ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় ১২ জন সাবেক উপদেষ্টার তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি, অপপ্রচার ও সামাজিক মাধ্যমে পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন তার মেয়াদের ১২ জন সাবেক উপদেষ্টা।মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে সাবেক উপদেষ্টারা বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে অব্যাহত হয়রানি, অনলাইনে অপপ্রচার এবং পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় আমরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি ও কঠোরতম নিন্দা জানাচ্ছি।”বিবৃতি প্রদানকারী সাবেক ১২ জন উপদেষ্টা হলেন— সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সিআর আবরার, আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক-ই-আজম, ফরিদা আখতার, শারমিন এস মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।বিবৃতিতে তারা দেশ পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, “বছরের পর বছর লাগামহীন অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ধ্বংসসাধন, ব্যাপক দুর্নীতি, পদ্ধতিগত দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে দেশ যখন ধ্বংসের প্রান্তসীমায় পৌঁছেছিল, ঠিক সেই সময়ে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পুনর্গঠনের কঠিন দায়িত্ব পালন করেছে। এই সরকারই ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিয়মিত ঘটে চলা গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়েছিল।”বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। তাদের প্রত্যাশা ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, স্বৈরাচারী শাসনের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।পরিকল্পিত অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, “গভীর অনুতাপের সঙ্গে আমরা লক্ষ করছি, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত ও স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মিতভাবে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার হুমকি দিচ্ছে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত এসব কাপুরুষোচিত কৌশলের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কোনো প্রকার ভয়ভীতি, মিথ্যাচার বা হুমকির কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার ও পরিবর্তনের সংকল্প টলবে না।উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে অবস্থানকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কিছু লোক উচ্চস্বরে অপবাদমূলক স্লোগান দিয়ে হেনস্তা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রবাসী সমর্থক তার দিকে তেড়ে গিয়ে উসকানিমূলক আচরণ করছে। এর পরপরই দেশের সচেতন মহল ও সাবেক উপদেষ্টারা এ ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।
দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী
রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ফ্লাইট চলাচল স্থগিত হওয়ায় দেশে আটকা পড়েছেন কয়েক হাজার সৌদি প্রবাসী। তাঁদের মধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে এ বিষয়ে আলোচনা সহজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব বাংলাদেশি কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাঁদের মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মস্থলে ফেরানোর বিষয়ে সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এর আগেও ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মীদের কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল।নুরুল হক বলেন, এ ধরনের বিষয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সাধারণত সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখায়। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সৌদি আরব নিজেও সংকটের মধ্যে থাকায় আলোচনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এদিকে রিয়াদে সাম্প্রতিক হামলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের খোঁজখবর নিয়েছেন।
পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি: পারটেক্সের দুই ভাইসহ ৮ জনের ৭ বছরের কারাদণ্ড
পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের দুই ছেলে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেল এবং রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির মামলায় ৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এস ডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) রেজাউল করিম তরফদার। দণ্ডিতদের মধ্যে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেলের নামে ১০ কাঠার দু’টি প্লট বরাদ্দ দিয়েছিল রাজউক। রাসেল ও রুবেল দু’জনই পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি রাসেল। আর পারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবেল সিটি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। দুদকের কৌঁসুলি খন্দকার শামীম হোসেন বলেন, ‘অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে ৮ আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ‘এছাড়া অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।’ দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে জানিয়ে কৌঁসুলি শামীম বলেন, সেক্ষেত্রে তাদের সাত বছর করে কারাভোগ করতে হবে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু বলেন, ‘আসামিরা জামিনে ছিলেন। তবে আজ তারা আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’ মামলার বিবরণ অনুযায়ী-আসামি ইকবালউদ্দিন, ফয়েজ, ওয়াহিদুল, জাফর উল্লাহ, জহিরুল হক ও রেজাউল করিম বৈধ আবেদনকারীদের সুযোগ না দিয়ে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেলকে পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি করে প্লট বরাদ্দ দেন। রাজউক কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০১ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে এসব অনিয়ম করেন। তখন রাসেল ও রুবেলের বাবা এম এ হাসেম নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন কমিশনের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। ২০১৯ সালের ২৬ অগাস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মঙ্গলবার রায় দেওয়া হলো।
এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ
এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন। একইসঙ্গে ব্যর্থতার এ ধারা দীর্ঘ না করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। একটি জেনারেশন থেকে শুরু করতে হবে, যেন পরবর্তী সময়ে এই অবক্ষয় রোধ হয়। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী এবার চতুর্থ শ্রেণি থেকে কালচার, স্পোর্টস ও নৈতিকতা এবং ‘‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’’ এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা পাস করেছে তারা তো করেছেই, কিন্তু ঝরে পড়া ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। তাদের কীভাবে রিভাইটালাইজ বা পুনরুজ্জীবিত করতে পারি, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেয়া পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় থাকবে নাকি, থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদের আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।
খুলনার চার থানায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে আপনি যৌক্তিক মনে করেন কি?
চকবাজারে বহুতল ভবনে অ'গ্নি'কা'ণ্ড: ভবনের ভেতরে ব্যবসায়ী আটকে পড়ার লোমহর্ষক বর্ণনা
চকবাজারে বহুতল ভবনে অ'গ্নি'কা'ণ্ড: ভবনের ভেতরে ব্যবসায়ী আটকে পড়ার লোমহর্ষক বর্ণনা
করোনার মত ডেঙ্গু বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে মানুষের জীবন ধ্বংস করছে, ডাঃ মারুফ শাহরিয়ার
স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে আস্থাহীনতা তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে ফুয়াদ
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মন্দির পাহারা দিয়েছে: রাশেদ খান
সেইদিন যারা গুপ্ত ছিলো, আজ তারা মুক্ত হয়েছে; এরাই ভারতীয় গুপ্ত: কর্নেল (অব.) মিয়া মশিউজ্জামান
সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে মাঠে বানিয়াজুরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মিরন মিয়া
আবরার ফাহাদ হত্যার পর ছাত্রলীগের মিছিলে সাদিক কায়েম: ছবি দেখিয়ে প্রমান দিলেন নুরুল হক নুর