খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও কার্যকর ব্যবহার সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী
খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা ১১টায় মোংলা বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চগড় থেকে মোংলা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ, বন্দরের সাপ্লাই চেইন ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণে সরকার উদ্যোগ নিতে চায়। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। তিনি আরও বলেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন শুধু একটি অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান; বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম; বাগেরহাটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য; সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং চীনা প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে বাগেরহাটের কাটাখালী মোড়ে পৌঁছে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে পথসভায় বক্তব্য দেন। পরে খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে তিনি খুলনার উদ্দেশে রওনা হন।
মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে এগিয়ে আসতে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিআরসিসি)-এর মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ উপলক্ষ্যে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এসব কথা জানিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। মধ্যপ্রাচ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য চীনা প্রতিনিধিদলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের উল্লেখ করে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসায় চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দরে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে তিনি বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (রহ.)-এর মাজারে যান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী মাজার জিয়ারত করেন এবং দোয়ায় অংশ নেন। এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পরে মোংলা বন্দরের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মানুষের ঢল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের প্রায় প্রতিটি মোড়ে মোড়ে হাজারও মানুষের উপস্থিতি উৎসবের আবহ সৃষ্টি করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে হেলিকপ্টারে মোংলা যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে তিনি সড়কপথে খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা শহরের প্রবেশমুখ রূপসা সেতু থেকে শুরু করে শহরে প্রবেশ দ্বার ছাচিয়াবুনিয়া চৌরাস্তা, জিরো পয়েন্ট, গল্লামারী মোড়, ময়লাপোতা মোড়ে হাজারও মানুষের ঢল নামে। রঙ-বেরঙের নানা ধরনের প্লেকার্ড ফেস্টুন হাতে দলীয় নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষও শামিল ছিল। সবাই অপেক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। এরপর হেলিকপ্টারে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?
শ্রমিক আন্দোলনে হেলমেট বাহিনী নিয়ে যা বললেন আমানুল্লাহ আমান
শ্রমিক আন্দোলনে হেলমেট বাহিনী নিয়ে যা বললেন আমানুল্লাহ আমান
চিকিৎসা বিলের ছাড় নিয়ে দ্বন্দ্বে মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতালে হা'ম'লা ও ভা'ঙ''চুর
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন, বড় পরীক্ষার মুখে ট্রাম্প
পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খান ঠেকাতে পারে নাই, তোমরা কী ঠেকাইবা: মেজর আখতারুজ্জামান
পাকিস্তানের ইয়াহিয়া খান ঠেকাতে পারে নাই, তোমরা কী ঠেকাইবা: মেজর আখতারুজ্জামান
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান
মধুমতীতে নৌকাবাইচ ঘিরে লাখো মানুষের ঢল, দুই পাড়ে জনসমুদ্র