বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

সবার সঙ্গে আলোচনা করে ইনক্লুসিভ সংবিধান সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে একটি অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা আহ্বান জানাই, তারা যেন সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম দেন, অন্তর্ভুক্ত হন এবং আলোচনায় আসেন। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে অংশগ্রহণমূলক ইনক্লুসিভ একটা সংশোধনী আনতে চাই।”যাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তি, জীবিত ভুক্তভোগী এবং নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বসা হবে। এছাড়া সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও অন্যান্য বিষয়:বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র (‘ইউনিটারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট সুভারেন রিপাবলিক’) এবং এখানে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক ব্যবস্থা না থাকায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব এসেছে। তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠনের বিষয়ে একমত হওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, সেই অনুযায়ীই প্রক্রিয়া এগোতে চায় কমিটি।এছাড়া বৈঠকে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও উন্মুক্ত আলোচনার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বৈঠকে প্রাপ্ত মতামতগুলো রেকর্ড করা হয়েছে এবং সংসদ যা সুষ্ঠু বিবেচনা করবে, সেটাই গ্রহণ করা হবে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কাঠামো, গঠনপ্রক্রিয়া ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব ও গঠনমূলক মতামত চাওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে উপযুক্ত বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।তিনি জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ধাপ ও প্রক্রিয়া নিয়ে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাব থাকলেও বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় কিংবা চতুর্থ ধাপে কীভাবে কার্যকর হবে, সে ক্ষেত্রে একাধিক বিকল্প এখনো আলোচনার জন্য খোলা রয়েছে।সংসদ এবং সংসদের বাইরে ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও সর্বসম্মত কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মতামত নিয়েছে কমিটিবিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা এবং বার্তা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।এর আগে রোববার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতামত নেওয়া হয়। আলোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই ধাপে মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়েছে। এরই মধ্যে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া গেছে। যারা এখনো মতামত দেননি, তাদের দ্রুত লিখিত প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।তবে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা শুধু গণমাধ্যমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানান কমিটির সভাপতি। পর্যায়ক্রমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করা হবে।তিনি বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ এবং সাবেক ও বর্তমান বিচারকদের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনা ও নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলোর মতামত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশগ্রহণকারী এবং শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনার পর দেশের শীর্ষ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করবে।দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনাবৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। বাংলাদেশের এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় দুই কক্ষের সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও জুলাই জাতীয় সনদে যে ঐকমত্য হয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বিশেষ কমিটি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনসভা বা সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নতুন কোনো গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তা বিবেচনার সুযোগ থাকবে।এ ছাড়া বৈঠকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবমুক্ত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।সব রাজনৈতিক পক্ষকে আলোচনায় আসার আহ্বানসংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে বাইরে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এ কারণে বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নিজেদের প্রতিনিধি যুক্ত করে সব পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধনী আইন প্রণয়নই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।এ সময় বিএনপির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা—একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না—এই নীতিগত বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসন প্রতিরোধের বিষয়ে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সংসদে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের পক্ষ থেকে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে তা আলোচনার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আলোচনা করে সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সবার জন্য আলোচনার সুযোগ খোলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ কমিটিতে যুক্ত হয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধনী আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং জীবিত ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়ার কথা জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এরপর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।তিনি জানান, ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। বিল উত্থাপনের পরও আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং সংসদের পাশাপাশি সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়া হবে। এভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র এবং সংবিধান অনুযায়ী এটি ‘ইউনিটারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট সুভারেন রিপাবলিক’। দেশে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক ব্যবস্থা না থাকায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে বিবেচনার প্রস্তাব এসেছে।তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।বৈঠকে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মতামত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে, এর প্রক্রিয়া ও কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে আরও খোলামেলা আলোচনা ও প্রস্তাব প্রয়োজন। যেটিকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য মনে করা হবে, সংসদ তা বিবেচনা করে গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

মাগুরায় ঘটে গেলো অদ্ভুতকান্ড / এক বাড়িতে এক মাসের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা

মাগুরা সদর উপজেলার কেচুয়াডুবি গ্রামে মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে এক গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার এক ভূতুড়ে ও অস্বাভাবিক বিল ইস্যু করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরের এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল দেখে হতবাক গ্রাহক ও তার পরিবার। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র অসন্তোষ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, কেচুয়াডুবি গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আলেয়া খাতুনের (আবাসিক গ্রাহক, শ্রেণি 'এলটি-এ') সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ ব্যবহারে এই চরম অসঙ্গতি দেখা দেয়। বিলের কাগজ অনুযায়ী, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচের মূল বিলের বাইরে শুধু 'ডিমান্ড চার্জ' বাবদ ধরা হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সাথে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট ও মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকার বেশি। নির্ধারিত সময়ের পর বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। অথচ প্রকৃত হিসাব অনুযায়ী, ২৩৫ ইউনিটের বিপরীতে নির্ধারিত বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১,৯৬৩ টাকা (বিলম্ব মাশুলসহ ২,০৫৬ টাকা)।গ্রাহক আলেয়া খাতুন এই ঘটনাকে চরম খামখেয়ালিপনা ও 'আজগুবি বিল' আখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের শাস্তির দাবি জানান।বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, গ্রাহকের মিটার পরিবর্তনের সময় অসাবধানতাবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে ইনপুট বা পোস্টিং হওয়ায় এই তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে।অন্যদিকে, মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মো. মহিতুল ইসলাম বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত 'টাইপিং মিসটেক' হিসেবে উল্লেখ করে জানান, বিলটি ইতিমধ্যেই সংশোধন করে নতুন করে গ্রাহকের হাতে দেওয়া হয়েছে এবং গ্রাহক তা পরিশোধও করেছেন। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্ত সাপেক্ষে উপযুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত ও তা যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের এমন চরম অবহেলা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতায় অসন্তোষ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ গ্রাহকেরা।

সবার সঙ্গে আলোচনা করে ইনক্লুসিভ সংবিধান সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সবার সঙ্গে আলোচনা করে ইনক্লুসিভ সংবিধান সংশোধনী আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে একটি অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা আহ্বান জানাই, তারা যেন সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নাম দেন, অন্তর্ভুক্ত হন এবং আলোচনায় আসেন। আমরা সবার সাথে আলোচনা করে অংশগ্রহণমূলক ইনক্লুসিভ একটা সংশোধনী আনতে চাই।”যাঁদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তি, জীবিত ভুক্তভোগী এবং নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বসা হবে। এছাড়া সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হবে এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ও অন্যান্য বিষয়:বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র (‘ইউনিটারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট সুভারেন রিপাবলিক’) এবং এখানে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক ব্যবস্থা না থাকায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা পুনর্বিবেচনার প্রস্তাব এসেছে। তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্ট গঠনের বিষয়ে একমত হওয়ার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, সেই অনুযায়ীই প্রক্রিয়া এগোতে চায় কমিটি।এছাড়া বৈঠকে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও উন্মুক্ত আলোচনার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বৈঠকে প্রাপ্ত মতামতগুলো রেকর্ড করা হয়েছে এবং সংসদ যা সুষ্ঠু বিবেচনা করবে, সেটাই গ্রহণ করা হবে।

৪ ঘন্টা আগে
শিক্ষানীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক

শিক্ষানীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক

শিক্ষাখাতের নীতিমালা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।মঙ্গলবার বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারের অগ্রাধিকার, শিক্ষার আধুনিকায়ন, দক্ষতা বাড়ানো এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের কার্যকর সংযোগ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।এ ছাড়া সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারকে সামনে রেখে অগ্রাধিকারভিত্তিক শিক্ষা পরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করা হয়।বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিন পেসম, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের শিক্ষা ও দক্ষতা বৈশ্বিক প্র্যাকটিসের প্র্যাকটিস ম্যানেজার শেরেজাদ মোনামি লতিফ, বাংলাদেশ ও ভুটানের অপারেশনস ম্যানেজার ড. গেইল এইচ মার্টিন, সিনিয়র শিক্ষা বিশেষজ্ঞ আব্দুল হাই সোফিজাদা, সিনিয়র অর্থনীতিবিদ সৈয়দ রাশেদ আল জায়েদ এবং সিনিয়র শিক্ষা বিশেষজ্ঞ তাসনিনা রহমান।প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের জন্য ‘মিড-ডে মিল’ চালু, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ সরবরাহ এবং চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে নতুন দুটি বই যুক্ত করার বিষয়গুলো বৈঠকে উঠে আসে। একই সঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন এবং শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও মতবিনিময় হয়।উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীদের স্নাতকোত্তর এবং ছাত্রদের মাধ্যমিক ও সমমান পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ কার্যক্রম বাড়ানো, ইকোসিস্টেম ও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং অফিস স্থাপন এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ চালুর বিষয়গুলোও আলোচনায় আসে।এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং বাধ্যতামূলক কারিগরি ল্যাব চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালু, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক’ বাস্তবায়নের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

৬ ঘন্টা আগে
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহ্বান

তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে এবং এতে কারা থাকবেন—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার কাঠামো, গঠনপ্রক্রিয়া ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সুশীল সমাজসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে লিখিত প্রস্তাব ও গঠনমূলক মতামত চাওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করে উপযুক্ত বিষয়গুলো জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।তিনি জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ধাপ ও প্রক্রিয়া নিয়ে এখন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে কিছু প্রস্তাব থাকলেও বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় কিংবা চতুর্থ ধাপে কীভাবে কার্যকর হবে, সে ক্ষেত্রে একাধিক বিকল্প এখনো আলোচনার জন্য খোলা রয়েছে।সংসদ এবং সংসদের বাইরে ব্যাপক আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও সর্বসম্মত কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মতামত নিয়েছে কমিটিবিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে গণমাধ্যমের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এতে ইলেকট্রনিক মিডিয়া, টেলিভিশন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা এবং বার্তা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।এর আগে রোববার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতামত নেওয়া হয়। আলোচনার জন্য পর্যাপ্ত সময় নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দুই ধাপে মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়েছে। এরই মধ্যে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরামর্শ পাওয়া গেছে। যারা এখনো মতামত দেননি, তাদের দ্রুত লিখিত প্রস্তাব পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।তবে সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা শুধু গণমাধ্যমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে জানান কমিটির সভাপতি। পর্যায়ক্রমে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করা হবে।তিনি বলেন, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ এবং সাবেক ও বর্তমান বিচারকদের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বঞ্চনা ও নিপীড়নের শিকার পরিবারগুলোর মতামত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তরুণ অংশগ্রহণকারী এবং শহীদ পরিবারের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনার পর দেশের শীর্ষ সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে কমিটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করবে।দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনাবৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। বাংলাদেশের এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় দুই কক্ষের সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও জুলাই জাতীয় সনদে যে ঐকমত্য হয়েছে, সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে বিশেষ কমিটি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আইনসভা বা সরকারি দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নতুন কোনো গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এলে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তা বিবেচনার সুযোগ থাকবে।এ ছাড়া বৈঠকে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ এবং বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবমুক্ত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।সব রাজনৈতিক পক্ষকে আলোচনায় আসার আহ্বানসংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক পক্ষকে বাইরে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। এ কারণে বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে নিজেদের প্রতিনিধি যুক্ত করে সব পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। একটি পূর্ণাঙ্গ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধনী আইন প্রণয়নই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।এ সময় বিএনপির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা—একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর বা দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না—এই নীতিগত বিষয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।তিনি বলেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসন প্রতিরোধের বিষয়ে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সংসদে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের পক্ষ থেকে বিকল্প কোনো প্রস্তাব এলে তা আলোচনার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

৭ ঘন্টা আগে
আলোচনা করে সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচনা করে সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনতে চাই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে সবার জন্য আলোচনার সুযোগ খোলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ কমিটিতে যুক্ত হয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই অংশগ্রহণমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংশোধনী আনার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং জীবিত ভুক্তভোগীদের প্রতিনিধিদের মতামত নেওয়া হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি।বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও তাদের প্রতিনিধিদের কাছ থেকেও মতামত নেওয়ার কথা জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এরপর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হবে।তিনি জানান, ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধনের বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। বিল উত্থাপনের পরও আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং সংসদের পাশাপাশি সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়া হবে। এভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি একক রাষ্ট্র এবং সংবিধান অনুযায়ী এটি ‘ইউনিটারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট সুভারেন রিপাবলিক’। দেশে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক ব্যবস্থা না থাকায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে বিবেচনার প্রস্তাব এসেছে।তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।বৈঠকে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের পদ্ধতি, প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে বৈঠকে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মতামত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে গঠিত হবে, এর প্রক্রিয়া ও কাঠামো কেমন হবে—এসব বিষয়ে আরও খোলামেলা আলোচনা ও প্রস্তাব প্রয়োজন। যেটিকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য মনে করা হবে, সংসদ তা বিবেচনা করে গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

৭ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন ক‌বির / </span>অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে পারে

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন ক‌বির / অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে পারে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, সফরের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে যেকোনো সময় এ সফর হতে পারে। এ বিষয়ে সরকার ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এটিই তার প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। বৈঠকটি আন্তরিক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এ বিষয়ে তারা আশাবাদী বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সফরের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হলে কোনো এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করতে পারেন। দুই দেশের মধ্যে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছে।সফরের সম্ভাব্য সময় বা তারিখ নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, পারস্পরিকভাবে অনুকূল একটি অবস্থানে পৌঁছানোর পরই সফরের সময় ও তারিখ নিয়ে আলোচনা হবে।নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর হতে পারে—এমন গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, আলোচনা চলছে। তবে গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না; বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতেই কথা বলতে চান।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মঙ্গলবারের বৈঠকটি খুব ভালো হয়েছে। এ আলোচনার মাধ্যমে শিগগিরই ইতিবাচক ফলাফল আসতে পারে বলে তিনি আশাবাদী।

৭ ঘন্টা আগে
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙা নিয়ে সানজিদা তুলির নামে ভুয়া উক্তি প্রচার

রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙা নিয়ে সানজিদা তুলির নামে ভুয়া উক্তি প্রচার

‘দখল নয়, সংস্কারের উদ্দেশ্যেই রাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙা হয়েছে’—এমন বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম তুলি।ফ্যাক্ট-চেক: দাবিটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন সানজিদা ইসলাম তুলি নিজেই। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে এমন বক্তব্যের একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হচ্ছে, কিন্তু তিনি কখনো এ ধরনের মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তুলি বলেন, মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাটের পর তিনি একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তার মূল লক্ষ্য ছিল ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির সংস্কার ও পুনর্ব্যবস্থাপনা শুরু করা এবং মা ও শিশুদের টিকাদানসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখা।তিনি জানান, এ জন্য ফ্যান, পর্দা, চেয়ার ও টেবিলসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও করা হয়েছে।রাড্ডা টিকাদান কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তুলি ভাঙচুরের ঘটনার তদন্ত দাবি করেছিলেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। তদন্তে দায়ীদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান তিনি।তুলির দাবি, তার দেওয়া বক্তব্য, ভিডিও এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ উপেক্ষা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পেজ থেকে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করা হয়েছে। এসব ফটোকার্ডে তার নামে মনগড়া বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অপতথ্য শুধু একজন জনপ্রতিনিধির বক্তব্যকে বিকৃত করে না, গুরুত্বপূর্ণ একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়েও মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। তাই কোনো ফটোকার্ড বা পোস্ট শেয়ার করার আগে এর উৎস ও সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানান তিনি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাড্ডা ক্লিনিকে ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকসহ কয়েকজন তার ছবি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তুলি।তার বক্তব্য অনুযায়ী, রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়; এটি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। তাই ভাঙচুরের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং একই সঙ্গে টিকাদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।সিদ্ধান্ত: সানজিদা ইসলাম তুলি ‘সংস্কারের উদ্দেশ্যেই রাতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙা হয়েছে’—এমন বক্তব্য দেওয়ার দাবি তিনি নিজেই অস্বীকার করেছেন। তার প্রকাশিত অবস্থান অনুযায়ী, তিনি ভাঙচুরের তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার কথা বলেছেন।

৭ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনাকে ফেরানো বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিষয়: তথ্য উপদেষ্টা

শেখ হাসিনাকে ফেরানো বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিষয়: তথ্য উপদেষ্টা

ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় ইস্যু হিসেবে দেখছে সরকার। এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে চায় এবং এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালতের রায় ও চলমান মামলাগুলোর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে তার বৈঠকেও এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে ভারতীয় প্রতিনিধিদের আলোচনাতেও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার বিষয়টিকে মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবেই দেখছে। এ ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো পক্ষ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততার প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।

৮ ঘন্টা আগে
একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

আর্থিক খাত সংস্কারসহ ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৭১২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ১১৮ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, বৈদেশিক ঋণ থেকে ৫ হাজার ২১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৩৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন একনেকের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টিগ্রেটেড হেলথ সিস্টেম রেসপন্স টু ফাইট এগেইনস্ট টিবি, এইডস অ্যান্ড ম্যালেরিয়া’, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন এবং ‘ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’।এ ছাড়া চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে বিদ্যমান শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণকেন্দ্রের উন্নয়ন, মুসাপুর রেগুলেটর নির্মাণ এবং ছোট ফেনী ও বামনী নদী অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার শিবপুর-ধনিয়া ও মেদুনা এলাকা রক্ষার প্রকল্পও রয়েছে অনুমোদিত তালিকায়।এ ছাড়া রংপুর বিভাগে গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ, মাদারীপুর-শরীয়তপুর ও রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং এসআরবির কারিগরি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।ফেনীর সোনাগাজীতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং তিন পার্বত্য জেলায় বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।এর পাশাপাশি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের সংশোধনেও অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

৮ ঘন্টা আগে
দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি বাড়ল

দুর্গাপূজায় সরকারি ছুটি বাড়ল

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটির সঙ্গে আরও একদিন ছুটি যুক্ত করেছে সরকার। আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি পাবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাহী আদেশে ২২ অক্টোবরের ছুটির অনুমোদন দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ড. সালেহ শিবলী।সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, মহানবমী উপলক্ষে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নির্বাহী আদেশে এবং বিজয়া দশমী উপলক্ষে ২১ অক্টোবর বুধবার সাধারণ ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটিও যুক্ত হচ্ছে। ফলে ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে ২৪ অক্টোবর শনিবার পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ছুটি থাকছে।এ কারণে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আলাদা করে ছুটি নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই ছুটি শেষ হবে শনিবার।চলতি বছর ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে।সরকারি ছুটির আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও এ ছুটির প্রভাব পড়বে। তবে জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে হবে।

৮ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বঙ্গভবনে এটি ছিল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ।আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাঁকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশন এবং সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ সফরের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, ভাষণটিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থানও সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, এই সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এছাড়া দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে। এ সময় তাঁরা জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

৯ ঘন্টা আগে
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩০ পিএম
টিআইবি বলেছে, দখল-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

টিআইবি বলেছে, দখল-চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে মতলবের তাহমিদ হাসান

 জাতীয় ছাত্রশক্তির পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘উপ-কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক’ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কৃতী সন্তান তাহমিদ হাসান।আবু বাকের মজুমদার ও তাহমিদ আল মুদাচ্ছিরের নেতৃত্বে সংগঠনটির পুনর্গঠিত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের বিশেষ সাংগঠনিক সভার সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনের পর নতুন কমিটির বিভিন্ন পদে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে তাহমিদ হাসানের অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তাহমিদ হাসান জাতীয় ছাত্রশক্তির শীর্ষ নেতৃত্বসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।এক অঙ্গীকারনামায় তাহমিদ হাসান বলেন, “জাতীয় ছাত্রশক্তিকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে নতুন কিছু উপহার দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় এবং দেশের ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে নতুন নতুন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে কাজ করে যাব।”তিনি বলেন, নতুন কমিটির সকল সদস্যের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বৈষম্যহীন ও প্রগতিশীল ছাত্ররাজনীতির বিকাশে কাজ করতে চান। দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে মতলব দক্ষিণ তথা চাঁদপুরের মানুষের প্রত্যাশা ও আস্থার মর্যাদা রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।তাহমিদ হাসানের নতুন দায়িত্বকে স্বাগত জানিয়ে সংগঠনের সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, তার সাংগঠনিক দক্ষতা, পরিশ্রম ও পরিকল্পনার মাধ্যমে জাতীয় ছাত্রশক্তির কর্মসূচি বাস্তবায়ন আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।এদিকে তাহমিদ হাসানের নতুন দায়িত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মতলব দক্ষিণের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

আবারও জামিন পেলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’-এর দায়ের করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার  জামিনের মেয়াদ আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছেন আদালত।আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ২৩ নম্বর কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট কামালউদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন।মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ফ্যাশন হাউস 'অ্যাপোনিয়া' থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে প্রচারণা (প্রমোশন) না করা, মূল্য পরিশোধ না করা এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে তিশার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটিশ পাঠানোর পর কোনো সাড়া না পাওয়ায় গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে অ্যাপোনিয়ার এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে দণ্ডবিধির ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় মামলাটি (সিআর মামলা নম্বর ৯৬২/২০২৫) দায়ের করেন।আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে তিশার বিরুদ্ধে আনা প্রতারণা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কথোপকথনের সত্যতা ডিবি প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।এর আগে গত ১৩ আগস্ট তিশা ১০ নম্বর কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর শুনানির পর তাঁর জামিনের সময়সীমা পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো।বাদীপক্ষের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট সলিমুল্লাহ সরকার বলেন, "তানজিন তিশা দেশের একজন খ্যাতনামা সেলিব্রিটি, যাঁকে অসংখ্য মানুষ অনুসরণ করেন। তাঁর কাছ থেকে একজন নারী উদ্যোক্তার এ ধরনের প্রতারণার শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।"অন্যদিকে, ঘটনার শুরুতে অভিনেত্রী তানজিন তিশা সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেছিলেন যে শাড়িটি উদ্যোক্তা তাঁকে 'উপহার' হিসেবে দিয়েছিলেন। তবে উভয় পক্ষের মধ্যে হওয়া ডিজিটাল যোগাযোগের পর্যালোচনায় প্রতারণার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় বিষয়টি এখন বিচারাধীন।

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখার অভ্যাস, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

আধুনিক জীবনযাত্রায় ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনাকাঙ্ক্ষিত তুলনা মানসিক অবসাদ ও ক্লান্তির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠছে। মনস্তাত্ত্বিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দৈনন্দিন কাজের বাহ্যিক চাপের চেয়েও মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত তথ্য প্রবেশ এবং সবকিছু নিয়ে অতিরিক্ত সচেতন থাকা মানুষকে দ্রুত অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে।বিবর্তন ও মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের মন মূলত একটি নির্দিষ্ট ও ছোট সামাজিক পরিমণ্ডলে সীমিত সমস্যা মোকাবিলার উপযোগী করে গড়ে উঠেছিল। দূরবর্তী অঞ্চলের রাজনৈতিক সংকট, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক অস্থিরতা কিংবা অচেনা মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের সাফল্য ও ভ্রমণের ঝলকানি সার্বক্ষণিকভাবে স্ক্রিনে হাজির হচ্ছে।নিজের বাস্তব জীবনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগসূত্র না থাকা সত্ত্বেও মানুষ অবচেতনভাবেই পৃথিবীর বহুমাত্রিক বিষয়ের মানসিক চাপ নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে, যা মস্তিষ্ককে ক্লান্ত করে তুলছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের আপাত সফল জীবনের সঙ্গে নিজের বাস্তবতার ক্রমাগত তুলনা মানুষের মানসিক ভার বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে কেবল মানুষের জীবনের সাজানো ও চমকপ্রদ মুহূর্তগুলোই প্রদর্শিত হয়, যা পুরো জীবনের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়।এই কৃত্রিম ও বাস্তবতাহীন তুলোনায় জড়িয়ে পড়ার ফলে ব্যক্তি নিজের সক্ষমতা, অর্জিত সাফল্য ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে এক ধরনের অযাচিত অতৃপ্তি ও হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক এই ডিজিটাল ক্লান্তি থেকে মুক্তি পেতে হলে জীবনযাত্রায় কিছু মৌলিক ও কার্যকর পরিবর্তন আনা জরুরি:দীর্ঘমেয়াদি বা এক মাসের দুশ্চিন্তায় একবারে ভারাক্রান্ত না হয়ে প্রতিদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক কাজটি সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া উচিত।কোন বিষয়গুলো নিজের ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে আছে এবং কোনটি কেবলই বাইরের তথ্য—এই পার্থক্য স্পষ্ট করে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের মানসিক দায়ভার এড়িয়ে চলা জরুরি।সারাদিন নিরবচ্ছিন্নভাবে সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদের পেছনে না ছুটে দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় ডিভাইস থেকে পুরোপুরি দূরে থাকা প্রয়োজন। কর্মঘণ্টা শেষে নিজস্ব সময়কে আলাদা করাই মনোযোগ ও ভেতরের স্বস্তি পুনরুদ্ধারের মূল চাবিকাঠি।সব বিষয় একসঙ্গে সামলানোর মানসিকতা পরিহার করে অপ্রয়োজনীয় তথ্য ও কৃত্রিম তুলনা জীবন থেকে ছেঁটে ফেলাই বর্তমান যুগে মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার সবচেয়ে কার্যকরী পথ।

১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: চরভদ্রাসনে রাজু শেখের যাবজ্জীবন

১৩ বছরের শিশুকে ধর্ষণ: চরভদ্রাসনে রাজু শেখের যাবজ্জীবন

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় রাজু শেখ নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও এক বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাকে।মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি রাজু শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৩ বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজু শেখের বিরুদ্ধে চরভদ্রাসন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।পরবর্তীতে আদালতে মামলার বিচারকাজ শুরু হলে রাষ্ট্রপক্ষ বিভিন্ন সাক্ষ্য, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি ও অন্যান্য প্রমাণ উপস্থাপন করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত বলে রায় দেন।রায়ে রাজু শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে অতিরিক্ত এক বছর কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পি.পি.) অ্যাডভোকেট গোলাম রাব্বানী রতন বলেন, মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream