বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, যেখানে ধর্ম ও বর্ণের পরিচয় মানুষের অধিকার বা সুযোগের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানোয় এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। সবার বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, আমরা সর্বোচ্চটুকু করার চেষ্টা করব। আপনাদের যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।”মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবাইকে কঠিন চীবর দান উৎসবের শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তিনি দেশের সব নাগরিকের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। জবাবে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের ধর্মীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানান।সভায় ধর্মীয় উৎসবের অনুদান ও সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ৪ কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল, যার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। একইভাবে, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করেন। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।জানানো হয়েছে, বরাদ্দের এই অর্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারা সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে এই সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। বরাদ্দ বৃদ্ধি ও বিশেষ সহায়তার জন্য প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও মিস সুবর্ণ ঠাকুর শিকদার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

'ছেলের লাশ পেয়েছেন, কাঁদতে পারবেন না; কাঁদলে লাশ গায়েব করে দেব’

জুলাই বিপ্লবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রাণ হারানো ১৪ বছর বয়সী রিকশাচালক শহীদ ইমনের মা কুলসুম বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ উপস্থিত হয়ে ছেলে হত্যার জবানবন্দি দিয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে বুধবার তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।জবানবন্দিতে কুলসুম বেগম জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাতে সারাদেশে কারফিউ জারি করা হলে তিনি ইমনকে আন্দোলনে যেতে নিষেধ করেছিলেন। জবাবে ইমন শহীদ ইয়ামিন হত্যার ভিডিও দেখিয়ে বলেছিল, “আমার বয়সী ছেলেদের কীভাবে মেরে ফেলছে; আমি কেন আন্দোলনে যাব না।” এরপর ২০ জুলাই বিকেলে আন্দোলনে গিয়ে এম জেড হাসপাতালের সামনে তেঁতুলতলার মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয় ইমন।ঘটনাস্থলে ছেলেকে রক্তাক্ত ও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেয়ে মা কুলসুম বেগমও জ্ঞান হারান। পরে তাদের উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসা হলে তিনি দেখতে পান ছেলের মাথার পেছনে ছোট ফুটা, বাম গাল ঝুলে গেছে এবং বুকে গুলির চিহ্ন। সেই মুহূর্তে এক রাজনৈতিক ব্যক্তি এসে ধমক দিয়ে হুমকি দেয়, “ছেলের লাশ পেয়েছেন, কাঁদতে পারবেন না; কাঁদলে লাশ গায়েব করে দেব।”তিনি আরও জানান, স্থানীয় একটি মসজিদ খাটিয়া দিতে অস্বীকৃতি জানালেও অন্য এক মসজিদের সহায়তায় রাত ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে তিন জায়গায় আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে কাকুতি-মিনতি করে ছাড়া পান তারা। পরদিন সকালে পারিবারিক কবরস্থানে ইমনকে দাফন করা হয়।সাক্ষ্য দেওয়ার সময় অঝোরে কেঁদে উঠে শহীদের মা বলেন, “আমার ছেলের হত্যার জন্য শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলামদের দায়ী করি। ১৯ জুলাই কারফিউ না দিলে আমার ছেলে বেঁচে থাকত। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।”

আবারো কমলো স্বর্ণের দাম

মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্ত ঘিরে বড় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমেছে। সুদের হার আরও বাড়ানোর পক্ষে নীতীনিরূপকদের কতটা সমর্থন রয়েছে, তা জানার জন্য সেপ্টেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণী (কার্যবিবরণী বা মিনিটস) প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ৯৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১২২ দশমিক ৭৩ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে ডিসেম্বরের চুক্তিতে মার্কিন গোল্ড ফিউচারের দাম ০ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,১৪৯ ডলারে পৌঁছায়।এদিন আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলার সূচক ০ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের মান বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে অন্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণ কেনাকাটা করা তুলনামূলক ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে অ্যাক্টিভট্রেডসের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা জানান, ‘আজ দিনের শেষের দিকে ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটির (এফওএমসি) সর্বশেষ কার্যবিবরণী প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের মাঝে সতর্ক অবস্থান কাজ করছে। সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে নিশ্চিত কোনো ইঙ্গিত না পাওয়া পর্যন্ত স্বর্ণে বড় ধরনের নতুন বা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে কিছুটা অনীহা দেখা যেতে পারে।’

আবরার হত্যার আজ ৭ বছর : দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি পরিবারের

বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে নিহত হন কুষ্টিয়ার সন্তান আবরার ফাহাদ।সন্তানের মৃত্যুর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও হত্যায় জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবরারের পরিবার। দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকরের দাবিও জানিয়েছেন তারা।কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের পাশে আবরার ফাহাদের বাড়ি। ঘরের শোকেসে এখনো সাজানো রয়েছে তার ব্যবহৃত মোবাইল, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। আগের মতোই রয়েছে তার বিছানা ও পড়ার টেবিল। শুধু নেই আবরার। ছেলের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও অসংখ্য স্মৃতি আঁকড়ে ধরে দিন কাটছে মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহর। সন্তানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়।মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে বুয়েটের উদ্দেশে বাসে তুলে দিয়েছিলাম। কে জানতো এই দিনই আমার ছেলের সাথে শেষ দেখা। এই বিদায় যে জীবনের শেষ বিদায় হয়ে যাবে, তা  জানলে ছেলেকে আর পাঠাতাম না।সেদিন রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে আবরার ফাহাদকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, আমার ছেলে হত্যার  সাত বছর পার হলেও আদালতের দেওয়া রায় পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। আমরা শুধু দিন গুনছি কবে রায় পুরোপুরি কার্যকর হবে।এদিকে নাতির হত্যার বিচারের রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছেন আবরারের ১০৫ বছর বয়সী দাদা আব্দুল গফুর। জীবদ্দশায় নাতি আবরার ফাহাদ হত্যার রায় কার্যকর দেখে যেতে চান তিনি।আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পরও ঘটনাটি কুষ্টিয়াবাসীর মনে গভীরভাবে নাড়া দেয়। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত রায় কার্যকর এবং আবরারের স্বপ্নের বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা সুলতান মারুফ তালহা বলেন, আবরার ফাহাদ হয়তো তার আদর্শ, স্মৃতি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন। কিন্তু মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহ আর কোনোদিন ফিরে পাবেন না তাদের সন্তানকে। আমরা সব সময় প্রতাশা করি আদালতের রায় যেন দ্রুত পুরোপুরি কার্যকর হয়।

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, যেখানে ধর্ম ও বর্ণের পরিচয় মানুষের অধিকার বা সুযোগের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।সভায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানোয় এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। সবার বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, আমরা সর্বোচ্চটুকু করার চেষ্টা করব। আপনাদের যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।”মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে শারদীয় দুর্গাপূজা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবাইকে কঠিন চীবর দান উৎসবের শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি তিনি দেশের সব নাগরিকের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। জবাবে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরাও প্রধানমন্ত্রীকে তাদের ধর্মীয় উৎসবের শুভেচ্ছা জানান।সভায় ধর্মীয় উৎসবের অনুদান ও সহায়তা বাড়ানোর ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্গাপূজার জন্য হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ৪ কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল, যার বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। একইভাবে, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করেন। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।জানানো হয়েছে, বরাদ্দের এই অর্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে তারা সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে এই সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। বরাদ্দ বৃদ্ধি ও বিশেষ সহায়তার জন্য প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও মিস সুবর্ণ ঠাকুর শিকদার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি তপন চন্দ্র মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু এবং জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

৫ ঘন্টা আগে
'ছেলের লাশ পেয়েছেন, কাঁদতে পারবেন না; কাঁদলে লাশ গায়েব করে দেব’

'ছেলের লাশ পেয়েছেন, কাঁদতে পারবেন না; কাঁদলে লাশ গায়েব করে দেব’

জুলাই বিপ্লবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রাণ হারানো ১৪ বছর বয়সী রিকশাচালক শহীদ ইমনের মা কুলসুম বেগম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ উপস্থিত হয়ে ছেলে হত্যার জবানবন্দি দিয়েছেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে বুধবার তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন।জবানবন্দিতে কুলসুম বেগম জানান, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাতে সারাদেশে কারফিউ জারি করা হলে তিনি ইমনকে আন্দোলনে যেতে নিষেধ করেছিলেন। জবাবে ইমন শহীদ ইয়ামিন হত্যার ভিডিও দেখিয়ে বলেছিল, “আমার বয়সী ছেলেদের কীভাবে মেরে ফেলছে; আমি কেন আন্দোলনে যাব না।” এরপর ২০ জুলাই বিকেলে আন্দোলনে গিয়ে এম জেড হাসপাতালের সামনে তেঁতুলতলার মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয় ইমন।ঘটনাস্থলে ছেলেকে রক্তাক্ত ও সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পেয়ে মা কুলসুম বেগমও জ্ঞান হারান। পরে তাদের উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসা হলে তিনি দেখতে পান ছেলের মাথার পেছনে ছোট ফুটা, বাম গাল ঝুলে গেছে এবং বুকে গুলির চিহ্ন। সেই মুহূর্তে এক রাজনৈতিক ব্যক্তি এসে ধমক দিয়ে হুমকি দেয়, “ছেলের লাশ পেয়েছেন, কাঁদতে পারবেন না; কাঁদলে লাশ গায়েব করে দেব।”তিনি আরও জানান, স্থানীয় একটি মসজিদ খাটিয়া দিতে অস্বীকৃতি জানালেও অন্য এক মসজিদের সহায়তায় রাত ১১টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে তিন জায়গায় আওয়ামী লীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে কাকুতি-মিনতি করে ছাড়া পান তারা। পরদিন সকালে পারিবারিক কবরস্থানে ইমনকে দাফন করা হয়।সাক্ষ্য দেওয়ার সময় অঝোরে কেঁদে উঠে শহীদের মা বলেন, “আমার ছেলের হত্যার জন্য শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলামদের দায়ী করি। ১৯ জুলাই কারফিউ না দিলে আমার ছেলে বেঁচে থাকত। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।”

৮ ঘন্টা আগে
আবরার হত্যার আজ ৭ বছর : দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি পরিবারের

আবরার হত্যার আজ ৭ বছর : দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি পরিবারের

বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নির্যাতনে নিহত হন কুষ্টিয়ার সন্তান আবরার ফাহাদ।সন্তানের মৃত্যুর সাত বছর পেরিয়ে গেলেও হত্যায় জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের দেওয়া রায় কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবরারের পরিবার। দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকরের দাবিও জানিয়েছেন তারা।কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের পাশে আবরার ফাহাদের বাড়ি। ঘরের শোকেসে এখনো সাজানো রয়েছে তার ব্যবহৃত মোবাইল, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। আগের মতোই রয়েছে তার বিছানা ও পড়ার টেবিল। শুধু নেই আবরার। ছেলের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও অসংখ্য স্মৃতি আঁকড়ে ধরে দিন কাটছে মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহর। সন্তানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি এখনো তাদের তাড়িয়ে বেড়ায়।মা রোকেয়া খাতুন বলেন, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে বুয়েটের উদ্দেশে বাসে তুলে দিয়েছিলাম। কে জানতো এই দিনই আমার ছেলের সাথে শেষ দেখা। এই বিদায় যে জীবনের শেষ বিদায় হয়ে যাবে, তা  জানলে ছেলেকে আর পাঠাতাম না।সেদিন রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে আবরার ফাহাদকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, আমার ছেলে হত্যার  সাত বছর পার হলেও আদালতের দেওয়া রায় পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। আমরা শুধু দিন গুনছি কবে রায় পুরোপুরি কার্যকর হবে।এদিকে নাতির হত্যার বিচারের রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছেন আবরারের ১০৫ বছর বয়সী দাদা আব্দুল গফুর। জীবদ্দশায় নাতি আবরার ফাহাদ হত্যার রায় কার্যকর দেখে যেতে চান তিনি।আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পরও ঘটনাটি কুষ্টিয়াবাসীর মনে গভীরভাবে নাড়া দেয়। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত রায় কার্যকর এবং আবরারের স্বপ্নের বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা সুলতান মারুফ তালহা বলেন, আবরার ফাহাদ হয়তো তার আদর্শ, স্মৃতি ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন। কিন্তু মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহ আর কোনোদিন ফিরে পাবেন না তাদের সন্তানকে। আমরা সব সময় প্রতাশা করি আদালতের রায় যেন দ্রুত পুরোপুরি কার্যকর হয়।

১৩ ঘন্টা আগে
গাড়ির যন্ত্রাংশের ঘোষণা, কন্টেইনারে মিলল BMW স্পোর্টস কার

গাড়ির যন্ত্রাংশের ঘোষণা, কন্টেইনারে মিলল BMW স্পোর্টস কার

চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা একটি কন্টেইনারে মিলেছে সম্পূর্ণ সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার। একই কন্টেইনারে পাওয়া গেছে আরেকটি বিএমডব্লিউ সেডানের সামনের অংশ এবং ইসুজু ব্র্যান্ডের পাঁচটি হাফ-কাট ট্রাক।কাস্টমসের নথিতে কন্টেইনারটিতে ডিফারেনশিয়াল অ্যাসেম্বলি, পাওয়ার স্টিয়ারিংসহ বিভিন্ন ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে কায়িক পরীক্ষায় ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া পণ্যের বড় ধরনের অমিল ধরা পড়ে।কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চালানটির কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে চট্টগ্রামের হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এম/এস আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’-এর আমদানি করা কন্টেইনারে এসব পণ্য পাওয়া যায়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে চালানটি পাঠানো হয়। আর খালাসের দায়িত্বে ছিল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ‘আমিন (সিঅ্যান্ডএফ) প্রাইভেট লিমিটেড’।পরীক্ষার সময় কন্টেইনারের ভেতরে সম্পূর্ণ সিকেডি অবস্থায় ২০০৯ মডেলের দুই আসনের একটি বিএমডব্লিউ এস-ড্রাইভ ২৩আই স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির ইঞ্জিন ক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। ঘোষণায় সাধারণ ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের কথা বলা হলেও গাড়িটি সম্পূর্ণ সিকেডি অবস্থায় থাকায় তা ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে মেলেনি।এ ছাড়া কন্টেইনারে পাওয়া যায় ২০১৬ সালের প্রায় ৩০০০ সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের একটি প্রিমিয়াম সেডানের সামনের অর্ধাংশ বা ফ্রন্ট হাফ-কাট। গাড়িটির বাকি অংশ অন্য কোনো চালানে খালাস করা হয়েছে কি না, অথবা পরবর্তী চালানে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।একই কন্টেইনারে ইসুজু ব্র্যান্ডের পাঁচটি হাফ-কাট ট্রাকও পাওয়া যায়। এসব ট্রাকের কেবিনের ভেতর বিভিন্ন ধরনের ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ কৌশলে প্যাক করে রাখা হয়েছিল।কাস্টমস গোয়েন্দাদের ধারণা, গাড়ির বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন বা কাটা অবস্থায় আলাদা আলাদা চালানে এনে পরে দেশে পুনঃসংযোজনের একটি চক্র সক্রিয় থাকতে পারে। এভাবে প্রকৃত পণ্য ও এর মূল্য গোপন করে শুল্ক-কর ফাঁকির চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।এদিকে কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া সব পণ্যের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে গাড়ি ও গাড়ির অংশগুলোর ইঞ্জিন নম্বর, চ্যাসিস নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। এসব পণ্যের প্রকৃত শুল্ক মূল্যও নির্ধারণ করা হচ্ছে।কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ ও বিদ্যমান আমদানি নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে আমদানিকারক এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই গাড়িটির বাকি অংশের বিষয়েও অনুসন্ধান চলছে।মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে গাড়ি বা গাড়ির বিভিন্ন অংশ আমদানির সম্ভাব্য চক্র ঠেকাতে চট্টগ্রাম বন্দরে নজরদারি আরও জোরদার করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

১৫ ঘন্টা আগে
আপসের পর আজ এমপি গাজী নজরুলের জামিন শুনানি

আপসের পর আজ এমপি গাজী নজরুলের জামিন শুনানি

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের জামিনের বিষয়ে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) সিদ্ধান্ত হতে পারে। বাদীপক্ষের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে এবং তারা জামিনে আপত্তি করছে না—আসামিপক্ষের এমন বক্তব্যের পর আবারও জামিন আবেদন করা হয়েছে।গত ৫ অক্টোবর নজরুলের আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে তার জামিনের আবেদন করেন। শুনানির জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেন আদালত।আদালতে আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান বলেন, মরিয়ম খাতুনের পরিবারের সঙ্গে আসামিপক্ষের সমঝোতা হয়েছে। ফলে বাদীপক্ষের জামিনে কোনো আপত্তি নেই। এ পরিস্থিতিতে গাজী নজরুলকে জামিন দেওয়া হলে মামলার তদন্ত কিংবা বিচারকাজে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না বলেও তিনি আদালতকে জানান।এর আগে একই মামলায় গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন আদালত। গত ৩০ সেপ্টেম্বর নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন আবেদন করা হয়। সেদিন মাকছুদাকে জামিন দেওয়া হলেও নজরুলের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।মামলার নথি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলা হওয়ার পরদিন নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় গোয়েন্দা পুলিশকে।পরবর্তীতে নজরুলকে আরও এক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।মামলার অপর আসামি ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তার জামিন আবেদনের শুনানির জন্যও দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, অপেক্ষা অনুমোদনের

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, অপেক্ষা অনুমোদনের

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা। এ বিষয়ে একটি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটিও।প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বিপিডিবি নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা দেবে। বাকি ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য নতুন করে জমি কেনার প্রয়োজন হবে না। ২০১২ সালে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্দেশ্যে বিপিডিবি ১ হাজার ৮৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। এর একটি অংশে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মৈত্রী সুপার থার্মাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। অবশিষ্ট ব্লক-বি এলাকায় জমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজও শেষ হয়েছে। ওই জায়গাতেই নতুন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।প্রকল্পের আওতায় অন্তত ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতাসম্পন্ন সৌর প্যানেল বসানো হবে। এর পাশাপাশি ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-সংযুক্ত ইনভার্টার এবং একটি পুলিং সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে তৈরি করা হবে।বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ডরমিটরি, রেস্টহাউস ও মসজিদ নির্মাণের পাশাপাশি তিনতলা একটি নিয়ন্ত্রণ ভবন তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশীয় পরামর্শক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এটি বাস্তবায়ন হলে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতেও প্রকল্পটি ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদিকে একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল-ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ কেনার আরেকটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৮১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং ১ হাজার ৯৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের ঋণ থেকে সংগ্রহের প্রস্তাব রয়েছে।একনেকের সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাতটি প্রকল্পের পাশাপাশি নৌপরিবহন, পররাষ্ট্র এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কয়েকটি প্রকল্পও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। সব মিলিয়ে ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

১৬ ঘন্টা আগে
পাঁচ দিনের ব্যবধানেই আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে মিলল কোটি টাকার বরাদ্দ

পাঁচ দিনের ব্যবধানেই আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে মিলল কোটি টাকার বরাদ্দ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি রক্ষা, ফাউন্ডেশনের সার্বিক বিকাশ এবং স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ১ কোটি ৯ লাখ টাকা অবমুক্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।​সম্প্রতি পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির পাঁচ দিনের মাথায় এই অর্থ অনুমোদিত হলো। সোমবার (৫ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব স্বাক্ষরিত ছাড়পত্রটি রংপুর জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।​মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) 'বিশেষ বরাদ্দ' খাত থেকে এ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থাৎ ১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে শহীদ আবু সাঈদের বসতভিটা, কবরস্থান এবং সাঈদ ফাউন্ডেশনের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে। এছাড়া বাকি ৯ লাখ টাকা পীরগঞ্জের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য বিভাজন করা হয়েছে।​প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের দ্রুততায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাঈদের স্বজনেরা। শহীদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন জানান, স্মৃতি রক্ষায় সরকারের এই ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন সঠিকভাবে নির্ধারিত কাজেই ব্যবহৃত হয়, তা কঠোরভাবে নজরদারি করার তাগিদ দেন তিনি। একই সাথে দেশের সকল শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ​রংপুর জেলা পরিষদ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থ পাওয়ায় দ্রুতই একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে মূল নকশা ও প্রাক্কলন তৈরি করা হবে। জুলাই বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরতে এই প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রূপদান করা হবে।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
২২ জেলায় হচ্ছে শিশু স্বর্গ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২২ জেলায় হচ্ছে শিশু স্বর্গ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরেই ২২টি জেলায় সরকারি উদ্যোগে ‘শিশু স্বর্গ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে (নিনস) বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি গবেষণায় দেশে অন্তত সাড়ে তিন লাখ শিশু সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অথচ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নিনসের বহির্বিভাগে গত বছর চিকিৎসা নিয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ শিশু। ফলে আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশ চিকিৎসাসেবার বাইরে রয়েছে।তিনি বলেন, পারিবারিক সীমাবদ্ধতা ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে অনেক শিশু আড়ালে থেকে যাচ্ছে। তাদের অধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যেই আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দেশের ২২টি জেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ড. মুহিত জানান, সরকারি উদ্যোগে কড়াইল বস্তিতে সম্প্রতি একটি পাইলট প্রকল্পও চালু করা হয়েছে। সেখানে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৩০০ শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে।প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনতে কমিউনিটি বেসড আর্লি কেস ডিটেকশন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অর্থাৎ রোগের প্রাথমিক লক্ষণেই শিশুদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের প্রশংসা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য একটি সার্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
<span class='techtaranga_subtitle'>ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে / </span> ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে / ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৯৬ জন। এর মাধ্যমে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮১ জনে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে সর্বোচ্চ ৪৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৯৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫২ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, রংপুর বিভাগে ৭৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জন ভর্তি হন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৯০ হাজার ৩৫৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাসেবা শেষে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ২৯৯ জন।উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪১৩ জন।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ ভিশন রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ ভিশন রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রীড়াকে আরও গুরুত্ব দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, আগামী বছর থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে আলাদা বিষয় হিসেবে যুক্ত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে ক্রীড়াকে সরাসরি সম্পৃক্ত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।তিনি জানান, এবারের গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ৩০ হাজার স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকভাবে দাবা, হ্যান্ডবল, সাঁতার ও কাবাডি—এই চারটি খেলায় অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে সারা দেশ থেকে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিতে খেলাধুলাকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সেই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।মাহদী আমিন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ‘প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হবে।বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি জাতীয় ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় এবারের গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ ছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনউদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল।

০৬ অক্টোবর ২০২৬
৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। এতে বাংলাদেশের সংকট কমবে?

এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। এতে বাংলাদেশের সংকট কমবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

মৌলভীবাজার এনসিপির এহসান-তামিম বহিষ্কার

গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া এবং জেলা সমন্বয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী তামিম আহমেদকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাতে এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি বার্তায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও বার্তা দুটি প্রকাশ করা হয়েছে। দলীয় বার্তায় বলা হয়,এহসান জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতিবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এবং দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদিকে,তামিম আহমেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ ওঠার কথা জানানো হয়েছে দলীয় বার্তায়। অভিযোগের গুরুত্ব এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থ বিবেচনায় তাকে দলীয় কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দলের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পৃথক দুই বার্তাতেই বলা হয়েছে,বহিষ্কারের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

নীল শাড়িতে 'তন্দ্রাবিলাস' এ মনোযোগী পরীমণি

ঢালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি পর্দায় এখন কিছুটা কম দেখা গেলেও সামাজিক মাধ্যমে তার উপস্থিতি সবসময়ই প্রাণবন্ত। নিজের অনুভূতি কিংবা জীবনের সুন্দর মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে কখনো ভোলেন না তিনি।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নিজের ফেসবুকে নীল শাড়িতে কিছু চোখধাঁধানো ও নান্দনিক ছবি শেয়ার করে অনুরাগীদের নজর কেড়েছেন এই অভিনেত্রী।ছবিগুলোতে তাকে নীল রঙের শাড়িতে অত্যন্ত মোহনীয় লুকে দেখা গেছে। চুলগুলো পরিপাটি করে খোঁপা করা আর মুখে জড়িয়ে ছিল শান্ত, মৃদু হাসি। হাতে ছিল কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস ‘তন্দ্রাবিলাস’। কখনো বইটির পাতা উল্টে মনোযোগ দিয়ে পড়তে, আবার কখনো তা বুকে জড়িয়ে ধরে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন পরী।কাজের ব্যস্ততার মাঝে শাড়ি ও বই হাতে পরীমনির এই রূপসী লাবণ্য ছুঁয়ে গেছে অনুরাগীদের মন। ছবিগুলোর ক্যাপশনে ছন্দের দোলায় পরীমনি লিখেছেন— ‘না হলো যাওয়া আর কাশবনে না হলো দেখা শরতের আকাশ। উপায় হলো এই তন্দ্রাবিলাস।’ ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেতেই রূপ ও সৌন্দর্যের প্রশংসায় ভাসছেন এই ঢালিউড তারকা।

মেঘের সঙ্গে শুভ্রতার বার্তা ছড়ায় শরতের কাশফুল

বাংলা ঋতুচক্রে বর্ষার বিদায়ে প্রকৃতির ক্যানভাসে শুরু হয়েছে রূপসী শরতের আগমনী বার্তা। নীল আকাশে পেঁজা তুলার মতো সাদা মেঘের ভেলার সঙ্গে শুভ্রতার বার্তা ছড়িয়ে ফুটেছে কাশফুল। শরতের এই মনোমুগ্ধকর স্নিগ্ধতায় এখন মুখরিত।দিগন্ত বিস্তৃত সাদা কাশফুলের দোলায় প্রকৃতি ধারণ করেছে এক অপরূপ সৌন্দর্য। আর শরতের এমন শান্ত-স্নিগ্ধ মনোহরী রূপ সরাসরি উপভোগ করতে প্রতিদিনই সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন সব বয়সী মানুষ। বিকেল হলেই শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও স্থানীয় দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। দর্শনার্থীরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কাশফুলের ছোঁয়া নিচ্ছেন এবং ক্যামেরাবন্দি করছেন তাদের সুন্দর মুহূর্তগুলো।ক্যালেন্ডারের পাতায় তাপমাত্রার অস্বাভাবিক ওঠানামা থাকলেও, প্রকৃতির ক্যানভাসে ফোটা বরগুনার এই কাশবন নাগরিক জীবনে একটুখানি প্রশান্তি ও বিনোদনের উপলক্ষ এনে দিয়েছে।

মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় জরিমানা

মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় জরিমানা

মৌলভীবাজার পৌরশহরে অবৈধ দখল ও পৌরসভা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭টি মামলায় মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।মঙ্গলবার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল ইবনে ইদ্রিসের নেতৃত্বে পৌরশহরে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন,২০০৯-এর ১০৮ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১০৯ ধারায় ৪টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় মৌলভীবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন।একই দিনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমির নেতৃত্বে শহরের শমসেরনগর রোড ও পশ্চিম বাজার এলাকায় পৃথক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন,২০০৯-এর ১০৯ ধারায় ৩টি মামলা করা হয় এবং মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।অভিযান প্রসঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমি জানান,পৌর এলাকার সড়ক,ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন রাখা এবং পৌরশহরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন অবৈধ দখল ও পৌর আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সংশ্লিষ্টরা জানান,পৌরশহরের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা,জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং শহরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream