বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

অপরাধ

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে চাচা গ্রেফতার

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে চাচা গ্রেফতার

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় ২৮ মাস বয়সী ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগে আপন চাচা নীরব হোসেনকে (১৮) গ্রেফতার করেছে থানাপুলিশ। বুধবার(২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বলধরা ইউনিয়নের তেলিখোলা এলাকা থেকে তাকে আটক করে সিংগাইর থানায় নেওয়া হয়। আটককৃত-নীরব ওই এলাকার ফরশেদ আলীর ছেলে।বৃহস্পতিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।মামলা সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে শিশুটির বাবা কাজে চলে যান। এসময় তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে বাড়িতে ছিলেন। এই দিন বেলা ১১টার দিকে শিশুটিকে তার চাচা নীরব দাদার বাড়িতে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।  দুপুরের দিকে শিশুটির কান্নার শব্দ শুনে তার মা সেখানে গেলে নীরবকে ঘর থেকে বের হতে দেখেন। এসময় শিশুটির অস্বাভাবিক আচরণ দেখে সন্দেহ হলে বিষয়টি পরিবারকে জানান।পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে সিংগাইরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়ার পর সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠান।সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মাজহারুল ইসলাম জানান,ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ভিকটিমের বাবা শিশির বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

চাঁদপুরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আমিনুল ইসলাম (৬৪) নামে মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলামের বাসায় আরবি পড়তে যেত। আরবি পড়ানোর সুযোগে ওই শিক্ষক শিশুটির সঙ্গে অশোভন আচরণ ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থান স্পর্শ করতেন।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে একই ঘটনার পর শিশুটি বিদ্যালয়ে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে। বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শামছুন্নাহার শিশুটির কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তার সঙ্গে ঘটা বিষয়টি শিক্ষিকাকে জানায়।শিক্ষিকা বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে অবহিত করা হয়। তিনি শাহরাস্তি মডেল থানায় বিষয়টি জানালে থানা পুলিশ শিশুটির বক্তব্য গ্রহণ করে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়। ওই রাতেই উল্যাশ্বর এলাকা থেকে আমিনুল ইসলামকে আটক করা হয়।রায়শ্রী উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন দাবি করেন, আটককৃত আমিনুল ইসলাম জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মাহবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি নেক্কারজনক। সংবাদ পেয়ে দ্রুত সময়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। পরে অভিযুক্তকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।জানা যায়, আটককৃত আমিনুল ইসলাম জামালিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।

চাঁদপুরে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

রূপগঞ্জে ডাকাতি হাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার , ৫ ডাকাতসহ ধারালো উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আবুল হোসেন নামের এক জমি ব্যবসায়ীর বাড়িতে পরিবারের সকলকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৭ ভরি স্বর্ণ, নগদ টাকাসহ মালামাল লুটের ঘটনায় স্বর্ণ উদ্ধার ও ধারালো অস্ত্রসহ ৫ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ভুলতা পুলিশ ফাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।এর আগে, ভোর তিনটার দিকে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নগর পাড়া কাজীবাড়ি এলাকায় ঘটে এ ডাকাতির ঘটনা।গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নরসিংদী জেলার মাধবদী এলাকার মো: তামজিদ মিয়া মো: শাহিন মিয়া মো:শামিম মিয়া হৃদয় দাস ও কুমিল্লা জেলার হোমনা এলাকার মো: শরিফ মিয়া।ডাকাতের কবলে পড়া ব্যবসায়ী পরিবারের বরাত দিয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, ভোর তিনটার দিকে ৮ থেকে ১০ জনের একদল মুখোশ পরা ডাকাত ধারালো অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আবুল হোসেনের বাড়ির গেট ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। পরে আবুল হোসেনের ছেলে আলামিন মিয়া ও আল জাবের হোসেনসহ পরিবারের সকলকে বেঁধে রেখে ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ঘরে থাকা আলমারি ভেঙে ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৩ লাখ টাকা ও মালামাল লুট করে । পড়ে পরিবারের লোকজনের আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।এ ঘটনার খবর পেয়ে রুপগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালায়। পরে সকালে ভুলতা পুলিশ ফাড়ি এলাকায় ডাকাত সন্দেহে ৫ ডাকাতকে গণপিটুনি দেয় বলে পুলিশ সংবাদ পায়। পরে পুলিশ তাদের সোয়া ৬ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, পিকআপভ্যান, ধারালো অস্ত্রশস্ত্র ও ডাকাতের ব্যবহৃত মালামালসহ গ্রেফতার করে ।ওসি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত ডাকাতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।#

রূপগঞ্জে ডাকাতি হাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার , ৫ ডাকাতসহ ধারালো উদ্ধার

শাহজাদপুর বিকাশ অফিসে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ব্লাকমেইল ও ধর্ষণচেষ্টা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টে ডেকে নিয়ে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি, ব্লাকমেইল এবং জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনায় ৩ বিকাশ কর্মীকে আটক করেছে শাহজাদপুর থানা পুলিশ। বুধবার রাতে ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী শাহজাদপুর বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের ৩ কর্মচারীর নাম উল্লেখ করে শাহজাদপুর থানায়  একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে রাতেই অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশ।আটককৃতরা হলো, শাহজাদপুর উপজেলার ডাকবাংলাপাড়া এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের পুত্র ও শাহজাদপুর বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের আইটি বিশেষজ্ঞ তারেক রাব্বি (৩৬), বাজিয়ার পাড়া গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের পুত্র ও বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের প্রহরী মোঃ হোসেন আলী (৪৮) এবং বেড়াকুচাটিয়া গ্রামের মোঃ সাইদুল ইসলামের পুত্র বিকাশ কর্মী চয়ন ইসলাম (২৭)।ভুক্তভোগী ছাত্রীর অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৩য় বর্ষের ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী শাহজাদপুর থানাধীন ডাকবাংলাপাড়ার পশ্চিম পাশে একটি বাসার ৩য় তলায় মেস হিসেবে ভাড়া থাকেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার এক পুরুষ বন্ধু ব্যক্তিগত প্রয়োজনে মেসে আসেন এবং কিছু সময় অবস্থান করে চলে যান। ছাত্রীর রুমের পাশেই থাকা শাহজাদপুর বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণে যুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনাটি লক্ষ্য করেন। ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০ টায় বিকাশ অফিসের লোকজন ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে উক্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। বিকেলের মধ্যে টাকা না দিলে ফুটেজ ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি (ব্লাকমেইল) দেওয়া হয়।  একই দিন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে অভিযুক্তরা ডাকবাংলাপাড়ার বিপ্লব কুমার সরকারের ৪ তলা বিল্ডিংয়ের বিকাশ অফিসে ভিকটিমকে পুনরায় ডেকে নেয়। সেখানে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তার কাছ থেকে সোনার চেইন দাবি করা হয়। একপর্যায়ে অন্য আসামিদের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে মোঃ তারেক রাব্বি ভিকটিমকে একাকী পেয়ে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের উদ্দেশ্যে পরণের পোশাক খোলার চেষ্টা চালায়। ভিকটিম নিজেকে ছাড়িয়ে বের হতে গেলে বিকাশ সার্ভিস পয়েন্টের প্রহরী মোঃ সামাদ তাকে ঝাপটে ধরে শ্লীলতাহানি করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী তার বাড়িতে ফোন করার চেষ্টা করলে তার হাত থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। সিঁড়ি দিয়ে নেমে পালিয়ে আসার সময়ও আসামিরা তার ওপর নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি চালায়।  ভুক্তভোগী ঐ শিক্ষার্থী চিৎকার করতে করতে রাস্তায় নেমে আসলে স্থানীয় কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে আসেন এবং ঘটনাটি শোনেন। পরবর্তীতে ভিকটিম তার অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে শাহজাদপুর থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন।  এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ নাজমুল কাদের অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে  জানান, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর রাতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। আটককৃতদের বৃহস্পতিবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। #

শাহজাদপুর বিকাশ অফিসে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ব্লাকমেইল ও ধর্ষণচেষ্টা

নাগরপুরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়া বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক মামলায় ২ বছর ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩, এসআরবি-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ধুবড়িয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. সাইদুর রহমান (৪০) নাগরপুর উপজেলার গনিপাড়া গ্রামের মো. মহারাজ মিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানার মাদক মামলা নং-৪৫ (৬) ২২-এর ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ৩৬(১) ধারার সারণি ১০(ক)-এর মামলায় ২ বছর ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি বলে জানিয়েছে এসআরবি।অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃত সাইদুর রহমানকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাগরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাগরপুরে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক অভিযানে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক তিনটি স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)।বিজিবি জানায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় ঠোটারপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার শুকুনতলা মাঠে অভিযান চালায় একটি বিজিবি টহল দল। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় দুই বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ ও ২ হাজার ১০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এছাড়াও রাত ১টা ৪৫ মিনিটে বিলগাথুয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার পশ্চিম বিলগাথুয়া মাঠে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৯৫০ পিস ডেক্সামেথাসন ও ১ হাজার ৯০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।এদিকে,সকাল ৬টার দিকে উদয়নগর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ডিগ্রিচর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি। এসময় মালিকবিহীন অবস্থায় ১৮ বোতল ভারতীয় মদ, ৫০ পিস ডেক্সামেথাসন ও ১ হাজার ১১০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, পৃথক তিনটি অভিযানে মোট ২৭ বোতল ভারতীয় মদ, ২ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ, ৩ হাজার ১০০ পিস ডেক্সামেথাসন ও ৩ হাজার ১০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।উদ্ধারকৃত এসব মাদকের মোট আনুমানিক সিজার মূল্য ১৮ লাখ ৭৪ হাজার ৩০০ টাকা।কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্তে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কুষ্টিয়া সীমান্তে পৃথক অভিযানে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

রাজশাহীতে অপরাধ দমনে পুলিশি টহল জোরদার

রাজশাহী মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি ও টহল জোরদারসহ অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ও আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির পিপিএম।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরের সভাকক্ষে আরএমপির বিভিন্ন ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সের ইনচার্জদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির পিপিএম।সভায় ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সের আওতাধীন এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে তা দ্রুত নিরসনের মাধ্যমে পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।পুলিশ কমিশনার বলেন, ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের জনগণের আরও কাছাকাছি থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্বাধীন এলাকায় নিয়মিত ও দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে দ্রুত, কাঙ্ক্ষিত ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবা দিতে হবে। প্রতিটি কার্যক্রমে পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও জনবান্ধব আচরণ বজায় রাখার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।তিনি দায়িত্বাধীন এলাকায় নিয়মিত ও দৃশ্যমান পুলিশি টহল জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।একইসঙ্গে স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়িয়ে অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পুলিশ কমিশনার।জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে মালামাল রেখে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হকার ও দোকানদারদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো: ফারুক হোসেন, বিশেষ পুলিশ সুপার (সিটিএসবি)-এর দায়িত্বে অতিরিক্ত ডিআইজি মো: মনিরুল ইসলাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ইঅ্যান্ডডি) মো: আবুল কালাম সাহিদসহ আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।সভায় ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সের ইনচার্জদের নিজ নিজ দায়িত্বাধীন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরও সক্রিয়, দৃশ্যমান ও জনবান্ধব ভূমিকা পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

রাজশাহীতে অপরাধ দমনে পুলিশি টহল জোরদার

সৈয়দপুরে প্রকৌশলী ও ঠিকাদার সমঝোতা নিম্নমানের খোয়ায় তৈরি হচ্ছে টয়লেটের রিং

শাহজাহান আলী মনন সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:প্রকাশ্যে জনসম্মুখে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে সরকারের টয়লেট প্রকল্পের সেনেটারি ট্যাংকের রিং ও স্লাব। তারপরও নির্বিকার ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব, মেম্বাররাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট দফতরের কর্মকর্তারা। সকলকে ম্যানেজ করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা ও ঠিকাদার সমঝোতার মাধ্যমে এই দূর্নীতি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শেষ মূহুর্তে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংবাদ কর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি অভিযোগের সত্যতা পেয়ে নিম্নমানের ইটের খোয়া রিজেক্ট করে নতুনভাবে ভালো মানের খোয়া দিয়ে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে। জানা যায়, সৈয়দপুর উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের প্রতিটিতে ৮৫ টি করে পাকা টয়লেট (পায়খানা) নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দে মোট ৪২৫ টি টয়লেটের সেনেটারি ট্যাংকের রিং ও স্লাব তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। লালমনিরহাটের নুর ট্রেডার্স নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কার্যাদেশ পেয়ে এই কাজ করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ ভাগ রিং ও স্লাব তৈরি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রথম থেকেই অত্যন্ত নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে রিং ও স্লাব তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাঝে স্থানীয় এক বিএনপি নেতা প্রতিবাদ জানান। তখন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবু জাফর ও ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম তাকে ডেকে নিয়ে হোটেলে বসে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। যা তিনি তার ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ স্ট্যাটাসের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। এভাবেই নাকি সকলকেই ম্যানেজ করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। একইভাবে ইবনে আলী নামে আরেক ব্যক্তিও রিং ও স্লাব তৈরিতে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে ভিডিও ফুটেজসহ লিখিত পোস্ট দিয়েছেন। সেখানেও ওই বিএনপি নেতাকে ম্যানেজে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবের বিষয়টা উঠে আসে। এনিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু তারপর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নির্বিকার থাকেন এবং ঠিকাদারের পক্ষেই সাফাই গেয়ে শতভাগ ভালো কাজ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। এমতাবস্থায় গত রোববার রাতে স্থানীয় লোকজন সংবাদ কর্মীদের বিষয়টা জানান। সে অনুযায়ী সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, রিং ও স্লাব তৈরি করা হচ্ছে। আর এতে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যন্ত নিম্নমানের ইটের খোয়া। এক নম্বর ইটের নামে স্থানীয় ভাষায় গুড়িয়া বা শাল্টি (৩ নম্বরেরও নিচে) ইটের খোয়া এগুলো। এসময় ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব, মেম্বার ও গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে রাজ মিস্ত্রি ও হেলপারসহ খোয়া সরবরাহকারীও খোয়ার মান সঠিক নয় বলে স্বীকার করেন। এর প্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবু জাফরকে বিষয়টা মুঠোফোনে জানানো হয়। কিন্তু তিনি গুরুত্ব না উল্টো চ্যালেঞ্জ করে বলেন, 'কোন খারাপ খোয়া সেখানে নেই। কাজ শতভাগ ভালো করা হচ্ছে। অহেতুক ভূয়া অভিযোগ করে লাভ নেই। আপনাদের কথা মতোতো আর আমরা চলবোনা। সমস্যা মনে হলে নিউজ করেন বা উপরে জানান। তাতে আমার কোন সমস্যা নেই।' এতে বাধ্য হয়ে খোয়ার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ পাঠিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা দ্রুত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবু জাফরকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এতে তিনি খোয়ার মান নিয়ে উল্লেখিত অভিযোগের সত্যতা পান। ফলে সাথে সাথে স্তুপ করে রাখা খোয়াগুলো রিজেক্ট করে এগুলো দিয়ে যেন আর কোন কাজ করা না হয় সেজন্য সরিয়ে ফেলতে বলেন। একইসাথে সঠিক মান সম্পন্ন ইটের খোয়া দিয়ে বাকি কাজ করারও নির্দেশ দেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই রিজেক্ট করা খোয়া দিয়েই প্রায় ৫০-৬০ ভাগ কাজ করা হয়েছে। মাঝে কিছু পিকইট এনে ভেঙ্গে খোয়া তৈরি করা হয়েছে। যেগুলো মূলত: সেম্পল হিসেবে দেখানো হয়েছে মাত্র। এনিয়ে কথা বললেই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী একপ্রকার ধমক দিয়েই সবাইকে থামিয়েছেন।  সর্বশেষ সাংবাদিকদের কাছে এসে ধরা পড়েছে। কিন্তু কাজতো প্রায়ই শেষ। এখন ধরলেও দূর্নীতিতো পগারপার। খারাপ কাজের তো কোন বিচার হবেনা। খোয়া সরবরাহকারী কৃষ্ণ কুমার রায় বলেন, আমরা মূলত: টুকরো ইট দিয়ে খোয়া তৈরি করি। আর ভাটায় টুকরোর মধ্যে এক নম্বর, দুই নম্বরসহ সব ইটের মিশ্রণ থাকে। এগুলোই আমাদের কাছে এক নম্বর খোয়া। যা ১০০-১২০ টাকা সেফটি হিসেবে বিক্রি করি। এখানে মাত্র ৭০ সেফটি খোয়া দিয়েছি। আর আপনারা যে এক নম্বর ইটের কথা বলছেন তা গোটা পিকইট কিনে ভেঙ্গে করতে হবে। এতে দাম পড়বে প্রতি সেফটি ১৪০-১৫০ টাকা। আর আমার খোয়া না চললে ফেরত দিলেই হতো। কিন্তু তারাতো কাজ করেছেন। ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরকার জুন ও সচিব (প্রশাসনিক কর্মকর্তা) ফেরেজুল শাহ বলেন, ইউপি চত্বরে কাজ করা হলেও এনিয়ে আমাদের কোন ইখতিয়ারে রাখা হয়নি। সব দায়িত্ব পালন করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী। ভালো মন্দ বিষয়ে তিনিই সর্বেসর্বা। মাঝে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এসেছিল। কিন্তু পরে কি হয়েছে তা জানিনা। কাজতো যথারীতি চলছে এবং শেষ পর্যায়ে। তবে আজ যে খোয়াগুলো দিয়ে কাজ করা হচ্ছে তা নিম্নমানেরই মনে হচ্ছে। এব্যাপারে বিকেল ৫ টায় উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবু জাফরের সাথে তার অফিসে কথা হয়। এসময় তিনি বলেন, শতভাগ ভালো ইটের খোয়া দিয়েই পুরো কাজ করা হচ্ছে। গতকাল খোয়া শেষ হওয়ায় মাত্র ৭০ সেফটি খোয়া বাইরে থেকে কেনা হয়েছে। যা ঠিকাদার আমাকে জানায়নি। তবে এই খোয়াও এক নম্বর, শুধু রংটা একটু সমস্যা। এগুলো ল্যাবটেস্ট না করেই কি করে নিশ্চিত হলেন মান ভালো? এমন প্রশ্নে তিনি বিরক্ত হয়ে বলেন, আমরা বুঝি। আপনারা তো বুঝবেন না। তা আপনার সেই ভালো খোয়া রিজেক্ট করা হলো কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউএনও স্যার নির্দেশ দিয়েছেন তাই। তিনিওতো এ বিষয়ে জানেন না। আপনারাও না জেনে না বুঝে অভিযোগ করছেন। অথচ এই কাজ নিয়ে পজিটিভ লিখতে পারতেন তা না করে আমার দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন। আমাদের ভালো কাজও ভালো মনে হবেনা। এই খোয়া ল্যাবটেস্ট করার কোন প্রয়োজন নাই আমার। আপনারা চাইলে করে দেখেন। খোয়ার মান খারাপ হওয়ায় স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করলে আপনি ও ঠিকাদার তাদের ঘুষ দিয়ে ম্যানেজ করেছেন। কিন্তু কেন? এতে তিনি বলেন, ওগুলো কোন বিষয় নয়। ফেসবুকে লিখে কি হবে। আমার কর্তৃপক্ষ ঠিক থাকলে কারও কিছুই করার নাই। সাংবাদিকরা টাকার ধান্ধায় দোষ ধরছেন বলে মন্তব্য করেছেন। এটা কতটা সঠিক? তিনি বলেন, না এমন কথা বলিনি, আপনারা নিজের কাজ করছেন। এদিকে এবিষয়ে ঠিকাদার শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে গত কয়েকদিন থেকে একাধিক সংবাদ কর্মী বার বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। প্রকল্প সাইটেও তার কোন প্রতিনিধি নাই। ফলে তাদের কোন মন্তব্যই পাওয়া যায়নি। অভিযোগ আছে  ঠিকাদারের নামে মূলত: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিজেই এই কাজ করছেন। এজন্যই ঠিকাদারকে আড়ালে রাখা হয়েছে। সূত্রমতে, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর সাথে সমঝোতার কারণেই নিম্নমানের ইটের খোয়ায় কাজ করা হয়েছে। আর একারণে অভিযোগ উঠার পরও প্রকৌশলী ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গাচ্ছেন। সেই সাথে দুইজন মিলে ঘুষ দিয়ে প্রতিবাদকারীসহ সংশ্লিষ্ট অনেককেই ম্যানেজ করেছেন। রিং ও স্লাব তৈরিতেই এমন অনিয়ম দূর্নীতি হয়েছে। সামনে টয়লেট স্থাপনে এবং ঘর বানানোর ক্ষেত্রে আরও বেশি করা হবে। তাই প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের এখনই অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।  

সৈয়দপুরে প্রকৌশলী ও  ঠিকাদার সমঝোতা নিম্নমানের খোয়ায় তৈরি হচ্ছে টয়লেটের রিং

ফলন ধরার আগেই কাটা পড়ল ৭০০ কলাগাছ, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাট সদর উপজেলায় নূর মোহাম্মদ (৩৬) নামের এক কৃষকের প্রায় ৭০০টি কলাগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পাশের গতন শহর গ্রামের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে তাঁর প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।নূর মোহাম্মদ পুরানাপৈল ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা লুৎফর রহমানের ছেলে। তিনি জানান, বিভিন্ন এনজিও ও অন্য উৎস থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে দেড় বিঘা জমিতে কলাবাগান করেছিলেন। বাগানের অধিকাংশ গাছে থোড় আসার পাশাপাশি কাঁচা কলাও ধরেছিল।কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে বাগানটি করেছিলাম। অধিকাংশ গাছেই থোড় এসেছিল, কাঁচা কলা ঝুলছিল। গত বছর কলা বিক্রি করে ৪৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল। এবার বাজার ভালো থাকায় আরও বেশি লাভের আশা করেছিলাম। কিন্তু এক রাতেই সব শেষ হয়ে গেল।’তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা তাঁর বাগানের প্রায় সব কলাগাছ কেটে ফেলে। বুধবার বিকেলে এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফলন ধরার আগেই কাটা পড়ল ৭০০ কলাগাছ, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ

শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

‎শাওন মিয়া, জাজিরা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি:‎শরীয়তপুরের জাজিরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে প্রকাশ্যে মিছিল বের করেছে।‎বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বড়কান্দি ইউনিয়নের চর খাগুটিয়া এলাকার ঢাকা-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।‎মিছিলের ২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে জাজিরা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রানা বেপারীকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায়। এতে প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন বলে ভিডিওতে দেখা গেছে।ভিডিওতে মিছিলকারীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। এর মধ্যে ছিল—‘শেখ হাসিনার জন্মদিন, শুভ শুভ শুভ দিন’ এবং ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’—এ ধরনের স্লোগান। মিছিলের ব্যানারে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেনের ছবি দেখা যায়।মিছিলের কারণে ঢাকা-শরীয়তপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং যানজটের সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে।‎উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। এরপরও জাজিরায় বিভিন্ন সময়ে সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের প্রকাশ্যে মিছিল করতে দেখা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এসব মিছিলের ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।‎‎শরীয়তপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. জাকারিয়া রহমান বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত রয়েছি। সেখানে জাজিরা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রানা বেপারীর নেতৃত্বে মিছিলটি হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ভিডিও দেখে মিছিলকারীদের শনাক্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা

শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

সাভারে ডিবি পরিচয়ে মুক্তিপণ আদায়, জিয়া প্রজন্ম দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

আনিসুর রহমান, সাভার প্রতিনিধি:সাভারে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে একটি বাসায় ঢুকে কয়েকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে করা মামলায় জিয়া প্রজন্মদল নেতা ও এক ছাত্রদল কর্মীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সাভার পৌরসভার ব্যাংক কলোনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্প ও একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জিয়া প্রজন্ম দল, সাভার পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার জাফরগঞ্জ এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে মোঃ আশরাফুল (২৩)। সে বর্তমানে সাভার থানা রোডের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা।ছাত্রদল কর্মী ও মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় থানার জাফরগঞ্জ এলাকার হায়দার আলীর ছেলে মোঃ রাসেল ওরফে রোহান (২২)। সে সাভার পৌরসভার ব্যাংক কলোনী এলাকার বাসিন্দা। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়।এর আগে সাভারের বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রাব্বি খান (২৩) বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মামলা রুজু করা হয়।বাকি আসামিরা হলেন, সাভার পৌরসভার ব্যাংক কলোনী এলাকার করিম মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ ওরফে আবুল্লাহ (২২), একই এলাকার মোঃ হিরা (২৪) ও নাজমুল (২০)। অভিযুক্তরা প্রত্যেকে ছাত্রদল কর্মী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, অভিযুক্তরা প্রত্যেকে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত এবং ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তাঁদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে নারী দিয়ে ফাঁসানো, মাদক ব্যবসায়ী ও ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে অসুস্থ বন্ধু সঞ্জয় মণ্ডলকে দেখতে তাঁর সাভার পৌরসভার কাজী মোকমাপাড়া এলাকার বাসায় যান মামলার বাদী মো. রাব্বি খান (২৩)। রাত সোয়া নয়টার দিকে রাসেল ওরফে রোহান ওই বাসায় গিয়ে দরজায় নক করেন। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে বাসায় প্রবেশ করেন।জানা গেছে, বাসায় ঢোকার পর তাঁরা বিভিন্ন জিনিসপত্র তল্লাশি করেন এবং রাব্বি ও তাঁর বন্ধুদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে তাঁদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় এবং জনপ্রতি এক লাখ টাকা করে দাবি করা হয়।এ সময় আশরাফুল কোমর থেকে একটি সুইচ গিয়ার চাকু বের করে জিম্মি করে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে বাদী ও তাঁর বন্ধু রাকিব মিয়ার কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। ওই স্ট্যাম্পে তাঁদের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।পরে রাব্বিকে ছাড়িয়ে নিতে তাঁর চাচাতো ভাই জাকির ও বন্ধু জুনায়েদ সেখানে গেলে তাঁদের কাছেও মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। এরপর এটিএম বুথ থেকে ২০ হাজার টাকা তুলে এবং সঙ্গে থাকা আরও ৯ হাজার টাকাসহ মোট ২৯ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করে অভিযুক্তরা।এ ছাড়া বাদীর মুঠোফোনের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা এবং তাঁর বন্ধু সঞ্জয়ের নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮০০ টাকা এবং সঞ্জয়ের প্রবাসী আত্মীয়ের পাঠানো একটি মুঠোফোনসহ আরও একটি ফোন হাতিয়ে নেয় মামলার আসামিরা।এ ঘটনায় রাব্বি খান পাঁচজনের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের কাছ থেকে চারটি স্ট্যাম্প ও একটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, মামলার ১ ও ২ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্যও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাভারে ডিবি পরিচয়ে মুক্তিপণ আদায়, জিয়া প্রজন্ম দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

মানিকগঞ্জে বৃদ্ধার গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার

মোঃ সায়েদুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জে ননীবালা চক্রবর্তী (৯০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব দাশড়া এলাকায় এলাকার হোর বাড়ির সামনে নিজ বাড়িতে ননীবালা চক্রবর্তীকে গলাকাটা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে তিনি আশপাশের লোকজন ও বৃদ্ধার ছেলেদের খবর দেন। খবর পেয়ে তার ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।ননীবালা চক্রবর্তী প্রয়াত দেবেশ চক্রবর্তীর স্ত্রী এবং পূর্ব দাশড়া এলাকার দিজেন চক্রবর্তীর মা। দিজেন চক্রবর্তী একটি এনজিওতে কর্মরত বলে জানা গেছে।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ননীবালা চক্রবর্তী বাড়িতে একাই থাকতেন। তার ছেলেরা একই ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।পরিবারের দাবি, ঘটনার আগে বৃদ্ধার শরীরে কিছু স্বর্ণের অলংকার ছিল। তবে ঘটনার পর সেগুলো আর দেখা যায়নি বলে জানান তার ছেলের স্ত্রী।বিষয়টি তদন্তের পরই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।ঘটনার খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। তবে কীভাবে ননীবালা চক্রবর্তী গলাকাটা অবস্থায় আহত হয়েছেন, কিংবা এর পেছনে কোনো অপরাধের ঘটনা রয়েছে কি না—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

মানিকগঞ্জে বৃদ্ধার গলাকাটা অবস্থায় উদ্ধার

কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর ওপর হামলা ও নিরাপত্তার দাবি

আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও দীর্ঘ ১ যুগ ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন কুমিল্লা নগরীর সংবাদকর্মী ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। মারধর, চাঁদাবাজি, ক্যামেরা ও মোবাইল ছিনতাই থেকে শুরু করে ডিজিটাল মাধ্যমে অপপ্রচার—সব ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন তিনি ও তাঁর পরিবার।২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-১-এ তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন শুভ্র। আদালত কোতোয়ালি মডেল থানাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।এর আগেও অনলাইন জিডি ও সাইবার অপরাধের বিষয়ে বিচারিক আদালতের নির্দেশে নন-এফআইআর মামলা ও তদন্তের নির্দেশ জারি করা হয়। শুভ্রর নিরাপত্তা চেয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিবি ও র‍্যাবকে দেওয়া স্মারকলিপি এবং অনলাইনে তাঁর বিরুদ্ধে ছড়ানো অপপ্রচারের স্ক্রিনশট (অস্পষ্ট করে)।মামলা দায়েরের পরও থামেনি হয়রানি। অভিযোগ উঠেছে—মামলা প্রত্যাহারের জন্য শুভ্র ও তাঁর পরিচিতজনদের ওপর আসছে ভয়ভীতি, হুমকি ও প্রলোভন। এমনকি মোবাইল ক্লোনিং, হ্যাকিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালিয়ে তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা চলছে।বিষয়টিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন ‘মানবাধিকার খবর’-এর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন। তিনি জানান, একজন সচেতন নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীর সাথে ঘটে যাওয়া এসব পরিকল্পিত অপরাধের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইনজীবীদের মতে, অপরাধীদের তিনটি শ্রেণীতে বিন্যাস করে দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষ করা জরুরি।ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি জানিয়েছেন, সাংবাদিক শুভ্রর দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র ও তাঁর পরিবারের দ্রুততম সময়ে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

কুমিল্লায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রর ওপর হামলা ও নিরাপত্তার দাবি

রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬১ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় প্রথম শ্রেনীতে পড়ুয়া ৭ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হবিবুর রহমান ওরফে হবি সরদার (৬১) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর দৌলতদিয়ার ওমেদ আলী সরদার পাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত ওমেদ আলী সরদারের ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই শিশু পাশের বাড়িতে খেলতে গিয়ে অভিযুক্তের বাড়ির উঠানে যায়। এ সময় কৌশলে তাকে ঘরের ভেতরে নিয়ে যৌন নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার গোয়ালন্দ ঘাট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।মামলার সূত্রে আরও জানা যায়, শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে ডাকাডাকি করা হয়। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।ঘটনার পর সামাজিক লজ্জা ও পারিবারিক পরামর্শের কারণে ভুক্তভোগীর পরিবার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ না করে কিছু সময় নেয়। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হলে থানা পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়ে পরিবারকে প্রয়োজনীয় আইনগত সহায়তা প্রদান করে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারকে গ্রেপ্তার। গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে আমার দেশকে জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে দুপুরে রাজবাড়ীর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রাজবাড়ীতে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ৬১ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটক

গাজীপুরের কালীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন ও ব্যক্তিগত গোপনীয় ছবি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ মামলায় পলাতক আসামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব জাহিদ মুন্সিকে আটক করেছে পুলিশ। থানা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার মুনসুরপুর গ্রামের জাকির মিস্ত্রির পুত্র এনসিপির কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব জাহিদ মুন্সির (২৬) সাথে সরকারী কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে ছাত্রীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গেস্ট হাউজে নিয়ে জাহিদ মুন্সি তাকে ধর্ষণ করে মোবাইলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ব্যক্তিগত গোপনীয় ছবি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন হোটেল ও কলেজ সংলগ্ন রেলওয়ের পরিত্যক্ত কোয়াটারে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর ধর্ষিতার বড় বোন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় ১২(৯)২৬ নং মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত এনসিপি নেতা জাহিদ মুন্সি আত্নগোপন করে। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পুবাইলের মাঝুখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহিদ মুন্সিকে আটক করেন। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত জাহিদ মুন্সি পলাতক ছিল। মঙ্গলবার রাতে পুবাইলের মাঝুখান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে বুধবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

কালীগঞ্জে ধর্ষণের মামলায় পলাতক এনসিপি নেতা আটক

নিজ বাড়িতে ১৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ ৭০ বছরের বৃদ্ধ আটক

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মো. মিরাজ উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে ১৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।আটক মিরাজ উদ্দিন  উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের আলমপুর উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরাজ উদ্দিনের বাড়িতে মাদকদ্রব্য মজুত ও বিক্রির তথ্য পায় ক্ষেতলাল থানা পুলিশ। পরে জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুক্তারুল আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মঙ্গলবার বিকেলে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজতে থাকা  ১৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে মিরাজ উদ্দিনকে আটক করে পুলিশ।ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুক্তারুল আলম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরাজ উদ্দিনের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

নিজ বাড়িতে ১৪৬ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ ৭০ বছরের বৃদ্ধ আটক
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream