রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

আগামী সোমবার দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ইন্ডিয়া জোট

ভারতে জনগণের ভোটাধিকার ও সংবিধান সুরক্ষার চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী সোমবার রাজধানী দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট সোমবার রাজধানী দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোট। শনিবার (১০ অক্টোবর) কেরালার আলপ্পুঝায় এক সংবাদ সম্মেলনে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এ তথ্য জানান।কে সি বেণুগোপাল বলেন, নির্বাচন ও ভোটাধিকার ইস্যুতে বিরোধীদের উদ্বেগের কথা জানাতে জোটের শীর্ষ নেতারা ইতিমধ্যে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়া আগামী সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে বিরোধী নেতাদের।সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে সুরক্ষা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর তীব্র সমালোচনা করেন বেণুগোপাল। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনারকে আড়াল করার এই প্রক্রিয়াই মোদি ও শাহ সরকারের পতনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।” তিনি আরও দাবি করেন, সরকার বিরোধীদের আন্দোলনকে ভয় পাচ্ছে এবং বিক্ষোভ প্রতিহত করতে দিল্লিতে কার্যত ‘লকডাউন’ জারি করেছে, যার অংশ হিসেবে মেট্রো স্টেশন বন্ধ ও রেল যোগাযোগ সীমিত করে সশস্ত্র পুলিশ নামানো হয়েছে।একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা পর্যন্ত কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়া জোট রাজপথের লড়াই চালিয়ে যাবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা। পাশাপাশি কেরালার ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় দলের নজরদারির বিষয়টি উল্লেখ করার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের প্যাডে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দলীয় প্রতীক দৃশ্যমান হওয়ার সাম্প্রতিক বিতর্ক তুলে ধরেন তিনি।

দিল্লিতে আটক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনের মধ্য থেকে দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও দ্য হিন্দু-র প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদনে জানানো হয়, দিল্লির লোধি এস্টেটে অবস্থিত নিজ বাসভবনের সামনে থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।চলমান এ বিক্ষোভ ঘিরে এ নিয়ে ভারতের চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। এর আগে একই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ত্রিপুরা রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে আটক করা হয়। সাবেক শীর্ষ জনপ্রতিনিধিদের ধারাবাহিকভাবে আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তাজনিত কড়াকড়ি দেখা দিয়েছে।

দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক

দিল্লিতে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল সাংসদরা আটক। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবৈধভাবে জমায়েতের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউ এলাকায় নিজের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি বা ধর্নায় বসলে তাকে ও তার সঙ্গীদের আটক করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা ও সাংসদ দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন, প্রতিমা মণ্ডল এবং সাকেত গোখেলসহ অন্যান্যরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, পুলিশ এসে তাদের অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করতে এবং সেখান থেকে সরে যেতে অনুরোধ করে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধ উপেক্ষা করে তারা ধর্না অব্যাহত রাখলে পুলিশ তাদের আটক করে একটি প্রিজান ভ্যানে করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।একই দিনে এর আগে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকেও একই অভিযোগে আটক করে পুলিশ। তাকে কোনো নির্দিষ্ট থানায় না নিয়ে প্রিজন ভ্যানে করে দীর্ঘ সময় দিল্লির বিভিন্ন সড়কে ঘুরিয়ে রাখা হয়। পিনারাই বিজয়নের ঘটনার পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের শীর্ষ সংসদ সদস্যদের আটকের ঘটনাটি রাজধানীর রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। আটককৃত নেতাকর্মীদের সুনির্দিষ্টভাবে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে পুলিশ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক আটক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ভারতের 'ককরোচ জনতা পার্টির' (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আইজিআই) বিমান থেকে নামার পরপরই তাকেসহ দলের দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে আটক করা হয়।দিল্লিতে পৌঁছানোর আগেই দীপকে অভিযোগ করেছিলেন, সরকার নিরাপত্তামূলক বিধিনিষেধ ও পুলিশি কড়াকড়ির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া থেকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের এই সরব উপস্থিতি সরকার ভয় পাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।এদিকে এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভ প্রতিহত করতে দিল্লি পুলিশ আইনের ৬৫ নম্বর ধারায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাসহ শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ট্রাফিক কড়াকড়ি, ব্যারিকেড, মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ এবং কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সীমিত রাখার মতো পদক্ষেপ কার্যকর রয়েছে।

শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস

শান্তিতে নোবেল জয়ী নাভি পিল্লাইকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ায় বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ন্যায়বিচার, মানবাধিকার রক্ষা এবং ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষেত্রে পিল্লাইয়ের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন তিনি।এক বিবৃতিতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচারপতি পিল্লাই তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রাম, জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় ভূমিকা প্রমাণ করে, আইনের শাসন নিশ্চিত না হলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।বিবৃতিতে ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি যাঁদের কথা বলার সুযোগ সীমিত, তাঁদের অধিকার রক্ষায়ও কাজ করেছেন পিল্লাই। তাঁর মতে, এই পুরস্কার বিচারপতি পিল্লাইয়ের সাহস ও সততার স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এটি ন্যায়বিচার ও শান্তির পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে।এর আগে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ৮৫ বছর বয়সী নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে। ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার এই আইনজ্ঞ ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এ ছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক এবং রুয়ান্ডাবিষয়ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

১৫ ঘন্টা আগে
হজ এজেন্সিগুলোকে জরুরি নির্দেশনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

হজ এজেন্সিগুলোকে জরুরি নির্দেশনা ধর্ম মন্ত্রণালয়ের

২০২৭ সালের হজে অংশগ্রহণকারী অনুমোদিত এজেন্সিগুলোকে হজ মিশন ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাংকে অর্থ জমার মূল রসিদ আগামীকাল রোববার (১১ অক্টোবর) এর মধ্যে জমা দিতে বলেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৭ সালের হজে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ১০০ বা তার বেশি—এমন ২৬০টি এজেন্সি একটি করে মিশন ভিসা পাবে। এ ছাড়া ১০০ জনের কম হজযাত্রী নিবন্ধিত থাকা আটটি লিড এজেন্সি এবং দুটি মোনাজ্জেম এজেন্সিকেও একটি করে ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ভিসার সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২৭০টি।নির্দেশনা অনুযায়ী, এজেন্সির নাম, লিড নম্বর, নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা, মালিক বা মোনাজ্জেম কিংবা প্রতিনিধির নাম, পদবি, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বর নির্ধারিত ছকে দিতে হবে। পূরণ করা ছকের সফটকপি ০১৯২১-৪৬৭৭১৮ নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে হবে। পাশাপাশি এজেন্সির নিজস্ব প্যাডে স্বাক্ষর করা হার্ডকপিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে।মিশন ভিসা পেতে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ভিসা ফি, বিমা, ইলেকট্রনিক সেবা, জমজম পানি, লাগেজ পরিবহন, তাবু ও মাশায়ের সেবাসহ অন্যান্য ফি পরিশোধ করতে হবে। এসব অর্থ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় শাখার হিসাব নম্বর ০০২-০০০২৬৩০০০০৯০৮-এ (Sale Proceeds of Haj Deposit) জমা দিতে হবে। পরে জমার মূল রসিদ ঢাকার আশকোনার হজ অফিসে দাখিল করতে হবে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, মিশন ভিসা পাওয়া ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে বিমানভাড়াসহ যাতায়াত এবং সৌদি আরবে থাকা-খাওয়ার সব খরচ নিজ দায়িত্বে বহন করতে হবে।ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নির্দেশনার অনুলিপি হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)-এর সভাপতি ও মহাসচিব, আশকোনা হজ অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মহালয়ার অনুষ্ঠান উদ্বোধন করলেন দীনেশ ত্রিবেদী

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে মহালয়ার অনুষ্ঠান উদ্বোধন করলেন দীনেশ ত্রিবেদী

চণ্ডীপাঠ, মঙ্গলঘট স্থাপন এবং ঢাক-কাঁসা ও শঙ্খের ধ্বনির মধ্য দিয়ে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র মহালয়া। এর মধ্য দিয়ে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটেছে এবং শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। একইসঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার অপেক্ষার ক্ষণগণনাও শুরু হয়েছে।শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহালয়ার অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। এদিন চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আগমনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ এবং তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করেন ধর্মাবলম্বীরা।পূজা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুসারে, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।মহালয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

১৫ ঘন্টা আগে
সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সমঅধিকারের পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সমঅধিকারের পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরুর কোনো বিভাজন থাকবে না। বরং প্রত্যেক নাগরিকের পরিচয় হবে বাংলাদেশি। রাষ্ট্র, সমাজ ও সরকারের কাছ থেকে সবাই সমান অধিকার, নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা পাবেন। নাগরিকদের এসব অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘মহালয়া ১৪৩৩’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।শুভ মহালয়া উদযাপনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা ও উৎসবের দিন গণনা।এ উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান মাহদী আমিন। তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বাধা পেরিয়ে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আধুনিক, মানবিক ও সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।মাহদী আমিন বলেন, মহালয়া নতুন আশার প্রতীক। অশুভ শক্তির বিপরীতে শুভ শক্তির বিজয় এবং অন্ধকার দূর করে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দেয় এই উৎসব। সুন্দর ও সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, যে এলাকায় আজকের আয়োজন হচ্ছে, সেটি প্রধানমন্ত্রীর সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি দেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি, যেখানে ধর্ম, বর্ণ, মতাদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের ভিন্নতা সত্ত্বেও সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি। একই সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সার্বিক কল্যাণ ও দুর্গোৎসবের সফলতা কামনা করেন তিনি।ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য বা বিভেদের শিকার না হন, সেই প্রত্যাশা তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, প্রত্যেক মানুষ স্বাধীনভাবে ও আত্মমর্যাদা নিয়ে বাঁচবেন। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতেও সবাই সমানভাবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দীর্ঘ সময় পর এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য সরকারি আর্থিক বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা বিবেচনায় দুর্গাপূজার সরকারি ছুটিও বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে উৎসবের আনন্দ পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।শারদীয় দুর্গোৎসবকে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্বপূর্ণ বন্ধন হিসেবে উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, সমাজের বৈচিত্র্যকে শক্তি হিসেবে গ্রহণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এমন একটি মানবিক সমাজ গড়তে হবে, যেখানে বিদ্বেষের পরিবর্তে ভালোবাসা, বৈষম্যের পরিবর্তে ন্যায়বিচার এবং বিভেদের পরিবর্তে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে।বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এ দেশের জনগণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের সম্মিলিত প্রত্যাশা ও ঐক্যবদ্ধ থাকার মানসিকতাই দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মূল প্রেরণা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার জনগণের স্বার্থ, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সামগ্রিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। এ লক্ষ্যেই ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মাহদী আমিন বলেন, মহালয়ার তাৎপর্য ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। দুর্গোৎসবের সূচনা সবার জীবনে শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শ্রী অলোক সাহা ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় গোপাল রায়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

১৬ ঘন্টা আগে
দুর্গাপূজায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বিএনপি নেতাকর্মীরা: গয়েশ্বর

দুর্গাপূজায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বিএনপি নেতাকর্মীরা: গয়েশ্বর

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে সাভার নামাবাজারের পঞ্চবটি আশ্রমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাভার পৌর এলাকার বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে মানুষের মনে নানা ধরনের উদ্বেগ ও শঙ্কা থাকতে পারে। তবে এসব আশঙ্কা যাতে কোনোভাবেই বাস্তবে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পূজা উদযাপনের সময় কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্ভয়ে উৎসব পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ও ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো. খোরশেদ আলম। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইব্রাহিম মিয়া, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি মো. আশরাফ উদ্দিন খান, শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের মহাসচিব নাজমুল হাসান অভি এবং ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবালসহ অন্যরা।আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বিভিন্ন এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ এবং সাভার পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৬ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩, মামলা ৪০

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩, মামলা ৪০

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা হয়েছে ৪০ টি। আর সবচেয়ে বেশি ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর থেকে। আজ শনিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান ডিএমপির উপকমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ) মো. আকতার হোসেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ডিএমপির রমনা বিভাগ থেকে ৩৬, লালবাগে ৫৯, ওয়ারীতে ৭৫, মতিঝিলে ৮২, তেজগাঁওয়ে ৭৯, মিরপুরে ৯০, গুলশানে ৪৭, উত্তরায় ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া ডিএমপি গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জন ও সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানকালে ৭৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ১৪৪২ ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ২ ক্যান বিয়ার, ১টি কাভার্ডভ্যান, ২টি মোটরসাইকেল, ৯টি মোবাইল, একজন ভিকটিম ও নগদ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১৬ ঘন্টা আগে
ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পিতৃপক্ষের অবসান, শুরু হলো দেবীপক্ষ

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পিতৃপক্ষের অবসান, শুরু হলো দেবীপক্ষ

সমাপ্তি ঘটলো পিতৃপক্ষের এবং সূচনা হলো দেবীপক্ষের চণ্ডীপাঠ, মঙ্গলঘট স্থাপন এবং ঢাক-কাঁসা ও শঙ্খের ধ্বনিতে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আসার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে। একইসঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুরু হয়ে গেলো সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পবিত্র মহালয়ার উদযাপনে উপস্থিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।  শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মহালয়ার আয়োজনে অংশ নেন তিনি। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হয়। এদিন চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আহ্বান জানানো হয়। পিতৃপক্ষের অবসানে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করেন ধর্মাবলম্বীরা। পূজা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এবার সারাদেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উৎসব। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধে প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১৮ ঘন্টা আগে
মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সংকোচ নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা: প্রধানমন্ত্রী

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সংকোচ নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা: প্রধানমন্ত্রী

মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবহেলা না করে তাদের কথা শোনা, পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে মানসিক অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে সমাজে প্রচলিত ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবসটি পালিত হবে।বাণীতে তারেক রহমান বলেন, শুধু শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাই পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যের পরিচয় নয়। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে ভালো থাকাও স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে মানসিক স্বাস্থ্যকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যকর করতে এ ধরনের সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়া মানুষের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য শুধু চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ব্যক্তির মর্যাদা, পারিবারিক পরিবেশ, সামাজিক সম্পর্ক এবং সামগ্রিক কল্যাণের সঙ্গে জড়িত। মানসিক সমস্যায় ভুগছেন এমন কাউকে অবহেলা কিংবা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন না করে তাঁর প্রয়োজন ও অনুভূতি বুঝতে হবে। সম্মানের সঙ্গে তাঁদের অভিজ্ঞতা শোনা এবং সহায়তার সুযোগ তৈরি করাই ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম ভিত্তি।তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন গুরুত্ব পাবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, রেফারেল ব্যবস্থা কার্যকর করা এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে কাউন্সেলিং সেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তারেক রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য এখন বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশেও অনেক মানুষ এ ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। তবে সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব, পর্যাপ্ত সেবার সীমাবদ্ধতা এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতির কারণে অনেকেই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি, মান ও সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সমন্বিত রেফারেল ব্যবস্থা এবং টেলি-কাউন্সেলিং চালুর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ, সরকারি হাসপাতালের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত পেশাজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিপুলসংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। গর্ভবতী নারী, শিশু-কিশোর এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত পেশাজীবীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবা নিতে আসা মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং সহমর্মিতার সঙ্গে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা দিতে হবে। পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যেখানে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে বা সাহায্য চাইতে কাউকে সংকোচে পড়তে হবে না। প্রতিটি মানুষ যেন মর্যাদা, আশা ও সম্ভাবনা নিয়ে নিরাপদ ও অর্থবহ জীবনযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই একটি মানবিক ও কল্যাণমূলক বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করছে।পরিশেষে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সবার সুস্থতা ও কল্যাণ কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী এবং দিবসটির সার্বিক সাফল্য প্রত্যাশা করেন।

০৯ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাঁর মতে, শুধু প্রচলিত শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতাও প্রয়োজন।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ তজল্লী আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপপরিচালক মুহাম্মদ ফরিদুল আলম হোসাইনী।কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে পরিবার ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরিবারের সহযোগিতা এবং পড়াশোনার উপযোগী পরিবেশ ছাড়া ভালো ফলাফল অর্জন কঠিন। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীরা আরও ভালো করতে পারে।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজেও চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী। অনুষ্ঠানে তিনি নিজের স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। স্কুলের সমাবেশ, ক্রিকেট খেলা, গ্রন্থাগার এবং শিক্ষকদের স্মৃতি তাঁর মনে এখনো অমলিন বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন।বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার আগের মতো কার্যকর না থাকায় দুঃখ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব থাকা অত্যন্ত জরুরি। সেখানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনেরও ঘোষণা দেন তিনি।এর আগে শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নির্মিত সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী। সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকটি শুধু সাইকেল আরোহীদের চলাচলের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এ ধরনের উদ্যোগ এটিই প্রথম।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে সড়কের পাশে সাইকেল চালানোর জন্য আলাদা লেন রয়েছে। মানুষ সাইকেলে কর্মস্থলে যাতায়াতের পাশাপাশি শরীরচর্চার সুযোগও পায়। বাংলাদেশেও এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে সাইকেলের ব্যবহার বাড়াতে চায় সরকার।চট্টগ্রাম নগরীতে আরও চার থেকে পাঁচটি সাইকেল চলাচলের পথ নির্মাণের জন্য মেয়রের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নগরীর খালের দুই পাশে সম্ভব হলে হাঁটার পথ তৈরির কথাও বলেন।মন্ত্রী আরও বলেন, নগরবাসীর হাঁটা, দৌড়ানো ও শরীরচর্চার সুযোগ বাড়াতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের দৈনন্দিন শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর পাশাপাশি দৌড়, উচ্চলম্ফ ও দীর্ঘলম্ফের মতো খেলায় দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরিতেও সহায়ক হতে পারে।

০৯ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন

দেশের যোগাযোগ ও ক্রীড়া অবকাঠামোতে এক নতুন মাইলফলক যুক্ত হলো বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত পর্যন্ত ২ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজেই সাইকেল চালিয়ে আধুনিক এই ট্র্যাকটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সারা দেশেই পরিবেশবান্ধব সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণের তাগিদ দেন এবং জাতীয় মহাসড়কগুলোর পাশে সাইকেল চলাচলের জন্য পৃথক লেন রাখার আহ্বান জানান।প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, এই ট্র্যাকের দু পাশে নির্মাণ করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত এবং মাঝখানে কার্বস্টোন দিয়ে মিড আইল্যান্ড তৈরি করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে পথচারীদের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা ওয়াকওয়ে।মূলত তরুণ প্রজন্মকে সাইকেলিংয়ে উৎসাহিত করা, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইকেলের নিয়মিত ব্যবহার একদিকে যেমন জ্বালানি খরচ ও যানজট কমাবে, অন্যদিকে পরিবেশদূষণ রোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।উৎসবমুখর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০৯ অক্টোবর ২০২৬
১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মতপার্থক্য ও গঠনমূলক সমালোচনাই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মতপার্থক্য ও গঠনমূলক সমালোচনাই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

সনাতনীরা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে আমাদের ঘরে এসেছে : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের পাশে এসেছেন, তাঁদের হতাশ করা হবে না।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সাভারের পঞ্চবটী আশ্রমে শহীদ মজনু ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৪৬টি পূজামণ্ডপের পূজারিদের মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দেশ ছেড়ে চলে গেলে কিংবা দেশে থাকলে—দুই অবস্থাতেই আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে লাভবান হয় বলে তিনি মনে করেন। তবে বর্তমান সরকার কাজের মাধ্যমে হিন্দু সম্প্রদায়ের আস্থা অর্জন করতে চায় বলে জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য পাঁচ কোটি টাকা নগদ সহায়তা দিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিটি পূজামণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে এবং হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমেও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে গয়েশ্বর বলেন, উৎসবকে ঘিরে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটবে না—এমন ধারণা করে দায়িত্ব পালনে শিথিলতা দেখানো যাবে না। পূজামণ্ডপ ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবু, জাকসুর সাবেক ভিপি আশরাফ খান, ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাজমুল হাসান অভি, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তমিজ উদ্দিন, পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!
“
৩ দিন আগে
গতকাল শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে রাজপথে সবাই নেমেছে। ছাত্রদল, ছাত্রঅধিকার পরিষদ, ছাত্রশিবির, এনসিপিও প্রোগ্রাম করেছে। আমার প্রশ্ন হলো, আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হয়েছিলেন শিশির মনির, যিনি জামায়াতের একজন বিখ্যাত আইনজীবী। জামায়াতের মনোনীত এমপি প্রার্থী ছিলেন। জামায়াতের আইনজীবী শিশির মনির যখন আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হন, তখন শিবির কোন লজ্জায় রাজপথে প্রোগ্রাম করে আমি সেই প্রশ্ন রাখছি। জুলাইয়ে এই শিশির মনিররা রাজপথে নামেননি। এমনকি জুলাইয়ের পক্ষে পোস্ট আছে কিনা, আমার সন্দেহ আছে। প্রোফাইল লাল পর্যন্ত করেননি। জামায়াত আমিরও প্রোফাইল লাল করেনি। আজ তারা দাবি করছে, জুলাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, নেপথ্যে থেকে ভূমিকা রেখেছে।

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন কেয়া পায়েল

পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় পবিত্র কাবা শরিফ প্রাঙ্গণে ওমরাহর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর নিজের অনুভূতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কাবা শরিফের সামনে থেকে একটি ভিডিও শেয়ার করেন কেয়া পায়েল। ভিডিওটিতে কালো বোরখা পরিহিত অবস্থায় তাকে কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন।’ তার এই প্রকাশভঙ্গিতে ওমরাহ পালনের অভিজ্ঞতা যে তার জীবনে এক পরম শান্তির মুহূর্ত নিয়ে এসেছে, সেটিই ফুটে উঠেছে।পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনেকেই অভিনেত্রীকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানিয়েছেন। তবে একইসঙ্গে কেয়া পায়েল তার পোস্টে নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, ‘কেউ বাজে মন্তব্য করে নিজের নিচু মানসিকতার পরিচয় দেবেন না। আপনার মন্তব্য আপনার রুচি, ব্যক্তিত্ব ও মানসিকতারই পরিচয় বহন করে।’ অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘তাই অন্যকে ছোট করার আগে নিজের মানসিকতার দিকে একটু নজর দিন।’ তার এই স্পষ্ট বার্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও কেন ক্লান্তি লাগে?

রাতে পর্যাপ্ত আট ঘণ্টা ঘুমানোর পরও অনেকের সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর ও মন সতেজ লাগে না; বরং ক্লান্তি, ঝিমুনি কিংবা অবসাদ অনুভূত হতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল কতক্ষণ ঘুমানো হলো তা-ই যথেষ্ট নয়, ঘুমের মান (Sleep Quality) ও ধারাবাহিকতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।স্লিপ অ্যাপনিয়া (Sleep Apnea): এটি এমন একটি ঘুমের ব্যাধি, যেখানে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যাহত বা বন্ধ হয়। এর ফলে ঘুম বারবার ভেঙে যায় (যা অনেক সময় ব্যক্তির মনে থাকে না)। সকালে উঠে মাথাব্যথা, মনোযোগে অসুবিধা, দিনে অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া ও মেজাজ খিটখিটে হওয়া এর অন্যতম লক্ষণ।অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি: প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে ঘুমাতে যাওয়া বা ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈবঘড়ির (Circadian Rhythm) ভারসাম্য নষ্ট করে, যাকে ‘সোশ্যাল জেট ল্যাগ’ বলা হয়। ছুটির দিনে দেরিতে ঘুমানো ও দেরিতে ওঠার অভ্যাস এর অন্যতম কারণ।ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল গ্রহণ: বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা-কফি পান করলে ক্যাফেইনের প্রভাবে ঘুমের গভীরতা কমে যায়। অন্যদিকে অ্যালকোহল প্রাথমিকভাবে তন্দ্রাচ্ছন্নতা আনলেও রাতের শেষভাগে গভীর ঘুমে চরম ব্যাঘাত ঘটায়।দেরিতে ভারী খাবার: ঘুমানোর ঠিক আগে অতিরিক্ত ভারী খাবার খেলে এসিডিটি বা বুকজ্বালা হতে পারে, যা ঘুমের আরামদায়ক পরিবেশ ব্যাহত করে।১. ছুটির দিনসহ সপ্তাহের প্রতিদিনই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তোলা।২. বিকেল বা সন্ধ্যার পর চা, কফি ও অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা।৩. শোবার ঘর শান্ত, অন্ধকার ও আরামদায়ক রাখা এবং ঘুমানোর আগে মোবাইল/স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা।৪. দিনে নিয়মিত শরীরচর্চা করা এবং সকালে অন্তত কিছুক্ষণ প্রাকৃতিকভাবে সূর্যের আলোতে থাকা।নিয়ম মেনে চলার পরও দীর্ঘদিন টানা ক্লান্তি, অতিরিক্ত অবসন্নতা বা দিনে ঘুমের সমস্যা বজায় থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ থাইরয়েডের সমস্যা, রক্তস্বল্পতা বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতার কারণেও এ জাতীয় ক্লান্তি হতে পারে।

সিলেটে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

সিলেটে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

সিলেটে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানাধীন দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।এসআরবি-৯,সিপিসি-৩,সুনামগঞ্জ ও সদর কোম্পানি,সিলেটের যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান দুটি পরিচালনা করে।এসআরবি-৯-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানটি রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহপরান (রহ.) থানাধীন আল-ইসলাহ ত্রিমুখী পয়েন্ট এলাকায় পরিচালিত হয়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় মো. জিয়াউর রহমান (৩৬) নামের এক ব্যক্তিকে। তিনি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানার পশ্চিম মাছিমপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুল মান্নান।অন্যদিকে,রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে একই থানার উত্তর বালুচর নতুন বাজার এলাকার একটি বসতবাড়িতে দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় সৈয়দ রহিম আলীকে। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানার লোহারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত মো. ছমির আলী।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,গ্রেপ্তার দুজনই সিলেটের জকিগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। মামলাটি ২০১৮ সালের ২৬ মার্চ দায়ের করা হয়েছিল।গ্রেপ্তার দুজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।এসআরবি-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়,দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream