রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

রাজধানীতে যানজট নিরসনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে অনেক দিনের তীব্র যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।বৈঠকে ঢাকা মহানগরীর বর্তমান যানজট পরিস্থিতি, ফ্লাইওভার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস ও অবৈধ পার্কিং নিয়ে বিষদ আলোচনা শেষে বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।শহরজুড়ে সব এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত টোল আদায়ের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি পরিচালনার জন্য একটি নতুন অ্যাপ তৈরির নির্দেশ দিয়ে আগামী ৪ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় ঢাকার ওপর থেকে আন্তঃজেলা বাসের চাপ কমাতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণের আগপর্যন্ত আগামী ৪ মাসের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল তৈরি করা হবে।গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি শহরের কেন্দ্রস্থলে যানজট কমানোর লক্ষ্যে কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যবাহী কিচেন মার্কেটটি সরিয়ে গাবতলীতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই পয়েন্টের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে বুয়েটের প্রস্তুতকৃত আগের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত ও সাধারণ অটোরিকশা চলাচলে সুনির্দিষ্ট ও পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।সচিবালয়ের আশপাশে যানজট কমাতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণকে পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা এবং অন্যান্য বিকল্প স্থান অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন।

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার মানুষের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়ে থাকবে।শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।আবেগঘন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যাদের স্মরণ করা হচ্ছে, তাদের অনেকেরই এই মুহূর্তে আমাদের মাঝে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব মানুষ আজ নিখোঁজ বা আমাদের মাঝে নেই, তাদের অবস্থান একমাত্র মহান আল্লাহই জানেন। তাদের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন বা গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে।তিনি বলেন, বাস্তবতার কারণে সব প্রত্যাশা দ্রুত পূরণ করা সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সরকার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাবে না এবং সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের ত্যাগই বর্তমান সরকারের কাজের অন্যতম শক্তি ও প্রেরণা। সরকার এসব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ঠিকই, তবে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতাই সরকারকে আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করার সাহস জোগাচ্ছে।দেশ ও জাতিকে নিয়ে শহীদ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আত্মত্যাগী মানুষদের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণে সবার সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার শিল্পকারখানায় বাড়ছে ভোলার গ্যাসের চাহিদা

ঢাকা ও আশপাশের শিল্পকারখানায় ভোলার গ্যাসের ব্যবহার বাড়ছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে সিএনজি আকারে ট্যাংকারে করে প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ ঘনফুট গ্যাস রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৩০টি শিল্পকারখানায় এই গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকো রিফিউলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনায় ভোলার গ্যাস সিএনজিতে রূপান্তর করে বিশেষ ট্যাংকারে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। পরে সেখানে ডিকম্প্রেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাস শিল্পকারখানায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭টি কাভার্ড ট্যাংকার ভোলা থেকে গ্যাস নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি অনুযায়ী দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ট্যাংকারের স্বল্পতা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো সেই পরিমাণ গ্যাস পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না।সুন্দরবন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে প্রতিদিন ২ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সিএনজি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এক মাস ধরে নিয়মিতভাবে এই প্রক্রিয়ায় গ্যাস পরিবহন করা হচ্ছে।ইন্ট্রাকোর দাবি, বর্তমানে তাদের ৩৪টি কাভার্ড ট্যাংকার গ্যাস পরিবহন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭টি ট্যাংকার ভোলা থেকে গ্যাস নিয়ে ঢাকায় যায় এবং গ্যাস খালাসের পর আবার ফিরে আসে। তবে স্থানীয় গ্যাস আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, ভোলা থেকে গ্যাস নেওয়ার পরিমাণ সম্প্রতি বাড়ানো হলেও স্থানীয় মানুষের আবাসিক গ্যাস সংযোগের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।ইন্ট্রাকোর তথ্য অনুযায়ী, ভোলার গ্যাস বর্তমানে এসিআই সল্ট, আকিজ টেক্সটাইল, স্কয়ার নিট কম্পোজিট, ফকির ফ্যাশন, এনজেড গ্রুপ, বেক্সিমকো, গোমতি টেক্সটাইল, আসওয়াদ কম্পোজিট মিলস, আরকে নিট ও প্রতীক সিরামিকসসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হচ্ছে। নতুন করে আরও ১৪টি প্রতিষ্ঠান এই গ্যাস নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ১৭ টাকায় কিনে শিল্পকারখানার কাছে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ভোলার গ্যাস পরিবহন ও সরবরাহ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে চুক্তির শর্ত নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ এই চুক্তিকে অসম বলে দাবি করেছে।এদিকে গ্যাসভর্তি ট্যাংকার পরিবহনেও নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন যাত্রীবাহী ফেরিতে একাধিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ভোলা থেকে পরিবহন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ইন্ট্রাকোর দাবি, তাদের ব্যবহৃত ট্যাংকারগুলো বিস্ফোরক আইনের আওতায় অনুমোদিত এবং এসব যানেই গ্যাস পরিবহনের বৈধ সনদ রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্যাংকারের সংখ্যা বাড়ানো গেলে ঢাকার শিল্পকারখানায় ভোলার আরও বেশি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের যে লক্ষ্য ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথ পেয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাস্তবতার কারণে সব সময় মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিটি কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। তবে সরকার তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসবে না। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার বদ্ধপরিকর।নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার পরিবারগুলোর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করা মানুষদের পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনে সরকার সচেষ্ট থাকবে।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে গুম ও হত্যাকাণ্ডের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ১০টি পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রাতে খুলে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

রাতে খুলে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

রিপন মারমা কাপ্তাই (রাঙামাটি) পাহাড়ী ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার রাত ১০টায় কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খোলার কথা থাকলেও তা ২ ঘন্টা আগেই খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত ৮টায় কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কতৃপক্ষ বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দিয়েছে। এতে করে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে।এর আগে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান সাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কাপ্তাই বাঁধের পানি ছাড়ার সিন্ধান্তের  বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তিনি এসময় বিজ্ঞপ্তিতে লিখেন বর্তমানে হ্রদের উচ্চতা, ইনফ্লো ও বৃষ্টিপাতসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৃষ্টিপাত, পানির উচ্চতা এবং ইনফ্লো'র তারতম্যের ওপর নির্ভর করে স্পিলওয়ে গেট খোলার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে। উল্লেখ্য যে, বর্তমানে ৫ (পাঁচ) টি ইউনিটের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ফলে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।এদিকে কাপ্তাই হ্রদের পানি ছাড়া হলেও এর তেমন প্রভাব কর্ণফুলী নদীতে পড়বেনা বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কতৃপক্ষ। তবে কর্ণফুলী নদীর জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পেলে তীরবর্তী বা নিম্মাঞ্চলে বসবাসরতদের নিরাপদে থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

১০ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে যানজট নিরসনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে যানজট নিরসনের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীতে অনেক দিনের তীব্র যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং গণপরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।বৈঠকে ঢাকা মহানগরীর বর্তমান যানজট পরিস্থিতি, ফ্লাইওভার ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ, বাস টার্মিনাল পুনর্বিন্যাস ও অবৈধ পার্কিং নিয়ে বিষদ আলোচনা শেষে বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।শহরজুড়ে সব এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভারের টোল প্লাজাগুলোতে দ্রুত টোল আদায়ের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি পরিচালনার জন্য একটি নতুন অ্যাপ তৈরির নির্দেশ দিয়ে আগামী ৪ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ করার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।কেন্দ্রীয় ঢাকার ওপর থেকে আন্তঃজেলা বাসের চাপ কমাতে ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্থায়ী টার্মিনাল নির্মাণের আগপর্যন্ত আগামী ৪ মাসের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পের ১৫ একর জমিতে একটি অস্থায়ী বাস টার্মিনাল তৈরি করা হবে।গাবতলী বাস টার্মিনালের পেছনের অংশ সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি শহরের কেন্দ্রস্থলে যানজট কমানোর লক্ষ্যে কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যবাহী কিচেন মার্কেটটি সরিয়ে গাবতলীতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই পয়েন্টের দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে বুয়েটের প্রস্তুতকৃত আগের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত ও সাধারণ অটোরিকশা চলাচলে সুনির্দিষ্ট ও পৃথক নীতিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।সচিবালয়ের আশপাশে যানজট কমাতে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণকে পার্কিং হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা এবং অন্যান্য বিকল্প স্থান অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালামসহ বিভিন্ন সেবা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন।

১৩ ঘন্টা আগে
মক্কা চুক্তি ও ভারত প্রসঙ্গ নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

মক্কা চুক্তি ও ভারত প্রসঙ্গ নিয়ে যা বললেন আইনমন্ত্রী

মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশ যুক্ত হবে কি না, সে বিষয়ে সবকিছু পর্যালোচনা ও বিবেচনা করেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহ কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি দেশই নিজস্ব পররাষ্ট্রনীতির আলোকে সিদ্ধান্ত নেবে ও কার্যক্রম পরিচালনা করবে। ভারত তাদের নীতি অনুসরণ করবে, আর বাংলাদেশ চলবে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে।দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার এ পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, সেটিই মুখ্য বিষয় নয়। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে সরকার নিয়মিত ও নিরলসভাবে কাজ করছে।বিচার বিভাগকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানান, ই-জুডিশিয়ারি বাস্তবায়নে সরকার ও আইন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। আগামী এক বছরের মধ্যে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস এবং শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ ঘন্টা আগে
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার মানুষের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়ে থাকবে।শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের ৭৪ সদস্যের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।আবেগঘন বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যাদের স্মরণ করা হচ্ছে, তাদের অনেকেরই এই মুহূর্তে আমাদের মাঝে থাকার কথা ছিল। কিন্তু তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশের মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব মানুষ আজ নিখোঁজ বা আমাদের মাঝে নেই, তাদের অবস্থান একমাত্র মহান আল্লাহই জানেন। তাদের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান তিনি।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন সময়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন বা গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাবে।তিনি বলেন, বাস্তবতার কারণে সব প্রত্যাশা দ্রুত পূরণ করা সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। তবে সরকার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে যাবে না এবং সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।ক্ষতিগ্রস্ত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের ত্যাগই বর্তমান সরকারের কাজের অন্যতম শক্তি ও প্রেরণা। সরকার এসব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ঠিকই, তবে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতাই সরকারকে আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করার সাহস জোগাচ্ছে।দেশ ও জাতিকে নিয়ে শহীদ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আত্মত্যাগী মানুষদের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণে সবার সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতির কথা তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ ঘন্টা আগে
হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও নানা অনিয়ম দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে আকস্মিকভাবে হাসপাতালে উপস্থিত হন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি চিকিৎসাসেবার মান, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, ওষুধ বিতরণ ব্যবস্থা, রোগীদের খাবারের মান এবং চিকিৎসক সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ নেন।মন্ত্রী হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হন। হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনার অবস্থা দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

১৫ ঘন্টা আগে
বিএনপি আত্মসমর্পণ করার দল না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বিএনপি আত্মসমর্পণ করার দল না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

বিএনপি কখনো দেশ ছেড়ে যায়নি এবং আত্মসমর্পণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।জাহিদ হোসেন বলেন, অনেকেই মনে করেন বিএনপিকে ধাক্কা দিলেই দলটি রাজনীতি থেকে সরে যাবে। অতীতেও বিএনপিকে নিয়ে এমন নানা কথা বলা হয়েছে। যারা একসময় বলেছিলেন, বিএনপিকে ১০ দিনও ক্ষমতায় থাকতে দেওয়া হবে না, তারাই এখন দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া কখনো আত্মসমর্পণ বা আপসের পথ বেছে নেননি। জনগণকে একা ফেলে তারা কখনো দেশ ছেড়ে যাননি বলেও দাবি করেন তিনি।সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি জনগণের দল এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। ভয়ভীতি বা চোখ রাঙিয়ে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।যারা বিএনপিকে হুমকি বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন, তাদের গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলার আহ্বান জানান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্র রক্ষা, পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও তা অব্যাহত রাখার রাজনীতি করে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দলটি প্রস্তুত রয়েছে।

১৬ ঘন্টা আগে
ঢাকার শিল্পকারখানায় বাড়ছে ভোলার গ্যাসের চাহিদা

ঢাকার শিল্পকারখানায় বাড়ছে ভোলার গ্যাসের চাহিদা

ঢাকা ও আশপাশের শিল্পকারখানায় ভোলার গ্যাসের ব্যবহার বাড়ছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে সিএনজি আকারে ট্যাংকারে করে প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ ঘনফুট গ্যাস রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৩০টি শিল্পকারখানায় এই গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্ট্রাকো রিফিউলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনায় ভোলার গ্যাস সিএনজিতে রূপান্তর করে বিশেষ ট্যাংকারে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। পরে সেখানে ডিকম্প্রেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাস শিল্পকারখানায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭টি কাভার্ড ট্যাংকার ভোলা থেকে গ্যাস নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির চুক্তি অনুযায়ী দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে ট্যাংকারের স্বল্পতা এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এখনো সেই পরিমাণ গ্যাস পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না।সুন্দরবন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে প্রতিদিন ২ দশমিক ২ থেকে ২ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সিএনজি করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এক মাস ধরে নিয়মিতভাবে এই প্রক্রিয়ায় গ্যাস পরিবহন করা হচ্ছে।ইন্ট্রাকোর দাবি, বর্তমানে তাদের ৩৪টি কাভার্ড ট্যাংকার গ্যাস পরিবহন কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন ১৬ থেকে ১৭টি ট্যাংকার ভোলা থেকে গ্যাস নিয়ে ঢাকায় যায় এবং গ্যাস খালাসের পর আবার ফিরে আসে। তবে স্থানীয় গ্যাস আন্দোলনের নেতাদের অভিযোগ, ভোলা থেকে গ্যাস নেওয়ার পরিমাণ সম্প্রতি বাড়ানো হলেও স্থানীয় মানুষের আবাসিক গ্যাস সংযোগের দাবি এখনো পূরণ হয়নি।ইন্ট্রাকোর তথ্য অনুযায়ী, ভোলার গ্যাস বর্তমানে এসিআই সল্ট, আকিজ টেক্সটাইল, স্কয়ার নিট কম্পোজিট, ফকির ফ্যাশন, এনজেড গ্রুপ, বেক্সিমকো, গোমতি টেক্সটাইল, আসওয়াদ কম্পোজিট মিলস, আরকে নিট ও প্রতীক সিরামিকসসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হচ্ছে। নতুন করে আরও ১৪টি প্রতিষ্ঠান এই গ্যাস নেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে বলেও জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ১৭ টাকায় কিনে শিল্পকারখানার কাছে ৪৮ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ভোলার গ্যাস পরিবহন ও সরবরাহ নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে চুক্তির শর্ত নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশ এই চুক্তিকে অসম বলে দাবি করেছে।এদিকে গ্যাসভর্তি ট্যাংকার পরিবহনেও নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন যাত্রীবাহী ফেরিতে একাধিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ভোলা থেকে পরিবহন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ইন্ট্রাকোর দাবি, তাদের ব্যবহৃত ট্যাংকারগুলো বিস্ফোরক আইনের আওতায় অনুমোদিত এবং এসব যানেই গ্যাস পরিবহনের বৈধ সনদ রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্যাংকারের সংখ্যা বাড়ানো গেলে ঢাকার শিল্পকারখানায় ভোলার আরও বেশি গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

১৬ ঘন্টা আগে
কবি নজরুলকে ঢাকায় সমাহিত করা হয়েছিল পরিবার ও ভারত সরকারকে না জানিয়েই

কবি নজরুলকে ঢাকায় সমাহিত করা হয়েছিল পরিবার ও ভারত সরকারকে না জানিয়েই

১৯৭৬ সালের ২৯শে আগস্ট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণের ঠিক পরদিন কলকাতার রবীন্দ্র সদনে আয়োজিত স্মারক সভায় উপস্থিত হয়ে গভীর ক্ষোভ ও বিষাদ প্রকাশ করেছিলেন কবির জ্যেষ্ঠ পুত্র কাজী সব্যসাচী এবং ছোট পুত্রবধূ কল্যাণী কাজী। ঢাকা থেকে প্রয়াণের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি রওনা দিয়েও তারা কবিকে শেষ দেখা দেখতে পাননি। কবির দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছান।সেদিন রবীন্দ্র সদনের সভায় বিষণ্ণ হৃদয়ে কাজী সব্যসাচী বারবার বলছিলেন, "মা রইলেন চুরুলিয়ায় আর বাবা রইলেন ঢাকায়। এ আক্ষেপ সারাজীবন থাকবে। ওরা আর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই শেষ দেখা দেখতে পেতাম। দুপুরের প্লেনে আমাদের যাওয়ার খবর জানানোর পরও কীসের এত তাড়াহুড়ো ছিল?"বর্ষীয়ান নজরুল গবেষক বাঁধন সেনগুপ্তের মতে, কবির মরদেহ চুরুলিয়ার জন্মভিটেয় স্ত্রী প্রমীলা দেবীর কবরের পাশে সমাহিত করার ইচ্ছা ছিল তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের। সঙ্গীতশিল্পী সোনালি কাজীও স্মরণ করেন যে, ১৯৬২ সালে প্রমীলা দেবী মৃত্যুর আগে বারবার বলে গিয়েছিলেন, তাঁকে যেন চুরুলিয়াতে দাফন করা হয় কারণ নজরুলও শেষ পর্যন্ত সেখানেই যাবেন। তবে ভারতের চুরুলিয়ায় মরদেহ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তৎকালীন ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কোনো আলোচনা হয়নি।মুজিবুর রহমানের আমন্ত্রণে এবং তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সম্মতিতে কবিকে যখন সাময়িকভাবে ঢাকায় আনা হয়েছিল, তখন কেউ ভাবেনি কবি আর কখনো ভারতে ফিরবেন না। কবির প্রয়াণের পর তাঁকেই স্বাধীন বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকার নিজেই নিয়েছিল।যদিও নজরুলকে আজও ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রীর অনন্য প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে প্রয়াণের পরপরই মরদেহ দাফন ও শেষ দেখার তাড়াহুড়ো কেন্দ্রিক সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাপ্রবাহ দুই দেশের অনুরাগী ও কবিপরিবারের মাঝে গভীর এক আক্ষেপের জন্ম দিয়েছিল।সুত্র: বিবিসি

১৭ ঘন্টা আগে
গুম আইন নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে: হুম্মাম কাদের চৌধুরী

গুম আইন নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে: হুম্মাম কাদের চৌধুরী

গুম প্রতিরোধ আইন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী।শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।হুম্মাম কাদের চৌধুরী বলেন, গুম প্রতিরোধ আইনে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা বাহিনীকে সেই অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। ফলে আইনটি নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সেমিনারে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ গুম প্রতিরোধ আইন ও মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠনের প্রস্তাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, এসব বিষয়ে আরও স্পষ্টতা প্রয়োজন। গুম, খুন ও মানবাধিকার সংক্রান্ত আইনগুলো নতুন করে পর্যালোচনা ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটও গুরুত্ব পায়। বক্তারা বলেন, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় অংশ মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। সীমান্তে মাদক পাচার, মানবপাচার ও অনলাইন প্রতারণার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দলগুলো সম্মিলিতভাবে অবস্থান নিলে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব বলে তারা মত দেন।

১৭ ঘন্টা আগে
খাদ্যগুদামে অনিয়ম-গাফিলতি পেলেই ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যগুদামে অনিয়ম-গাফিলতি পেলেই ব্যবস্থা: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা দায়িত্বে গাফিলতি বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেছেন, দেশের খাদ্যগুদাম ও সরবরাহ ব্যবস্থার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে। অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। দুর্যোগ বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রাখতে হবে। একই সঙ্গে নিরাপদ খাদ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।তিনি জানান, এ লক্ষ্যেই সারা দেশের খাদ্যগুদাম ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজরদারি বাড়ানো হবে। কোথাও অনিয়ম বা দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সার সংকটের কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম রিতা বলেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। তবে সার সরবরাহ ও এর সঠিক ব্যবহার নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় সার ও কৃষি উপকরণ পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে।আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে সার নিয়ে কৃষকদের কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না বলেও আশ্বাস দেন খাদ্যমন্ত্রী।নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করাকে সরকারের বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই। তাই নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে মজুত ও সরবরাহ পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।এর আগে প্রয়াত পিতা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর স্মরণে আয়োজিত একটি বিনামূল্যের মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে ধানকোড়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে তাকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম থেকে জাগীর মেঘশিমুল পর্যন্ত কার্পেটিং সড়কের উদ্বোধন করেন তিনি।

১৮ ঘন্টা আগে
২৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে মনে করেন কি?

দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে। এতে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে মনে করেন কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সংসদ অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের পদযাত্রা রোববার, স্পিকারকে স্মারকলিপি দেবে জোট

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা ও স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় জোটের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার (৩০ আগস্ট) ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি’র উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৩টায় রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারের সামনে থেকে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু হবে। পরবর্তীতে মিছিলটি জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হবে এবং জোটের প্রতিনিধিদল স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করবে।বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির ঘোষিত এই কর্মসূচিতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। কর্মসূচিটি সফল করতে জোটের সর্বস্তরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ দেশবাসীকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির অভিযোগে অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় কোনো সত্যতা পায়নি পুলিশ। সম্প্রতি পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।মামলার বাদী ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফারযাহ সানায়া চৌধুরী পিবিআইয়ের এই তদন্ত প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিজ্ঞ আদালতে নারাজির আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতউল্লাহর আদালতে প্রতিবেদনটির ওপর শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।মামলার বিবরণ ও তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর শোরুম থেকে একটি শাড়ি নেওয়ার পর তা ফেরত না দেওয়া ও পরবর্তীতে মেসেঞ্জারে কথা-কাটাকাটি ও হুমকির অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে মামলাটি করেন সানায়া। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।তদন্ত প্রতিবেদনে পিবিআই উল্লেখ করে, বাদী ও বিবাদীর মধ্যে দীর্ঘদিনের পেশাগত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তিশার সাবেক ড্রাইভারের মাধ্যমে শাড়িটি নেওয়া হলেও তিশা ভুলবশত বিষয়টি ভুলে যান এবং সাবেক ড্রাইভার তা যথাসময়ে ফেরত দেয়নি। পরবর্তীতে জিডি ও মামলার পর ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ বিবাদী ডাকযোগে শাড়িটি ফেরত পাঠান। এছাড়া তাদের মেসেঞ্জারের কথোপকথন বিশ্লেষণ করে কোনো হুমকি দেওয়ার প্রমাণ মেলেনি; বরং শেষ মেসেজে তিশা বাদীর সুন্দর জীবন কামনা করেছেন। সার্বিক তদন্তে তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বাদী সানায়া চৌধুরী বলেন, "আমি হুমকি ও প্রতারণার সব অডিও রেকর্ড ও প্রমাণ পুলিশকে দিয়েছিলাম। কিন্তু অজানা কারণে পিবিআই অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে রিপোর্ট দিয়েছে। আমি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি, তাই আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেব।"উল্লেখ্য, ডিবির তদন্তে তিশার বিরুদ্ধে অপর একটি পোশাক সংক্রান্ত মামলার সত্যতা মেলায় এই মামলায় পিবিআইয়ের মিথ্যা রিপোর্ট দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই ফ্যাশন ডিজাইনার।

রাতে আপেল চা কেন পান করবেন?

এক কাপ গরম আপেল চা যদি আপনার রাতের ঘুম শান্ত করে এবং দিনের শুরু বা শেষের মুহূর্তটি আরামদায়ক করে তোলে, তবে বিষয়টি দারুণ হয় না! অনেকে রাতে ঘুমানোর আগে এক কাপ সাধারণ চা বা কফি পান করতে চান। কিন্তু অতিরিক্ত ক্যাফেইন রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। যাঁরা একটু ভিন্ন স্বাদ ও স্বাস্থ্যকর পানীয় দিয়ে দিনের ক্লান্তি মেটাতে চান, তাঁদের জন্য হালকা গরম আপেল চা বা সিডার টি হতে পারে চমৎকার একটি বিকল্প। আপেলে থাকা কার্বোহাইড্রেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশ কম এবং এটি আঁশসমৃদ্ধ। কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত খাবার রক্তে শর্করার পরিমাণ হঠাৎ বাড়ায় না। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে তা ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়তা করে। ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্টের তুলনায় আপেলের মেলাটোনিন খুব নগণ্য। ভিটামিন সি দেহের কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং প্রদাহ কমায়। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কম থাকলে পরোক্ষভাবে তা ভালো ঘুমে সহায়তা করতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, কাঁচা আপেল খাওয়ার চেয়ে হালকা গরম আপেল চা বা সেদ্ধ আপেলের পানি পাকস্থলীর জন্য সহজে হজমযোগ্য। রাতে গরম তরল পান করার ফলে শরীর ও মন শান্ত হয়, যা ঘুমানোর পরিবেশ তৈরি করে। আপেলের সঙ্গে দারুচিনি, আদা বা অন্যান্য ভেষজ উপাদান মিশিয়ে চা তৈরি করলে এর স্বাদ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। দারুচিনি: রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায়। আদা: পেটের অস্বস্তি, বমি ভাব কমায় এবং হজমপ্রক্রিয়া দ্রুত করতে সাহায্য করে। হলুদ: শরীরের প্রদাহ কমায় এবং জয়েন্টের ব্যথা উপশমে সাহায্য করে। রসুন ও কায়েন মরিচ: রক্তনালি নমনীয় রেখে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে ও ব্যথা কমাতে কার্যকর। আপেল-দারুচিনি ভেষজ চা আপেল-দারুচিনি ভেষজ চা তৈরি করতে চাইলে প্রয়োজন ২টি আপেল, পরিমাণমতো পানি, ৪ চা-চামচ লিকার, ২টি দারুচিনি ও সামান্য মধু। প্রথমে একটি পাত্রে খোসা ছাড়িয়ে ছোট টুকরা করা আপেল নিন। এরপর এতে পানি, দারুচিনি এবং চা একসঙ্গে মিশিয়ে মৃদু আঁচে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ফোটান। পানি কমে এলে ছেঁকে কাপে ঢালুন। ইচ্ছে হলে সামান্য মধু মিশিয়ে রাতে হালকা গরম-গরম পরিবেশন করুন। এর জন্য প্রয়োজন টুকরা করে কাটা ৪টি আপেল, ১ ইঞ্চি আদা কুচি করা, ৪টি এলাচি, ২টি দারুচিনি, ৪ চা-চামচ গ্রিন টি ও ৪৫০ মিলি পানি। প্রথমে একটি পাত্রে আপেল, আদা, এলাচি, দারুচিনি ও পানি দিয়ে ১৫ মিনিট হালকা আঁচে সেদ্ধ করুন। চুলা থেকে নামিয়ে ৫ মিনিট ঠান্ডা হতে দিন। এরপর এতে গ্রিন টি দিয়ে ৩ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। ভালো করে ছেঁকে নিন। এটি সকাল বা বিকেলের সতেজতায় পান করতে পারেন। সূত্র: হেলথ লাইন

কালীগঞ্জে শ্বশুরকে হত্যা করে থানায় গিয়ে দায় স্বীকার করলো জামাই

কালীগঞ্জে শ্বশুরকে হত্যা করে থানায় গিয়ে দায় স্বীকার করলো জামাই

গাজীপুরের কালীগঞ্জে কুড়ালের কোপে মজিদ মোড়ল (৭০) নামের এক কলা ব্যবসায়ী শ^শুরকে হত্যা করে থানায় হাজির হয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছে অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক ওরফে মুজা সরকার (৩৫)। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও মামলার এজাহার এবং নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে উপজেলার জামালপুর এলাকার বাসিন্দা কলা ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ মোড়লের মেয়ে শাহানারা বেগমের (২৮) সঙ্গে একই এলাকার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মৃত নোয়াব আলী সরকারের ছেলে মোজাম্মেল হক ওরফে মুজা সরকারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। অভিযোগ আছে, বিয়ের পর থেকেই মোজাম্মেল শ^শুর বাড়ী থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রীর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। কলা বিক্রি করে সংসার চালানো পিতা আব্দুল মজিদ মোড়লের পক্ষে সব সময় মোজাম্মেলের দাবি মেটানো সম্ভব হতো না। আর তার জের হিসেবে প্রায়ই শাহনারা বেগমকে মারধরের শিকার হতে হতো। প্রায় ১৫ দিন আগে মোজাম্মেল মারধর করে শাহানারাকে বাড়ী থেকে বের করে দেন। তারপর থেকে শাহানারা বাবার বাড়ীতে আছেন। স্বামীর অত্যাচারে শাহানারা তার সংসারে না ফেরার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ছিলেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো. মাসুদ রানা শামিম জানায়, শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে প্রতিদিনের মতো বাড়ী থেকে জামালপুর বাজারের উদ্দেশে রওনা হন মজিদ মোড়ল। বেলা সাড়ে চারটার দিকে বাজারের ভাঙ্গারি পট্টি গলিতে ইলিয়াসের দোকানের সামনে দিয়ে মাথায় কলার ছড়া নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো কুড়াল দিয়ে মোজাম্মেল তার শ^শুর আব্দুল মজিদ মোড়লের মাথায় কোপ দেন। এতে গুরুতর জখম হন মজিদ মোড়ল। পরে স্থানীয়রা আব্দুল মজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডা. মো. জিয়াউর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই নিহতের ছেলে মো. লিটন মোড়ল (২৬) বাদী হয়ে মোজাম্মেল হককে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন {মামলা নং ২৪(৮)২৬}। মামলার পর অভিযুক্ত মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তারে রাতভর অভিযান চালায় পুলিশ। শনিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল ১০টার দিকে মোজাম্মেল নিজেই থানায় হাজির হয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন।কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream