জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে দুটি অনুদান চুক্তিও সই হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চ ও বিশ্ববাজারে এক 'নতুন বাংলাদেশ'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করতে একটি টহলজাহাজ সরবরাহের জন্য ২১২ কোটি জাপানি ইয়েনের (প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ) একটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪
স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় তোলেদো (Toledo) প্রদেশের উর্দা (Urda) এলাকার কাছে দুটি দ্রুতগতির (High-Speed) যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬৪ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে নিচে পড়ে যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটের দিকে মাদ্রিদ থেকে সেভিয়াগামী রুটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্পেনের জরুরি সেবাবিষয়ক কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, মাদ্রিদ-সেভিয়া রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন অপর একটি ট্রেনের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।সংঘর্ষের বিকট প্রভাবে ট্রেনের অন্তত দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইনের পাশের গভীর ঢাল বেয়ে নিচে পড়ে যায়।দুর্ঘটনার পরপরই ওই ব্যস্ত রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, জরুরি সেবাকর্মী ও একাধিক চিকিৎসক দল মোতায়েন করা হয়েছে। বগির ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এবং আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ চলছে।দুর্ঘটনার মূল কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, ড্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট’ (আইইডিসিআর)-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর নিজ কার্যালয়ে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে মহাখালীতে অবস্থিত আইইডিসিআর ভবনে পরিচালকের নিজ কক্ষে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর কক্ষে কয়েকজনের সঙ্গে অফিসিয়াল বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তি হঠাৎ অনধিকার প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আইইডিসিআর পরিচালককে গায়ের জোরে চেয়ার থেকে টেনে তুলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন।হামলার শিকার অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি অভিযোগ করেন, ড্যাবের কর্মীরাই সংঘবদ্ধ হয়ে অফিসে ঢুকে তাঁর ওপর এ অতর্কিত হামলা ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত এক জনস্বাস্থ্যবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আগে কখনো আইইডিসিআর চত্বরে দেখা যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ চিকিৎসকের ওপর হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে উল্টো পরিচালকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “তার (কাজী আহমেদ) তো কিছু দোষ আছে।”কী ধরনের দোষ—এমন প্রশ্নে তিনি মুঠোফোনে একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইইডিসিআরের পরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে থাকা জনস্বাস্থ্যবিদ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে বর্তমান সরকারের আমলে কাজী আহমেদ কীভাবে নিজের কার্যালয়ে বৈঠক করেন? এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করেই মূলত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।একটি রাষ্ট্রের শীর্ষ জনস্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের ওপর এমন হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদ ড. মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন, “একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তাঁর নিজ কক্ষে ঢুকে মারধর করা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”উল্লেখ্য, আইইডিসিআর দেশের মহামারি ও সংক্রামক রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউএস-সিডিসির (CDC) মতো বৈশ্বিক সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে থাকে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং সম্প্রতি তিনি দেশে হামের টিকার কার্যকারিতা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
কেন ঘটল বিদ্যুৎ বিপর্যয়, খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি
দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কেন এই সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখবে কমিটি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশও করবে তারা।বিদ্যুৎ বিভাগের এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজাকে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন- পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের সাবেক নির্বাহী পরিচালক (পিএন্ডডি) মো. আমির খসরু, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) সিস্টেম প্রটেকশন অ্যান্ড টেস্টিং কমিশনিং বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন প্রতিনিধি। কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মো. আব্দুল মোনায়েম চৌধুরীকে। প্রয়োজনে কমিটি উপযুক্ত ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির কার্যপরিধিতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত আংশিক গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করা, এ ধরনের বিপর্যয় রোধে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন এবং গ্রিডের সুরক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?
সালাহউদ্দিন আহমেদের খায়েস হয় উপরাষ্ট্রপতি বা উপপ্রধানমন্ত্রী হবেন: সারোয়ার তুষার
সালাহউদ্দিন আহমেদের খায়েস হয় উপরাষ্ট্রপতি বা উপপ্রধানমন্ত্রী হবেন: সারোয়ার তুষার
ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফিরতে চায় যুক্তরাজ্য? যা বললেন অ্যান্ডি বার্নহাম
ডিসেম্বরেই শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় কার্যকর হবে: এমপি মাসুদ
'গণঅধিকার পরিষদের জন্ম না হলে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান হতো না'
আওয়ামী লীগ মন খারাপ করে ভাবছে কীভাবে আবার আলোচনায় আসা যায়: ছাত্রদল নেতা নাসির
কক্সবাজারে লাইসেন্সহীন ৫ শতাধিক হোটেল রিসোর্ট, শিগগিরই অভিযান
"ভিডিও করার দোহাই দিয়ে আমাদের মিছিলের সামনে মিছিল"