প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক।রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়েও মতবিনিময় হয়।এ সময় দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার পরিধি বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।আলোচনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।সাক্ষাৎ শেষে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও হাইকমিশনার সারাহ কুক।এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রোববার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল সোমবার বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত এবং বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস পালনের অন্যতম লক্ষ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অক্টোবরের প্রথম সোমবার দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এবার ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রত্যয় সামনে রেখে দিবসটি পালিত হচ্ছে।দ্রুত নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাসনের বাড়তে থাকা চাহিদার কারণে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ণ সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জলবায়ু-সহনশীলতাকে সমন্বয় করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর নগরজীবন নিশ্চিত করতে নগর উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। এর অংশ হিসেবে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন এবং সুষম নগর উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, এমন নগর ও বসতি গড়ে তুলতে হবে যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা, সুস্থ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। বিশ্ব বসতি দিবস সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি অপরিকল্পিত নগরায়ণ, যানজট, দূষণ, পর্যাপ্ত নাগরিক সেবার অভাব, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসনের মতো বিষয়গুলো নগরজীবনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।এসব সমস্যা মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার রয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ তৈরি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিষয়টিও নির্বাচনি ইশতেহারে রাখা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য বাসস্থান’ বলতে শুধু একটি ঘরের ব্যবস্থা বোঝায় না। এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার নিশ্চয়তাও যুক্ত। এ লক্ষ্যেই দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনে ভূমিকা রাখবে।টেকসই আবাসন ও নগরায়ণ নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কাজে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
নতুন দাম নির্ধারণ / আবারও বাড়ছে এলপি গ্যাসের দাম
দেশে আবারও বাড়ানো হলো তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি অক্টোবরের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। এর আগে এই সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। ফলে প্রতি সিলিন্ডারে দাম বাড়ছে ২৫২ টাকা।বিইআরসি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই অক্টোবরের এই নতুন দর ঘোষণা করা হবে।বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার অজুহাতে বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফালোটের পাঁয়তারা করছে কিছু অপারেটর—এমন তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে সমুদ্র সীমায় এলপিজিবাহী জাহাজ ভাসিয়ে রেখে কিংবা ট্যাংকারে গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে। ফলে বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে এক হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে।এমতাবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জ্বালানিমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোটাব) নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনবিআরের পর্যাপ্ত আমদানির তথ্যের ভিত্তিতে বাজারে সংকটের কারণ জানতে চাওয়া হলে লোটাব নেতারা আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখান। তারা দাবি করেন, বিইআরসি প্রত্যাশিত হারে দাম না বাড়ানোর কারণেই আমদানিতে জটিলতা তৈরি হচ্ছে এবং এলপিজির দাম একলাফে বাড়ালে বাজারে স্থিতিশীলতা আসতে পারে।বৈঠক শেষে দাম বৃদ্ধি কিংবা কৃত্রিম সংকট বিষয়ে জ্বালানিমন্ত্রী কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ মৃত্যু
দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই মশাবাহিত রোগে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬২ জনে পৌঁছেছে।একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৯ জন।রোববার (৪ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে মারা গেছেন তিনজন। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্তদের চাপ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশার বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সচিব সভায়। এতে দুর্নীতি কমবে বলে মনে করেন কি?
বিএনপির এমপিরা নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে
বিএনপির এমপিরা নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে
মেজর আখতারুজ্জামানের গ্রেফতারের প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে জামাতের নেতাকর্মী
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর
ঢাবির ‘শহীদ ওসমান হাদী’ হলের নাম পরিবর্তন নিয়ে যা ভাবছেন ওই হলের শিক্ষার্থীরা
হাদী হ''ত্যার বিচারসহ ৩ দফা দাবিতে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’-এর রোডম্যাপ ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের
মিরপুর মার্কেটে আ'গু'ন লাগার আসল কারণ জানালেন ব্যবসায়ীরা
মিরপুরে সংঘর্ষের পর আবারো উচ্ছেদ অভিযান শুরু