শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

জাতিসংঘে ভাষণে জুলাইযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণ করেন।ভাষণের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সব শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানও স্মরণ করেন তিনি।একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এ জন্য তিনি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণই তাদের সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস—এমন বিশ্বাস নিয়েই তারা কাজ করছেন।

সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

দেশের আটটি অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার স্বাক্ষর করা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।এসব অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়ে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বিরল এক নজির গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া তার ভাষণটি ছিল সম্পূর্ণ বাংলায়।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ইতিহাসে একই পরিবারের বাবা, মা ও ছেলে—তিনজনের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেওয়ার ঘটনা আগে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে।নিউইয়র্ক সময় বিকেলে সাধারণ পরিষদ হলে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন।ভাষণের শুরুতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে উদ্দেশ করে তারেক রহমান বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কিছুটা স্মৃতিকাতর। কারণ একই মঞ্চে এর আগে তার বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।তিনি বলেন, তার বাবা-মায়ের মতো তিনিও বাংলাদেশের জনগণ ও দেশের স্বার্থের কথা বলতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বসমাজের প্রত্যাশা নিয়ে জাতিসংঘে দাঁড়িয়েছেন।জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণের মাধ্যমে তার পরিবারের সঙ্গে এই বিশ্ব সংস্থার সাধারণ পরিষদের চার দশকের বেশি সময়ের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হলো।পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। ওই বক্তব্যে তিনি ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে বাড়তে থাকা বৈষম্য, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।এর ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তিনি মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেন।এ ছাড়া ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ সভা, ২০০২ সালে শিশু বিষয়ক ২৭তম বিশেষ অধিবেশন এবং ২০০৫ সালে ৬০তম সাধারণ অধিবেশন চলাকালে দুটি পৃথক সভাতেও বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া।এর ধারাবাহিকতায় এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণকে দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক হিসেবে উল্লেখ করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি।বার্তায় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের হয়ে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের জন্য তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর এবং কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো দেশ শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতেই দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

যশোরবাসী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা পাবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোরবাসী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা পাবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:যশোর বাসিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে  পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) সেবা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় যশোর সার্কিট হাউসে জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।সভায় যশোরের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় হৃদরোগীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট চালুর বিষয়ে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, যশোরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ চালুর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে গুরুতর হৃদরোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য জেলায় যেতে না হয়।সভায় জেলা প্রশাসক আশেক হাসান, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) রাজিবুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৫ ঘন্টা আগে
ফসল তোলার মৌসুমে কৃষি শ্রমিকদের দ্রুত ভিসার সুযোগ দিল অস্ট্রেলিয়া

ফসল তোলার মৌসুমে কৃষি শ্রমিকদের দ্রুত ভিসার সুযোগ দিল অস্ট্রেলিয়া

আসন্ন ফসল তোলার মৌসুমকে কেন্দ্র করে চরম শ্রমিক সংকটে পড়ার শঙ্কায় থাকা কৃষি খাতে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। বিদেশি কৃষি শ্রমিকদের জন্য দ্রুত ভিসা প্রদানের বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র বিভাগ। এর ফলে হঠাৎ করে তীব্র কর্মী সংকটে পড়ার যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, তা অনেকটাই কেটে গেছে বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন খামার মালিক ও কৃষকেরা।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিকারক দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির সুবিশাল শস্যক্ষেত্রগুলো থেকে ফসল কাটার কাজ পুরোদমে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতি বছর এই সময়ে মাঠপর্যায়ের কাজ সম্পন্ন করতে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মৌসুমি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।সম্প্রতি সার্বিক অভিবাসী সংখ্যা কমাতে অস্ট্রেলিয়া সরকার কড়াকড়ি আরোপ করে। ফলে আগে যেখানে কয়েক দিনের মধ্যে মৌসুমি ভিসা পাওয়া যেত, সেখানে প্রক্রিয়াকরণ পিছিয়ে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগছিল।সঠিক সময়ে ফসল ঘরে তুলতে না পারলে কোটি কোটি ডলারের কৃষি খাত মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা নিয়ে কৃষক সংগঠনগুলো সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করে।কৃষি খাতের সংকট বিবেচনায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র বিভাগ বিশেষ এই দ্রুততম ভিসা (Fast-track visa) ব্যবস্থা চালু করেছে:কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন নিবন্ধিত সংস্থা বা নিয়োগকর্তারা এখন থেকে জরুরি প্রয়োজন প্রদর্শন করে তাঁদের বিদেশি শ্রমিকদের ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির আবেদন করতে পারবেন।যেসব বিদেশি শ্রমিকের কৃষি কাজে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে এবং যারা ইতিমধ্যে কোনো স্থানীয় খামার মালিক বা প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিভুক্ত হয়েছেন, ভিসা অনুমোদনের ক্ষেত্রে তাঁদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।অস্ট্রেলিয়ার কৃষক সংগঠনগুলোর নেতারা সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ফসল কাটার একদম সঠিক সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ বিদেশি কর্মী পাওয়ার পথ উন্মুক্ত হওয়াতে খামার মালিকরা এখন বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবেন।

৯ ঘন্টা আগে
জাতিসংঘে ভাষণে জুলাইযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে ভাষণে জুলাইযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণের শুরুতেই ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণ করেন।ভাষণের শুরুতে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সব শহীদ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। স্বাধীনতার পর থেকে দেশে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানও স্মরণ করেন তিনি।একই সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।তারেক রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এ জন্য তিনি দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে অভিনন্দন জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণই তাদের সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস—এমন বিশ্বাস নিয়েই তারা কাজ করছেন।

৯ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার / </span>ফাঁস হয়েছে পরিকল্পনা, মাঠে সরকারের ৪ বাহিনী

সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদার / ফাঁস হয়েছে পরিকল্পনা, মাঠে সরকারের ৪ বাহিনী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক নাশকতার ঘটনায় নতুন কিছু তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের দাবি, গত কয়েক দিনে অগ্নিসংযোগের শিকার হওয়া বেশ কিছু বাসের মালিক আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও নেতাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। নিজেদের মালিকানাধীন পরিবহণে আগুন দিয়ে নাশকতা সৃষ্টি, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো এবং বিমার অর্থ দাবি করার মতো উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, নাশকতার অর্থের জোগানদাতা ও নির্দেশদাতাদের সম্পর্কেও তথ্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।রাজধানীর ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় নাশকতাকারীরা পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে লক্ষ্য করে ‘হিট অ্যান্ড রান’ কৌশল ব্যবহার করছে বলে গোয়েন্দা সূত্রের দাবি। অর্থাৎ, কোনো ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত সেখান থেকে সরে যাওয়ার কৌশল নেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে রাজধানীতে এসআরবি (স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন), ডিএমপি, ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করছেন। পাশাপাশি দেশের সব বিভাগ ও জেলায়ও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর প্রবেশপথ এবং পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, সবুজবাগ, বাসাবো ও খিলগাঁও এবং পশ্চিমাঞ্চলের গাবতলী, মোহাম্মদপুর, বসিলা ও মিরপুরের শেষ অংশে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এসব এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমেও পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে।গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, প্রথমে ককটেল নিক্ষেপের মাধ্যমে নাশকতার মহড়া চালানো হচ্ছে। এরপর বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে। বড় ধরনের নাশকতার অংশ হিসেবে রোববার রাতে কমলাপুরে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে সূত্রটি জানায়। মেট্রোরেলসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও সম্ভাব্য টার্গেটের তালিকায় রয়েছে বলে তাদের দাবি। এ কারণে দেশের বিভিন্ন কেপিআইভুক্ত স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনার পর রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কেপিআই এলাকায় নিয়মিত নিরাপত্তার পাশাপাশি বিশেষ টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এসব স্থাপনার তালিকা তৈরি করে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নাশকতায় একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অর্থায়ন ও ইন্ধনের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ওই গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকে দেশের কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও অর্থ পাঠানোর তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের নির্দেশেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি। অর্থের জোগানদাতা ও মূল নির্দেশদাতাদের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।পুলিশের ভাষ্য, সাম্প্রতিক বাসে অগ্নিসংযোগের কয়েকটি ঘটনায় বাসমালিকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিজেদের পরিবহণে আগুন দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর অন্যদিকে সরানো, জনসমর্থন বা সহানুভূতি আদায় এবং সরকারের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা হতে পারে বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা।এদিকে রেলপথ ও স্টেশনগুলোতেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজি (ইনচার্জ) ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমান জানান, কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে সাখাওয়াত হোসেন রায়হান ও সাইমুন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।তিনি আরও জানান, রোববার রাতে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তকে নাশকতার জন্য বেছে নেওয়ার অন্যতম কারণ হলো এসব এলাকা দিয়ে দ্রুত ঢাকার বাইরে চলে যাওয়া বা আশপাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আত্মগোপন করা সম্ভব। পাশাপাশি কিছু এলাকায় তুলনামূলক কম সিসিটিভি ও টহলের সুযোগও অপরাধীরা কাজে লাগাতে পারে বলে তাদের ধারণা।ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, গণপরিবহণে অগ্নিসংযোগ, ককটেল নিক্ষেপসহ নাশকতার উদ্দেশ্য জনমনে আতঙ্ক তৈরি করা এবং সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ—এমন একটি ধারণা তৈরি করা। রাজধানীর প্রান্তিক এলাকাগুলোতে ঘনবসতি ও গণপরিবহণে অতিরিক্ত ভিড়ের সুযোগ নিয়ে নাশকতাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারে বলেও জানান তিনি।

৯ ঘন্টা আগে
যারা তাঁবেদার রাষ্ট্র করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে: রিজভী

যারা তাঁবেদার রাষ্ট্র করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে: রিজভী

দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী কোনো শক্তির বাংলাদেশে জায়গা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ’ শীর্ষক এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা গাজী মো. সেলিম রেজা।রিজভী বলেন, যারা বাংলাদেশকে উপনিবেশে পরিণত করতে কিংবা তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ওলামা দল রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার পরিবারের তিন প্রজন্মের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান তৃতীয় প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন। এর আগে তার বাবা ১৯৮০ সালে এবং মা ১৯৯২ সালে সেখানে বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দাবি করেন, কোনো পাতানো বা মধ্যরাতের নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় আসেনি। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এবং বিএনপির জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রিজভী আরও বলেন, জনগণের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই বিএনপি সরকার কাজ করছে।

১০ ঘন্টা আগে
বিকালের মধ্যেই গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিকালের মধ্যেই গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় বঙ্গোপসাগরে ভাসমান দুটি এফএসআরইউ থেকে এলএনজি খালাসে বৃহস্পতিবার কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছিল বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে আবারও এলএনজি খালাস শুরু হয়েছে। বিকেলের মধ্যেই গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে বলে জানান তিনি।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোর সার্কিট হাউজে জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল হলে বা কমে এলে দ্রুত দেশের বাজারে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।এর আগে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যশোরবাসীকে পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) সেবা নিশ্চিত করা হবে। গুরুতর হৃদরোগীদের চিকিৎসার জন্য যাতে অন্য জেলায় যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে।যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে আগের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। বেশিরভাগ সিদ্ধান্তে ভালো অগ্রগতি হয়েছে। বাকি কাজগুলো শেষ করতে সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।সভায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাসুদ রানা, যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. হুসাইন শাফায়াতসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১০ ঘন্টা আগে
সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

সন্ধ্যার মধ্যে ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

দেশের আটটি অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকায় ঘণ্টায় ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছার স্বাক্ষর করা পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।এসব অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে
জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে বিরল ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়ে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বিরল এক নজির গড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া তার ভাষণটি ছিল সম্পূর্ণ বাংলায়।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ইতিহাসে একই পরিবারের বাবা, মা ও ছেলে—তিনজনের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান হিসেবে সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেওয়ার ঘটনা আগে দেখা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়েছে।নিউইয়র্ক সময় বিকেলে সাধারণ পরিষদ হলে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও দেশের মানুষের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গা ইস্যুকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন।ভাষণের শুরুতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতিকে উদ্দেশ করে তারেক রহমান বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি কিছুটা স্মৃতিকাতর। কারণ একই মঞ্চে এর আগে তার বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের হয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।তিনি বলেন, তার বাবা-মায়ের মতো তিনিও বাংলাদেশের জনগণ ও দেশের স্বার্থের কথা বলতে এবং একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বসমাজের প্রত্যাশা নিয়ে জাতিসংঘে দাঁড়িয়েছেন।জাতিসংঘে তারেক রহমানের ভাষণের মাধ্যমে তার পরিবারের সঙ্গে এই বিশ্ব সংস্থার সাধারণ পরিষদের চার দশকের বেশি সময়ের সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হলো।পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেন। ওই বক্তব্যে তিনি ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে বাড়তে থাকা বৈষম্য, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।এর ১৩ বছর পর ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে ভাষণ দেন তারেক রহমানের মা এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জাতিসংঘের নথি অনুযায়ী, ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে তিনি মোট পাঁচবার সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দেন।এ ছাড়া ১৯৯৫ সালে জাতিসংঘের ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ সভা, ২০০২ সালে শিশু বিষয়ক ২৭তম বিশেষ অধিবেশন এবং ২০০৫ সালে ৬০তম সাধারণ অধিবেশন চলাকালে দুটি পৃথক সভাতেও বক্তব্য দেন খালেদা জিয়া।এর ধারাবাহিকতায় এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মঞ্চে পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

১২ ঘন্টা আগে
জাতিসংঘে ইউনিভার্সাল কার্ড চালুর পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে ইউনিভার্সাল কার্ড চালুর পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচিকে একটি কাঠামোর আওতায় আনতে ভবিষ্যতে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সুফল যেন বিশ্বের সব মানুষের কাছে পৌঁছায়, সে জন্য জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ভাষণে সামাজিক সুরক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, প্রযুক্তিগত বৈষম্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রকে শুধু ভোটাধিকার বা রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অর্থনীতিতেও এর সুফল নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুবিধা যেন প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছে যায়, সে লক্ষ্যেই সরকার বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।তিনি জানান, পরিবারের নারী প্রধানের নামে দেওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’কে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এর পাশাপাশি ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব কর্মসূচির কার্ডগুলো সমন্বয় করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।এআই নিয়ে নীতিমালার আহ্বানভাষণে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির বিষয়েও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ব এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়োটেকনোলজি ও বিজ্ঞানের নতুন যুগে প্রবেশ করছে। কিন্তু প্রযুক্তির সুবিধা এখনো সব মানুষের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত নয়।বাংলাদেশের বড় তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নত প্রযুক্তি, জ্ঞান ও গবেষণার সুযোগ সবার নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।জাতিসংঘে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।’উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। কোনো দেশ যেন বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির দৌড়ে পিছিয়ে না পড়ে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।এআই ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্রুত বিস্তারের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান।রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বানভাষণে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।তারেক রহমানের ভাষ্য, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং এর সমাধানও সেখানেই রয়েছে। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফিরিয়ে নেওয়াকেই তিনি সংকট সমাধানের একমাত্র পথ হিসেবে উল্লেখ করেন।এ জন্য জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। প্রত্যাবাসন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বানও জানান প্রধানমন্ত্রী। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদ্যোগজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান তুলনামূলকভাবে কম হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে।এ অবস্থায় জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তার ক্ষেত্রে কপ-৩১ সম্মেলন থেকে আরও কার্যকর বৈশ্বিক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বন্যা ও খরার প্রভাব মোকাবিলায় সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচিও শুরু হয়েছে।

১২ ঘন্টা আগে
আদালতের নির্দেশ ছাড়া একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে নয়: হাইকোর্ট

আদালতের নির্দেশ ছাড়া একাধিক মামলার সাজা একসঙ্গে নয়: হাইকোর্ট

একাধিক ফৌজদারি মামলায় পৃথকভাবে সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া একই সময়ে সব সাজা ভোগ করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পৃথক মামলায় দণ্ড দেওয়ার সময় সাজা একসঙ্গে কার্যকর হওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ না থাকলে একটি মামলার সাজা শেষ হওয়ার পর অন্য মামলার সাজা শুরু হবে।চেক ডিজঅনারের ছয়টি পৃথক মামলায় দণ্ডিত এক ব্যক্তির কারাবন্দিত্বের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের রুল খারিজ করে ২০২৫ সালের ২৭ আগস্ট এ রায় দেন বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ। সম্প্রতি রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।‘মো. নাসির উদ্দিন বনাম রাষ্ট্র’ মামলার রায়ে নাসির উদ্দিনকে দুই মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ের মূল অংশ লিখেছেন বিচারপতি শেখ তাহসিন আলী।মামলার ঘটনারায়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. নাসির উদ্দিন নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ ধারায় দায়ের হওয়া ছয়টি পৃথক চেক ডিজঅনার মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত হন। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে অন্য মামলাগুলোতেও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সাজা শেষ হওয়ার পরও তাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে ২০২২ সালে হাইকোর্টে রিট করেন নাসির উদ্দিন। ওই বছরের ১১ এপ্রিল প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারির পাশাপাশি তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন।রিটের শুনানিতে নাসির উদ্দিনের আইনজীবী মো. শাহ আলম যুক্তি দেন, মামলাগুলোর বিচার চলার সময় নাসির কারাগারে ছিলেন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার আওতায় ওই সময় সাজা থেকে সমন্বয় করা হলে তার কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই তাকে মুক্তি দেওয়া উচিত।অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সামীর সাত্তার বলেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী, আদালত আলাদাভাবে দেওয়া সাজাগুলো একই সঙ্গে চলবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ না দিলে সাজাগুলো পরপর কার্যকর হবে। নাসির উদ্দিনের মামলাগুলোতে এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।তিনি আরও জানান, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারা অনুযায়ী বিচারাধীন অবস্থায় কোনো নির্দিষ্ট মামলায় আটক থাকার সময় কেবল সেই মামলার সাজা থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অন্য কোনো মামলার সাজা থেকে ওই সময় সমন্বয় করা যাবে না।দুই পক্ষের বক্তব্য ও মামলার নথি পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট রুল খারিজ করে দেন।কারাভোগের সময় গণনার নির্দেশরায়ে নাসির উদ্দিনের আইনজীবীকে ছয়টি মামলার বিচার চলাকালে তার কারাভোগের সময় হিসাব করে একটি ‘ক্যালকুলেশন শিট’ তৈরি করতে বলা হয়েছে। নিম্ন আদালতের নথি যাচাই করে সেই হিসাব কারা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।কারা কর্তৃপক্ষ প্রতিটি মামলার ক্ষেত্রে বিচারাধীন অবস্থায় আটক থাকার সময় আলাদাভাবে হিসাব করবে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মামলার সাজা থেকে তা বাদ দেবে। তবে একটি মামলায় আটক থাকার সময় অন্য মামলার সাজা থেকে সমন্বয় করা যাবে না।হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণআদালত বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ অনুযায়ী বিচার চলাকালে আসামি যে মামলায় কারাগারে ছিলেন, শুধু সেই মামলার সাজা থেকে ওই সময় বাদ দেওয়া যাবে।অন্যদিকে ৩৯৭ ধারা অনুযায়ী, পৃথক মামলায় দেওয়া সাজা একই সময়ে কার্যকর করার বিষয়ে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ না থাকলে সাজাগুলো ধারাবাহিকভাবে কার্যকর হবে।হাইকোর্ট আরও বলেন, কোনো আইনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলে রিট এখতিয়ার ব্যবহার করে ফৌজদারি কার্যক্রম বাতিল করার সুযোগ নেই। একইভাবে রিটের মাধ্যমে বিচারিক আদালতের দেওয়া ফৌজদারি রায়েও হস্তক্ষেপ করা যায় না।

১৪ ঘন্টা আগে
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে বালু তোলার অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ অনুমতি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন কি?

পদ্মা সেতুকে ঝুঁকিতে ফেলে বালু তোলার অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ অনুমতি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ২ জন

শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জে যুবদলের ৯ নেতাকে শোকজ

কেন্দ্রীয় কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন না করা এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা এবং পৌর যুবদলের নয় নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা যুবদল।শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মুঠোফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল।শোকজ পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন জারু,সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মোহিত কদর ও সদস্য সচিব টিটু আহমেদ। শ্রীমঙ্গল পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সারোয়ার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মীর এম এ কালাম ও সদস্য সচিব প্রণব বৈদ্যকেও নোটিশ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া কমলগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাহবুবুর রহমান এবং কমলগঞ্জ পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রূমন আলী ও সদস্য সচিব মীর খালেদুর রহমান রয়েছেন শোকজের তালিকায়।জেলা যুবদল সূত্রে জানা গেছে,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত সাম্প্রতিক কর্মসূচিগুলো সংশ্লিষ্ট ইউনিটে যথাসময়ে পালন করা হয়নি। বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মুহিতের নির্দেশে দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর বাশারের স্বাক্ষরে পৃথক চিঠির মাধ্যমে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়।নোটিশে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এম এ মুহিতও বৃহস্পতিবার রাতে মুঠোফোনে শোকজ নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

বিয়ের পর প্রথমবার পর্দায় জুটি বাঁধছেন রাশমিকা-বিজয়

বাস্তব জীবনে গাঁটছড়া বাঁধার পর প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় মুখোমুখি হচ্ছেন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় জুটি রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তাঁদের আসন্ন সিনেমা 'রানাবালি' মুক্তির আগে সোশালে দুই তারকার মিষ্টি রসায়ন ও রোমান্টিক বার্তা ভক্তদের মাঝে বাড়তি উন্মাদনা তৈরি করেছে।সম্প্রতি সিনেমাটির ‘এন্ধাইয়া সামি’ গানের একটি ভিডিও ক্লিপ ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে রাশমিকা লেখেন, “এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে সে পুরোপুরি আমার। তবুও তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।” জবাবে স্ত্রী রাশমিকাকে উদ্দেশ করে বিজয় লেখেন, “আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব, তবে তোমাকে তো সারা জীবনের জন্য পেয়েছি।”রাহুল সাংকৃত্যায়ন পরিচালিত ও ‘মিথ্রি মুভি মেকার্স’ প্রযোজিত এই পিরিয়ড ড্রামা সিনেমার পটভূমি গড়ে উঠেছে ভারতের ইতিহাসের অন্যতম করুণ অধ্যায়—১৮৭৬-৭৮ সালের ভয়াবহ মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে।আইএমডিবির (IMDb) তথ্যমতে, দক্ষিণ ভারতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তৈরি এই গল্পে বিজয় অভিনয় করেছেন নাম-ভূমিকায় এক বীর যোদ্ধা 'রানাবালি' চরিত্রে। তাঁর স্ত্রী ও প্রতিটি সংগ্রামের ছায়াসঙ্গী 'জয়াম্মা' চরিত্রে দেখা যাবে রাশমিকাকে।সিনেমাটিতে মূল প্রতিপক্ষ তথা নিষ্ঠুর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তা স্যার থিওডোর হেক্টরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা আর্নল্ড ভসলো।আমূল ঐতিহাসিক পটভূমি ও দুই তারকা দম্পতির পর্দার পেছনের কেমিস্ট্রি সিনেমাটিকে নিয়ে দর্শকমনে বিশাল প্রত্যাশা তৈরি করেছে। প্রযোজনা সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৬ সারা বিশ্বের প্রেক্ষাগৃহে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাবে ‘রানাবালি’।

পুষ্টিগুণে সেরা কদবেল: জেনে নিন এর উপকারিতা

বর্ষার শেষভাগে বাজারে সহজলভ্য দেশীয় ফলগুলোর মধ্যে কদবেল অন্যতম। টক-মিষ্টি স্বাদের শক্ত খোলসে আবৃত এই ফলটি কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়, বরং এটি পুষ্টির এক বিশাল উৎস। পুষ্টিবিদদের মতে, কদবেলে আমের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৩ গুণ, কাঁঠালের চেয়ে দ্বিগুণ এবং আমলকী ও আনারসের চেয়ে প্রায় ৪ গুণ বেশি আমিষ (প্রোটিন) রয়েছে।প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য কদবেলে যেসব পুষ্টি উপাদান রয়েছে:খাদ্যশক্তি: ৪৯ কিলোক্যালরিআমিষ (প্রোটিন): ৩.৫ গ্রাম | শর্করা: ৮.৬ গ্রাম | চর্বি: ০.১ গ্রামপানীয় অংশ: ৮৫.৬ গ্রাম | খনিজ পদার্থ: ২.২ গ্রামভিটামিন ও খনিজ: ভিটামিন-সি ১৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৮০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫.৯ মিলিগ্রাম ও লৌহ ০.৬ মিলিগ্রাম।১. রক্ত পরিষ্কার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: কদবেলের খনিজ উপাদান ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এটি রক্ত পরিষ্কার এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া গুড় বা মিছরির সাথে কদবেল খেলে রক্তস্বল্পতা দূর হয় ও শারীরিক শক্তি বাড়ে।২. পেটের সমস্যা ও আলসার নিরাময়: কদবেলে থাকা ‘ট্যানিন’ উপাদান দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া, পেট ব্যথা ও অন্ত্রের কৃমি ধ্বংস করতে সাহায্য করে। নিয়মিত কদবেল পাতার রস পানির সাথে পান করলে পেপটিক আলসার দ্রুত ভালো হয়।৩. স্কার্ভি প্রতিরোধ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: পর্যাপ্ত ভিটামিন-সি থাকায় এটি স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং স্নায়ুর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করায় গরমের দিনে কদবেল বিশেষ আরামদায়ক।৪. ত্বকের সুরক্ষায়: ত্বকের জ্বালা-পোড়া কমাতে কদবেল মলম হিসেবে কাজ করে। এছাড়া কাঁচা কদবেলের রস নিয়মিত মুখে মাখলে ব্রণ ও মেছতার দাগ দ্রুত দূর হয়।কদবেল পাকা অবস্থায় খুব সুন্দর সুবাস ছড়ায় এবং এর শাঁস চকোলেট বা গাঢ় বাদামি রঙের নরম মাখনের মতো হয়। কদবেলের বিচি থেকে সহজেই চারা তৈরি করা যায়। তবে টবে বা বাসায় চাষের ক্ষেত্রে কলমের চারা বেশি উপযোগী, কারণ এতে মাত্র ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই ফুল ও ফল ধরে।

ছাতকে নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি,৭০ হাজার টাকা জরিমানা

ছাতকে নকল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি,৭০ হাজার টাকা জরিমানা

সুনামগঞ্জের ছাতকে নকল,অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ছাতক থানার মধ্যবাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসআরবি-৯,সিপিসি-৩,সুনামগঞ্জ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,সুনামগঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় নকল, অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন,২০০৯-এর ৩৭, ৪৫ ও ৫১ ধারায় তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়।জরিমানাপ্রাপ্তদের মধ্যে বড় মিয়া ভ্যারাইটিজ স্টোরের মালিককে ৪০ হাজার টাকা,লোকনাথ এন্টারপ্রাইজের মালিককে ১০ হাজার টাকা এবং শ্যাম সুন্দর কুন্ড স্টোরের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এসআরবি-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream