বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে দুটি অনুদান চুক্তিও সই হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চ ও বিশ্ববাজারে এক 'নতুন বাংলাদেশ'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করতে একটি টহলজাহাজ সরবরাহের জন্য ২১২ কোটি জাপানি ইয়েনের (প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ) একটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪

স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় তোলেদো (Toledo) প্রদেশের উর্দা (Urda) এলাকার কাছে দুটি দ্রুতগতির (High-Speed) যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৬৪ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে নিচে পড়ে যাওয়ায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।আজ বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটের দিকে মাদ্রিদ থেকে সেভিয়াগামী রুটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।স্পেনের জরুরি সেবাবিষয়ক কর্মকর্তা ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, মাদ্রিদ-সেভিয়া রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন অপর একটি ট্রেনের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।সংঘর্ষের বিকট প্রভাবে ট্রেনের অন্তত দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইনের পাশের গভীর ঢাল বেয়ে নিচে পড়ে যায়।দুর্ঘটনার পরপরই ওই ব্যস্ত রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই দুর্ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস, জরুরি সেবাকর্মী ও একাধিক চিকিৎসক দল মোতায়েন করা হয়েছে। বগির ভেতরে আটকে পড়াদের উদ্ধারে এবং আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ চলছে।দুর্ঘটনার মূল কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, ড্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট’ (আইইডিসিআর)-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর নিজ কার্যালয়ে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে মহাখালীতে অবস্থিত আইইডিসিআর ভবনে পরিচালকের নিজ কক্ষে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর কক্ষে কয়েকজনের সঙ্গে অফিসিয়াল বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তি হঠাৎ অনধিকার প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আইইডিসিআর পরিচালককে গায়ের জোরে চেয়ার থেকে টেনে তুলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন।হামলার শিকার অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি অভিযোগ করেন, ড্যাবের কর্মীরাই সংঘবদ্ধ হয়ে অফিসে ঢুকে তাঁর ওপর এ অতর্কিত হামলা ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত এক জনস্বাস্থ্যবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আগে কখনো আইইডিসিআর চত্বরে দেখা যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ চিকিৎসকের ওপর হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে উল্টো পরিচালকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “তার (কাজী আহমেদ) তো কিছু দোষ আছে।”কী ধরনের দোষ—এমন প্রশ্নে তিনি মুঠোফোনে একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইইডিসিআরের পরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে থাকা জনস্বাস্থ্যবিদ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে বর্তমান সরকারের আমলে কাজী আহমেদ কীভাবে নিজের কার্যালয়ে বৈঠক করেন? এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করেই মূলত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।একটি রাষ্ট্রের শীর্ষ জনস্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের ওপর এমন হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদ ড. মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন, “একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তাঁর নিজ কক্ষে ঢুকে মারধর করা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”উল্লেখ্য, আইইডিসিআর দেশের মহামারি ও সংক্রামক রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউএস-সিডিসির (CDC) মতো বৈশ্বিক সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে থাকে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং সম্প্রতি তিনি দেশে হামের টিকার কার্যকারিতা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

কেন ঘটল বিদ্যুৎ বিপর্যয়, খতিয়ে দেখবে তদন্ত কমিটি

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে হঠাৎ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ খুঁজে বের করতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কেন এই সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তা খতিয়ে দেখবে কমিটি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশও করবে তারা।বিদ্যুৎ বিভাগের এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজাকে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন- পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের সাবেক নির্বাহী পরিচালক (পিএন্ডডি) মো. আমির খসরু, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো) সিস্টেম প্রটেকশন অ্যান্ড টেস্টিং কমিশনিং বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন প্রতিনিধি। কমিটির সদস্যসচিব করা হয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক (ওএন্ডএম) মো. আব্দুল মোনায়েম চৌধুরীকে। প্রয়োজনে কমিটি উপযুক্ত ব্যক্তিকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। কমিটির কার্যপরিধিতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত আংশিক গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করা, এ ধরনের বিপর্যয় রোধে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়ন এবং গ্রিডের সুরক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

এমপির আপত্তিকর ভাইরাল:  যা বললেন নাটোর-৪ এর এমপি আজিজ

এমপির আপত্তিকর ভাইরাল: যা বললেন নাটোর-৪ এর এমপি আজিজ

বিশেষ প্রতিনিধি:ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় ছেলের গ্রেপ্তার এবং জানাজায় হেনস্তার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ‘ষড়যন্ত্র’ এবং ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বিকৃত রূপ বলে দাবি করেছেন এমপি নিজে ও তার দলীয় নেতারা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এমপি আব্দুল আজিজ বলেন, "আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওটি দেখা যাচ্ছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।"এর আগে সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর উপজেলার নয়াবাজারে দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীও বিষয়টিকে এআই-প্রযুক্তির কারসাজি বলে দাবি করেন।সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী বলেন, "আমাদের নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল আজিজকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি কথিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তার ছবি বা ভিডিওকে বিকৃত রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।"তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে এ ধরনের ভুয়া তথ্যের অপব্যবহার বন্ধে ভিডিওটির সত্যতা এবং উৎস যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। একই সাথে যারা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভুয়া ভিডিও ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

৫ ঘন্টা আগে
জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে দুটি অনুদান চুক্তিও সই হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চ ও বিশ্ববাজারে এক 'নতুন বাংলাদেশ'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করতে একটি টহলজাহাজ সরবরাহের জন্য ২১২ কোটি জাপানি ইয়েনের (প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ) একটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

৫ ঘন্টা আগে
আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আগামীতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বেশি জিপিএ পাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠায় তিনি স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। তার মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা একই বিষয় ও একই প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। তাই স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষায় আলাদা প্রশ্নপত্র রাখার প্রয়োজন নেই। একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার পর ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা হবে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেন বেশি জিপিএ পাচ্ছে।এদিকে, পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের তথ্য তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত পরীক্ষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই এক্সামিনার কারা কারা এই দুষ্টুমি করেছে, তাদেরকে আমি আইনের আওতায় আনব। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিষয়টি আমার মাথায় প্রচণ্ড বোঝা! আমি এনটিআরসি করেছিলাম বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে। সেই এনটিআরসিতে আমরা সার্টিফিকেট দেব, শিক্ষকরা গিয়ে এলাকার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে যাবে, সেখানে তারা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেবে। লাস্ট গভর্নমেন্ট তাদেরকে ঢালাও সার্টিফিকেট দিয়েছে, ঢালাও অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছে, ঢালাও জায়গায় জায়গায় পোস্টিং দিয়েছে! তিনি বলেন, এখন কচুয়ার পোস্টিং নিয়েছে রংপুরেরটা, রংপুরেরটা নিয়েছে বরিশালে, বরিশালেরটা নিয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন আমি আসার পরে সব আমার মাথায় ঢুকল যে আমাদের ট্রান্সফার করতে হবে। আমি দেখলাম অবভিয়াসলি কচুয়ায় যদি রংপুরের ছেলে থাকে তাকে রংপুর পাঠিয়ে দিই। আমি একটা অ্যাপস তৈরি করলাম ট্রান্সফারগুলি করার জন্য। শিক্ষকদের বদলির আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন সবাই ট্রান্সফার চায়। কচুয়া থেকে চায় ভিকারুননিসা! কচুয়া থেকে চায় আইডিয়াল স্কুল! কচুয়া থেকে চায় মনিপুর, শাহিন স্কুল! বুঝলেন তো? বদলি নিয়ে শিক্ষকদের চাপের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, শিক্ষক প্রতিনিধি হয়ে আমাকে ধমক দেয়—৩১ অক্টোবরের মধ্যে যদি ট্রান্সফার না হয়, তাহলে দেখে নেবে! কাকে? আমাকে! বুঝলেন তো? আপনি এমপিও শিক্ষক, আপনি স্কুলে গিয়ে পড়ান, মাদ্রাসায় গিয়ে পড়ান। আপনার দায়িত্ব এটা না, এটা আমার দায়িত্ব! লেট মি ডু ইট (আমাকে করতে দিন)!

৯ ঘন্টা আগে
দেশে-বিদেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে এক হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশে-বিদেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে এক হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে প্রবাসী এবং দেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা সম্ভব হলে এর সুফল দেশের মানুষের পাশাপাশি প্রবাসীরাও ভোগ করবেন।তিনি বলেন, দেশের জন্য ভালো কিছু করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। মানুষ দেশে থাকুক বা বিদেশে, যার যার অবস্থান থেকে দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে নিউ ওতানি হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।সভায় জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তাদের প্রশ্নের জবাবে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। স্কুলে জাপানিসহ তৃতীয় ভাষা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানিসহ জার্মান, ফরাসি এবং আরও কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ রাখা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।’ এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী বছর থেকে স্কুলগুলোতে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখানোর কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা রয়েছে।’ তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগও নিশ্চিত করতে চায় সরকার। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তারা বাড়তি সুবিধা পাবে। স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুরা যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে শয্যা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর পাশাপাশি শিশু ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে। এর ফলে গ্রামের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা বা বিভাগীয় শহরে ছুটতে হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা গেলে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সহজ হবে। এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে গ্রাম পর্যায়ে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশ নারী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, পুষ্টি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করবেন।’ তারেক রহমান বলেন, মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করা গেলে রোগের প্রকোপ কমবে এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে। জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং দেশটির সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখা সম্ভব হবে।’ জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীদের দেশে কাজে লাগানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আগ্রহী হতে হবে। জাপানি ভাষার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রত্যাশার তুলনায় কম আবেদন পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে সম্ভাব্য উদ্যোগ নেওয়ার পথ খুঁজে দেখা যেতে পারে।’ দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসে অবস্থান করলেও সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং দেশের উন্নয়নে প্রত্যেকেরই ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।’ তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও জনশক্তির দক্ষতা বাড়ানোর মতো ক্ষেত্রগুলোতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে সভায় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৯ ঘন্টা আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

 ইতিমধ্যে উপ-নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। নির্বাচনি উত্তাপের পর ঠাকুরগাঁওয়ে এখন ভোটের অপেক্ষা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনপ্রতিনিধি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম।জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩ ঠাকুরগাঁও ১ আসন গঠিত হয়েছে, এ আসনে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল যে পক্ষেই যাক, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলেও জানান পুলিশ সুপার।এদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া জানান, ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে
কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক এমপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক এমপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রউফ ও তার স্ত্রী জান্নাতুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুষ্টিয়ায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি দায়ের করা হয়।দুদকের এজাহার অনুযায়ী, আবদুর রউফের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৬০৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে।এজাহারে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে আবদুর রউফ ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে মোট ২ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তার ঋণের পরিমাণ ২৩ লাখ ৩১ হাজার ৭১২ টাকা। পারিবারিক খরচ, কর পরিশোধ ও অন্যান্য খাতে তার ব্যয় হয়েছে ৬৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৩ টাকা।অন্যদিকে, দুদকের হিসাবে আবদুর রউফের গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮২৮ টাকা। এ আয়ের সঙ্গে তার সম্পদ ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী জান্নাতুন নাহারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়, জান্নাতুন নাহারের নামে ১ কোটি ৭১ লাখ ৮৯ হাজার ২৯২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। পারিবারিক খরচ, কর পরিশোধ ও অন্যান্য ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ১ কোটি ৯৪ লাখ ৬৪ হাজার ২৯২ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, আবদুর রউফ সংসদ সদস্য থাকাকালে তার পদ-পদবি ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। এ অভিযোগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং আবদুর রউফের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ১৯৮৫ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে এ অনুসন্ধান করা হয়। গত ১৩ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়। তদন্তে আরও কোনো সম্পদ বা অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

১১ ঘন্টা আগে
আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি অন্ধ্র প্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কমতে পারে তাপমাত্রা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ ছাড়া পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও বরিশাল জেলাসহ ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ কমে আসতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে সবশেষ রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিন পর সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

১১ ঘন্টা আগে
মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি প্যাকেজের কাজ পেল ভারতীয় কোম্পানি

মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি প্যাকেজের কাজ পেল ভারতীয় কোম্পানি

ঢাকায় তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের কাজ পেয়েছে ভারতের অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)।চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি রেললাইন নির্মাণ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্মে স্ক্রিন ডোর স্থাপনের কাজ করবে। জাপানের অর্থায়নে নির্মাণাধীন বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পে এই চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার উদ্যোগের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কেও গতি আসছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকার মেট্রোরেল প্রকল্পের বড় কাজ পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান এলঅ্যান্ডটি।সরকার রাজধানীতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা।এ ছাড়া রাজধানীর পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়নে মেট্রোরেল প্রকল্পসহ মোট ১২টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্পে আনুমানিক ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে। এলঅ্যান্ডটির পরিবহণ অবকাঠামো বিভাগ বাংলাদেশের ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (লাইন-১), অর্থাৎ ঢাকা মেট্রোরেলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণকাজের চুক্তি পেয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের এই কাজকে বড় চুক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। চুক্তি দুটি হলো—কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি০৯, যার আওতায় রেললাইন স্থাপন ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজ হবে; এবং কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি১০, যার আওতায় সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করা হবে। এলঅ্যান্ডটি জানিয়েছে, এসব কাজ বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পের আওতাভুক্ত। এর আগে বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর সমন্বিত রেলব্যবস্থা স্থাপনের কাজ পেয়েছিল এলঅ্যান্ডটি। প্রতিষ্ঠানটি সেই কাজ সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে লাইন-৬ বাণিজ্যিকভাবে চালু রয়েছে। এলঅ্যান্ডটির পরিবহণ অবকাঠামো বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার এস বলেন, ‘ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কাছ থেকে আবারও কাজের চুক্তি পাওয়া বিশ্বজুড়ে বৃহৎ ও সমন্বিত নগর পরিবহণ প্রকল্প বাস্তবায়নে এলঅ্যান্ডটির সক্ষমতার প্রমাণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে এবং নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের। সম্প্রতি জাকার্তা মেট্রোরেল প্রকল্পেও কাজ চলছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে একাধিক ব্যবস্থা নির্বিঘ্নে একীভূত করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে আমরা ভালো অবস্থানে রয়েছি।’ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রায় ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকায় আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটিতে দুটি রুট রয়েছে। একটি হলো কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিমানবন্দর রুট। অন্যটি নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত পূর্বাচল রুট। এতে থাকবে ১৯টি স্টেশন এবং পিতলগঞ্জে একটি ডিপো। এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের পর টোকিওতে এক যৌথ বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপে অংশীদার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। এলঅ্যান্ডটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘এই দুটি প্যাকেজ সম্মিলিতভাবে ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর মূল পরিচালনব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এর মাধ্যমে ঢাকাবাসীর জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের নগর পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সিপি০৯ প্যাকেজের আওতায় এলঅ্যান্ডটি তাদের জাপানি অংশীদার সুমিতোমো করপোরেশনের সঙ্গে মিলে পুরো রুটে রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থা, ট্র্যাকশন সাবস্টেশন, ওভারহেড ক্যাটেনারি ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক স্থাপনার নকশা, সরঞ্জাম সংগ্রহ, স্থাপন, পরীক্ষা ও চালুর কাজ করবে। অন্যদিকে সিপি১০ প্যাকেজের আওতায় পুরো নেটওয়ার্কে সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করবে এলঅ্যান্ডটি। লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর (এলঅ্যান্ডটি) পরিবহণ অবকাঠামো বিভাগ প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ (ইপিসি) খাতের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। ভারতের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও রেল অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। এসব কাজে নিরাপত্তা, গুণগত মান ও প্রকল্প বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার কথা জানিয়েছে ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানটি।

১১ ঘন্টা আগে
নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, ড্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নিজ কার্যালয়ে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, ড্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীনস্থ শীর্ষস্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট’ (আইইডিসিআর)-এর পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর নিজ কার্যালয়ে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে সরাসরি মারধরের অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা ১১টার দিকে মহাখালীতে অবস্থিত আইইডিসিআর ভবনে পরিচালকের নিজ কক্ষে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি তাঁর কক্ষে কয়েকজনের সঙ্গে অফিসিয়াল বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তি হঠাৎ অনধিকার প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তাঁরা আইইডিসিআর পরিচালককে গায়ের জোরে চেয়ার থেকে টেনে তুলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন।হামলার শিকার অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি অভিযোগ করেন, ড্যাবের কর্মীরাই সংঘবদ্ধ হয়ে অফিসে ঢুকে তাঁর ওপর এ অতর্কিত হামলা ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে। ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত এক জনস্বাস্থ্যবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের আগে কখনো আইইডিসিআর চত্বরে দেখা যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ চিকিৎসকের ওপর হামলার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে উল্টো পরিচালকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “তার (কাজী আহমেদ) তো কিছু দোষ আছে।”কী ধরনের দোষ—এমন প্রশ্নে তিনি মুঠোফোনে একটি ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইইডিসিআরের পরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পদে থাকা জনস্বাস্থ্যবিদ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার সঙ্গে বর্তমান সরকারের আমলে কাজী আহমেদ কীভাবে নিজের কার্যালয়ে বৈঠক করেন? এই সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করেই মূলত ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।একটি রাষ্ট্রের শীর্ষ জনস্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের ওপর এমন হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্যবিদ ড. মুশতাক হোসেন। তিনি বলেন, “একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে তাঁর নিজ কক্ষে ঢুকে মারধর করা চরম নিন্দনীয়। এ ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”উল্লেখ্য, আইইডিসিআর দেশের মহামারি ও সংক্রামক রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, গবেষণা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও ইউএস-সিডিসির (CDC) মতো বৈশ্বিক সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে থাকে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং সম্প্রতি তিনি দেশে হামের টিকার কার্যকারিতা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

১২ ঘন্টা আগে
মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক মালয়েশিয়াগামী কর্মীদেরর নভেম্বরের শুরুতেই মেডিক্যাল পরীক্ষা শুরু হবে জানিয়ে বলেছেন, ‘দু-চারদিন পরে মেডিক্যাল করার পরেই কর্মীরা যেতে পারবে। নভেম্বর এক তারিখ বা নভেম্বরের ফার্স্ট উইকে আমরা বলতে পারি যে ফ্লাইট উইল স্টার্ট।’ রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার (২৮ অক্টোবর) উইটনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত অভিবাসন সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।নুরুল হক বলেন, ‘মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে মন্ত্রণালয়ও আমাদের ওয়েবসাইটেও মেডিক্যালগুলোর তালিকা দিয়ে দেবে। তারাও তাদের ওয়েবসাইটে দেবে। মেডিক্যালের বিষয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে। মেডিক্যাল খরচটা আজকে আমরা বসে নির্ধারণ করে দেবো। আর যাওয়ার ক্ষেত্রে মোটামুটি কত টাকা খরচ হতে পারে, আশা করা যায়, নভেম্বরে এভ্রিথিং উইল বি ওপেন।’  প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বোয়েসেল থেকে আমরা আলাপ-আলোচনা করে দেখলাম, ১ লাখ ৫৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকার মতো খরচ পারে। আর প্রাইভেটের ক্ষেত্রেও কেমন খরচ হতে পারে আমরা এস্টিমেট করে তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে নির্ধারণ করে দেবো।’ 

১২ ঘন্টা আগে
২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

সিরাজদিখানে ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের সমর্থনে জামায়াতের স্বাগত মিছিল

‎১১ দলীয় ঐক্যের ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চ কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়ে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে স্বাগত মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখা।‎বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাদ আছর উপজেলার গোয়ালবাড়ী মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে আল-হেরা মাদ্রাসা পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়। এতে জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। ‎মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মুন্সীগঞ্জ জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. মুজিবুর রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজদিখান উপজেলা জামায়াতের আমির মো. কবির হোসাইন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ওয়াশিম মিয়া। ‎এ সময় বক্তারা ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ কর্মসূচির প্রতি সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেন। মিছিলে জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!
“
৩ দিন আগে

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

ট্রাম্পের প্রচারে নিল ইয়ংয়ের গান, গড়াল আদালত পর্যন্ত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি ‘ট্রাম্প ৪৭ কমিটি ইনকরপোরেটেড’-এর বিরুদ্ধে ১ কোটি ডলারের মামলা করেছেন সংগীতশিল্পী নিল ইয়ং। সোমবার (২৬ অক্টোবর) করা মামলায় তাঁর অভিযোগ, মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে ট্রাম্পের মঞ্চে প্রবেশের সময় অনুমতি ছাড়াই বারবার তাঁর ‘রকিন’ ইন দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ (Rockin’ in the Free World) গানটি বাজানো হয়েছে। এতে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।অনুমতি ছাড়া ট্রাম্পের প্রচারে নিজের গান ব্যবহারের অভিযোগে এটি নিল ইয়ংয়ের দ্বিতীয় মামলা। এর আগে ২০২০ সালেও একই ধরনের অভিযোগে মামলা করেছিলেন তিনি। পরে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়। তবে নতুন মামলায় ইয়ংয়ের দাবি, আগের সমঝোতার শর্ত ভেঙে আবারও তাঁর গান ব্যবহার করা হচ্ছে।নিল ইয়ংয়ের মতে, গানটির বক্তব্য ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত এই গানটি মূলত একটি প্রতিবাদী সংগীত। এতে মার্কিন রাজনীতির প্রতিশ্রুতির সঙ্গে দরিদ্র, গৃহহীন ও সমাজের অবহেলিত মানুষের বাস্তব জীবনের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গানটির কথায় রাস্তায় বেঁচে থাকা মানুষের জীবনের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, ‘সংক্ষেপে, গানটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প যা কিছুর প্রতিনিধিত্ব করেন, তার সম্পূর্ণ বিপরীত।’ ভ্যারাইটি জানিয়েছে, সোমবার ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন জেলা আদালতে ট্রাম্প ৪৭ কমিটির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ইয়ং। মামলায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ অক্টোবর ওহাইওর ইয়ংস্টাউনে ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে গানটি বাজানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত অন্যান্য সমাবেশেও গানটির রেকর্ডিং ‘অসংখ্যবার’ বাজানো হয়েছে। ইয়ংয়ের আইনজীবীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনসমক্ষে গানটির আরও ব্যবহার বন্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন। পাশাপাশি ইতিমধ্যে গানটি ব্যবহারের জন্য ১ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন তাঁরা। মামলায় বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্প এখন এবং চলতি বছরের সব সমাবেশের সময় ব্যক্তিগতভাবে জানতেন যে সমাবেশে গানটি বাজানোর জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন। তিনি এটাও জানতেন যে ইয়ং সেই প্রয়োজনীয় লাইসেন্স দেননি এবং দিতেও রাজি হবেন না।’ সূত্র: ভ্যারাইটি

বারবার প্রস্রাবের সংক্রমণ? কিডনির সুস্থতায় ৩ যোগাসন

মূত্রনালির সংক্রমণ হলে বারবার প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ কিংবা তলপেটে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখেন, আবার কেউ কেউ পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। এসব অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কিডনির সুস্থতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান, সময়মতো প্রস্রাব করা এবং পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জীবনযাপনে যত্ন নেওয়া জরুরি। যোগাসন শরীরচর্চার একটি উপায়। নিয়মিত যোগাভ্যাস শরীরের নমনীয়তা ও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক করে। তবে মনে রাখা দরকার, কোনও যোগাসনই মূত্রনালির সংক্রমণ সারানোর বা কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। এ ধরনের সমস্যা কমাতে দৈনন্দিন অভ্যাসের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই আসনটি করতে প্রথমে ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা সোজা রাখুন এবং হাত শরীরের দুপাশে রাখুন। এরপর পা দুটি মুড়ে পদ্মাসনের ভঙ্গি তৈরি করুন। ডান পা বাঁ ঊরুর উপর এবং বাঁ পা ডান ঊরুর উপর রাখুন। ধীরে ধীরে পিঠ সামান্য তুলে শরীরকে ধনুকের মতো বাঁকানোর চেষ্টা করুন। স্বাচ্ছন্দ্য থাকলে হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। ঘাড়, পিঠ বা হাঁটুতে অস্বস্তি হলে জোর করে এই ভঙ্গি করবেন না। বিপরীত নমস্কার বদ্ধ কোণাসন ম্যাটের উপর পিঠ সোজা করে বসুন। দুই হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। এরপর দুই হাত পিঠের পিছনে নিয়ে গিয়ে নমস্কারের ভঙ্গি করার চেষ্টা করুন। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে শরীর সামনের দিকে ঝোঁকাতে পারেন, তবে যতটা সম্ভব স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখুন। মাথা মাটিতে ঠেকানোর জন্য জোর করবেন না। এই ভঙ্গিতে অসুবিধা হলে সোজা হয়ে বসে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়াই ভালো। পিঠ, হাঁটু বা কাঁধে সমস্যা থাকলে আগে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। নৌকাসন করতে প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের উপরের অংশ ও পা মাটি থেকে তুলুন। হাত সামনের দিকে বাড়িয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন। শরীরের ভঙ্গি নৌকার মতো হলে কয়েক সেকেন্ড থাকুন। তারপর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। শুরুতে অল্প সময় ধরে অভ্যাস করুন এবং শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী সময় বাড়ান। কোমর বা পিঠে ব্যথা থাকলে এই আসন করার আগে চিকিৎসক বা প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। মূত্রনালির সংক্রমণ ও কিডনির পাথর এড়াতে কী করবেন? পর্যাপ্ত পানি পান করুন, দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখবেন না এবং শৌচাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। তবে কতটা পানি পান করা প্রয়োজন, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। বিশেষ করে কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে যাদের পানি পানের পরিমাণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে, তারা চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলুন। মূত্রনালির সংক্রমণ বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সংক্রমণ সাধারণত নিজে থেকেই কিডনিতে পাথর তৈরি করে না। তবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাব, জ্বর, কাঁপুনি, কোমর বা পিঠের এক পাশে ব্যথা কিংবা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা বা বমি হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় শফিউল্লাহর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় শফিউল্লাহর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় শফিউল্লাহ (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার(২৮ অক্টোবর)  দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্ত শফিউল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর দক্ষিণপাড়ার মৃত জালাল উদ্দীনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর শফিউল্লাহর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। প্রতিটি অ্যাম্পুলে ২ মিলিলিটার করে মোট ৪৪ মিলিলিটার ইনজেকশনের আনুমানিক মূল্য ছিল ৬ হাজার ৬০০ টাকা। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় দেন।রায়ের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর সাঈদ মাহমুদ শামীম রেজা ডালিম বলেন, এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। মাদকের বিস্তার রোধে এ রায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা এ মামলার রায়কে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাষ্ট্রপক্ষ।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream