বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন। অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসা। প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ভিসা জানিয়েছে, দেশের আরও বেশি ব্যাংক হিসাবধারীকে কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে তারা আগ্রহী।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, দ্রুত ও ব্যবহারবান্ধব করার বিষয়েও ভিসার আগ্রহের কথা জানানো হয়।নিত্যদিনের লেনদেনকে আরও সহজ করতে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা, এক্সপ্রেসওয়ে এবং অন্যান্য সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনাও বৈঠকে উঠে আসে।এ ছাড়া বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে ভিসার ভূমিকা রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিদেশে কাজ করা বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় নিরাপদ ও সহজ উপায়ে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরির প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়।বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভিসার একটি প্রযুক্তি উন্নয়ন কেন্দ্র কিংবা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিকে আহ্বান জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তিখাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সময়ে ৫৮টি মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। নিয়াজ মেহেদী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৪৩ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ ৭১ জন, মতিঝিল বিভাগ ৫৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৫০ জন, মিরপুর বিভাগ ১২৪ জন, গুলশান বিভাগ ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৮ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ৩ জন এবং সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনআরও পড়ুনরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ১টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইল, ২টি গ্যাস লাইট, ৬টি ফয়েল পেপার, নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা, ৫টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু, ৬ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৬৯৫৬ পিস ইয়াবা এবং ৩০ বোতল এস্কাফ সিরাপ (ফেন্সিডিল) উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান নিয়াজ মেহেদী।
এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে।আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণ নির্ভর ও আমদানি নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এবার পুনর্গঠনের পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রা পথে এসডিজি’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।তিনি আরও বলেন, এরই অংশ হিসেবে জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অবকাঠামো দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি’র সঙ্গে সমন্বিত করেছে।টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিএনপির জননীতি’র দিকে লক্ষ্য করলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সব সময় বিএনপির সকল পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি জনবান্ধব।তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে- স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিটিই মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) কিংবা বর্তমানের সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) ভিশন ও মিশনের সঙ্গে খুব বেশি অমিল নেই।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলছে। আপনারা লক্ষ্য করবেন, এসডিজি’র প্রতিপাদ্য ‘নো ওয়ান লিভ বিহাইন্ড’ কিংবা ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ মূলনীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে।তিনি বলেন, সকল শ্রেণি পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহীত ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ'র মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন এসডিজি’র এই মূল অগ্রাধিকারগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে।তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সুসংহত করতে বর্তমান সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন বা রিকোভারি-রিহ্যাবিলিটেশন-রিকন্সট্রাকশন এই থ্রি-আর কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত রূপান্তর- সবকিছুই একটি সুসংহত নকশায় বাস্তবায়িত হবে।
সাকিব আল হাসান ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, তবে মানুষ হিসেবে তিনি ‘নষ্ট ও পচে যাওয়া’। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের এই মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
টিভি চ্যানেল বন্ধ করতে আরাফাতকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। Obaidul Quader | Bangla FM
টিভি চ্যানেল বন্ধ করতে আরাফাতকে নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের। Obaidul Quader | Bangla FM
জনগণ আপনাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবে: জামায়াতকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
বিএনপির দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের নাম প্রকাশের হুঁশিয়ারি ব্যারিস্টার ফুয়াদের
জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে আছে: নাহিদ ইসলাম
জেলখানায় কাটানো দুর্বিষহ দিনের কথা জানালেন আমজনতার দলের তারেক
দাবি আদায়ে লং মার্চের ঘোষণা দিলেন জামায়াত আমীর
জুলাইয়ের বিভিন্ন পক্ষের অবদান স্মরণ না করায় প্রস্থান করলেন আখতার হোসেন