সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফর মঙ্গলবার, থাকছে যেসব কর্মসূচি

শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আগামী মঙ্গলবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে নগরের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি। নগরের হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে এ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এতে দলের সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তবে গত ৯ আগস্টের সভার তুলনায় এবার অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীর সংখ্যা কম রাখা হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানে চট্টগ্রামে আসবেন। সন্ধ্যা ৬টায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপে যাবেন তিনি। সেখানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সভা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সভায় দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে ৯ আগস্টের সভার তুলনায় এবার দলীয় নেতা-কর্মীর সংখ্যা কম রাখা হবে। দলীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট অবস্থান করার পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগে, ৯ আগস্ট হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুর হলরুমে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এবার প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে একই হোটেলে আবারও দলীয় সভার আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে। রবিবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্যমেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব সভায় ওঠার কথা রয়েছে। সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তর করা হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে, যা অনুমোদনের জন্য আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠবে। মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। বিডি প্রতিদিন/এআরএ

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর বড় প্রমাণ। তিনি বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’ রবিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, ‘প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এতে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ তিনি এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তারেক রহমান বলেন, সরকারের উদ্যোগে একটি এলাকাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখন সেই সৌন্দর্য ও পরিবেশের উন্নয়ন ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সহযোগিতা করলে এলাকাটিকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলেন। তিনি বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব জায়গা উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই দুর্গাপূজার মূল দর্শন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্যায়, অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং তা পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন। রবিবার শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রমনা মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি সবাইকে দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র পৃথিবীতে যখন অন্যায়, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন নেমে এসেছিল, তখনই দেবী দুর্গার আবির্ভাব হয়েছিল।’ তিনি বলেন, এই দেশে বারবার অসুরের আবির্ভাব হয়েছে এবং বাংলাদেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে। রমনা কালী মন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এটাকে ধ্বংস করার চেষ্টা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটাকে পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে, তাদের হাতেই এই অপকর্ম হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, এরপর ২০০১ সালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই রমনা কালী মন্দির পুনঃস্থাপিত হয় এবং তখন থেকেই এটাকে আবার পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। এসময় তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে একতাবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে সবসময় অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়, অপপ্রচার করা হয় । তিনি বলেন, আমরা খুব দৃঢ় কণ্ঠে, জোর গলায় বলতে পারি- বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক যে সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নাই। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন রাষ্ট্রপতি। এসময় তিনি পূজার সফলতা কামনা করেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনকারীদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অপর্ণা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য। রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: হুইপ দুলু

হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: হুইপ দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, হাসপাতালে চিকিৎসকদের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। কিন্তু সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তিনি অনেক চিকিৎসক ও নার্সকে নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত হতে দেখেননি। নির্ধারিত সময়ে হাসপাতালে উপস্থিত না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নাটোর জেনারেল হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। হুইপ দুলু বলেন, হাসপাতালে সরকারি বেতন ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেও যারা নির্ধারিত নির্দেশনা মানবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করার অনুরোধ জানান তিনি। হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল সরকারিভাবে ১০০ শয্যার অনুমোদন নিয়ে পরিচালিত হলেও বর্তমানে এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হিসেবে চালানো হচ্ছে। অথচ জনবল, ওষুধ ও খাবারের বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১০০ জন রোগীর জন্য। হাসপাতালে এসে তিনি প্রায় ৯০০ রোগী দেখতে পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মাত্র ১০০ জনের জন্য খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে অনেক রোগী খাবার পাচ্ছেন না, যা দুঃখজনক। তিনি বলেন, ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে ৯০০ রোগীকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়া হাসপাতালের বাথরুমগুলো অপরিষ্কার রয়েছে। বাথরুমগুলো সার্বক্ষণিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এ বিষয়ে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান বলেন, জনবল সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব সমস্যার সমাধান হবে। চিকিৎসকসহ হাসপাতালের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ নির্দেশনা অমান্য করলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতালের হিসাবরক্ষক শামসুন আরা বলেন, ২০২৩ সালে হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও জনবল এখনো ১০০ শয্যার হিসাবেই রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী ভর্তি থাকেন এবং বহির্বিভাগে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ রোগী চিকিৎসা নেন। ফলে যে বরাদ্দ পাওয়া যায়, তা দিয়ে হাসপাতালটি সঠিকভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান, আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহমানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিডি প্রতিদিন/এম.এস

৮ ঘন্টা আগে
চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফর মঙ্গলবার, থাকছে যেসব কর্মসূচি

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফর মঙ্গলবার, থাকছে যেসব কর্মসূচি

শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আগামী মঙ্গলবার চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে নগরের রহমতগঞ্জের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি। নগরের হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে এ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এতে দলের সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। তবে গত ৯ আগস্টের সভার তুলনায় এবার অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীর সংখ্যা কম রাখা হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী সামরিক বিমানে চট্টগ্রামে আসবেন। সন্ধ্যা ৬টায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপে যাবেন তিনি। সেখানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভার কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সভা প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সভায় দলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। বিএনপির নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণকারীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে ৯ আগস্টের সভার তুলনায় এবার দলীয় নেতা-কর্মীর সংখ্যা কম রাখা হবে। দলীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে প্রায় ৪০ মিনিট অবস্থান করার পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এর আগে, ৯ আগস্ট হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুর হলরুমে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা, দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাদের নিয়ে সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এবার প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে একই হোটেলে আবারও দলীয় সভার আয়োজন করা হচ্ছে।

৮ ঘন্টা আগে
মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা

মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা

মা ইলিশ সংরক্ষণে ১১১ এমপিকে নির্দেশনা (ডিও লেটার) দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ।  রোববার (১৮ অক্টোবর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এ ডিও লেটার সংশ্লিষ্ট এমপিদের কাছে প্রেরণ করা হয়। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ সফলভাবে বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ৩৮টি জেলার এসব সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার প্রদান করেন মন্ত্রী। ডিও লেটারে মন্ত্রী মা ইলিশ সংরক্ষণে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বলেন, জাতীয় মৎস্যসম্পদ ও ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য ইলিশ বাংলাদেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, পুষ্টিনিরাপত্তা ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এ সম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৮ অক্টোবর থেকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬ পরিচালিত হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, অভিযান চলাকালে নির্ধারিত এলাকায় সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় আইনত নিষিদ্ধ। ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ভবিষ্যতে এ সম্পদের উৎপাদন ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এ অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির সফলতা কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল নয়। এক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিও লেটারে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকার উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতা-কর্মী এবং সামাজিকভাবে সুপরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের অভিযান বাস্তবায়নে সহযোগিতা, জেলেদের আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা এবং অবৈধভাবে ইলিশ আহরণ নিরুৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

৮ ঘন্টা আগে
এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

এবার একুশে বইমেলা শুরু ৭ জানুয়ারি

আগামী ৭ জানুয়ারি অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ শুরু হবে। মেলা চলবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আজ রোববার বাংলা একাডেমির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ অক্টোবর সকালে বাংলা একাডেমির শহিদ মুনীর চৌধুরী সভাকক্ষে বইমেলা আয়োজন নিয়ে প্রকাশক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই প্রকাশক প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের বইমেলার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।

৮ ঘন্টা আগে
ছেলের সঙ্গে ওমরাহ পালনে গিয়ে বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু

ছেলের সঙ্গে ওমরাহ পালনে গিয়ে বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু

পবিত্র ওমরাহ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের মক্কায় মারা গেছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার জহুরা বেওয়া (৬৮)। গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার মনিগ্রাম আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা তহুরুল ইসলামের মা। জহুরা বেওয়ার বাড়ি বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের পারশাওতা বিনোদপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মুন্সি খলিল উদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওমরাহ পালনের উদ্দেশে গত ৭ অক্টোবর ছেলের সঙ্গে সৌদি আরবে যান জহুরা বেওয়া। ওমরাহ পালনকালে মক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়। আগামী ২৩ অক্টোবর ছেলের সঙ্গে তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল। মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে অধ্যক্ষ তহুরুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল বিকেল ৪টার দিকে মা মক্কায় ইন্তেকাল করেছেন। সেখানেই তাঁর দাফন সম্পন্ন করা হবে।’

৮ ঘন্টা আগে
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড; দুই মেয়েসহ তুহিন-আফসানা দম্পতির ভাগ্যে কী ঘটেছে!

রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড; দুই মেয়েসহ তুহিন-আফসানা দম্পতির ভাগ্যে কী ঘটেছে!

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন যশোরের মণিরামপুরের একই পরিবারের চারজন। তাঁরা হলেন মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান তুহিন (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩৬) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)। রিসোর্টের শৌচাগার থেকে চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর পাওয়ার পর তাঁদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বেড়েছে। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি। নিখোঁজ তুহিনের চাচাতো ভাই ও মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মোড়ের ওষুধ ব্যবসায়ী রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ওঠেন তুহিন। সেখানে দুই দিন থাকার পর রবিবার তাঁদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। কক্সবাজারে অবস্থানকালে তুহিন তাঁর বাবার সঙ্গেও ফোনে কথা বলেন। রিয়াজ উদ্দিন জানান, শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে তুহিনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পেয়ে স্বজনরা তুহিনের স্ত্রী তানজির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার সন্ধ্যায় রিসোর্টের শৌচাগার থেকে পরস্পরকে জড়িয়ে থাকা অবস্থায় চারজনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তুহিন, তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ের পরিণতি নিয়ে স্বজনদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়। তুহিনের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স ঘটনার পর থেকেই ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। যোগাযোগ করতে না পেরে রবিবার সকালে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, 'তুহিন ও তার স্ত্রী, দুই মেয়ের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা নিশ্চিত নই।' মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাইদ বলেন, মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য তুহিনের বাবা ও শ্বশুর-শাশুড়ি কক্সবাজার গেছেন। পরীক্ষার ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত মরদেহ চারটির পরিচয় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। স্বজনরা জানান, তুহিন রাজধানীর শ্যামলীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ছিলেন। স্ত্রী ও দুই মেয়েকে নিয়ে ঢাকার মিরপুরে বসবাস করতেন তিনি। বিডি প্রতিদিন/এনআরএইচ

৮ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলছে। রবিবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্যমেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব সভায় ওঠার কথা রয়েছে। সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্যমেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তর করা হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে, যা অনুমোদনের জন্য আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠবে। মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে। বিডি প্রতিদিন/এআরএ

৯ ঘন্টা আগে
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে পরিচ্ছন্ন-পরিবেশবান্ধব এলাকা গড়ে তোলা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর বড় প্রমাণ। তিনি বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’ রবিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, ‘প্রায় দুই মাস আগে আমিনবাজার এলাকার যে অবস্থা ছিল, বর্তমানে সেখানে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এতে এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য অপেক্ষাকৃত সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।’ তিনি এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তারেক রহমান বলেন, সরকারের উদ্যোগে একটি এলাকাকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। এখন সেই সৌন্দর্য ও পরিবেশের উন্নয়ন ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিতে হবে। সবাই সহযোগিতা করলে এলাকাটিকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ঢাকা জেলা প্রশাসককে আমিনবাজারের আশপাশে ঢাকা জেলার আওতাধীন এলাকায় সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিতে বলেন। তিনি বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে যেসব স্থানে এখনো ময়লা-আবর্জনা জমে রয়েছে, সেসব জায়গা উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যদের প্রতিও আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকার অনুরূপ স্থানগুলোকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও সুন্দর করে গড়ে তুলতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির আওতায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১০ ঘন্টা আগে
সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

সৌদি আরবে দুই প্রবাসীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘটনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।  রোববার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ে তাকে তলব করে রাষ্ট্রদূতকে দুই বাংলাদেশি প্রবাসীর শিরশ্চেদের ঘটনা ও এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছে সরকার। এর আগে গতকাল শনিবার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ নিয়ে সরকার এখনো কিছু জানতে পারেনি। তবে বাংলাদেশ চিঠি দিয়ে তথ্য জানতে চেয়েছে।  এ সময় সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত‍্যুদণ্ড ‘আমাদের জন‍্য’ বড় শিক্ষা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুনআরও পড়ুনসৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের পর শামা ওবায়েদ বললেন, ‘আইন মেনে চলতে’ শামা ওবায়েদ বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশ মিশনের শ্রম উইং থেকে যে বার্তা এসেছে, মক্কা নগরীর একটি মসজিদের অভ‍্যন্তরে ‘ব‍্যভিচারে’ লিপ্ত ছিলেন দুই বাংলাদেশি, যা সৌদি আইনে একটি গর্হিত কাজ হিসেবে গণ‍্য। ওই আইন অনুযায়ী আদালত ব‍্যবস্থা নিয়েছে; কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার কোনো কিছুই পায়নি। বাংলাদেশ তাই দুজনের বিস্তারিত জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে। সৌদি আরব চিঠির জবাব দিলে মৃতদেহগুলো কীভাবে ফেরত আনা যাবে সে বিষয়ে জানতে পারবেন বলে উল্লেখ করেছেন শামা ওবায়েদ।

১০ ঘন্টা আগে
কৃষিকে কেবল জীবিকা নয়, লাভজনক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠার তাগিদ

কৃষিকে কেবল জীবিকা নয়, লাভজনক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠার তাগিদ

কৃষিকে কেবল জীবিকার মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং একটি লাভজনক বাণিজ্যিক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার তাগিদ দিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসিন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কৃষি খাতকে সনাতন ধারা থেকে বের করে আধুনিক ও লাভজনক খাতে রূপান্তর করতে হবে।’ আজ রোববার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিস মিলনায়তনে ‘কৃষি রূপান্তরের বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কৃষি খাতে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে মো. ইয়াসিন বলেন, ‘কৃষিতে তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং আধুনিক বাজারজাতকরণ-সংক্রান্ত তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় প্রেক্ষাপটে কৃষিকে কেবল জীবিকার মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি লাভজনক বাণিজ্যিক খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’ সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক মো. মসীহুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক রওশন আলম এবং কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কম্পোনেন্ট পরিচালক মোহাম্মদ রাজু আহমেদ প্রমুখ।

১০ ঘন্টা আগে
১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪২ পিএম
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে সংস্কার। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ক্ষমতার রাজনীতি ও আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে সংস্কার। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

তালতলীতে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে জমি ও দোকান দখলের চেষ্টার অভিযোগ

বরগুনার তালতলীতে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে জমি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টার এবং অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আবু-বকর সিদ্দিক নসু মৃধা।রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১টায় ‘তালতলী প্রেসক্লাব’ -এর হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন: তালতলী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আকন মো. আল-মামুন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা নসু মৃধা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা শহরের বটতলা এলাকায় তাঁর নিজস্ব মালিকানাধীন জমি ও দোকানঘর আকন মামুন ও নাসির উদ্দিন বাস কাউন্টার পরিচালনার জন্য ভাড়া নেন। গত তিন মাস ধরে তাঁদের কাছে ১৭ হাজার টাকা ভাড়া ও বিদ্যুৎ বিল বকেয়া পড়ে। উক্ত বকেয়া টাকা পরিশোধের জন্য অনুরোধ করা হলে তাঁরা পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদান করতে থাকেন। বকেয়া পাওনার দাবিতে তিনি দোকানঘর থেকে দুটি চেয়ার ও একটি টেবিল সরিয়ে নেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আকন মামুন ও তাঁর সহযোগীরা আশপাশে থাকা শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং জেলা বিএনপির সভাপতি-সম্পাদকের ছবি সম্বলিত ব্যানার ও ছবি ভাঙচুর করে। পরবর্তীতে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তারা দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি ভাঙচুরের সাজানো নাটক তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালায়।নসু মৃধা আরও জানান, আকন মামুন ও নাসির উদ্দিন গং শুধু দলের ভাবমূর্তি নষ্টই করছে না, তারা গণপ্রজাতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান নাম ভাঙিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাই দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং এ ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আকন মো. আল-মামুন। তিনি বলেন, “জমিটি ক্রয়সূত্রে আমাদের মালিকানাধীন। তৎকালীন সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান তনু অন্যায়ভাবে জমিটি দখল করে সেখানে দোকান ঘর নির্মাণ করেছিলেন। গত ৫ আগস্টের পর প্রশাসন ও ছাত্রদলের যৌথ সহযোগিতায় জমিটি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে সেখানে আমরা ব্যবসায়িক ও দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছি। উল্টো নসু মৃধা ও তাঁর সহযোগীরা আমাদের দোকানে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে।”​এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

লিংক কপি করা হয়েছে!

রান্নার স্বাদ-মান যাচাই করবেন জয়া আহসান

রান্নাবিষয়ক জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সেরা রাঁধুনী’র নবম সিজনে বিচারকের দায়িত্বে থাকছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। এর আগে শোয়ের আটটি সিজনের মধ্যে চারটিতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। সর্বশেষ সিজনেও প্রতিযোগীদের রান্নার স্বাদ ও মান যাচাই করে সেরাদের বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার পূর্ণিমার পরিবর্তে বিচারকের আসনে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। গতকাল এক ভিডিও বার্তায় নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেত্রী। এর আগে রিয়েলিটি শোর বিচারকের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকলেও রান্নার অনুষ্ঠানে এবারই প্রথম বিচারকার্যে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। ভিডিও বার্তায় জয়া আহসান বলেন, ‘কুকিং রিয়েলিটি শো সেরা রাঁধুনী সিজন ৯-এ বিচারক হিসেবে আমি থাকছি। যাঁরা রান্না করতে ভালোবাসেন বা রান্না নিয়ে নানা রকম স্বপ্ন দেখেন তাঁদের জন্য এই আয়োজন। ২০ বছর ধরে এমন অনেক রাঁধুনীর জীবন বদলের রেসিপি হচ্ছে সেরা রাঁধুনী। সেই রাঁধুনীদের সঙ্গে শিগগির দেখা হচ্ছে সেরা রাঁধুনীর মঞ্চে।’ জয়া আহসানের সঙ্গে সেরা রাঁধুনীর নতুন এই সিজনে বিচারক হিসেবে থাকবেন দুই পেশাদার শেফ শুভব্রত মৈত্র এবং শাহিদ শাহিন। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে সেরা রাঁধুনী সিজন ৯-এর রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পাবেন ১৫ লাখ টাকা। অনুষ্ঠানটি প্রচার হবে মাছরাঙা টেলিভিশনে। খবর ছড়িয়েছে, মা হতে যাচ্ছেন পূর্ণিমা। এ কারণেই সেরা রাঁধুনীর নতুন সিজন থেকে বেরিয়ে এসেছেন তিনি। গত শুক্রবার এক রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়েছিলেন পূর্ণিমা। সেই অনুষ্ঠানের ভিডিও ঘিরেই তৈরি হয়েছে তাঁর মা হওয়ার গুঞ্জন। তবে এখনো মা হওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি পূর্ণিমা।

মানবজাতির যাত্রাপথ চিরতরে বদলে যাবে, বলছেন নোবেলজয়ী চিকিৎসক

এ বছর চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেয়েছেন মার্কিন স্নায়ুবিজ্ঞানী ও চিকিৎসক কার্ল ডাইজেরথ। পড়ুন তাঁর কথামালা। সব মানুষের মস্তিষ্কেরই কিছু অসাধারণ দিক থাকে। আমার বেলায় বেশ কয়েকবারই সেটা স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। শব্দের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক আছে। খুব দ্রুত কোনো লেখা পড়ে সেটা মনে রাখতে পারি। মনে আছে, ক্লাস ফাইভে পড়ার সময় একটা কবিতা মুখস্থ করার জন্য আমাদের প্রায় ৪৫ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হাত তুলে আমি বলেছিলাম, ‘হয়ে গেছে।’ সামনে গিয়ে যখন কবিতাটি আবৃত্তি করলাম, শিক্ষক চমকে গিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই ভাবছিলেন, ‘এটা কীভাবে সম্ভব! ও নিশ্চয়ই কবিতাটা আগে থেকেই জানত।’ তাই পরীক্ষা করার জন্য তিনি আমাকে অন্য একটা কবিতা দিলেন। সেটাও আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মুখস্থ করে ফেলেছিলাম। আদতে শব্দগুলোকে আমি একটা গুচ্ছ আকারে দেখার চেষ্টা করি। অনেকে যেমন একপলকে একটি শব্দ বা বাক্য পড়ে ফেলতে পারে, আমি একপলকেই একগুচ্ছ বড় লেখা পড়ে ফেলতে পারি। তবে শব্দ নিয়ে আমার অনুভূতির গভীরতাও এখানে সাহায্য করে। অনুভূতি হলো স্মৃতির একটা অংশ, আর স্মৃতি হলো অনুভূতির অংশ। কোনো কিছু যদি মনে কোনো অনুভূতি সৃষ্টি না করে, তবে তা মনে রাখার কোনো কারণ নেই। আমার মনে হয়, এ অনুভূতিই শব্দগুলোকে মনে রাখতে সাহায্য করে। আমি বোঝার চেষ্টা করছিলাম, মানুষের ভেতরে অনুভূতির জন্ম কোথা থেকে হয়। মানুষ হিসেবে এটাই বোধ হয় আমাদের সবচেয়ে গভীর প্রশ্নগুলোর একটি—মস্তিষ্ক বস্তুটির ভেতর কীভাবে অনুভূতি তৈরি হয়? উত্তর না পাওয়া সে প্রশ্নটিই হয়তো আজও আমাকে পরিচালিত করছে। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখি করতাম। রাইটিং ক্লাবে যোগও দিয়েছিলাম। কলেজে পড়ার সময় লেখালেখির কোর্স করেছি। সে সময়ও ভাবতাম, হয়তো বড় হয়ে লেখক হব। এমনকি গ্র্যাজুয়েট স্কুলেও পড়ালেখার পাশাপাশি স্থানীয় একটি কমিউনিটি কলেজে গিয়ে লেখালেখির ক্লাস করেছি। লেখালেখি আমার পুরো জীবনের একটা অংশ। আগ্রহের জায়গা। জীবনজুড়ে এত ব্যস্ততা, এসবের মধ্যে লেখালেখির জন্য সময় বের করতে হলে আদতেই একে ভালোবাসতে হয়। আমার মনে হয়, আমাদের মস্তিষ্ক বিজ্ঞান ও শিল্পের মধ্যে একটা বিশেষ যোগসূত্র তৈরি করে। একটা সুন্দর শব্দ যেমন আমাদের মনে বিশেষ অনুভূতি জাগায়। এ সবই কোষের মাধ্যমে ঘটে। মস্তিষ্ক কোনোভাবে শিল্প ও শব্দকে অনুভূতিতে রূপান্তর করে। এক অর্থে, এটাই স্নায়ুবিজ্ঞানের মূল কথা। আবার এটাই শিল্পেরও মূল কথা। সবচেয়ে পরিষ্কার ‘ইউরেকা’ মুহূর্তটি এসেছিল ২০০৭ সালে। ইঁদুরের মস্তিষ্কের যে অংশটি ওর হাঁটাচলা নিয়ন্ত্রণ করে, সেই অংশ নিয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করছিল আমার এক পিএইচডি শিক্ষার্থী। এক সময় দেখা গেল, আমরা আলো জ্বাললেই ইঁদুরটি নড়াচড়া করছে। আবার আলো বন্ধ করলেই থেমে যাচ্ছে। সে এক অবিশ্বাস্য মুহূর্ত। আলো ও উদ্ভিদের ডিএনএ ব্যবহার করে আমরা যে শুধু স্তন্যপায়ী প্রাণীর আচরণ সূক্ষ্মভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছিলাম, তা নয়; বরং এই একটি পরীক্ষাই এক ধাক্কায় অনেক প্রশ্ন ও দ্বিধার জবাব দিয়ে দিয়েছিল। আদতে বিজ্ঞান হলো সাহিত্য, শিল্প, ইতিহাস, আইন—যেকোনো কিছু আরও গভীরভাবে বোঝার মূল চাবিকাঠি। স্নায়ুবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি সত্য। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি, কম্পিউটারবিজ্ঞানে স্নায়ুবিজ্ঞান কী গভীর প্রভাব ফেলছে। এই যে ডিপ লার্নিং ও মেশিন লার্নিং রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলছে, এর মূল কিন্তু ওই স্নায়ুবিজ্ঞানেই। এটা আমাদের চারপাশের জীবন বদলে দিচ্ছে। মানুষের মস্তিষ্ক ও ভবিষ্যতের নিউরোসায়েন্স নিয়ে যদি তরুণেরা কাজ করতে চান, করতে পারেন। তবে আমি তাঁদের আরও বেশি ঝুঁকি নিতে বলব। আপনি যদি এমন কোনো কাজ করেন, যেটাতে বড় ধরনের ঝুঁকি আছে, সেটা আপনাকে একধরনের মুক্তিও দেয়। কারণ, সে ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট ফলাফল বা নির্দিষ্ট সময়ে সাফল্যে পৌঁছানোর প্রত্যাশা থাকে না। এমন প্রত্যাশা না থাকলে কাজটা সহজ হয়। এক অর্থে, আপনি যদি চিরাচরিত পথেই হাঁটেন, সে ক্ষেত্রে চাপ আরও বেশি। কারণ, তখন কাজটা শেষ করতে না পারলে একে বড় ব্যর্থতা বলে মনে হয়। আমি বলব, মাঝেমধ্যে বিরতি নেওয়া, অতিরিক্ত কাজ না করা এবং নিজেকে চাঙা রাখা খুব জরুরি। গভীরভাবে ভাবার জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় রাখুন। আমাদের সবার জীবনেই নানা জরুরি কাজ আসে। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা সময় আলাদা করে রাখা উচিত, যখন আপনি কোনো বিষয়ের একদম গভীরে পৌঁছাতে চেষ্টা করবেন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একটা অনন্য সময়ে বাস করছি। আমরা পৃথিবী সম্পর্কে, নিজেদের সম্পর্কে এমন সব গভীর বিষয় আবিষ্কার করতে যাচ্ছি, যে আবিষ্কার পৃথিবীর ইতিহাসে কেবল একবারই হবে। আমি মনে করি, প্রত্যেক মানুষেরই এই আবিষ্কার নিয়ে রোমাঞ্চিত হওয়া উচিত। কারণ, এর মধ্য দিয়ে মানবজাতির যাত্রাপথ চিরতরে বদলে যাবে। আমাদের সবারই এর পেছনের আনন্দ ও সৌন্দর্যকে উপভোগ করা উচিত।

ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায় স্থগিত 

ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায় স্থগিত 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে বলা হাইকোর্টের রায় আপাতত স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে গ্রামীণ কল্যাণের করা আপিলের শুনানি নিয়ে রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ১৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।  আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream