দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল
ভারতের নয়াদিল্লিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্ধারিত বৈঠকটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি। শুক্রবার বৈঠকটি হওয়ার কথা থাকলেও কোনো কারণ না জানিয়ে তা বাতিল করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।আওয়ামী লীগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, ভারতে অবস্থানরত দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন নেতার ওই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং ফেনী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমকেও বৈঠকে থাকার জন্য বলা হয়েছিল।সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনা যে বাসভবনে অবস্থান করছেন, সেখানেই বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকৌশল নিয়ে সেখানে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। পাশাপাশি শেখ হাসিনার আগে দেওয়া ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে দলীয় পর্যায়ে ধারণা ছিল।তবে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি বাতিল হওয়ায় এর কারণ নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। এখন পর্যন্ত বৈঠক বাতিলের বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সামরিক হেলিকপ্টারে বাংলাদেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্র সফরটি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়। ফলে ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তৃতা দেওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এমনকি নিউইয়র্ক থেকে সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল তার। সরকারি সূত্রগুলো জানায়, নিউইয়র্কে সংক্ষিপ্ত সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের তালিকাও ছোট। অতীতের সরকারগুলোর তুলনায় ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংক্ষিপ্ত সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছ্রসাধনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠক, বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনা এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকের মধ্যে রয়েছে উন্নয়ন, মহামারি প্রতিরোধ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ। পাশাপাশি বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সমস্যাসহ একাধিক আলোচনার আয়োজন করছে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে। নিউইয়র্ক থেকে কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেসব দেশের নেতাদের বৈঠক হতে পারে, সে তালিকায় রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেঙ্কোভিচ ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সল বিন ফারহান আল সৌদ। এছাড়াও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং বোয়িং গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হবে। সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানা গেছে।
ইউপি নির্বাচনে জামানত বাড়ছে পাঁচ গুণ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী সংখ্যার আধিক্যে লাগাম টানতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতার শর্তে নানা কঠোর বিধি আরোপ করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত আগের তুলনায় পাঁচ গুণ বাড়ানো হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সীমাও বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, নির্বাচনী অপরাধে সাজা বাড়ানোর পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে নির্বাচন বন্ধ করার ক্ষমতা ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হচ্ছে না। ফলে আগের মতো যে কেউ ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন। এসব বিধানসহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনী চূড়ান্ত হয়েছে। ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচন বিধিমালায় পরিবর্তন এনে প্রণীত এই সংশোধনী এরই মধ্যে আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং হয়ে ইসিতে এসেছে। আগামী সপ্তাহে এসআরও নম্বর দেওয়ার জন্য এটি আবারও আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। স্থানীয় সরকারের অন্য চার প্রতিষ্ঠান-উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের আলাদা নির্বাচনী বিধিমালাও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। জামানত বাড়ছে পাঁচ গুণ, ব্যয়সীমা দ্বিগুণ সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। সাধারণ আসনের সদস্য (মেম্বার) ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীর জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। বর্তমান বিধি অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত বা বাতিল হয়। অন্যদিকে, চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বোচ্চ নির্বাচনী ব্যয় ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। ইসি সূত্র বলছে, এবার থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো নির্দলীয় ও প্রতীকবিহীন হওয়ায় বিশেষ করে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী সংখ্যা অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানেও প্রার্থী সংখ্যা বাড়তে পারে। এতে ব্যালটে প্রার্থী ও প্রতীকের সংখ্যা বেশি রাখতে হবে। এ ছাড়া বেশি সংখ্যক প্রার্থী এবং তাদের এজেন্ট ও কর্মী-সমর্থকদের সক্রিয়তার কারণে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও বেশি বেগ পেতে হবে। ভোট পরিচালনার ব্যয়ও অনেক বেড়ে যাবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রার্থী সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে ইসি। এ কারণে নির্বাচনী বিধিমালায় নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। তবে ইসির সংশোধনী অনুযায়ী, প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ বাড়ানোর ফলে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা অনেক কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আর্থিক সক্ষমতা তুলনামূলক কম-এমন যোগ্য প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ কমে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এতে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে বলেও মনে করছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। এ প্রসঙ্গে নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল আলীম সমকালকে বলেন, জামানত বাড়ানো এবং জামানত রক্ষার শর্ত কঠোর করার ফলে প্রার্থী সংখ্যা কমবে, নির্বাচন পরিচালনার ব্যয় কমবে এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনাও সহজ হবে-এটি ঠিক। তবে জামানত বেশি করার ফলে অনেক যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তির নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। আবার জামানত হারানোর ভয়ে অনেকে প্রার্থী হতে চাইবেন না। এতে যেকোনো যোগ্য ব্যক্তির ভোটে দাঁড়ানোর নাগরিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, তবে এই বিধানের ইতিবাচক দিকও রয়েছে। বর্তমানে অনেক প্রার্থী নিজের জয় নিশ্চিত করতে ‘ডামি’ প্রার্থী দিয়ে থাকেন। পরে এসব ডামি প্রার্থীর নামে বাড়তি এজেন্ট নিয়োগ করে তাঁদের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হলে এসব ‘ডামি’ প্রার্থী করা এবং এজেন্ট কেনাবেচার প্রবণতা কমে আসবে। বর্তমান সময়ে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবকে সমর্থন করেন আবদুল আলীম। তবে প্রার্থীরা যেন নির্ধারিত নির্বাচনী ব্যয়সীমার মধ্যে থাকেন, তা কঠোর নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ইসিকে নিশ্চিত করতে হবে বলেও তিনি মনে করেন। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ অবশ্য জামানত বেড়ে যাওয়ায় যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ার শঙ্কা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে জীবনযাত্রার ব্যয় এতটাই বেড়েছে যে, ২৫ হাজার টাকা জামানত একজন প্রার্থীর জন্য খুব বেশি হওয়ার কথা নয়। তা ছাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত আগে থেকেই এই পরিমাণ নির্ধারিত আছে। সেটির সঙ্গে সমন্বয় করতে আমরা ইউপি নির্বাচনে জামানত বাড়ানোর প্রস্তাব করেছি। সেই সঙ্গে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী ব্যয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবও করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনী আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়ে এসেছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিধিমালাও দ্রুত ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালায় নির্বাচনী হলফনামায় বেশ কিছু নতুন তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। হলফনামায় নতুন তথ্য যুক্ত করা এবং অসত্য তথ্য দিলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। একক প্রার্থী থাকলে আগের মতো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণার বিধান বহাল রাখা হয়েছে। বিধিমালায় নির্বাচন-সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনরত কোনো ব্যক্তিকে হুমকি, ভয় দেখানো বা আঘাত করলে অথবা ভোটারকে ভোট দিতে বাধা দিলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জরিমানা আরোপের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্বাচনী অপরাধের সাজাও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্বাচনী অপরাধে ন্যূনতম ছয় মাস থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে। অনিয়মের কারণে ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসির প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীর এজেন্ট না থাকলেও নির্বাচন বৈধ বলে গণ্য হবে। নির্বাচনী প্রতীকেও পরিবর্তন আনছে নির্বাচন কমিশন।
ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে: ইসি সানাউল্লাহ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর নির্দিষ্ট সময় এখনো চূড়ান্ত করেনি নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে দুপুর আড়াইটায় বৈঠকটি শুরু হয়।ইসি সানাউল্লাহ জানান, বিভিন্ন পরীক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। একই কারণে ভোটের ধাপও কমানো হতে পারে।তিনি বলেন, পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় ওই সময়ে ভোট আয়োজন নিয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তখন রমজান মাস থাকছে।নির্বাচন কমিশনার জানান, এ বিষয়ে কমিশন আরও কয়েক দফা আলোচনা করবে। এরপর কমিশনের সভায় ভোটের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে। যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত সময়সূচি জানানো হবে।এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, গত সাত মাসে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে একবারও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?
সরকার সমালোচকদের সমালোচনা করার অধিকারকে ছোট করে দিচ্ছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
সরকার সমালোচকদের সমালোচনা করার অধিকারকে ছোট করে দিচ্ছে: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোর দেখিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে যাবেন না : বিএনপিকে মিয়া গোলাম পরওয়ার
সখীপুরে সন্তানকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে
ছাত্রদল নেত্রীকে নিয়ে তরুণদের আপত্তিকর ভিডিও, বিচার না পেলে পদত্যাগের ঘোষণা!
ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এখন ছাগল ও হাঁসের খামার
কোটা আন্দোলনে রাশেদ খাঁনকে নি*র্যা*ত*নের অভিযোগ তদন্তে ট্রাইব্যুনাল
সাত দফা দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ দলের রংপুর অভিমুখে লংমার্চ: মিয়া গোলাম পরওয়ার