বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

অপরাধ

শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে শেরপুর সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর)  দিবাগত রাতে  শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার কাটাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা মদের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক, চোরাচালানি মালামাল এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন।ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানিয়েছেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এ নীতির আওতায় সীমান্তে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে।সীমান্তে মাদক, চোরাচালানি মালামাল ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে চলমান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। 

নেত্রকোণার মদনে ছেলের দায়ের কোপে পিতার মৃত্যু, আটক ছেলে

নেত্রকোণার মদন পৌর শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আশকিপাড়া এলাকায় ছেলের দায়ের কোপে এলাই মিয়া (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বসতবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে নিজ বাড়িতে এলাই মিয়ার সঙ্গে তার ছেলে ইয়াসিনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইয়াসিন বটিদা দিয়ে তার বাবাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে এলাই মিয়া গুরুতর আহত হন।পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহত এলাই মিয়া পেশায় দিনমজুর ছিলেন। তিনি আট ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার অন্য ছেলেরা বিভিন্ন ব্যবসা ও পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। ইয়াসিন তার আট ছেলের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ইয়াসিন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা নথি বা তদন্তের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যাবে।মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ইয়াসিনের হাতে তার বাবা এলাই মিয়া নিহত হয়েছেন। ইয়াসিনকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণার সদর হাসপাতালের পাঠানো হয়েছে । এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। 

নেত্রকোণার মদনে ছেলের দায়ের কোপে পিতার মৃত্যু, আটক ছেলে

বাউফলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর বাউফলে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. হেলাল গাজী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লক্ষীপাশা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল আলম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বাউফল থানার এসআই (নিঃ) সম্বিত রায় সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিলের দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে হেলাল গাজীকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তার হেলাল গাজী দক্ষিণ লক্ষীপাশা গ্রামের মো. মতলেব গাজীর ছেলে।এ ঘটনায় বাউফল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণি ১০(ক) অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে। মামলাটি নং-২৫, জিআর-২৯৭; তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২৬।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হেলাল গাজীকে আদালতে পাঠানো হবে।

বাউফলে ৫০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণপাড়া দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড

​কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে দুই মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই অভিযানে দু'টি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।​পুলিশ জানায়, রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্য্য ও রূপম কুমার সরকারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। এ সময় মাদক সেবনের অপরাধে শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেতাভূমি গ্রামের হোসেন মিয়া (২৫) এবং পূর্ব পোমকারা গ্রামের অলিউল্লাহকে (৪৭) আটক করা হয়।​পরবর্তীতে আমলী আদালত-২ (ব্রাহ্মণপাড়া)-এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তৈয়ব উদ্দিন সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে আসামিদের সাজা প্রদান করেন। রায়ে ১ নম্বর আসামি হোসেন মিয়াকে ৭ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা এবং ২ নম্বর আসামি অলিউল্লাহকে ৩ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।​এদিকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পৃথক এক অভিযানে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোঃ সাইফুল আলম সিদ্দিকী উপজেলার দক্ষিণ চান্দলা এলাকা থেকে দু'টি জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি আক্তার খানকে গ্রেপ্তার করেন। আটক আক্তার খান ওই এলাকার নান্নু খানের ছেলে। তাকেও বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন ও আসামীদের গ্রেপতার নিশ্চিতে পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণপাড়া দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে হত্যার অভিযোগ তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে

জয়পুরহাটে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে আপন তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে তাদের বোনকে কোদালের গোড়া দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রায় সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান বিলকিস বানু।মামলার বিবরণ ও নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিক জানান, জয়পুরহাট সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের মৃত হেলাল উদ্দীনের স্ত্রী বিলকিস বানু পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৩৯ শতক জমিতে চাষাবাদের কাজ দেখতে যান।এ সময় জমি নিয়ে তার তিন ভাই রুহুল আমিন, জয়নাল আবেদীন ও কোরবান আলীর সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়।অভিযোগ রয়েছে, অপর দুই ভাইয়ের প্ররোচনায় ছোট ভাই রুহুল আমিন কোদালের গোড়া দিয়ে বিলকিস বানুর মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সাত দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার ভোরে তিনি মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে বলে জানান সদর থানার ওসি।

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বোনকে হত্যার অভিযোগ তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে

ডিসির নামে ভুয়া নম্বর দিয়ে চাঁদা চাওয়া! বান্দরবান জেলা প্রশাসনের জরুরি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক  মোঃ সানিউল ফেরদৌস  সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।বান্দরবান জেলা প্রশাসকের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টা। একটি ভুয়া মোবাইল নম্বর থেকে জেলার উন্নয়ন কাজের নামে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক সাহায্য চাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে জরুরি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসন।আজ সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, আইসিটি শাখা থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ০১৮১৭৬৫৩২৬ নম্বর ব্যবহার করে "জেলা প্রশাসক, বান্দরবান পার্বত্য জেলা" এর নামে বান্দরবান জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সহায়তা-সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের অবস্থানবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, উক্ত নম্বরটি জেলা প্রশাসক, বান্দরবান পার্বত্য জেলার কোনো অফিসিয়াল মোবাইল নম্বর নয়। এ ধরনের প্রতারণার বিষয়ে ইতোমধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।জেলা প্রশাসকের অনুরোধবান্দরবানের জেলা প্রশাসক  মোঃ সানিউল ফেরদৌস  সকলকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।তিনি আরও বলেন, “জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কখনোই ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে বা কোনো নম্বর দিয়ে টাকা-পয়সা চাওয়া হয় না। কেউ এমন ফোন পেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা জেলা প্রশাসনকে জানান।যোগাযোগের ঠিকানাপ্রকৃত প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য জেলা প্রশাসকের অফিসিয়াল ফোন: ০২৩০১২০১ই-মেইল: dcbandarban@mopa.gov.bdওয়েবসাইট: www.bandarban.gov.bdজেলা প্রশাসনের এই বিজ্ঞপ্তিটি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পুলিশ সুপার, বিজিবি, ডিজিএফআই সহ সকলকে অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে।

ডিসির নামে ভুয়া নম্বর দিয়ে চাঁদা চাওয়া! বান্দরবান জেলা প্রশাসনের জরুরি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

নওগাঁয় ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ একজন গ্রেপ্তার

নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের বিশেষ  নির্দেশনায় নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ তারিকুল ইসলাম মল্লিক (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ডিবির একটি দল নওগাঁ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, পয়না বাজারে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘মল্লিক ডিজিটাল স্টুডিও ল্যাব প্রিন্ট অ্যান্ড ফটোকপি টেলিকম’-এ কম্পিউটারের মাধ্যমে জাল টাকা তৈরি করা হচ্ছে।সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানিক দল পয়না বাজারে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায়। এ সময় স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তারিকুল ইসলাম মল্লিকের দেহ তল্লাশি করা হলে তার হেফাজত থেকে এক হাজার টাকা মূল্যমানের ৪৭টি জাল নোট উদ্ধার করা হয়। যার মোট মূল্য ৪৭ হাজার টাকা।অভিযানে তার দোকান থেকে একটি কম্পিউটার মনিটর, দুটি সিপিইউ, একটি কালার প্রিন্টার ও একটি স্ক্যানার জব্দ করা হয়। এছাড়া কম্পিউটারে জাল নোট তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তারকৃত তারিকুল ইসলাম মল্লিক পয়না বাজার এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নওগাঁয় ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ একজন গ্রেপ্তার

রংপুরের চার খুন: রাজসাক্ষী শান্তের মুখে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রংপুর নগরীর বহুল আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর চার খুন মামলার তদন্তে নতুন এবং চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের আগে খুনের মূল অভিযুক্তদের কাছে ইয়াবা বিক্রির চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে আদালতে সাক্ষী হিসেবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন শান্ত দাস নামের এক ব্যক্তি।​রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারকের খাসকামরায় এই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দি প্রদানকারী শান্ত দাস স্থানীয় বাদল দাসের ছেলে।​মামলার তদন্ত তদারকি কর্মকর্তা ও রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাস ঘটনার আগের রাতে শান্ত দাসের কাছ থেকে মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা কিনেছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্ত দাস বিষয়টি স্বীকার করায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন।​তদন্ত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে শান্ত দাস আদালতকে জানিয়েছে, গত ২১ আগস্ট রাতে দফায় দফায় তার কাছ থেকে ইয়াবা কেনা হয়েছিল। প্রথমে রাত ৯টার দিকে তিনটি এবং পরবর্তীতে ভোররাতে আরও পাঁচটি ইয়াবা সংগ্রহ করে অভিযুক্তরা। সাড়ে তিন হাজার টাকায় একটি মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ওই মাদক কেনা হয়েছিল। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, হত্যাকাণ্ডের পরের দিন শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নতুন চকচকে টাকা দিয়ে সেই বন্ধকি মোবাইল ফোনটি আবার ছাড়িয়েও নেওয়া হয়।​এর আগে রোববার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ওসি জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শান্ত দাসকে আদালতে হাজির করা হয়। মাদক কারবারি হওয়া সত্ত্বেও তাকে কেন তাৎক্ষণিকভাবে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি ডিবি সনাতন চক্রবর্তী স্পষ্ট করেন যে, শান্ত দাসের বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মাদকের মামলা ছিল না এবং আটকের সময় তার নিকট থেকে কোনো মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়নি। তবে তিনি নিজেই মাদক সেবনের কথা স্বীকার করায় তাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।​উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট ভোরে রংপুর মহানগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে একই পরিবারের চার জনের মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক গণমতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বোলা, কন্যা আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পুত্র আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়ম। ২২ আগস্ট রাত থেকে ২৩ আগস্ট ভোররাতের মধ্যে পুলিশ এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের রহস্য ভেদ করে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পরপরই তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় খুনে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছিল।​পরবর্তীতে এই মামলার তদন্তের স্বার্থে একে একে সাক্ষ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। গত ২৫ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন অভিযুক্তদের বন্ধু সীমান্ত, যার ঘরে বসে হত্যাকাণ্ডের আগে ইয়াবা সেবন করা হয়েছিল। এছাড়া ২৬ আগস্ট আদালতে জবানবন্দি দেন দখিগঞ্জ শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ দাস, যার কাছে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আশ্রয় চেয়ে খুনের কথা স্বীকার করেছিল মুগ্ধ। ​এদিকে পৈশাচিক এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে পুরো রংপুরবাসী। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রংপুরের চার খুন: রাজসাক্ষী শান্তের মুখে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ডোমারে ‘ইজিপিপি কাজ’ দেওয়ার প্রলোভনে ঘুস নেওয়ার অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমারে ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)-তে মাটিকাটার কাজ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ২ হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা ও কম্পিউটার অপারেটর আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ২১ জন ভুক্তভোগী টাকা ফেরতের দাবিতে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হন।রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ভুক্তভোগীরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে ইজিপিপির প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। টাকা না দিলে তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া কিংবা কাজের সুযোগ বাতিলের ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তারা।ভুক্তভোগী রেজিনা বেগম ও আঞ্জু বেগম জানান, কাজ পাওয়ার আশায় তারা ধার করে টাকা সংগ্রহ করে আব্দুল কাদেরকে দিয়েছিলেন। তবে টাকা দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা কোনো কাজ পাননি।আরেক ভুক্তভোগী রবি রাম বলেন, ৪০ দিনের কাজের জন্য ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। টাকা দেওয়ার প্রায় দুই বছর হয়ে গেলেও কাজের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। প্রকল্পটি বর্তমানে নেই বলে জানতে পেরে টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় ইউনিয়ন পরিষদে এসেছেন তিনি।এদিকে, কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ছোটখাটো কাজেও আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেও কার্যকর ব্যবস্থা না পাওয়ার দাবি করেন তারা।অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল কাদের টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আগে যারা কাজ করছিলেন, তারাই যেন পরবর্তীতেও কাজের সুযোগ পান—এ উদ্দেশ্যেই তিনি টাকা নিয়েছিলেন।ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান বলেন, সরকারি কর্মসূচিতে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে কোনো ধরনের অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই। টাকা দেওয়া ও নেওয়া—দুইটিই আইনত অপরাধ। অভিযোগটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডোমারে ‘ইজিপিপি কাজ’ দেওয়ার প্রলোভনে ঘুস নেওয়ার অভিযোগ

নড়াইলে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ শিক্ষকে গ্রেফতার

নড়াইলে মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষকে গ্রেফতার করছে পুলিশ। অভিযুক্ত মাহাবুবুর রহমান (২৫)। নড়াইল পৌরসভার একটি মাদরাসার ছয় শিশুশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাহাবুবুর রহমান (২৫) নামের এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে সদর থানা-পুলিশ। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর থানা-পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার মাহাবুবুর রহমান সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। তিনি ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত (২৭) আগস্ট দিবাগত রাতে নড়াইল পৌরসভা এলাকার একটি মাদরাসায় এক শিশুশিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ ওঠে মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে। পরদিন ২৮ আগস্ট শিশুটির মা মাদরাসায় গেলে শিশুটি তাকে বিষয়টি জানায়। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানানো হয়।পুলিশ জানায়, পরে আরও পাঁচ শিশুশিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ করে। বিষয়টি জানাজানি হলে মাহাবুবুর রহমান পালিয়ে যান।এরপর ৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী এক শিশুর মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর ওই দিন দিবাগত রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহাবুবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, মাহাবুবুর রহমানকে শনিবার রাতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নড়াইলে মাদরাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ শিক্ষকে গ্রেফতার

নওগাঁর মান্দায় চোলাইমদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদ খ্যাত মান্দায় অভিযান চালিয়ে ১৫০ লিটার ওয়াশ চোলাইমদ উদ্ধার করেছে মান্দা থানা পুলিশ। এ ঘটনায় রিপন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্র মতে প্রকাশ, মান্দা থানাধীন ৫ নম্বর গণেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর ঋষিপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত শ্রী রিপন (৩০), পিতা- মৃত গৌরবুল্লা, মাতা- শ্রীমতী ময়না-এর পূর্বদুয়ারী ঘরের উঠানে থাকা টিউবওয়েলের পশ্চিম পাশে মাটির তৈরি বড় হাঁড়ির মধ্যে রাখা ১৫০ লিটার ওয়াশ চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত চোলাই মদ  তালিকামূলে জব্দ করা হয়।এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে  জানা যায়।

নওগাঁর মান্দায় চোলাইমদ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

ন‌ওগাঁর নিয়ামতপুরে বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ, একজন গ্রেপ্তার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাড়ির আঙিনায় গাঁজার গাছ চাষের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। এ সময় তাদের বাড়ির পেছনের আঙিনা থেকে ১৩টি গাঁজার গাছ জব্দ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন—নিয়ামতপুর উপজেলার বুধুরিয়া করমজা গ্রামের মো. ইছাহাক মণ্ডল (৭০)নিয়ামতপুর থানা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাতে নিয়ামতপুর থানার এএসআই আব্দুর রাজ্জাকসহ পুলিশের একটি চোকস দল উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের বুধুরিয়া করমজা গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় অভিযুক্তদের বাড়ির পেছনের আঙিনায় থাকা বিভিন্ন উচ্চতার ১৩টি কাঁচা সবুজ রঙের গাঁজার গাছ দেখতে পায় পুলিশ।পরে ঘটনাস্থল থেকে গাছগুলো জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা গাঁজার গাছ রোপণ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে চাষাবাদ করছিলেন।জব্দ করা ১৩টি গাঁজার গাছের মধ্যে কয়েকটির উচ্চতা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট পর্যন্ত ছিল। গাছগুলো জব্দ করে ওজন হয় সাড়েতিন কেজি অন্যান্য আলামত সংরক্ষণ করা হয়েছে।এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ১৮(ক) উপধারায় মামলা করার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ন‌ওগাঁর নিয়ামতপুরে বাড়ির আঙিনায় গাঁজার চাষ, একজন গ্রেপ্তার

শাহপরীর দ্বীপ থেকে মাদক উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের শাহপরীর দ্বীপ মাঝের ডেইল এলাকা থেকে ৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস) মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) এর একটি আভিযানিক দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।র‌্যাবের আভিযানিক দল জানতে পারে শাহপরীর দ্বীপ মাঝের ডেইল এলাকার খামিন মাঝির বসতবাড়ির পশ্চিম পাশের ফাঁকা জায়গায় কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী অবৈধ মাদক কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদে র‌্যাবের আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ ফেলে দ্রুত অন্ধকারে সুকৌশলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ১ কেজি ওজনের ৩টি অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল প্যাকেট উদ্ধার করা হয়, যার প্রতিটির গায়ে "GUANYINWANG" লেখা রয়েছে। প্যাকেটগুলো থেকে ৩ কেজি কথিত অ্যামফিটামিন জাতীয় ক্রিস্টাল মেথ (আইস) মাদক জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকা থেকে ক্রিস্টাল মেথসহ বিভিন্ন অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে টেকনাফ ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে পলাতক মাদক কারবারিরা। উদ্ধার আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পলাতক মাদক কারবারিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

শাহপরীর দ্বীপ থেকে মাদক উদ্ধার

শেরপুরে মামলা তুলে না নেওয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে চুরির অপবাদ দিয়ে মো. হানিফ আলী (২২) নামে এক যুবককে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধ্যাকুড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত হানিফ আলী বর্তমানে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। তিনি ওই গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে।হানিফের পরিবারের অভিযোগ, ২০২৪ সালে মাদক কারবারিদের মাদক পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার সন্দেহে হানিফকে মারধর করে তার পা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়, যা বর্তমানে চলমান। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিরা মামলা তুলে নিতে হানিফের বাবা সাদেক আলী ও পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ পরিবারের।এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে সন্ধ্যাকুড়া বাজারে হানিফকে চুরির অপবাদ দেওয়া হয়। পরে তাকে একটি ঘরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে হানিফের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।এ ঘটনায় হানিফের বাবা সাদেক আলী বাদী হয়ে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে ঝিনাইগাতী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।পরিবারটির অভিযোগ, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অভিযুক্তরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন। পাশাপাশি মাদক কারবারিদের হুমকির কারণে সাদেক আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম নুর মোহাম্মদ বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

শেরপুরে মামলা তুলে না নেওয়ায় চুরির অপবাদে যুবককে হাত-পা বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন

ব্রাহ্মণপাড়া​ পুলিশের বিশেষ অভিযান ৬ জন গ্রেফতার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের পরিচালিত পৃথক পৃথক বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার আসামি, মাদক কারবারি ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ সর্বমোট ০৬ (ছয়) জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানকালে ১০ বোতল ভারতীয় হুইস্কি, ৫০ বোতল স্কাফ সিরাপ এবং ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।​পুলিশ সূত্রে জানা যায়,থানার এসআই (নিঃ) মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২-এর ৪/৫ ধারার পলাতক আসামি গাজী মোঃ শাহিন প্রকাশ শাহীন (৩০) (পিতা-মৃত স্বপন মিয়া, সাং-দুলালপুর)-কে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।অপর দিকে এসআই (নিঃ) ডি.এম.এ মজিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে ১৯৭৪ সালের দ্য স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট-এর ১৫(৩) ধারার পলাতক আসামি এবং জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত মোঃ এনামুল হক (৪৫) (পিতা-মৃত সিরাজুল ইসলাম, সাং-নাইঘর)-কে গ্রেফতার করেন।​এসআই (নিঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম ভোররাত ০১:১০ ঘটিকায় ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দক্ষিণ তেতাভূমি পুকুর পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ (দশ) বোতল ভারতীয় হুইস্কিসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো কাজী সারোয়ার (২৮) (সাং-গঙ্গানগর) এবং  মোঃ মাহফুজ মিয়া (৩৬) (সাং-মানরা)। এসআই (নিঃ) মোঃ শামীম হোসেনের নেতৃত্বে শশীদল ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বাল্লাক) এলাকায় অভিযান চালিয়ে জনৈক শাহ আলমের বাড়ির নিকট কাঁচা রাস্তা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫০ (পঞ্চাশ) বোতল নেশাজাতীয় স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়।এসআই (নিঃ) মোঃ শামীম হোসেন ও এএসআই (নিঃ) মোঃ নুর-আল-আহসান ১নং মাধবপুর বাজারের দক্ষিণ পাশে 'দয়াল ভরসা' আড়তের সামনে পাকা রাস্তা থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ মোঃ সজিব মিয়া (২২) (পিতা-আমির হোসেন, সাং-জামতলী)-কে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফারুক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।​গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া​ পুলিশের বিশেষ অভিযান ৬ জন গ্রেফতার

পীরগাছায় স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

রংপুরের পীরগাছায় ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণের অভিযোগে মো. আশিক মিয়া ওরফে আসাদুল হক (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানার আশরাফ মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো   হয়েছে ।গ্রেপ্তার আশিক মিয়া উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের রহমতচর এলাকার খাঁজা মিয়া ওরফে খায়রুজ্জামানের ছেলে। ভুক্তভোগী কিশোরী জমিরন আক্তার (১৪) একই এলাকার জাবেদ আলীর মেয়ে। সে উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেবচর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে,  স্কুলে যাতায়াতের পথে আশিক ওই কিশোরীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে সতর্ক করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কিশোরীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন আশিক।গত ৮ আগস্ট রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ওই কিশোরী তার বাড়ির সামনের রাস্তায় বের হলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আশিক ও তাঁর এক অজ্ঞাত সহযোগী কিশোরীকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে রংপুর শহরের দিকে চলে যান।এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-১২,তারিখ-১৫ আগস্ট ২০২৬।পরে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাজীপুরের গাছা থানার আশরাফ মার্কেট এলাকা থেকে আশিককে গ্রেপ্তার করে।এ বিষয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জানান, “মামলাটি তদন্তাধীন। গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্তকে শনিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করা গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।”

পীরগাছায় স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream