শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা এফ এম

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে কাউকেই অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাবের) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ নির্দেশনা দেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। সংস্থাটির ১৩তম এই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন তিনি।আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এর ফলাফলের সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। তাই পর্যবেক্ষণ আসতে পারে এমন সব বিষয়ে আইসিএও’র মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করার জোর তাগিদ দেন তিনি। পাশাপাশি প্রবাসীদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে যাত্রীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করা হবে। প্রায় তিন বছর পর এনসিএসসির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ায় এর সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম মজুদ রাখতে হবে। এছাড়া নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

ডিএমপির ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার সাতজন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই রদবদল করা হয়।বদলিকৃত কর্মকর্তাদের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মস্থল:মুশফিকুর রহমান তুষার: পরিবহণ বিভাগ থেকে চকবাজার জোনেতানিয়া সুলতানা: ট্রাফিক-পল্লবী জোন থেকে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগেশেখ সুরাইয়া ঊর্মি: প্রকিউরমেন্ট বিভাগ থেকে পিওএম-পশ্চিমেমো. মাহফুজার রহমান: চকবাজার জোন থেকে বঙ্গভবন-নিরাপত্তা-১ বিভাগেনুসরাত ইয়াছমিন তিসা: ট্রাফিক-পল্লবী জোনেমোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম: পেট্রোল-ক্যান্টনমেন্টেমো. সাকিলুর রহমান: গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের (উত্তর) বিভাগেজনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংগীতশিল্পী অনুশ্রীর স্বপ্ন পূরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬-এ দেশের গানে প্রথম স্থান অর্জনকারী ক্ষুদে শিল্পী অনুশ্রীর দীর্ঘদিনের একটি ইচ্ছা পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংগীতচর্চার জন্য তাকে একটি হারমোনিয়াম উপহার দেন তিনি।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অনুশ্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন, তার সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন এবং নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের পরামর্শ দেন।সাক্ষাতের একপর্যায়ে নতুন হারমোনিয়ামে প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে অনুশ্রী।জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখেছিল। চিঠিতে সে একটি হারমোনিয়ামের প্রয়োজনীয়তার কথা জানায় এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছাও প্রকাশ করে। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই তাকে ও তার পরিবারকে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।অনুশ্রীর বাবা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের ডেকে মেয়েকে উৎসাহ দেবেন, এমনটি তারা কল্পনাও করেননি। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের কথা শুনেই অনুশ্রীর মনে বিশ্বাস জন্মেছিল যে, চিঠি লিখলে হয়তো সাড়া পাওয়া যাবে।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং উপহার হিসেবে হারমোনিয়াম পাওয়ায় অনুশ্রী ও তার পরিবার আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। পরিবারের ভাষ্য, এই স্বীকৃতি ও উৎসাহ অনুশ্রীর সংগীতচর্চায় নতুন অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং ভবিষ্যতে একজন প্রতিষ্ঠিত সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাকে আরও এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।

নদী দূষণ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে গাফিলতির কোনো অবকাশ নেই: প্রধানমন্ত্রী

নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নদীর দূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ উন্নয়ন’ বিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোর দূষণ কমাতে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা এবং ঢাকার আশপাশের অন্যান্য নদীর বর্তমান পরিবেশগত পরিস্থিতি, দূষণের উৎস, বিদ্যমান সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ডিএমপির ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

ডিএমপির ৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) পদমর্যাদার সাতজন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই রদবদল করা হয়।বদলিকৃত কর্মকর্তাদের নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মস্থল:মুশফিকুর রহমান তুষার: পরিবহণ বিভাগ থেকে চকবাজার জোনেতানিয়া সুলতানা: ট্রাফিক-পল্লবী জোন থেকে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগেশেখ সুরাইয়া ঊর্মি: প্রকিউরমেন্ট বিভাগ থেকে পিওএম-পশ্চিমেমো. মাহফুজার রহমান: চকবাজার জোন থেকে বঙ্গভবন-নিরাপত্তা-১ বিভাগেনুসরাত ইয়াছমিন তিসা: ট্রাফিক-পল্লবী জোনেমোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম: পেট্রোল-ক্যান্টনমেন্টেমো. সাকিলুর রহমান: গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের (উত্তর) বিভাগেজনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৭ ঘন্টা আগে
ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের–সাদ্দামের কল রেকর্ড দাখিল, হামলার নির্দেশের দাবি

ট্রাইব্যুনালে ওবায়দুল কাদের–সাদ্দামের কল রেকর্ড দাখিল, হামলার নির্দেশের দাবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে শুনানির দ্বিতীয় দিনে একটি অডিও কল রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষ ওই অডিওকে মামলার প্রমাণ হিসেবে দাখিল করে। প্রসিকিউশনের দাবি, এটি ২০২৪ সালের ১১ জুলাইয়ের একটি ফোনালাপ, যেখানে তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে কথোপকথন রেকর্ড হয়েছে।রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত অডিওতে শোনা যায়, সাদ্দাম হোসেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি, সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদেরকে অবহিত করছেন। এরপর শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ঠেকাতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার কথা বলতে শোনা যায় বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।অডিওতে আরও শোনা যায়, সাদ্দাম হোসেন জানান যে, তাদের কিছু পদক্ষেপ নিতে নিষেধ করা হয়েছে। জবাবে ওবায়দুল কাদের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আন্দোলনে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি।এ সময় সাদ্দাম হোসেন রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশনা পেলে তা বাস্তবায়নের কথা বলেন। একই সঙ্গে শাহবাগ এলাকায় বা আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি হতে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট অন্য একটি পক্ষের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেন বলে প্রসিকিউশন আদালতকে জানায়।প্রসিকিউশনের ভাষ্য, উপস্থাপিত এই অডিও রেকর্ড মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত মূল্যায়ন ও রায় এখনো হয়নি।

৮ ঘন্টা আগে
নদী দূষণ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে গাফিলতির কোনো অবকাশ নেই: প্রধানমন্ত্রী

নদী দূষণ প্রতিরোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে গাফিলতির কোনো অবকাশ নেই: প্রধানমন্ত্রী

নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নদীর দূষণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ উন্নয়ন’ বিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন জানান, বৈঠকে বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোর দূষণ কমাতে দ্রুত একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি এবং তা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা এবং ঢাকার আশপাশের অন্যান্য নদীর বর্তমান পরিবেশগত পরিস্থিতি, দূষণের উৎস, বিদ্যমান সমস্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) কার্যকরভাবে পরিচালনা, খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৮ ঘন্টা আগে
 দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এক গবেষণায় আড়িয়াল বিলের কয়েকটি দেশি মাছের দেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, পাঁচ প্রজাতির মাছের মধ্যে কই মাছে সবচেয়ে বেশি এবং পুঁটি মাছে সবচেয়ে কম মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।বাকৃবির ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় ২০২৪ সালের বর্ষা, ২০২৪-২৫ সালের শীত এবং ২০২৫ সালের শুষ্ক মৌসুমে আড়িয়াল বিলের বিভিন্ন এলাকা থেকে পানি, পলিমাটি ও মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।গবেষণার জন্য কই, বাটা, মেনি (ভেদা/নান্দিনা), গুলশা টেংরা ও পুঁটি মাছ পরীক্ষা করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, সর্বভুক খাদ্যাভ্যাসের কারণে কই মাছের দেহে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। মাছটির পেশি, অন্ত্র ও ফুলকায় এসব কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।কই মাছের পর বাটা মাছে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। এরপর মেনি ও গুলশা টেংরা মাছে এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। তুলনামূলকভাবে পুঁটি মাছে সবচেয়ে কম কণা পাওয়া গেছে। গবেষকদের মতে, মাছের খাদ্য গ্রহণের ধরন মাইক্রোপ্লাস্টিক জমার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, আড়িয়াল বিলের প্রতি লিটার পানিতে ১১ থেকে ৩১ দশমিক ৬৭টি এবং প্রতি কেজি পলিমাটিতে ১২ দশমিক ৩৩ থেকে ১২৭ দশমিক ৩৩টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে এসব দূষণকারীর মাত্রা বেশি ছিল।পরীক্ষায় দেখা গেছে, শনাক্ত হওয়া কণার বড় একটি অংশ ছিল মাইক্রোফাইবার। গবেষকদের মতে, কাপড় ধোয়ার সময় বের হওয়া কৃত্রিম তন্তু, গৃহস্থালির বর্জ্যপানি এবং প্লাস্টিকের মাছ ধরার জাল এসব দূষণের অন্যতম উৎস। পাশাপাশি পলিথিন, ভাঙা প্লাস্টিক ও ফোমজাতীয় উপাদানের কণাও পাওয়া গেছে।রাসায়নিক বিশ্লেষণে পলিইথিলিন, পলিপ্রোপিলিন, পলিস্টাইরিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড ও পলিকার্বোনেট ধরনের প্লাস্টিক উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে প্লাস্টিক দূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তার মতে, বর্তমানে এসব মাছ খাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকির নিশ্চিত প্রমাণ না থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে মানবস্বাস্থ্য, জলজ পরিবেশ ও খাদ্যনিরাপত্তায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

৯ ঘন্টা আগে
গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলে সরকারকে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে: নাহিদ ইসলাম

গ্যাসের দাম বাড়ানো হলে সরকার জনরোষের মুখে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়মুখী ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচিতে পুলিশের বাধার পর নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি সরকার পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিদ্যুৎ, কর্মসংস্থান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে।তিনি বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তার দাবি, দেশের মানুষকে জিম্মি করে কোনো ধরনের মুনাফাভিত্তিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হবে না।এনসিপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। তার ভাষ্য, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়েও অগ্রগতি হয়নি।তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশের কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের অভাব ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ চাপের মধ্যে রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নাহিদ ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আগের তুলনায় বেশি চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিরোধী মতের শিক্ষার্থী ও ছাত্র প্রতিনিধিদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।তিনি জানান, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে ভবিষ্যতে সচিবালয়ের পাশাপাশি জাতীয় সংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও দেওয়া হতে পারে।

৯ ঘন্টা আগে
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংবিধান সংস্কারের আহ্বান টিআইবির

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় সংবিধান সংস্কারের আহ্বান টিআইবির

দেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অধিকার নিশ্চিত করতে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাপন, ভূমির অধিকার ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল তাদের দুর্বল অবস্থানে রাখতে চায়। তিনি দাবি করেন, একটি প্রভাবশালী শক্তির বাধার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।এর আগে আরেক অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা না গেলে দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র ও সবার জন্য সমঅধিকার নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

১০ ঘন্টা আগে
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

শিকলমুক্ত ও কার্যকর গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সচিবালয়ে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ শীর্ষক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বাধা ও নিপীড়নের শিকল ভেঙেছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে রাষ্ট্র ও জনগণের অধিকার নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। ভবিষ্যতে যাতে কোনো শক্তি আবার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করতে না পারে, সে জন্য শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব বাধা অতিক্রম করতে বহু মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তার মতে, যেসব দেশ স্থিতিশীলভাবে উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে গেছে, তারা শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পেরেছে।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিশেষত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতের অনেক আন্দোলন শুধু অন্যায়ের প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য হারিয়েছে। তবে এবার আন্দোলনের পাশাপাশি দেশ পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও সামনে রাখা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রক্ত ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত পরিবর্তনকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পুরোনো কাঠামো দিয়ে সম্ভব নয়। তাই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, অতীতের অনেক রাজনৈতিক আন্দোলনের আগে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সরকার সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ প্রকাশনায় ২৩ জন লেখকের লেখা স্থান পেয়েছে। জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরতে বইটিতে বিভিন্ন লেখা ও আলোকচিত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।তিনি আরও জানান, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও প্রকাশনা, তথ্যচিত্র ও অন্যান্য ডিজিটাল কনটেন্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১১ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: তফসিল প্রকাশ, ভোট হবে ২০ আগস্ট

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: তফসিল প্রকাশ, ভোট হবে ২০ আগস্ট

নির্বাচন কমিশন (ইসি) দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে সংসদ সচিবালয় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা ইসিতে জমা দেওয়ার পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। এরপর ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। তার পর থেকেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে নিয়ম অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদের স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটাররা অংশ নেন না; কেবল জাতীয় সংসদের সদস্যরাই ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। এ কারণে সংসদ সদস্যদের তালিকার ভিত্তিতেই ইসি ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করে।

১১ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত: রিজভী

শেখ হাসিনাকে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়া পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অসম্মান। তার দাবি, এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের পারস্পরিক আস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এটি ভারতের নীতিনির্ধারকদের পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা হত্যা ও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক আসামি। তিনি দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ তাকে ফেরত চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করলেও ভারত এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।তিনি আরও অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পরোক্ষ হস্তক্ষেপের শামিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে দিল্লিতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সুযোগ করে দেওয়া ওই আন্দোলনে নিহতদের প্রতিও অসম্মানজনক।ড্যাবের কার্যক্রমের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, আগের সরকারের সময় নানা বাধা ও চাপের মধ্যেও সংগঠনটির চিকিৎসকরা জনসেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ কারণে অনেক চিকিৎসককে চাকরিচ্যুতি, পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং দূরবর্তী এলাকায় বদলির মতো হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে।স্বাস্থ্য খাত নিয়ে তিনি বলেন, করোনা, ডেঙ্গু ও হামসহ বিভিন্ন দুর্যোগের সময় ড্যাব বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল, তবে তৎকালীন সরকার তা বাস্তবায়নের সুযোগ দেয়নি বলে তিনি দাবি করেন।রিজভী আরও বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করছে। তিনি জানান, ডেঙ্গু পরীক্ষায় বিনামূল্যে সেবা চালু এবং হাম প্রতিরোধে প্রায় দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে ড্যাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. শাকিলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

১৩ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জয়ের

বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জয়ের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি ‘ব্যর্থ রাষ্ট্রের’ লক্ষণ বহন করছে। তার মতে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দেশটি ভবিষ্যতে আঞ্চলিক জঙ্গিবাদের একটি বড় কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।বুধবার (৪ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিল্লির ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে জয় বলেন, পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইসহ কয়েকটি বিদেশি সংস্থা বাংলাদেশে সক্রিয়ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে বলে তার অভিযোগ। তিনি আরও দাবি করেন, ভারতের পূর্ব সীমান্তের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও উদ্বেগের বিষয়।জয় আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীর প্রকাশ্যে কর্মসূচি পালন করছে এবং আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও জনসমক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন।রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সময় এবং পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের অনুমোদিত দায়মুক্তি আইনের কারণে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী ও সাংবাদিক বিচার ছাড়াই কারাগারে রয়েছেন এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাগুলোরও যথাযথ তদন্ত ও বিচার হচ্ছে না।

১৪ ঘন্টা আগে

আলভারেজকে নিয়ে বৈঠকে বসছে বার্সেলোনা

নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে আক্রমণভাগ আরও শক্তিশালী করতে বড় পরিকল্পনা করছে বার্সেলোনা। সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ। তাকে দলে টানতে আগের প্রস্তাবের চেয়ে আরও বেশি অর্থ খরচ করতে প্রস্তুত কাতালান ক্লাবটি।স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম স্পোর্ট জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে আলভারেজের এজেন্টরা বার্সেলোনার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। সেখানে সম্ভাব্য দলবদল নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিলেও এবার সেটি ১১৫ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত বাড়ানোর কথা ভাবছে বার্সেলোনা। তবে ক্লাবের দাবি, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ আলোচনায় আগ্রহ দেখালেই কেবল নতুন প্রস্তাব নিয়ে এগোনো হবে।তবে এখন পর্যন্ত মাদ্রিদের ক্লাবটি কোনো আলোচনায় আগ্রহ দেখায়নি। আগ্রহী যে কোনো ক্লাবকে তারা শুধু আলভারেজের ৫০০ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। এই কঠোর অবস্থানের কারণেই বার্সেলোনার পরিকল্পনা বারবার বাধার মুখে পড়ছে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !

ছেলের হত্যা মামলা না তোলায় বাবাকে হত্যার অভিযোগ, গাছে মিলল মরদেহ

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় মোফাজ্জল হক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, ছেলের হত্যা মামলা প্রত্যাহার না করায় তাকে হত্যা করে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার পাইলট রানীমিমুল ইউনিয়নের হালুয়াহাটি গ্রামে নিজ বাড়ির পেছনের একটি গাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মোফাজ্জল হক ওই গ্রামের মৃত মনো শেখের ছেলে।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ১০টার দিকে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বের হন মোফাজ্জল হক। এরপর আর তিনি ফিরে না আসায় স্বজনরা রাতভর খোঁজাখুঁজি করেন। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা বাড়ির পেছনের একটি গাছে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ২০২২ সালে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোফাজ্জল হকের ছেলে শেখ বর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। সেই মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। তাদের দাবি, সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় মোফাজ্জল হককে হত্যা করে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
ইবির ৪৪ শিক্ষকের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ গোপন কর্মকাণ্ডের তদন্তে কমিটি গঠন

ইবির ৪৪ শিক্ষকের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ গোপন কর্মকাণ্ডের তদন্তে কমিটি গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৪৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিতে বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। কমিটিকে আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ জমা দিতে বলা হয়।বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি 'এশিয়া পোস্ট' পত্রিকায় প্রকাশিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন শিক্ষক রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রতিবেদন সম্পর্কে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে আহ্বায়ক এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক মো: ইসরাফুল হককে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ড. মোস্তাফিজুর রহমান, আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ড. রফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেল আইনজীবী ড. সাজ্জাত হোসেন প্রমূখ।এছাড়া কমিটির কার্যপরিধিতে 'এশিয়া পোস্ট' এ প্রকাশিত ইবির শিক্ষকগণ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও হুমকি প্রদানে লিপ্ত ছিলেন কিনা তা অনুসন্ধানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, ‘আগামী রবিবার থেকে কাজ শুরু করবো। নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার চেষ্টা করবো।’প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যম এশিয়া পোস্টে "শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষকের গোপন তৎপরতা" শিরোনামে প্রতিবদেন প্রকাশিত হয়। এতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ শিক্ষকের নাম প্রকাশ করা হয়। জানা যায়, দেশব্যাপী গোপন তৎপরতা ও নৈরাজ্যে প্রধান ভূমিকা পালনের আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান।

কোন পোস্ট নেই !