শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

৭ মাসে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ

জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে সারাদেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশি তৎপরতায় ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশু উদ্ধার হয়েছে বা নিজ নিজ পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) পুলিশ সদরদপ্তর থেকে পাঠানো এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশের ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজের সংবাদটি অসম্পূর্ণভাবে পরিবেশিত হয়েছিল। কতজন শিশু উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে, সেই তথ্য উল্লেখ না থাকায় জনমনে একধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই স্থানীয় থানার তথ্য যাচাই-বাছাই করে এই পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।০ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশু: এই বয়সভিত্তিক শিশু নিখোঁজের ঘটনায় মোট ৪৭৪টি জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ৬৮ জন শিশু এখনো উদ্ধার হয়নি। সাধারণত পরিবারের সাথে বাইরে গিয়ে পথ ভুল করা, নিজেদের ঠিকানা বলতে না পারা কিংবা ভুল করে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার কারণে এরা নিখোঁজ হয়।১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোর: এই বয়সে মোট ১৫,২৪৩টি নিখোঁজের জিডি জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১৩,২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, আর ১,৯৭০ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। এই বয়সী কিশোর-কিশোরীদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে প্রধানত অভিমান, পড়াশোনার চাপ, অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার ভয়, স্বাধীনভাবে বা বাঁকা পথে জীবনযাপনের ইচ্ছা, পারিবারিক কলহ ও বন্ধুদের প্রভাব ভূমিকা রাখে।পুলিশ সদরদপ্তর আরও জানায়, বর্তমানে অনলাইনেই সহজ উপায়ে জিডি (Online GD) করার সুবিধা চালুর ফলে নিবন্ধিত জিডির সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারাদেশে ২০২৩ সালে নিখোঁজের জিডি হয়েছিল ১৭,৮০৮টি, ২০২৪ সালে ১৬,৪১৪টি এবং ২০২৫ সালে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডি হয়েছিল ২২,৫৫০টি। বর্তমানে অবশিষ্ট ২,০৩৮ জন নিখোঁজ শিশুকে দ্রুত উদ্ধার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে / হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৪১টি ব্যাংকের সিএসআর (Corporate Social Responsibility) তহবিল থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।পাওয়ার ও আইনের অপব্যবহার: আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২-এর আওতায় গঠিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ (যেখানে শেখ হাসিনা সভাপতি ও শেখ রেহানা সহসভাপতি ছিলেন)-এর নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে জোরপূর্বক বা প্রভাব খাটিয়ে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছেন।সিএসআর নীতিমালার লঙ্ঘন: বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের সার্কুলার এবং ২০২২ সালের সিএসআর গাইডলাইন অনুযায়ী, এ ধরনের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ট্রাস্টে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অনুদান দেওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই।ভুয়া ট্রাস্ট ও অনিয়ম: দুদকের সরজমিন অনুসন্ধানে ওই ট্রাস্টের প্রদত্ত ঠিকানায় কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর বা এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অনুমোদিত নয় এবং তাদের প্রতিশ্রুত কার্যক্রমের কোনো বাস্তবায়নও পাওয়া যায়নি।নজরুল ইসলাম মজুমদারের ভূমিকা: ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তৎকালীন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার এজেন্ডাবহির্ভূত থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ শিরোনামে এই অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং কোন ব্যাংক কত টাকা দেবে তা চিঠি দিয়ে নির্দিষ্ট করে দিতে বাধ্য করেন।দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মূলত 'ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে' প্রভাব বিস্তার করে এ বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মাদারীপুরে পিকআপ উল্টে পুলিশ সদস্য নিহত, আহত ১০

মাদারীপুরে সড়কের পাশে থাকা এক শিশু ও তার বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেছে। এতে গাড়ির নিচে চাপা পড়ে আবদুস সালাম (৪০) নামের এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের পখিরা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত আবদুস সালাম কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার পশ্চিম চর করমশি গ্রামের আবদুল বারেক ভূইয়ার ছেলে। তিনি মাদারীপুরের শিবচর থানায় কর্মরত ছিলেন।পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিবচর থানার একটি পুলিশবাহী পিকআপ ভ্যান মাদারীপুর আদালতে আসামি পৌঁছে দিয়ে শিবচরের দিকে ফিরছিল। পখিরা এলাকায় পৌঁছালে সড়কে সাত বছর বয়সী শিশু ইমা আক্তার ও তার বাবা ইব্রাহিম সরদার (৩০) অবস্থান করছিলেন।এ সময় তাদের সাইড দিতে গিয়ে পিকআপ ভ্যানের চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। মুহূর্তের মধ্যে পুলিশের গাড়িটি সড়কের পাশে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার সময় গাড়ির নিচে চাপা পড়ে পুলিশ সদস্য আবদুস সালাম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে।দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান।দুর্ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য এবং শিশু ইমা আক্তার ও তার বাবা ইব্রাহিম সরদারসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চার পুলিশ সদস্যের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য আহতদের মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করা হয়।মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, একটি শিশু ও তার বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে পুলিশের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। এতে এক পুলিশ সদস্য নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। বিস্তারিত তদন্তের পর দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।পুলিশ সদস্য আবদুস সালামের মৃত্যুতে সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে সংসদে নতুন তথ্য

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আগের বছরের তুলনায় আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এখন প্রায় পৌনে ১৩ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যের পরিমাণ। এর মধ্যে বাংলাদেশ ভারতে ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। বাকি অংশ ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে। জামায়াতের সংসদ সদস্য আবদুল বাতেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভারতের পাশাপাশি চীনের সঙ্গেও বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। তবে সরকার কোনো একটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আলাদাভাবে না দেখে সামগ্রিক বাণিজ্য পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে চায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের যেদিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করার দরকার, সেটি হচ্ছে আমাদের ওভারঅল এক্সপোর্টের অ্যাবিলিটি বাড়ানো দরকার।’ রপ্তানি বাড়াতে সরকার চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল ও সেমিকন্ডাক্টরসহ কয়েকটি খাত চিহ্নিত করেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এসব খাতের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে নীতি সহায়তা দেওয়া এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। যেসব খাত এখনও রপ্তানির উপযোগী পর্যায়ে পৌঁছায়নি, সেগুলোকেও সেই পর্যায়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ভারতের দিক থেকে কিছু বাধা থাকার পাশাপাশি গত দুই বছরে বাংলাদেশের দিক থেকেও কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান। সম্প্রতি ভারতের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের কথাও সংসদে তুলে ধরেন মুক্তাদির। তিনি বলেন, ওই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মিলে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। সরকার এ প্রস্তাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তিনি বলেন, এভাবে সমন্বিতভাবে আমরা বিভিন্ন চেষ্টা করছি, যাতে আগামী দিনে আমাদের রপ্তানি অধিকতর বৃদ্ধি করা যায় ভারতের ক্ষেত্রে। ভারত থেকে বেশি আমদানির কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, আমদানির বড় অংশ সরকার নয়, বেসরকারি খাত করে। ব্যবসায়ীরা যে উৎস থেকে প্রতিযোগিতামূলক কম দামে পণ্য পান, সেখান থেকেই আমদানি করেন। তিনি বলেন, সুতরাং উৎস হিসেবে যদিও এখানে ভারত একটি দেশের ক্ষেত্রেই ব্যবধানটা এত বেশি, কিন্তু যারা আমদানি করেন, তারা তাদের সুবিধা বিবেচনায় নিয়েই সেখান থেকে আমদানি করেন। বিএনপির সংসদ সদস্য লুৎফর রহমানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির তথ্য তুলে ধরেন। মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭ হাজার ৩১৩ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৬৯৮ দশমিক ৬০ মিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৭ হাজার ৭১৬ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৪৩০ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ৭ হাজার ৮৫৯ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই স্ট্রোক ইঞ্জিনবিশিষ্ট থ্রি-হুইলার যানবাহন (টেম্পু, অটোরিকশা ইত্যাদি) (এইচএস হেডিং ৮৭.০৩-এর সংশ্লিষ্ট সব এইচএস কোড) আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ অনুযায়ী আমদানিনিষিদ্ধ। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উৎপাদন শিল্পকে সহায়তার জন্য যন্ত্রাংশ আমদানি করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্যার প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এআরটি চুক্তি করার ফলে বাংলাদেশ তার প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় দেশটির বাজারে রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে।

মাদককে না বলুন, পাহাড়কে বাঁচান: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

মাদককে না বলুন, পাহাড়কে বাঁচান: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা নিয়ে আজ বান্দরবান উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটে জনসমুদ্রে পরিণত হলো সুধী সমাবেশ। পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে মাদকের ছোবল রুখতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দিলেন মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব ব্যারিস্টার মীর হেলাল।আজ বৃহস্পতিবার ৩টায় ইনস্টিটিউটের মূল মিলনায়তনে আয়োজিত এই সমাবেশে পাহাড়ের ১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, আলেম-ওলামা, যুবক ও নারীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো হল কানায় কানায় পূর্ণ ছিল। “মাদকমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম চাই” স্লোগানে মুখরিত ছিল চারপাশ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন,  “মাদক শুধু একজন যুবককে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার, একটি সমাজ, একটি প্রজন্মকে শেষ করে দেয়। পাহাড়ের শান্তি, সম্প্রীতি আর সংস্কৃতিকে যে মাদক গিলে খেতে চায়, আমরা তাকে এক ইঞ্চিও জায়গা ছাড়ব না।তিনি আরও বলেন, সরকার এখন থেকে স্কুল-কলেজ, পাড়া-মহল্লায় মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করবে। পাশাপাশি যারা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং যারা ভুল করে ফিরে আসতে চায় তাদের জন্য থাকবে পূনর্বাসনের সুযোগ।“পাহাড়ের মাটি, পাহাড়ের মানুষ, পাহাড়ের ঐতিহ্য — এগুলোই আমাদের গর্ব। এই গর্বকে আমরা মাদকের কাছে বিক্রি হতে দেব না” — তার এই ঘোষণায় করতালিতে ফেটে পড়ে পুরো হল।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজাতীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষাবিদরা। সকলেই প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “এই ধরনের কঠোর অবস্থানই এখন সময়ের দাবি।”অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী ইনস্টিটিউটের শিল্পীদের পরিবেশনায় মাদকবিরোধী থিম সং ও নাটক উপভোগ করেন।্সররমাবেশ থেকে ৫ দফা প্রস্তাবনা গৃহীত হয়। এর মধ্যে রয়েছে — প্রতি উপজেলায় মাদক নিরাময় কেন্দ্র, স্কুলে সচেতনতা ক্লাস এবং সীমান্তে চেকপোস্ট জোরদার করা।আজকের এই সমাবেশ শুধু একটি অনুষ্ঠান ছিল না। এটি ছিল পাহাড়ের মানুষের মাদকের বিরুদ্ধে শপথ নেওয়ার দিন। ব্যারিস্টার মীর হেলালের কণ্ঠে সেটাই আবারও স্পষ্ট হলো — “মাদক না, শিক্ষা হ্যাঁ। ধ্বংস না, উন্নয়ন হ্যাঁ।”

১৪ ঘন্টা আগে
সংসদে অঝোরে কাঁদলেন মির্জা আব্বাস

সংসদে অঝোরে কাঁদলেন মির্জা আব্বাস

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। সাড়ে ১৮ বছর পর পবিত্র এই কক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে কাঁদে ফেলেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরুর কিছুক্ষণ পরই তাঁকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।মাইক হাতে নিয়েই আবেগে কেঁদে ফেলা মির্জা আব্বাস বলেন, "একজন সংসদ সদস্য হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের, গর্বের আর কি হতে পারে? নেহাতি আবেগ ও ভালোবাসার কারণেই আজ আমাকে সংসদ ভবনে আসতে হয়েছে। আমার চিকিৎসা এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।"বক্তব্যে নিজের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার আবেগঘন স্মৃতি স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, "আজকের দিনটি আমার রাজনৈতিক জীবনের অত্যন্ত আবেগঘন এবং স্মরণীয় একটি দিন। ২০০৬ সালের পর দীর্ঘ বিরতি শেষে আজ মহান জাতীয় সংসদের এই পবিত্র কক্ষে কথা বলার সুযোগ পেলাম।"দীর্ঘদিন পর প্রবীণ এই নেতার সংসদে আগমন এবং তাঁর আবেগঘন বক্তব্যে এক বিষাদময় ও স্মরণীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয় সংসদ কক্ষে।

১৫ ঘন্টা আগে
আসিফ মাহমুদের আমলের নিয়োগ-পদোন্নতি খতিয়ে দেখছে দুদক

আসিফ মাহমুদের আমলের নিয়োগ-পদোন্নতি খতিয়ে দেখছে দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দায়িত্ব পালনকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির যাবতীয় তথ্য ও নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই সাথে ৩৮ উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথিও চাওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান দলের দলনেতা মো. জাহিদ কালামের সই করা এ-সংক্রান্ত চিঠি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চাওয়া তথ্য ও রেকর্ডপত্র দুদকে পাঠাতে বলা হয়েছে। দুদকের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। চিঠিতে বলা হয়, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্মসচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানে চার সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঁচ ধরনের তথ্য ও নথি চেয়েছে দুদক। এর মধ্যে রয়েছে আসিফ মাহমুদ দায়িত্ব পালনকালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলিসংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র। এ ছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে ও ২০২৬ সালের ১৮ এপ্রিলের স্মারকের ভিত্তিতে বদলিসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চাওয়া হয়েছে। দুদকের চিঠিতে তিনটি স্মারকের ভিত্তিতে ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব প্রদান ও বাতিল এবং পদায়নসংক্রান্ত নথির সত্যায়িত অনুলিপিও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত নথির সত্যায়িত অনুলিপি চেয়েছে অনুসন্ধান দল। দুদকের চাওয়া নথির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান ও সহায়ক রেকর্ডপত্রও পাঠাতে বলা হয়েছে মন্ত্রণালয়কে। এর আগে, গতকাল বুধবার আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরুর কথা জানায় দুদক। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি-বদলির ক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণ এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দরপত্র ও কেনাকাটায় অনিয়ম। দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল ও পদায়নের জন্য ৭৬ লাখ টাকা, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্য ১ কোটি ৫ লাখ টাকা এবং পদোন্নতির পর পছন্দমতো পদায়নের জন্য আরও প্রায় ২ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে চার সদস্যের বিশেষ দল কাজ করছে। তবে আসিফ মাহমুদ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়ে দুদকের বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

১৭ ঘন্টা আগে
উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, পুলিশের মামলা

উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, পুলিশের মামলা

আইন ভঙ্গের অভিযোগে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের পতাকাবাহী গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক বিভাগ।আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ৮ মিনিটের দিকে সার্কিট হাউজ রোড ধরে একটি পতাকাবাহী ‘রেঞ্জ রোভার’ (ঢাকা মেট্রো–ঘ-১৮-২১২৫) সচিবালয়ের দিকে উল্টো পথে যাওয়ার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা এটি থামিয়ে দেন। কাকতালীয়ভাবে, ঠিক সে মুহূর্তেই পাশের সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে সচিবালয়ের দিকে অতিক্রম করছিল।ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি চালক আরিফ হোসেনকে জানিয়ে বেপরোয়া ও উল্টোপথে গাড়ি চালানোর অভিযোগে দুটি পৃথক ধারায় মোট ৬ হাজার টাকা (৩ হাজার + ৩ হাজার) জরিমানা করে মামলা প্রদান করেন। ঘটনার সময় গাড়িতে স্বয়ং মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উপস্থিত ছিলেন।ডিএমপি ট্রাফিক পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যানজট এড়ানো বা দ্রুত চলাচলের জন্য অতীতে প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের গাড়ি উল্টোপথে চালানোর কায়দা দেখা গেলেও, কোনো দায়িত্বরত মন্ত্রীর গাড়িতে সরাসরি উল্টোপথে চলার অপরাধে মামলা হওয়ার ঘটনা দেশে এবারই প্রথম এবং নজিরবিহীন। ট্রাফিক আইনে সবাইকে সমভাবে দেখার কঠোর বার্তা দিতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

১৮ ঘন্টা আগে
ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাংলাদেশ সরকার ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং আইএসডিবি গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল (কান্ট্রি প্রোগ্রামস) আনাসি আইসামি চুক্তিতে সই করেন।প্রকল্পটির আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তৈরি হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।চুক্তি স্বাক্ষর শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএসডিবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের। এ সময় বাংলাদেশ ও আইএসডিবির উন্নয়ন অংশীদারত্ব, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

১৮ ঘন্টা আগে
গণমাধ্যমে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেও শেষ রক্ষা হয়নি: আন্দালিভ পার্থ

গণমাধ্যমে নগ্ন হস্তক্ষেপ করেও শেষ রক্ষা হয়নি: আন্দালিভ পার্থ

অতীতে গণমাধ্যমে ফ্যাসিস্টরা নগ্ন হস্তক্ষেপ করেও শেষ পর্যন্ত নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেছেন, ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন ও মামলা দিয়েও ফ্যাসিস্টরা শেষ পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। আল্লাহ যাদের পছন্দ করেন না, তারা অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করেও নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। ভোলা প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  সাংবাদিকদের উদ্দেশে পার্থ বলেন, ‘আমি সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের বিষয়ে সবসময় উন্মুক্ত। কাউকে জোর করে প্রেসার দিয়ে ভালো বানানো যায় না। যে ভালো, সে নিজের থেকেই ভালো হবে। সরকারের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সাংবাদিকরা পাশে থাকবেন-এটাই প্রত্যাশা করি।’  তিনি বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন বরাদ্দ জনগণের উন্নয়নের জন্য আসে। এসব বরাদ্দ সঠিকভাবে বিতরণ হচ্ছে কি না এবং টেকসই উন্নয়নে কাজে লাগছে কি না, সাংবাদিকদের সেদিকে নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।’ পার্থ বলেন, ‘অযথা বা অহেতুক আপনার কলমের মাধ্যমে যেন কারও সম্মান নষ্ট না হয়, সেটিও মনে রাখতে হবে।’ তরুণ সমাজকে রক্ষায় মাদক নির্মূলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে কমিটি গঠন করে মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। তা না হলে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না।’ ভোলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনো বলি—আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে বেড়ে উঠেছি। আপনারাই বলেন, আমার বাবা মরহুম নাজির রহমান মঞ্জু ভোলার উন্নয়নের রূপকার। আমি তারই সন্তান।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভোলার উন্নয়নে সবাইকে নিয়েই কাজ করব। আমার কাছে কোনো দল-মত নেই। আমি সবার, সবাই আমার। ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, রাস্তাঘাটসহ সব উন্নয়নই হবে। তবে এসব উন্নয়ন একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে করা হবে।’

১৮ ঘন্টা আগে
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইজিপির সাক্ষাৎ

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইজিপির সাক্ষাৎ

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আইজিপির সৌজন্য সাক্ষাৎবঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকিরের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। রাষ্ট্রপতি দেশে অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরে পুলিশ বাহিনীকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।সাক্ষাৎকালে আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশের সাম্প্রতিক কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সার্বিক পদক্ষেপ সম্পর্কে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

১৯ ঘন্টা আগে
বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং বিশ্ব ইজতেমা সর্বাত্মক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজনে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটিয়ে তাবলীগ জামাতের উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে। মন্ত্রী আজ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ এর প্রতিনিধিগণের (সাদপন্থী) সাথে ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন।বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি ও তারিখ নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তাবলীগ জামাতের সাদপন্থী অংশের মুরুব্বিদের সাথে আজকের বৈঠকে বিশদ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে জুবায়েরপন্থী অংশের প্রতিনিধিদের সাথেও আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, সবার মতামত বিবেচনা করে আগামী ২০২৫ সালের বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ই জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ই জানুয়ারি টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।ইজতেমার স্থান ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষই টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছেন। বিগত সরকারের সময় জুবায়েরপন্থী ও সাদপন্থীদের মধ্যে একমত হওয়ার ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত স্বাক্ষরিত হয়েছিল যে সাদপন্থী অনুসারীরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করবেন না। তবে আজকের আলোচনায় সাদপন্থী প্রতিনিধিরা সেই সিদ্ধান্তের প্রতি দ্বিমত পোষণ করে সেখানে তাদের অংশগ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, তারা দুই পর্বের ইজতেমা শেষের পর থেকে রমজানের আগে অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে একটি যৌক্তিক সময় গ্যাপ দিয়ে টঙ্গী ময়দানে এক পর্বে ইজতেমা আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষের সাথে আরও আলোচনা করে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতামত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। মাওলানা সাদ সাহেবের আগমনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি ভিসা নীতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত সময়ের তুলনায় দেশের সামগ্রিক অপরাধ চিত্র অনেক নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটেছে। পুলিশ সদর দফতর থেকে প্রাপ্ত কেন্দ্রভিত্তিক ও জেলাভিত্তিক সংকলিত তথ্যানুযায়ী হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের হার অনেক হ্রাস পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।অপরাধ দমনে পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী সাম্প্রতিক একটি ঘটনার উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাজধানীতে এক শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার, ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করে আদালতের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরের গোয়েন্দা মনিটরিং ব্যবস্থা অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা বা গাফিলতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে মন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়মিত তথ্য মনিটর করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও টেকসই করতে সরকারের প্রচেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। সভায়  স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তাবলীগ জামাতের (সাদপন্থী) প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইন-শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা, ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুরূপ একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে তাবলীগ জামাতের (জুবায়েরপন্থী অংশ) প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

১৯ ঘন্টা আগে
নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শুরু

নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শুরু

গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে নতুন জাতীয় পে স্কেলের। পে স্কেলের খসড়া ইতোমধ্যে বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। খসড়া বিজি প্রেসে গতকালই পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। সূত্র জানায়, বিজি প্রেস থেকে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে। সেখান থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিং হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসআরও নম্বর পেয়ে প্রকাশ করা হবে। এদিকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি। তবে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে গিয়ে কিছুটা দেরি হচ্ছে বলে জানান অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার গণমাধ্যমকে জানান, আগামী রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে। গত সোমবার মন্ত্রিসভায় নতুন এই বেতনকাঠামো অনুমোদিত হয়। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়েও সরকারের মধ্যে প্রস্তুতি চলছে। মন্ত্রিপরিষদের সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মধ্যমেয়াদি বাজেট পরিকল্পনায় (এমটিবিএফ) বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। ফলে এটি সরকারের জন্য হঠাৎ তৈরি হওয়া কোনো ব্যয় নয়। তিনি বলেন, ‘সরকার প্রতিবছর শুধু এক বছরের বাজেট করে না; বরং আগামী কয়েক বছরের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের একটি আগাম হিসাবও করে। নতুন পে স্কেলের সম্ভাব্য ব্যয়ও সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচনায় ছিল।’

১৯ ঘন্টা আগে
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
যারা নিয়মিত সম্পদবিবরণী প্রকাশ করবে না, তাদের নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা না দেওয়া উচিত বলে মনে করে টিআইবি। আপনিও কি তাই মনে করেন?

যারা নিয়মিত সম্পদবিবরণী প্রকাশ করবে না, তাদের নতুন বেতন-ভাতার সুবিধা না দেওয়া উচিত বলে মনে করে টিআইবি। আপনিও কি তাই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

তদবিরের সুযোগ বন্ধ, মেধাতেই মিলবে চাকরি: রাশেদ খান

বর্তমান সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন। আর তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁনকে ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ৭ বছর ৫ মাস পর এসে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। সেই নির্বাচনে জিএস পদে আগের ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে চাকরিপ্রার্থীদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।’ ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হয়েও দীর্ঘ প্রায় সাড়ে সাত বছর পর ‘ন্যায়বিচার পাওয়ার’ কথা উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ যে পার পায় না, সেটা শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে ডাকসুর জিএস হিসেবে ঘোষণা করে ন্যায়বিচারের নজির স্থাপন করেছে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন, সেটা বজায় রাখতে হবে। শিক্ষকদের সম্মান করতে হবে। কোনো মহল যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

হাইকোর্টে রিয়াজের জামিন আবেদন ফেরত, শুনানি হয়নি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চিত্রনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকের সংগঠিত পৃথক দুই মামলায় জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাজির হয়ে জামিন আবেদনের পর বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য গ্রহণ না করে ফেরত দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি করা হয়। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অপর একটি হত্যা মামলাতেও নায়ক রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ওই দুই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে তার আগাম জামিন আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত।

স্বামী-স্ত্রীর জামাতে নামাজ আদায়ের নিয়ম ও ফজিলত

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ আদায় করলে দাম্পত্য সম্পর্কে সৌহার্দ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ঘরে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও বরকত নাজিল হয়। গ্রহণযোগ্য কোনো ওজর থাকলে ফরজ নামাজ এবং সাধারণ অবস্থায় নফল বা তাহাজ্জুদের নামাজ স্বামী-স্ত্রী ঘরে জামাতে আদায় করা অত্যন্ত সুন্নাহসম্মত ও প্রশংসনীয় আমল।ফরজ নামাজের ক্ষেত্রে ইকামতও স্বামীই দেবেন। নারীদের জন্য আজান বা ইকামত দেওয়া শরিয়তে মাকরুহ। বায়হাকি শরিফের হাদিসে এসেছে, হজরত আসমা বিনতে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— নারীদের ওপর আজান, ইকামত, জুমা এবং জুমার গোসল আবশ্যক নয়।নফল বা তাহাজ্জুদের জামাতে স্বামী ইমামতি করবেন, তবে এতে ইকামতের প্রয়োজন নেই।জামাতে স্ত্রী স্বামীর ডান পাশে কিছুটা পিছিয়ে দাঁড়াবেন (স্ত্রীর পায়ের গোড়ালি যেন স্বামীর গোড়ালি থেকে কিছুটা পেছনে থাকে)।পুরুষ মুক্তাদি একজন হলে একদম পাশে বরাবর দাঁড়ানোর নিয়ম থাকলেও, নারী মুক্তাদির ক্ষেত্রে সামান্য পিছিয়ে দাঁড়ানোই শরিয়তের বিধান।স্ত্রী কখনোই স্বামীর একদম সমান বরাবর দাঁড়াবেন না; বরাবর দাঁড়িয়ে নামাজ পড়লে নামাজ ফাসিদ বা বাতিল হয়ে যায়।নামাজে ইমাম (স্বামী) কোনো ভুল করলে স্ত্রী কথা না বলে নিজ বাম হাতের পিঠের ওপর ডান হাত দিয়ে চাপড়ে মৃদু শব্দ (তালি বা তাসফিক) সৃষ্টি করে স্বামীকে সতর্ক করবেন।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নামাজে কোনো সমস্যা উপস্থিত হলে সে যেন 'সুবহানাল্লাহ' বলে... আর তালিয়া বা হাতে আওয়াজ করা তো নারীদের জন্য।" (বুখারি: ১২০১)আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন— "তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা কর..." (সুরা আল-মায়েদাহ: ২)।যে দম্পতি গভীর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ আদায় করে এবং একে অপরকে নামাজের জন্য ডেকে তোলে, তাদের জন্য মহানবী (সা.) বিশেষ রহমতের দোয়া করেছেন। হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ সেই পুরুষ ও নারীর ওপর রহম করেন, যারা রাতে নিজে সালাত আদায় করে এবং অন্যজনকে ভালোবেসে ডেকে তোলে (প্রয়োজনে চেহারায় হালকা পানি ছিটিয়ে জাগিয়ে দেয়)।

<span class='techtaranga_subtitle'>২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে / </span>হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে / হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৪১টি ব্যাংকের সিএসআর (Corporate Social Responsibility) তহবিল থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।পাওয়ার ও আইনের অপব্যবহার: আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২-এর আওতায় গঠিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ (যেখানে শেখ হাসিনা সভাপতি ও শেখ রেহানা সহসভাপতি ছিলেন)-এর নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে জোরপূর্বক বা প্রভাব খাটিয়ে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছেন।সিএসআর নীতিমালার লঙ্ঘন: বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের সার্কুলার এবং ২০২২ সালের সিএসআর গাইডলাইন অনুযায়ী, এ ধরনের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ট্রাস্টে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অনুদান দেওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই।ভুয়া ট্রাস্ট ও অনিয়ম: দুদকের সরজমিন অনুসন্ধানে ওই ট্রাস্টের প্রদত্ত ঠিকানায় কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর বা এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অনুমোদিত নয় এবং তাদের প্রতিশ্রুত কার্যক্রমের কোনো বাস্তবায়নও পাওয়া যায়নি।নজরুল ইসলাম মজুমদারের ভূমিকা: ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তৎকালীন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার এজেন্ডাবহির্ভূত থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ শিরোনামে এই অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং কোন ব্যাংক কত টাকা দেবে তা চিঠি দিয়ে নির্দিষ্ট করে দিতে বাধ্য করেন।দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মূলত 'ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে' প্রভাব বিস্তার করে এ বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream