সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

চলতি সপ্তাহেই আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল, প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবারের মধ্যে!

বহুল কাঙ্ক্ষিত সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে পৌঁছেছে। নতুন পে স্কেলের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য যাবতীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এরইমধ্যে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রোববার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, "নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে এ সপ্তাহের মধ্যেই। ইতোমধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য উত্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন মিললে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হবে।" তবে চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির নির্দিষ্ট হার সম্পর্কে এখনো মুখ খোলেননি অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা।এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে তা ঘোষণা করা হতে পারে। তারও আগে ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, নবম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো নিয়ে দ্রুত কাজ চলছে, যা শেষ হলেই মন্ত্রিসভায় তোলা হবে।উল্লেখ্য, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। সচিব কমিটি ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত পর্যালোচনা ও সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে—যার প্রথম বছরে কার্যকর হবে নতুন মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে কার্যকর হবে বর্ধিত বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা।অষ্টম বেতন কমিশনের দীর্ঘ এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল জাকির আহমেদ খান কমিশন। কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।

এই বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ থাকতে দেওয়া হবে না। গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যত ক্ষমতাবানই হোক, তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। তবে প্রতিশোধ নয়, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বিগত দেড় দশকে ভিন্নমত দমন, প্রতিবাদ স্তব্ধ করা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন ঠেকাতে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে দেশে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ সেই সময়ের একটি ভয়াবহ প্রতীক হয়ে উঠেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, গুমের ঘটনা শুধু একজন মানুষকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের জীবন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মানসিক অবস্থার ওপর। সংবিধানে নিশ্চিত জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদার মতো মৌলিক অধিকার গুমের মাধ্যমে চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়।এ সময় তিনি বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ আরও অনেকের কথা স্মরণ করেন। গুম-খুনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের ভূমিকাও তুলে ধরেন তিনি।গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য শুধু বিচার নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।তিনি বলেন, এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয় থাকবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থাকবে সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে।রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, শুধু মশা নিধন নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতেও গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্সের জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। তবে সীমিত সম্পদের মধ্যেও সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনগুলো কাজ করছে। মশার বংশবিস্তারের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে পানি জমতে না দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।ড. মঈন খান জানান, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধ কতটা কার্যকর, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদেরও যুক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার পাশাপাশি আধুনিক কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। সিটি কর্পোরেশনগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার ওষুধ ছিটানো এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।তিনি জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমে মশা জন্মাতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পাইলট প্রকল্পে মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তার মতে, বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই ত্রুটির হার খুবই কম এবং পাইলট প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।রোববার (৩০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা দলীয় বিবেচনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রমে পক্ষপাতিত্বের সুযোগ রাখা হবে না। প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সঠিকভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য।তিনি বলেন, দেশে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপচয় এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। তাই দক্ষ ও স্বচ্ছ বিতরণব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। ফ্যামিলি কার্ডসহ আধুনিক বিভিন্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা হচ্ছেমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এখন সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে যৌথ অংশীদারত্বের ভিত্তিতে কাজ করছে। শুধু বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন নয়, নতুন অর্থনৈতিক মডেল বাস্তবায়নেও এই সমন্বিত উদ্যোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ব্র্যাকসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতি ও অপচয় কমিয়ে সঠিক মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি। সাধারণ মানুষের যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে সহায়তার প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চলতি সপ্তাহেই আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল, প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবারের মধ্যে!

চলতি সপ্তাহেই আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল, প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবারের মধ্যে!

বহুল কাঙ্ক্ষিত সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে পৌঁছেছে। নতুন পে স্কেলের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নতুন পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য যাবতীয় কারিগরি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এরইমধ্যে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। রোববার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, "নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে এ সপ্তাহের মধ্যেই। ইতোমধ্যে সবকিছু চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো এজেন্ডাভুক্ত করে অনুমোদনের জন্য উত্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। অনুমোদন মিললে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা সম্ভব হবে।" তবে চূড়ান্ত খসড়ায় বেতন-ভাতা বৃদ্ধির নির্দিষ্ট হার সম্পর্কে এখনো মুখ খোলেননি অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা।এর আগে গত ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার জানান, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে তা ঘোষণা করা হতে পারে। তারও আগে ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছিলেন, নবম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো নিয়ে দ্রুত কাজ চলছে, যা শেষ হলেই মন্ত্রিসভায় তোলা হবে।উল্লেখ্য, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ দিতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়। সচিব কমিটি ইতোমধ্যে তাদের চূড়ান্ত পর্যালোচনা ও সুপারিশ জমা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সচিব কমিটি। এটি দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে—যার প্রথম বছরে কার্যকর হবে নতুন মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে কার্যকর হবে বর্ধিত বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা।অষ্টম বেতন কমিশনের দীর্ঘ এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল জাকির আহমেদ খান কমিশন। কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।

১৩ ঘন্টা আগে
তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন

তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন

নীলফামারী প্রতিনিধি: বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলা সফরের অংশ হিসেবে নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন।রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে তিনি তিস্তা ব্যারাজ ও দেশের অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সহধর্মিণী মিসেস ডিয়ান ডাও এবং মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল সঙ্গে ছিলেন।পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত তিস্তা নদীর বর্তমান অবস্থা, নাব্যতা সংকট এবং সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে সরেজমিনে ধারণা নেন। পরে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।সভায় তিস্তা নদীর পানি ব্যবস্থাপনা, নদী সংস্কার, সেচ কার্যক্রম এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটের কারণে কৃষকদের ওপর পড়া প্রভাব সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়। এ সময় তিস্তা অববাহিকার মানুষের জীবনযাত্রা ও আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে রোববার সকালে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সেখান থেকে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়িতে একটি দুগ্ধ খামার পরিদর্শন করেন।তিনদিনের সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদী, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকার আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট, জেলা সদর হাসপাতাল, রকস মিউজিয়াম ও একটি চা কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে। একই দিনে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।সফরের শেষ দিন মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীর ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ, দিনাজপুরের কান্তজির মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ এবং পার্বতীপুরের কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন করবেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। পরে রেলপথে সৈয়দপুরে গিয়ে রেলওয়ে কারখানা ও জাদুঘর পরিদর্শনের পাশাপাশি শহরের চিনি মসজিদ ও সৈয়দপুর খ্রিস্টান চার্চ ঘুরে দেখার কথা রয়েছে। এরপর রাতে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।নীলফামারী পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন জানান, রাষ্ট্রদূতের সফরকে ঘিরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনের সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী রুহুল আমিন, রংপুর উত্তরাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামান, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপজন মিত্রসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৪ ঘন্টা আগে
১১ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন, গেজেট প্রকাশ ইসির

১১ সংসদীয় আসনের সীমানায় পরিবর্তন, গেজেট প্রকাশ ইসির

দেশের ১১টি সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন গঠিত কয়েকটি উপজেলা ও ইউনিয়নকে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের সঙ্গে যুক্ত করেই এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে সমন্বয় করতেই এ সংশোধন, এতে আসনগুলোর বাস্তব ভৌগোলিক সীমানায় বড় কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ইসি।রোববার (৩০ আগস্ট) এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।সীমানা সংশোধন করা আসনগুলো হলো: ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১।এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার পাশাপাশি নতুন গঠিত রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।বগুড়া-২ আসনে শিবগঞ্জের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন মোকামতলা উপজেলা। ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁওয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন যুক্ত হয়েছে। আর ওই ইউনিয়ন বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া কুমিল্লা-৩ আসনে মুরাদনগরের সঙ্গে বাঙ্গরা উপজেলা, চট্টগ্রাম-২ আসনে ফটিকছড়ির সঙ্গে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা এবং কক্সবাজার-১ আসনে নতুন মাতারমুহুরি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।ইসি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন গঠনের কারণে প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সংসদীয় আসনের সীমানা সামঞ্জস্য করতেই এই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

১৬ ঘন্টা আগে
রাজধানীর মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না: শাহে আলম

রাজধানীর মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলবে না: শাহে আলম

ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সড়কে এসব যানবাহন চালানোর জন্য আটটি পৃথক জোন নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।মীর শাহে আলম বলেন, রাজধানীর মূল সড়কে ই-রিকশা চলবে না। অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোকে আটটি জোনে ভাগ করে সেখানে এসব যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এ ব্যবস্থাপনা তিনটি ভাগে বিভক্ত থাকবে বলেও জানান তিনি।রাজধানীতে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ই-রিকশার যাত্রী ধারণক্ষমতাও নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। ঢাকায় নিবন্ধন পেতে হলে একটি ই-রিকশায় সর্বোচ্চ দুই বা চারজন যাত্রী বহনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ছয়জন যাত্রী বহনে সক্ষম ই-রিকশাকে সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে না।তবে রাজধানীর বাইরে গ্রামাঞ্চল ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় আসনের ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হবে।প্রতিমন্ত্রী জানান, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ প্রায় শেষ। শিগগিরই এটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হলে এক সপ্তাহের মধ্যে অথবা পরবর্তী সপ্তাহে নীতিমালা জারি হতে পারে।নীতিমালা কার্যকর হলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ই-রিকশা ও বৈদ্যুতিক রিকশার চলাচল, নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনা একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় আসবে।

১৬ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের  রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, চীন সফরের আমন্ত্রণ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, চীন সফরের আমন্ত্রণ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়।সাক্ষাৎকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে সুবিধাজনক সময়ে রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।বৈঠকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের অগ্রগতি সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করা হয়। চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন এবং মোংলা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনায় অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন চীনা রাষ্ট্রদূত।রাষ্ট্রদূত জানান, প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান মোট ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে। এতে স্থানীয়ভাবে প্রায় এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফর বাংলাদেশ ও চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করবে।বৈঠকে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প, পররাষ্ট্র পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ, ‘২+২’ কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা আলোচনা চালুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়।এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে চীনে আম, কাঁঠাল ও পেয়ারাসহ কৃষিপণ্য রপ্তানি, সৌরবিদ্যুৎ, বৈদ্যুতিক যানবাহন সংযোজন কারখানা, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি বহুমুখী সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ।

১৬ ঘন্টা আগে
সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসূত্রের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসূত্রের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে বিষয়টি এখনো যাচাই-বাছাই পর্যায়ে থাকায় ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি।রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার সরাসরি তদন্ত তাদের সংস্থা করছে না। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র তাদের নজরে এসেছে।তিনি বলেন, বিভিন্ন ঘটনার তদন্তে কখনো কখনো এমন কিছু তথ্য বা সূত্র পাওয়া যায়, যা অন্য মামলার তদন্তেও সহায়ক হতে পারে। সাগর-রুনি হত্যার ক্ষেত্রেও তেমন একটি সূত্র পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একজন ব্যক্তির সঙ্গে এ হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য যোগসূত্র মিলেছে।মো. আমিনুল ইসলাম জানান, পাওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। তদন্তে নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলা একটি পৃথক হত্যা মামলা। ফলে এ মামলার বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই অনুষ্ঠিত হবে।এদিকে, গত ২৭ আগস্টও সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন পিছিয়ে যায়। সেদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা ছিল। কিন্তু পিবিআই প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেন।এ নিয়ে বহুল আলোচিত এ হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ মোট ১২৯ বার পিছিয়েছে।সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত দীর্ঘ সময় র‌্যাবের হাতে ছিল। পরে বাদীপক্ষের আবেদনের পর ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তদন্তে একটি টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

১৭ ঘন্টা আগে
এই বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

এই বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ থাকতে দেওয়া হবে না। গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যত ক্ষমতাবানই হোক, তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে। তবে প্রতিশোধ নয়, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, বিগত দেড় দশকে ভিন্নমত দমন, প্রতিবাদ স্তব্ধ করা এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলন ঠেকাতে গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগে দেশে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ সেই সময়ের একটি ভয়াবহ প্রতীক হয়ে উঠেছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, গুমের ঘটনা শুধু একজন মানুষকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে না; এর প্রভাব পড়ে পুরো পরিবারের জীবন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও মানসিক অবস্থার ওপর। সংবিধানে নিশ্চিত জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদার মতো মৌলিক অধিকার গুমের মাধ্যমে চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়।এ সময় তিনি বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলাম, সালাহউদ্দিন আহমদ, ব্যারিস্টার আরমান, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজমীসহ আরও অনেকের কথা স্মরণ করেন। গুম-খুনের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের ভূমিকাও তুলে ধরেন তিনি।গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য শুধু বিচার নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা, শিক্ষা, জীবিকা ও পুনর্বাসনের দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে।তিনি বলেন, এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু প্রতিহিংসা থাকবে না; মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয় থাকবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা থাকবে সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণে।রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

১৭ ঘন্টা আগে
সদরপুর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৩ নার্সকে বদলির নির্দেশ

সদরপুর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, ৩ নার্সকে বদলির নির্দেশ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তিনি হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের কাউন্টারে সেবা নিতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। পরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, নার্সিং ডিউটি রুম, টয়লেট, রান্নাঘর, ওষুধের স্টোরসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন।এ সময় তিনি ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন। মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে রোগীরা চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্ভোগের কথা সরাসরি তুলে ধরেন। রোগীদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনার পাশাপাশি তিনি সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।রোগী ও সেবা গ্রহীতাদের অভিযোগের মধ্যে চিকিৎসক সংকট, জনবল ঘাটতি, হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজন সিনিয়র সেবিকা—রিনা রানী বিশ্বাস, সুস্মিতা কীর্তনীয়া ও শামীমা আক্তারকে অন্যত্র বদলির নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।এ ছাড়া সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি কঠোর নির্দেশনা দেন তিনি।হাসপাতালে ওষুধের সংকটের বিষয়টি জানতে পেরে মন্ত্রী ইডিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে ফোন করেন এবং দ্রুত ওষুধের ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা ও অনিয়ম সহ্য করা হবে না।”তিনি আরও বলেন, “জনবল ঘাটতি পূরণে আমরা ইতোমধ্যে নতুন জনবল নিয়োগের ব্যবস্থা করছি। অচিরেই সারাদেশে স্বাস্থ্য খাতের জনবল সংকট পূরণ করে জনগণকে গ্রামাঞ্চলেই উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।”উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কিডনি ডায়ালাইসিসের সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। আগামীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধানের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সারাদেশে জনগণের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। সে লক্ষ্যেই বিভিন্ন পর্যায়ের হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য খাতের নানাবিধ সমস্যা উদঘাটন ও সমাধানের চেষ্টা করছি।”পরিদর্শনকালে তিনি স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমিনুর রহমান সরকার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন, সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবদুল্লাহ আল মামুন শাহ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুতজ্জামান বদু, সদস্যসচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্যাসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

১৭ ঘন্টা আগে
গুম প্রতিরোধে দাবি নিয়ে সংসদ অভিমুখে ১১ দলের পদযাত্রা

গুম প্রতিরোধে দাবি নিয়ে সংসদ অভিমুখে ১১ দলের পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন দাবি নিয়ে সংসদ ভবনের উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে ‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে এই পদযাত্রা শুরু হয়। কর্মসূচি শেষে সংসদ ভবনে গিয়ে স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা রয়েছে।জোটের নেতারা জানান, স্মারকলিপিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গুম কমিশনের প্রতিবেদনে থাকা সুপারিশগুলো কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই আইনে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি ও সহায়তার দাবিও তুলে ধরা হবে।পদযাত্রায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদসহ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাগপা, এবি পার্টি, এনসিপিসহ জোটভুক্ত দলগুলোর নেতাকর্মীরা অংশ নেন।এর আগে বিকেল ৩টার দিকে বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের সামনে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা গুম প্রতিরোধে বিদ্যমান উদ্যোগকে আইনি কাঠামোয় রূপ দেওয়ার দাবি জানান।সমাবেশের সমাপনী বক্তব্যে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে বলেন, পদযাত্রা সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হবে। এরপর একটি প্রতিনিধিদল স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেবে।

১৭ ঘন্টা আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার: এলজিআরডি মন্ত্রী

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, শুধু মশা নিধন নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতেও গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জাতীয় টাস্কফোর্সের জরুরি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং গাজীপুরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। তবে সীমিত সম্পদের মধ্যেও সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনগুলো কাজ করছে। মশার বংশবিস্তারের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে পানি জমতে না দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।ড. মঈন খান জানান, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সহযোগিতায় মশা নিধনের ওষুধ কতটা কার্যকর, তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদেরও যুক্ত করা হয়েছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতার পাশাপাশি আধুনিক কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।সভায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। সিটি কর্পোরেশনগুলোতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশার ওষুধ ছিটানো এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।তিনি জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদেরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশে পানি জমে থাকতে দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমে মশা জন্মাতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি মানুষের সচেতন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

১৮ ঘন্টা আগে
৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতিই সংকটের কারণ। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতিই সংকটের কারণ। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

গুম প্রতিরোধ দিবসে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুমের বিচার ও গুম কমিশনের সুপারিশমালার আইনি বাস্তবায়নের দাবিতে জাতীয় সংসদ ভবন অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।আজ রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে রাজধানীর বাংলামোটর রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের সামনে থেকে এ পদযাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রাটি জাতীয় সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন।স্পিকারকে দেওয়া স্মারকলিপিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত গুম কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লিখিত সকল সুপারিশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই হুবহু আইনে পরিণত করার দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার হওয়া ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানসহ একাধিক সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হবে।এর আগে বেলা ৩টার দিকে বাংলামোটরে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান। সমাবেশে তিনি বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তরের দাবি জানান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নীতিমালার কঠোর সমালোচনা করেন। সমাবেশে আখতারুজ্জামানসহ জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।সমাবেশের সমাপনী বক্তব্যে কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, "আমাদের পদযাত্রা সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হবে। এরপর প্রতিনিধিদল স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি হস্তান্তর করবে।"উক্ত পদযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারাসহ জোটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

শুটিং শেষে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার তাসনুভা তিশা

নাটকের শুটিং শেষ করে শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ভৈরবে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। তবে দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য বড় ধরনের কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।রোববার (৩০ আগস্ট) রাত পৌনে ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি লাইভে এসে ভক্তদের এই দুর্ঘটনার বিস্তারিত জানান তিশা।ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিনেত্রী জানান, শ্রীমঙ্গলে নাটকের কাজ শেষ করে সহকর্মীদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে ভৈরব ব্রিজ পার হয়ে টোল প্লাজার কাছাকাছি পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি পিকআপ ভ্যান তাদের গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।ধাক্কা দেওয়ার পরপরই পিকআপটি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মোটরসাইকেলের সহায়তায় তিশা ও তাঁর সাথে থাকা সহকর্মীরা ধাওয়া করে একপর্যায়ে পিকআপটিকে আটক করতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে দ্রুত ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।লাইভে এসে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তাসনুভা তিশা বলেন, "দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত মারাত্মক ছিল। অলৌকিকভাবে আমরা এক বড় ধরনের বিপদ ও প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছি।" বর্তমানে তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা ঝুঁকিমুক্ত আছেন বলে জানা গেছে।

স্ত্রীকে ‘আপু’ বা ‘বোন’ বললে কি তালাক হয়ে যাবে?

স্ত্রীকে ‘আপু’ বা ‘বোন’ এবং একইভাবে স্ত্রী স্বামীকে ‘ভাই’ বা ‘ভাইয়া’ বলে ডাকলে তালাক হবে না এবং কোনো কাফফারাও দিতে হবে না। তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে এভাবে সম্বোধন করা মাকরুহ (অপছন্দনীয়)।ভালোবাসা বা অভ্যাসবশত কাউকে বোন বা আপু ডাকলে বিবাহবিচ্ছেদ (তালাক) ঘটে না এবং শরিয়ত অনুযায়ী কোনো কাফফারাও ওয়াজিব হয় না। বৈবাহিক সম্পর্ক পূর্বের মতোই বহাল থাকবে।হাদিস শরিফে এভাবে সম্বোধন করতে নিষেধ করা হয়েছে:আবু তমিমা আল জুহামী (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল, ‘হে আমার বোন’। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, “সে কি তোমার বোন?” তিনি এ রকম সম্বোধন অপছন্দ করলেন এবং তা থেকে নিষেধ করলেন। (সুনানে আবু দাউদ: ২২০৪, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক: ৭/১৫২)স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতা প্রকাশ পায়—এমন সম্মানজনক নামে ডাকা উচিত।পরস্পরকে নিজস্ব নাম ধরে ডাকা যাবে (যদি স্থানীয় সংস্কৃতিতে তা অসম্মানজনক না হয়)।সন্তানদের নামের সাথে সম্পৃক্ত করে (যেমন: অমুকের আব্বু/আম্মু) অথবা অন্য যেকোনো ভালোবাসাপূর্ণ নামে সম্বোধন করা সর্বোত্তম।

এনসিপি নেতা এহসান জাকারিয়াসহ ৫ জনের জামিন নামঞ্জুর

এনসিপি নেতা এহসান জাকারিয়াসহ ৫ জনের জামিন নামঞ্জুর

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়াসহ পাঁচ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কুলাউড়া আমলি আদালতে আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া,এনসিপি নেতা তোফায়েল আহমদ,সাহেল আহমদ,ফাহিম আহমদ জনি ও সোহাগ মিয়া।উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কুলাউড়া পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকায় এনসিপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।জানা গেছে,দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।মামলার বাদী তামিম আহমদের অভিযোগ, এনসিপির পদ দেওয়ার কথা বলে এহসান জাকারিয়াসহ আসামিরা তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া মৌলভীবাজার থেকে বড়লেখা যাওয়ার পথে কুলাউড়ার উত্তর বাজার এলাকায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream