শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন একটি ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই হাসপাতালে নবনির্মিত ১৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটির ফলক উন্মোচন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মোনাজাত, বেলুন ও পায়রা ওড়ানোসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।নতুন এই ৫০০ বেড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটির মোট শয্যাসংখ্যা ১ হাজারে উন্নীত হলো। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্নায়ুরোগের বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবায় এটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট।উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ১০ তলা বিশিষ্ট ভবনে ৩০০ শয্যা নিয়ে হাসপাতালটির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শয্যাসংখ্যা ৫০০-এ উন্নীত করা হয়েছিল। নতুন এই সংযোজনের ফলে দেশের নিউরো রোগীদের চিকিৎসা প্রাপ্তি আরও সহজ ও বিস্তৃত হবে।

১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে ৯ ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপির

১৫ আগস্টকে ঘিরে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা বা সহিংসতা ঠেকাতে ৯ ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএমপি জানিয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরের প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট ও তল্লাশি বাড়ানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পিকেট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যদের অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন রাখা হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-নাইন ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ তল্লাশি বা সুইপিং কার্যক্রম চালানো হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে সিসিটিভি ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করবেন।জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হবে পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। এর বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন মেট্রোরেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন, শপিংমল, অনুষ্ঠানস্থলসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে।এ ছাড়া সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র‌্যাব ও সিআইডি টিম মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠে থেকে নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরাসরি তদারকি করবেন।

৯০’এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মূর্ত প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া: রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার সংগ্রামের ‘মূর্ত প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।রিজভী জানান, খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি কার্যালয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ দোয়া মাহফিল। পাশাপাশি সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে পৃথক দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি দাবি করেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এ সময়ের কর্মকাণ্ডের পরিসংখ্যান শিগগিরই জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি। আগামী ছয় মাসে সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিজভী।এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিএনপি মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়েও বক্তব্য দেন রিজভী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার আগে মহাসচিবের পদ ছাড়ার কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে দায়িত্ববোধ থেকেই মির্জা ফখরুল পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা সমীচীন নয়—এমন বিবেচনা থেকেই মির্জা ফখরুল পদত্যাগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই ভারতীয় গণমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ভারতের দুই প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমে ভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে এসেছে। একদিকে দ্য ট্রিবিউন দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত দিল্লি সফরে যাবেন না তারেক রহমান। অন্যদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধেই তারেক রহমানের দুই দিনের দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে।দ্য ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন—শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না দিলে তিনি ভারত সফর করবেন না। এমনকি সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরও হাসিনার প্রত্যর্পণের অগ্রগতির ওপর ‘পঞ্চাশ-পঞ্চাশ’ ভাগ নির্ভর করছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ মিনিটের ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হলেও শেখ হাসিনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার পেছনে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে তার সংবাদ সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছে দ্য ট্রিবিউন। সেখানে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানান।তবে একই দিনে প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে। সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম ভারত সফর।সম্ভাব্য দুই দিনের সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে তারেক রহমানের। আলোচনায় থাকতে পারে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টিও দুই দেশের আলোচনায় আসতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যু—গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও ট্রানজিট এবং জ্বালানি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। সেই সূত্রেই তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে ঢাকার পক্ষ থেকে এখনো তারেক রহমানের ভারত সফর বা ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য দিল্লির কাছে একাধিকবার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ভারত অনুরোধ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও বিষয়টি আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়ে আসছে।সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এখন শুধু একটি দ্বিপক্ষীয় সফর নয়—শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর ভবিষ্যৎ সমীকরণও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।দ্য ট্রিবিউনের দাবি সত্যি হলে হাসিনার প্রত্যর্পণই হতে পারে তারেকের দিল্লি সফরের সবচেয়ে বড় শর্ত। আর এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী সফরের প্রস্তুতি চললে, আগামী দিনগুলোতেই স্পষ্ট হবে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন সম্পর্ক কোন পথে এগোচ্ছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী

সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী

১৫ আগস্ট ২০২৬  আজ ১৫ আগস্ট, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী।  সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও ব্যক্তিগত জীবনজন্ম ও পৈতৃক নিবাস: ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আদি পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলায়।শিক্ষা: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরবর্তীতে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।  বিবাহ: ১৯৬০ সালে সেন কর্মকর্তা (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।  ফার্স্ট লেডি থেকে রাজনীতির মূলধারায়প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ফার্স্ট লেডি হিসেবে তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশগ্রহণ করেন এবং যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার ও নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিশ্বনেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর:১৯৮২ (২ জানুয়ারি): সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ।১৯৮৩ (মার্চ): বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত।  ১৯৮৪ (আগস্ট): দলের সর্বসম্মত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ।নির্বাচনে অপরাজিত থাকার অনন্য রেকর্ড  বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। অংশগ্রহণ করা কোনো সংসদীয় আসনেই তিনি কখনো পরাজিত হননি:১৯৯১ থেকে ২০০১: সাধারণ নির্বাচনগুলোতে আলাদা ৫টি পৃথক আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতে বিজয়ী হন।২০০৮: তিনটি পৃথক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবকটিতে জয়লাভ করেন।প্রয়াণ ও স্মরণসভাগত বছর ৩০ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে ঢাকাসহ সারা দেশে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১টায় নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ে বিশেষ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দলের সিনিয়র নেতারাসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী অংশ নেবেন।  

১ ঘন্টা আগে
১৯৭৫-এর ট্র্যাজেডি: শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের ৫১ বছর

১৯৭৫-এর ট্র্যাজেডি: শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের ৫১ বছর

শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের ৫১ বছর  ১৫ আগস্ট ২০২৬  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান স্থপতি ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। বিভীষিকাময় ও মর্মান্তিক সেই হত্যাকাণ্ডের ৫১ বছর পূর্ণ হলো আজ। ১৫ আগস্ট রাতের ঘটনাবলী  ঐ রাতে সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে হামলা চালিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে হত্যা করে:তাঁর সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব  তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলদুই পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালভাই শেখ আবু নাসেরএছাড়া, তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসে নিহত হন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব নম্বর কর্নেল জামিল, পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান এবং সেনা সদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হক।  একই রাতে অন্য দুটি হামলায় শেখ ফজলুল হক মনি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং তৎকালীন মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতসহ তাঁর পরিবারের শিশু ও স্বজনদেরও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।বিচার প্রক্রিয়া ও রায় বাস্তবায়ন  ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ সময় পর এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।  ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর: নিম্ন আদালত ১৫ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।  পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া: উচ্চ আদালত ১২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।বর্তমান অবস্থা: এ পর্যন্ত সাজাপ্রাপ্ত ৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। একজন বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন এবং বাকি ৫ আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন।

১ ঘন্টা আগে
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন একটি ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এই হাসপাতালে নবনির্মিত ১৫ তলা বিশিষ্ট ভবনটির ফলক উন্মোচন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং মোনাজাত, বেলুন ও পায়রা ওড়ানোসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।নতুন এই ৫০০ বেড যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটির মোট শয্যাসংখ্যা ১ হাজারে উন্নীত হলো। সংশ্লিষ্টদের মতে, স্নায়ুরোগের বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবায় এটি এখন দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট।উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ১০ তলা বিশিষ্ট ভবনে ৩০০ শয্যা নিয়ে হাসপাতালটির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শয্যাসংখ্যা ৫০০-এ উন্নীত করা হয়েছিল। নতুন এই সংযোজনের ফলে দেশের নিউরো রোগীদের চিকিৎসা প্রাপ্তি আরও সহজ ও বিস্তৃত হবে।

২ ঘন্টা আগে
১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে ৯ ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপির

১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে ৯ ধাপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপির

১৫ আগস্টকে ঘিরে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা বা সহিংসতা ঠেকাতে ৯ ধরনের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।ডিএমপি জানিয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নগরের প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট ও তল্লাশি বাড়ানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে পিকেট ডিউটি পরিচালনা করা হচ্ছে।নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যদের অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন রাখা হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-নাইন ইউনিটের মাধ্যমে বিশেষ তল্লাশি বা সুইপিং কার্যক্রম চালানো হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এনে সিসিটিভি ও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করা হবে। পাশাপাশি সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করবেন।জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হবে পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। এর বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন মেট্রোরেল স্টেশন, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, রেলস্টেশন, শপিংমল, অনুষ্ঠানস্থলসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে।এ ছাড়া সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে অতিরিক্ত র‌্যাব ও সিআইডি টিম মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠে থেকে নিজ নিজ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরাসরি তদারকি করবেন।

১৭ ঘন্টা আগে
৯০’এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মূর্ত প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া: রিজভী

৯০’এর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মূর্ত প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া: রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ছাত্র-জনতার সংগ্রামের ‘মূর্ত প্রতীক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।রিজভী জানান, খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি কার্যালয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ দোয়া মাহফিল। পাশাপাশি সকাল ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে পৃথক দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।সংবাদ সম্মেলনে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড নিয়েও কথা বলেন বিএনপির এই নেতা। তিনি দাবি করেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এ সময়ের কর্মকাণ্ডের পরিসংখ্যান শিগগিরই জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি। আগামী ছয় মাসে সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন রিজভী।এদিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিএনপি মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগের বিষয়েও বক্তব্য দেন রিজভী। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার আগে মহাসচিবের পদ ছাড়ার কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা ছিল না। তবে দায়িত্ববোধ থেকেই মির্জা ফখরুল পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ার পর দলের মহাসচিবের দায়িত্বে থাকা সমীচীন নয়—এমন বিবেচনা থেকেই মির্জা ফখরুল পদত্যাগ করেছেন।

১৭ ঘন্টা আগে
ছাত্র আন্দোলন অ্যাকাডেমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ: জোনায়েদ সাকি

ছাত্র আন্দোলন অ্যাকাডেমিক শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ: জোনায়েদ সাকি

ছাত্র আন্দোলনকে শিক্ষাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেছেন, শিক্ষা ও ছাত্র আন্দোলন একাডেমিক শিক্ষারই গুরুত্বপূর্ণ অংশ; তাই এটিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার সুযোগ নেই।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর ঢাকা কলেজের শহীদ আ.ন.ম. নজীব উদ্দিন খান খুররম অডিটোরিয়ামে ঢাকা কলেজ ডিবেটিং সোসাইটি আয়োজিত ৫ম জাতীয় বিতর্ক উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জোনায়েদ সাকি বলেন, মানুষের মধ্যে অন্যের প্রতি বিবেচনাবোধ থাকলেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, বিদ্রোহ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শক্তি তৈরি হয়। প্রয়োজনে মানুষ নিজের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত হয়।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ২০২৪ সালে তরুণ প্রজন্ম দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তৈরি করেছে। আন্দোলনে আহত বহু তরুণ এখনো শরীরে ক্ষত নিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন। কেউ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, আবার কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।এ সময় ঢাকা কলেজের অবকাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই কলেজের বর্তমান অবকাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন। ক্যাম্পাসের বিদ্যমান জায়গাকে কাজে লাগিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে কলেজের উন্নয়ন করা হবে।তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতর্ক, মতপ্রকাশ ও যুক্তিনির্ভর চিন্তার চর্চা তরুণদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

১৭ ঘন্টা আগে
নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্ততা বাড়াতে পারে ডাচ-বাংলাদেশ সহযোগিতা: রাষ্ট্রদূত

নিরাপদ খাবার পানির প্রাপ্ততা বাড়াতে পারে ডাচ-বাংলাদেশ সহযোগিতা: রাষ্ট্রদূত

নেদারল্যান্ডস ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাসহ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ খাবার পানি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ডাচ রাষ্ট্রদূত ইয়োরিস ভ্যান বোমেল।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বরিশালের বাকেরগঞ্জের দুধলমৌ এলাকায় ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের ‘বিল্ডিং ওয়াটার বিজনেস’ কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস—দুই দেশই নদী, বদ্বীপ ও সমুদ্রঘেরা হওয়ায় পানি ব্যবস্থাপনায় তাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। তাই পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ পানির সুযোগ বাড়ানো যেতে পারে।বরিশালে পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কম রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে কীভাবে মানুষের ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখা। ইয়োরিস ভ্যান বোমেল বলেন, ঘরে সরাসরি পানির সংযোগ শুধু নিরাপদ পানি নিশ্চিত করে না, পানি সংগ্রহে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া নারী ও শিশুদের ভোগান্তিও কমায়।তিনি বলেন, বরিশালের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে—সরকার, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জোক লে পুল জানান, দুই দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে কাজ করছে তাদের প্রতিষ্ঠান। সময়ের সঙ্গে মানুষের চাহিদা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়ায় এখন পাইপলাইনের মাধ্যমে ঘরে পানি পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।ম্যাক্স ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. এটিএম তারিকুল ইসলাম বলেন, বরিশাল ও পটুয়াখালীতে অনুদাননির্ভরতার বাইরে গিয়ে ব্যবসাভিত্তিক পানি সরবরাহের মডেল তৈরি করা হয়েছে। পরিবারগুলোর মাসিক পানির বিল থেকেই এসব ব্যবস্থা পরিচালনার ব্যয় মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।তার ভাষ্য, এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি ওয়াটার গ্রিড স্থাপন করা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় কমানো এবং ব্যবস্থাকে আরও টেকসই করতে ধাপে ধাপে সৌরবিদ্যুৎ ও অটোমেশন প্রযুক্তিও যুক্ত করা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘরে পাইপলাইনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পৌঁছালে পানিবাহিত ও ত্বকের বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমার পাশাপাশি নারীদের পানি সংগ্রহের সময় ও শ্রমও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

১৮ ঘন্টা আগে
জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি: ছাত্রদল নেতা

জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি: ছাত্রদল নেতা

দীর্ঘদিনের দায়িত্বের ইতি টেনে নতুন জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির। বিদায়ী বার্তায় তিনি দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, দলের সদ্য বিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।নিজের ফেসবুক পোস্টে নাসির বলেন, মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানিয়ে ‘অনেক বেশি সম্মান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে’ জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়াকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।বিদায়ী বার্তায় ছাত্রদলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ইউনিটের নেতাকর্মীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান নাসির। তার দাবি, দায়িত্ব পালনকালে এসব নেতাকর্মী সততা, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের সঙ্গে নিজ নিজ ইউনিটের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডের কারণে তাদের সংবাদ শিরোনাম হতে হয়নি।নাসির বলেন, আর্থিক নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। একই সঙ্গে নিজেদের পাশাপাশি কর্মীদেরও নীতি, আদর্শ ও সততার পথে থাকার জন্য উৎসাহিত করেছেন।বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি। তার ভাষ্য, ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর কারণে যেন সাধারণ শিক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে তিনি বিশেষভাবে নজর দিয়েছেন। এমনকি নিজ দলের বাইরের শিক্ষার্থীরা সমস্যায় পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ানোরও চেষ্টা করেছেন বলে জানান।জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার কথা স্মরণবিদায়ী বার্তায় নিজেদের কমিটির অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি পালন এবং রাজপথে ভূমিকা রাখার কথা উল্লেখ করেন নাসির।তিনি বলেন, ‘রাকিব-নাসির কমিটির মূল সফলতা হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রণয়ন এবং রাজপথে কার্যকরী বীরোচিত ভূমিকা পালন।’৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা উল্লেখ করেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও বুলিং উপেক্ষা করে নেতৃত্ব দিতে হয়েছে বলেও জানান।‘নতুন জীবন শুরু করতে চাই’দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতির অধ্যায় শেষ করে এবার নিজেকে আরও পরিশুদ্ধ, মানবিক ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নাসির।তিনি বলেন,ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে কেউ নন। দায়িত্ব পালনকালে তার কোনো ভুল হয়ে থাকলে কিংবা কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধও জানান।শেষে ছাত্রদলের আসন্ন নতুন কমিটিকে সবাই সাদরে গ্রহণ করবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।বিদায়ী বার্তায় তাই একদিকে যেমন দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার স্মৃতিচারণ করেছেন নাসির, অন্যদিকে নতুন জীবনের প্রত্যাশা আর সংগঠনের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতি রেখে গেছেন শুভকামনা।

১৯ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই ভারতীয় গণমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে দুই ভারতীয় গণমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে ভারতের দুই প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমে ভিন্ন ধরনের তথ্য সামনে এসেছে। একদিকে দ্য ট্রিবিউন দাবি করেছে, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ না করা পর্যন্ত দিল্লি সফরে যাবেন না তারেক রহমান। অন্যদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধেই তারেক রহমানের দুই দিনের দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে।দ্য ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন—শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না দিলে তিনি ভারত সফর করবেন না। এমনকি সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরও হাসিনার প্রত্যর্পণের অগ্রগতির ওপর ‘পঞ্চাশ-পঞ্চাশ’ ভাগ নির্ভর করছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৪৫ মিনিটের ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা হলেও শেখ হাসিনার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পায়। তবে বৈঠক শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়।হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার পেছনে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে তার সংবাদ সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছে দ্য ট্রিবিউন। সেখানে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। শেখ হাসিনা ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও জানান।তবে একই দিনে প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে। সফরটি হলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম ভারত সফর।সম্ভাব্য দুই দিনের সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হতে পারে তারেক রহমানের। আলোচনায় থাকতে পারে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এনডিটিভির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টিও দুই দেশের আলোচনায় আসতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যু—গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও ট্রানজিট এবং জ্বালানি সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের নেতাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। সেই সূত্রেই তারেক রহমানকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে ঢাকার পক্ষ থেকে এখনো তারেক রহমানের ভারত সফর বা ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য দিল্লির কাছে একাধিকবার আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। ভারত অনুরোধ পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও বিষয়টি আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়ে আসছে।সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর এখন শুধু একটি দ্বিপক্ষীয় সফর নয়—শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর ভবিষ্যৎ সমীকরণও এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।দ্য ট্রিবিউনের দাবি সত্যি হলে হাসিনার প্রত্যর্পণই হতে পারে তারেকের দিল্লি সফরের সবচেয়ে বড় শর্ত। আর এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী সফরের প্রস্তুতি চললে, আগামী দিনগুলোতেই স্পষ্ট হবে ঢাকা-নয়াদিল্লির নতুন সম্পর্ক কোন পথে এগোচ্ছে।

১৯ ঘন্টা আগে
খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

খেলাধুলাকে শুধু বিনোদন নয়, পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদ আলী বক্সিং স্টেডিয়ামে জাতীয় কিকবক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘বেস্ট অব বেস্ট জাতীয় কিকবক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী জানান, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ক্রীড়াবিদদের বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বলেও জানান তিনি।জাহিদ হোসেন বলেন, শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তৃণমূল পর্যায় থেকেই ক্রীড়াচর্চার সুযোগ বাড়াতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মতো কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা সম্ভাবনাময় শিশু-কিশোর খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কাজ চলছে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিভাবান খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।অনুষ্ঠানে কিকবক্সিংকে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির আওতায় আনার দাবি জানানো হলে মন্ত্রী প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।জাতীয় কিকবক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইশতিয়াক আবেদিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাফিজসহ বিভিন্ন অঞ্চলের খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি, সরকারি কর্মকর্তা এবং ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৯ ঘন্টা আগে
১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, জ্বালানি খাতের কোনো কোনো কর্মকর্তা সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতা করছেন। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, জ্বালানি খাতের কোনো কোনো কর্মকর্তা সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতা করছেন। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

পৃথিবীর যেখানেই যাই, সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ঠাকুরগাঁও: শামারুহ মির্জা

ঠাকুরগাঁওকে নিজের পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হিসেবে উল্লেখ করে জেলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়ে শামারুহ মির্জা। একই সঙ্গে তিনি তাঁর বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন।এক ফেসবুক পোস্টে শামারুহ মির্জা তাঁর শৈশবের স্মৃতিচারণ করে লিখেছেন, পৃথিবীর যেখানেই যাওয়া হোক না কেন, তাঁকে যদি সবচেয়ে প্রিয় জায়গার কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তাঁর উত্তর হবে ঠাকুরগাঁও।শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে আসেন। তখন তিনি খুবই ছোট ছিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁর শৈশবের অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে। বোনের সঙ্গে খেলাধুলা, আশপাশের শিশুদের নিয়ে বাড়ির লনে বরফ পানি, কাবাডি, সাতচাড়া ও লুকোচুরি খেলা এবং শীতকালে ব্যাডমিন্টন খেলার স্মৃতিও তুলে ধরেন তিনি। চাচাদের সঙ্গে দাবা খেলা এবং আসগর আলী স্যারের কাছে পড়াশোনার কথাও স্মরণ করেন শামারুহ।তিনি আরও জানান, তাঁর দাদি মহিলা সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ছোটবেলায় কখনো কখনো দাদির সঙ্গে পুরোনো সিনেমা হলের পেছনে থাকা মহিলা সমিতির কার্যালয়েও যেতেন। এসব স্মৃতিকে তিনি ‘হাজার হাজার মিষ্টি স্মৃতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।ঠাকুরগাঁওয়ের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও আবেগের সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, এই জেলা তাঁদের পরিবারের সবচেয়ে আদরের জায়গা। পরিবারের সদস্যদের স্বপ্ন দেখার শুরু এই ঠাকুরগাঁও থেকেই। জেলার মানুষকে পরিবারের ‘আত্মার আত্মীয়’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।বিএনপির রাজনীতিতে ঠাকুরগাঁওয়ের নেতাকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে শামারুহ মির্জা বলেন, তাঁর বাবা যখন সারা দেশে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে ব্যস্ত ছিলেন, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের দুর্গ আগলে রেখেছেন। তাঁদের শ্রম, ভালোবাসা, সাহস ও ত্যাগের মূল্য অনেক বেশি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নির্বাচনী প্রচারণার সময় ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের সমর্থনের কথাও স্মরণ করেন শামারুহ। তিনি বলেন, ভোটারদের উদ্দেশে তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, তাঁর বাবা তাঁদের ‘আমানত’ এবং তাঁকে রক্ষা করতে হবে। তাঁর দাবি, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ সেই আমানতের মর্যাদা দিয়েছেন এবং তাঁর বাবাও প্রতিশ্রুতি রেখেছেন।বক্তব্যে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, গত ছয় মাসে তাঁর বাবা জেলায় যুগান্তকারী উন্নয়নের সূচনা করেছেন। সামনে আরও বড় কাজ রয়েছে এবং সেই কাজ এগিয়ে নিতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।দেশে উগ্রবাদ প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে শামারুহ মির্জা বলেন, জাতিসংঘ দেশে উগ্রবাদীদের সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টার বিষয়ে সতর্ক করেছে। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় উগ্রবাদের চাষ হয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও উগ্রবাদীদের প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বড় ধরনের বিপদ তৈরি হওয়ার আগেই সবাইকে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।ঠাকুরগাঁওয়ের সামাজিক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে শামারুহ মির্জা বলেন, তাঁর বিশ্বাস, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ বরাবরই উদারপন্থী ছিল, আছে এবং থাকবে। হিন্দু-মুসলমান সবাইকে নিয়ে জেলার উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।বক্তব্যের শেষদিকে নিজের বাবার জন্য দোয়া চান শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, তাঁর বাবা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তাঁর প্রিয় দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। এ সময় তাঁর দাদা-দাদির কথা খুব মনে পড়ছে বলেও আবেগঘন মন্তব্য করেন তিনি।শামারুহ মির্জা বলেন, তাঁর বাবা যেন আমৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন—এ জন্য সবাইকে দোয়া করতে হবে। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি তাঁদের পরিবারের যে ঋণ, তা কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!
২ দিন আগে

অধ্যাপক আসিফ নজরুল
অধ্যাপক আসিফ নজরুল
সাবেক উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

রোনালদো-জর্জিনার বিয়েতে ছিল গোপন শর্ত

 বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। গত ১১ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা। তবে বিয়ের পর এই তারকা জুটিকে ঘিরে আলোচনায় এসেছে তাদের আর্থিক ও আইনি চুক্তির বিষয়টিও। জানা গেছে, পর্তুগিজ আইনের অধীনে রোনালদো ও জর্জিনা ‘সম্পত্তি পৃথকীকরণ’ কাঠামোর আওতায় বিয়ে করেছেন। অর্থাৎ, বিয়ের আগে ও পরে দুজনের অর্জিত সম্পদ, আয় ও বিনিয়োগ আলাদা থাকবে এবং প্রত্যেকে নিজের সম্পদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবেন। এর ফলে রোনালদোর ফুটবল থেকে আয়, বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসা ও অন্যান্য সম্পদের মালিকানা তার নিজের কাছেই থাকবে। ভবিষ্যতে তাদের বিচ্ছেদ হলেও জর্জিনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রোনালদোর ব্যক্তিগত সম্পদের অংশীদার হবেন না। তবে চুক্তিতে জর্জিনার ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টিও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্তুগিজ ম্যাগাজিন ‘টিভি গুইয়া’। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদ হলে রোনালদোর কাছ থেকে জর্জিনা প্রতি মাসে ১ লাখ ইউরো ভাতা পেতে পারেন। এ ছাড়া স্পেনের মাদ্রিদের লা ফিনকার বিলাসবহুল বাড়িটির মালিকানাও জর্জিনার হাতে যাওয়ার শর্ত রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ওই বাড়িটির মূল্য ৫০ লাখ ডলারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, চুক্তির কাঠামোয় রোনালদোর বিশাল সম্পদ ও ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য যেমন আলাদা থাকছে, তেমনি সম্পর্ক ভেঙে গেলেও জর্জিনার আর্থিক নিরাপত্তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রোনালদোর মোট সম্পদের পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারের বেশি বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ফুটবল, ব্যবসা, ব্র্যান্ড ও বিনিয়োগ মিলিয়ে তার বিশাল আর্থিক সাম্রাজ্যের বড় অংশই এই সম্পত্তি পৃথকীকরণ ব্যবস্থার আওতায় সুরক্ষিত থাকবে। তবে এসব শর্ত নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর সব তথ্য রোনালদো বা জর্জিনার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

কিছু মানুষকে মশা বেশি কামড় দেয়, কিন্তু কেন?

একই ঘরে কিংবা আড্ডায় অনেকে একসঙ্গে বসে থাকলেও মশা নির্দিষ্ট কিছু মানুষকেই বেশি কামড় দিচ্ছে! আবার পাশের জন হয়ত সুন্দরভাবে শান্তিতে বসে আছেন, তাকে একটি মশাও ছুঁয়ে দেখছে না। আমরা কৌতুক করে বলি— যার রক্ত মিষ্টি, তাকেই মশা বেশি কামড়ায়। কিন্তু বিজ্ঞানের দৃষ্টিভঙ্গি বলছে সম্পূর্ণ ভিন্নকথা। গবেষকরা বলছেন, রক্ত মিষ্টি হওয়ার সঙ্গে মশার কামড়ের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং মানুষের ত্বকের গায়ের গন্ধ, নির্গত গ্যাস, রক্তের গ্রুপ এবং শরীরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে মশা আপনাকে ‘শিকার’ হিসেবে বেছে নেয়। কিছু মানুষকে কেন মশা বেশি পছন্দ করে, তার পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণগুলো চলুন জেনে নেওয়া যাক—  মশার মাথায় থাকা বিশেষ সেন্সর অনেক দূর থেকেই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের উপস্থিতি টের পায়। যারা নিঃশ্বাসের সঙ্গে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়েন, তাদের প্রতি দ্রুত আকৃষ্ট হয় মশা। সাধারণত যাদের শরীরের গঠন বড়, গর্ভবতী নারী, অতিরিক্ত ওজনের মানুষ এবং শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করার পর যারা বেশি শ্বাস-প্রশ্বাস নেন, তাদের শরীর থেকে বেশি CO2 নির্গত হয়। ফলে মশা তাদের সহজেই খুঁজে নেয়। আমাদের ত্বকে জমে থাকা ঘামের গন্ধ মশাকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে থাকে। কারণ ঘামের সঙ্গে বের হওয়া ‘ল্যাকটিক অ্যাসিড’, ইউরিক অ্যাসিড ও অ্যামোনিয়া মশার অত্যন্ত পছন্দের উপাদান। যারা বেশি ঘেমে যান কিংবা যাদের ত্বকে স্বাভাবিকভাবেই ল্যাকটিক অ্যাসিডের প্রভাব বেশি থাকে, মশা তাদের বেশি কামড় দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তের গ্রুপের সঙ্গে মশার কামড় খাওয়ার বেশ বড় সংযোগ রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, 'ও' পজিটিভ কিংবা নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের মানুষের প্রতি মশার আকর্ষণ অন্যান্য গ্রুপের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ! রক্ত চুষতে আসা স্ত্রী মশা মানুষের ত্বকের বিশেষ কেমিক্যাল সিক্রেশন থেকে রক্তের গ্রুপ অনায়াসে বুঝতে পারে। মশা তাপ কিংবা হিট সেন্সরের সাহায্যে গরম শরীর সহজে শনাক্ত করতে পারে। আপনার শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম করা কিংবা মদপানের পর শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে যায়। রক্ত সঞ্চালন বাড়ার কারণে ত্বকের উপরিভাগ গরম হয়ে উঠলে মশা তড়িঘড়ি সেখানে গিয়ে কামড় বসায়। মশা কেবল গন্ধ কিংবা গ্যাস নয়, দৃষ্টিশক্তির সাহায্যেও শিকার খোঁজে। গবেষণায় দেখা গেছে, কালো, গাঢ় নীল, লাল কিংবা গাঢ় রঙের পোশাক মশা সহজে দেখতে পায়। হালকা রঙের জামাকাপড় পরলে মশার নজর এড়ানো অনেক সহজ হয়। মশার কামড় কেবল চুলকানি কিংবা বিরক্তির কারণ নয়; বরং ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো মারাত্মক রোগের উৎস। মশা আপনাকে কেন বেশি আকর্ষণ করছে তা বুঝে সতর্কতা অবলম্বন করলে সহজেই মশার কামড় ও রোগব্যাধি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা সম্ভব। হালকা রঙের সুতি পোশাক পরা। আপনার শরীর ঢাকা ও হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা উচিত। ত্বক শুকনো রাখা উচিত। কারণ ঘাম জমে থাকতে দেবেন না, নিয়মিত স্নান করুন এবং গা মুছে শুকনো রাখুন। নিম তেল, ইউক্যালিপটাস বা লেমনগ্রাস যুক্ত প্রাকৃতিক মশা তাড়ানোর তেল কিংবা ক্রিম ত্বকে ব্যবহার করুন।  পর্যাপ্ত বাতাস রাখা উচিত। ফ্যানের হাওয়ায় মশা সহজে উড়তে পারে না, তাই ঘরে ফ্যান চালিয়ে রাখুন।

সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হক গ্রেপ্তার

সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হক গ্রেপ্তার

নীলফামারীর সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা মোতালেব হোসেন ওরফে হককে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের নিয়ামতপুর চামড়া গুদাম এলাকার নিজ  বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সৈয়দপুর থানায় করা একটা নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত মোতালেব হোসেন হকের বাড়ি জেলার জলঢাকায় উপজেলায়। কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন থেকে সৈয়দপুরে বসবাস করছেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক। এছাড়া তিনি একজন ঠিকাদার ও সংবাদকর্মী। 

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
২৪/৭ লাইভ অডিও সম্প্রচার