বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

সাজেকে ফের সড়ক অবরোধ: ২,৯৩৩ পর্যটককে সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় উদ্ধার

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের কারণে আটকে পড়া ২ হাজার ৯ ৩৩ জন পর্যটককে বিশেষ নিরাপত্তায় খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা প্রহরায় পর্যটকদের বহনকারী যানবাহনগুলো সাজেক থেকে বাঘাইহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সেখান থেকে তাদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।এর আগে একই দিন সকাল ৬টার দিকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং শুরু করেন অবরোধকারীরা। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং অবস্থানরত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুততম সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার এই উদ্ধারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।পরিস্থিতি পর্যালোচনায় বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ রাখার কথা জানানোর পাশাপাশি অবস্থানরত পর্যটকদের বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।বুধবার বিকেলে ‘সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন’ ও ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’র পক্ষ থেকে নতুন জয় চাকমা ও বাবুধন চাকমার যৌথ স্বাক্ষরে অনির্দিষ্টকালের এই সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। সাজেক এলাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস - সন্তু লারমা গ্রুপ) সশস্ত্র সদস্যদের অপসারণ, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রতিবাদ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং স্থানীয় অধিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতেই তারা এই আন্দোলনের ডাক দেন। অবশ্য ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ বহনকারী যান ও সাংবাদিকদের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ অক্টোবর থেকে একই দাবিতে প্রথম দফায় অবরোধ শুরু হলেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। পূজা শেষে ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে নতুন করে আবারও অবরোধ বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হলো।বারবার অবরোধ ও নিরাপত্তার ঝুঁকিতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ হয়ে পড়ায় পর্যটননির্ভর স্থানীয় অর্থনীতি ও কটেজ-পরিবহন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত পেশাজীবীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

হিমছড়ি সৈকতে গোসল করতে নেমে / কক্সবাজারে সাগরে ডুবে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসল করতে নেমে সাগরের উত্তাল ঢেউ ও প্রবল স্রোতের টানে ভেসে গিয়ে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আরও দুই পর্যটক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হিমছড়ির মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘর-সংলগ্ন সৈকত এলাকায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে।নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন—ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকার মুকাররম হোসেনের ছেলে রোহান (২৩) এবং শহীদুল ইসলাম (২৩)। অন্যদিকে নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে নাফিসুল হক নিবিড় (২২) নামের একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে, যিনি ঢাকার আজিমপুর এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। নিখোঁজ ও নিহত অন্য পর্যটকদের নাম-ঠিকানা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় পর্যটকদের একটি দল হিমছড়ির উক্ত পয়েন্টে সাগরে গোসল করতে নামে। এ সময় হঠাৎ সাগরের প্রবল ঢেউ ও স্রোতের টানে কয়েকজন ভেসে যান। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাঁদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।স্থানীয়দের সহায়তায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তাঁদের মধ্যে দুজনকে ঘটনাস্থলেই মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় অন্য একজনকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সৈকতকর্মী মাহবুব রহমান জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে পাঠানো হলেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। নিখোঁজ পর্যটকদের উদ্ধারে সৈকতকর্মী ও স্থানীয়দের সহায়তায় তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াচ্ছে চার দেশ

পাকিস্তান, কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়া প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি বহুপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এর মাধ্যমে চার দেশ নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষাশিল্পের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে।বুধবার কাতারে চার দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ‘বদর মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ নামে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।সমঝোতা অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি, সামরিক প্রশিক্ষণ, যৌথ মহড়া এবং গবেষণা ও উন্নয়নের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে দেশগুলো। পাশাপাশি আধুনিক সামরিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নেও যৌথভাবে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হলো চার দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করা এবং প্রতিটি দেশের নিজস্ব সামরিক ও প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা জোরদার করা। চুক্তি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ, তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ সৌদ বিন আবদুর রহমান এবং ইন্দোনেশিয়ার উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউসুফ জওহারি উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের পক্ষে খাজা আসিফ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পবিষয়ক সচিবালয়ের প্রধান হালুক গোরগুনও উপস্থিত ছিলেন। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আধুনিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন সমাধান উদ্ভাবন এবং সংশ্লিষ্ট শিল্প খাতের বিকাশে এই সমঝোতা ভূমিকা রাখবে। চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য করেনি। সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষাশিল্পে সহযোগিতা ‘বদর’ সমঝোতার আওতায় চার দেশের সহযোগিতার অন্যতম ক্ষেত্র হবে প্রতিরক্ষাশিল্পের উন্নয়ন। এর মাধ্যমে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময়, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যৌথ উদ্যোগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কী কী অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন করা হবে, কত অর্থ বিনিয়োগ করা হবে কিংবা কোনও যৌথ সামরিক বাহিনী বা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। চার দেশের ঘনিষ্ঠ হচ্ছে কূটনৈতিক সম্পর্ক পাকিস্তানের সঙ্গে কাতার, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিশেষ করে কাতার ও তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও সক্রিয় হয়েছে। পাকিস্তান ও তুরস্ক সৌদি আরবের সঙ্গে মিলে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটেরও সদস্য। ওই জোটের মূল নীতিতে বলা হয়েছে, সদস্যদেশগুলোর কোনও একটির ওপর হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। জোটটির লক্ষ্য সদস্যদেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং সম্মিলিত নিরাপত্তা জোরদার করা। এর আগে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছিল কাতার। দেশটি তখন এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে। তবে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সঙ্গে ‘বদর’ সমঝোতার সম্পর্ক কী হবে, কিংবা নতুন চুক্তিটি ওই জোটের কাঠামোর সঙ্গে কোনওভাবে যুক্ত হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। চার দেশের নতুন এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে প্রতিরক্ষাশিল্প, প্রযুক্তি বিনিময় ও সামরিক প্রশিক্ষণে সহযোগিতার পরিধি বাড়তে পারে। তবে চুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, অর্থায়ন এবং ভবিষ্যৎ যৌথ প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের পরই এর কার্যকর প্রভাব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সূত্র: ডন নিউজ, রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৩ জন।বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৭ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২১১ জন রয়েছেন।এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১১১ জন, রংপুর বিভাগে ২৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শেখ হাসিনার ফেরা অনিশ্চিত: স্পিকার

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শেখ হাসিনার ফেরা অনিশ্চিত: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম শেখ হাসিনার আগামী ১০ বছরেও ফেরার সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন । তিনি বলেছেন, আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয় আগামী ১০ বছরেরও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই।  বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার আরও বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের ক্ষমতার সময় এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়েছিল, তখন সমাজের সৎ, ভালো ও নিরপেক্ষ মানুষের পক্ষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সম্ভব ছিল না। নির্বাচনি ব্যবস্থার আমূল সংস্কার প্রয়োজন। একজন মানুষ অর্থশালী বা বিত্তবান নয়, কিন্তু তার জনপ্রিয়তা আছে এবং সমাজে গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাদেরকে নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া উচিত। এজন্য নির্বাচন কমিশনকে এমন একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে যাতে সাধারণ মানুষের নির্বাচন করা সুযোগ হয়।  হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া উচিত এবং প্রয়োজন। গত ১৭ বছর নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। তাই আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, ভোলায় পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস আছে। সারাদেশের বর্তমানের রিজার্ভ সমান দেখা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে আরও গ্যাসের ভান্ডার আছে এখানে। ভোলার সাধারণ মানুষেরও গ্যাস প্রয়োজন। ভোলাবাসী অনেক দিন ধরে কষ্ট করছে। গ্যাস ভোলাবাসীর ন্যায্য অধিকার। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। এ বিষয়ে আমি জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। এসময় ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

৪৯ মিনিট আগে
সৌদিতে ফ্লাইট চালানো নিয়ে সুখবর দিল বিমান

সৌদিতে ফ্লাইট চালানো নিয়ে সুখবর দিল বিমান

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার পর সৃষ্ট পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় ঢাকা-দাম্মাম রুটে আবারও ফ্লাইট চালু করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ঢাকা-রিয়াদ রুটেও একটি ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এ ছাড়া জেদ্দা ও মদিনা রুটে ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (২১ অক্টোবর) থেকে ঢাকা-দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় ঢাকা থেকে দাম্মামের উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। এসব ফ্লাইট পরিচালিত হবে বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ দিয়ে।এদিকে, আগামী ২৫ অক্টোবর দিবাগত রাত ১টা ২৫ মিনিটে ঢাকা থেকে রিয়াদের উদ্দেশে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান। সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলাজনিত পরিস্থিতির উন্নতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে রিয়াদ রুটে পরবর্তী ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।রিয়াদগামী যাত্রীদের যাদের টিকিট রয়েছে, তারা চাইলে বিমানের নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করে টিকিট পরিবর্তনের মাধ্যমে দাম্মাম হয়ে সৌদি আরব যেতে পারবেন। তবে এ সুযোগ নির্ভর করবে টিকিট পরিবর্তনের শর্ত ও আসনপ্রাপ্যতার ওপর।জেদ্দা রুটেও ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২২ অক্টোবর ঢাকা থেকে জেদ্দার উদ্দেশে দুটি ফ্লাইট ছেড়ে যাবে। এ ছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর প্রতিদিন বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।অন্যদিকে, মদিনা রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গত ১৮ অক্টোবর থেকে এ রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান। বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ দিয়ে এসব ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এ রুটের সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকবে।সৌদি আরবের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু ও সংখ্যা বাড়ানোর ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। টিকিট পরিবর্তন, আসনপ্রাপ্যতা ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্য জানতে যাত্রীদের বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

১৮ ঘন্টা আগে
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে: তিতুমীর

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধি করা হবে: তিতুমীর

২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আয় ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজবাড়ী পৌরসভার মিলনায়তনে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতের যে পরিস্থিতি রেখে গেছে, তা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বর্তমান সরকার। একই সঙ্গে দেশ থেকে পাচার হওয়া ৪০ বিলিয়ন ডলার ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্ধ কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সামাজিক খাতে সরকারি ব্যয় পর্যায়ক্রমে বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক মনে করে, সরকার অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে। এসব সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

১৮ ঘন্টা আগে
টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, সন্তানসহ বাবা-মা দগ্ধ

টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, সন্তানসহ বাবা-মা দগ্ধ

গাজীপুরের টঙ্গীর মুদাফা এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল ৬টার দিকে চেরাগ আলী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ ব্যক্তিদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মো. লালচান (৬০), তাঁর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৫০) ও মেয়ে তানিসা আক্তার (১৬)। দগ্ধ লালচান ও নাসিমাকে জরুরি বিভাগে এবং তানিসাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ শিকদার সাংবাদিকদের জানান, লালচানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, তানিসার ৮৬ শতাংশ এবং নাসিমার ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সকালে নাসিমা রান্না করতে চুলা জ্বালালে ঘরে আগুন ধরে যায়। এ সময় স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের মেয়ে দগ্ধ হন। তাঁরা বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি আছেন।

১৮ ঘন্টা আগে
ছুটির মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাউশির ৪ নির্দেশনা

ছুটির মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাউশির ৪ নির্দেশনা

শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি চললেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চারটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। নির্দেশনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. নাজমুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। এর অংশ হিসেবে তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মিরপুর বাঙলা কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।এ পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে মাউশি। ১) প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, অফিসকক্ষ, বারান্দা, ছাদ, শৌচাগার, আঙিনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ২) কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা পরীক্ষা করে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩) শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সম্পৃক্ত করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ৪) প্রতিষ্ঠানের সার্বিক শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য দেয়া এই নির্দেশনা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিকে ‘অতিব জরুরি’ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

১৮ ঘন্টা আগে
রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানেরও নিতে হবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশের পিঠা-পুরির দোকানেরও নিতে হবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পিঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।  আগামী ১ নভেম্বর থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। বিধান অনুযায়ী, যেসব ব্যবসার নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক, সেগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। বুধবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের বিষয়ে এসব বিধান রাখা হয়েছে। নতুন প্রবিধানমালার আওতায় খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, স্থাপনার লাইসেন্স, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানির লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত খাদ্যপণ্যের নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রবিধানমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনাকে নিবন্ধন নিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক। পাশাপাশি পাইকারি মুদি ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসাও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজু বিক্রির দোকানও এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবে না। শুধু সাধারণ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধনই নয়, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে। স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিশুদের ফর্মুলা দুধের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান প্রযোজ্য হবে। বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং অভিনব খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসারে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে হবে। কোনো খাদ্যপণ্য বাজারজাত করার সময় স্বাস্থ্যগত উপকার বা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা হলে সে ক্ষেত্রে ‘নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে।  বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে। তবে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে। অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হবে ৬০ হাজার টাকা। নতুন ব্যবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করার বিধানও রাখা হয়েছে। এর ফলে প্যাকেটে থাকা নম্বরের মাধ্যমে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে কোনো খাদ্যপণ্য বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করেও তা জানানো যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন জমা দেয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিএফএসএ বলছে, নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক হলেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

১৯ ঘন্টা আগে
পথের পিঠার দোকান থেকে রেস্তোরাঁ, লাগবে নিবন্ধন

পথের পিঠার দোকান থেকে রেস্তোরাঁ, লাগবে নিবন্ধন

রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি-পিঁয়াজুর দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান—সব ধরনের নির্ধারিত খাদ্য ব্যবসাকে নিবন্ধনের আওতায় আনছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।আগামী ১ নভেম্বর থেকে এসব খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক, সেগুলো প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।বুধবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।গত ১৬ জুলাই সরকারি গেজেটে প্রকাশিত ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এ এ বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে। নতুন প্রবিধানমালায় খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধন, ব্যবসায়িক লাইসেন্স, স্থাপনার লাইসেন্স, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানির লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত খাদ্যপণ্যের নিবন্ধনের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রবিধানমালা অনুযায়ী, নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনাকে নিবন্ধন নিতে হবে। এই তালিকায় রয়েছে রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ, ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠান, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক। পাশাপাশি পাইকারি মুদি ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার, কোল্ড স্টোরেজ এবং ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসাও নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজু বিক্রির দোকানও এই বাধ্যবাধকতার বাইরে থাকবে না। শুধু সাধারণ খাদ্য ব্যবসার নিবন্ধনই নয়, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুদ, আমদানি ও বিপণনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য লাইসেন্স নিতে হবে। স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিশুদের ফর্মুলা দুধের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তি এবং নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান প্রযোজ্য হবে। বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং অভিনব খাদ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধান অনুসারে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নিতে হবে। কোনো খাদ্যপণ্য বাজারজাত করার সময় স্বাস্থ্যগত উপকার বা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি করা হলে সে ক্ষেত্রে ‘নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে। নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে।  বিএফএসএ জানিয়েছে, নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে। তবে নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন বিনামূল্যে করা হবে। অন্যদিকে, বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের স্থাপনার লাইসেন্সের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে। ১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হবে ৬০ হাজার টাকা। নতুন ব্যবস্থায় খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বিএফএসএর নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করার বিধানও রাখা হয়েছে। এর ফলে প্যাকেটে থাকা নম্বরের মাধ্যমে ভোক্তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন। একই সঙ্গে কোনো খাদ্যপণ্য বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে অভিযোগ থাকলে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করেও তা জানানো যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন জমা দেয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিএফএসএ বলছে, নির্ধারিত ক্ষেত্রে নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেয়া বাধ্যতামূলক হলেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

১৯ ঘন্টা আগে
হত্যাচেষ্টা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা

হত্যাচেষ্টা মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে হত্যাচেষ্টার একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই মামলায় আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।সোনা চোরাচালান ও অর্থপাচারের অভিযোগে সিআইডির করা একটি মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে দুপুরের পর দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।অন্যদিকে, উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সুমন মিয়া। এ মামলায় তাঁর আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন জানান।উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। যে মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে সেই মামলার বাদী আ. জব্বার। ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ তারা পশ্চিম থানায় দায়ের করা এই মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, জুলাই/২০২৪ থেকে ছাত্রজনতা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু করে। বাদী ছাত্রদের সঙ্গে একাত্তা ঘোষনা করে আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা ও বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ স্বৈরাচার সরকার পতনের একদফা দাবিতে উত্তরার বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেয়। ৫ আগস্ট বাদী আ. জব্বার উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ওপর বিএনএস সেন্টারের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। দুপুর ১২ টায় একটি বুলেট বাদীর শরীরের (মেরুদন্ডের নিচে কোমরের ওপরে) প্রবেশ করে। তৎক্ষণাৎ বাদী রাস্তায় অজ্ঞান হয়ে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত আন্দোলনকারীরা বাদীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (পিজি হাসপাতাল) নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, পুলিশ কর্মকর্তাসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, দিলীপ কুমার আগারওয়ালা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য এবং চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন। তিনি এই মামলার অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে মামলার ঘটনাস্থলে স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে মামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে তথ্য প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তাদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ ও ঘটনার সময় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগারওয়ালাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বনানী থেকে আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন সিআইডির দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে একদিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব। এরপর বিভিন্ন হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এসব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০২৫ সালের ১ অক্টোবর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

১৯ ঘন্টা আগে
ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৩ জন।বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৭ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২১১ জন রয়েছেন।এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ১৫৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১১১ জন, রংপুর বিভাগে ২৮ জন এবং সিলেট বিভাগে ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৩৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।

১৯ ঘন্টা আগে
গর্ভের সন্তান বিক্রির চিন্তা, সহায়তার উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর

গর্ভের সন্তান বিক্রির চিন্তা, সহায়তার উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর

অভাবের তাড়নায় গর্ভের সন্তান বিক্রির কথা ভাবছিলেন অন্তঃসত্ত্বা আঁখি। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার খরচ ও ঋণের বোঝায় দিশেহারা এই নারীর অসহায়ত্বের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চান আঁখি’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায় আঁখির অসহায়ত্বের চিত্র। প্রতিবেদনটি নজরে আসার পরই তার পরিবারের খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে আঁখি ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে এক লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। পাশাপাশি সন্তান প্রসবের যাবতীয় খরচ বহন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আঁখি তৃতীয়বারের মতো মা হতে যাচ্ছেন। তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসারের আয়-রোজগার কার্যত সংকুচিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে স্বামীর চিকিৎসা, সংসারের দৈনন্দিন খরচ এবং ঋণ পরিশোধের চাপ পরিবারটিকে আরও অসহায় পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এই সংকট থেকে মুক্তির কোনো পথ খুঁজে না পেয়ে, শেষ পর্যন্ত অনাগত সন্তানকে বিক্রি করার মতো কঠিন সিদ্ধান্তের কথা ভাবতে বাধ্য হন আঁখি। অভাবের চাপে একজন মায়ের এমন কঠিন সিদ্ধান্তের কথা সামনে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর এই সহায়তা পরিবারটির সংকট কাটিয়ে ওঠার নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

২০ ঘন্টা আগে
২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের চর্চায় নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশপ্রেম ও মূল্যবোধের চর্চায় নৈতিক শিক্ষার বিকল্প নেই। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

বাবার মতো সত্যবাদীদের মূল্যায়ন না করার মাসুল এখন দিচ্ছি: রুমিন ফারহানা

ভাষাসৈনিক অলি আহাদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তাঁর কন্যা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, “আমার বাবার মতো সত্যবাদী মানুষ রাজনীতিতে খুব বেশি আসে না। এ ধরনের মানুষকে মূল্যায়ন না করে আমরা যে পাপ করেছি, তার মাসুল এখন দিতে হচ্ছে। আজকে বাংলাদেশের রাজনীতি যে জায়গায় পৌঁছেছে, এর পেছনে আমরা সবাই দায়ী।”বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর দ্বিতীয় গেট এলাকায় সংসদ সদস্যের নিজস্ব বাসভবনের সামনে এই মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনসুর আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুমিন ফারহানা তাঁর প্রয়াত পিতা ভাষাসৈনিক অলি আহাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় উপস্থিত সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।মাহফিলে আমন্ত্রিত বক্তারা বলেন, ভাষাসৈনিক অলি আহাদ ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক বীর ও কৃতী সন্তান। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে তাঁর অপরিসীম বীরত্ব ও জাতীয় রাজনীতিতে অবদান জাতি চিরদিন পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, অরুয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম এবং অ্যাডভোকেট ফরহাদসহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

লিংক কপি করা হয়েছে!

আইনি জটিলতায় নেপালে মুক্তি পাচ্ছে না ‘উড়তা তীর’

আগামী ২৩ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা বলিউড অভিনেতা আয়ুষ্মান খুরানা ও সারা আলি খান অভিনীত সিনেমা ‘উড়তা তীর’। তবে মুক্তির মাত্র ৭২ ঘণ্টা আগে আইনি জটিলতায় পড়েছে ছবিটি। করণ জোহরের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটি নেপালে প্রদর্শনের অনুমতি না পাওয়ায় দেশটির প্রেক্ষাগৃহে আপাতত মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।নেপালের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড ছবিটি পর্যালোচনা করে দেশটির চলচ্চিত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। এরপর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অডিও-ভিজ্যুয়াল ও সম্প্রচার বিভাগ সিনেমাটির প্রকাশ্য প্রদর্শনের অনুমতি দেয়নি।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালের জাতীয় চলচ্চিত্র আইন ২০২৬-এর ৮(৩) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে নেপালের সিনেমা হলগুলোতে ‘উড়তা তীর’ মুক্তি পাচ্ছে না। কাঠমান্ডুর অলোকনগরে অবস্থিত ন্যাশনাল সিনেমা গ্রুপ নেপাল প্রাইভেট লিমিটেডকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। তবে কোনও দৃশ্য বা বিষয়বস্তুর কারণে এমন সিদ্ধান্ত? এ বিষয়ে এখনও কিছু স্পষ্ট করেনি নেপাল কর্তৃপক্ষ। তাই ঠিক কী কারণে ছবিটি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে অভিযোগ তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ৫টি সহজলভ্য খাবার

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি, ত্বকের সুস্থতা রক্ষা ও ক্ষত নিরাময়ে ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টি উপাদানটির কথা উঠলেই আমরা সাধারণত কমলার কথা ভাবি। তবে কমলার চেয়েও বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এমন পাঁচটি পরিচিত ও সহজলভ্য খাবার নিয়ে বিস্তারিত নিচে তুলে ধরা হলো:১. পেয়ারাপেয়ারা ভিটামিন সি-এর অন্যতম সেরা উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারায় কমলার চেয়ে বহুগুণ বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এতে থাকা ডায়েটারি ফাইবার হজমে সহায়তা করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।সকালের নাশতায় গোটা পেয়ারা বা টুকরো করে ফ্রুট সালাদে খেতে পারেন। স্বাদের জন্য সামান্য ভাজা জিরার গুঁড়া ছেটাতে পারেন, তবে অতিরিক্ত লবণ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।২. আমলকীআমলকী ভিটামিন সি এবং ভেষজ গুণাবলীতে ভরপুর। এটি সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং পুষ্টিকর খাদ্যতালিকায় একটি আদর্শ সংযোজন।তাজা আমলকী খাওয়ার পাশাপাশি চাটনি বা সালাদে গ্রেট করে যুক্ত করে খাওয়া যায়।৩. লাল ও হলুদ ক্যাপসিকামরঙিন ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ক্যারোটিনয়েড থাকে। বিশেষ করে লাল ও হলুদ ক্যাপসিকামে কমলার চেয়েও বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়।পনির টিক্কা, সবজি ফ্রাই, স্যান্ডউইচ বা সালাদে ক্যাপসিকাম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন সি তাপ-সংবেদনশীল হওয়ায় এটি কাঁচা বা হালকা সাঁতলালে (stir-fry) পুষ্টিগুণ বেশি বজায় থাকে।৪. কাঁচা মরিচকাঁচা মরিচ ভিটামিন সি-এর অত্যন্ত ঘনীভূত উৎস। এতে থাকা 'ক্যাপসাইসিন' যৌগ ঝাল সৃষ্টি করে। সামান্য পরিমাণ কাঁচা মরিচ থেকেই দৈনন্দিন ভিটামিন সি-এর চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হতে পারে।চাটনি, ডাল বা তরকারিতে কুচানো কাঁচা মরিচ যোগ করে খাওয়া যায়। তবে সংবেদনশীল পেট বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত ঝাল পরিহার করা উচিত।৫. পেঁপেসহজলভ্য ফল পেঁপেতে ভিটামিন সি-এর পাশাপাশি প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। নরম গঠনের কারণে এটি সহজে হজমযোগ্য।এক বাটি পাকা পেঁপে অথবা পেয়ারা-পেঁপের ফ্রুট সালাদ বানিয়ে খাওয়া যায়। জুস বা রসের চেয়ে গোটা ফল খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রায় ৬৫ থেকে ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি প্রয়োজন হয়। গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদানকালে এ চাহিদা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।ভিটামিন সি তাপ, বাতাস ও আলোতে নষ্ট হয়ে যায়। তাই শাকসবজি বা ফলমূল অতিরিক্ত রান্না না করে সতেজ ও তাজা অবস্থায় খাওয়া ভালো।

ওমান থেকে আসা ৩ সহযাত্রীর লাগেজ চুরি, যুবক গ্রেফতার

ওমান থেকে আসা ৩ সহযাত্রীর লাগেজ চুরি, যুবক গ্রেফতার

গত ১২ অক্টোবর ওমান থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটে আসা তিনজন যাত্রী মোহাম্মদ হাসান, সাদিক রহমান ও মো. রাকিবের তিনটি লাগেজ চুরির বিষয়টি এয়ারলাইন্স কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি মোঘলের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএনের নজরে আসে। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ওমান থেকে আগত উক্ত ফ্লাইটের যাত্রী জসিমকে চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি মোঘল বাদী হয়ে শনাক্তকৃত যাত্রী জসিমের বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চুরি হওয়া তিনটি লাগেজে আনুমানিক ৭৫ হাজার টাকার মালামাল ছিল। পরবর্তীতে এয়ারপোর্ট (১৩) এপিবিএন বিমানবন্দর থানা ও কচুয়া থানার সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে চাঁদপুরের কচুয়া থেকে মামলার আসামি জসিমকে গ্রেফতার এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে মামলার আসামি জসিম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় চুরিসহ অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সর্বদা তৎপর এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। যেকোনও ধরনের অপতৎপরতা প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ, জনহয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড, চুরি ও চোরাচালান প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream