শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বর, ২০২৬। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিবৃতি দেন তারেক রহমান।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্ম, যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদ বাক্য প্রণিধানযোগ্য। ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। সুতরাং, সারাবেলা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়; একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল। তিনি বলেন, আমি মনে করি, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস এবং সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছে। তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি জনতার বিপ্লব, ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, এভাবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব কিংবা অভ্যুত্থানের একটাই আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনও দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। আমি জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদযাপন উপলক্ষ্যে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি। ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

জুমার পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

রাজধানীর বনানীতে জুমার নামাজ আদায় শেষে একদল শিশু-কিশোরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খেলাধুলা নিয়ে গল্প করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং তারা কী কী খেলা খেলে ও পছন্দ করে তা জানতে চান।’ রুমন আরও জানান, কয়েকজন শিশু জানায় তারা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে, তখন প্রধানমন্ত্রী তারা বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিস খেলে কি না তাও জানতে চান। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শিশুদের আশ্বাস দেন যে তিনি তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করবেন। এরপর তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং ‘ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো’ বলে তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কমিটিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতনস্কেলে বিদ্যমান অসংগতি এবং এ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে কমিটি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরবে তারা। এ ছাড়া বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ, অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করবে কমিটি। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন করে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালু করা যায় কি না, তা-ও বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও পেয়েছে কমিটি। কমিটির কাজে সহযোগিতা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজন বিবেচনায় কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও পাবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।

অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কলেজের মূল ফটকের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি ও ঘোষণা দেন। এর আগে কলেজের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করায় নীলক্ষেত মোড় থেকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।১. মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং জড়িত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।২. অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। তার পদত্যাগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। টানা প্রায় ১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।সে সময় পুলিশি অভিযানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, মধ্যরাতের ওই অভিযানে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো এবং এক নারী শিক্ষার্থীর চুল ও হিজাব ধরে টানাহেঁচড়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

শুষ্ক আবহাওয়া শেষে বৃষ্টির নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস

শুষ্ক আবহাওয়া শেষে বৃষ্টির নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস

আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ৯ ও ১০ নভেম্বর বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর আগে কয়েক দিন আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আগামীকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (৯ নভেম্বর) থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এ দিন বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের শুরুর দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রাও কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

২ ঘন্টা আগে
৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বর, ২০২৬। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিবৃতি দেন তারেক রহমান।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্ম, যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদ বাক্য প্রণিধানযোগ্য। ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। সুতরাং, সারাবেলা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়; একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল। তিনি বলেন, আমি মনে করি, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস এবং সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছে। তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি জনতার বিপ্লব, ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, এভাবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব কিংবা অভ্যুত্থানের একটাই আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনও দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। আমি জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদযাপন উপলক্ষ্যে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি। ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

২ ঘন্টা আগে
জুমার পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

জুমার পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

রাজধানীর বনানীতে জুমার নামাজ আদায় শেষে একদল শিশু-কিশোরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খেলাধুলা নিয়ে গল্প করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং তারা কী কী খেলা খেলে ও পছন্দ করে তা জানতে চান।’ রুমন আরও জানান, কয়েকজন শিশু জানায় তারা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে, তখন প্রধানমন্ত্রী তারা বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিস খেলে কি না তাও জানতে চান। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শিশুদের আশ্বাস দেন যে তিনি তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করবেন। এরপর তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং ‘ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো’ বলে তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।

২ ঘন্টা আগে
আবাসিক হলে পুলিশি হামলা, অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের ছাত্রীদের প্রতিবাদ

আবাসিক হলে পুলিশি হামলা, অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের ছাত্রীদের প্রতিবাদ

‎​রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লায়েড হিউম্যান সায়েন্সের (পূর্বের নাম হোম ইকোনমিকস কলেজ) শিক্ষার্থীদের ওপর মধ্যরাতে আবাসিক হলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত ছাত্রীরা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত মোড়ে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। ‎​কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছার মদদেই গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের ওপর পুলিশ এই বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা তাদের দুই দফা দাবির কথা পুনরায় উল্লেখ করেন। মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। কলেজের সব শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন্নেছাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। তাঁর পদত্যাগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। ‎​উল্লেখ্য, পূজার ছুটির আগে স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের একটি বিদায় অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় (ভোর ৫টা পর্যন্ত) অডিটোরিয়াম ব্যবহারের জেরে দুই শিক্ষার্থীর হলের আসন বাতিল করেন অধ্যক্ষ মেহেরুন্নেছা। পরে ওই শিক্ষার্থীরা ক্ষমা চাইতে গেলে আসন ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত হিসেবে তাঁদের কাছে এক রাতের এসি ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ ১২ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা দাবি করা হয়। ‎​এই ঘটনার জেরে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অধ্যক্ষকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সে সময় পুরুষ পুলিশ সদস্যরা ছাত্রীদের ওপর লাঠিপেটা করে, ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং চুল ও হিজাব ধরে টানাটানি করে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে লালবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিল হোসেন বলপ্রয়োগের অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন।

৪ ঘন্টা আগে
নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পুনর্মূল্যায়নে গঠিত ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কমিটিতে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ আরও চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এ-সংক্রান্ত সরকারি গেজেটও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীদের প্রচলিত বেতনস্কেলে বিদ্যমান অসংগতি এবং এ নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করবে কমিটি। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের কাছে তুলে ধরবে তারা। এ ছাড়া বেতন গ্রেডের উন্নীতকরণ, অবনমন এবং বিভিন্ন গ্রেডের মধ্যে সামঞ্জস্য আনার বিষয়টিও পর্যালোচনা করবে কমিটি। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন করে ঝুঁকিভাতা ও অন্যান্য ভাতা চালু করা যায় কি না, তা-ও বিবেচনা করা হবে। একই সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা বিভিন্ন ভাতার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও পেয়েছে কমিটি। কমিটির কাজে সহযোগিতা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বা সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং অর্থ বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা। প্রয়োজন বিবেচনায় কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও পাবে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কমিটির দাপ্তরিক ও সাচিবিক কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা দেবে অর্থ বিভাগ।

৪ ঘন্টা আগে
বদলে গেল জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম

বদলে গেল জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম

জাতীয় চার নেতার নামে থাকা চারটি জাহাজসহ বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মোট পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। যার মধ্যে একটি জাহাজে ‘জয় বাংলা’ এবং বাকি চারটি ছিল জাতীয় চার নেতার নামে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত-৩ শাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের পাঁচটি জাহাজের আগের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে। জাহাজগুলোর মধ্যে বিসিজিএস জয় বাংলার নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘বিসিজিএস অদম্য বাংলা’, বিসিজিএস সৈয়দ নজরুলের নাম পরিবর্তন করে বিসিজিএস ফিরোজ কবীর, বিসিজিএস তাজউদ্দীনের নাম বিসিজিএস নুরুল ইসলাম, বিসিজিএস মনসুর আলীর নাম বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর এবং বিসিজিএস কামারুজ্জামানের নতুন নাম রাখা হয়েছে বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জাহাজগুলোর নাম পরিবর্তনের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন নামগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে।

৬ ঘন্টা আগে
জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন

জাতীয় চার নেতার নামে থাকা কোস্ট গার্ডের জাহাজের নাম পরিবর্তন

জাতীয় চার নেতার নামে থাকা বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের চারটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। এ ছাড়া ‘জয় বাংলা’ নামে থাকা কোস্ট গার্ডের আরেকটি জাহাজের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে কোস্ট গার্ডের পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি থেকে এই তথ্য জানা যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বিসিজিএস তাজউদ্দীন’ জাহাজের নতুন নাম হবে ‘বিসিজিএস নুরুল ইসলাম’। ‘বিসিজিএস সৈয়দ নজরুল’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস ফিরোজ কবীর’। ‘বিসিজিএস মনসুর আলী’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস এম হুমায়ুন কবীর’। ‘বিসিজিএস কামরুজ্জামান’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস আশরাফ সিদ্দিকী’। এ ছাড়া ‘বিসিজিএস জয় বাংলা’ জাহাজের নতুন নাম ‘বিসিজিএস অদম্য বাংলা’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করতে কোস্ট গার্ডকে নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয় থেকে। সে অনুযায়ী কোস্ট গার্ড নতুন নামের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। নতুন নাম অনুমোদনের বিষয়টি গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চিঠি দিয়ে কোস্ট গার্ডকে জানায়। চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে। কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, যে চার ব্যক্তির নামে চারটি জাহাজের নতুন নাম রাখা হয়েছে, তাঁরা সবাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ছিলেন। দেশে ও দেশের বাইরে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে তাঁরা শহীদ হন।

৬ ঘন্টা আগে
অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শিক্ষার্থীদের

রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে কলেজের মূল ফটকের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচি ও ঘোষণা দেন। এর আগে কলেজের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করায় নীলক্ষেত মোড় থেকে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।১. মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে এবং জড়িত পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।২. অধ্যক্ষ ড. মেহেরুন নেছাকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হলো। তার পদত্যাগের বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব প্রশাসনিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে।শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। টানা প্রায় ১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।সে সময় পুলিশি অভিযানের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, মধ্যরাতের ওই অভিযানে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো এবং এক নারী শিক্ষার্থীর চুল ও হিজাব ধরে টানাহেঁচড়ার মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

৭ ঘন্টা আগে
সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সবার জন্য বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যেন নিজ নিজ বিভাগ ও অঞ্চলে উন্নত চিকিৎসা পান, সে ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। চিকিৎসার প্রয়োজনে কাউকে যেন ঢাকায় ছুটতে না হয়, সেটিই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর শহিদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের ৩২তম জাতীয় সম্মেলন ও দ্বিতীয় আউটরিচ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছেন। এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকলেও পরিকল্পনা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব। এতে স্বাস্থ্যসেবায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা যাবে।তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ ও দিকনির্দেশনা দেবে। তবে চিকিৎসার মান বাড়িয়ে মানুষের আস্থা অর্জনে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের হাসপাতালগুলোতেই যেন জটিল ও আধুনিক রোগের চিকিৎসা পাওয়া যায় এবং চিকিৎসার জন্য কাউকে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্য নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় তরুণ চিকিৎসকদের দক্ষ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত ক্যারিয়ার গঠনের ওপরও গুরুত্ব দেন মন্ত্রী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফএম সিদ্দিকী, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম (শাকিল)।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. সৈয়দ আওসাফ আলী। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংয়ের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।সম্মেলনে ভারত, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, চিকিৎসক, শিক্ষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

৭ ঘন্টা আগে
৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

এনসিপিকে টিকে থাকতে হলে জামায়াত ছাড়তে হবে: রাশেদ খাঁন

এনসিপিকে টিকে থাকতে হলে জামায়াতের জোট ছাড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, জামায়াত ও এনসিপির আদর্শ তেল ও জলের মতো। যা কখনো একটির সঙ্গে আরেকটি মেশে না। শুক্রবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই মোড়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশলবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এনসিপি ও জামায়াতের সম্পর্ক টিকবে না দাবি করে রাশেদ খাঁন বলেন, নির্বাচনের আগে এনসিপি নতুন দল হিসেবে সংসদীয় রাজনীতি করার জন্য জামায়াতের সঙ্গে জোটে গিয়েছিল। সেই সময় ডা. তাসনিম জারার মতো তরুণ নেতারা এনসিপি থেকে বের হয়ে যান। জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোট তরুণ নেতৃত্ব মেনে নিতে পারেনি। তিনি বলেন, এখন আবার সামান্তা শারমিন এনসিপি থেকে বের হয়ে গেলেন। এনসিপি যদি জামায়াতের জোট থেকে বের হয়ে না আসে, তাহলে সামান্তা শারমিনদের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতারা এভাবেই দিনে দিনে এনসিপি থেকে বের হয়ে আসবেন। তিনি আরও বলেন, জামায়াত মুখে ইসলামের কথা বলে। কিন্তু দলটির নেতারা একের পর এক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছেন। সাতক্ষীরার গাজী নজরুলের ঘটনা এখনো আলোচিত। এরই মধ্যে গতকাল থেকে কুষ্টিয়ার এমপি ও জামায়াত নেতা মুফতি আমির হামজার একটি অডিও রেকর্ড তার কাছে এসেছে। তিনি সেটির ফ্যাক্ট চেক করে সত্যতাও পেয়েছেন। জামায়াতের হাতে দেশের নারীরা নিরাপদ নন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

রূপালী পর্দার ‘নবাব’ আনোয়ার হোসেন

দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতিটি অধ্যায়ে নিজের প্রতিভার দ্যূতি ছড়িয়ে গেছেন কিংবদন্তি অভিনেতা আনোয়ার হোসেন। ঢাকাই চলচ্চিত্রের ‘নবাব’ খ্যাত এই গুণী অভিনেতা ২০১৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। মৃত্যুর এত বছর পরও তাঁর অভিনয়শৈলী ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবন তাকে যুগের পর যুগ দর্শকদের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে।আনোয়ার হোসেন ১৯৩১ সালের ৬ নভেম্বর (নথি অনুযায়ী ৬ ডিসেম্বরও উল্লেখ রয়েছে) জামালপুর জেলার মুরুলিয়া গ্রামের মিয়াবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা এ কে এম নাজির হোসেন ছিলেন একজন জেলা সাব-রেজিস্ট্রার। ১৯৪০ সালে দেওয়ানগঞ্জ প্রাইমারি স্কুলে ভর্তির মাধ্যমেই তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় এবং স্কুলের নানা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ১৯৫১ সালে জামালপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে তিনি ময়মনসিংহ কলেজে ভর্তি হন।কলেজে প্রথম বর্ষের ছাত্রাবস্থায় আসকার ইবনে শাইখের ‘পদক্ষেপ’ নাটকে অভিনয় করার পর অভিনয়ের প্রতি তাঁর দুর্বার আকর্ষণ তৈরি হয়। প্রথম বর্ষের পরীক্ষা শেষ করে বাবার বন্ধু আবদুল্লাহ খানের ‘সেলকন ইঞ্জিনিয়ারিং’ ফার্মে সুপারভাইজারের চাকরি নিয়ে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। ১৯৫৯ সালে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ননী দাসের পরিচালনায় ‘এক টুকরো জমি’ নাটকে অভিনয় করেন। এরপর ঢাকা বেতারে অডিশন দিয়ে নির্বাচিত হয়ে ‘হাতেম তাই’ নাটকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। মঞ্চে অভিনয় করতে গিয়েই আব্দুল জব্বার খান, মোহাম্মদ আনিস ও হাবিবুর রহমানের মতো গুণী মানুষদের সান্নিধ্যে আসেন।ঝিনুক পত্রিকার সম্পাদক আসিরুদ্দিনের সহযোগিতায় তিনি ‘মিনার্ভা থিয়েটার’ গঠনে ভূমিকা রাখেন। এই থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন সৈয়দ হাসান ইমাম, ফতেহ লোহানী, সুভাষ দত্ত ও চিত্রা সিনহার মতো প্রথিতযশা শিল্পীরা।১৯৬১ সালে মহিউদ্দিন পরিচালিত ‘তোমার আমার’ চলচ্চিত্রে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে আনোয়ার হোসেনের। এরপর সালাহউদ্দিন পরিচালিত ‘সূর্যস্নান’ ছবিতে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যেই তিনি ১৮টি চলচ্চিত্রে কাজ করেন।তবে তাঁর অভিনয় জীবনের সবচেয়ে বড় মাইলফলক আসে ১৯৬৭ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ ছবিতে নবাবের ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় করে। এই ছবিতে নবাবের দেশপ্রেম ও পরাধীনতার যন্ত্রণা তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তা দর্শকদের মনে গভীর রেখাপাত করে এবং তাকে এনে দেয় অভাবনীয় জনপ্রিয়তা ও খ্যাতি।ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, সাহিত্যনির্ভর, শিশুতোষ, লোককাহিনিভিত্তিক, পোশাকি ফ্যান্টাসি থেকে শুরু করে পরিচ্ছন্ন সামাজিক ও পারিবারিক মেলোড্রামা—সব ধরনের চলচ্চিত্রেই নিজের অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন আনোয়ার হোসেন। সালাহউদ্দিন, জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান, আমজাদ হোসেন, আলমগীর কবির, চাষী নজরুল ইসলাম, সুভাষ দত্ত ও কাজী হায়াতের মতো দেশের নামীদামি প্রায় সব পরিচালকের সঙ্গেই কাজ করেছেন তিনি।

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায়

বর্তমান বিশ্বে একটি নীরব ও ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্যসমস্যার নাম ফ্যাটি লিভার। কম বয়সেই এখন অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যকৃতে প্রদাহ এবং সেখান থেকে সিরোসিস বা ক্যানসারের মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি হওয়াও এখন আর বিচিত্র নয়।বিশ্বজুড়ে হেপাটাইটিস ভাইরাসজনিত লিভার সিরোসিসকে পেছনে ফেলে দ্রুত জায়গা করে নিচ্ছে ফ্যাটি লিভারজনিত সিরোসিস। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, অদূর ভবিষ্যতে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করতে পারে।আমাদের দেশে মূলত ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’-এর প্রকোপই সবচেয়ে বেশি। অতিরিক্ত ওজন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, কায়িক শ্রমের অভাব, ডায়াবেটিস, রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বৃদ্ধি এবং কম ‘গুড কোলেস্টেরল’-এর কারণে যকৃতে চর্বি জমে। এছাড়া কার্বোহাইড্রেট ও চর্বির বিপাকের ত্রুটিও এর অন্যতম কারণ।ফ্যাটি লিভারের সুনির্দিষ্ট কোনো ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা নেই; একমাত্র নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনই এর থেকে মুক্তির প্রধান উপায়। এজন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়াম অত্যন্ত জরুরি। এর মধ্যে সঠিক খাদ্যাভ্যাসকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে ও চর্বি কমাতে সাহায্য করে এমন কিছু উপকারী খাবার নিচে দেওয়া হলো: সবুজ পাতাওয়ালা শাকসবজিতে থাকা পলিফেনল ও নাইট্রেট যকৃতে চর্বি জমা কমাতে সাহায্য করে। তবে শাকসবজি সেদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায়; তাই সালাদে বা কম সেদ্ধ করে এগুলো খাওয়া বেশি উপকারী।ডাল, ছোলা ও মটরশুঁটিতে প্রচুর আঁশ ও স্টার্চ থাকে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া সয়াপ্রোটিন, টফু এবং ভিটামিন ই সমৃদ্ধ সূর্যমুখীর বীজ ফ্যাটি লিভারের জন্য বেশ উপকারী।ইলিশ, রূপচাঁদা, স্যামন বা সার্ডিনের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) বাড়ায় এবং ক্ষতিকর ট্রাইগ্লিসারাইড ও প্রদাহ কমায়। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এ ধরনের মাছ খাওয়া উচিত।সাধারণ শর্করার বদলে ওটমিল, লাল আটা বা যবের রুটির মতো জটিল শর্করা বেছে নেওয়া উচিত।এতে থাকা গ্লুটাথিয়ন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও আরজিনিন লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য দূর করে। প্রতিদিন সকালে ৪-৫টি আখরোট খাওয়া উপকারী।বিটে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবার ও নাইট্রেট পিত্তরস তৈরিতে সাহায্য করে এবং লিভারকে সতেজ রাখে।আমলকি, পেয়ারা ও লেবুর মতো ফল শরীর ও লিভারকে বিষমুক্ত (ডিটক্স) করতে দারুণ কার্যকর।কাঁচা হলুদের কারকিউমিন এবং কাঁচা রসুন যকৃতের প্রদাহ কমাতে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সুফল দেয়।

কক্সবাজারে মাটিচাপা অস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারে মাটিচাপা অস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের উখিয়ায় ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) বিশেষ অভিযানে একটি ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ মো. জুবায়ের (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-৮/ইস্ট এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ,পিপিএমের সার্বিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন হাওলাদার ও আসাদুজ্জামান আশিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্দেহজনক অবস্থায় জুবায়েরকে আটক করা হয়। তিনি ওই ক্যাম্পের এ/বি-৬৬ ব্লকের বাসিন্দা।পুলিশ জানায়,জিজ্ঞাসাবাদে জুবায়েরের হেফাজতে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পের একটি মাটির ভিটায় খনন চালানো হয়। এ সময় মাটির নিচে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলি সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দতালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার জুবায়েরকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলিসহ উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream