রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে স্কেল এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে। যেকোনো সময় নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।মুখ্য সচিব বলেন, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পে স্কেলের খসড়া ইতোমধ্যে সচিব কমিটিতে নীতিগতভাবে চূড়ান্ত হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর নতুন বেতন কাঠামো না থাকায় প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপে রয়েছেন। তাদের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে নতুন পে স্কেল প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।প্রস্তাবিত কাঠামোতে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। তবে সব গ্রেডে একই হারে বেতন না বাড়িয়ে তুলনামূলকভাবে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেশি সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।খসড়া অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হতে পারে। শুরুতে মূল বেতন বাড়ানোর পর পর্যায়ক্রমে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয়ের কথা রয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে এর আংশিক কার্যকর এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। তবে কত ধাপে এটি বাস্তবায়িত হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।এর আগে নবম পে কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছিল। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই চূড়ান্ত বেতন কাঠামো ও বাস্তবায়নের সময়সূচি স্পষ্ট হবে।

কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রোববার সকাল ৯:১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে তিনি রওনা হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়নে জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।’ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর কিশোরগঞ্জে এটি তারেক রহমানের প্রথম সফর। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বিতরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি কটিয়াদী কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। বেলা ১টায় তিনি আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জাতীয় মৎস্য পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকেল সোয়া ৩টায় কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী পুরোনো কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে যাবেন। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদরিসহ বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

 লোডশেডিংয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সব ঠিক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে গ্যাস-সংকট কেটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। আর তখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দোয়া-মোনাজাত ও দরিদ্রদের মাঝে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে “গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে”; এগুলো হঠকারিতা। তাদের বন্ধুরাই ক্ষমতায় ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এলএনজি টার্মিনাল বসানো বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার দেশে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানানোর চেষ্টা করছে, এ জন্য সময় লাগবে। সংকট সমাধানে সরকার চীন ও মালয়েশিয়ার সাথে কথা বলেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান যদি বিরোধী দল দিতে পারে, সেগুলো সরকার গ্রহণ করবে। যদি না পারে, তাহলে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের। বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’ তারেক রহমান বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসনে আমাদের প্রতিনিধিরা জনগণের সেবায় কাজ করছেন। পাশের লেকটি পরিষ্কার করতে ছয় মাস সময় লাগে। এসব সহজ কাজ না। কিন্তু সমালোচনা করা সহজ। তাই যারা সমালোচনায় ব্যস্ত আছেন, তারা এখনই মাঠে নামুন। মানুষ এবং দেশের জন্য কাজ করুন, সঠিক কথা বলুন। দেশে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এমন কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।’

বিরোধী দলের কাছে গ্যাস সংকট সমাধানের পরিকল্পনা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে দেখা দেওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে সরকার জোরালো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই সংকট দূর করতে বিরোধী দলগুলোর কাছে তিন মাসের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা ও রূপরেখা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত দরিদ্রদের মাঝে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ:বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলা: কিছু রাজনৈতিক দল বিদ্যুৎ খাত নিয়ে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটিগুলো ইতোমধ্যে অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে। শিগগিরই দেশবাসী এই বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট থেকে মুক্তি পাবে।বিরোধী দলকে আহ্বান: সংকটের কেবল সমালোচনা না করে তা সমাধানের জন্য আগামী তিন মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পেশ করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি: দেশে গণতন্ত্র থাকলে সরকারের ওপর জবাবদিহি বজায় থাকে, যা পরোক্ষভাবে জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।নতুন সরকারি উদ্যোগ: আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সব স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ‘স্কুল ড্রেস’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা জোরদার করতে দেশের সব ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন তিনি।

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে স্কেল এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে। যেকোনো সময় নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।মুখ্য সচিব বলেন, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পে স্কেলের খসড়া ইতোমধ্যে সচিব কমিটিতে নীতিগতভাবে চূড়ান্ত হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর নতুন বেতন কাঠামো না থাকায় প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপে রয়েছেন। তাদের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে নতুন পে স্কেল প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।প্রস্তাবিত কাঠামোতে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। তবে সব গ্রেডে একই হারে বেতন না বাড়িয়ে তুলনামূলকভাবে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেশি সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।খসড়া অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হতে পারে। শুরুতে মূল বেতন বাড়ানোর পর পর্যায়ক্রমে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয়ের কথা রয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে এর আংশিক কার্যকর এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। তবে কত ধাপে এটি বাস্তবায়িত হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।এর আগে নবম পে কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছিল। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই চূড়ান্ত বেতন কাঠামো ও বাস্তবায়নের সময়সূচি স্পষ্ট হবে।

২৪ মিনিট আগে
পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে  আরও পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আরও পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে ফের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও শেষ মুহূর্তে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামো নিয়ে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের অধীনে থাকা ব্যক্তিরা মূল বেতনের সমান ভাতা দাবি করায় গেজেট প্রকাশের আগে বিষয়টি আরও পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এর ফলে নবম পে-স্কেলের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও একবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নতুন এই জটিলতার কারণে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫-এর প্রতিবেদন নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের পর্যালোচনা শুরু করতে যাচ্ছে অর্থ বিভাগ। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী এক অনির্ধারিত বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে নবম পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি ও বিভিন্ন খাতের বেতন কাঠামোর ভারসাম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কমিশনের প্রতিবেদন এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের দাবিগুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার নির্দেশনা দিয়েছেন। বেতন কাঠামোতে কোথাও কোনো বৈষম্য বা অসংগতি থাকলে তা দ্রুত নিরসন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক সংকট এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পে-স্কেলের সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে এর বাস্তবায়ন আরও কিছুটা পেছানো যায় কি না, সে চিন্তাও করছে সরকার। জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি শিগগিরই বৈঠকে বসবে। এর আগে ১২ আগস্ট একটি বৈঠক ডাকা হলেও কমিটির সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি। জানা গেছে, কমিটির প্রথম বৈঠকে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে বিচারকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত কত অর্থের প্রয়োজন এবং তা কোন পদ্ধতিতে দেওয়া সম্ভব এসব বিষয় পর্যালোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এদিকে, গত ১২ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে একটি নতুন প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। ওই প্রস্তাবে গ্রেডভেদে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি হারে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে প্রথম ধাপে শুধু মূল বেতন এবং পরের বছর বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ২০১৫ সালে সর্বশেষ অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়লেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নবম পে-স্কেল ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আর্থিক সক্ষমতা এবং বিভিন্ন খাতের দাবির সমন্বয়ে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছে এই প্রক্রিয়া।

২ ঘন্টা আগে
কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রোববার সকাল ৯:১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে তিনি রওনা হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়নে জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।’ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর কিশোরগঞ্জে এটি তারেক রহমানের প্রথম সফর। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বিতরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি কটিয়াদী কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। বেলা ১টায় তিনি আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জাতীয় মৎস্য পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকেল সোয়া ৩টায় কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী পুরোনো কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে যাবেন। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদরিসহ বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

২ ঘন্টা আগে
লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

 লোডশেডিংয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সব ঠিক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে গ্যাস-সংকট কেটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। আর তখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দোয়া-মোনাজাত ও দরিদ্রদের মাঝে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে “গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে”; এগুলো হঠকারিতা। তাদের বন্ধুরাই ক্ষমতায় ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এলএনজি টার্মিনাল বসানো বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার দেশে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানানোর চেষ্টা করছে, এ জন্য সময় লাগবে। সংকট সমাধানে সরকার চীন ও মালয়েশিয়ার সাথে কথা বলেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান যদি বিরোধী দল দিতে পারে, সেগুলো সরকার গ্রহণ করবে। যদি না পারে, তাহলে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের। বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’ তারেক রহমান বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসনে আমাদের প্রতিনিধিরা জনগণের সেবায় কাজ করছেন। পাশের লেকটি পরিষ্কার করতে ছয় মাস সময় লাগে। এসব সহজ কাজ না। কিন্তু সমালোচনা করা সহজ। তাই যারা সমালোচনায় ব্যস্ত আছেন, তারা এখনই মাঠে নামুন। মানুষ এবং দেশের জন্য কাজ করুন, সঠিক কথা বলুন। দেশে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এমন কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।’

১৬ ঘন্টা আগে
বিরোধী দলের কাছে গ্যাস সংকট সমাধানের পরিকল্পনা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিরোধী দলের কাছে গ্যাস সংকট সমাধানের পরিকল্পনা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে দেখা দেওয়া গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা নিরসনে সরকার জোরালো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই সংকট দূর করতে বিরোধী দলগুলোর কাছে তিন মাসের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা ও রূপরেখা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীর কড়াইল টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত দরিদ্রদের মাঝে অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয়সমূহ:বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলা: কিছু রাজনৈতিক দল বিদ্যুৎ খাত নিয়ে দেশে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটিগুলো ইতোমধ্যে অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে। শিগগিরই দেশবাসী এই বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট থেকে মুক্তি পাবে।বিরোধী দলকে আহ্বান: সংকটের কেবল সমালোচনা না করে তা সমাধানের জন্য আগামী তিন মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা পেশ করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি: দেশে গণতন্ত্র থাকলে সরকারের ওপর জবাবদিহি বজায় থাকে, যা পরোক্ষভাবে জাতীয় উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে।নতুন সরকারি উদ্যোগ: আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সব স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ‘স্কুল ড্রেস’ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এছাড়া প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা জোরদার করতে দেশের সব ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন তিনি।

১৮ ঘন্টা আগে
বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি ৩১ দফা দেয়, ৩২ দফা পর্যন্ত পূরণ করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমুখী কাজের প্রশংসায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপি যা প্রতিশ্রুতি দেয়, তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করে। নির্বাচনের আগে ৩১ দফা রূপরেখা দিলেও ইতোমধ্যে তা অতিক্রম করে ৩২ ও ৩৩ নম্বর দফার মতো নতুন নতুন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করছে বর্তমান সরকার।শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইএফটি (EFT) ও ‘আইবিএস প্লাস প্লাস’ (iBAS++) পদ্ধতির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ভাতার অর্থ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।বক্তব্যের মূল দিকসমূহ:ডিজিটাল সেবা ও উৎকোচমুক্ত ভাতা: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শিক্ষকদের যে কল্যাণ ও অবসর ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন, বর্তমান সরকার তা ডিজিটাল ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করেছে। এখন কোনো ঘুষ ছাড়াই শিক্ষকরা বাড়িতে বসেই ব্যাংকের মাধ্যমে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাচ্ছেন।৩১ দফা ছাপিয়ে নতুন উদ্যোগ: সরকারের কাজের হিসাব দেওয়া সমালোচকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইশতেহারের ৩১ দফার বাইরে গিয়ে শিক্ষকদের ভাতা প্রদান ডিজিটালাইজড করা ‘৩২ নম্বর’ এবং বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস বিতরণ করা ‘৩৩ নম্বর’ কাজ হিসেবে সরকার বাস্তবায়ন করেছে।ফ্যামিলি কার্ড ও অর্থনীতিতে গতি: কৃষকদের সহায়তার পাশাপাশি দেশের দরিদ্র পরিবারগুলোকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে দেশের সকল মা-বোনের কাছে এ সুবিধা পৌঁছাবে। এর ফলে তৃণমূল পর্যায়ে নগদ টাকার সরবরাহ (Money Circulation) বাড়বে, যা অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে গতিশীল করবে।প্রযুক্তি ও মানবিক নীতির সমন্বয়ে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

১৮ ঘন্টা আগে
নবম পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন কাটছাঁটের শঙ্কায় কর্মচারীদের নতুন দাবি

নবম পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন কাটছাঁটের শঙ্কায় কর্মচারীদের নতুন দাবি

নবম জাতীয় পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন কম দেওয়ার শঙ্কায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’।শনিবার (১৫ আগস্ট) সংগঠনের সভাপতি আব্দুল মালেক ও মহাসচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়।বিবৃতিতে উত্থাপিত মূল বিষয় ও দাবিগুলো:প্রস্তাবিত বেতন নিয়ে অসন্তোষ: গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী সচিব কমিটি নিম্ন গ্রেডে ১০০% বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে, যার ফলে বর্তমান ৮,২৫০ টাকার মূল বেতন ১৬,৫০০ টাকা হয়। কর্মচারীদের মতে, এটি চরম হতাশাজনক। কারণ অতীতের পে স্কেলগুলোতে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ১৪০% বা তার বেশি বেতন বাড়ানো হয়েছিল।বেতন বৈষম্যের অভিযোগ: কল্যাণ সমিতি জানায়, বৈষম্য দূর করতে পূর্বে সর্বনিম্ন ৩৫,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১,৪০,০০০ টাকা বেতনের প্রস্তাব করা হয়েছিল (অনুপাত ১:৪)। কিন্তু বর্তমান সুপারিশে নিম্ন গ্রেডে কমিয়ে ২০,০০০ টাকা এবং উচ্চ গ্রেডে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে, যা নতুন বৈষম্যের জন্ম দিচ্ছে।দ্রব্যমূল্যের চাপ ও পে স্কেলের বিলম্ব: দীর্ঘ ১১ বছর ধরে পে স্কেল না হওয়া এবং ২০২০ ও ২০২৫ সালের প্রাপ্য পে স্কেল বাস্তবায়িত না হওয়ায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা তাল মেলাতে পারছেন না।মূল দাবি: সচিব কমিটির সুপারিশ করা সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা বেতনও যেন কোনোভাবেই কাটছাঁট না করা হয়, বরং বাজারদর বিবেচনা করে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে সর্বনিম্ন বেতনের সীমা আরও বাড়িয়ে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করতে হবে।দাবি আদায় না হলে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে অস্থিরতা ও হতাশা আরও বাড়বে বলে সতর্ক করেছে সংগঠনটি।

১৯ ঘন্টা আগে
নবম পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়

নবম পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে স্কেলের খসড়া প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিসভা সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে চূড়ান্ত করেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পেলে চলতি সপ্তাহেই তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে।নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এতে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বেশি হারে বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।পে স্কেলটি দুই ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে—প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে অন্যান্য ভাতাদি ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হবে।২০২৬ সালের জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে।বিচার বিভাগ-সংক্রান্ত কিছু জটিলতা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার দীর্ঘ এক দশক পর নতুন বেতন কাঠামোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে জমা পড়া পে কমিশনের মূল সুপারিশগুলো ছিল:৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব। ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১,৬০,০০০ টাকা করার প্রস্তাব।সচিব কমিটির খসড়া প্রস্তাবটি নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত বাস্তবায়ন ও সময়সূচির চিত্র স্পষ্ট হবে।

২০ ঘন্টা আগে
মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় সিনিয়র নেতা ও টেকনোক্র্যাট

মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় সিনিয়র নেতা ও টেকনোক্র্যাট

বিএনপি সরকারের ৬ মাস ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মন্ত্রিসভা রদবদলের গুঞ্জনঢাকা, ১৫ আগস্ট ২০২৬ বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হওয়া এবং রাষ্ট্রপতি পদে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। দলীয় ও সরকারি সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজন মন্ত্রীর পারফরম্যান্সে অসন্তোষ, বিতর্কিত বক্তব্য এবং ঢাকায় একজন মন্ত্রী ও উত্তরাঞ্চলের দুজন প্রতিমন্ত্রীর কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক আলোচনা সৃষ্টি হওয়ায় এ পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এককভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে।  সম্ভাব্য পরিবর্তন ও আলোচনার মূল বিষয়সমূহ:  খালি পদের পূরণ ও দফতর রদবদল: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হওয়ায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর পদটি খালি হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আনা হতে পারে এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনা হতে পারে। তবে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ বিষয়ে ছড়ানো সংবাদে বিব্রত প্রকাশ করেছেন।  নতুন মুখ ও টেকনোক্র্যাট কোটা: মিত্র দলের প্রতিনিধি হিসেবে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপনের নাম টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।  মূল্যায়ন পাওয়ার অপেক্ষায় বর্ষীয়ান নেতারা: দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে ত্যাগের পর মূল্যায়ন না পাওয়া ‘বঞ্চিত’ নেতাদের মধ্য থেকে মন্ত্রিসভায় সুযোগ পাওয়ার প্রত্যাশায় আছেন ড. আবদুল মঈন খান, শামসুজ্জামান দুদু, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং হাবিব উন নবী খান সোহেল।  দলের নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রী জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই মন্ত্রিসভার এ সম্ভাব্য রদবদল সংক্রান্ত প্রক্রিয়া স্পষ্ট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

২১ ঘন্টা আগে
মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জে বাড়ছে হাম রোগী

মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জে বাড়ছে হাম রোগী

সিলেট বিভাগে হামের পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। প্রতিদিন নতুন করে রোগী শনাক্ত হওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে বাড়ছে সন্দেহজনক হাম রোগীর ভর্তি সংখ্যা। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃত্যুও। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহজনক হাম মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৫ জনে।শনিবার (১৫ আগস্ট) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৬ জনে। এর মধ্যে সিলেটে ৩০৫ জন,হবিগঞ্জে ১৪৮ জন,মৌলভীবাজারে ১৪৬ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন। হবিগঞ্জের নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে দুজন রুবেলা আক্রান্ত রোগীও রয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম নিয়ে নতুন করে ৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৮ জন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জন,রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন,মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আটজন এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে একজন ভর্তি হয়েছেন।বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম রোগী হিসেবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮৪ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১২০ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯০ জন রয়েছেন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৬ জন,মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে একজন,নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ছয়জন,গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনজন,বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুজন,সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩০ জন,হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে তিনজন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুই শিশুর একজন সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার এলাকার সাইফান হোসেন। পাঁচ মাস বয়সী শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। অপরজন ১১ মাস বয়সী তানহা জান্নাত। সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ওয়াসার এলাকার এই শিশুটির মৃত্যু হয় শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে।জেলা ভিত্তিক হিসাবে,এ পর্যন্ত নিশ্চিত ও সন্দেহজনক হাম মিলিয়ে সিলেট জেলায় ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬ জন সন্দেহজনক এবং চারজন নিশ্চিত হাম রোগী। সুনামগঞ্জে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৫ জনের, যার মধ্যে ৫৪ জন সন্দেহজনক ও একজন নিশ্চিত হাম রোগী।মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে পরিস্থিতিও উদ্বেগজনক। এ পর্যন্ত মৌলভীবাজারে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৬ জনের। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম নিয়ে ১৩ জন চিকিৎসাধীন এবং গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আটজন ভর্তি হয়েছেন। অন্যদিকে হবিগঞ্জে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৪৮ জন। বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে সন্দেহজনক হাম নিয়ে তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে একজন ভর্তি হয়েছেন। হবিগঞ্জে নিশ্চিত রোগীদের মধ্যে দুজন রুবেলা আক্রান্ত রোগীও রয়েছেন।স্বাস্থ্য বিভাগের এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের চার জেলাতেই হাম পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

২১ ঘন্টা আগে
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ছাত্রদল থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি: রিজভীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ সম্পর্কিত এই তথ্যটি নিবন্ধ, প্রতিবেদন কিংবা দলীয় আর্কাইভের জন্য বেশ গুছানো ও স্পষ্ট।সংবাদ বা নথিপত্রে ব্যবহারের সুবিধার জন্য লেখাটিকে আরও পরিমার্জিত ও কাঠামোগত রূপ দেওয়া হলো:রুহুল কবির রিজভী: ছাত্রনেতা থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি ও দলীয় সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ-কে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘জাতীয় স্থায়ী কমিটি’র সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়।  প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষাপৈতৃক নিবাস: কুড়িগ্রাম জেলা।  শিক্ষাগত যোগ্যতা: তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং ইতিহাসে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া তিনি আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।রাজনৈতিক পথপরিক্রমা  ছাত্ররাজনীতি: উচ্চ মাধ্যমিক পাসের পর বামপন্থি সংগঠন ‘বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন’-এর মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতি শুরু করেন এবং রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।  ছাত্রদলে যোগদান ও রাকসু ভিপি: জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল গঠনের পর তিনি দলে যোগ দিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও পরবর্তীতে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও সামলান। ১৯৮৯ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন এবং ১৯৯০ সাল পর্যন্ত এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।  দলে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব: ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে তিনি দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।  নির্বাচন পরিচালনা ও সরকারি দায়িত্ব: ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিজভী বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন। পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে তাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়া হয়।  স্থায়ী কমিটির বর্তমান অবস্থা  ১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখের নতুন চারজন সদস্য (অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মো. আমানউল্লাহ আমান, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ) অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিএনপির ১৯ শয্যার স্থায়ী কমিটির সদস্যসংখ্যা বর্তমানে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনীত হয়ে দলীয় পদ ত্যাগ করায় আগামীতে স্থায়ী কমিটিতে শূন্য থাকা পদগুলোতে নতুন নেতৃত্ব আসার সুযোগ রয়েছে।  

লিংক কপি করা হয়েছে!
৩ দিন আগে

অধ্যাপক আসিফ নজরুল
অধ্যাপক আসিফ নজরুল
সাবেক উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

হঠাৎ ফেইসবুকে আবেগঘন বার্তা দিলেন প্রভা

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভাকে স্যোশাল মিডিয়াতে সবসময় বেশ সরব থাকতে দেখা যায়। বিভিন্ন সময় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের ভাবনা শেয়ার করে থাকেন।  সম্প্রতি এক আবেগঘন পোস্টে তিনি সম্পর্ক ভাঙন, মানসিক শান্তি এবং আত্মসম্মানের গুরুত্ব নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছেন। সম্পর্ক থেকে সরে আসা মানেই কারো ওপর থেকে আশা ছেড়ে দেওয়া নয়, বরং এটি নিজের কাছে কঠিন সত্যকে গ্রহণ করা। একসময় যে সম্পর্কটি জীবনে অনেক গুরুত্ব বহন করত, তা-ই যদি আজ নিজেকে ভেতর থেকে ভেঙে চুরমার করে দেয়, তবে সেই বাস্তবতাকে মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। প্রভা লেখেন, ‘ভালোবাসার মূল্য কখনোই আপনার মানসিক শান্তি, পরিচয় কিংবা মানসিক স্বাস্থ্য খোয়ানোর বিনিময়ে হতে পারে না। যারা শুধু নিজের প্রয়োজনেই পাশে আসে, তারা আপনার উপকারে না আসলেও নিঃশেষ করে দেয়। আবার পরিবারের এমন কেউ থাকেন, যারা সীমা লঙ্ঘন করেন, আবার কেউ আছেন পাশে থাকার পরেও আপনাকে একাকী অনুভব করান। এমন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসবে এই আশায় মানুষ চেষ্টা চালিয়ে যায়, যতক্ষণ না একদিন সে আবিষ্কার করে এই প্রক্রিয়ায় সে নিজেই হারিয়ে যাচ্ছে।’ পোস্টে প্রভা বলেন, ‘জীবন থেকে সবকিছু সরিয়ে নেওয়া কোনো নির্মমতা নয়, বরং এটি একটি সাহসিকতার পরিচয়। মিথ্যা ভান করার চেয়ে সত্যকে বেছে নেওয়া এবং নীরব যন্ত্রণার চেয়ে আত্মসম্মানকে অগ্রাধিকার দেওয়াটা জরুরি। অনেকে বলতে পারে যে মানুষটি বদলে গেছে, কিন্তু তারা এটা বুঝতে পারে না যে কাউকে জীবন থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে না, বরং এটি শেষ পর্যন্ত নিজেকে বাঁচানোরই একটি সিদ্ধান্ত।’ প্রভা শেষাংশে উল্লেখ করেন, ‘যেখানে প্রতিনিয়ত আঘাত পাওয়া যায় সেখানে কখনো নিরাময় সম্ভব নয়। যে পরিবেশ আপনার মানসিক পরিসরকে সংকুচিত করে, সেখানে কখনো বেড়ে ওঠা যায় না। তাই সম্পর্ক বা পরিস্থিতি থেকে সরে আসা মানেই কাউকে পরিত্যাগ করা নয়, বরং এটি নিজের আত্মমর্যাদা ফেরত পাওয়ার পথ। মাঝে মাঝে কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়াটাই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী প্রকাশ হতে পারে।’

অতিরিক্ত চুল পড়া কি কোন বড় রোগ?

ঘরের মেঝেতে চুল পড়ে থাকতে দেখলে অনেকেই  শ্যাম্পু বদলানোর কথা ভাবেন। হ্যাঁ, এটা ভাবাটা স্বাভাবিক। কিন্তু কখনো কখনো চুল পড়া শুধু চুলের গোড়া কিংবা শ্যাম্পুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে না। কখনো কখনো চুল পড়ার কারণ হতে পারে শরীরের দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ। শরীরে পুষ্টির অভাব, হরমোনের পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ কিংবা শারীরিক দুর্বলতা থাকলে চুল পড়ে যেতে পারে। তাই চুলের সঠিক যত্ন নেওয়ার পরও অতিরিক্ত চুল ঝরলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। থাইরয়েডের সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, রক্তস্বল্পতা, অটোইমিউন রোগ, খুশকি এবং ভিটামিন ডি ও বি-১২ এর অভাবে চুল পড়তে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলেন, হঠাৎ অতিরিক্ত চুল পড়া, চুলকানি, মাথার সিঁথি চওড়া হওয়া বা গোল ছোপ হয়ে চুল উঠে যাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন পরিবর্তন, ব্রণ বা ঘন ঘন তৃষ্ণা পাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক থাইরয়েড, ব্লাড সুগার ও রক্ত পরীক্ষা করে মূল রোগটি শনাক্ত করবেন। মূল রোগ নিয়ন্ত্রণে এনে চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখলে এবং খাদ্যে পর্যাপ্ত, ভিটামিন, প্রোটিন ও আয়রন রাখতে পারলে ঝরে যাওয়া চুল আবার স্বাভাবিকভাবে গজাতে পারে বলে জানান ডা. কাকলী হালদার। বেশ কিছু শারীরিক অবস্থার ক্ষেত্রে চুল পড়া উল্লেখযোগ্য প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। সেগুলোর মধ্যে আছে— ‘কম সক্রিয় এবং অতি সক্রিয়—উভয় ধরনের থাইরয়েডই চুল বৃদ্ধির চক্র ব্যাহত করতে পারে। থাইরয়েড বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে যখন এর ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন চুলের গোড়া স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সঠিক সংকেত পায় না। পাশাপাশি গোড়া দুর্বল হয়ে অতিরিক্ত চুল ঝরার কারণ হয়।’ ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। দুর্বল রক্ত​​সঞ্চালন এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতা মাথার ত্বকে রক্ত ​​প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সক্রিয় করে তুলতে পারে। এই অবস্থাগুলোর কোনোটিই শুরুতে খুব জোরালোভাবে প্রকাশ পায় না। চুল পড়া, ক্লান্তি বা ত্বকের সূক্ষ্ম পরিবর্তন প্রায়শই এর প্রাথমিক লক্ষণ হয়ে থাকে বলে জানান ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম। নারীদের শরীরে কিছু পরিমাণ অ্যান্ড্রোজেন হরমোন উৎপন্ন হয়। কিন্তু পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের ক্ষেত্রে বেড়ে যাওয়ার কারণে মাথার ত্বকে চুল পাতলা হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো শরীরের অন্য অংশে লোম বেড়ে যেতে পারে। ‘অ্যালোপেসিয়া বলতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি চুল পড়ে যাওয়া বা চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া বোঝায়। এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে এবং এর কারণও একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। তাই অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক চুল পড়লে নিজে থেকে কোনো ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।’ নিয়মিত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও অনেকের শরীরে চুলের গোড়া বা ফলিকল যে পুষ্টির ওপর নির্ভরশীল, তার ঘাটতি থাকে। এর কারণ হতে পারে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতি, শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতা না থাকা বা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবারের জোগান দিতে না পারা। ‘ভিটামিন ডি, জিংক, বায়োটিন এবং প্রোটিন হলো চুল পড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত সাধারণ ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।’ ইতি খন্দকার, ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট, আর রাহা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস লিমিটেড। দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, এই ঘাটতিগুলো খুব কম প্রাথমিক পর্যায়ে বোঝা যায়। রক্ত ​​পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধরা পড়ার আগে পর্যন্ত, চুল পড়া, ভঙ্গুর নখ বা কম শক্তি হতে পারে একমাত্র লক্ষণ। চুল পড়াকে শুধু বংশগত বা মানসিক চাপের ফল বলে ধরে নেওয়ার আগে বিষয়টি মনে রাখা উচিত। তাই সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ দেন ইতি খন্দকার। বৃদ্ধির চক্র দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শুধু মেজাজকেই প্রভাবিত করে না, এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া চুলের গোড়াকে একটি বিশ্রাম পর্বে ঠেলে দিতে পারে। একে টেলোজেন এফ্লুভিয়াম বলা হয়। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে কোনো চাপপূর্ণ ঘটনা বা দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের দুই থেকে তিন মাস পরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চুল ঝরে পড়ে। এই বিলম্বই বেশির ভাগ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। চুল পড়া শুরু হতে হতে, মানসিক চাপের সময়টা হয়তো শেষ হয়ে যায়, তাই এর মধ্যকার যোগসূত্রটি স্পষ্ট হয় না। এ ক্ষেত্রে চুল পড়াটা একটি বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া। ‘কর্টিসল হরমোন নিঃসরণ বেড়ে গেলে তা চুলের ফলিকলে আঘাত করে। এ ছাড়া চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। এর কারণে প্রচুর চুল পড়তে পারে।’ চুল পড়ার মূল কারণ যদি থাইরয়েডের সমস্যা হয়, তাহলে কোনো বাহ্যিক চিকিৎসা তা উল্লেখযোগ্যভাবে বন্ধ করতে পারবে না। যদি এটি আয়রনের অভাবে হয়, তাহলে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চুল পুনরুদ্ধার হবে না। একইভাবে চুল পড়ার কারণ যদি হরমোনজনিত, অপুষ্টিজনিত বা মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে প্রথমে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। এতে চুল ঝরা কমবে।

সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হক গ্রেপ্তার

সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হক গ্রেপ্তার

নীলফামারীর সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হোসেন ওরফে হককে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের নিয়ামতপুর চামড়া গুদাম এলাকার নিজ  বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সৈয়দপুর থানায় করা একটা নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মোতালেব হোসেন হকের বাড়ি জেলার জলঢাকায় উপজেলায়। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন থেকে সৈয়দপুরে বসবাস করছেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি একজন ঠিকাদার ও সংবাদকর্মী। 

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
২৪/৭ লাইভ অডিও সম্প্রচার