রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

মস্কো ও আশপাশে ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা, নিহত ২

ইউক্রেন ‘বড় ধরনের’ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়ার রাজধানী মস্কো ও আশপাশের এলাকায়। এতে অন্তত দুজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাতে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন মস্কো অঞ্চলের গভর্নর আন্দ্রি বোরোবেভ।গভর্নর জানান, মস্কো অঞ্চলের দিকে ইউক্রেনের ২৪৯টি ড্রোন ছোড়া ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে কয়েকটি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানায় বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনে আগুন ধরে যায়। একটি স্থানীয় গুদামেও আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।মস্কো শহরের একটি তেল পরিশোধনাগারেও ড্রোন হামলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলার পর মস্কোর দুটি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল সীমিত করা হয়।আন্দ্রি বোরোবেভ জানান, সোফিয়ানো এলাকায় একটি তিনতলা বাড়িতে ড্রোন আঘাত হানলে ৪৪ বছর বয়সী এক নারী নিহত হন। ওই বাড়িতে থাকা আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ওরেখোভো-জুয়েভো জেলায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবায়ানিন জানান, রাজধানীর বোলভার্দস এলাকার একটি ভবন ও একটি তেল পরিশোধনাগারে ইউক্রেনের ড্রোন আঘাত হেনেছে। তিনি বলেন, মস্কোর আকাশে প্রায় ২৫০টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং হামলাটিকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন।বিবিসি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মস্কোর আকাশে ড্রোন বিস্ফোরিত হতে দেখা গেছে। একটি গুদামে আগুন লাগার ভিডিওও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।এর আগে শনিবার ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও পূর্বাঞ্চলীয় সামি শহরে রাশিয়ার হামলায় সাতজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও ছিল। এ হামলায় কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।গত কয়েকদিন ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই জ্বালানি অবকাঠামোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে আসছে।সূত্র: বিবিসি

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিশ্বনেতাদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধ নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ আয়োজিত ‘এসডিজি মোমেন্ট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিজি অর্জনের পথে বিশ্ব অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে এখন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সব দেশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।এসডিজি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে (ইউএনজিএ-৮১) অংশ নিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘মক্কা চুক্তি’র আলোকে সৌদিকে সহায়তার প্রস্তাব তুরস্কের

তুরস্ক সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটিকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে। রিয়াদকে ঐতিহাসিক ‘মক্কা চুক্তি’র আলোকেই এ সহায়তা দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে আঙ্কারা।তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “আমরা দেখছি সৌদি আরবের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর গুরুতর আঘাত আসছে। একটি পারস্পরিক চুক্তি তাদের সঙ্গে আমাদের রয়েছে। সৌদি আরবের এখন কিছু সামরিক সহায়তা প্রয়োজন, বিশেষ করে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত (টেকনিক্যাল) ক্ষেত্রে। এ ধরনের সহায়তা দিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।”হাকান ফিদান আরও জোর দিয়ে জানান, এই সংকটকালে সৌদি আরবের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে তুরস্ক অঙ্গীকারবদ্ধ এবং কারিগরি সামরিক সহায়তা পাঠাতে আঙ্কারা পুরোপুরি প্রস্তুত।প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ‘মক্কা চুক্তি’ হিসেবে পরিচিত এই সমঝোতার প্রধান শর্ত অনুযায়ী—স্বাক্ষরকারী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা বাকি দুই দেশের ওপরও আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং যৌথভাবে তার মোকাবিলা করা হবে।এর আগে শনিবার হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং রাষ্ট্রায়ত্ত তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকোর স্থাপনায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।হামলার পরপরই রিয়াদের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে কালো ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী আকাশে উড়তে দেখা যায়। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত আরামকোর একটি জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) ডিপো লক্ষ্য করে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে হুথিরা।এ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের জেরে রিয়াদ বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচলে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে শত শত ফ্লাইট বাতিল করা হয় এবং আরও কয়েক শ ফ্লাইটের শিডিউল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

৫৬ শতাংশ কাজ শেষ ২০২৯ সালের মধ্যে ছয় লেন হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

মুহাম্মদ মহসিন, আলী ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিরসন করে কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ। এই মহাসড়কের উন্নয়ন প্রকল্প অনেক আগে গ্রহণ করা হলেও বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৫৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভূমি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কোথাও কোথাও কাজের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এসব জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে যেখানে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধন করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে সময় কমার পাশাপাশি মহাসড়কটির সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতাসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করা গেলে প্রকল্পের কাজ আরও গতিশীল হবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।মহাসড়ক পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অপ্রতিম হত্যায় গ্রেফতার ৪, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপ্রতিম হত্যায় গ্রেফতার ৪, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজন নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার এক দিনের মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রথমে তিনজনকে আটক করা হলেও পরে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমও চলছে।গ্রেপ্তার চারজনের বয়স যাচাইয়ের কাজ চলছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের মধ্যে কয়েকজন কিশোর। দুজনের বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেও অপর একজনের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করে তাদের প্রকৃত বয়স নিশ্চিত করা হচ্ছে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আচরণ ও কর্মকাণ্ডে কিশোর অপরাধী চক্রের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। অপ্রতিমের সঙ্গে তাদের আগে থেকেই পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। নিয়মিত একসঙ্গে সময় কাটানো ও আড্ডা দেওয়ার তথ্যও পাওয়া গেছে। তদন্তে জানা গেছে, তাদের অনেকেই অপ্রতিমের চেয়ে পাঁচ থেকে ১০ বছরের বড়।হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বা সংশ্লিষ্ট আলামতের মধ্যে অপ্রতিমের আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রধান সন্দেহভাজন তুহিনের কাছ থেকেই ফোনটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অন্যান্য আলামতও সংগ্রহ করে সেগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখন আইন অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করছে পুলিশ। এর মধ্যে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়াও রয়েছে।তিনি জানান, পুলিশ দ্রুত তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে। অপ্রতিমের ময়নাতদন্ত ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে এবং তার দাফনও সম্পন্ন হয়েছে।মামলার বিচার দ্রুত শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার ভাষ্য, তদন্ত শেষ করে পুলিশ দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দেবে। এরপর বিচার বিভাগ মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেবে। রামিসা হত্যা মামলার মতো অপ্রতিম হত্যার বিচারও স্বল্প সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

৩৬ মিনিট আগে
অশ্রুসিক্ত বিদায়ে চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

অশ্রুসিক্ত বিদায়ে চিরনিদ্রায় অপ্রতিম

দাফন সম্পন্ন হয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম জানাজা রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এবং বেলা ১১টায় কোটবাড়ি গন্ধমতি ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পাশের কবরস্থানে তাকে চিরশায়িত করা হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বজন ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অপ্রতিমের জানাজায় অংশ নেন। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন প্রিয় শিক্ষক দম্পতির একমাত্র সন্তানকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে এসে। জানাজা শেষে অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন উপস্থিত সবাই।অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ অপ্রতিমের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালান। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরে মরদেহ কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। শনিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ কোটবাড়ি গন্ধমতির নিজ বাড়িতে নেয়া হলে শেষবারের মতো তাকে দেখতে ভিড় করেন স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের আবহ।এ দিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।অপ্রতিমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা ড. নাহিদা বেগম। যে সন্তানকে ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উৎকণ্ঠায় ছিলেন, সেই অপ্রতিমই রোববার কুমিল্লার মাটিতে চিরশায়িত হলো ।

১ ঘন্টা আগে
অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদ ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে। কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে  মহাসড়ক অবরোধ করে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন।অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার, ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এ সময় শিক্ষার্থীরা। অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বেলা ১১টায় কোটবাড়ি গন্ধমতি ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পাশের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্বজন ও স্থানীয়রা অংশ নেন।অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
ধনী আইনজীবী হওয়ার শর্টকাট থাকলেও ভালো হতে পড়াশোনার বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

ধনী আইনজীবী হওয়ার শর্টকাট থাকলেও ভালো হতে পড়াশোনার বিকল্প নেই: আইনমন্ত্রী

ধনী আইনজীবী হওয়ার সহজ বা শর্টকাট পথ থাকলেও একজন দক্ষ ও ভালো আইনজীবী হতে নিয়মিত পড়াশোনা, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ল ফেস্ট’-এ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, দ্রুত অর্থবান হওয়ার কিছু অনৈতিক পথ থাকলেও প্রকৃত অর্থে সফল আইনজীবী হতে হলে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে। তার ভাষায়, ‘ফিক্সিং অ্যান্ড ফক্সিং’ করে ধনী হওয়া সম্ভব হলেও ভালো আইনজীবী হওয়ার জন্য পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।আইনজীবীদের সমাজের ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে নিয়মিত পরিবর্তন ও নানা ধরনের ভাঙাগড়া চলে। এ অবস্থায় আইনি পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে আইনজীবীরা সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখেন। ফলে আদালতে তাদের প্রতিটি বক্তব্য ও শব্দের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।আইন পেশার সঙ্গে চিকিৎসা পেশার তুলনা করে মন্ত্রী বলেন, একজন চিকিৎসক রোগীর চিকিৎসায় নিজের সিদ্ধান্তের ওপর অনেকাংশে নির্ভর করতে পারেন। কিন্তু আইনজীবীকে আদালতে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিচারক, মক্কেল, প্রতিপক্ষের আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিষয় বিবেচনায় রাখতে হয়। তাই আইন সঠিকভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণের দায়িত্বও আইনজীবীর।নিজের পেশাজীবনের শুরুর সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে অনেক আইনজীবীকেই দীর্ঘ সময় বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করতে হয়। তবে ধীরে ধীরে পড়াশোনা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সমন্বয়ে এমন পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব, যখন একজন আইনজীবীর উপস্থিতিই পেশাগত সাফল্যের বড় ভিত্তি হয়ে ওঠে। এ প্রসঙ্গে নিজের সিনিয়রের সঙ্গে করসংক্রান্ত মামলায় কাজ করার অভিজ্ঞতাও শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।আইন পেশায় দক্ষতা ও সততা নিশ্চিত করতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, পেশাজীবনে নানা ধরনের প্রলোভন আসতে পারে। তবে সব পরিস্থিতিতে সত্য ও নৈতিকতার পথে থাকতে হবে। কারণ আইনজীবী একই সঙ্গে মক্কেলের রক্ষক এবং আদালতের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।আইন সংস্কারে তরুণদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রচলিত কোনো আইনে অসঙ্গতি বা পরিবর্তনের প্রয়োজন মনে হলে শিক্ষার্থীরা আইন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব ও খসড়া পাঠাতে পারেন। এসব প্রস্তাব সরকার গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।দেশের পরিবর্তনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার প্রশংসা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

২ ঘন্টা আগে
এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিশ্বনেতাদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধ নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ আয়োজিত ‘এসডিজি মোমেন্ট’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিজি অর্জনের পথে বিশ্ব অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে এখন কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি সব দেশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।এসডিজি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।এদিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে (ইউএনজিএ-৮১) অংশ নিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>মানবতাবিরোধী অপরাধ / </span>ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

মানবতাবিরোধী অপরাধ / ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

জুলাই আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাসদ সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল ৫০০ পৃষ্ঠার রায়ের অনুলিপি প্রকাশ করে। রায়টির বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।এর আগে গত ৩০ জুন ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে সাজাগুলো একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় মোট ১০ বছরই কারাগারে থাকতে হবে তাকে।পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে ইনুর দায় প্রমাণিত হয়েছে। আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে আহত করা, নির্যাতন ও রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও সহযোগিতার অভিযোগেও তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আরেক অভিযোগে ষড়যন্ত্র ও চুক্তিতে সম্পৃক্ততার দায়ে একই মেয়াদের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।অন্যদিকে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসব অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই একটি ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইনু আন্দোলনকারীদের জামায়াত, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক হিসেবে উল্লেখ করেন। আন্দোলন দমনে বলপ্রয়োগে উসকানি ও সহায়তার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে আনা হয়।এ ছাড়া ১৯ জুলাই গণভবনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে ‘শুট অ্যাট সাইট’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। ওই বৈঠকে ইনুর উপস্থিতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তার ভূমিকার অভিযোগ থাকলেও তা প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।তবে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা তৈরির উদ্যোগ এবং তাদের আটক ও নির্যাতনের জন্য কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে ফোনে নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।এ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে ভূমিকা এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে।অন্যদিকে আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র, ছত্রীসেনা ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসব অভিযোগ থেকেও তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ইউসুফ শেখ, উসামা, সুরুজ আলী, আশরাফুল ইসলাম, বাবলু ফরাজী ও আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিনসহ আন্দোলনকারীদের হত্যায় নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছিল ইনুর বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে সারা দেশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জনকে হত্যা ও ২৫ হাজারের বেশি মানুষকে আহত করার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ ছিল। তবে এ অভিযোগও প্রমাণিত হয়নি।এদিকে ২০১৩ সালে তথ্যমন্ত্রী থাকাকালে শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড নিয়ে কোর কমিটির বৈঠকে উপস্থিত থাকার অভিযোগে ইনুর বিরুদ্ধে পৃথক মামলায়ও বিচারপ্রক্রিয়

২ ঘন্টা আগে
৫৬ শতাংশ কাজ শেষ ২০২৯ সালের মধ্যে ছয় লেন হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

৫৬ শতাংশ কাজ শেষ ২০২৯ সালের মধ্যে ছয় লেন হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

মুহাম্মদ মহসিন, আলী ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ ২০২৯ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের উন্নয়নকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো দ্রুত নিরসন করে কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ। এই মহাসড়কের উন্নয়ন প্রকল্প অনেক আগে গ্রহণ করা হলেও বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৫৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভূমি সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণে কোথাও কোথাও কাজের গতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে এসব জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ আরও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের কাজ দ্রুত শেষ করতে যেখানে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধন করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে সময় কমার পাশাপাশি মহাসড়কটির সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভূমি সংক্রান্ত জটিলতাসহ অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করা গেলে প্রকল্পের কাজ আরও গতিশীল হবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।মহাসড়ক পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ ঘন্টা আগে
ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই দুর্বল করতে পারবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই দুর্বল করতে পারবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘ঐক্যতেই শক্তি। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াতে পারলে জনগণও আপনাদের পাশে থাকবে।আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুঁচদহ ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার ও দলকে আরও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, একটি লাঠি সহজেই ভেঙে ফেলা যায়। কিন্তু অনেকগুলো লাঠি একসঙ্গে বাঁধা থাকলে তা ভাঙা কঠিন। ঠিক তেমনি সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো শক্তিই আমাদের দুর্বল করতে পারবে না। তাই নিজেদের মধ্যে বিভেদ ও দ্বন্দ্ব পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।তিনি বলেন, শুধু সভা-সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করলেই হবে না। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে যেতে হবে। বিশেষ করে যেসব মা-বোন এখনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, তাদের আস্থা অর্জন করতে হবে। মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ, বিনয়ী ব্যবহার ও আন্তরিক কথাবার্তার মাধ্যমে তাদের মন জয় করতে হবে।নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নিজেদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হলে জনগণের আস্থা নষ্ট হবে। তাই ভুল-ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। মানুষের বিপদে-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে তারাও প্রয়োজনের সময়ে পাশে থাকবে।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আদিবাসী, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান কিংবা সাঁওতাল—পরিচয় ভিন্ন হলেও আমরা সবাই মানুষ। সবার রক্তের রং একই। তাই ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে না। পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখেই সমাজকে এগিয়ে নিতে হবে।তিনি আরও বলেন, কারও জায়গা দখল করা, অন্যের প্রতি হিংসা পোষণ করা বা সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ নেই। সবাইকে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে বসবাস করতে হবে।শিক্ষার মানোন্নয়নে স্থানীয় জনগণের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন কি না, শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো পাঠদান পাচ্ছে কি না—এসব বিষয় শুধু প্রশাসনের দেখার বিষয় নয়; অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণেরও দায়িত্ব রয়েছে।তিনি বলেন, সন্তানরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছে কি না এবং মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করছে কি না, সেদিকে অভিভাবকদের নজর রাখতে হবে। শিক্ষিত ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।মতবিনিময় সভায় বিএনপির স্থানীয় ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।বক্তারা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।সভা শেষে নেতাকর্মীরা দলীয় ঐক্য অটুট রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও জনসম্পৃক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

২৩ ঘন্টা আগে
নতুন পে স্কেলে বড় পরিবর্তন, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

নতুন পে স্কেলে বড় পরিবর্তন, ১ জুলাই থেকে কার্যকর

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারির মাধ্যমে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল বাস্তবায়নের বিধান দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর এস.আর.ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬ জারি করা হয়।নতুন আদেশ অনুযায়ী, জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। এতে সরকারি চাকরির বিদ্যমান ২০টি গ্রেডের জন্য নতুন বেতনস্কেল নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন কাঠামোয় সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদে মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা। আর সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে নতুন বেতনস্কেল শুরু হবে ২০ হাজার টাকা থেকে। ধাপে ধাপে এ বেতন ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত উন্নীত হবে।তবে নতুন বেতন কাঠামো একবারে পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। আদেশ অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ৯ম গ্রেড ও তার ওপরের গ্রেডের কর্মচারীরা নতুন নির্ধারিত বেতন ও বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ পাবেন। একই সময়ে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে এ পার্থক্যের ৫০ শতাংশ বর্তমান বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বের জন্য ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য ৭৫ শতাংশ প্রদান করা হবে। এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে বার্ষিক বেতনবৃদ্ধিসহ নতুন মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।আদেশে বলা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন সরকারি কর্মচারীরা বকেয়া হিসেবে পাবেন। একইভাবে অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্য নতুন পেনশন কাঠামো অনুযায়ী বকেয়া পাওনার বিধান রাখা হয়েছে।নতুন আদেশে মূল বেতনের পাশাপাশি পেনশন, বিভিন্ন ধরনের ভাতা, ঝুঁকি ভাতা ও বিশেষ ভাতার বিষয়েও বিধান রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু বাহিনী ও প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বিশেষ বা ঝুঁকি ভাতার ক্ষেত্রে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত ভাতার ওপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া অনলাইনে iBAS++ ও Pay Fixation ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বেতন নির্ধারণ করবেন। পরে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস তা যাচাই করে অনুমোদন করবে।নতুন আদেশ জারির মাধ্যমে এর আগে কার্যকর থাকা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ রহিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার নতুন আদেশে স্বাক্ষর করেছেন।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নতুন পে স্কেলের ভেটিং সম্পন্ন, প্রজ্ঞাপনের দিনক্ষণ নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

নতুন পে স্কেলের ভেটিং সম্পন্ন, প্রজ্ঞাপনের দিনক্ষণ নিয়ে সবশেষ যা জানা যাচ্ছে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে। দুপুরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রজ্ঞাপন জারির আগে প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংও শেষ হয়েছে। শুক্রবার রাত পর্যন্ত বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপনের মুদ্রণকাজ চলেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবারই গেজেট প্রকাশ করা হবে।এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন করা হয়। এতে গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। তবে অনুমোদনের প্রায় তিন সপ্তাহ পর এটি প্রকাশের পর্যায়ে এসেছে।নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে এসব গ্রেডে মূল বেতন আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হবে।এদিকে ২০তম গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে, যা সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি। প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো একবারে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে না; মোট তিন ধাপে তা কার্যকর হবে। তবে নতুন পে স্কেল চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে ধরা হবে।প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।নতুন পে স্কেলের ভিত্তি তৈরিতে ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশন গত ২২ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেয়। সেখানে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।কমিশনের প্রস্তাবে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ ছিল। একই সঙ্গে বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের যাতায়াত ভাতায় পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।পরে ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এখন বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপনের মুদ্রণকাজ শেষ হওয়ার অপেক্ষা। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার দুপুরের পরই নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হতে পারে।

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অপরাধের উৎসমুখে সমাধান আনা গেলে অপরাধের হার কার্যকরভাবে কমানো সম্ভব। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অপরাধের উৎসমুখে সমাধান আনা গেলে অপরাধের হার কার্যকরভাবে কমানো সম্ভব। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার কারণ জানাবে ১১ দল

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণ ও এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে।জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের ভাষ্য, গণভোটে জনগণ সংবিধান সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে, সংশোধনের পক্ষে নয়। তাদের দাবি, গণভোটের রায়ের পর সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে বিশেষ কমিটি গঠন জনগণের মতামতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ কারণে কমিটির আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জোটের সংশ্লিষ্ট দলগুলো।জোটের নেতারা মনে করেন, গণভোটের রায় কীভাবে ব্যাখ্যা ও বাস্তবায়ন করা হবে, সে ক্ষেত্রে জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তাদের বক্তব্য, সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের বর্তমান উদ্যোগ সেই অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।আজকের সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভায় অংশ না নেওয়ার কারণ, গণভোটের রায় নিয়ে জোটের অবস্থান এবং সংবিধান সংস্কার ও সংশোধন বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরবেন নেতারা। একই সঙ্গে বর্তমান প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের আপত্তির বিষয়গুলোও বিস্তারিত জানানো হবে।এদিকে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষরকারী রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে রোববার মতবিনিময় করছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। কমিটির আমন্ত্রণ পাওয়া কয়েকটি দল সভায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের চাপ নিয়ে মুখ খুললেন রাধিকা

পর্দায় সাহসী চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বলিউডের অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে পরিচিত। তবে তিনি চরিত্রের প্রয়োজনে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করা আর অপ্রয়োজনীয়ভাবে ঘনিষ্ঠ বা নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের চাপ দুটিকে এক করে দেখার বিরোধিতা করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের কিছু অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।রাধিকা জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে চার-পাঁচটি সিনেমায় নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করার পর তার সম্পর্কে ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছিল। তারা মনে করতেন, যেহেতু তিনি আগে এমন দৃশ্যে অভিনয় করেছেন, তাই পরবর্তী কাজেও সহজেই এ ধরনের দৃশ্যে রাজি হয়ে যাবেন।অভিনেত্রীর ভাষ্য, কোনো দৃশ্যে চুম্বন রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে অনেক সময় বলা হতো, ‘একটু করে নাও’, এমনকি ১৫ সেকেন্ডের জন্য ইম্প্রোভাইজ করার কথাও বলা হতো। রাধিকা জানান বিষয়টি তাকে অস্বস্তিতে ফেলত।এমনকি একটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং নিয়েও অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তিনি। রাধিকা বলেন, তাকে শার্টের বোতাম না লাগিয়ে অ্যাকশন দৃশ্যে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, অ্যাকশন দৃশ্যে শার্ট নড়াচড়া করলে সেটি সরে যেতে পারে এ কথা বলার পর তাকে শুধু ব্রা ও অন্তর্বাস পরে দৃশ্যটি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে বিস্মিত হয়ে তিনি প্রশ্ন করেন, তাকে দিয়ে আসলে কী করানো হচ্ছে।২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া রাধিকার ‘পার্চড’ সিনেমার একটি নগ্ন দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, সিনেমাটি শুধু ওই একটি দৃশ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অথচ ওই দৃশ্য নিয়েই সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি আলোচনা হওয়ায় তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।রাধিকা আরও জানান, তিনি জানতেন ‘পার্চড’-এ তার চরিত্রের প্রয়োজনে ওই দৃশ্যে অভিনয় করতে হবে। তবে কোনো সিনেমায় চরিত্রের প্রয়োজনে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করা এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে এমন দৃশ্য যোগ করার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে তার বক্তব্যে সেটিই উঠে এসেছে। বর্তমানে রাধিকা আপ্তেকে ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’ অ্যান্থলজি সিনেমায় দেখা যাচ্ছে।সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

সকালের নাশতায় ৩টি উপাদান থাকা জরুরি

সকালে পেট পুরে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরও বেলা ১১টার মধ্যে দ্রুত খিদে পাওয়া বা ক্লান্ত বোধ করার প্রধান কারণ খাবারের ধরন নয়, বরং পুষ্টি উপাদানের সঠিক ভারসাম্যের অভাব। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পরবর্তী খাবার পর্যন্ত শরীরে দীর্ঘমেয়াদি শক্তি বজায় রাখতে সকালের নাশতায় মূলত তিনটি প্রধান উপাদান নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।ডিম, পনির, দই, বাদাম বা ডালজাতীয় খাবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং রক্তের শর্করা হঠাৎ বাড়তে দেয় না।লাল আটার রুটি, ওটস, শাকসবজি ও খোসাসহ ফল ফাইবার সমৃদ্ধ। এগুলো খাবার হজম প্রক্রিয়া ধীর করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।কাঠবাদাম, চিয়া সিডস, অলিভ অয়েল বা ডিমের কুসুম শরীরে টেকসই শক্তি জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।সাদা পাউরুটি, মিষ্টি বা চিনিযুক্ত জুস খেলে রক্তে ইন্সুলিনের মাত্রা দ্রুত বেড়ে আবার হঠাৎ নেমে যায়, ফলে ক্ষুধা পায়।খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, কায়িক শ্রমের পরিমাণ এবং শরীরের মেটাবলিজমের (হজমক্ষমতা) ওপরও ক্ষুধা লাগার বিষয়টি নির্ভর করে।অতএব, সকালে শুধু পেট ভরানো নয়, বরং প্রোটিন, ফাইবার ও উপকারী চর্বির সঠিক ভারসাম্যের মাধ্যমে শরীরকে পরবর্তী সময়ের জন্য পুষ্টি ও শক্তি জোগানোই হওয়া উচিত সকালের নাস্তার মূল লক্ষ্য।(সূত্র: হেলথ লাইন)

ফেনসিডিল মামলায় শার্শার পাকশিয়ার স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন

ফেনসিডিল মামলায় শার্শার পাকশিয়ার স্বামী-স্ত্রীর যাবজ্জীবন

যশোরে শার্শা উপজেলায় ফেনসিডিলের মামলায় পাকশিয়া শিমুলতলা গ্রামের স্বামী-স্ত্রীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো বাবু মিয়া ও তার স্ত্রী রেখা খাতুন।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) যশোরের বিশেষ দায়রা (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক এস এম নূরুল ইসলাম এ রায়ে এ সাজা দিয়েছেন। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় শার্শার পাকশিয়া এলাকায় টহল ডিউটিতে থাকা বিজিবি সদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন, পাকশিয়া শিমুলতলা গ্রামের বাবু মিয়ার বাড়িতে ফেনসিডিল মজুদ রয়েছে। পরে বিজিবি সদস্যরা ওই বাড়ির কাছে গেলে বাবু মিয়া ও তার স্ত্রী রেখা খাতুন বাড়ির পেছন দিয়ে পালিয়ে যান। এ সময় বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উঠানের চুলার ভেতর একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ৯৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় বিজিবির সুবেদার মো. আব্দুস সালাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। সাজাপ্রাপ্ত দুজনই কারাগারে আটক আছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream