বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

দ্রুততম সময়ে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

পানি সমস্যা সমাধানে যত দ্রুত সম্ভব পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেই সকল শহীদদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে, কিন্তু আমরা কি দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সকল দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজ, প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই... পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে... তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’ কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এরই মধ্যে আট মাসে ৮০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ হবে। এই উত্তরাঞ্চল তো দেশের শস্যভাণ্ডার। এখানে যেমন পানির কষ্ট হয়, অন্যখানেও হয়। শহীদ জিয়ার সময় খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এই যে বরেন্দ্র প্রকল্প, সেটি শহীদ জিয়ার সময় কার্যকর হয়েছিল।  পদ্মা ও তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধানে ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য তিস্তা ও পদ্মা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পানির সমস্যা যারা তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। বাংলাদেশের পানির হিস্যা পাওয়ার জন্য যতদূর যেতে হয়, সরকার সেই চেষ্টা করবে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি আবু সাঈদ চাঁদ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, শফিকুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাহমুদা হাবীবা।

রাজশাহী থেকে চট্টগ্রামের পথে প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহী সফর শেষে সামরিক বিমানে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তিনি।  বিস্তারিত আসছে...

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশেও দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

যারা একাত্তরে ধোঁকা দিয়েছিল, তারা চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও ধোঁকা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকালে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেই সব শহীদদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।’ তিনি বলেন, ‘স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সব রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম, যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে। কিন্তু আমরা কী দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সব দলগুলোর কোনও প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজের প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।’ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন, দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই। পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে। আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ জনগণ তাদের টিকিট খায় না মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের আগে তারা যেন কী টিকিট বিক্রি করেছিল। সেই টিকিট জনগণ খায় না। তখন বলেছিল, রাখ তোর ফ্যামিলি কার্ড। ফ্যামিলি কার্ড বন্ধ হলে মা-বোন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের তো কিছু যায় আসে না। আজ আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, কৃষক ভাইদের কৃষি কার্ড চালু করবো কি না।’ তিনি বলেন, ‘উত্তর যদি হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাহলে ১২ তারিখে যেভাবে বিএনপির পাশে ছিলেন, আগামী ৫ বছরও বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। সেই সব ভ্রান্ত রাজনৈতিক দল, যারা একাত্তর সাল থেকে শুরু করে গতকাল পর্যন্ত যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই জনগণকে ভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে, দেশকে ভিন্নপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, তাদের বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।’ এর আগে আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কম্পিউটারে বাটন টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রদান করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমি কম্পিউটার একটা বোতাম চাপ দেবো। চাপটা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষি ভাইদের অ্যাকাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহযোগিতা কয়েক মিনিটের মধ্যে ইনশাল্লাহ পৌঁছে যাবে।’ তিনি বলেন, ‘সরকার আখচাষিদের সহযোগিতার জন্য মোট ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের অর্থ ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমি আশা করছি, কৃষকদের এ সহযোগিতা তাদের আখ চাষে সহায়তা করবে।’ প্রধানমন্ত্রী ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে কম্পিউটারের বোতাম চাপেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সময় জনসভাস্থলে উপস্থিত হাজারো মানুষও সমস্বরে ‘বিসমিল্লাহ’ উচ্চারণ করে এবং উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। পরে তিনি দেশের ১৫টি সুগার মিল জোনের ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রণোদনার প্রতীকী চেক তুলে দেন। তারা হলেন- আবু সাঈদ চান, আবদুল আউয়াল মালেক, আবদুল মান্নান মন্ডল, এমাজ উদ্দিন, মো. কাহার, গোলাম রাব্বানী, সবিতা রানী, জালাল উদ্দিন মৃধা, জিয়াউল হক, মহিদুল ইসলাম, আবদুল মাজেদ, নিরান্দ কুমার ঘোষ, শামীমুর রহমান, রীমা খাতুন ও রফিকুল ইসলাম। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, শফিকুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম এমপি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা, কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: বিনিয়োগ ও বিভিন্ন খাতে চুক্তির সম্ভাবনা

জাপানের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে টোকিও সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে বাংলাদেশে জাপানি কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। আগামী ২৭ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবরের জাপান সফর সামনে রেখে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। পররাষ্ট্রসচিব জানান, কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন খাতে সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তির খসড়া নিয়ে দুই দেশ আলোচনা করছে। সফরকালে এসবের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে জাপানি কারখানা স্থাপন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়টি সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণেও সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। সফরকালে তারেক রহমান ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রধানদের সঙ্গে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বৈঠকে বিনিয়োগ, উন্নয়ন অর্থায়ন ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে। জাপানের সহযোগিতায় বাংলাদেশে চলমান বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে। মেট্রোরেল, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি প্রকল্পে জাপানের সহায়তার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রসচিব আশা প্রকাশ করেন, সফরের মাধ্যমে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা নিয়েও দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর হবে। একই সঙ্গে নতুন চুক্তি, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন

প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীতে আখ চাষিদের প্রণোদনা দিলেন

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় উঠেই ৩৮ হাজার ৯০০ আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকা প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে প্রণোদনার অর্থ দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর ৩৮ হাজার ৯ শতাধিক আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে। ঘোষণার পরপরই কৃষকদের হিসাবের মাধ্যমে এ অর্থ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে বলেও জানান তিনি।এসময় প্রধানমন্ত্রী প্রতীকীভাবে ১৫ জন আখচাষির হাতে প্রণোদনার চেক তুলে দেন। চেক বিতরণের সময় কৃষকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।জনসভায় উপস্থিত হাজারও নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সামনে আখচাষিদের জন্য এ প্রণোদনার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তার এ ঘোষণাকে স্বাগত জানান উপস্থিত কৃষক ও নেতা-কর্মীরা।রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা আখচাষিদের জন্য ঘোষিত এ প্রণোদনা কৃষি খাতে সহায়তা এবং আখ উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করবে বলে আশা কৃষক ও নেতা-কর্মীদের।  মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।জনসভায় বিভিন্ন উপজেলা থেকে সকল শ্রেণী, পেশার ব্যপক লোকসমাগম হয় । প্রধানমন্ত্রীকে এক নজর দেখার জন্য ব্যপক , উৎসাহ,  উদ্দীপনা ছিল সকলের । জনসভায় এ ঘোষণার পর উপস্থিত কৃষক ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা আখচাষিদের জন্য এ প্রণোদনা আখ উৎপাদনে উৎসাহ জোগানোর পাশাপাশি কৃষি খাতে আর্থিক সহায়তা বাড়াবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

৭ ঘন্টা আগে
বিরোধীদল না এলেও সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম চলবে: আইনমন্ত্রী

বিরোধীদল না এলেও সংবিধান সংশোধন কমিটির কার্যক্রম চলবে: আইনমন্ত্রী

বিরোধী দল উপস্থিত না থাকলেও সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সংসদে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব উত্থাপনের সময় বিরোধী দলের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মিনগ্রাম স্কুল মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।বিদেশে বাংলাদেশের বন্দীদের খোঁজখবর নিতে রাষ্ট্রদূতদের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয় না—এমন অভিযোগের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তা তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সবার বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে এমন অভিযোগ করা ঠিক নয়।সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে সৌদি সরকার কোন আইনের ভিত্তিতে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, তা প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনা না করে বলা সম্ভব নয়।তিনি আরও বলেন, সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ও বৈধতা এবং ভিয়েনা কনভেনশনের সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা করার পরই এ বিষয়ে মন্তব্য করা উচিত।এর আগে মিনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আইনমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থী, উপজেলা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৭ ঘন্টা আগে
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের অভিযোগে যুবক আটক, জব্দ মাংস ও ফাঁদ

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের অভিযোগে যুবক আটক, জব্দ মাংস ও ফাঁদ

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের অভিযোগে আয়াতুল্লাহ গাজী (২২) নামের এক যুবককে আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় তাঁর কাছ থেকে হরিণের খণ্ডিত মাথা, কলিজা ও নাড়িভুঁড়ি এবং শিকারের ফাঁদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে সুন্দরবনের ময়দাপাশা খাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়। আয়াতুল্লাহ গাজী খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর এলাকার কুদ্দুস গাজীর ছেলে। বন বিভাগ জানায়, খুলনা রেঞ্জের বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন ময়দাপাশা খাল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একটি ডিঙি নৌকা থেকে হরিণের খণ্ডিত মাথা, আনুমানিক দেড় কেজি কলিজা ও নাড়িভুঁড়ি, প্রায় ৭০ মিটার ছিটকা ফাঁদ, একটি দা, একটি ছুরি এবং রক্তমাখা সাদা ককসিট জব্দ করা হয়। বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা কে এম রাশেদ সাদাত এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় আটক যুবকের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।

৭ ঘন্টা আগে
জয়পুরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত

জয়পুরহাটে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিহত

জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার তেঘর পালপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে তেঘর পালপাড়া এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ওই যুবক গুরুতর আহত হন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিষয়টি সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, নিহত যুবকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাঁর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। তাঁর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলমান আছে।

৭ ঘন্টা আগে
জাপানে উচ্চ বেতন ও দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের সুযোগ, স্বাক্ষরিত হয়েছে চুক্তি

জাপানে উচ্চ বেতন ও দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের সুযোগ, স্বাক্ষরিত হয়েছে চুক্তি

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ইএসডিপি-এমওসি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে পূর্ব-এশিয়ার দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু হবে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) চুক্তি স্বাক্ষর ও কর্মী নিয়োগের বিষয়টি জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর আগে রোববার (১৭ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপান সরকারের প্রায় এক বছরের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ উভয় দেশের মধ্যে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত একটি নতুন চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে দেশটির মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে সই করেন। বর্তমান সরকারের বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের ইতিহাসে এটি একটি অন্যতম মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় এই চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পক্ষের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। এই চুক্তির অধীনে ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান। চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ৫ বছর। আর মেয়াদ শেষে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি পাবে, ফলে সামগ্রিক মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর। ঐতিহাসিক এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি কর্মীরা জাপানে অভূতপূর্ব সুযোগ ও সুরক্ষা লাভ করবেন। চুক্তির মূল সুবিধাগুলো তুলে ধরে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে। এর ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের সুযোগ পাবেন। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই চুক্তির আওতায় কর্মীরা জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষাপ্রাপ্ত হবেন এবং কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ সমান সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে নারী বিদেশি কর্মীদের প্রতি গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো ধরনের চাকরিচ্যুত বা বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। তাই গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসূতির কারণে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। এই চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দু’দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৭ ঘন্টা আগে
দ্রুততম সময়ে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

দ্রুততম সময়ে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

পানি সমস্যা সমাধানে যত দ্রুত সম্ভব পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। সেই সকল শহীদদের স্মরণে আমরা গতকাল (সোমবার) ঢাকায় একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। বিএনপি একাত্তরকে ধারণ করে, বিএনপি চব্বিশকে ধারণ করে। চব্বিশকে ধারণ করে বলেই জুলাই যোদ্ধাদের পাশে বিএনপি দাঁড়িয়েছে। শহীদ পরিবারের সদস্যদেরকে আমরা চেষ্টা করছি বিভিন্নভাবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে আমরা সকল রাজনৈতিক দলকে দাওয়াত দিয়েছিলাম। যারা মুখে বলে চব্বিশকে তারা ধারণ করে, কিন্তু আমরা কি দেখলাম? জুলাইয়ের শহীদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সেই সকল দলগুলোর কোনো প্রতিনিধি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না। অর্থাৎ একাত্তর সালে তারা জনগণকে যেভাবে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে আমরা দেখেছি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তারা মুখে একটি বলছে। তাদের কর্মে আমরা আরেকটি কাজ, প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের খবর আছে। আপনারা নিশ্চয় দেখেছেন দেশের কয়েকটি জায়গায় কয়েকটি কল-কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি পরিষ্কার করে হাজারও মানুষের সামনে একটি কথা বলতে চাই... পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, যে স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে... তারা সেখানে অর্থ সরবরাহ করছে। অর্থ সরবরাহ করে কাদের সাহায্য করছে? এই যে কিছু লোক আছে যারা ভ্রান্তি ছড়ায় দেশে, যারা বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল নির্বাচনের আগে মিথ্যা কথা বলে। এই দুই পক্ষ এক হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’ কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এরই মধ্যে আট মাসে ৮০০ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে। এতে কৃষকরা সেচ সুবিধা পাবেন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ হবে। এই উত্তরাঞ্চল তো দেশের শস্যভাণ্ডার। এখানে যেমন পানির কষ্ট হয়, অন্যখানেও হয়। শহীদ জিয়ার সময় খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। এই যে বরেন্দ্র প্রকল্প, সেটি শহীদ জিয়ার সময় কার্যকর হয়েছিল।  পদ্মা ও তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধানে ব্যারাজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, পদ্মা নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। এ জন্য তিস্তা ও পদ্মা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পানির সমস্যা যারা তৈরি করেছে, তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। বাংলাদেশের পানির হিস্যা পাওয়ার জন্য যতদূর যেতে হয়, সরকার সেই চেষ্টা করবে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, এমপি আবু সাঈদ চাঁদ, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, শফিকুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাহমুদা হাবীবা।

৭ ঘন্টা আগে
প্রত্যেক ধর্মই সঠিক পথে চলার শিক্ষা দেয়: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

প্রত্যেক ধর্মই সঠিক পথে চলার শিক্ষা দেয়: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, প্রত্যেক ধর্মই আমাদের সঠিক পথে চলার শিক্ষা দেয়। ধর্ম পালনে মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই সকল ধর্মের মানুষের ধর্ম পালনে সবাইকে উদারতা প্রদর্শন করতে হবে। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার দিয়েছে। বিএনপি সরকার সেই সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কোনো ছাড় দেবে না। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেতকাটা, মিরাখালী, গৌরম্ভা বাজার, কালেখারবেড়, দিঘির পাড়, চকগোনাসহ বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপে গিয়ে আগত পুণ্যার্থীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।  প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দেশে সংখ্যাগুরু সংখ্যালঘু বলতে কিছুই নেই। সবার সমান অধিকার রয়েছে।  এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন। তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।  অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৮ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: বিনিয়োগ ও বিভিন্ন খাতে চুক্তির সম্ভাবনা

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: বিনিয়োগ ও বিভিন্ন খাতে চুক্তির সম্ভাবনা

জাপানের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর লক্ষ্য নিয়ে টোকিও সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে বাংলাদেশে জাপানি কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। আগামী ২৭ অক্টোবর টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবরের জাপান সফর সামনে রেখে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম। পররাষ্ট্রসচিব জানান, কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল, বাণিজ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন খাতে সমঝোতা স্মারক ও সহযোগিতা চুক্তির খসড়া নিয়ে দুই দেশ আলোচনা করছে। সফরকালে এসবের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে জাপানি কারখানা স্থাপন, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়টি সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর এবং মানবসম্পদ প্রশিক্ষণেও সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। সফরকালে তারেক রহমান ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) প্রধানদের সঙ্গে তার বৈঠকের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বৈঠকে বিনিয়োগ, উন্নয়ন অর্থায়ন ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে। জাপানের সহযোগিতায় বাংলাদেশে চলমান বড় অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়টিও আলোচনায় থাকবে। মেট্রোরেল, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ি প্রকল্পে জাপানের সহায়তার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রসচিব আশা প্রকাশ করেন, সফরের মাধ্যমে চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতা নিয়েও দুই প্রধানমন্ত্রীর আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রত্যাশা, এ সফরের মাধ্যমে জাপানের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর হবে। একই সঙ্গে নতুন চুক্তি, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

৯ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও জোরদারের আশা টোকিওর

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও জোরদারের আশা টোকিওর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের মাধ্যমে ঢাকা–টোকিওর মধ্যে বিদ্যমান ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে জাপান। পাশাপাশি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানো এবং হালনাগাদ ‘মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয়’ (এফওআইপি) কৌশল বাস্তবায়নে সমন্বয় জোরদারের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। আজ মঙ্গলবার জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই বিষয়টি জানিয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের এই সরকারি সফরে তাঁর সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন তারেক রহমান। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর জাপানে সরকারি সফর করবেন। জাপানে অবস্থানকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং তাঁর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন।’ এতে আরও বলা হয়েছে, ‘জাপানের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অংশীদার বাংলাদেশ। দুই দেশই স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো মূল্যবোধ ও নীতিতে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরের মাধ্যমে জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, হালনাগাদ ‘মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় (এফওআইপি) কৌশল’ বাস্তবায়নে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

১১ ঘন্টা আগে
১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনীতিবিদরা ইতিহাস লেখায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হয়েছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত?

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনীতিবিদরা ইতিহাস লেখায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হয়েছে। আপনি কি এই মন্তব্যের সাথে একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে জামায়াত-এনসিপিকে শকুনের মত ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে আ.লীগ: রাশেদ খাঁন

বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলে জামায়াত-এনসিপিকে শকুনের মত ঠুকরে ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে আওয়ামীলীগ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তিনি একথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, ‘জামায়াতের এমপিদের অধিকাংশই কখনও রাজপথে ছিল না। তারা মূলত এমপি হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আশির্বাদে এবং ওয়েলফেয়ার মেকানিজমের থিওরি অনুসরণ করে। যেকারণে রাজপথের বক্তব্যে তারা একদমই অভ্যস্ত না। আর রাজপথের বক্তব্যের অনভ্যস্ততা কারণে সংসদে কিংবা রাজপথে বিরোধী দলের নেতা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তারা প্রায়ই খেই হারিয়ে ফেলছে।’  তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে সরকার সম্বন্ধে জামায়াতের আমিরের আউল-ফাউল বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে। গণঅভ্যুত্থানের পরে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যে সমন্বয় থাকা দরকার ছিল, জামায়াত সেটি মোটেও ধারণ করতে পারছে না। ফ্যাসিবাদের আমলে আমরা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যে ভাষায় বক্তব্য দিয়েছি, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে জামায়াতও প্রায় একই ভাষায় কথা বলছে।’  রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমার ধারণা, বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী জামানার বিরোধীদলীয় নেতাদের বক্তব্য অনুসরণ করতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছে জামায়াত নেতারা! শক্তিশালী বিরোধী দল সাজতে গিয়ে ‘পালিয়ে যাবে, লুঙ্গি থাকবে না’, ‘হেলিকপ্টার রেডি করে রাখুন’, ‘আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে’ ইত্যাদি কথাবার্তা বলে নিজেদের হাসির পাত্র না বানানোর অনুরোধ রইলো। বরং বিএনপি সরকার ক্ষমতায় না থাকলে আপনাদেরকে শকুনের মত ঠুকরে ঠুকরে ছিঁড়ে খাবে আওয়ামীলীগ।’ 

লিংক কপি করা হয়েছে!
“
১ দিন আগে

হাসনাত আব্দুল্লাহ
হাসনাত আব্দুল্লাহ
সংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪

‘আমার কপালেই বুঝি ঝামেলা লেখা’, বললেন পরীমণি

‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, সারা জীবন ঝামেলা হবে, ঝামেলা নিয়েই যাব।’ ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমণি এভাবেই নিজের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় আসেন।এবার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার পাশাপাশি নারীদের হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।সম্প্রতি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরীমণির একটি আপত্তিকর ভুয়া ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। ফেসবুক লাইভে এসে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদও জানান। তার এই সাহসী অবস্থানের প্রশংসা করেছেন অনেকেই।পরীমণি বলেন, ‘সবাই যখন আমার সাহসকে সম্মান জানায়, তখন আরও সাহস পাই। মনে হয়, আমি সঠিক পথে আছি।’সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি শোরুম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে জীবনে বারবার নানা ঝামেলার মুখোমুখি হওয়া প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, সারা জীবন ঝামেলা হবে, ঝামেলা নিয়েই যাব। এটা আমি মেনে নিয়েছি। আমার ভালো লাগে, এনজয় করি।’এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নারীদের হয়রানির ঘটনা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন পরীমণি। তিনি বলেন, ‘বিষয়টা অনেক সেনসিটিভ। আমার মতো মানুষ এটা গায়েই লাগানোর কথা না। প্রথম তিন-চার দিন তো পাত্তা দিইনি। যখন দেখলাম, এটা আর এভয়েড করতে পারছি না, তখন গিয়ে কথা বললাম। কোনো সাধারণ মেয়ের ক্ষেত্রে হলে অনেকে সুইসাইডও করে ফেলে। সেসব নিয়ে অহরহ নিউজ হয়েছে। সুতরাং এ বিষয়ে সোচ্চার হওয়া জরুরি।’পরীমণির বক্তব্যে স্পষ্ট, এ ধরনের হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো এবং অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট সত্যিই কি আপনার প্রয়োজন?

ঘুমের মানোন্নয়ন থেকে শুরু করে হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা, পেশির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ম্যাগনেসিয়ামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এসব উপকারের কারণে বর্তমানে ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টের জনপ্রিয়তা काफी বেড়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা বছর সবারই যে ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে, বিষয়টি এমন নয়। সুস্থ ও স্বাভাবিক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা সুষম ও পুষ্টিকর খাবার থেকেই শরীরের প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম পেতে পারেন।ভারতের গুরগাঁওয়ের ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের পরিচালক ও ইউনিট প্রধান ডা. সতীশ কৌল জানান, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও পুষ্টিকর খাবারই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণের প্রথম এবং প্রধান মাধ্যম হওয়া উচিত। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নিচের খাবারগুলো রেখে সহজেই ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদা মেটানো সম্ভব:বাদাম ও বীজ: কাঠবাদাম, কাজুবাদাম এবং কুমড়ার বীজ।শস্য ও ডাল: বিভিন্ন ধরনের ডাল, বিনস ও হোল গ্রেইন বা পূর্ণ শস্য।শাকসবজি ও অন্যান্য: সবুজ শাকসবজি এবং ডার্ক চকলেট।কখন ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের কথা ভাববেন?সবার জন্য সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন না হলেও নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শে এটি গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে:যাদের শরীরে চিকিৎসাগতভাবে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি শনাক্ত করা হয়েছে।পরিপাকতন্ত্রের নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা বা রোগ, যা পুষ্টি উপাদান শোষণে বাধা সৃষ্টি করে। দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি।নির্দিষ্ট কিছু কিডনি বা বিপাকীয় সমস্যা এবং বিশেষ কিছু ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তি।সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের আগে যেসব সতর্কতা মানবেন:১. চিকিৎসকের পরামর্শ: নিজে নিজে ক্লান্তি বা পেশিতে টান ধরার লক্ষণ দেখে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি অনুমান করে সাপ্লিমেন্ট শুরু করা উচিত নয়। যেকোনো সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।২. সঠিক মাত্রা মেনে চলা: চিকিৎসক সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করলে তার নির্দেশিত মাত্রা ও নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলুন।৩. পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও ঝুঁকি: অতিরিক্ত ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের ফলে ডায়রিয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে যাদের কিডনির কার্যক্ষমতা কম, তাদের শরীরে বিপজ্জনক মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।সামাজিক বা ট্রেন্ডিং ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং প্রত্যেক ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করেই কেবল ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান, ৮৫ জন আটক

পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান, ৮৫ জন আটক

রাজধানীর ভাটারা এলাকায় পুলিশের একজন অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) ভাড়া দেওয়া বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ৮৫ জনকে আটক করা হয়েছে।   গতকাল সোমবার মধ্যরাতে ডিবির উত্তরা বিভাগের একটি দল বাড়িটিতে অভিযান চালায়। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বাড়িটিতে নিয়মিত মাদকের আসর বসত। পাশাপাশি ডিজে পার্টিও চলত। বিভিন্ন বয়সী নারী ও পুরুষ সেখানে মাদক সেবনের জন্য যেতেন। পরে তথ্য পেয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। বাড়িটি অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের। তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড রিপেয়ার শাখায় কর্মরত। অভিযানের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অতিরিক্ত ডিআইজি অনলাইনের মাধ্যমে বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন। যাঁরা ভাড়া নিয়েছিলেন, তাঁরা বাড়িটি মাদকসংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতেন। আটক ৮৫ জনের মধ্যে ২৬ জন নারী।শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের বিচারের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হবে। প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream