সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন সম্পন্ন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এদিন প্রথমে আইন নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।  তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ মারার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়।  এ মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ উঠে এসেছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। প্রসিকিউশনের এসব কথার জবাব দেন ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী এম হাসান ইমাম। তিনি দাবি করেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় শুট অ্যাট সাইটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আমার তিনজন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসেবলিটিতে একজনকেই আমি দায়ী করি। অতএব আমার মক্কেলরা কাউকে মারেননি বা মারার নির্দেশও দেননি। এরপর ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করেন ইশরাত জাহান।  এই আইনজীবীর দাবি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তার চার মক্কেল তথা সাদ্দাম, ইনান, পরশ ও নিখিলের নাম আসেনি। নেতৃত্ব দিয়েছেন অন্যরা। এছাড়া অধীনস্ত নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। জবাবে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা চলছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, বারবার নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এ মামলায় কোনো নারী সাক্ষী আনা হয়নি। সাক্ষ্যপ্রমাণেও এমন কিছু দেখাতে পারেনি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা সন্দেহ রয়েছে।  নিজের চার মক্কেলের খালাস চেয়ে ইশরাত বলেন, শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে আন্দোলন ঘিরে কিছু কথা উচ্চারণ করেছেন আমার মক্কেলরা। একইসঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত কোনো ভিডিওতেই তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল না। এককথায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্রসিকিউশন। এজন্য আমি চারজনেরই খালাস প্রার্থনা করছি। আসামিপক্ষের যুক্তি শেষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের ব্যাখ্যা দিয়ে এ মামলার আসামিদের অপরাধ তুলে ধরেন। আন্দোলন দমনে নেমে একজন লোক মারা গেলেও আসামিরা অপরাধী বলে গণ্য হবেন বলে আইনি যুক্তি দেখান তিনি।  এর আগে, ১২ আগস্ট সাত আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় সব আসামির অপরাধ গুরুতর বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।  তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে পেরেছে প্রসিকিউশন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার জন্য তারা দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দেখিয়ে সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চান তারা। গত ৪ আগস্ট এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রথম দিন মামলার সামগ্রিক পটভূমি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর টানা পাঁচ কার্যদিবসে সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

পে-স্কেল প্রণয়নসহ ছয় মাসের হিসাব দিলেন মাহদী আমিন

বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন ভোটের কালি শুকানোর আগেই ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের গত ছয় মাসের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও অর্জন তুলে ধরা হয় সভায়।সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে গিয়ে মাহদী আমিন অর্থনীতিতে সংস্কার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল প্রণয়নের কাজ অনেকটাই চূড়ান্ত হওয়াসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান।তিনি বলেন, ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে।মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ সংক্রান্ত বিষয়াবলি স্পষ্ট করেন।শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন নাকি অন্য কোনো বিশেষ স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে কিছু জানায়নি। ফলে ভারতীয় গণমাধ্যমের সংবাদের ওপর নির্ভর করে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় আবেদন জানিয়েছে।মেঘালয়ে বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। সালাহউদ্দিন আহমেদ অপহৃত হয়ে ভারত সীমান্তে গিয়েছিলেন এবং সেখানে অনুপ্রবেশ মামলায় খালাস পেয়ে দেশে ফিরেছেন, যা শেখ হাসিনার অপরাধের বিচারের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত এবং ৩০,০০০ জন পঙ্গু হওয়ার পেছনে মূল ভূমিকার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপিত হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে প্রসিকিউশন প্রত্যাশা করছে।

মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচতে বাচ্চু রাজাকারের আপিলের শুনানি চলছে

মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদের (বাচ্চু রাজাকার) করা আপিল শুনানি চলছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগে এ শুনানি শুরু হয়।গত ১০ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের সময়ের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ের বিরুদ্ধে আবুল কালাম আযাদের করা আপিল শুনানি ১৭ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করে আপিল বিভাগ।আপিলকারী পক্ষের তথ্য অনুসারে, মানবতাবিরোধী অপরাধের ওই মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ১৩ বছর আগে দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে বিলম্ব মার্জনাসহ গত ৬ জুলাই ওই আপিল করেন আবুল কালাম আযাদ। এতে ৪ হাজার ৯১৫ দিন বিলম্ব মার্জনা (আপিল করতে দেরি হওয়ার জন্য মার্জনা) চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যদণ্ডের সাজা স্থগিতও চাওয়া হয়েছে।আবুল কালাম আযাদের করা আপিলটি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত হয়ে নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিকী ও আইনজীবী মীর ওসমান বিন নাসিম। অন্যদিকে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।পরে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, ‘পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্তসংবলিত) ছিল না, ওরা (আপিলকারী পক্ষ) কপিও দেয়নি। সে কারণে আমরা মুলতবি চেয়েছি। আদালত তা মঞ্জুর করেছেন। ১৭ আগস্ট এ বিষয়ে শুনানি হবে।’এর আগে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এক মামলায় আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যদণ্ড দিয়ে ১৩ বছর আগে রায় (২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি) দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তার আগে থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত বছরের অক্টোবরে আবুল কালাম আযাদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগেই তার দেশে ফেরার খবর আসে।মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ের ১৩ বছর পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হন আবুল কালাম আযাদ। সেদিন শুনানি নিয়ে ট্রাইব্যুনাল এক আদেশে আসামিকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত কপি সরবরাহ করা ও যতক্ষণ না আপিল বিভাগ যথাযথ আদেশ দেন, ততক্ষণ আবুল কালাম আযাদ যেমন আছেন, তেমনই থাকবেন বলে উল্লেখ করেন।২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার পর একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ নেয়। সেই বিচার শুরুর পর প্রথম রায়ে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক রুকন আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি চারটি অভিযোগে কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হলেও মৃত্যুদণ্ডের সাজা হওয়ার কারণে আলাদা করে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়নি। 

মঙ্গলবার চালু হচ্ছে নারীদের ‘পিঙ্ক বাস’

মঙ্গলবার চালু হচ্ছে নারীদের ‘পিঙ্ক বাস’

মঙ্গলবার চালু হচ্ছে নারীদের জন্য বিশেষ ‘পিঙ্ক বাস’ বা গোলাপি বাস সার্ভিস। রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন—বিআরটিসির মাধ্যমে চালু হতে যাওয়া এই সেবার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য, বাসের চালক থেকে শুরু করে সহকারী ও কন্ডাক্টর—সবাই থাকবেন নারী। সরকারের উদ্যোগটির লক্ষ্য নারীদের জন্য গণপরিবহনে আরও নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও মর্যাদাপূর্ণ যাতায়াত নিশ্চিত করা।রাজধানীর গণপরিবহনে নারীদের নানা ধরনের ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতিরিক্ত ভিড়, হয়রানি, অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং কর্মজীবী নারীদের নিয়মিত যাতায়াতের অসুবিধা—সব মিলিয়ে নিরাপদ গণপরিবহন নারীদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতায় নারীদের জন্য আলাদা বাসসেবা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবেও নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালুর বিষয়টি রাখা হয়েছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশেষ এই বাসগুলো আলাদা রঙে—গোলাপি বা ‘পিঙ্ক বাস’ হিসেবে পরিচিত হবে। ফলে দূর থেকেই বাসগুলো সহজে শনাক্ত করতে পারবেন যাত্রীরা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্পূর্ণভাবে নারীদের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ‘পিঙ্ক বাস সার্ভিস’ চালুর কথা জানান।তবে এটি শুধু বাসের রং পরিবর্তনের উদ্যোগ নয়। মূল পরিবর্তন হবে পরিচালনায়। বাসের চালক, কন্ডাক্টর ও হেলপার—তিন ক্ষেত্রেই নারীদের নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ বাসের স্টিয়ারিং থেকে যাত্রীসেবা—গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো পালন করবেন নারীরাই।প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার কয়েকটি নির্ধারিত রুটে এই বিশেষ বাসসেবা চালু করা হবে। প্রাথমিকভাবে আটটি রুটে নয়টি বাস চালুর পরিকল্পনার কথা প্রকাশিত হয়েছে। এসব বাসে নারী চালক ও সহকারী হিসেবে নারীরাই কাজ করবেন। নারী চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে কোন কোন রুটে, কী সময়সূচিতে এবং কত ভাড়া নির্ধারণ করে বাসগুলো চলবে—এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত অপারেশনাল পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করবে।এই উদ্যোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নারী কর্মসংস্থান। এতদিন গণপরিবহন খাতে চালক বা হেলপারের মতো পেশায় নারীর অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম। বিশেষ এই সার্ভিসের মাধ্যমে সেই চিত্র বদলানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে নারী চালকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে পেশায় যুক্ত করার পরিকল্পনাটি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি প্রচারে নিরাপদ যাত্রার পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।নারী যাত্রীরা যে সুবিধা পাবেন --- এই সার্ভিসের প্রধান সুবিধা হবে নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াতের সুযোগ তৈরি করা। কর্মজীবী নারী, শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী কিংবা নিয়মিত গণপরিবহন ব্যবহারকারী নারীরা বিশেষ এই বাসের মাধ্যমে তুলনামূলক স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সরকারের। সরকারি ঘোষণায় নারীর নিরাপদ যাতায়াতকে অধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে নারীবান্ধব পরিবহনব্যবস্থার মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহনে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যও রয়েছে।গোলাপি বাস শুধু একটি নতুন পরিবহনসেবা নয়; এর মাধ্যমে গণপরিবহনে নারীর অংশগ্রহণের একটি নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হতে পারে। একজন নারী বাস চালাচ্ছেন, আরেকজন নারী যাত্রীদের সহায়তা করছেন—রাজধানীর রাস্তায় এমন দৃশ্য নারীদের পেশাগত সক্ষমতা নিয়ে প্রচলিত ধারণাতেও পরিবর্তন আনতে পারে। সরকারি প্রচারণার জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্লোগানও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নিরাপদ যাত্রা, নারীর অর্থনৈতিক শক্তি, নারী চালকের হাতে স্টিয়ারিং এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রথম ধাপে সীমিত সংখ্যক বাস দিয়ে কার্যক্রম শুরু করে সেবার অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হবে—এমন পরিকল্পনাই প্রকাশিত তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে। সফল হলে ভবিষ্যতে রুট ও বাসের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এই উদ্যোগ সফল করতে শুধু বাস নামালেই হবে না। নারী চালক ও কর্মীদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা, কর্মপরিবেশ, নির্দিষ্ট সময়সূচি, বাসের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করাও জরুরি।সব মিলিয়ে, বিআরটিসির গোলাপি বাস রাজধানীর গণপরিবহনে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। একদিকে নারীদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত, অন্যদিকে চালক-হেলপারসহ পরিবহন খাতে নারীর কর্মসংস্থান—দুই লক্ষ্য একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে পারলে এই উদ্যোগ হয়ে উঠতে পারে নারী ক্ষমতায়ন ও নিরাপদ গণপরিবহনের একটি কার্যকর মডেল। 

৩৪ মিনিট আগে
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় যেকোনো দিন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে যেকোনো দিন রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন সম্পন্ন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এদিন প্রথমে আইন নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম।  তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ মারার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়।  এ মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ উঠে এসেছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। প্রসিকিউশনের এসব কথার জবাব দেন ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী এম হাসান ইমাম। তিনি দাবি করেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় শুট অ্যাট সাইটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আমার তিনজন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসেবলিটিতে একজনকেই আমি দায়ী করি। অতএব আমার মক্কেলরা কাউকে মারেননি বা মারার নির্দেশও দেননি। এরপর ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করেন ইশরাত জাহান।  এই আইনজীবীর দাবি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তার চার মক্কেল তথা সাদ্দাম, ইনান, পরশ ও নিখিলের নাম আসেনি। নেতৃত্ব দিয়েছেন অন্যরা। এছাড়া অধীনস্ত নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। জবাবে আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা চলছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, বারবার নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এ মামলায় কোনো নারী সাক্ষী আনা হয়নি। সাক্ষ্যপ্রমাণেও এমন কিছু দেখাতে পারেনি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা সন্দেহ রয়েছে।  নিজের চার মক্কেলের খালাস চেয়ে ইশরাত বলেন, শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে আন্দোলন ঘিরে কিছু কথা উচ্চারণ করেছেন আমার মক্কেলরা। একইসঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত কোনো ভিডিওতেই তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল না। এককথায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্রসিকিউশন। এজন্য আমি চারজনেরই খালাস প্রার্থনা করছি। আসামিপক্ষের যুক্তি শেষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের ব্যাখ্যা দিয়ে এ মামলার আসামিদের অপরাধ তুলে ধরেন। আন্দোলন দমনে নেমে একজন লোক মারা গেলেও আসামিরা অপরাধী বলে গণ্য হবেন বলে আইনি যুক্তি দেখান তিনি।  এর আগে, ১২ আগস্ট সাত আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় সব আসামির অপরাধ গুরুতর বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।  তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে পেরেছে প্রসিকিউশন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার জন্য তারা দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দেখিয়ে সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চান তারা। গত ৪ আগস্ট এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রথম দিন মামলার সামগ্রিক পটভূমি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর টানা পাঁচ কার্যদিবসে সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

১ ঘন্টা আগে
রায় ঘোষণার অপেক্ষায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতা

রায় ঘোষণার অপেক্ষায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল যেকোনো দিন।সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন সম্পন্ন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এদিন প্রথমে আইন নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ঘিরে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন বৈঠকে মানুষ মারার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা করা হয়। এ মামলায় দাখিল করা বিভিন্ন অডিও-ভিডিওতে এসবের প্রমাণ উঠে এসেছে। এছাড়া আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফলশ্রুতিতে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলি চালিয়ে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়। প্রসিকিউশনের এসব কথার জবাব দেন ওবায়দুল কাদের, নাছিম ও আরাফাতের পক্ষে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী এম হাসান ইমাম।জনগণের জানমাল রক্ষায় শুট অ্যাট সাইটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে আমার তিনজন মক্কেল কোনো কমান্ডিং পজিশনে ছিলেন না। কমান্ড রেসপনসেবলিটিতে একজনকেই আমি দায়ী করি। অতএব আমার মক্কেলরা কাউকে মারেননি বা মারার নির্দেশও দেননি।এরপর ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ও যুবলীগ সভাপতি-সম্পাদকের পক্ষে যুক্তি খণ্ডন করেন ইশরাত জাহান। এই আইনজীবীর দাবি, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নেতৃত্বদানকারীদের মধ্যে তার চার মক্কেল তথা সাদ্দাম, ইনান, পরশ ও নিখিলের নাম আসেনি। নেতৃত্ব দিয়েছেন অন্যরা। এছাড়া অধীনস্ত নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণে ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।এ সময় কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চান ট্রাইব্যুনাল। আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের শুরু থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত বিশৃঙ্খলা চলছিল। ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। তিনি বলেন, বারবার নারীদের আহত হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এ মামলায় কোনো নারী সাক্ষী আনা হয়নি। সাক্ষ্যপ্রমাণেও এমন কিছু দেখাতে পারেনি। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা সন্দেহ রয়েছে। নিজের চার মক্কেলের খালাস চেয়ে ইশরাত বলেন, শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারণে আন্দোলন ঘিরে কিছু কথা উচ্চারণ করেছেন আমার মক্কেলরা। একইসঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া প্রসিকিউশনের দাখিলকৃত কোনো ভিডিওতেই তাদের হাতে লাঠিসোঁটা ছিল না। এককথায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রমাণ দেখাতে পারেনি প্রসিকিউশন। এজন্য আমি চারজনেরই খালাস প্রার্থনা করছি।আসামিপক্ষের যুক্তি শেষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজের ব্যাখ্যা দিয়ে এ মামলার আসামিদের অপরাধ তুলে ধরেন। আন্দোলন দমনে নেমে একজন লোক মারা গেলেও আসামিরা অপরাধী বলে গণ্য হবেন বলে আইনি যুক্তি দেখান তিনি। এর আগে, ১২ আগস্ট সাত আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় সব আসামির অপরাধ গুরুতর বলে ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই প্রমাণ করতে পেরেছে প্রসিকিউশন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে বহু মানুষকে হত্যা ও আহত করার জন্য তারা দায়ী। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দেখিয়ে সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চান তারা।গত ৪ আগস্ট এ মামলায় প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রথম দিন মামলার সামগ্রিক পটভূমি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর টানা পাঁচ কার্যদিবসে সাত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপক্ষ।মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত। 

১ ঘন্টা আগে
জুলাই হত্যা মামলা ঘিরে কাঠগড়ায় ৩ সাংবাদিক

জুলাই হত্যা মামলা ঘিরে কাঠগড়ায় ৩ সাংবাদিক

সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে আন্দোলনবিরোধী বক্তব্য ও প্রচারণার মাধ্যমে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে আসামি করা হচ্ছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ২৪ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ হাজির করতে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত টকশো বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। এ ঘটনায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার তদন্তে এরই মধ্যে এই তিন সাংবাদিকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে তদন্ত সংস্থা। এজন্য তাদের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাই।শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করে আগামী ২৪ আগস্ট হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

১ ঘন্টা আগে
পে-স্কেল প্রণয়নসহ ছয় মাসের হিসাব দিলেন মাহদী আমিন

পে-স্কেল প্রণয়নসহ ছয় মাসের হিসাব দিলেন মাহদী আমিন

বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন ভোটের কালি শুকানোর আগেই ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের গত ছয় মাসের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও অর্জন তুলে ধরা হয় সভায়।সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে গিয়ে মাহদী আমিন অর্থনীতিতে সংস্কার, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল প্রণয়নের কাজ অনেকটাই চূড়ান্ত হওয়াসহ বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানান।তিনি বলেন, ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ চলছে।মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

২ ঘন্টা আগে
দেশের প্রতিটি সংকটে সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে জিয়া পরিবার: তথ্যমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি সংকটে সমাধান নিয়ে হাজির হয়েছে জিয়া পরিবার: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও তার পরিবারের রাজনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়া পরিবার একটি বাতিঘর হিসেবে কাজ করছে। দেশের জন্মলগ্ন থেকে যে সংকটই এসেছে, প্রতিটি সংকটের সমাধান হিসেবে জিয়া পরিবার হাজির হয়েছে।রোববার (১৬ আগস্ট) রাতে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা অডিটোরিয়ামে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার অবিস্মরণীয় ভূমিকা ও বর্তমান প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে যখন দেশের অনেক রাজনৈতিক নেতা আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন, তখন মেজর জিয়াউর রহমান জাতিকে পথ দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর দেশে যে অস্থিরতা ও সংকট তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকেও দেশকে শান্তিপূর্ণ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন প্রণয়ন করেন এবং একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেন। তার মৃত্যুর পর দেশে আবার রাজনৈতিক সংকট দেখা দিলে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ এক দশক রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে জনগণের রায় নিয়ে ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হন। এর মাধ্যমে তিনি দেশ ও জাতিকে আবারও সংকট থেকে উদ্ধার করেন।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় পার্টির আন্দোলনের মুখে বিএনপি সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হয়। সে সময় বেগম খালেদা জিয়া সাংবিধানিক পথেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তী নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে তিনি বিরোধী দলের আসনে বসেন। একজন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে সেদিন তিনি যে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সেটিই তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় বহন করে।তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৬ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পরবর্তী সময়ে ১/১১-এর প্রেক্ষাপটে ‘মাইনাস টু’ তত্ত্বের যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, বেগম খালেদা জিয়া তা ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেন। দেশ-বিদেশের নানা ষড়যন্ত্রের মধ্যেও ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন।তিনি বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের কর্মকাণ্ড এবং পরবর্তী সময়ে তাদের রাজনৈতিক পরিণতি দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বও বিকশিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি আজ দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং জনগণের ভোটে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি আরও বলেন, ‘এভাবেই জিয়া পরিবার বাংলাদেশের প্রতিটি সংকটে সমাধানের পথ দেখিয়েছে এবং দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।’জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গৌরনদী উপজেলা ও পৌর শাখা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান এমপি।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সদস্য সচিব জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব সফিকুর রহমান শরীফ স্বপনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।আলোচনা সভা শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

২ ঘন্টা আগে
১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ, এবার কঠোর পদক্ষেপ: শিক্ষামন্ত্রী

১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ, এবার কঠোর পদক্ষেপ: শিক্ষামন্ত্রী

‘আমরা এ সরকারের ১৮০ দিনের হানিমুন পিরিয়ড শেষ করেছি। এই সময়ের মধ্যে আমরা বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নত করেছি’ বললেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (১৭ আগস্ট) কিউএস বাংলাদেশ ফোরাম ২০২৬ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ‘কিএস রেটিং উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শুধু কেন করে? সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে কেন না? সেটা করলে আমরাও এগিয়ে থাকতাম।’এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন এতোদিনে পিএইচডি ডিগ্রি চালু করতে পারলেন না? শেষ ২০ বছর আপনারা মুখ বন্ধ করে ছিলেন?’শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনেক গবেষক আছে, যারা অন্য দেশের বিনির্মাণে নিজের জ্ঞান ঢেলে দেয়। কিন্তু আমরা তাদের খুঁজে বের করতে পারি না। এটা আমাদের ব্যার্থতা। এদিকে আমরা দৃষ্টি দিচ্ছি।’

২ ঘন্টা আগে
সৌরবিদ্যুতে চার্জ হলেই রেজিস্ট্রেশন পাবে রিকশা

সৌরবিদ্যুতে চার্জ হলেই রেজিস্ট্রেশন পাবে রিকশা

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। তবে এসব রিকশার ব্যাটারি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করা হলে রেজিস্ট্রেশন পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।মীর শাহে আলম বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। তবে সৌরবিদ্যুৎ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে ব্যাটারি চার্জ করা হলে ওই রিকশাকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না।তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের শর্ত রাখা হচ্ছে।

২ ঘন্টা আগে
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ সংক্রান্ত বিষয়াবলি স্পষ্ট করেন।শেখ হাসিনা ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন নাকি অন্য কোনো বিশেষ স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, সে সম্পর্কে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে কিছু জানায়নি। ফলে ভারতীয় গণমাধ্যমের সংবাদের ওপর নির্ভর করে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনা বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে আইন অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় আবেদন জানিয়েছে।মেঘালয়ে বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার মামলার কোনো সম্পর্ক নেই। সালাহউদ্দিন আহমেদ অপহৃত হয়ে ভারত সীমান্তে গিয়েছিলেন এবং সেখানে অনুপ্রবেশ মামলায় খালাস পেয়ে দেশে ফিরেছেন, যা শেখ হাসিনার অপরাধের বিচারের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত এবং ৩০,০০০ জন পঙ্গু হওয়ার পেছনে মূল ভূমিকার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপিত হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন বলে প্রসিকিউশন প্রত্যাশা করছে।

৩ ঘন্টা আগে
জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী

জনগণের স্বস্তির জন্য কাজ করছে সরকার: রুহুল কবির রিজভী

জনগণের স্বস্তি নিশ্চিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও দেশের বিরাজমান সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সরকারের ছয় মাসে (১৮০ দিনের) কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুষ্ঠানে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ইসমাইল জবিউল্লাহ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রমুখ উপস্থিত আছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

৩ ঘন্টা আগে
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

আওয়ামী লীগের মতোই আচরণ করছে জামায়াত: রাশেদ খান

জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদল হিসেবে আওয়ামী লীগের মতোই আচরণ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, জামায়াত ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে ভিন্নমতের মানুষদের ন্যূনতম রাজনৈতিক অধিকার বা পরিসরও দেবে না।রোববার (১৬ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।রাশেদ খানের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেনঃ জামায়াত-শিবিরকে ‘জালিম সংগঠন’ আখ্যা: কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পেশিশক্তির মহড়ার দিকে ইঙ্গিত করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াত-শিবির পুরোপুরি একটি জালিম সংগঠনে পরিণত হয়েছে।আওয়ামী লীগের সাথে তুলনা: তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে বিরোধীদলকে সচরাচর বিনয়ী ও সহনশীল দেখা গেলেও জামায়াত প্রধান বিরোধীদল হয়েই একনায়কতান্ত্রিক আচরণের দিক থেকে আওয়ামী লীগের রূপ ধারণ করেছে।গণঅধিকার পরিষদকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ: জামায়াতের এই আগ্রাসী রাজনৈতিক আচরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোয় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনকে ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সাথে, যারা গণঅধিকার পরিষদকে ‘জামায়াতমুখী’ করতে চেয়েছিল, তাদের বিষয়ে দলটির সতর্ক অবস্থানকে তিনি সাধুবাদ জানান।গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদানের দাবি: ফ্যাসিবাদের পতনে গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জামায়াতের তুলনায় গণঅধিকার পরিষদের অবদান বেশি ছিল দাবি করে তিনি বলেন, "জামায়াত যখন গুপ্ত ছিল, গণঅধিকার পরিষদ তখন রাজপথে ছিল।"জামায়াত মহাসচিবের বক্তব্যের নিন্দা: সম্প্রতি গণঅধিকার পরিষদকে কেন্দ্র করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিকে 'জঘন্য' উল্লেখ করে তার তীব্র নিন্দা জানান রাশেদ খান।

লিংক কপি করা হয়েছে!
১৬ ঘন্টা আগে

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
৪ দিন আগে

অধ্যাপক আসিফ নজরুল
অধ্যাপক আসিফ নজরুল
সাবেক উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

ইমরান হাশমির ‘জান্নাত’ ফিরছে নতুন রূপে

‘জান্নাতে’র ফ্র্যাঞ্চাইজি ফিরছে বলিউড তারকা ইমরান হাশমির রোমান্টিক সিনেমা। ‘জান্নাত ৩’ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে প্রযোজক বিশেষ ভাট জানিয়েছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, ইতোমধ্যে সিনেমাটির চিত্রনাট্য তৈরির কাজও শুরু হয়েছে।২০০৮ সালে ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘জান্নাত’। কুণাল দেশমুখ পরিচালিত ও মুকেশ ভাট প্রযোজিত রোমান্টিক ক্রাইম ড্রামাটিতে সোনাল চৌহান ইমরানের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন। মুক্তির পর দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে সিনেমাটি। বিশেষ করে সিনেমার গানগুলো এখনো শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘জান্নাত ৩’ নিয়ে কথা বলেছেন প্রযোজক বিশেষ ভাট। তাকে সিনেমাটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘আওয়ারাপন ২’-এর পর ‘জান্নাত ৩’ নিয়ে ভাবছেন তিনি।চিত্রনাট্য চূড়ান্ত হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে বিশেষ ভাট বলেন, এ বিষয়েই বর্তমানে কাজ চলছে। অর্থাৎ সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য তৈরির প্রক্রিয়া এখনো চলমান। একই সাক্ষাৎকারে ‘আওয়ারাপন ২’ নিয়েও কথা বলেন বিশেষ। তার দাবি, সিনেমাটি শুধু দ্রুত ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে নির্মাণ করা হয়নি। বরং নিজেদের অর্থ বিনিয়োগ করেই সিনেমাটি তৈরি করা হয়েছে। মুক্তির আগে কোনো পরিবেশক সিনেমাটি কিনতে আগ্রহ দেখাননি বলেও জানান তিনি। তবে সিনেমাটি নির্মাণের পর বাজারে আগ্রহ তৈরি হয়।২০০৮ সালের ১৬ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘জান্নাত’। সিনেমায় ইমরান হাশমি অভিনয় করেন অর্জুন দীক্ষিত চরিত্রে। দ্রুত বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন দেখা অর্জুন প্রথমে ছোটখাটো জুয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে ক্রিকেট বুকিংয়ের বড় চক্রে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয়। অন্যদিকে জোয়া চরিত্রে অভিনয় করেন সোনাল চৌহান। তাদের প্রেম ও অপরাধজগতের টানাপোড়েন ঘিরেই এগিয়েছে সিনেমার গল্প।‘জান্নাত’র সাফল্যের পর ২০১২ সালে মুক্তি পায় ‘জান্নাত ২’। কুণাল দেশমুখ পরিচালিত এই সিনেমাতেও ইমরান হাশমি ছিলেন। তার সঙ্গে অভিনয় করেন রণদীপ হুডা ও এষা গুপ্তা।এবার তৃতীয় কিস্তির খবর সামনে আসায় ইমরান হাশমির ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল। তবে ‘জান্নাত ৩’-এ ইমরান হাশমি থাকছেন কি না, কিংবা থাকলে তার চরিত্র কী হবে- এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।তবে প্রযোজকের বক্তব্যে পরিষ্কার, ‘জান্নাত’ ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষার পর অর্জুন দীক্ষিতের সেই জগতে দর্শক নতুন করে ফিরতে পারবেন কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

গ্যাস বা পেটে ভারী লাগছে? জেনে নিন প্রতিকার

আমরা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটে ভারী লাগে। অনিয়মিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মসলা এবং কম শারীরিক পরিশ্রমের কারণে এমন অস্বস্তি বাড়তে পারে। তবে দিনের শুরুতে কয়েকটি সহজ অভ্যাস নিয়মিত করলে হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে। পেটের সুস্থতার জন্য কোনো কঠিন ডায়েট বা দ্রুত সমাধানের পেছনে না ছুটে প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসে গুরুত্ব দেওয়া বেশি জরুরি। ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস স্বাভাবিক বা হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। রাতে দীর্ঘ সময় পানি না খাওয়ার পর সকালে পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত পানি হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ। সবজি, ফল, ডাল, ওটস, চিয়া সিডের মতো খাবারে ভালো পরিমাণে আঁশ থাকে। এগুলো নিয়মিত খাবারের অংশ করলে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে হঠাৎ করে অনেক বেশি আঁশ খাওয়া ঠিক নয়। ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ানো ভালো। আদা ও মৌরি দীর্ঘদিন ধরে হজমের অস্বস্তিতে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সকালে হালকা আদা বা মৌরি দিয়ে গরম পানি খেতে পারেন। এতে পেটের অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে। চিয়া সিডে আঁশ থাকে। খাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে নিলে এটি নরম হয়ে যায়। অল্প পরিমাণ চিয়া সিড দই, ওটস বা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এর সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি। শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সকালে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা হজম ও অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে। সকালে খুব বেশি তেল-মসলা, ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার খেলে পেট ভারী লাগতে পারে। দিনের শুরুতে সহজপাচ্য ও পরিমিত খাবার বেছে নেওয়া ভালো। প্রতিদিন খাবারের সময় মোটামুটি নির্দিষ্ট রাখার চেষ্টা করুন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা এবং পরে একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার খাওয়ার অভ্যাস হজমের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। পেটের সুস্থতা একদিনে তৈরি হয় না। পর্যাপ্ত পানি, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত হাঁটা, পরিমিত খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মতো ছোট ছোট অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে বেশি কাজে দেয়। কোনো একটি খাবার বা ঘরোয়া উপায়কে পেটের সব সমস্যার সমাধান হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা নিয়মিত হলে, খুব বেশি অস্বস্তি হলে কিংবা এর সঙ্গে তীব্র পেটব্যথা, বমি বা রক্তপাতের মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

১৭ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

১৭ মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

জামালপুরের র‌্যাব-১৪ একেএম দাউদ নামে এক সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার করেছে। ঢাকার আদাবর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ১৭টি মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সোমবার সকালে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন  র‌্যাব-১৪ এর অধিনায়ক মেজর লাবিদ আহমেদ।রোববার( ১৬ আগষ্ট) র‌্যাবের ৩টি ইউনিট যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে একেএম দাউদ(৫৫)কে ঢাকার আদাবর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার দাউদ জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বানিয়ানিরচর পশ্চিমপাড়ার আফতাব উদ্দিনের ছেলে। র‌্যাব জানায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা একেএম দাউদের বিরুদ্ধে জামালপুরের বিভিন্ন আদালতে ১৭টি মামলা হয়। মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকেই তিনি আত্ম গোপনে চলে যায়। বিভিন্ন সময় চেষ্টা করেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে র‌্যাব-১৪ এর ইউনিটকে তাকে গ্রেফতারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। র‌্যাব নানা প্রযুক্তি ও গোপন সোর্সের মাধ্যমে ঢাকার আদাবর এলকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ১৭ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী একেএম দাউদকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। র‌্যাবের অধিনায়ক মেজর লাবিদ আহমেদ জানান, গ্রেফতার আসামীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য দেওয়ানগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ আসামী দাউদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবে। 

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream