিন্ন মাদকসেবী ও নেশাগ্রস্তদের আনাগোনা ছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখন নিয়মিত খেলাধুলার কারণে মাঠের পরিবেশ অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। এতে একদিকে শরীরচর্চা হচ্ছে, অন্যদিকে সমাজে মাদকের প্রভাবও কমছে।মাঠের পাশের মাইক্রোস্ট্যান্ডের গাড়িচালক সেলিম, রেজাউলসহ কয়েকজন জানান, আগে রাত হলেই মাঠের বিভিন্ন অংশে মাদকের আড্ডা বসত। এখন রাত হলেই সেখানে ফুটবল খেলতে আসা মানুষজনের দেখা মেলে। খেলাধুলার কারণে আগের সেই পরিবেশ আর নেই। যা খুবই ভালো হয়েছে বলে মনে করেন তারা।দিনভর যার যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত থাকা মানুষগুলো রাতের এক ঘণ্টায় একসঙ্গে হচ্ছেন, খেলছেন, গল্প করছেন। শরীরচর্চার পাশাপাশি কমছে মানসিক চাপ, বাড়ছে পারস্পরিক বন্ধন। আর সবচেয়ে বড় কথা, একটি মাঠকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সামাজিক পরিবেশ।স্থানীয় বেশ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, আগে সন্ধ্যার পর মাঠ অন্ধকার থাকত। সন্তানদের মাঠে পাঠাতে ভয় লাগত। এখন মাঠে আলো থাকায় তারা খেলাধুলা করতে পারছে। এতে তারা মোবাইল ফোনে সময় না দিয়ে খেলাধুলায় সক্রিয় হচ্ছে। একইসাথে আমরা পরিবার নিয়ে এসে মাঠে বসে খেলা উপভোগ করাসহ পায়চারি করে সময় কাটাতে পারছি। এনএফসি'র এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, সাংবাদিকদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এখন মাঠটি যেন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে। যে মাঠ একসময় রাতের অন্ধকারে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলোচনায় আসত, সেই মাঠেই এখন আলো জ্বলছে, চলছে খেলাধুলা। মাঠজুড়ে তরুণদের উচ্ছ্বাস আর খেলাধুলার শব্দে বদলে গেছে পরিবেশ।তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে সংবাদ কর্মীদের আহ্বানে মাঠে রেলওয়ের পক্ষ থেকে বাড়তি বাতি লাগানো হয়েছে। সেই আলো জ্বালিয়ে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে। এমন উদ্যোগ খুবই প্রশংসার ও সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার।সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, এটি অত্যন্ত ভালো একটি উদ্যোগ। সৈয়দপুর শহরের ক্রীড়া ঐতিহ্য ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে এধরণের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাতে হয়। এজন্য খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি গোলবার ও একটি ফুটবল উপহার দেওয়া হয়েছে।সাংবাদিক নেতাদের দাবি, শুধু আলো স্থাপন করলেই হবে না। মাঠটি খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালু করা প্রয়োজন। সম্মিলিত উদ্যোগে এই ইতিবাচক পদক্ষেপকে জিইয়ে রেখে সৈয়দপুরের পরিবেশ উন্নয়নে সচেষ্ট থাকতে হবে। 

সৈয়দপুরে 'নাইট ফুটবল ক্লাব'র উদোগে রেলওয়ে মাঠ থেকে মাদকসেবীদের আস্তানা উৎখাত

জেলা সমাজসেবা ও বাজার ফান্ডের সমন্বয়ের দায়িত্ব পেলেন জেলা পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন তুষার

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নতুন দায়িত্ব পেলেন পরিষদের সদস্য জনাব জসিম উদ্দিন তুষার।বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান *মিজ মাম্যাচিং এর নির্দেশে জেলা পরিষদের পক্ষে জেলা সমাজসেবা বিভাগ ও বাজার ফান্ড সংস্থার যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন এবং সমন্বয়ে জেলা সমাজসেবা ও বাজার ফান্ডের সমন্বয়ের দায়িত্ব পেলেন জেলা পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন তুষার র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে।নতুন দায়িত্ব অনুযায়ী জনাব জসিম উদ্দিন তুষার এখন থেকে জেলা সমাজসেবা বিভাগের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি, ভাতা বিতরণ, প্রতিবন্ধী ও অসহায়দের সহায়তা কার্যক্রম এবং বাজার ফান্ড সংস্থার উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজগুলো জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তদারকি ও সমন্বয় করবেন।জসিম উদ্দিন তুষার বলেন দায়িত্ব পেয়ে তিনি বলেন,  “চেয়ারম্যান মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বাজারগুলোকে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল করা আমার প্রধান লক্ষ্য। সবার সহযোগিতা নিয়ে বান্দরবানকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

জেলা সমাজসেবা ও বাজার ফান্ডের সমন্বয়ের দায়িত্ব পেলেন জেলা পরিষদ সদস্য জসিম উদ্দিন তুষার

মধ্যনগর সদরের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন ফারুকীর ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মরহুম শাহাবুদ্দিন ফারুকী (রঙ্গু মিয়া)-এর ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।প্রয়াত শাহাবুদ্দিন ফারুকী মধ্যনগর সদর ইউনিয়নের ফারুকনগর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। চেয়ারম্যান থাকাকালে তিনি দল-মতনির্বিশেষে এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ান। শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গেছেন।১৯৯৯ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর আজকের এইদিনে বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।দীর্ঘ ২৭ বছর পরও তাঁর কর্ম ও মানবিকতার স্মৃতি স্থানীয় মানুষের কাছে অমলিন হয়ে আছে।তিনি মধ্যনগর উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহবুব আলম ফারুকী এবং দৈনিক আজকের পত্রিকার ধর্মপাশা-মধ্যনগর উপজেলা প্রতিনিধি মো. আতিক ফারুকীর বাবা। মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বাদ আসর তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

মধ্যনগর সদরের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন ফারুকীর ২৭তম মৃত্যুবার্ষিকী

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বরেণ্য রাজনীতিবিদ ও অর্থনীতিবিদ মরহুম এম সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মৌলভীবাজারে মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে স্মৃতি পরিষদ ও মরহুমের পরিবারের উদ্যোগে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাহারমর্দনে তাঁর গ্রামের বাড়িতে দিনটির কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় কোরআন খতম, মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং শিরনি বিতরণ করা হয়।মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান মিজান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. অলিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার আহমদ রহমান।এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, জেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা মরহুম এম সাইফুর রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন দিক স্মরণ করেন। তাঁরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সংস্কার ও আধুনিকায়নে তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন। পরে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।উল্লেখ্য,২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ি মৌলভীবাজারের বাহারমর্দন থেকে ঢাকায় যাওয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের খড়িয়ালা এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন এম সাইফুর রহমান।

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ১৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

বান্দরবানে "সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬" এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে বান্দরবানে শেষ হলো "সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬"। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আজ বান্দরবানে অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানে "সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬" এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন রফিউর রহমান রাজীব, এসইউপি, সাব জোন কমান্ডার, রোয়াংছড়ি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:- মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন তুষার সদস্য, বান্দরবান জেলা পরিষদ ও বান্দরবান জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন- মো. রেজাউল করিম জেলা ক্রীড়া অফিসার ও সদস্য, জেলা ক্রীড়া সংস্থা আমিনুর ইসলাম বাচ্চু সভাপতি, বান্দরবান প্রেসক্লাববান্দরবান সম্মিলিত ক্রিয়া পরিষদের সভাপতি জনাব আজহারুল ইসলাম বাবলু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণীতে বিজয়ী দল ও খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বান্দরবান সম্মিলিত ক্রিয়া পরিষদ এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বান্দরবান সেনা জোন।বক্তারা বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও যুব সমাজকে মাদকমুক্ত রাখার লক্ষ্যেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

বান্দরবানে "সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬" এর ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন

দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরলেন প্রবাসী বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেন

দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকায় ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সক্রিয় সদস্য ও স্পেন প্রবাসী সমাজসেবক সরোয়ার হোসেন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সদরপুরে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সরোয়ার হোসেনকে বহনকারী ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে তিনি নিজ উপজেলা সদরপুরের উদ্দেশে রওনা হন।দীর্ঘদিন পর নিজ এলাকায় ফেরায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ফরিদপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন মাহমুদ ফুলের তোড়া দিয়ে স্পেন প্রবাসী সরোয়ার হোসেনকে বরণ করে নেন।এ ছাড়া সদরপুর উপজেলার নিজ এলাকায় ৩৩ নম্বর ডিগ্রি চর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি প্রফেসর (বাচ্চু মিয়া), বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকসহ স্থানীয়রা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।এ সময় সদরপুর উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ সমর্থকেরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।স্বদেশে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সরোয়ার হোসেন বলেন, “মাতৃভূমিতে ফিরতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। প্রবাসে থাকলেও আমার মন সব সময়ই দেশে পড়ে ছিল। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে প্রবাসের কর্মীরা সব সময় ঐক্যবদ্ধ। দেশের এই চলমান পরিস্থিতিতে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার ও প্রবাসীদের কল্যাণে আমি আগের মতোই সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাব।”অভ্যর্থনা শেষে দলীয় নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বহর নিয়ে তিনি নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরলেন প্রবাসী বিএনপি নেতা সরোয়ার হোসেন

জয়পুরহাটে ৪০০ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্র শিবির

জয়পুরহাটে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা অর্জন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয় অনুষ্ঠানে।শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে  শহরের স্বপ্ন ছায়া কমিউনিটি সেন্টারে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রশিবিরের আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ। শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিষয়ে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ।জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্যারিয়ার গাইডলাইন বিষয়ে বক্তব্য দেন ডাকসুর এজিএস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মহিউদ্দিন খান, শিবিরের কেন্দ্রীয় বিতর্ক  সম্পাদক আবু নাসির ত্বহা,  গার্ডিয়ান পাবলিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ, ডাঃ জাকারিয়া জালাল, জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি তারেক হোসেনসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।বক্তারা বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেই একজন শিক্ষার্থীর সাফল্য নিশ্চিত হয় না। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নির্ধারণে নিজের আগ্রহ, দক্ষতা, যোগ্যতা ও সময়ের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে মনোযোগী হতে হবে।তারা বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা, ইংরেজি ভাষা, গবেষণা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কোন বিষয়ে পড়াশোনা করলে ভবিষ্যতে কী ধরনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন পেশায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার কৌশল নিয়েও শিক্ষার্থীদের ধারণা দেওয়া হয়।এসময় বক্তারা আরও বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জীবনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্জন হলেও এটিই চূড়ান্ত গন্তব্য নয়। বরং এখান থেকেই জীবনের পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি শুরু হয়। তাই আবেগের বশবর্তী হয়ে বিষয় বা পেশা নির্বাচন না করে নিজের সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনা করে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেন তারা।অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তারা বলেন, বড় স্বপ্ন দেখতে হবে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিয়মিত অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা ও সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও নানা ধরনের আসক্তি থেকে দূরে থেকে জ্ঞানচর্চা, বই পড়া ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা।পরে জেলার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত প্রায় ৪০০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেন অতিথিরা।আয়োজকরা জানান, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্পর্কে সচেতন করে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এমন আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণে অনুপ্রাণিত হবে এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের জন্য দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

জয়পুরহাটে ৪০০ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্র শিবির

কৃষকের স্বস্তিতে জয়পুরহাটে যাত্রা শুরু ‘ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজের

জয়পুরহাটের কালাইয়ে কৃষকের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল সংরক্ষণ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎচালিত ‘ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ চালু করা হয়েছে। এর ফলে মৌসুমে উৎপাদন বেশি হলে পণ্য সংরক্ষণ করে পরবর্তী সময়ে সুবিধাজনক দামে বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন স্থানীয় কৃষকরা।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কালাই হাটে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা খাতের আওতায় ‘হাইব্রিড সোলার অপারেটেড’ ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজের উদ্বোধন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পর এখন লক্ষ্য সংরক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা আধুনিক করা। সোলারভিত্তিক নিয়ন্ত্রিত এই মিনি কোল্ড স্টোরেজ কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। কৃষকের আয় বৃদ্ধি, ফসলের অপচয় কমানো এবং গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।তিনি আও বলেন, মৌসুমি সবজি ও ফলের ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মৌসুমে অতিরিক্ত উৎপাদন হলে বাজারে দাম পড়ে যায়। তখন কৃষকরা অনেক সময় লোকসানে ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হন। মিনি কোল্ড স্টোরেজের মাধ্যমে কৃষকরা পণ্য সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বাজারজাত করতে পারবেন। এতে কৃষকের পাশাপাশি ভোক্তারাও উপকৃত হবেন।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, কৃষকদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সংরক্ষণের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় অনেক সময় তারা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হন। বিশেষ করে পচনশীল শাকসবজি সময়মতো বিক্রি করতে না পারায় অনেক পণ্য নষ্ট হয়ে যায় কিংবা ফেলে দিতে হয়।ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ চালুর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূল সংরক্ষণ করে সুবিধাজনক সময়ে বাজারজাত করতে পারবেন। এতে কৃষিপণ্যের অপচয় কমার পাশাপাশি কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন।কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় ১৫ থেকে ২০ জন কৃষক মিলে এই মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরিচালনা করবেন।কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনূর রশিদ বলেন, ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ বর্তমান সরকারের একটি প্রণোদনা কার্যক্রমের অংশ। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কৃষকরা যাতে উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের ন্যায্যমূল্য পান, তা নিশ্চিত করা। কৃষকরা পণ্যভেদে দুই দিন থেকে শুরু করে এক মাস পর্যন্ত এখানে শাকসবজি ও ফলমূল সংরক্ষণ করতে পারবেন। পরে সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করে তারা ন্যায্যমূল্য পাবেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজু আলম সরকার, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ, ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির মুন্সী, ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মল্লিকা রানী, আক্কেলপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনূর রশিদ, কালাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মৌদুদ আলম সরকারসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

কৃষকের স্বস্তিতে জয়পুরহাটে যাত্রা শুরু ‘ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজের

জয়পুরহাটে বিনির্মাণে নদীর পাড় থেকেই সোহেল রানার নির্বাচনী প্রচারণা

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদকে আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তুলসীগঙ্গা ইন্ডিয়ান ও তুলসী গঙ্গা নদীর পাড় থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বিএনপি নেতা সোহেল রানা।আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের বিলের ঘাট এলাকা থেকে সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি নির্বাচনী শোডাউন বের করা হয়। শোডাউনটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক, বাজার ও মহল্লা প্রদক্ষিণ করে মনছার বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।এর আগে তুলসীগঙ্গা নদীর পাড়ে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই বিপ্লবে আহত এবং শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত শেষে সেখান থেকেই নির্বাচনী শোডাউন শুরু করেন সোহেল রানা।শোডাউনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণের সময় নেতাকর্মীরা স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা নিশ্চিতকরণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান। এ সময় বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায়।সোহেল রানা মরহুম আ.ফ.ম. আব্দুল হামিদ ও ক্ষেতলাল উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের ছেলে। তিনি ক্ষেতলাল উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত সোহেল রানা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।সোহেল রানা বলেন, তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নের উন্নয়ন, রাস্তাঘাটের সংস্কার, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থান এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। তিনি আরও বলেন, তুলসীগঙ্গা নদী ও এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই নদীর পাড় থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে ইউনিয়নকে নতুনভাবে বিনির্মাণের অঙ্গীকার করছি।শোডাউনে তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তালহা জুয়েল, তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, আব্দুল লতিফুর বারীসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।শোডাউনটি বিলের ঘাট থেকে শুরু হয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা প্রদক্ষিণ করে মনছার বাজারের শেষ প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা সোহেল রানার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সোহেল রানাকে নিয়ে তারা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন। সামনে আরও ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে ইউনিয়নের প্রতিটি এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচারণা চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান তারা।

 জয়পুরহাটে বিনির্মাণে নদীর পাড় থেকেই সোহেল রানার নির্বাচনী প্রচারণা

২০০ টাকায় রাতযাপনের সুযোগ, তবু অচেনা ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার

বিদেশে কর্মসংস্থানের আশায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ঢাকায় আসেন। আবার মধ্যরাতে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেও অনেককে বিমানবন্দরসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করতে হয়। স্বল্প খরচে নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় কেউ বাধ্য হয়ে ওঠেন ব্যয়বহুল হোটেলে, আবার কেউ রাত কাটান বিমানবন্দরের টার্মিনালেই।অথচ প্রবাসী কর্মীদের জন্য মাত্র ২০০ টাকায় রাতযাপনের সুবিধা রয়েছে রাজধানীর ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারে। শুধু তাই নয়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেন্টারে যাতায়াতের জন্য রয়েছে বিনা মূল্যে পরিবহন সুবিধাও। কিন্তু উদ্বোধনের পাঁচ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও প্রচারের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রবাসীরা। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেন্টারটির অধিকাংশ সময়ই পড়ে থাকছে ফাঁকা।হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরে খিলক্ষেত থানার বরুয়া এলাকার লঞ্জনীপাড়ায় নির্মাণ করা হয়েছে ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার। বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মীদের অস্থায়ী আবাসনের সুবিধা নিশ্চিত করতেই এটি নির্মাণ করা হয়। ২০২২ সালের ১৮ মার্চ সেন্টারটির উদ্বোধন করা হয়।সংশ্লিষ্টদের মতে, বিমানবন্দর থেকে স্বাভাবিক সময়ে সড়কপথে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটেই সেন্টারটিতে পৌঁছানো যায়। এখানে একসঙ্গে ৪০ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীসহ মোট ৫০ জনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কম খরচে নিরাপদ আবাসনের পাশাপাশি বিমানবন্দরে যাতায়াতের সুবিধাও থাকায় বিদেশগামী ও প্রবাসফেরত কর্মীদের জন্য এটি হতে পারত গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রবাসী কর্মী জানেনই না এমন একটি সরকারি আবাসনকেন্দ্রের কথা। ফলে একদিকে বিমানবন্দর এলাকায় আবাসনের সংকটে প্রবাসীদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়েজ আর্নার্স সেন্টারের সুযোগ-সুবিধা থেকে যাচ্ছে অব্যবহৃত।প্রবাসীদের দাবি, বিমানবন্দর, বাস টার্মিনাল ও দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় ব্যাপক প্রচারণার পাশাপাশি টিকিট, ভিসা ও জনশক্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন দপ্তরের মাধ্যমে সেন্টারটির তথ্য জানানো হলে এর সুফল পেতে পারেন হাজারো প্রবাসী কর্মী।প্রশ্ন উঠছে—মাত্র ২০০ টাকায় নিরাপদ রাতযাপনের এমন সুযোগ থাকার পরও কেন প্রবাসীদের কাছে অচেনা থেকে যাবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার?

২০০ টাকায় রাতযাপনের সুযোগ, তবু অচেনা ওয়েজ আর্নার্স সেন্টার

মোবাইল কেনার টাকা না পেয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

শাহাদাৎ বাবু, নোয়াখালী সংবাদদাতানোয়াখালী সদর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আবদুল্লাহ আল সাইফ (১৩) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলের দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জামালপুর এলাকার কাউসারের ফার্মেসি দোকানের পেছনের চেম্বার রুমে এ ঘটনা ঘটে।নিহত সাইফ উপজেলার দক্ষিণ কাদির হানিফ এলাকার মো.সোহাগের ছেলে। সে জামালপুর এলাকার কাউসার আহমেদের ফার্মেসি দোকানে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের মালিক কাউসার আহমেদ বাইরে থাকার সুযোগে দোকানের পেছনের চেম্বার রুমের ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সাইফ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে দোকানে ফিরে মালিক সাইফকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে চেম্বার রুমে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সাইফ একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য দোকান মালিকের কাছে টাকা চেয়েছিল। তবে টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাউসারুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।

মোবাইল কেনার টাকা না পেয়ে কিশোরের আত্মহত্যা

আর, এম, পির বিশেষ চেকপোস্ট

মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিরাজশাহী মহানগরীর সড়কগুলোতে  শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে । ৯৬ টা মামলা হয়েছে ২৫/৮/২০২৬ তারিখে ।রাজশাহী মহানগরীতে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, যানজট নিরসন ও জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ চেকপোস্ট ও অভিযান পরিচালনা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) ট্রাফিক বিভাগ ও থানা পুলিশ।গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিচালিত এ অভিযানে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ৫৭টি যানবাহন আটক করা হয়েছে।আর, এম, পি পুলিশ জানায়, অভিযানে ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, ইজিবাইক, অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।আরএমপি জানিয়েছে, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিরসন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নগরবাসীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের বিশেষ চেকপোস্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।পুলিশের পক্ষ থেকে চালক ও পথচারীদের সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আর, এম, পির বিশেষ  চেকপোস্ট

নীলফামারীতে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার নিবন্ধন উদ্বোধন

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্যে নীলফামারীতে ‘কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬’-এর রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল ৫টায় আনন্দঘন পরিবেশে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী শাখার উদ্যোগে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আলফারুক আব্দুল লতীফ। প্রধান আলোচক ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারীর চেয়ারম্যান সেলিমুদ্দিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য মাহাবুব রব্বানী রুবেল ও মো. আশরাফুল ইসলাম। এ সময় কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, শিশুকিশোরদের মেধা বিকাশ, নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টি এবং দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি, নিয়মিত পড়াশোনায় উৎসাহিত করা এবং মেধাবীদের স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে মেধাবৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬’-এ স্কুল ও মাদরাসার তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবে। আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত।পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার বৃত্তি ও নগদ অর্থ পুরস্কার রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি শ্রেণিতে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বিশেষ পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।আয়োজকেরা জানান, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধ্যবসায়, প্রতিযোগিতার মানসিকতা এবং ভালো ফলাফলের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে রেজিস্ট্রেশন ফরম ও পোস্টার উন্মোচন করেন। এর মধ্য দিয়ে নীলফামারী জেলায় ‘কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬’-এর নিবন্ধন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

নীলফামারীতে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার নিবন্ধন উদ্বোধন

মাদকমুক্ত ও নিরাপদ পুনট গঠনে জয়পুরহাটে গণস্বাক্ষর ও আলোচনা সভা

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য পুনট ইউনিয়ন বিনির্মাণের লক্ষ্যে গণস্বাক্ষর অভিযান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার পুনট হাট চত্বরে বেসরকারি সংস্থা ‘আর্থ রুট সোসাইটি’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।আর্থ রুট সোসাইটির সহ-সভাপতি সেকেন্দার আলী সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব এস এম মেরিন, সহ-সভাপতি চৌধুরী রোমানা, নান্দাইল দীঘি কলেজের সহকারী শিক্ষক আতাউর রহমান দুলাল, পুনট দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার সফির উদ্দিনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পুনট ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সামাজিকভাবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে টেকসই সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।তারা আরও বলেন, শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।পরে পুনট ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার দাবিতে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

মাদকমুক্ত ও নিরাপদ পুনট গঠনে জয়পুরহাটে গণস্বাক্ষর ও আলোচনা সভা

জয়পুরহাটে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ক্যাম্প

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্সের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ব্র্যাকের আক্কেলপুর এলাকা অফিসে এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চোখের রোগ প্রতিরোধ এবং দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ আয়োজন করা হয়।‘দৃষ্টি ফিরে পাওয়ার পথ গ্রামীণ চক্ষু সেবার উদ্যোগ’ শীর্ষক এ ক্যাম্পে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার চক্ষু রোগীরা সেবা নেন। বিশেষভাবে নারী, বিধবা, প্রবীণ এবং কৃষি ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সেবার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়।ক্যাম্পে মোট ৪৪৫ জন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৪৪ জন রোগীর চোখে ছানি শনাক্ত করা হয়। তাদের বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া ২২২ জন রোগীর মধ্যে বিনামূল্যে চশমা বিতরণ করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৬ জন রোগীকে হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।বগুড়ার গাক চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক দল ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে। ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুবের নেতৃত্বে এবং আউটরিচ ইনচার্জ মো. শিহাব আহমেদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়।ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের জয়পুরহাট জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. আরিফুল ইসলাম, ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর (লিড জেনারেশন) মো. ইদ্রিস আলী, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (দাবি) সানজিদা নাসরিন তুলি, জয়পুরহাটের সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন, আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এম শাফি মাহমুদ, এলাকাবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. রেজাউল আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ব্র্যাকের শাখা ও এলাকা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।আয়োজকরা জানান, এ ধরনের চক্ষু সেবা ক্যাম্প শুধু চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রায় নতুন আশার সঞ্চার করে। ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন সেবাগ্রহীতারা। তারা ব্র্যাকের এমন উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

জয়পুরহাটে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ক্যাম্প
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream