বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
চীনকে ৬-০ গোলের ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ

চীনকে ৬-০ গোলের ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ

চীনের মাটিতে অনূর্ধ্ব-২০ জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশ স্বাগতিক চীনকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে। এতে গ্রুপ পর্যায়ে টানা চতুর্থ জয় পেল বাংলাদেশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মোকি শহরের মরিন দাওয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। ৯ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন দলের অধিনায়ক শারিকা রিমন।  ১৯ মিনিটে আইরিন আক্তার রিয়ার চমৎকার এক ফিল্ড গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। ২৬ মিনিটে বাংলাদেশের তৃতীয় গোলটি করেন কনা আক্তার। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ধরে রাখেন বাংলাদেশের মেয়েরা। ৩১ মিনিটে দলের চতুর্থ গোলটি করেন মোসাম্মত লিমা। দুই মিনিট পর ৩৩ মিনিটে আইরিন রিয়া নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোল করেন। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে দলের ষষ্ঠ গোলটি করেন মোসাম্মত লিমা। চীনের মাটিতে এমন দাপুটে পারফরম্যান্স দেশের নারী হকির এক নতুন মাইলফলক। টানা চার ম্যাচ জিতে চ্যালেঞ্জার্স গ্রুপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের পরবর্তী প্রতিপক্ষ হতে পারে এলিট গ্রুপের জাপান।

মেসি-রোনালদোর চেয়ে এখন কত দূরে এমবাপ্পে

ফুটবল বিশ্বকাপের ছন্দটা কিলিয়ান এমবাপ্পে ধরে রেখেছেন ক্লাব ফুটবলেও। নতুন মৌসুমে এরই মধ্যে গড়ে একটি করে গোল করেছেন তিনি। যার সবশেষটা গতকাল করেছেন চ্যাম্পিয়নস লিগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে। তাতে করে ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে আরও একধাপ এগিয়েছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গতকাল ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই এমবাপ্পের হাতে তুলে দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট। জুন-জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপে ১০ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার হিসেবে জিতেছিলেন এই পুরস্কার। গোল্ডেন বুট পেয়ে মাত্র ১০ মিনিটেই লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ব্রাহিম দিয়াজের ব্যাক পাস থেকে স্লাইড করে ইন্টার মিলানের জালে বল জড়ান এমবাপ্পে। তাতে করে চ্যাম্পিয়নস লিগে এমবাপ্পের গোল হয়ে গেল ৭১। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে পাঁচে এখন তিনি। সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি রাউলও চ্যাম্পিয়নস লিগে করেছেন ৭১ গোল। তিন বছর আগে ইউরোপ ছেড়ে চলে গেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখনো সবার ওপরে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে রোনালদো করেছেন ১৪০ গোল। দ্বিতীয় দফায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফেরা ২০২৩ সালে চলে যান আল নাসরে। চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় দুইয়ে থাকা লিওনেল মেসির গোল ১২৯। রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসিও ২০২৩ সালে ইউরোপ ছেড়ে চলে যান ভিন্ন মুলুকে। যেখানে আজ থেকে ২০ বছর আগে স্প্যানিশ ফুটবলে মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ এখনো ভক্ত-সমর্থকদের হৃদয়ে আলাদা শিহরণ জোগায়। রোনালদো তখন খেলতেন রিয়াল মাদ্রিদে। মেসি ছিলেন বার্সেলোনায়। চ্যাম্পিয়নস লিগে এখন পর্যন্ত তিন ফুটবলার গোলের সেঞ্চুরি করেছেন। তিনে থাকা রবার্ট লেভানডফস্কি ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে করেছেন ১০৬ গোল। মেসি-রোনালদো-লেভার পরেই অবস্থান করছেন করিম বেনজেমা। চ্যাম্পিয়নস লিগে বেনজেমা করেন ৯০ গোল। এমবাপ্পের আগে যে চার ফুটবলার আছেন, তাঁরা কেউই এখন আর ইউরোপে নেই। মেসি দুই দশক বার্সায় খেলার পর ২০২১ সালে চলে যান প্যারিস সেইন্ট জার্মেইতে (পিএসজি)।

মেসি-রোনালদোর চেয়ে এখন কত দূরে এমবাপ্পে

বিগ ব্যাশের টানে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন চ্যাপম্যান

অলরাউন্ডার মার্ক চ্যাপম্যান অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) খেলতে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি) পূর্ণকালীন কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন থেকে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি আংশিক চুক্তিতে। চ্যাপম্যান মূলত আগামী ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া বিবিএলে অংশ নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের মূল ঘরোয়া মৌসুমের সময়েই এই লিগটি অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাজুয়াল চুক্তিতে আসার কারণে তিনি ফিন অ্যালেন, লকি ফার্গুসন, অ্যাডাম মিলনে ও টিম সেফার্টের মতো তারকাদের তালিকায় যুক্ত হলেন, যারা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজেদের সুবিধামতো খেলার জন্য বোর্ডের সঙ্গে আংশিক চুক্তিতে রয়েছেন। তবে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে তার প্রতিশ্রুতি বহাল থাকছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে যাওয়ার আগে আগামী নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক হোয়াইট-বল সিরিজে নিউজিল্যান্ডের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। সার্বিক সহযোগিতার জন্য নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চ্যাপম্যান। এছাড়া আসন্ন ভারত সিরিজ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী এই কিউই অলরাউন্ডার।  অন্যদিকে, চ্যাপম্যান কেন্দ্রীয় চুক্তি ছেড়ে দেওয়ায় নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকায় একটি জায়গা হয়। বোর্ডের সেই শূন্যস্থানে দ্রুতগতির পেসার ম্যাট ফিশারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিগ ব্যাশের টানে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন চ্যাপম্যান

কোচদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য, মুখ খুললেন মিসবাহ

স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেটে একরকম আচরণ করা হয় না বলে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন দেশটির সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ও সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানো মিসবাহ উল হক। মিসবাহর দাবি, ব্যর্থতার দায়ে স্থানীয় কোচদেরই বেশি সমালোচনার মুখে পড়তে হয় যেখানে  বিদেশি কোচদের তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব দেওয়া হয়। টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে মিসবাহ বলেন, ‘এটা সত্য যে পাকিস্তান ক্রিকেটে স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সঙ্গে ভিন্নভাবে আচরণ করা হয়। বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের বেশি পর্যালোচনা ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়।’ বিদেশি কোচ নিয়োগে আপত্তি না থাকলেও তাঁদের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থক, সমালোচক, সংবাদমাধ্যম ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক ধরনের পক্ষপাত রয়েছে বলে মনে করেন মিসবাহ, ‘বিদেশি কোচ নিয়োগে আমি কোনো সমস্যা দেখি না। তবে যে বিষয়টি আমাকে ভাবায়, তা হলো—আমরা (সমর্থক, সমালোচক, গণমাধ্যম ও পিসিবি) বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের সফট কর্নার দেখাই।’ বিদেশি কোচদের বাড়তি ক্ষমতা দেওয়ার দাবি করে মিসবাহ আরও বলেন, ‘আমরা বিদেশি কোচদের বেশি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা দিয়ে থাকি এবং দল খারাপ করলে তাদের তুলনামূলকভাবে কম দায়ী করা হয়। বিপরীতে, স্থানীয় কোচদের সবসময় সবার কাছ থেকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।’ শুধু কোচ নয়, বাজে পারফরম্যান্সের পর খেলোয়াড়দেরও মানসিকভাবে চাপে ফেলার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিসবাহ। তাঁর মতে, কোনো খেলোয়াড় খারাপ করলে তাকে সমালোচনার মুখে ফেলায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, ‘এর ফলে আমাদের খেলোয়াড়দের ফর্ম ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। চাপের মুখে আমাদের আতঙ্কিত হয়ে লোকদেখানো পরিবর্তন করা উচিত নয়। পারফরম্যান্স ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এরপর কীভাবে এগোব, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

কোচদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য, মুখ খুললেন মিসবাহ

রাফিনিয়ার আগুনে ছন্দ, উড়ছে বার্সা

রাফিনিয়া দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন লা লিগার নতুন মৌসুমে। বার্সেলোনা লা লিগায় ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোল জিতেছে। ম্যাচে তৃতীয় গোলটি দলের হয়ে করেন রাফিনিয়া। এতে মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচেই নিজের গোলসংখ্যা ছয়ে নিয়ে গেছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।  ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীতে লা লিগার কোনো মৌসুমে দলের প্রথম চার ম্যাচে ছয় গোল করা মাত্র দ্বিতীয় বার্সেলোনা খেলোয়াড় রাফিনিয়া। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন মেসি; তাও দুইবার। ২০১২-১৩ ও ২০১৩-১৪ মৌসুমে দলের প্রথম চার লা লিগা ম্যাচেই ছয়টি করে গোল করেছিলেন মেসি। প্রায় এক যুগ পর সেই কীর্তিতে এবার ভাগ বসালেন রাফিনিয়া।  এলচের বিপক্ষে জোড়া গোল দিয়ে মৌসুম শুরু করেছিলেন রাফিনিয়া। এরপর অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে একটি গোল করার পর রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে করেন আরও দুই গোল। সর্বশেষ ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে গোল করে প্রথম চার ম্যাচেই নিজের গোলসংখ্যা ছয়ে নিয়ে যান তিনি। এই গোলের সুবাদে লা লিগার চলতি মৌসুমের গোলদাতাদের তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠেছেন রাফিনিয়া। তার চেয়ে এক গোল পিছিয়ে আছেন রায়ো ভায়েকানোর স্ট্রাইকার কামেয়ো। তবে মেসির কীর্তি ছোঁয়াই রাফিনিয়ার শেষ লক্ষ্য নয়। সামনে আরও বড় একটি রেকর্ডের হাতছানি রয়েছে তার। বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করার কীর্তি এখন পর্যন্ত রয়েছে কেবল সেসার রদ্রিগেজ ও জালাতান ইব্রাহিমোভিচের। পরের ম্যাচে গোল করতে পারলে সেই বিশেষ তালিকায় তাদের সঙ্গে নাম লেখাবেন রাফিনিয়াও। 

রাফিনিয়ার আগুনে ছন্দ, উড়ছে বার্সা

ওয়ানডেতে বাদ পড়েও টেস্টে টিকে গেলেন লাবুশেন

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও মারনাস লাবুশেনের ওপর আস্থা হারায়নি। এই ব্যাটার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ঘোষিত টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন। যদিও ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। দুই টেস্টের তিন ইনিংসে বাংলাদেশের বিপক্ষে লাবুশেনের রান ছিল ১, ৩১ ও ৪। এমন পারফরম্যান্সের পর ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হারের পর তাঁর টেস্ট দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের রদবদলের পথে না গিয়ে লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দল দিয়েছে সিএ। সবশেষ তিন বছর আগে টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন লাবুশেন; ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও নিজেদের টেস্টের পরিকল্পনায় এখনো আছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়া তিনটি টেস্ট খেলবে। ৯ অক্টোবর ডারবানের কিংসমিডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় টেস্ট ১৮ অক্টোবর গকেবেরহার সেন্ট জর্জ’স পার্কে। ২৭ অক্টোবর কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে হবে সিরিজের শেষ টেস্ট। লাবুশেনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন ম্যাথু রেনশও। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ওপেনিং করবেন তিনি। আগের শেফিল্ড শিল্ড মৌসুমে ১০ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি করার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে সুযোগ পেয়েছিলেন রেনশ। তবে ম্যাকাইতে নিজের একমাত্র ইনিংসে ৮ রান করে আউট হন। ২০১৮ সালের আলোচিত বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ওই সফরের দলের পাঁচ ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, স্টিভ স্মিথ ও ম্যাথিউ রেনশ এবারও দলে আছেন। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দল: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোলান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, মাইকেল নেসার, ম্যাথিউ রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, বিউ ওয়েবস্টার।

ওয়ানডেতে বাদ পড়েও টেস্টে টিকে গেলেন লাবুশেন

বাবরদের ফোন জিম্মায়, পাকিস্তান দলে বাড়ছে অস্থিরতা

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে এমনিতেই বেশ অস্থিরতা ছিল। সেই অস্থিরতা এবার বাবর আজমের দলে আরও বেড়ে গেল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন জিম্মায় নিয়েছে। প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ৩৬৫ নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিসিবির কাছে ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন জমা দেওয়া হয়েছে এবং এজবাস্টন টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো বোর্ডের কাছেই থাকবে। তবে ঠিক কোন কোন ক্রিকেটারের ফোন নেওয়া হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফোন জমা নেওয়ার কারণও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে জানায়নি পিসিবি। ঘটনাটি সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল পিসিবি। বিশেষ করে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত মোবাইল দীর্ঘ সময়ের জন্য বোর্ডের হেফাজতে রাখার বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাধারণ ম্যাচ-ডে বিধিনিষেধের চেয়ে আলাদা। আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে ড্রেসিংরুমসহ নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মোবাইল ফোন রাখা বা ব্যবহারের ওপর আইসিসির কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ম্যাচের স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতা রক্ষা এবং অননুমোদিত যোগাযোগ ঠেকাতেই এসব নিয়ম করা হয়েছে। অন্যদিকে, আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডে আনুষ্ঠানিক দুর্নীতিবিরোধী তদন্ত চললে অনুমোদিত কর্মকর্তাদের আরও বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। যৌক্তিকভাবে কোনো মোবাইল ডিভাইসে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকলে লিখিত নির্দেশের মাধ্যমে সেটি জমা দিতে বলা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে ফোনের তথ্য কপি বা ডাউনলোড করা, এমনকি সংশ্লিষ্ট পাসওয়ার্ড বা অ্যাক্সেস কোডও চাওয়া হতে পারে। তবে ক্রিকেটারদের ফোন পিসিবির জিম্মায় নেওয়া হয়েছে বলেই যে কোনো অ্যান্টি-করাপশন তদন্ত চলছে, এমনটা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দুর্নীতি, বেটিং কিংবা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কোনো তদন্তের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পিসিবি। কোনো ক্রিকেটারকেও এ ধরনের কোনো অপরাধে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত করা হয়নি। ক্রিকেটারদের ফোন নেওয়ার ক্ষেত্রে পিসিবির নিজস্ব চুক্তি, দলীয় নিয়ম কিংবা অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাবিধির কোনো ভূমিকা আছে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়। বোর্ড এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি। পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর এমনিতেই নানা বিতর্কে জর্জরিত। প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর সিরিজের মাঝপথে দলে বড় পরিবর্তন আনে পিসিবি। সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। পাশাপাশি শেষ টেস্টের আগে কোচিং প্যানেলেও পরিবর্তন আনে পিসিবি। এর মধ্যেই ক্রিকেটারদের ফোন জমা নেওয়ার ঘটনায় সফরটিকে ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বাবরদের ফোন জিম্মায়, পাকিস্তান দলে বাড়ছে অস্থিরতা

অনিয়মিত লিগের মাঝে চট্টগ্রামে নতুন ক্রিকেট আয়োজন

চট্টগ্রামে ক্রিকেট লিগ বা টুর্নামেন্ট অনিয়মিত খেলার মাঠ থাকলেও। এই বন্ধ্যত্ব ঘোচাতে চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে নির্বাচিত পরিচালক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু উদ্যোগী হয়েছেন। ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে চার দলের টি২০ টুর্নামেন্ট।  বিসিবি পরিচালক নান্নু গতকাল শনিবার সমকালকে বলেন, ‘বিভাগকে চারটি জোনে ভাগ করে টি২০ টুর্নামেন্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই টুর্নামেন্ট দিয়ে মৌসুম শুরু বলতে পারেন। যেহেতু লিগ হচ্ছে না, তাই প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতি হিসেবে খেলা হবে টুর্নামেন্টটি। চট্টগ্রাম বিভাগের খেলোয়াড় নিয়ে হচ্ছে দলগুলো। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দুজন করে ক্রিকেটার থাকবে প্রতিটি দলে।’  জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক জানান, চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম জেলা থেকে খেলবে ইস্পাহানী কর্ণফুলী। রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলা নিয়ে গড়া দলের নাম সাম্পান। বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ দলটির পৃষ্ঠপোষক। নোয়াখালী জেলা দলের নাম ভুলুয়া। এই জেলার কাউন্সিলের পৃষ্ঠপোষকতায় হবে দল।  ফর্টিস ময়নামতি দল গড়া হবে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ক্রিকেটারদের নিয়ে। ১৬, ১৭ ও ১৯ সেপ্টেম্বর হবে লিগের ম্যাচ। ২১ সেপ্টেম্বর হবে ফাইনাল খেলা।

অনিয়মিত লিগের মাঝে চট্টগ্রামে নতুন ক্রিকেট আয়োজন

লাউতারোর জোড়া গোলে ইন্টারের বাজিমাত

ইন্টার মিলান সান সিরোয় নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে নাপোলিকে হারিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় পেয়েছে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও বর্তমান সিরি আ চ্যাম্পিয়নরা। ইন্টারের জয়ে জোড়া গোল করেছেন অধিনায়ক লাউতারো মার্তিনেজ। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর শনিবার রাতে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় নাপোলি। ৫০ মিনিটে মাত্তেও পলিতানোর প্রথম প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন ইন্টারের গোলরক্ষক। তবে ফিরতি বলে নিচের কোণে শট নিয়ে দলকে এগিয়ে দেন পলিতানো। এর তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাসমুস হইলুন্দ। বাঁকানো শটে বল জালে পাঠিয়ে লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোলের দেখা পান ডেনিশ ফরোয়ার্ড। দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও দ্রুত ম্যাচে ফেরে ইন্টার। ৫৩ মিনিটে ফেদেরিকো দিমার্কোর দারুণ এক ক্রস থেকে কাছ থেকে বল জালে পাঠান মার্তিনেজ। এরপর সমতা ফেরানোর সুযোগও তৈরি করে স্বাগতিকরা। মার্কাস থুরামের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে ৮২ মিনিটে আর ভুল করেননি থুরাম। ডান দিক থেকে আসা বল নিখুঁত হেডে জালে পাঠিয়ে ২-২ করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ম্যাচের নাটকীয় সমাপ্তি আসে নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে। কাছ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ইন্টারকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মার্তিনেজ। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হওয়ায় অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার। এই জয়ে চলতি সিরি আ মৌসুমে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচেই জয় পেল ইন্টার। একই সঙ্গে ঘরের মাঠে লিগে অপরাজিত থাকার ধারাও আরও দীর্ঘ করল তারা। সর্বশেষ ২০২৫ সালের নভেম্বরে সান সিরোয় সিরি আ ম্যাচে হেরেছিল ইন্টার। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারল নাপোলি। গত সপ্তাহে কোমোর কাছে ঘরের মাঠে হারের পর এবার ইন্টারের কাছেও হারল গত মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা। তিন ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে সিরি আ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে নাপোলির অবস্থান দশম।

লাউতারোর জোড়া গোলে ইন্টারের বাজিমাত

হালান্ডের গোলে সিটির টানা তৃতীয় জয়

ম্যানচেস্টার সিটি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে দারুণ ছন্দে আছে। ঘরের মাঠে শনিবার রাতে কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। আর্লিং হাল্যান্ড একমাত্র গোলটি করে রেকর্ডের পাতায় নাম লিখিয়েছেন। ম্যাচজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল সিটির। প্রায় ৭৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখে মোট ১১টি শট নেয় স্বাগতিকরা। এর মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে, তবে শেষ পর্যন্ত গোল এসেছে একটিই। শুরুতে অবশ্য ভুলের কারণে বিপদে পড়েছিল সিটি। ব্যাক পাস ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারায় গোল হজম করতে বসেছিলেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। শেষ মুহূর্তে গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দলকে রক্ষা করেন তিনি। পরে দোন্নারুম্মাকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি কভেন্ট্রি। ২৬ মিনিটে সিটিকে এগিয়ে দেন হাল্যান্ড। অ্যান্তনিও সিমেনিওর ক্রসে সবার ওপরে উঠে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান নরওয়েজিয়ান ফরোয়ার্ড। এই গোলের মাধ্যমে প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে হেডে ২০ গোল হলো হাল্যান্ডের। ক্লাবটির হয়ে হেডে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড এখন তার দখলে। এর আগে ১৯টি করে এই রেকর্ড ধরে রেখেছিলেন সার্জিও আগুয়েরো। গোলটি ছিল হাল্যান্ডের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম। ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ১৬৫টি, বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে ৮৬টি, রেড বুল সালজবুর্গের হয়ে ২৯টি এবং মোলদে এফকের হয়ে ২০টি গোল করেছেন তিনি। নরওয়ের জাতীয় দলের হয়ে তার গোল ৬২টি। দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়েছিলেন হাল্যান্ড। ৬০ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের পাস থেকে গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়। এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়নি সিটি। তিন ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে পয়েন্টহীন কভেন্ট্রি সিটি টেবিলের তলানিতে।

হালান্ডের গোলে সিটির টানা তৃতীয় জয়

বান্দরবানে শুভ উদ্বোধন হলো

বান্দরবানে শুভ উদ্বোধন হলো "ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামপার্বত্য জেলা বান্দরবানে নারী ক্রীড়ার নতুন দিগন্তের সূচনা। আজ শনিবার বান্দরবান স্পোর্টস কমপ্লেক্সে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন হলো *"ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো নারী হকি ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-২০২৬"অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই প্রোগ্রামের শুভ উদ্বোধন করেন মিজ মাম্যাচিং মাননীয় চেয়ারম্যান, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।উপস্থিত ছিলেনঅনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন:- জনাব জসিম উদ্দিন তুষার, সদস্য, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ- জনাব চনু মং, সদস্য, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ  - এডভোকেট উম্যাসিং সদস্য, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ- জনাব মো. রেজাউল করিম, জেলা ক্রীড়া অফিসার, বান্দরবানচেয়ারম্যান যা বললেনউদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজ মাম্যাচিং বলেন,  “বান্দরবানের মেয়েরা এখন আর ঘরের চার দেয়ালে সীমাবদ্ধ নেই। খেলার মাঠে তারাও প্রমাণ করবে তাদের শক্তি। 'অপরাজেয় আলো'র মতো এই উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলের মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং জাতীয় পর্যায়ে বান্দরবানের নাম উজ্জ্বল করবে।*”তিনি আরও বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ সবসময় খেলাধুলা ও নারী উন্নয়নের পাশে থাকবে।"ব্র্যাক ব্যাংক অপরাজেয় আলো" এর এই ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে হকিতে সম্ভাবনাময় নারী খেলোয়াড় তুলে আনা এবং তাদের পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি করা।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী নারী হকি খেলোয়াড়দের মাঝে খেলার সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।বান্দরবানের মাটিতে নারী হকির এই যাত্রা শুর মধ্য দিয়ে পাহাড়ের মেয়েরা এখন স্বপ্ন দেখবে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়া হয়া

বান্দরবানে শুভ উদ্বোধন হলো

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ইয়ামালের খেলা নিয়ে শঙ্কা

বার্সেলোনা ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে হঠাৎ দুশ্চিন্তায় পড়েছে। লামিনে ইয়ামাল শনিবার দলের শেষ অনুশীলনে ছিলেন না। রোববার স্বাভাবিকভাবেই মেস্তায়ায় হতে যাওয়া ম্যাচে এই তরুণ তারকার খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্পোর্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামালকে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে দলের শেষ অনুশীলনে দেখা যায়নি। তবে তাঁর অনুপস্থিতির কারণ বা কোনো নির্দিষ্ট চোটের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি বার্সা। সোমবার রাতে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন ইয়ামাল। পরবর্তী ম্যাচের আগে অনুশীলনে তাঁর অনুপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে। শনিবার বিকেলে দল ভ্যালেন্সিয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ইয়ামালের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করবে ক্লাবের মেডিকেল টিম। এরপরই তাঁর খেলার সম্ভাবনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। বিশেষ এক দিনের পরই ইয়ামালকে নিয়ে দুশ্চিন্তার খবর পেয়েছে বার্সা। ড্রেসিংরুমের ভোটে নতুন সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, সতীর্থদের ভোটেই এই দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। হান্সি ফ্লিকের কৌশলেও ইয়ামালের গুরুত্ব অনেক। তাঁকে না পাওয়া গেলে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনতে হতে পারে বার্সা কোচকে। ইয়ামালকে নিয়ে শঙ্কার মধ্যেই দুটি স্বস্তির খবর পেয়েছে কাতালান ক্লাবটি। দলের সঙ্গে পুরো অনুশীলন করেছেন গাভি। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে এলচের বিপক্ষে হাঁটুতে চোট পাওয়ার পর টানা দুটি ম্যাচে দলের বাইরে ছিলেন তিনি। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠের নামার জন্য তাঁকে বিবেচনায় রাখছেন ফ্লিক। এদিকে আর্সেনাল থেকে গ্রীষ্মে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া গ্যাব্রিয়েল জেসুসের অভিষেকের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পেতে সাম্প্রতিক সময়ে কাজ করা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো কাতালানদের দলে জায়গা পেতে পারেন। এলচে, অ্যাথলেটিক ক্লাব ও রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে টানা তিন জয় নিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্টে মৌসুম শুরু করেছে বার্সা। শিরোপার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ পয়েন্ট হারানোয় লিগের শীর্ষে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার সুযোগও রয়েছে ফ্লিকের দলের সামনে।

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ইয়ামালের খেলা নিয়ে শঙ্কা

মেসির পর নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড রোমেরোর হাতে

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসছে লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলার পর। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো মেসির উত্তরসূরি হিসেবে স্থায়ী অধিনায়ক হতে যাচ্ছেন। ইএসপিএনের সাংবাদিক এস্তেবান এদুলের বরাতে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তির পর রোমেরোকেই এগিয়ে রাখা হচ্ছে নেতৃত্বের জন্য। যদিও আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেনি। মেসি নিয়মিত অধিনায়ক থাকা অবস্থাতেই রোমেরো নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চিলির বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমবার আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেন তিনি। শারীরিক অস্বস্তির কারণে সেদিন মেসি বেঞ্চে ছিলেন। রোমেরোর নেতৃত্বে ম্যাচটি ১-০ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। পরবর্তী সময়ে ভেনেজুয়েলা ও মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচেও অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরেছেন এই ডিফেন্ডার। ফলে মেসি-পরবর্তী সময়ে তাকেই নেতৃত্বে দেখার সম্ভাবনা আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল। ২৮ বছর বয়সী রোমেরোর জাতীয় দলে অভিষেক ২০২১ কোপা আমেরিকার আগে চিলির বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে। এরপর লিওনেল স্কালোনির দলের রক্ষণভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন তিনি। এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন ৫৮ ম্যাচ, গোল করেছেন চারটি। রোমেরোর জাতীয় দল অধ্যায়েই আর্জেন্টিনা জিতেছে ২০২১ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ফিনালিসিমা। মেসি, অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া, নিকোলাস ওতামেন্দিদের প্রজন্মের পর এবার নতুন নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারেন রোমেরো। ২৮ বছর বয়সে অধিনায়কত্ব পেলে সামনে দীর্ঘ সময় নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ থাকবে তার। ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও থাকছে এই টটেনহাম ডিফেন্ডারের সামনে। তবে আপাতত বিষয়টি নিশ্চিত নয়। এএফএর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় থাকতে হবে। একাধিক প্রতিবেদনে অবশ্য মেসির পর স্থায়ী অধিনায়ক হিসেবে রোমেরোকেই সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে।

মেসির পর নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড রোমেরোর হাতে

রিজওয়ান-ইমামের বাদ পড়া নিয়ে নতুন তথ্য

ইংল্যান্ড সফরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পাকিস্তান দলের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে। প্রথম দুই টেস্টে হারের পর সাত ক্রিকেটারসহ  মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম উল হককে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে শুধু পারফরম্যান্স নয়, ড্রেসিংরুমে আচরণগত সমস্যাও ছিল বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে রিজওয়ানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। চার ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৬১ রান। লর্ডস টেস্টে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারের কিছু বাজে শট এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ইমামের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল কিছুটা ভিন্ন। কাফের চোটের কারণে লর্ডস টেস্টের কোনো ইনিংসেই ব্যাট করেননি তিনি। তবে তাঁর চোট নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এমনকি একবারও ব্যাট না করায় দলের প্রতি ইমারের দায়বদ্ধতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন অনেকে। বাবর আজমের অনুপস্থিতিতে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া সালমান আলী আগাকেও দ্বিতীয় টেস্টে বাদ দেওয়া হয়। বাকিদের সঙ্গে এই ক্রিকেটারও দেশে ফিরে গেছেন। পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ান ও ইমামকে দল থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত শুধু তাঁদের অফফর্মের কারণে নেওয়া হয়নি। ড্রেসিংরুমে তাঁদের আচরণও এর অন্যতম কারণ ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের সময় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আচরণের ব্যাখ্যা দিতে রিজওয়ান, ইমাম ও সালমানকে একটি কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হবে। অন্যদিকে, বাকি ক্রিকেটারদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট দলের প্রধান কোচ মাইক হেসনের অনুরোধে। সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন ক্রিকেটারকে পরখ করে দেখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি সূত্র পিটিআইকে বলেছে, ‘বাকি খেলোয়াড়দের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন রেড-বল প্রধান কোচ মাইক হেসনের সুপারিশে। তিনি এমন কিছু খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন, যাদের সঙ্গে তিনি সাদা বলের ক্যাম্পে কাজ করেছেন।’ রিজওয়ান-ইমামকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেও বড় পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনিয়র নির্বাচক আকিব জাভেদকে নির্বাচক কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছেন।

রিজওয়ান-ইমামের বাদ পড়া নিয়ে নতুন তথ্য

পাকিস্তানে রদবদল, বাবরকে নিয়েও প্রশ্ন

পাকিস্তানের ক্রিকেটে ব্যাপক রদবদল চলছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যর্থতার পর। একের পর এক ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার অধিনায়ক বাবর আজমের নামও সেই তালিকায় উঠছে কি না, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার রশিদ লতিফ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টেস্ট সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার পর সাত ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের কয়েকজনকে ছাঁটাই করেছে।  দায়িত্ব হারিয়েছেন প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলও। একই সময়ে  মিসবাহ উল হক নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। প্রধান নির্বাচক আকিব জাভেদও পিসিবির পরবর্তী নজরে থাকতে পারেন বলে খবর এসেছে।রশিদ এমন পরিস্থিতিতে বাবরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পিসিবির দল পরিচালনার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানতে চেয়েছেন, বাবরই কি হতে যাচ্ছেন পরবর্তী টার্গেট।রশিদ লিখেছেন, ‘যদি দলকে রিমোট কন্ট্রোলে চালাতেই হয়, তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন পাঠানো হলো? গ্যারি কারস্টেন ও জেসন গিলেস্পির কাছ থেকে নির্বাচনের ক্ষমতা কেন কেড়ে নেওয়া হলো? আর অধিনায়ক বাবর আজম যদি কথা না শুনে থাকে, তাহলে অধিনায়ককেই তো বরখাস্ত করা উচিত ছিল—তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন সরিয়ে দেওয়া হলো? বাবর আজম কি পরের টার্গেট?’এর আগে পিসিবির ছাঁটাইয়ের ঘটনায় বাবরের অধিনায়কত্ব ছাড়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেছিলেন রশিদ। তাঁর মতে, দলের একাধিক ক্রিকেটার ও কোচকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাবরের উচিত ছিল তাঁদের পাশে দাঁড়ানো।এই প্রসঙ্গে রশিদ বলেন, ‘বাবরের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। দলের অর্ধেক ক্রিকেটারকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি যদি তার জায়গায় থাকতাম, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতাম। তুমি একজন পুতুল অধিনায়ক হয়ে গেছ। নেতা আর অধিনায়কের মধ্যে পার্থক্য আছে।’বাবরের কড়া সমালোচনা করে রশিদ আরও বলেন, ‘তোমরা সাতজন ক্রিকেটারকে ফেরত পাঠিয়েছ। ইমামের বিষয়টি আমি বুঝতে পারি, সে চোট পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও ছয়জন ক্রিকেটারকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তোমরা তোমাদের কোচ, তোমাদের মেন্টরকে ফিরিয়ে দিয়েছ। যে কোচ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছিল, তাকেও সরিয়ে দিয়েছ। উমর গুলকেও ফিরিয়ে দিয়েছ। তুমি তোমার দলের হয়ে দাঁড়াচ্ছ না। তোমার কোচকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর তুমি নীরবে বসে আছ। এতে বোঝা যায়, পিসিবির সবসময় একজন পুতুল অধিনায়কই প্রয়োজন।

পাকিস্তানে রদবদল, বাবরকে নিয়েও প্রশ্ন
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream