বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

নিজ যোগ্যতায় জাতিসংঘে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান: মাহাদী আমিন

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে দেশে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজবের সমালোচনা করে মাহদী আমিন বলেন, প্রয়োজনীয় সব পেশাগত যোগ্যতা পূরণ করেই নিজ মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘের এ দায়িত্বশীল পদে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। এ কারণে তার প্রশংসা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মাহদী আমিন বলেন, জাইমা রহমান পি-৩ পর্যায়ের একটি পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পদের জন্য পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এবং তার পেশাগত প্রোফাইল সেই যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে তিনি জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি আরও বলেন, জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততাও নেই। অতীতে রাজনৈতিক কারণে জাতিসংঘে পারিবারিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে—এমন ধারার সঙ্গে বর্তমান নিয়োগকে মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচি, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের বার্তা তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী চার দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন। যাতায়াতের জন্য একদিন করে সময় লাগায় পুরো সফরটি ছিল সংক্ষিপ্ত। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর বাইরে আরও কয়েকটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। সফরে তিনি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। বাংলাদেশ থেকে টার্কিশ এয়ারওয়েজ এবং ফেরার পথে এমিরেটস এয়ারলাইন্স ব্যবহার করা হয়। সরকারি প্রতিনিধি দলে সদস্য ছিলেন ৩৫ জন। এতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ছিলেন। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, গণমাধ্যম ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও সফরে ছিলেন।মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৫০টি বৈঠকে অংশ নেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৮০টির বেশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার পর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের একটি দল ক্যালিফোর্নিয়ায় যায়। প্রযুক্তি, শিল্প ও শিক্ষা খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সেখানে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের কর্মসূচির মধ্যে আটটি সরাসরি জাতিসংঘ সদরদপ্তরকেন্দ্রিক ছিল বলে জানান তিনি। এর মধ্যে ছিল সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সাধারণ পরিষদে ভাষণ, জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া প্রাতরাশ সংবর্ধনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বিশেষ সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া।তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। পাশাপাশি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেও ডা. জুবাইদা রহমানের কুশলবিনিময় হয়েছে।জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে দুটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও জানান মাহদী আমিন। ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্ট ট্রানজিশন’ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু নীতি তুলে ধরা হয়। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়গুলো সেখানে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।স্বাস্থ্য ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব বৈঠক আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠানে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো, স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়ানো, ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ই-হেলথ কার্ডসহ তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়।রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন। মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারেই সংকটের সমাধান নিহিত রয়েছে এবং প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণকে সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভাষণে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, নারী-যুব ও শিশুর কল্যাণ এবং দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘৩ আর’ নীতির কথা তুলে ধরা হয়।এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড ও ইউনিভার্সাল কার্ডের পরিকল্পনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স ও স্টার্টআপ খাতে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা এবং ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।মাহদী আমিন জানান, চার দিনে ১১টি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতি ছিল। বৈঠকগুলোতে পারস্পরিক মর্যাদা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে বলে জানান মুখপাত্র। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নির্বাচনে বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং শান্তিরক্ষা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বব্যাংক, মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা, গেটস ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট এবং মার্কিন বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা জানান তিনি।ওয়াল স্ট্রিটের প্রায় ২৫ জন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং নতুন আর্থিক উপকরণ চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বোয়িং গ্লোবালের সঙ্গে বৈঠকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরে আটটি কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং তিনটিতে বক্তব্য দেন বলে জানান তিনি। নারী নেতৃত্ব, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো সফরজুড়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি ও সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেই এ বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেটে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।বর্তমানে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে নতুন করে দাবি জানিয়েছেন।বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর দাবি জানালেও সরকার বিষয়টি বুঝে-শুনে দেখবে। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি যাচাই করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যাতে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।এর আগে সকালে ‘সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের আওতায় সিলেট সদর উপজেলার কানিশাইলে সুরমা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা: মেজর জেনারেল (অব.) মহিউদ্দিন গ্রেফতার

রাজধানীর ইসিবি এলাকার নিউগিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিস স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।পুলিশ জানায়, নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় দায়ের করা মামলায় আসামিদের তালিকায় মহিউদ্দিন চৌধুরীর নাম রয়েছে। ওই তালিকায় তার নাম ৪ নম্বরে রয়েছে।৬৬ বছর বয়সী গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী বর্তমানে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় বসবাস করেন।এর আগে একই মামলায় মিজানুর রহমান নামে ৫৯ বছর বয়সী আরেক আসামিকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করা হয়।

বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শনে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:বেনাপোল স্থলবন্দর আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান। এ সময় তিনি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজীব আহসান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান ও যশোর পুলিশ সুপার সৈয়েদ রফিকুল ইসলাম বেনাপোল স্থলবন্দরের আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে আসেন।পরে আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্বিক কর্মকাণ্ড, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপত্তা জোরদার, অভিগমন প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বাণিজ্যের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।এ সময় বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক মো. রুহুল আমিন, ইমিগ্রেশন, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভা শেষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তের জিরো পয়েন্ট, ইমিগ্রেশন ও বন্দরের শেডগুলো পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তারা বেনাপোল স্থলবন্দর ত্যাগ করেন।

৪ ঘন্টা আগে
আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে সরকার যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত: চিফ হুইপ

আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে সরকার যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত: চিফ হুইপ

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে দেশে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজবের সমালোচনা করে মাহদী আমিন বলেন, প্রয়োজনীয় সব পেশাগত যোগ্যতা পূরণ করেই নিজ মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘের এ দায়িত্বশীল পদে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। এ কারণে তার প্রশংসা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মাহদী আমিন বলেন, জাইমা রহমান পি-৩ পর্যায়ের একটি পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পদের জন্য পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এবং তার পেশাগত প্রোফাইল সেই যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে তিনি জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি আরও বলেন, জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততাও নেই। অতীতে রাজনৈতিক কারণে জাতিসংঘে পারিবারিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে—এমন ধারার সঙ্গে বর্তমান নিয়োগকে মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচি, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

৬ ঘন্টা আগে
নিজ যোগ্যতায় জাতিসংঘে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান: মাহাদী আমিন

নিজ যোগ্যতায় জাতিসংঘে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান: মাহাদী আমিন

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কবরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জাইমা রহমানের নিয়োগ নিয়ে দেশে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজবের সমালোচনা করে মাহদী আমিন বলেন, প্রয়োজনীয় সব পেশাগত যোগ্যতা পূরণ করেই নিজ মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘের এ দায়িত্বশীল পদে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি। এ কারণে তার প্রশংসা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মাহদী আমিন বলেন, জাইমা রহমান পি-৩ পর্যায়ের একটি পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এ পদের জন্য পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন এবং তার পেশাগত প্রোফাইল সেই যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। নিজের যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে তিনি জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি আরও বলেন, জাইমা রহমানের নিয়োগের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ন্যূনতম কোনো সম্পৃক্ততাও নেই। অতীতে রাজনৈতিক কারণে জাতিসংঘে পারিবারিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হয়েছে—এমন ধারার সঙ্গে বর্তমান নিয়োগকে মিলিয়ে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন কর্মসূচি, বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক এবং নিউইয়র্ক সফরের সার্বিক বিষয় তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

৬ ঘন্টা আগে
দেশে মাদকাসক্তদের ৬৯ শতাংশ চিকিৎসা পেতে চান, পান মাত্র ১৩ শতাংশ

দেশে মাদকাসক্তদের ৬৯ শতাংশ চিকিৎসা পেতে চান, পান মাত্র ১৩ শতাংশ

মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তির টেকসইভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য শুধু চিকিৎসা যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি পারিবারিক সহযোগিতা, আফটারকেয়ার, পিয়ার সাপোর্ট, পুনরায় মাদক গ্রহণ প্রতিরোধ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও আইসাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এম. এ. মোহিত কামাল।তিনি বলেন, চিকিৎসা শেষ করে কেউ যদি আবার পুরোনো পরিবেশ, বেকারত্ব, পারিবারিক বিরোধ ও সামাজিক কলঙ্কের মধ্যে ফিরে যান, তাহলে পুনরায় মাদক ব্যবহারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই পুনর্বাসনের পুরো প্রক্রিয়ায় পরিবার ও সমাজের ইতিবাচক ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।মাদক নির্ভরশীল ব্যক্তিকে অপমানজনক কোনো নামে না ডেকে অসুস্থ ব্যক্তি হিসেবে দেখার আহ্বান জানান মোহিত কামাল। তিনি বলেন, একজন মানুষের বর্তমান সমস্যা দিয়ে তার পুরো পরিচয় নির্ধারণ করা যায় না। সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ রিকভারির পথকে সহজ করতে পারে।আন্তর্জাতিক রিকভারি ডে ২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ও ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাবসটেন্স ইউজ প্রফেশনালসের (আইসাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের যৌথ আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাস বিশ্বব্যাপী ‘রিকভারি মাস’ হিসেবে পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘রিকভারি ইজ রিয়েল: রিস্টোরিং এভরি অ্যাসপেক্ট অব লাইফ’—বাংলায় যার অর্থ ‘সেরে ওঠা বাস্তব: জীবনের প্রতিটি দিক পুনরুদ্ধার।’অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক এবং আইসাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাসুদ। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক জাতীয় গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের মাদক ব্যবহার করছেন। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, দেশে মাদক গ্রহণের প্রবণতা অল্প বয়স থেকেই শুরু হচ্ছে। প্রায় ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮ থেকে ১৭ বছর বয়সে এবং ৫৯ শতাংশ ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম মাদক গ্রহণ করেন। এছাড়া প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তাদের কাছে মাদক সহজেই পাওয়া যায়।গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা নিতে আগ্রহী এবং ৬২ শতাংশ কাউন্সেলিং সেবা চান। তবে বাস্তবে মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা বা পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছেন।সংশ্লিষ্টরা বলেন, চাহিদা ও সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই বড় ব্যবধান দেশে মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থার ঘাটতি তুলে ধরে। পর্যাপ্ত বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার অভাব এবং মাদক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখি গাঙ্গুলী। এতে আরও বক্তব্য দেন দৈনিক ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার জামিউল আহ্সান শিপু, বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র ‘আশ্রয়’-এর পরিচালক মো. শামীম খান, সেফ হোম মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের পরিচালক লুৎফর রহমান মানিক এবং ‘উৎস’ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন চৌধুরী সুমন।বক্তারা বলেন, মাদক নির্ভরশীল মানুষ সুস্থ জীবনে ফিরতে চান। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন সেবা সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না। তাদের মতে, মাদক সমস্যাকে শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে না দেখে জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসার দৃষ্টিকোণ থেকেও বিবেচনা করা প্রয়োজন।আলোচনা সভা থেকে নীতিনির্ধারকদের প্রতি জেলা পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট ও কাউন্সেলিং যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মান নিয়ন্ত্রণ জোরদার, প্রশিক্ষিত জনবল বাড়ানো এবং নারী ও কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিশেষায়িত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৭ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও পরিকল্পনার কথা বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী: মাহদী আমিন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং একটি মানবিক রাষ্ট্র গঠনের বার্তা তুলে ধরেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপদেষ্টা ও মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী চার দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন। যাতায়াতের জন্য একদিন করে সময় লাগায় পুরো সফরটি ছিল সংক্ষিপ্ত। এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর বাইরে আরও কয়েকটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক হয়। সফরে তিনি ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ছোট প্রতিনিধি দল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন। বাংলাদেশ থেকে টার্কিশ এয়ারওয়েজ এবং ফেরার পথে এমিরেটস এয়ারলাইন্স ব্যবহার করা হয়। সরকারি প্রতিনিধি দলে সদস্য ছিলেন ৩৫ জন। এতে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা ছিলেন। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, গণমাধ্যম ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তারাও সফরে ছিলেন।মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরাও বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ৫০টি বৈঠকে অংশ নেন। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ৮০টির বেশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার পর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের একটি দল ক্যালিফোর্নিয়ায় যায়। প্রযুক্তি, শিল্প ও শিক্ষা খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সেখানে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের কর্মসূচির মধ্যে আটটি সরাসরি জাতিসংঘ সদরদপ্তরকেন্দ্রিক ছিল বলে জানান তিনি। এর মধ্যে ছিল সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ, সাধারণ পরিষদে ভাষণ, জাতিসংঘ মহাসচিবের দেওয়া প্রাতরাশ সংবর্ধনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বিশেষ সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া।তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান অংশ নেন। জাতিসংঘ মহাসচিব ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়। পাশাপাশি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গেও ডা. জুবাইদা রহমানের কুশলবিনিময় হয়েছে।জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ে দুটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও জানান মাহদী আমিন। ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্ট ট্রানজিশন’ এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু নীতি তুলে ধরা হয়। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, পদ্মা ব্যারেজ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়গুলো সেখানে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান তিনি।স্বাস্থ্য ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দুটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব বৈঠক আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠানে মাতৃ ও শিশুমৃত্যু কমানো, স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা বাড়ানো, ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ই-হেলথ কার্ডসহ তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়।রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে প্রায় ২০টি দেশের প্রতিনিধি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা অংশ নেন। মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মিয়ানমারেই সংকটের সমাধান নিহিত রয়েছে এবং প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ ভাষণকে সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে তারেক রহমান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভাষণে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, নারী-যুব ও শিশুর কল্যাণ এবং দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি পুনর্গঠনে ‘রিকভারি, রিস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ বা ‘৩ আর’ নীতির কথা তুলে ধরা হয়।এ ছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড ও ইউনিভার্সাল কার্ডের পরিকল্পনা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স ও স্টার্টআপ খাতে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়ও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে আসে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা এবং ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়।মাহদী আমিন জানান, চার দিনে ১১টি দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, কুয়েত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ক্রোয়েশিয়া ও হাইতি ছিল। বৈঠকগুলোতে পারস্পরিক মর্যাদা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হয়েছে বলে জানান মুখপাত্র। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নির্বাচনে বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং শান্তিরক্ষা ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বব্যাংক, মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা, গেটস ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট এবং মার্কিন বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠকের কথা জানান তিনি।ওয়াল স্ট্রিটের প্রায় ২৫ জন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ, আর্থিক খাতের সংস্কার এবং নতুন আর্থিক উপকরণ চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বোয়িং গ্লোবালের সঙ্গে বৈঠকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান মাহদী আমিন।প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরে আটটি কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং তিনটিতে বক্তব্য দেন বলে জানান তিনি। নারী নেতৃত্ব, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি নিয়ে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুরো সফরজুড়ে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

৭ ঘন্টা আগে
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না: শাহে আলম

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক বিএনপি নেবে না: শাহে আলম

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের কলঙ্ক বিএনপি নিতে চায় না।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রামে এক দিনের সফরের শুরুতে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের সরকার। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনকেও সার্বিক সহায়তা করা হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীরও নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।মীর শাহে আলম বলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হবে এবং ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচনগুলো শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাদের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনকে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।বিরোধী দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে বিরোধী দল বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের ওপর দায় চাপাবে—এটাই স্বাভাবিক। তাদের অভিযোগ সঠিক না ভুল, তা জনগণই বিবেচনা করবেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে এবং বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানান তিনি।কুড়িগ্রামে সার সংকটের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, বিএনপির সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন এমন এলাকায় সার সংকট নিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব এলাকায় অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে বিএনপিকে জনগণের কাছে বিভ্রান্ত ও হেয় করার উদ্দেশ্যে সার সংকট নিয়ে আন্দোলন করা হয়েছে।জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে সংকট কিছুটা কমেছে। তবে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধানে আরও সময় প্রয়োজন হবে।এর আগে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে পৌঁছালে প্রতিমন্ত্রীকে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।এ সময় রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহামুদল হক চৌধুরী ডন, লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক মমিনুল, কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৭ ঘন্টা আগে
নামজারি হলেও খাসজমিতে মালিকানা মিলবে না

নামজারি হলেও খাসজমিতে মালিকানা মিলবে না

একই দাগের মধ্যে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির পাশাপাশি খাস বা সরকারি জমি থাকলে শুধু দাগ নম্বরের ভিত্তিতে পুরো জমির নামজারি করা যাবে না। ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশের সীমানা নির্ধারণ করে কেবল ওই অংশের নামজারি করা যাবে। তবে এ ধরনের নামজারির মাধ্যমে খাসজমির ওপর কোনো ব্যক্তি মালিকানা, দখল বা অন্য কোনো আইনগত অধিকার দাবি করতে পারবেন না।এ বিষয়ে সম্প্রতি নির্দেশনা জারি করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের আইন-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়।পরিপত্রে বলা হয়েছে, কোনো দাগের একাংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং অন্য অংশ খাস বা সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট হলে পুরো দাগের ভিত্তিতে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির নামজারি আবেদন গ্রহণ, অনুমোদন কিংবা ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা ঠিক হবে না।এক বা একাধিক দাগে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি পাশাপাশি থাকলে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে সেগুলো আলাদাভাবে চিহ্নিত করার ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সাবেক ও বর্তমান রেকর্ড, দাগসূচি, মৌজা ম্যাপ, মালিকানার ধারাবাহিকতা এবং সংশ্লিষ্ট মালিকদের দলিলপত্র যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে দুই ধরনের জমির সীমানা বাস্তবভিত্তিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে।নির্দেশনা অনুযায়ী, নামজারির আবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বা ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেবেন। এরপর ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানুনগো বা সার্ভেয়ারকে দিয়ে সরেজমিন তদন্ত করাবেন।তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উপস্থিতিতে সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি পৃথকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। এরপর যৌথ স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি খসড়া নকশা প্রস্তুত করা হবে।প্রয়োজনে শুনানি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রেকর্ড, দাগসূচি, মৌজা ম্যাপ, মালিকানার ধারাবাহিকতা ও দলিলপত্র পর্যালোচনা করতে হবে। এসব যাচাই শেষে ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশের নামজারি অনুমোদন এবং ওই অংশের ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করা যাবে।ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, একই দাগে খাসজমি থাকলে সেটি আলাদাভাবে চিহ্নিত ও সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশের নামজারি সম্পন্ন হলেও তার ভিত্তিতে খাসজমির ওপর কোনো ব্যক্তি স্বত্ব, দখল বা মালিকানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবেন না।সরকারি জমি নিয়ে বিরোধ ও ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে নামজারির সময় জমির প্রকৃতি, রেকর্ড ও মালিকানার তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

৭ ঘন্টা আগে
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ায় সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছিল। তবে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই অবস্থানের পর বিশ্ববাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেলের দাম।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আন্তর্জাতিক বাজারের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার মূল্য ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৭৩ ডলারে ওঠে।একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও ব্যারেলপ্রতি ৩৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়ে ৮৯ দশমিক ৭২ ডলারে দাঁড়ায়।চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে। জুলাইয়ের পর এক মাসে এটিই ব্রেন্টের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে। অন্যদিকে, মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ১০৬ ডলারের সীমা ছাড়ানো ডব্লিউটিআই ক্রুড সেপ্টেম্বর শেষে প্রায় ৪ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে।জ্বালানি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য বলছে, ২৪ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া দৈনিক তেল পরিবহনের পরিমাণে বড় ধরনের ওঠানামা ছিল। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৬৫ লাখ থেকে ১ কোটি ২৬ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনের প্রাথমিক তথ্য যাচাই ও চূড়ান্ত হিসাব সম্পন্ন হলে এই পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।এর আগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেপলার জানায়, সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বেড়ে দৈনিক ১ কোটি ৬৩ লাখ ২৮ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির সর্বোচ্চ পরিমাণ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

৭ ঘন্টা আগে
আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন বিএনপির সাবেক নেতার

আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন বিএনপির সাবেক নেতার

ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ জামিনে মুক্ত হয়ে মামলার বাদীকে ‘বিচার’ করার হুমকি দিয়েছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে। তার একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ফিরোজুল ইসলাম নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি। ১৫ বছর বয়সী এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বিদ্যালয় থেকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই মামলায় অপহরণের ধারায় তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।জানা গেছে, উচ্চ আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার রাতে রাজশাহী কারাগার থেকে জামিনে বের হন ফিরোজ। পরে সমর্থকদের নিয়ে নাজিরপুর এলাকায় একটি সভায় বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি দুর্নীতি ও নিজের বিরুদ্ধে করা মামলা নিয়ে কথা বলেন এবং ‘নাজিরপুরের মাটিতেই বিচার হবে’ বলে মন্তব্য করেন। তবে কাকে উদ্দেশ্য করে তিনি এমন বক্তব্য দিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি।এদিকে মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করেছেন, জামিনে বের হওয়ার পর ফিরোজ তাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তার দাবি, এ ঘটনায় তিনি থানায় বিষয়টি জানিয়েছেন এবং পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাজশাহী কারাগারের প্রধান ফটক থেকে দুই শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে সমর্থকেরা ফুলের মালা দিয়ে ফিরোজকে বরণ করেন। পরে রাতে নাজিরপুরে কয়েকশ মানুষের উপস্থিতিতে সমাবেশ করেন তিনি। ওই সমাবেশের বক্তব্যের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনা শুরু হয়।মামলার সরকারি কৌঁসুলি মুন্সি আবুল কালাম আজাদ জানান, ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ফিরোজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি অপহরণের ধারায় দেওয়া হয় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। তবে আপিলের পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্ত হয়েছেন তিনি।ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, মামলা করার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ফিরোজ ও তার লোকজন তাদের ভয়ভীতি দেখিয়েছেন এবং অর্থের বিনিময়ে আপস করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে তারা মামলা চালিয়ে যান। আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট থাকলেও ফিরোজ জামিনে মুক্ত হওয়ার পর নতুন করে নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে গেলে ফটকের সামনে থেকে ওই ছাত্রীকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রধান শিক্ষক ফিরোজের বিরুদ্ধে। পরে তাকে রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ফিরোজ ও তার দুই ভাইকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় মামলা করেন। একই বছরের ১১ অক্টোবর রাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে র‌্যাব-৫ তাকে গ্রেপ্তার করে।সরকারি কৌঁসুলি জানান, পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন, সাক্ষীদের জবানবন্দি এবং ঘটনার ভিডিও পর্যালোচনায় ফিরোজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মলহিদুজ্জামান মুহিত রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।এদিকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বাদীকে হুমকির অভিযোগের বিষয়ে ফিরোজুল ইসলামের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, ধর্ষণ মামলার বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৭ ঘন্টা আগে
যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি ও সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেই এ বিষয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেটে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।বর্তমানে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর। এ পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর জন্য সরকারের কাছে নতুন করে দাবি জানিয়েছেন।বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর দাবি জানালেও সরকার বিষয়টি বুঝে-শুনে দেখবে। বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি যাচাই করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এ সময় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ যাতে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত না হয়, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।এর আগে সকালে ‘সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের আওতায় সিলেট সদর উপজেলার কানিশাইলে সুরমা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ কাজের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

৮ ঘন্টা আগে
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনি কি এমন পদক্ষেপ সমর্থন করেন?

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষায় যোগ্য শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনি কি এমন পদক্ষেপ সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

‘আ.লীগ করাই যদি অপরাধ হয়, ফাঁসি হলেও আ.লীগই করব’

‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম মিটিংয়ে অংশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উৎখাত এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলায় চার্জ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরী ছুটিতে থাকায় নির্ধারিত দিনে চার্জ গঠনের শুনানি হয়নি। পরে ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ আলম শাহীন।এ মামলায় গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মামলায় কারাগারে থাকা নারীরা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং তাদের আর কতবার আদালতে হাজির হতে হবে।প্রিজনভ্যানে দাঁড়িয়ে তুহিন আরও বলেন, আওয়ামী লীগ করার কারণে তার ফাঁসি হলেও তিনি দলটির রাজনীতি করবেন। তার দাবি, তারা রাজনীতি করেছেন, তবে কোনো হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তুহিন বলেন, যারা নিরপরাধ তাদের ছেড়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ করা এবং রাজনীতি করা তার গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার বলেও দাবি করেন তিনি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ শেখ হাসিনাসহ ৭৩ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলাটি করেন সিআইডির সহকারী বিশেষ পুলিশ সুপার মো. এনামুল হক। তদন্ত শেষে গত ৩০ জুলাই শেখ হাসিনাসহ মোট ২৮৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তিনি।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ড. রাব্বী আলমের নেতৃত্বে আয়োজিত ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’-এর জুম সভায় শেখ হাসিনাসহ কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেন। ওই সভায় শেখ হাসিনা দেশবিরোধী বক্তব্য দেন এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উৎখাতের নির্দেশ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে দেখানো বন্ধ ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে প্রদর্শিত হয়ে আসা দুই কালজয়ী ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সিনেমা ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ আর না দেখানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিমান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পরিবেশক প্রতিষ্ঠানকে জানিয়ে দেওয়া হয়।প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ও প্রযোজিত এই দুটি প্রশংসিত চলচ্চিত্র ইন-ফ্লাইট বিনোদন তালিকা থেকে হঠাৎ বাদ দেওয়ায় দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেল নিজেও বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন।উল্লেখ্য, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লালসালু’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, আলী যাকের, তৌকির আহমেদ, মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী, আমিরুল হক চৌধুরী ও রওশন জামিলসহ দেশের প্রনাম্য শিল্পীরা।অন্যদিকে, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ ও তখনকার প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিত ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চিত্রা নদীর পারে’ সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন নাট্যজন মমতাজউদ্দীন আহমেদ, আফসানা মিমি, তৌকীর আহমেদ, রওশন জামিল ও সুমিতা দেবীর মতো খ্যাতিমান তারকারা। দুটি চলচ্চিত্রই দেশের বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের কাছে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

স্মার্টফোন ব্যবহারে শিশুদের খাবারে অস্বাভাবিকতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

১২ বছর বয়স পার হওয়ার আগেই শিশুদের নিজস্ব স্মার্টফোন দিয়ে দেওয়া তাদের স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, কম বয়সে স্মার্টফোন ব্যবহার শুরু করা শিশুদের খাদ্যাভ্যাস অস্বাভাবিক বা বিকৃত (Eating Disorders) হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক অনেক বেশি।চিকিৎসাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘জামা নেটওয়ার্ক ওপেন’ (JAMA Network Open)-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯,০০০ তরুণ-তরুণীর ওপর পরিচালিত জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।গবেষকদের মতে, স্মার্টফোনের অবাধ ব্যবহারের ফলে শিশুরা এমন সব ডিজিটাল কনটেন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মুখোমুখি হয়, যেখানে শারীরিক সৌন্দর্য, ওজন ও শরীরের গঠনকে অতিরিক্ত প্রাধান্য দেওয়া হয়। এসব অবাস্তব রূপচর্চা ও বার্তার প্রভাবে শিশুদের মনে নিজেদের শরীর ও খাবার গ্রহণ নিয়ে এক ধরনের অস্বাভাবিক ও অস্বাস্থ্যকর মনোভাব তৈরি হয়, যা পরবর্তীতে খাদ্যাভ্যাসে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।গবেষণাটির প্রধান লেখক এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোর (UCSF) শিশুরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জেসন নাগাটা জানান, একটি শিশুর হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়ার অর্থ কেবল একটি ডিভাইস দেওয়া নয়; বরং এর মাধ্যমে তার ডিজিটাল দুনিয়া ও নানা ধরনের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যোগাযোগের পথও রাতারাতি বদলে যায়।ড. নাগাটা উল্লেখ করেন, শিশুরা স্ক্রিনে কতটা সময় কাটাচ্ছে তা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি ‘কত কম বয়সে তারা প্রথম স্মার্টফোন পাচ্ছে’—সেটিও তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।উল্লেখ্য, গবেষকদের আগের বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে—অতিরিক্ত সময় স্ক্রিনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাটানোর সাথে শিশুদের বিষণ্নতা, আত্মসম্মানবোধ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা (Binge Eating) এমনকি পরবর্তীতে মাদক ও অ্যালকোহলে আসক্ত হওয়ার মতো নানা নেতিবাচক ফলাফলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

মহেশপুরে এক যুবককে ৫ মাসের কারাদণ্ড

মহেশপুরে এক যুবককে ৫ মাসের কারাদণ্ড

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা:ঝিনাইদহের মহেশপুরে মাদক সেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে সুজন মিয়া (২০) নামের এক যুবককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।সোমবার দুপুরে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন মিয়া মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামের শহিদ ইসলামের ছেলে।মহেশপুর থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদকসেবন ও সংরক্ষণের অপরাধে সুজন মিয়াকে আটক করে। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৫ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজাদ রহমান জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সাজা পরোয়ানামূলে ঝিনাইদহ জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream