মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মোট পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে।আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ধানমন্ডির ১০/এ সড়কে অবস্থিত একটি ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। হঠাৎ ভবন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখলে আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, খবর পাওয়ার পরপরই আগুন নিয়ন্ত্রণে একে একে পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কর্মীরা দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ কিংবা কোনো ধরনের হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু জানা যায়নি।

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে ১ হাজার ৩১৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮২ জন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জনে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩১৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে হাম উপসর্গে মারা গেছেন পাঁচজন। এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৮ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন হাম রোগী চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাস্তায় বর্তমানে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ থাকা কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষ উভয়েই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এ খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

৪ নভেম্বর থেকে বন্ধ থাকবে সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। এ কাজ চলবে ৭ নভেম্বর বিকেল পর্যন্ত।সামিট এলএনজি টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি কোনো জরুরি মেরামতের কাজ নয়। বরং আগে থেকেই পরিকল্পনা করা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের অংশ।সোমবার (২ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।এ বিষয়ে পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) সঙ্গে আগেই আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বার্ষিক পরিচালনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনেক আগেই এ রক্ষণাবেক্ষণের সময় নির্ধারণ করা হয়। গ্যাস পুনঃগ্যাসীকরণের চাহিদা, এলএনজি কার্গো আসার সময়সূচি এবং শিপ-টু-শিপ (এসটিএস) কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর যাতে কম প্রভাব পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলের সঙ্গে পরামর্শ করে শীতের শুরুর এ সময়টি বেছে নেওয়া হয়েছে। পর্যালোচনা ও আলোচনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ রক্ষণাবেক্ষণ সূচি অনুমোদন করেছে। সামিট এলএনজি জানায়, এলএনজি অবকাঠামোর নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এ কাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় জ্বালানি অবকাঠামোর স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বজায় থাকবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএল ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাবে তারা। একই সঙ্গে এ কার্যক্রমকে ‘জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ’ না বলে ‘পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করার অনুরোধ জানিয়েছে সামিট এলএনজি।

ঢাকার আদালত দুই ভাগ করতে হাইকোর্টে রিট

ঢাকার আদালত দুই ভাগ করতে হাইকোর্টে রিট

ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতকে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ-পৃথক দুই বিচারিক অঞ্চলে বিভক্ত করতে হাইকোর্টে রিট দাখিল করা হয়েছে। রিটকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাহ উদ্দিন রিগ্যান আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আইনগত ও বিচারিক পদক্ষেপ নিতে আইনমন্ত্রী, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব এবং সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে এ নোটিশ পাঠিয়েছিলেন তিনি। তাতে সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে তিনি রিট করেন। নোটিশে ঢাকা উত্তর জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং ঢাকা উত্তর মহানগর দায়রা আদালত এবং একইভাবে ঢাকা দক্ষিণ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগর দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা বা পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। রাজধানী ঢাকায় প্রায় আড়াই কোটি জনসংখ্যা, বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা এবং ক্রমবর্ধমান দেওয়ানি, ফৌজদারি, পারিবারিক, বিশেষ ও মহানগর ফৌজদারি মামলার চাপ বিবেচনায় বর্তমান বিচারিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, বিদ্যমান বিচারিক ব্যবস্থায় বিপুলসংখ্যক মামলা, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, সাক্ষী, আসামি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সমাগমের কারণে বিচারিক প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে বিচারপ্রার্থীদের জন্য আদালতে যাতায়াত, মামলার ব্যবস্থাপনা এবং দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

১৩ মিনিট আগে
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জাতীয় যুব পুরস্কার পেলেন নেছারাবাদের শিরিন খানম

রাষ্ট্রপতির হাত থেকে জাতীয় যুব পুরস্কার পেলেন নেছারাবাদের শিরিন খানম

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, অসহায় মানুষের সহায়তা, রক্তদান কর্মসূচি ও যুবসমাজের উন্নয়নে দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি পেলেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার শিরিন খানম। জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬-এ শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক (নারী) বিভাগে জাতীয় পর্যায়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন তিনি।রোববার (১ নভেম্বর) রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন। জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।শিরিন খানম পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৮৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্ম নেওয়া শিরিনের বাবা মো. মোজাম্মেল হক এবং মা ফরিদা বেগম। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হলেও সমাজসেবাকে জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি।২০০৭ সালে পাইওনিয়ার ইয়ুথ ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের যাত্রা শুরু। এরপর প্রায় দুই দশক ধরে বেকার যুবক-যুব নারীদের উন্নয়ন, অসহায় মানুষের সহায়তা এবং শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।শিরিনের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ জন কিশোরীর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের পুনরায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে আনা, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং অসচ্ছল পরিবারকে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান।এ ছাড়া বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি এবং দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন তিনি। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা, যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নেও রয়েছে তাঁর ভূমিকা। বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা সংস্কার, সাঁকো নির্মাণ ও মেরামতের পাশাপাশি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজনেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।শিক্ষা বিস্তার ও পরিবেশ সংরক্ষণেও কাজ করছেন শিরিন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণের পাশাপাশি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন। বর্তমানে পাইওনিয়ার ইয়ুথ ক্লাবের পাশাপাশি ইসলামপুর ইউনাইটেড ব্লাড ডোনার ক্লাবের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।দীর্ঘদিনের এসব সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড, যুব নেতৃত্বের বিকাশ এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় পর্যায়ে এ সম্মাননা অর্জন করেন শিরিন খানম। তাঁর এ অর্জনে পরিবার, স্বজন, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় শিরিন খানম বলেন, “জাতীয় পর্যায়ে এ সম্মাননা অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। এ স্বীকৃতি আমাকে সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। ভবিষ্যতেও মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে চাই।”

২৮ মিনিট আগে
সব অবৈধ ক্লিনিক চালু হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সব অবৈধ ক্লিনিক চালু হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না, যা হয়েছে সব ফ্যাসিস্টের আমলে হয়েছে।  মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার বেশ কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে পরিদর্শন শেষে অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একসঙ্গে এগুলো বন্ধ করা যাবে না, পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে, সকালে ৮টার দিকে হঠাৎ মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রোগীদের সুযোগ-সুবিধার খোঁজ নেন তিনি। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। চিকিৎসাসেবার মান, ওষুধের প্রাপ্যতা, চিকিৎসক সংকটসহ হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের যথাসময়ে হাসপাতালে আসতে কঠোর বার্তা দেন। এ সময় মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিশোর কুমার দাশ ও কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

১ ঘন্টা আগে
রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাস্তায় বর্তমানে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ থাকা কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষ উভয়েই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এ খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।

১ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ২১৯১ মামলা, সবচেয়ে বেশি উত্তরা-গুলশানে

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২৪ ঘণ্টায় ২১৯১ মামলা, সবচেয়ে বেশি উত্তরা-গুলশানে

রাজধানীতে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ১৯১টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। এ সময় ৬৩৩টি গাড়ি ডাম্পিং ও ৪২২টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে এসব মামলা করা হয়। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০৭টি, লালবাগ বিভাগে ১৩৪টি, মতিঝিল বিভাগে ৩৮৬টি, ওয়ারী বিভাগে ২৯৫টি, তেজগাঁও বিভাগে ২৮৭টি, মিরপুর বিভাগে ১৭৬টি, উত্তরা বিভাগে ৪৩০টি এবং গুলশান বিভাগে ৩৭৬টি মামলা করা হয়েছে। বিভাগভিত্তিক অভিযানে বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়। এর মধ্যে উত্তরা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৩০টি এবং রমনা বিভাগে সর্বনিম্ন ১০৭টি মামলা হয়েছে। ডিএমপি জানায়, ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যানবাহন চালক ও সংশ্লিষ্টদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

২ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনা আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না: তথ্য উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে বর্তমানে স্বাভাবিক রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর অবস্থায় নেই। তবে দলটির নেতাকর্মীদের কাছে বিপুল অর্থসম্পদ রয়েছে। সেই অর্থ ব্যবহার করে দেশের কোথাও কোথাও নাশকতা বা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এ ধরনের তৎপরতার সঙ্গে সাম্প্রতিক পোশাকশিল্পের সহিংসতার যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তবে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের জন্য ডিসেম্বরে বিশেষ কোনো পরিস্থিতি তৈরির উদ্দেশ্যে এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে, এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর আসুক, ডিসেম্বর শেষ হোক। এরপর আমরা নিশ্চয়ই আবার এ কথা বলবো।’ শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যদি সত্যিই ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসেন, তাহলে নিজের পূর্ববর্তী মূল্যায়ন ভুল ছিল বলে স্বীকার করবেন এবং ক্ষমাও চাইবেন। এ প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ওই নির্বাচনে পরাজয়ের পর শেখ হাসিনা তৎকালীন সরকারকে একদিনের জন্যেও শান্তিতে থাকতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘১৯৯১ সালে তিনি যদি ওই কথা বলতে পারেন, তাহলে এখন আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি না।’ তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনা ভবিষ্যতেও সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাতে পারেন। তবে সরকার এ ধরনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করবে। শেখ হাসিনা নিজে ফিরুন বা ফিরিয়ে আনা হোক, সরকারের চাওয়া একই শেখ হাসিনার সম্ভাব্য দেশে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সরকার তার দেশে ফেরার পথ বন্ধ করতে চাইছে না। বরং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘উনি নিজে আসুন অথবা আমরা উনাকে ধরে নিয়ে আসি, আমাদের চাওয়া তো একই।’ শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেও এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইলে সরকার কী পদক্ষেপ নেবে, তা সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি তৈরি হলে বিবেচনা করা হবে। এ বিষয়ে আগাম সব সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করে রাখা হয়নি বলেও জানান তিনি। বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিরোধীদের বিরুদ্ধে যেভাবে অভিযোগ আনা হতো, বর্তমান সরকারের বক্তব্যকে একইভাবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, একটি স্বৈরাচারী সরকার এবং একটি গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। সরকারের বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে তার পরিণতিও সরকারকে বহন করতে হবে। সে কারণেই তথ্যের ভিত্তিতে বক্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আন্দোলন দমনে আগের মতো বলপ্রয়োগ করতে চায় না সরকার পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পুলিশকে এমনভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও ভোগান্তি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। শেখ হাসিনার সরকারের সময় আন্দোলন দমনে যেভাবে শক্তি প্রয়োগ করা হতো, বর্তমান সরকার সেই পদ্ধতিতে যেতে চায় না।  তিনি বলেন, পুলিশের বলপ্রয়োগের আইনি ক্ষমতা রয়েছে। বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের প্রশ্নও আসতে পারে। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই আইনের বিধান, পরিস্থিতির প্রয়োজনীয়তা এবং আনুপাতিক বলপ্রয়োগের নীতি অনুসরণ করতে হবে। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনে যারা অংশ নিচ্ছেন, তারা সবাই রাষ্ট্রের নাগরিক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সময় এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে পোশাকশিল্পের চলমান অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আসবে। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির কারণে আন্দোলনের যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে, মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টি তাদের বোঝানো সম্ভব হলে আন্দোলন থেকে তারা সরে আসবেন। তখন অন্য কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে সেই আন্দোলনকে ব্যবহার করে সহিংসতা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। 

২ ঘন্টা আগে
হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা করবেন : তথ্য উপদেষ্টা

হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা করবেন : তথ্য উপদেষ্টা

ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, তত দিন দেশ অস্থিতিশীলের চেষ্টা করবেন বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, আওয়ামী লীগ দেশজুড়ে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলেও এর অর্থ এই নয় যে, আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পথ সুগম হয়ে যাবে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে মাঠপর্যায়ে বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি বাস্তবায়নের সক্ষমতা রাখে বলে আমি বিশ্বাস করি না। কিন্তু তাদের কাছে যেহেতু প্রচুর অর্থ রয়েছে, তাই দেশের বিভিন্ন স্থানে কোনো না কোনো উপায়ে নাশকতা বা অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করতে পারে। তবে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে তাদের সেই নাশকতার চেষ্টাকে মিলিয়ে দেখা বা সংযোগ করা ঠিক হবে না। তৈরি পোশাক খাতের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, পোশাকশ্রমিকদের এই অসন্তোষের সঙ্গে ডিসেম্বরের কোনো রাজনৈতিক সংযোগ রয়েছে বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি না। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে এবং মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় পোশাকশ্রমিকদের স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে এ কথা সত্য। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। তবে সরকার শ্রমিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে আগেই নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। জ্বালানি খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার বাজেট পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। তবে বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও ক্রমাগত সরকারকে এত বড় অঙ্কের ভর্তুকি দেওয়ার সক্ষমতা কমে আসছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

৩ ঘন্টা আগে
৪ নভেম্বর থেকে বন্ধ থাকবে সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম

৪ নভেম্বর থেকে বন্ধ থাকবে সামিট এলএনজি টার্মিনালের কার্যক্রম

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হবে। এ কাজ চলবে ৭ নভেম্বর বিকেল পর্যন্ত।সামিট এলএনজি টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি কোনো জরুরি মেরামতের কাজ নয়। বরং আগে থেকেই পরিকল্পনা করা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের অংশ।সোমবার (২ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।এ বিষয়ে পেট্রোবাংলা ও রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) সঙ্গে আগেই আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বার্ষিক পরিচালনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অনেক আগেই এ রক্ষণাবেক্ষণের সময় নির্ধারণ করা হয়। গ্যাস পুনঃগ্যাসীকরণের চাহিদা, এলএনজি কার্গো আসার সময়সূচি এবং শিপ-টু-শিপ (এসটিএস) কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর যাতে কম প্রভাব পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএলের সঙ্গে পরামর্শ করে শীতের শুরুর এ সময়টি বেছে নেওয়া হয়েছে। পর্যালোচনা ও আলোচনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ রক্ষণাবেক্ষণ সূচি অনুমোদন করেছে। সামিট এলএনজি জানায়, এলএনজি অবকাঠামোর নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। পরিকল্পনা অনুযায়ী এ কাজ সম্পন্ন হলে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় জ্বালানি অবকাঠামোর স্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতা বজায় থাকবে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেট্রোবাংলা, আরপিজিসিএল ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাবে তারা। একই সঙ্গে এ কার্যক্রমকে ‘জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ’ না বলে ‘পূর্বনির্ধারিত ও পরিকল্পিত রক্ষণাবেক্ষণ’ হিসেবে উল্লেখ করার অনুরোধ জানিয়েছে সামিট এলএনজি।

৩ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনা বেঁচে থাকতে সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না: তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে আছেন, সরকারকে শান্তিতে থাকতে দেবেন, এটা আমি বিশ্বাস করি না। তবে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলেও এর অর্থ এই নয় যে, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পথ তাদের জন্য সুগম হবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তার দাবি, এ ধরনের নাশকতার চেষ্টা শুধু ডিসেম্বরকে ঘিরে নয়, শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে থাকবেন, তত দিন চলতে পারে। তবে সরকার এসব চেষ্টা প্রতিহত করবে। ‎পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকা এবং এতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে। মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে তাদের জীবন কঠিন হয়ে উঠেছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার আগেভাগে মজুরি কমিশন গঠন করেছে। ফলে আন্দোলনের মূল দাবির সমাধান হওয়ার কথা। ‎তিনি বলেন, পোশাকশ্রমিকদের মজুরি পাঁচ বছর পরপর পর্যালোচনার কথা। ২০০৬, ২০১০, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে মজুরি পর্যালোচনা হয়েছে। সে হিসাবে ২০২৬ সালে নতুন করে মজুরি কমিশন গঠনের কথা ছিল না। এরপরও সরকার শ্রমিকদের স্বার্থ বিবেচনায় কমিশন করেছে।‎ ‎আন্দোলনে সহিংস আচরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রকৃত পোশাকশ্রমিকদের হতে পারে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার অধীনস্থ বাহিনীগুলোর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বলেছেন, এসব ঘটনার পেছনে সীমান্তের ওপার থেকে ইন্ধন রয়েছে। ‎জাহেদ উর রহমান বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ এখন কোনো কিছু করতে পারবে বলে সরকার বিশ্বাস করে না। তবে দলটির কাছে বিপুল অর্থ রয়েছে, যা দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। এর সঙ্গে ডিসেম্বরের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চিত নন। তবে শেখ হাসিনা যত দিন বেঁচে থাকবেন, তত দিন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। ‎‎শ্রমিক আন্দোলনে প্রকৃত শ্রমিকদের বাইরে অন্যদের অংশগ্রহণ এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার আগের মতো বলপ্রয়োগ করে আন্দোলন দমাতে চায় না। এসব তরুণও রাষ্ট্রের নাগরিক। তাই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি ও ভোগান্তি যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টা করছে সরকার। অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির অবসান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।‎ ‎শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার তাকে ফিরিয়ে আনতে চায়। তিনি নিজে আসুন কিংবা তাকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হোক, সরকারের চাওয়া একই। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্টের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আগাম জানাতে চাননি তিনি। পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।‎ ‎পুলিশের বলপ্রয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশকে আইন মেনে এবং পরিস্থিতির তুলনায় সামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যেভাবে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, সেই চর্চা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। পুলিশের অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বনিম্ন ক্ষয়ক্ষতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চর্চা নিশ্চিত করছে সরকার। ‎

৩ ঘন্টা আগে
৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ অতিমাত্রায় অর্থনির্ভর হওয়ায় দলগুলো ব্যবসায়ীনির্ভর হয়ে পড়ছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ অতিমাত্রায় অর্থনির্ভর হওয়ায় দলগুলো ব্যবসায়ীনির্ভর হয়ে পড়ছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

জামায়াত আমিরের অনুমতি নিয়ে সব সত্য প্রকাশ করব: আখতারুজ্জামান

জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি জেলগেটে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন।এ সময় আখতারুজ্জামান বলেন, সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। জয়ের জন্য সময় লাগলেও শেষ পর্যন্ত সত্যের জয় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীন বাংলাদেশের আদর্শ বাস্তবায়নে তারা কাজ করে যেতে চান। জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনেও পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।এ সময় তাকে সমর্থন জানাতে কারাগারের সামনে আসা জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন, তাদের উপস্থিতি তাকে নতুন শক্তি জুগিয়েছে এবং প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।নিজের বক্তব্যের বিস্তারিত প্রকাশের বিষয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁর নির্দেশনা নেবেন। এরপর যা সত্য, তা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরবেন।উল্লেখ্য, বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় জামিন পেয়ে কারামুক্ত হন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

লিংক কপি করা হয়েছে!

নিজেকেই বলিউডের এক নম্বর অভিনেত্রী বললেন কারিনা কাপুর

বলিউডে নিজের অবস্থান নিয়ে বরাবরই আত্মবিশ্বাসী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। এবার জনপ্রিয় টক শো ‘কফি উইথ করণ’-এ হাজির হয়ে নিজেকেই বর্তমান প্রজন্মের বলিউডের এক নম্বর অভিনেত্রী বলে দাবি করেছেন তিনি। স্বামী সাইফ আলি খানের সামনেই এমন মন্তব্য করে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।সম্প্রতি ‘কফি উইথ করণ ৯’-এর চতুর্থ পর্বের টিজার প্রকাশ করেছেন অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক করণ জোহর। সেখানে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে কারিনা কাপুর ও তাঁর স্বামী সাইফ আলি খানকে।এর আগে ২০১০ সালে ‘কফি উইথ করণ’-এর তৃতীয় সিজনে একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন এই তারকা দম্পতি। দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও একই মঞ্চে তাঁদের উপস্থিতি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ। তবে টিজারে কারিনার আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। প্রকাশিত টিজারে কারিনার সঙ্গে করণ জোহরের খুনসুটি বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানটির শেষ সিজন নিয়ে নিজের স্বস্তির কথা জানিয়ে কারিনা বলেন, বারবার এই অনুষ্ঠানে আসার প্রয়োজন নেই। তাঁর এমন মন্তব্যের জবাবে করণও রসিকতা করতে ছাড়েননি। এদিকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কথোপকথনের মধ্যে সাইফ মজা করে বলেন, এই অনুষ্ঠানে তাঁকে কিছুটা বেমানান অতিথি হিসেবে মনে হচ্ছে। তবে টিজারের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্তটি আসে যখন করণ জোহর কারিনাকে প্রশ্ন করেন, বর্তমান প্রজন্মের অভিনেত্রীদের মধ্যে কে এক নম্বরে? উত্তরের জন্য অপেক্ষা না করেই যেন নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দেন কারিনা। তার আত্মবিশ্বাসী মনোভাবের পর সাইফ মজা করে বলেন, অন্য অভিনেত্রীদের প্রশংসা করতেও কারিনার আপত্তি থাকা উচিত নয়। অনুষ্ঠানের খেলাধুলার পর্বেও দেখা যায় দম্পতির মজার কথোপকথন। ‘কে’ অক্ষর দিয়ে শুরু হওয়া অভিনেতাদের নাম বলতে বলা হলে সাইফ হঠাৎ ‘কবিতা’ নামটি বলেন। পরে রসিকতা করে যোগ করেন, কবিতার মতো কেউ তো থাকবেই! উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আবেগঘন একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে ‘কফি উইথ করণ’-এর শেষ সিজনের ঘোষণা দেন করণ জোহর। এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ ২২ বছরের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি। করণ জানান, ২০০৪ সালে অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা বাবার কাছে তুলে ধরলে প্রযোজক যশ জোহর এর সাফল্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। বন্ধুদের সঙ্গে কথোপকথন দেখার জন্য দর্শক কেন অর্থ ব্যয় করবেন, এমন প্রশ্নও তুলেছিলেন তিনি। তবে সময়ের সঙ্গে অনুষ্ঠানটি ভারতীয় বিনোদনজগতের অন্যতম আলোচিত আয়োজনে পরিণত হয়। আবেগাপ্লুত করণ আরও বলেন, এই অনুষ্ঠান তাঁর জীবনে অনেক কিছু দিয়েছে। তারকাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক, প্রেম, বন্ধুত্ব, বিয়ে ও নানা বিতর্ক নিয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে ‘কফি উইথ করণ’ একসময় দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। এবারের সিজনে ইতোমধ্যে সালমান খান, রশ্মিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরকোন্ডা এবং জাহ্নবী কাপুর ও বরুণ ধাওয়ানের মতো তারকারা অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন। সূত্র: এনডিটিভি

টক ফলের ৭টি উপকারিতা: জেনে নিন

মিষ্টি ও উজ্জ্বল রঙের সাইট্রাস বা টক ফল কেবল শীতের রোদের আমেজই আনে না, বরং সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি এটি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। লেবু, কমলা, জাম্বুরা বা বাতাবি লেবুর মতো টক ফলগুলোতে রয়েছে পুষ্টির এক অপার ভাণ্ডার। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ক্যানসার ও মস্তিষ্কের সুরক্ষায় এই ফলগুলোর কার্যকারিতা চিকিৎসাবিজ্ঞানেও স্বীকৃত।টক ফল ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ত্বক মসৃণ রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, মাত্র একটি মাঝারি আকারের কমলালেবু থেকেই দৈনিক চাহিদার পুরো ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া সম্ভব। এছাড়া এতে ভিটামিন ‘বি’, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও তামার পাশাপাশি ৬০টিরও বেশি ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড, ক্যারোটিনয়েড এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে।এই জাতীয় ফলগুলো ফাইবারের দারুণ উৎস (যেমন—মাত্র এক কাপ কমলায় প্রায় চার গ্রাম ফাইবার থাকে)। এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ সাহায্য করে। বিশেষ করে কমলায় থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।যারা ওজন বা ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের খাদ্যতালিকায় টক ফল আদর্শ পছন্দ। এতে ক্যালোরির পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকলেও পর্যাপ্ত পানি ও ফাইবার থাকায় এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে।প্রস্রাবে সাইট্রেটের মাত্রা কমে গেলে অনেক সময় কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। সাইট্রাস ফল প্রস্রাবে সাইট্রেটের মাত্রা প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমিয়ে দেয়।বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত টক ফল খাওয়ার অভ্যাস খাদ্যনালী, পাকস্থলী, স্তন ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েডসহ বিভিন্ন উদ্ভিদ যৌগ নতুন ক্যানসার কোষ গঠনে বাধা দেয় এবং ক্ষতিকারক কার্সিনোজেনকে নিষ্ক্রিয় করে।সাইট্রাস ফল নিয়মিত খাওয়ার ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। এসব ফলের মধ্যে থাকা বিশেষ কিছু ফ্ল্যাভোনয়েড (যেমন—নারিংজিন) শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সরাসরি ভূমিকা রাখে।টক ফলে বিদ্যমান ফ্ল্যাভোনয়েড মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ রক্ষায় দারুণ কার্যকরী। এগুলো আলঝেইমার ও পারকিনসনের মতো মারাত্মক নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ বা স্মৃতিভ্রংশ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় চালক ও হেলপারের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় চালক ও হেলপারের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

সিরাজগঞ্জে আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় ৫৩০ বোতল ফেনন্সিডিল মামলায় ট্রাক চালক ও হেলপারকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে আসামীদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ-২ এর আদালতের বিচারক আবু খান শাহীন কনক এই কারাদন্ড প্রদান করেন। এ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আনিছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রায় ঘোষার সময় আসামী উপস্থিত ছিলেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো, নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া থানার কাঁকাকা নতুনপাড়ার আতোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রাসেল মিয়া (৩২) একই এলাকার মো. সিরাজ সরকারের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৩০)মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ২০১৩ সালে ২৪ এপ্রিল রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার এএসআই মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোল চত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ট্রাক আটক করে। যার রেজিঃ নং- যশোর-৩-১১-১২৩৩। পরে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে আমদানী নিষিদ্ধ ভারতীয় ৫৩০ বোতল ফেনন্সিডিলসহ ট্রাক চালক ও হেলপারকে আটক করেন।পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় এ এসআই মো. জিয়াউর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দীর্ঘ স্বাক্ষ্য প্রমান শেষে আজ আদালত আসামীদের এই রায় প্রদান করেন। #

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream