সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক।রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়েও মতবিনিময় হয়।এ সময় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।সাক্ষাৎ শেষে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও হাইকমিশনার সারাহ কুক।এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত এবং বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস পালনের অন্যতম লক্ষ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবরের প্রথম সোমবার দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবার ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রত্যয় সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাসনের বাড়তে থাকা চাহিদার কারণে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ণ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু-সহনশীলতাকে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর নগরজীবন নিশ্চিত করতে নগর উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এর অংশ হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন এবং সুষম নগর উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এমন নগর ও বসতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা, সুস্থ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। বিশ্ব বসতি দিবস সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যানজট, দূষণ, পর্যাপ্ত নাগরিক সেবার অভাব, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসনের মতো বিষয়গুলো নগরজীবনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।এসব সমস্যা মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ তৈরি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টিও নির্বাচনি ইশতেহারে রাখা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘরের ব্যবস্থা বোঝায় না। এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার নিশ্চয়তাও যুক্ত। এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনে ভূমিকা রাখবে।টেকসই আবাসন ও নগরায়ণ নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কাজে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

নতুন দাম নির্ধারণ / আবারও বাড়ছে এলপি গ্যাসের দাম

দেশে আবারও বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি অক্টোবরের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। ফলে প্রতি সিলিন্ডারে দাম বাড়ছে ২৫২ টাকা।বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই অক্টোবরের এই নতুন দর ঘোষণা করা হবে।বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার অজুহাতে বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফালোটের পাঁয়তারা করছে কিছু অপারেটর—এমন তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে সমুদ্র সীমায় এলপিজিবাহী জাহাজ ভাসিয়ে রেখে কিংবা ট্যাংকারে গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। ফলে বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে এক হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।এমতাবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জ্বালানিমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোটাব) নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআরের পর্যাপ্ত আমদানির তথ্যের ভিত্তিতে বাজারে সংকটের কারণ জানতে চাওয়া হলে লোটাব নেতারা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখান। তারা দাবি করেন, বিইআরসি প্রত্যাশিত হারে দাম না বাড়ানোর কারণেই আমদানিতে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং এলপিজির দাম একলাফে বাড়ালে বাজারে স্থিতিশীলতা আসতে পারে।বৈঠক শেষে দাম বৃদ্ধি কিংবা কৃত্রিম সংকট বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মশাবাহিত রোগে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬২ জনে পৌঁছেছে।একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।রোববার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে মারা গেছেন তিনজন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিশুদের নোবেলখ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত সিলেটের জাহেদ আল-হাসান

শিশুদের নোবেলখ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত সিলেটের জাহেদ আল-হাসান

আতাউর রহমান কাওছার, ওসমানীনগর (সিলেট) প্রতিনিধি:শিশু সুরক্ষা ও ডিজিটাল নিরাপত্তায় কাজের স্বীকৃতি হিসেবে International Children’s Peace Prize 2026-এর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত হয়েছেন সিলেটের ওসমানীনগরের তরুণ উদ্যোক্তা ও সামাজিক সংগঠক জাহেদ আল-হাসান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা ও ডিজিটাল নিরাপত্তাবিষয়ক উদ্যোগ iSafe BD-এর মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রমের ভিত্তিতে এ মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সংস্থা KidsRights-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ২০২৬ সালের nominee হিসেবে তাঁর প্রোফাইল প্রকাশ করা হয়েছে।মাত্র ১৭ বছর বয়সে শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ শুরু করেন জাহেদ। iSafe BD-এর মাধ্যমে সাইবার বুলিং, অনলাইন হয়রানি, প্রতারণা ও অনলাইন শোষণ থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নিখোঁজ শিশুদের দ্রুত শনাক্ত ও তথ্য প্রচারে Digital Missing Child Alert System তৈরির উদ্যোগ নেন তিনি। KidsRights-এর তথ্য অনুযায়ী, শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে তিনি ২০টিরও বেশি স্কুল ও কলেজে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।শিশু সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন জাহেদ। বাংলাদেশ স্কাউটস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্টের ওসমানীনগর ইউনিটের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি ২০২৪ সালের বন্যায় নিজস্ব অর্থায়নে বন্যার্ত ও অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেন তিনি।স্থানীয় উদ্যোক্তাদের নিয়েও কাজ করেছেন জাহেদ। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ওসমানীনগর উদ্যোক্তা মেলা আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থেকে স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় ব্যবসা ও তরুণ উদ্যোক্তাদের কার্যক্রমকে সামনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতেও কাজ করছেন জাহেদ। National Tech Award 2024-এ ‘Teen Freelancer’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি International Digital Business Award 2025-এও পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি। শিশু নিখোঁজ অ্যালার্ট ও সাইবার নিরাপত্তায় iSafe BD-এর কার্যক্রমের জন্য Star Bangladesh Award 2025-এও উদ্যোগটি স্বীকৃতি পেয়েছে।KidsRights-এর প্রোফাইলে জাহেদের কাজের প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে Child Protection, Children with Disabilities এবং Digital Safety উল্লেখ করা হয়েছে। ওসমানীনগর থেকে শুরু হওয়া iSafe BD-এর কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করে শিশুদের নিরাপত্তা, ডিজিটাল সচেতনতা ও অধিকার নিয়ে কাজ করে যেতে চান তিনি।

৫ ঘন্টা আগে
কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিরা মনগড়া অভিযোগ দিচ্ছেন: স্পিকার

কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিরা মনগড়া অভিযোগ দিচ্ছেন: স্পিকার

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যদের প্রতি বর্তমান সরকার অবিচার করছে এবং কারাগারে তাদের ভালো খাবার দেওয়া হচ্ছে না—এ ধরনের অভিযোগকে মনগড়া ও ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।রোববার (৪ অক্টোবর) তানজানিয়ায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়ার আগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।স্পিকার বলেন, বিগত ১৫ বছর শেখ হাসিনা ও তার সরকার বিএনপির নেতাদের সঙ্গে যে ধরনের অবিচার করেছে, তা জাতিসংঘসহ বিশ্ববাসীর কাছে জানা। তার দাবি, বর্তমানে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিরা কারাগারে যথেষ্ট ভালো অবস্থায় আছেন।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্য ও আওয়ামী লীগ নেতাদের কারাগারে থাকা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তাদের নিয়ে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবে কারাগারে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, অতীত সরকারের আমলে যে ধরনের নির্যাতন ও অবিচারের অভিযোগ ছিল, বর্তমান সরকারের সময়ে সে ধরনের কোনো ঘটনা ঘটছে না।এদিকে, তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আইপিইউর দ্বিতীয় অধিবেশনে অংশ নিতে বাংলাদেশ থেকে ১২ সদস্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদল যাচ্ছে বলে জানান স্পিকার। আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে এ অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

৮ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক।রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়েও মতবিনিময় হয়।এ সময় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।সাক্ষাৎ শেষে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও হাইকমিশনার সারাহ কুক।এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ ঘন্টা আগে
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য ডিসেম্বরে চালু হচ্ছে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ

কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং তরুণদের শ্রমবাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে আগামী ডিসেম্বরে দেশজুড়ে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।তিনি জানান, বাংলাদেশের বিশাল ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে রাজধানী ঢাকা থেকে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ ও ক্যারিয়ার ফেয়ারের কার্যক্রম শুরু হবে। পরে ধাপে ধাপে বিভাগ ও জেলা পর্যায়েও এ কর্মসূচি নেওয়া হবে। উদ্যোগটি বাস্তবায়নের আগে গত ছয় মাসে সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা হয়েছে।মাহদী আমিন বলেন, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্য চাকরির বাজারে নিয়োগদাতাদের চাহিদার সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের যোগ্যতার সরাসরি সমন্বয় তৈরি করা। নতুন গ্র্যাজুয়েটদের পাশাপাশি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে থাকা তরুণদেরও চাকরির সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ থাকবে।এই ব্যবস্থায় কর্মক্ষম তরুণদের দক্ষতা ও যোগ্যতার তথ্য একদিকে এবং স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জনবলের প্রয়োজনীয়তার তথ্য অন্যদিকে সংরক্ষণ করা হবে। এসব তথ্য একত্র করে একটি জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি আরও বলেন, কর্মসংস্থান বাড়াতে এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য দেশব্যাপী নিয়মিত ক্যারিয়ার ফেয়ারের আয়োজন করা হবে। জেলা পর্যায়ের এসব মেলার মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুত করার জন্য সিভি তৈরি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং চাকরির সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার মতো বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে বলেও জানান তিনি। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থাও করা হবে।এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বলেন, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে নিবন্ধনের মাধ্যমে বিদেশে যেতে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া হবে। এ প্ল্যাটফর্মে চাকরিদাতা ও চাকরিপ্রার্থী দুই পক্ষই নিবন্ধন করতে পারবেন। বিদেশগামীদের নিবন্ধনের পর প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কিংবা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে।গত ৫ আগস্টের পর কলকারখানার পরিস্থিতি এবং কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই সময়ের পর কিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে যে সংখ্যার কথা বলা হচ্ছে, বাস্তবে বন্ধের পরিমাণ তার তুলনায় অনেক কম। কিছু কারখানা বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থানে প্রভাব পড়লেও নতুন বিনিয়োগ বাড়ছে এবং নতুন অনেক কারখানাও চালু হচ্ছে। একই সঙ্গে বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে কতজনের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে মাহদী আমিন বলেন, আগামী ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের সময় এ কর্মসূচির লক্ষ্য ও রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে কাঠামো ও কার্যপদ্ধতি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।তরুণদের জন্য বেকার ভাতার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার এখন তাদের দক্ষতা উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ভবিষ্যতে বেকার ভাতার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। আপাতত তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।সংবাদ ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৮ ঘন্টা আগে
প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত এবং বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস পালনের অন্যতম লক্ষ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবরের প্রথম সোমবার দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবার ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রত্যয় সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাসনের বাড়তে থাকা চাহিদার কারণে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ণ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু-সহনশীলতাকে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর নগরজীবন নিশ্চিত করতে নগর উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এর অংশ হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন এবং সুষম নগর উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এমন নগর ও বসতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা, সুস্থ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। বিশ্ব বসতি দিবস সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যানজট, দূষণ, পর্যাপ্ত নাগরিক সেবার অভাব, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসনের মতো বিষয়গুলো নগরজীবনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।এসব সমস্যা মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ তৈরি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টিও নির্বাচনি ইশতেহারে রাখা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘরের ব্যবস্থা বোঝায় না। এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার নিশ্চয়তাও যুক্ত। এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনে ভূমিকা রাখবে।টেকসই আবাসন ও নগরায়ণ নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কাজে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

৮ ঘন্টা আগে
কাল থেকে পে ফিক্সেশন, ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ

কাল থেকে পে ফিক্সেশন, ২০ অক্টোবরের মধ্যে শেষ

নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার (৫ অক্টোবর)। আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে অনলাইনে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পে ফিক্সেশন শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। এ জন্য শুধু সাধারণ কিছু তথ্য দিলেই হবে না, চাকরিজীবীদের আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও উচ্চতর গ্রেডসহ চাকরির বিভিন্ন তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে।পে ফিক্সেশনের সময় কোনো তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকলে নতুন মূল বেতন নির্ধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে বকেয়া বা এরিয়ার পাওনার হিসাবেও এর প্রভাব পড়তে পারে।পে ফিক্সেশনের আগে চাকরিজীবীদের এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, বর্তমান পদবি ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে থাকা মূল বেতনের তথ্য প্রস্তুত রাখতে হবে। পাশাপাশি আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি, বদলি, সময় স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেডের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও প্রয়োজনীয় নথি হাতের কাছে রাখতে হবে। আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরও সচল থাকতে হবে।বিশেষ করে নাম, এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও মূল বেতনের তথ্য ভুল হলে তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। একইভাবে চাকরির বিভিন্ন পর্যায়ের বেতন নির্ধারণ বা পদোন্নতির তথ্য বাদ পড়লেও নতুন বেতন হিসাবের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।অনলাইনে তথ্য পূরণ করে আবেদন জমা দিলেই পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হবে না। সংশ্লিষ্ট বেতন ও হিসাব পরিশোধ কর্মকর্তার কার্যালয় চাকরির নথির সঙ্গে অনলাইনে দেওয়া তথ্য যাচাই করবে। তথ্য ও নথিতে কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সংশোধন করতে হতে পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে।তথ্য যাচাই শেষে অনুমোদন দেওয়া হলে আইবাস প্লাস প্লাস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি বিশেষ যাচাই নম্বর তৈরি হবে। এরপর চাকরির নথিতে ওই নম্বর ও নতুন নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করা হবে।পে ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে অক্টোবর মাসের বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্য হিসাব করে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার নির্ধারণ করা হবে।তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ এক হবে না। গ্রেড, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, নতুন কাঠামোয় নির্ধারিত বেতন এবং বেতন কার্যকর হওয়ার তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে।তাই পে ফিক্সেশনের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি চাকরির পূর্ববর্তী ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট সব নথির তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

৯ ঘন্টা আগে
আমু-শাজাহান-ফারুকসহ হেভিওয়েটদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ফরমাল চার্জ

আমু-শাজাহান-ফারুকসহ হেভিওয়েটদের বিরুদ্ধে শিগগিরই ফরমাল চার্জ

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ দলটির কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও নেতার বিরুদ্ধে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।তিনি জানান, দীর্ঘ তদন্তের পর আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক কয়েকজন এমপি ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও প্রস্তুত করা হয়েছে।গাজী এমএইচ তামিম বলেন, চিফ প্রসিকিউটরের অনুমোদন পাওয়ার পর এসব অভিযোগ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে। বর্তমানে চিফ প্রসিকিউটর ছুটিতে রয়েছেন। তিনি ফিরে এলে অথবা তার অনুমতি পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু হবে।প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তুত করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগের তালিকায় আমির হোসেন আমু ছাড়াও সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনির নাম রয়েছে। এ তালিকায় আরও কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও নেতার নাম রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তালিকায় থাকা বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী ও নেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও নেতাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একাধিক মামলা চলছে। এসব মামলার তদন্ত শেষ করে ধাপে ধাপে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হচ্ছে।

১০ ঘন্টা আগে
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গার্ল গাইডদের নেতৃত্ব চান গাজীপুরের ডিসি

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গার্ল গাইডদের নেতৃত্ব চান গাজীপুরের ডিসি

গাজীপুরে ১১ বছর পর শুরু হয়েছে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের ১৩তম জাতীয় গাইড ক্যাম্প-২০২৬। রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে জেলার কালিয়াকৈরের বাড়ইপাড়ায় জাতীয় ক্যাম্প এলাকায় সাত দিনব্যাপী এ আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।৩ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এ ক্যাম্পে দেশের ১০টি অঞ্চল থেকে প্রায় ৬০০ গাইড, গাইডার ও কমিশনার অংশ নিয়েছেন। তাঁবুতে অবস্থানের পাশাপাশি তারা নেতৃত্ব, দলগত কাজ, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা ও আত্মনির্ভরশীলতা বিকাশে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, নানা কারণে দীর্ঘদিন জাতীয় গাইড ক্যাম্প আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ১১ বছর পর গাজীপুরে এ আয়োজন হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।জেলা প্রশাসক বলেন, ক্যাম্পে সারাদেশের গার্ল গাইড, আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় কমিশনার, শিক্ষক এবং অভিভাবকেরা অংশ নিয়েছেন। আগামী সাত দিনে তারা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা গ্রহণ করবেন।পরিবেশ সুরক্ষায় গুরুত্ব দিয়ে গার্ল গাইডদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, গাজীপুরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে গার্ল গাইডরা নেতৃত্ব দেবে—এটাই তার প্রত্যাশা। পাশাপাশি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে তাদের ‘গ্রিন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বাংলাদেশ গার্ল গাইডস্ অ্যাসোসিয়েশনের জাতীয় কমিশনার ও সাবেক গ্রেড-১ কর্মকর্তা কাজী জেবুন্নেছা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এম. রকিবুল হাসান। এ ছাড়া ডেপুটি জাতীয় কমিশনার প্রফেসর ড. ইয়াসমিন আহমেদ, জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকদের মতে, প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলা, দলগত কাজ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সৃজনশীলতা বিকাশের মাধ্যমে কিশোরীদের আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই জাতীয় গাইড ক্যাম্পের মূল লক্ষ্য।

১১ ঘন্টা আগে
আইপিইউ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার

আইপিইউ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার

তাঞ্জানিয়ার আরুসায় অনুষ্ঠিতব্য ১৫৩তম ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঞ্জানিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি।স্পিকারের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু, মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এস কে আজিজুল বারী, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সানসিলা জেবরিন ও রোকেয়া বেগম।আগামী ৫ থেকে ৯ অক্টোবর তাঞ্জানিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে আইপিইউ সম্মেলন। এতে বিভিন্ন সেশনে অংশ নেবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।‘অন্তর্ভুক্তি, আস্থা এবং সবার জন্য সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সুশাসন উন্নয়ন এবং সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনের শেষ দিন ৯ অক্টোবর আইপিইউর গভর্নিং কাউন্সিল নতুন সভাপতি নির্বাচন করবে।সম্মেলন শেষে আগামী ১১ অক্টোবর স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে
এলপিজির দাম বাড়াতে নতুন পাঁয়তারা

এলপিজির দাম বাড়াতে নতুন পাঁয়তারা

বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়িয়ে কয়েকটি অপারেটর বড় ধরনের মুনাফা করার চেষ্টা করছে বলে দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে জানানো হলে শনিবার দেশের এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোটাব) নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দেশে এলপিজির মজুত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য তুলে ধরে বৈঠকে বলা হয়, দেশের চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি আমদানি হয়েছে। তাহলে বাজারে সংকট তৈরি হচ্ছে কেন এবং বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রি করা হচ্ছে কেন—লোটাব নেতাদের কাছে এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।তবে এলপিজি মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন লোটাব নেতারা। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম অনেক বেড়েছে। ফলে দেশের বাজারে দাম কিছুটা বাড়লে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে।বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হননি জ্বালানিমন্ত্রী। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী রোববার বিকেলে অক্টোবর মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)।বৈঠকে উপস্থিত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অপারেটররা রোববার থেকেই এলপিজির দাম একবারে অনেকটা বাড়ানোর পক্ষে। তাদের মতে, দাম বাড়ানো হলে আমদানিতে সুবিধা হবে। বিইআরসি তাদের চাহিদা অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করছে না—এমন অভিযোগও বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রীর কাছে করা হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বরের পর থেকেই বাজারে এলপিজির সংকট তীব্র হয়েছে। নির্ধারিত ১ হাজার ৫৮৫ টাকার এলপিজি বর্তমানে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং জাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলপিজি আমদানির খরচ কিছুটা বেড়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কয়েকটি অপারেটর এলপিজি মজুত করে রেখেছে বলে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু অপারেটর আগেভাগেই নিজেদের ট্যাংকারে এলপিজি মজুত করেছে। আবার কয়েকটি জাহাজ ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে বঙ্গোপসাগরের সীমার কাছাকাছি অবস্থান করিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে মজুতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল। তিনি বলেন, মেঘনার ফ্রেশ এলপিজি কোনো মজুত করেনি। বরং সেপ্টেম্বরে আগের তুলনায় কম এলপিজি আমদানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যার তথ্য এনবিআরের রেকর্ডেও রয়েছে। সংকট কবে কাটবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে ফ্রেশ আরও বেশি এলপিজি আমদানির চেষ্টা করছে।শনিবার রাতে ওমেরা পেট্রোলিয়ামের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরীও মজুতের অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ওমেরাসহ কয়েকটি কোম্পানি এলপিজি মজুত করেছে—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তা সত্য নয়। বাজারের সংকট কাটাতে সরবরাহ বাড়ানো প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তার মতে, এলপিজির দাম বেশি বাড়লে কোম্পানিগুলোরও ক্ষতি হবে, কারণ এতে গ্রাহকের ব্যবহার কমে যেতে পারে।গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে প্রতি মাসে দেড় লাখ টনের বেশি এলপিজি ব্যবহার হয়। এর প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি কোম্পানিগুলো আমদানি করে। দেশে প্রায় ২৯টি এলপিজি কোম্পানি সক্রিয় থাকলেও বাজারের বড় অংশ ১২ থেকে ১৪টি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে। সেপ্টেম্বরে এলপিজি আমদানি করেছে ১০টি কোম্পানি।বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে প্রায় একই পরিমাণ এলপিজি দেশে এসেছে।গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাজারের প্রায় ৬৮ শতাংশ এলপিজি সরবরাহ করে চারটি কোম্পানি—ওমেরা পেট্রোলিয়াম, পেট্রোমেক্স, মেঘনা ও যমুনা স্পেসটেক। এছাড়া বিএম এনার্জি ৮ শতাংশ, ইউনাইটেড আইগ্যাজ ৭ শতাংশ, ডেল্টা ৪ শতাংশ এবং জেএমআই ও প্রিমিয়াম এলপিজি ৩ শতাংশ করে সরবরাহ করে।সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি এলপিজি আমদানি করেছে ইউনাইটেড আইগ্যাজ, প্রায় ২৩ হাজার ৫০০ টন। আগস্টে প্রতিষ্ঠানটি আমদানি করেছিল ১২ হাজার টন। এরপর যমুনা স্পেসটেক প্রায় ২১ হাজার টন, বিএম এনার্জি ১৮ হাজার ২৫২ টন, ওমেরা প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ টন এবং মেঘনা গ্রুপ প্রায় ১৩ হাজার ৪০০ টন এলপিজি আমদানি করেছে।এদিকে বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ১০ থেকে ১২টি কোম্পানির কাছে সেপ্টেম্বর মাসের দৈনিক এলপিজি বিক্রির হিসাব চেয়েছে বিইআরসি। কমিশনের সচিব নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে রোববারের মধ্যে এসব তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে।এলপিজির নতুন দাম নির্ধারণে সেপ্টেম্বরের আমদানি ব্যয়ের তথ্যও পর্যালোচনা করছে জ্বালানি বিভাগ ও বিইআরসি। এনবিআর থেকে সংগ্রহ করা আমদানি-সংক্রান্ত কাগজপত্রে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বরে এলপিজি আমদানিতে প্রতি টনে ১৮০ থেকে ২০০ ডলার প্রিমিয়াম খরচ হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরামকোও তাদের সিপি প্রাইস বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম নির্ধারণে এই সিপি প্রাইস গুরুত্বপূর্ণ। এসব তথ্য বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণের কাজ করছে বিইআরসি।

১২ ঘন্টা আগে
১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সচিব সভায়। এতে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করেন কি?

দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সচিব সভায়। এতে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করেন কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

কুষ্টিয়ায় লালন মাজারে নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ, গাড়ি ভাঙচুর

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের মাজার প্রাঙ্গণে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনায় মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮ টার দিকে লালন শাহ মাজার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনার খবর পেয়ে কুমারখালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এনসিপি নেতা নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে নিয়ে নিরাপদে মাজার প্রাঙ্গন এলাকা ত্যাগ করেন।কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক শোভন আহমেদ জানান, ব্যক্তিগত সফরে উনি কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়া লালন মাজারে এসেছিলেন। তিনি এখানে স্থানীয় বাউল শিল্পীদের গান শোনেন। বাইরে বের হয়ে মুল গেটের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ করেই কিছু লোকজন তার উপরে হামলা করে ও ধাওয়া দেয়ে। পরে তাকে নিয়ে লালন মাজারের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী লালন মাজারে এসেছিলেন। ঘটনা শুনে মাজার এলাকায় এসে তাকে বাইরে বের করে নিরাপদে এলাকা ত্যাগ করি।তিনি আরো বলেন, এলাকার বাইরে যাওয়ার পরে তারা পুলিশি প্রটোকল না নিয়ে চলে যান। তবে এই ঘটনায় মামলা করবেন কিনা কোথায় গেছেন এ বিষয়ে তাৎক্ষণাৎ তিনি জানাননি।

লিংক কপি করা হয়েছে!

‘শেখর টুনাইট’-এ সঞ্জয় দত্ত, মুন্না ভাই হয়ে মাতালেন দর্শক

সম্প্রতি কমেডিয়ান ও অভিনেতা শেখর সুমনের টক শো ‘শেখর টুনাইট’-এর গান্ধী জয়ন্তী বিশেষ পর্বে অতিথি হয়ে এসেছিলেন বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। অনুষ্ঠানে দেশ নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানান তিনি। পাশাপাশি একটি ব্যঙ্গাত্মক স্কেচে নিজের জনপ্রিয় চরিত্র ‘মুন্না ভাই’ হিসেবেও হাজির হন এই অভিনেতা।সঞ্জয় দত্তের সংযুক্ত আরব আমিরাতের ১০ বছরের ‘গোল্ডেন ভিসা’ রয়েছে। তাই তার সময়ের একটা বড় অংশ মুম্বাই ও দুবাইয়ে কাটে। তার স্ত্রী মান্যতা এবং যমজ সন্তান শাহরান ও ইকরা দুবাইয়ে থাকেন।অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে ভারতে শান্তির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন সঞ্জয়। তিনি জানান, বর্তমানে দেশে তিনি আগের মতো শান্তি অনুভব করেন না। এ সময় শিবজির কাছে প্রার্থনা করেন, যেন সেই পুরোনো শান্তির পরিবেশ দ্রুত ফিরে আসে।সঞ্জয় দত্ত বলেন, ভারতের মানুষ খুবই ভালো এবং অতিথিপরায়ণ। ভারতীয়রা উদার মনের মানুষ এবং তারা সবসময় অন্যদের অনেক কিছু দিয়েছে। তাই দেশে শান্তি থাকা উচিত বলেই মনে করেন তিনি। তবে ভারতে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি এই অভিনেতা। মুন্না ভাই হলেন প্রধানমন্ত্রী এরপর সুমন দত্তকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন নিজেকে পাঁচ মিনিটের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী কল্পনা করে দেশবাসীর উদ্দেশে কিছু বলেন। দত্ত তখন রাজকুমার হিরানির ‘মুন্না ভাই এমবিবিএস’ (২০০৩) এবং ‘লাগে রহো মুন্না ভাই’ (২০০৬) সিনেমার সেই মুম্বাইয়ের গ্যাংস্টার ‘মুন্না ভাই’-এর ভঙ্গিতেই উত্তর দেন। তিনি শুরু করেন এভাবে, চলো দেশে অন্তত কিছু তো হচ্ছে। আমার প্রিয় দেশবাসী, আজ আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হতে পেরে আমি খুবই খুশি। তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন, এই আনন্দ উদযাপনের জন্য তিনি দেশ ছেড়ে কোথাও যাবেন না।মানে, এত বড় দেশ, এত মানুষ আর এখন সবার দায়িত্ব আমার কাঁধে। তবে আপনারা একদম টেনশন নেবেন না। অপুন ইস খুশি কো সেলিব্রেট করনে ভিদেশ না জানে ওয়ালা হ্যায়। আপুন ইধারিচ রাহেগা, আপন সব লগন কে বিচ। নাহি টু পিএম অর জনতা মে কানেকশন ক্যাসে বনেগা। তিনি বলেছিলেন, দেশটা কত বিশাল, কত মানুষ এখানে আর এখন তাদের সবার দায়িত্ব আমার কাঁধে। তবে আপনাদের একদমই চিন্তা করার দরকার নেই। এই আনন্দ উদযাপনের জন্য আমি বিদেশে যাচ্ছি না। আমি আপনাদের সবার মাঝেই থাকব। তা না হলে প্রধানমন্ত্রী ও জনগণের মধ্যে সংযোগ কীভাবে গড়ে উঠবে? ভারতের বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এই মন্তব্যটিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ সফরের প্রতি একটি খোঁচা হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। পুরো স্কেচ বা নাট্যাংশটিতেই দত্ত তার সেই অতি-নাটকীয় ‘মুন্না ভাই’ চরিত্রটি বজায় রেখেছিলেন। ‘ট্রাম্প মামু’-র উদ্দেশ্যে বার্তা এই স্কেচটিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসঙ্গও উঠে আসে। চরিত্রের মধ্যেই থেকে দত্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘ট্রাম্প মামু’ বলে সম্বোধন করেন। মুম্বাইয়ের কথ্য ভাষায় ‘মামু’ শব্দটি পুরুষদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার আক্ষরিক অর্থ মায়ের ভাই বা মামা। তিনি ট্রাম্পের শুল্ক নীতি নিয়ে রসিকতা করেন এবং বলেন, তাকে ‘গান্ধিগিরি’ শেখাতে তিনি আমেরিকায় যাবেন। যে অহিংস প্রতিবাদের দর্শনটি ‘লাগে রহো মুন্না ভাই’ সিনেমার মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছিল। মুন্না ভাই কি ফিরে আসছে? এই উপস্থিতির ফলে ‘মুন্না ভাই’ সিরিজের তৃতীয় সিনেমাটি নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রযোজক বিধু বিনোদ চোপড়া এর সিক্যুয়েল তৈরির ঘোষণা দিলেও, এর নির্মাণকাজ এখনো শুরু হয়নি। সঞ্জয় দত্তের সর্বশেষ মে মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক ড্রামা ‘আখরি সওয়াল’-এ দেখা গিয়েছিল। এছাড়া তিনি সালমান খানের সাথে ‘৭ ডগস’-এ একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ভারতে মুক্তির আগেই মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাটির প্রিমিয়ার হয়েছিল। বর্তমানে তিনি ‘খলনায়ক রিটার্নস’-এর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এটি একটি অ্যাকশন-থ্রিলার সিনেমা যা তার ১৯৯৩ সালের ছবি ‘খলনায়ক’-এর সিক্যুয়েল হিসেবে তৈরি হচ্ছে।

প্রাক্তনকে ভুলতে সময় লাগে ৮ বছর

বিচ্ছেদের পর সাবেক সঙ্গীর স্মৃতি ও আবেগ থেকে বের হওয়া সহজ কথা নয়। অনেকের মনে হতে পারে বিচ্ছেদের ক্ষত শুকিয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার হলেও সেই সময়টি ঠিক কতদিন? নতুন এক মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—প্রাক্তন সঙ্গীর প্রতি মনের টান বা আবেগ অন্তত ৫০ শতাংশ কমে আসতেই একজন মানুষের গড়ে চার বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়।সম্প্রতি 'সোশ্যাল সাইকোলজিক্যাল অ্যান্ড পার্সোনালিটি সায়েন্স' সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আরবানা-শ্যাম্পেইনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক জিয়া ওয়াই. চং এবং আর. ক্রিস ফ্রেলি।গবেষণায় গড়ে পাঁচ বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া ৩২৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন, যাদের সম্পর্কের স্থায়ীত্ব ছিল গড়ে সাড়ে চার বছর। অংশগ্রহণকারীদের উত্তর বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সময়ের সঙ্গে প্রাক্তনের প্রতি আবেগগত টান ধীরে ধীরে কমে শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসে। তবে এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতির।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রাক্তনের প্রতি আবেগের মাত্রা অর্ধেকে নামতে গড়ে প্রায় ৪ দশমিক ১৮ বছর সময় লাগে। আর দীর্ঘমেয়াদে এই আবেগ পুরোপুরি মুছে যেতে বা একজন অপরিচিত ব্যক্তির সমপর্যায়ে নামতে প্রায় ৮ বছর পর্যন্ত লেগে যেতে পারে।তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, সবার ক্ষেত্রে আবেগ কমার এই গতি এক নয়। গবেষণার মূল পর্যবেক্ষণগুলো হলো:বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করলে কিংবা ব্যক্তির মাঝে মাত্রাতিরিক্ত উদ্বেগপ্রবণতা থাকলে আবেগ দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়।সাবেক দম্পতির সন্তান থাকলে শুরুতে আবেগের তীব্রতা বেশি থাকে, তবে সময়ের সঙ্গে সন্তানহীনদের চেয়ে তাদের আবেগের তীব্রতা দ্রুত হ্রাস পায়।নতুন কোনো সম্পর্কে জড়ানো কিংবা নারী-পুরুষ ভেদে প্রাক্তনের টান কমার গতিতে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা যায়নি।মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনকে কাটিয়ে ওঠার নির্দিষ্ট কোনো সর্বজনীন সময়সীমা নেই। কেউ হয়তো দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন, আবার কারও ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পরও আবেগের কিছুটা স্মৃতি থেকে যেতে পারে।

শ্রীমঙ্গলে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট 'রুবেল মিয়া' গ্রেপ্তার

শ্রীমঙ্গলে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট 'রুবেল মিয়া' গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রুবেল মিয়া (৩৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। এ সময় তার কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।এসআরবি-৯-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়,শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল ইউনিয়নের পশ্চিম ভাড়াউড়া গ্রামের ভাই ভাই মেনশনের মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে অভিযানের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে একজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালিয়ে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তার রুবেল মিয়া পশ্চিম ভাড়াউড়া গ্রামের শেখ তারাব মিয়ার ছেলে।এসআরবি জানায়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল স্থানীয় পর্যায়ে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। কমিশনের বিনিময়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে কয়েকটি অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করতেন এবং জুয়ার অর্থ সংগ্রহ করে মূল এজেন্টের কাছে পাঠাতেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে গ্রেপ্তার রুবেল মিয়া ও জব্দ করা মোবাইল ফোন শ্রীমঙ্গল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন,২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।এসআরবি-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream