শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: তথ্য উপদেষ্টা
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা এবং তাঁর আইনি শাস্তি কার্যকর করা প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছার প্রতি ইঙ্গিত করে উপদেষ্টা জানান, তাঁকে সরকার বন্দি হিসেবে ধরে এনে আইনানুগ শাস্তি প্রদান করতে চায়। ডা. জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে একজন পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাই তিনি নিজে থেকে আসবেন বিষয়টি এমন নয়, বরং তাকে বন্দি করে দেশে ফিরিয়ে আনবে সরকার।উপদেষ্টা মন্তব্য করেন যে, আইনি ও কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলে শেখ হাসিনার জন্য দণ্ডই অপেক্ষা করছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলির বরাত দিয়ে তিনি জানান, শেখ হাসিনার আর আপিল বা বিচার পুনর্বিবেচনার (Review) কোনো সুযোগ নেই। ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি জানান, ভারত সরকারকে বিষয়টি শর্ত হিসেবে গুরুত্বের সাথে দেওয়া হয়েছিল। ভারতে বসে সংবাদমাধ্যমে কথা না বলে শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের দাবি জোরালো।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় আগামী তিন মাসকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শনিবার) থেকে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় তিনি এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং দেশবাসীকে এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী কেবল মশকনিধনের ওপর নির্ভর না করে সমন্বিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মহানগরীতে সিটি করপোরেশন, জেলায় জেলা প্রশাসক এবং উপজেলায় ইউএনওদের নেতৃত্বে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই অভিযানে স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে। স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতি শনিবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও পরিষ্কার করবেন।* **প্রচারণা ও নির্দেশনা:** গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা বহুল প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে উদ্বুদ্ধ হন।* **উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি:** সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রীগণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করাই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য: ডা. জাহেদ
ক্ষমতাচ্যুত ও ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানে কোনো দ্বৈততা বা কৌশলগত দ্বিধা নেই বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত নিয়মিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান এ সংক্রান্ত সরকারের সুস্পষ্ট অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “টেকনিক্যালি এখন ব্যাপারটা এ রকম—তিনি (শেখ হাসিনা) আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে। আমরা তাকে ধরে আনতে চাই।” তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভারতে চাপ তৈরির জন্য প্রত্যর্পণের দাবি তোলা হচ্ছে—এমন ধারণা ভুল। শেখ হাসিনা বর্তমানে পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাই তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করাই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য। শেখ হাসিনার আপিলের সুযোগ রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায়ের পর শেখ হাসিনার আর কোনো আপিল বা বিচার পুনর্বিবেচনার (Review) সুযোগ নেই। সম্প্রতি ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার প্রদানকে সরকারের পক্ষ থেকে চরম ‘অনভিপ্রেত ও বিরক্তিকর’ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। উপদেষ্টা বলেন, প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত শেখ হাসিনা যেন এসব সাক্ষাৎকার বা রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকেন—ভারত সরকারের কাছ থেকে সে বিষয়ে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ বা নিষেধাজ্ঞা (Bar) প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতির জন্য ভারতকে বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতীয় গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার অব্যাহত বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি করছে, যা নতুন দিল্লির উপলব্ধি করা উচিত। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের স্বার্থে ভারত তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গণমাধ্যমে কথা বলা থেকে বিরত রাখার পদক্ষেপ নিতে পারে।এ ছাড়া ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক জোরদারে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও পেশাদার কূটনীতিকদের যোগাযোগের বিষয়টিকে বাংলাদেশ ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।
বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে স্বীকারোক্তি কোথায়- প্রশ্ন ডেপুটি স্পিকারের
প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে মানুষের দুর্ভোগের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলদের বক্তব্যে একই ধরনের স্বীকারোক্তি দেখা যায় না বলে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন। জাতীয় সংসদে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে কার্যপ্রণালি-বিধির ৬৮ বিধির আলোচনা শেষে এ মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার। বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের দেওয়া নোটিশের ভিত্তিতে ওই আলোচনা হয়। তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্পকারখানার উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ছিল নোটিশে। এর আগে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সরকারের স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্টদের জনগণের সামনে পরিস্থিতি পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এই জিনিসটাকে অ্যাড্রেস করেন সাবমিসিভ ওয়েতে, অ্যাকনলেজ করেন, দুঃখ প্রকাশ করেন, মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা, এই কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়।’ তাঁর বক্তব্য শেষ হওয়ার পর ডেপুটি স্পিকার বলেন, জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিমন্ত্রীকে আলোচনায় সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি বলেন, ‘যেকোনো পাবলিক মিটিংয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে যখন কথা ওঠে, তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখি অ্যাকনলেজ করে সাবমিসিভ ওয়েতে দুঃখ প্রকাশ করতে।’ কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে একই ধরনের বক্তব্য পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বাট আনফরচুনেটলি, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী যাঁরা থাকেন বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ, সেই জিনিসটা সেইভাবে অ্যাড্রেস করেন না।’ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিস্থিতি জনগণের সামনে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা হাম্বল রিকোয়েস্ট করব, জাতির সামনে যদি প্রকাশ করেন এবং ক্লিয়ার রাখেন, তাহলে ভালো হয় এই জিনিসটা।’ এরপর প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বক্তব্যের ধরনে পার্থক্যের প্রসঙ্গ টেনে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে এই জিনিসটাকে অ্যাড্রেস করেন সাবমিসিভ ওয়েতে, অ্যাকনলেজ করেন, দুঃখ প্রকাশ করেন, মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে শুনি, তার লম্বা, এই কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়।’ এরপর তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদের আলোচনা সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, চলমান সংকটকে পুঁজি করে কিছু দল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?
ঢাবিতে ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল সেবা
ঢাবিতে ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিকেল সেবা
সংসদে জামায়াতকে ‘বিনা পয়সায়’ বুদ্ধি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
দারুসসালামে নিজ বাসায় গৃহবধূ গু''লিবিদ্ধ, স্বামীসহ তিনজন গ্রে'প্তার
নিখোঁজ শিশুদের ফিরে পেতে আকুতি, সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবকদের কান্না
প্রবাসীর ৬ তলা বাড়ির ভাড়া দখলের অভিযোগ শ্বশুরের বিরুদ্ধে
টমি মিয়ার জীবনী নিয়ে আসছে সিনেমা