অনুমোদন পেল ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প
রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। বুধবার অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো মেট্রোরেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রোরেল লাইন-১ এবং মেট্রোরেল লাইন-৫ নর্দান রুট।সংশ্লিষ্টরা জানান, তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, শুরুতে একনেকের মূল এজেন্ডায় শুধু এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটি উপস্থাপনের কথা ছিল। তবে পরে সমন্বিত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাবও একই সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।আর ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পাতালপথসহ মোট ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা।
ইরান ইস্যু নিয়ে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-আরবের গোপন বৈঠক
গত সপ্তাহে জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, সৌদি আরবসহ কয়েকটি আরব দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা ইরান যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনা নিয়ে আলোচনার জন্য গোপন বৈঠক করেছেন। দুই ইসরায়েলি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তবে এতে অংশ নেওয়া কোনো দেশই আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়ে কিছু জানায়নি। অতীতেও এ ধরনের বৈঠক হলেও ছয় মাসেরও বেশি সময় আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরান যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর এটিই দুই দেশের মধ্যে প্রথম বৈঠক। ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই—এমন কয়েকটি উপসাগরীয় আরব দেশের সামরিক কমান্ডারদের জন্য ইসরায়েলি নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক এবং যুদ্ধ নিয়ে মতবিনিময়ের বিরল সুযোগ তৈরি হয়। বৈঠকে অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ছাড়াও ইসরায়েল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, জর্ডান ও মিশরের সামরিক বাহিনীর চিফ অব স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন। মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া সামরিক নেতাদের আশ্বস্ত করেন কুপার। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার বিষয়েও তিনি অন্য সামরিক কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ জেনারেল ইয়াল যামির বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্রে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। সেন্টকম এক বিবৃতিতে বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, জার্মানিতে পূর্বনির্ধারিত একটি সম্মেলনে আটটি দেশের শীর্ষ সামরিক নেতাদের আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে মধ্যপ্রাচ্যে 'নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার নানা সুযোগ' নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মধ্যে আব্রাহাম চুক্তি সই হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা ক্রমশ বেড়েছে। এর কিছুদিন পর ইসরায়েলকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ইউরোপীয় কমান্ডের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেন্টকমের আওতায় নেওয়া হয়। এর ফলে সেন্টকমের অধীনে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাবিষয়ক আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর অংশীদার হওয়ার সুযোগ পায় ইসরায়েল। চলমান যুদ্ধের সময় আত্মরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—দুই ধরনের সামরিক অভিযানেই সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিজস্ব সামরিক কর্মীসহ আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইসরায়েল। পাশাপাশি তারা গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত (আইএসআর) তাৎক্ষণিক সহায়তাও দিচ্ছে। যুদ্ধ চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য আরব দেশের সঙ্গেও ইসরায়েলের গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এদিকে বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন ইয়েমেনের হুথিরা সৌদি আরবে হামলা জোরদার করেছে, স্থলভাগে অগ্রসর হচ্ছে এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরায়েল কীভাবে সহায়তা করতে পারে, তা নিয়ে সেন্টকমের সহায়তায় ইসরায়েল ও সৌদি আরব আলোচনা করছে। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতকে দেওয়া সহযোগিতার আদলে সৌদি আরবকে কীভাবে গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত (আইএসআর) সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা শুরু
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুরু হওয়া বৈঠকে বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।এবারের সভায় ঢাকার গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত প্রস্তাবিত এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন) প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য কার্যতালিকায় রাখা হয়েছে। প্রায় ৪৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার দুই অংশকে মেট্রোরেলের আওতায় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কাওরান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও ও আফতাবনগর হয়ে দাশেরকান্দি পর্যন্ত যাবে এই রুট। ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ লাইনে মোট ১৫টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে ১১টি হবে ভূগর্ভস্থ এবং চারটি উড়ালপথে। পুরো রুটে যাতায়াতে সময় লাগবে প্রায় ২৮ মিনিট।প্রকল্পের ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার অংশ মাটির নিচে এবং ৪ দশমিক ১০ কিলোমিটার উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যস্ত সময়ে সাড়ে চার মিনিট পরপর ট্রেন চালানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে ছয়টি কোচ নিয়ে ১৯টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি ট্রেনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯০৮ জন যাত্রী বহন করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার যাত্রী এ পথে চলাচল করতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টদের হিসাব।প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫৪ হাজার ৬১৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন খাত পর্যালোচনা করে তা কমিয়ে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকায় আনা হয়েছে। অর্থাৎ আগের প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় কমেছে ৯ হাজার ১১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা।তবে ব্যয় কমার একটি অংশ সরাসরি সাশ্রয় নয়। বিদেশি ঋণের সুদ ও কমিটমেন্ট চার্জ বাবদ প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা প্রকল্প ব্যয় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসব অর্থ পরবর্তীতে অর্থ বিভাগের নিয়মিত প্রক্রিয়ায় পরিশোধ করার কথা রয়েছে।এ ছাড়া জমি অধিগ্রহণ, যানবাহন, পরামর্শক, সম্মানি ও প্রশাসনিক ব্যয়সহ বিভিন্ন খাতেও কাটছাঁট করা হয়েছে। জমির প্রয়োজন ২৩ দশমিক ০৯ হেক্টর থেকে কমিয়ে ৯ দশমিক ১০৪ হেক্টরে আনা হয়েছে। এতে অধিগ্রহণ ব্যয় প্রায় ১০০ কোটি টাকা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পুনর্বাসনের জন্য প্রকল্পে ৪ হাজার ৭১৬ কোটি টাকা রাখা হয়েছে।প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ থেকে সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। এ অর্থায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার ইডিসিএফের সহযোগিতা নেওয়ার কথা রয়েছে।প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের আগস্ট পর্যন্ত। এরই মধ্যে প্রাক্-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, নকশা প্রণয়ন, দরপত্রসংক্রান্ত সহায়তা এবং জমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনার কাজ এগিয়েছে।একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে অর্থায়ন চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ও ঠিকাদার নিয়োগসহ পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। তবে সভায় শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটির বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
মক্কার কাছে হুতির ড্রোন ঠেকাল সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী
একটি হুতি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার কাছে। ড্রোনটি মঙ্গলবার মক্কার নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয় বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। বুধবার ভোরে জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেন, ইসলাম ধর্মের দুই পবিত্র স্থান এবং সেখানে থাকা মুসল্লি ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য ‘রেড লাইন’। হুতিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। মক্কা ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র নগরী। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মুসলমান হজ পালনের জন্য সেখানে সমবেত হন। আল-মালিকি দাবি করেন, মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে মক্কাকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে হুতি মুখপাত্র হাজেম আল-আসাদ বলেন, মক্কায় হামলার অভিযোগ ‘পুরোনো মিথ্যা’, যা এর আগেও ব্যবহার করা হয়েছে। এদিকে মক্কার ঘটনায় হুতিদের নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। ৫৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের এই জোট ঘটনাটিকে ‘জঘন্য’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে চলমান ‘আগ্রাসনের’ নিন্দা জানিয়েছে। গত মঙ্গলবার সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। এর মধ্যে মক্কাসহ আরও কয়েকটি শহর রয়েছে। ইরান-সমর্থিত যোদ্ধাদের এক সপ্তাহের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে এসব সতর্কতা জারি করা হলো। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে সৌদি আরব আরও গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ছে। নিরাপত্তা সতর্কতার পর সৌদি আরব ভ্রমণের ক্ষেত্রে নাগরিকদের ‘পুনর্বিবেচনা’ করার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। মার্কিন নাগরিকদের জন্য জারি করা সতর্কবার্তায় ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেন সীমান্তে সন্ত্রাসবাদের হুমকির কারণে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে হুতিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ওই এলাকা বাব আল-মান্দাব প্রণালির দিকে মুখ করে রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এই প্রণালি দিয়ে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির একটি অংশ পরিবহন করা হয়। গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে বেশ কয়েকটি বড় হামলার দাবি করেছে হুতিরা। সোমবার একটি বিমানঘাঁটিতে হামলার দাবিও করেছে তারা। হুতিদের ভাষ্য, ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন বিমান হামলার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে।
"অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর" স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য কি সমর্থন করেন?
প্রেমের নামে অর্ধকোটি টাকার প্রতারণা
প্রেমের নামে অর্ধকোটি টাকার প্রতারণা
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃ''ত্যুদণ্ড
এস এম ফরহাদকে দেখলে আমার মিনি সাদ্দাম মনে হয়: আমানউল্লাহ আমান
বয়সের ব্যবধান ভুলে সুখী দাম্পত্যে বলিউডের যে তারকারা
ডাকসুর সংগ্রহশালায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবিতে থুথু নিক্ষেপ করে প্রতিবাদ
প্রবাসীদের টাউট-বাটপারের সরকার মানুষ মনে করে না: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের পেছনে সরকারের ভূমিকা নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ!