বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৫ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন, খুলনা বিভাগে ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।নতুন ৭ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫৫ হাজার ১৬৩ জন।

একটি নয়, প্রধানমন্ত্রীকে দুই সফরের আমন্ত্রণ ভারতের

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর একটি ছিল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য, অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ দেওয়া হয়। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়।ভারতের এই বক্তব্য এসেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর। গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ না থাকলে তারেক রহমান কীভাবে ভারত সফর করবেন—এমন প্রশ্নও তুলেছিলেন তিনি।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য বা অংশীদার কোনো দেশ নয়। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।অন্যদিকে, দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণটি আলাদা এবং সেটি ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশে এসে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তানসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণসংবলিত চিঠিও তার হাতে তুলে দেন।টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরকে দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে বিবেচনা করছিল। পাশাপাশি ব্রিকসের আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল—বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও আগে এমন অবস্থান জানানো হয়েছিল।ভারতের সর্বশেষ বক্তব্যে মূলত তারেক রহমানকে দেওয়া দুই আমন্ত্রণের ধরন ও উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ফজরের পর মিছিল করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঝে মাঝে অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ফজরের নামাজের পর ছোট ছোট মিছিল করে সেগুলোর ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এসব কর্মকাণ্ডের কিছু কিছু দৃশ্যমান হচ্ছে। অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে মিছিল করে ভিডিও বানানোর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পর্যবেক্ষণ করছে।গুলশানে মিছিলের ঘটনা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দিনের বেলা প্রায় ১১টার দিকে জুমার নামাজ পড়ার কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, ওই ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো ধারণা করতে পারেনি যে জুমার নামাজ পড়তে এসে ওই এলাকায় তারা এমন কর্মকাণ্ড করতে পারে।গুলশানের ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন।তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা সম্ভাব্য সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার মতামতের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও গৃহীতব্য মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয়ে ১৫ দিন পর পর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে "ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও গৃহীতব্য মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভা' শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটি ও এর আশেপাশের সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ যাতে সমন্বিতভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সাথে এই সমন্বয় সভা করা হয়েছে। এক সংস্থা কাজ শেষ করার পরপরই আরেক সংস্থা একই স্থানে যাতে পুনরায় খোঁড়াখুঁড়ি না করে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া, ভোগান্তি কমানো এবং জনস্বার্থে সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করে। আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে একই সময়ে ইউটিলিটি শিফটিং বা অন্যান্য নির্মাণকাজ যাতে একসঙ্গে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী আরো বলেন, চলমান এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা ও ডেসাসহ অন্যান্য সংস্থার মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ তদারকির জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্বিক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রতি ১৫ দিন পর পর এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা পর্যায়ে সাব-কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নগরীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলায় আনতে এবং যানজট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-ভিত্তিক আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে দৃশ্যমান শৃঙ্খলা আসছে এবং নগরবাসী এর সুফল পাচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের সাথে সমন্বয় করে ইউটিলিটি শিফটিংয়ের কাজ পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীর ওপর ট্রাফিক চাপ কমাতে গাবতলী, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড শহরের বাইরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণ ও সার্বিক পরিকল্পনার কাজ চলছে এবং এই মধ্যবর্তী সময়ে শহরের ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।রাজধানীর যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলকে চিহ্নিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মূল সড়কে থ্রি-হুইলার বা ছোট যানবাহন চলাচল শৃঙ্খলাবহির্ভূত। তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে একটি নীতিমালার মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে, তবে আকস্মিকভাবে কাউকে পুরোপুরি বেকার না করে পর্যায়ক্রমে ডিসিপ্লিনে আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পিলারের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে যেসব চার্জিং পয়েন্ট গড়ে উঠেছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে এবং অসংখ্য অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়; আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সচিবদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মতামতের আলোকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে এবং সে পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী শক্তির দুষ্কৃতকারীরা ঝটিকা মিছিল কিংবা ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, গুলশান ও হাইকোর্ট সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৫ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকায় ৩৮৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন, খুলনা বিভাগে ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।নতুন ৭ জনের মৃত্যু নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬৪ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫৫ হাজার ১৬৩ জন।

৪ ঘন্টা আগে
একটি নয়, প্রধানমন্ত্রীকে দুই সফরের আমন্ত্রণ ভারতের

একটি নয়, প্রধানমন্ত্রীকে দুই সফরের আমন্ত্রণ ভারতের

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর একটি ছিল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য, অন্যটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ দেওয়া হয়। পরে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়।ভারতের এই বক্তব্য এসেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর। গত ১০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ না থাকলে তারেক রহমান কীভাবে ভারত সফর করবেন—এমন প্রশ্নও তুলেছিলেন তিনি।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য বা অংশীদার কোনো দেশ নয়। তবে বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।অন্যদিকে, দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণটি আলাদা এবং সেটি ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশে এসে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে স্ত্রী ও সন্তানসহ ভারত সফরের আমন্ত্রণসংবলিত চিঠিও তার হাতে তুলে দেন।টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফরকে দ্বিপক্ষীয় সফর হিসেবে বিবেচনা করছিল। পাশাপাশি ব্রিকসের আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দেওয়া হয়েছিল—বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও আগে এমন অবস্থান জানানো হয়েছিল।ভারতের সর্বশেষ বক্তব্যে মূলত তারেক রহমানকে দেওয়া দুই আমন্ত্রণের ধরন ও উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে।

৪ ঘন্টা আগে
গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ পুনর্গঠনই এখন প্রধান কাজ

গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ পুনর্গঠনই এখন প্রধান কাজ

বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা এবং তা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।মঙ্গলবার বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। নগর ভবনের সামনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন, রক্তপাত ও বহু মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এখন সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি দেশকে পুনর্গঠন করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আগামী দিনের প্রধান কাজ।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশকে দ্রুত পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রপন্থি মানুষকে ফিনিক্স পাখির সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা এ দেশের মানুষের রয়েছে।গণতন্ত্র রক্ষায় সরকার ও বিরোধী দলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, সংসদকে কার্যকর করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবেই, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। দেশের মৌলিক বিষয়গুলোতে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সময়ে যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা অবহেলায় নষ্ট করা

৫ ঘন্টা আগে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে যা বলল ভারত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে যা বলল ভারত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে সফরের জন্য একটি নয়, বরং দুটি আলাদা আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি ভারতে দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফরের এবং অপরটি বিমসটেক (BIMSTEC)-এর বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে নয়াদিল্লির এই স্পষ্ট অবস্থানের কথা জানান।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন:“আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। পরবর্তীতে তাকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়। অর্থাৎ তিনি ভারতের পক্ষ থেকে দুটি ভিন্ন আমন্ত্রণ পেয়েছেন—একটি দ্বিপাক্ষিক সফর এবং অপরটি ব্রিকস সম্মেলনের জন্য।”ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানানো হয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও শপথ নেওয়ার পর পরই তারেক রহমানকে স্ত্রী ও সন্তানসহ ভারতে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য প্রথম আমন্ত্রণটি পাঠানো হয়েছিল।এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এক বক্তব্যে ভারত কর্তৃক আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “(প্রধানমন্ত্রী) কীভাবে ভারতে যাবেন? বাংলাদেশ সরকারের কাউকে কি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়।”প্রতিমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পরই নয়াদিল্লি থেকে এই দ্বৈত আমন্ত্রণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট করা হলো।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস (BRICS)-এর পূর্ণাঙ্গ সদস্য বা সহযোগী দেশ নয়। তবে বিমসটেক জোটের বর্তমান চেয়ার বা সভাপতি পদটি বাংলাদেশের কাছে থাকায় জোটটির প্রধান হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকসের 'আউটরিচ সেশন'-এ আমন্ত্রণ জানায় আয়োজক দেশ ভারত।গত ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ব্রিকসভুক্ত দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের নেতারাও অংশগ্রহণ করেন।

৫ ঘন্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ফজরের পর মিছিল করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ফজরের পর মিছিল করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ মাঝে মাঝে অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে বিভিন্ন অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ফজরের নামাজের পর ছোট ছোট মিছিল করে সেগুলোর ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এসব কর্মকাণ্ডের কিছু কিছু দৃশ্যমান হচ্ছে। অল্পসংখ্যক লোক নিয়ে মিছিল করে ভিডিও বানানোর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পর্যবেক্ষণ করছে।গুলশানে মিছিলের ঘটনা প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দিনের বেলা প্রায় ১১টার দিকে জুমার নামাজ পড়ার কথা বলে সেখানে কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, ওই ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য পুলিশের কাছে ছিল। তবে শুক্রবার পুলিশ হয়তো ধারণা করতে পারেনি যে জুমার নামাজ পড়তে এসে ওই এলাকায় তারা এমন কর্মকাণ্ড করতে পারে।গুলশানের ঘটনাকে পুলিশের ব্যর্থতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।এ সময় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন।তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশ করা সম্ভাব্য সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর সচিবদের অংশগ্রহণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভার মতামতের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

৬ ঘন্টা আগে
গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ পুনর্গঠনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশ পুনর্গঠনই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি

বহু মানুষের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধরে রাখা এবং সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি করপোরেশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও বহু মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারকে সরিয়ে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া দেশকে দ্রুত পুনর্গঠনের কাজও সরকার চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।দেশের গণতন্ত্রপন্থি মানুষকে ফিনিক্স পাখির সঙ্গে তুলনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়াই এ দেশের মানুষের বৈশিষ্ট্য।তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষের প্রধান দায়িত্ব সংসদকে কার্যকর রাখা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য দেখা দিলে তা সংঘাতের মাধ্যমে নয়, আলোচনা ও সংলাপের মধ্য দিয়ে সমাধান করতে হবে।সিলেটের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্যরা যোগ্য এবং তারা সিলেটের সমস্যাগুলো সমাধানে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। বড় উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।ভবিষ্যতে দেশ পুনর্গঠন এবং নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সত্যিকারের বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ যেন অবহেলায় নষ্ট না হয়—এ জন্য সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

৬ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে নতুন মেট্রো: বুধবার একনেকে উঠছে প্রকল্প

রাজধানীতে নতুন মেট্রো: বুধবার একনেকে উঠছে প্রকল্প

রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলকে মেট্রোরেলের মাধ্যমে যুক্ত করতে গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি পর্যন্ত নতুন একটি মেট্রোরেল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট’ নামে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের কথা রয়েছে।প্রস্তাবিত রুটটির দৈর্ঘ্য ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার। গাবতলী থেকে শুরু হয়ে টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কলেজ গেট, আসাদ গেট, শুক্রাবাদ, কারওয়ান বাজার, হাতিরঝিল, তেজগাঁও, আফতাবনগর, আফতাবনগর সেন্টার, আফতাবনগর পূর্ব ও নাসিরাবাদ হয়ে দাসেরকান্দিতে গিয়ে শেষ হবে।প্রকল্পের আওতায় গাবতলী থেকে আফতাবনগর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার হবে পাতালপথ। আর আফতাবনগর থেকে দাসেরকান্দি পর্যন্ত বাকি চার কিলোমিটার নির্মাণ করা হবে উড়ালপথে।মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকার দেবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি টাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে নেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি কোনো একক সংস্থার অধীনে না থাকায় দরপত্রে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ও মানের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পেলে এটি হবে ঢাকার প্রথম পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্প। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নির্মাণ ব্যয় ও বাস্তব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে ঢাকার অন্যান্য পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণেও সহায়ক হতে পারে।এদিকে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ উত্তরের ব্যয়ও কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। জাইকা এ দুই প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৯ হাজার ৭০০ কোটি টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি পর্যন্ত নতুন এই মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হওয়ার পাশাপাশি যানজট কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

৬ ঘন্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ: ডা. জাহেদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ: ডা. জাহেদ

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।জাহেদ উর রহমান জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও বিষয়টি জানিয়েছেন। ইসি নিজেদের উদ্যোগে যে তারিখ ঘোষণা করেছে, সেটিই বর্তমানে কমিশনের অবস্থান বলে উল্লেখ করেন তিনি।তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচন আয়োজনের সরাসরি দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তবে অন্যান্য নির্বাচন আইন অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে আয়োজন করতে হয়। স্থানীয় সরকার নির্বাচনও এর ব্যতিক্রম নয়।ইসির ঘোষিত সময়সূচি নিয়ে সরকার ও কমিশনের মধ্যে কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, বিষয়টিকে সংঘাত বা ‘গ্যাপ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সরকারের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে ঘোষিত সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা, তা পিছিয়ে দেওয়া বা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।তিনি আরও বলেন, সংসদ নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী নিজস্ব এখতিয়ারে নির্বাচন আয়োজন করবে। কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ।স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, এবার কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না; ব্যক্তিরাই প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাই কে কোন দলের সঙ্গে যুক্ত, সেটি এ নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূল বিষয় নয়।

৭ ঘন্টা আগে
নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়:  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও গৃহীতব্য মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয়ে ১৫ দিন পর পর সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মন্ত্রী আজ বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে "ঢাকা মহানগরীতে চলমান ও গৃহীতব্য মেগা প্রকল্পসমূহের নির্মাণকাজের কারণে উদ্ভূত যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও অংশীজনদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভা' শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ঢাকা সিটি ও এর আশেপাশের সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ যাতে সমন্বিতভাবে সম্পন্ন হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের সাথে এই সমন্বয় সভা করা হয়েছে। এক সংস্থা কাজ শেষ করার পরপরই আরেক সংস্থা একই স্থানে যাতে পুনরায় খোঁড়াখুঁড়ি না করে, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া, ভোগান্তি কমানো এবং জনস্বার্থে সময় ও অর্থের অপচয় রোধ করা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির প্রবণতা প্রকট আকার ধারণ করে। আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের মাধ্যমে একই সময়ে ইউটিলিটি শিফটিং বা অন্যান্য নির্মাণকাজ যাতে একসঙ্গে সম্পন্ন করা যায়, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী আরো বলেন, চলমান এমআরটি, সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা ও ডেসাসহ অন্যান্য সংস্থার মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ তদারকির জন্য ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্বিক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য প্রতি ১৫ দিন পর পর এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা পর্যায়ে সাব-কমিটির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হবে।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নগরীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলায় আনতে এবং যানজট নিরসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-ভিত্তিক আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে দৃশ্যমান শৃঙ্খলা আসছে এবং নগরবাসী এর সুফল পাচ্ছেন। পাশাপাশি ট্রাফিক বিভাগের সাথে সমন্বয় করে ইউটিলিটি শিফটিংয়ের কাজ পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীর ওপর ট্রাফিক চাপ কমাতে গাবতলী, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড শহরের বাইরে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ইতোমধ্যে জমি অধিগ্রহণ ও সার্বিক পরিকল্পনার কাজ চলছে এবং এই মধ্যবর্তী সময়ে শহরের ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তীকালীন কিছু দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।রাজধানীর যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলকে চিহ্নিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মূল সড়কে থ্রি-হুইলার বা ছোট যানবাহন চলাচল শৃঙ্খলাবহির্ভূত। তিনি বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে একটি নীতিমালার মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলছে, তবে আকস্মিকভাবে কাউকে পুরোপুরি বেকার না করে পর্যায়ক্রমে ডিসিপ্লিনে আনা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন পিলারের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে যেসব চার্জিং পয়েন্ট গড়ে উঠেছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে সরকার ইতোমধ্যে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে এবং অসংখ্য অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সূচি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ও আইনগত এখতিয়ার অনুযায়ী কাজ করে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যে সম্ভাব্য সূচি প্রকাশ করেছে তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়; আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সচিবদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মতামতের আলোকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে এবং সে পর্যন্ত অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত ফ্যাসিবাদী শক্তির দুষ্কৃতকারীরা ঝটিকা মিছিল কিংবা ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, গুলশান ও হাইকোর্ট সংলগ্ন এলাকায় সংঘটিত ঘটনাগুলোর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ইতোমধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

৭ ঘন্টা আগে
এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের সরাসরি জবাবদিহি ও শাস্তির আওতায় আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে আগামী শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবই চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তিনি।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, “এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে ৩,০৭৯ জন শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এতেই প্রশ্ন ওঠে—এত নম্বর কীভাবে বাড়ে? যে শিক্ষক-পরীক্ষকরা খাতা ঠিকমতো দেখেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি ও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।”ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন বই বিতরণের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, “দুর্নীতি জর্জরিত ও ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিলেও সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া হবে।”জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সেশনজটমুক্ত করা হবে। বাজার চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে কারিকুলাম সংস্কার, মানসম্মত শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও ক্লাসরুম মনিটরিং নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়।এলএলবি (ল) কোর্সের বাড়তি ফরম পূরণ ফির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় টাকা আয়ের কারখানা নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি চালানো বন্ধ করতে হবে; অতিরিক্ত ফির সমস্যা সমাধান করা হবেই।”অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো চালু করা ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ও সেরা ফলাফলের জন্য ৫৭ জন কৃতী শিক্ষার্থীর হাতে এই সম্মাননা ও শিক্ষাবৃত্তি তুলে দেওয়া হয়।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

৯ ঘন্টা আগে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
"অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর" স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য কি সমর্থন করেন?

"অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর" স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য কি সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনায় গেল না সিলেট বিএনপি

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সিলেট সফর উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা ও সুধী সমাবেশে অংশ নেয়নি সিলেট মহানগর বিএনপি। দলের কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো একদিনের সফরে সিলেটে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যথাযথ আলোচনা না করেই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দলের অনেক নেতাকে সঠিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এসব কারণে সংবর্ধনায় না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মহানগর বিএনপি।তবে দলটির নেতারা স্পষ্ট করেছেন, রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর বা তার নির্ধারিত কর্মসূচির বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। মূল অসন্তোষ অনুষ্ঠান আয়োজনের পদ্ধতি ও আমন্ত্রণ প্রক্রিয়া নিয়ে।মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, অনুষ্ঠানে মহানগর বিএনপির কোনো নেতাকর্মী অংশ নেবেন না। তাদের যথাযথভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, নিয়ম মেনে নাগরিক কমিটি গঠন না করেই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের একতরফা সিদ্ধান্তের কারণে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো অনুষ্ঠানটি বর্জন করেছে।দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে এবং তার মাজার জিয়ারতের সময় বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির বিদায়ের সময়ও তারা থাকবেন। তবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। তার দাবি, আমন্ত্রণপত্র পেলেও সেটি যথাযথ সম্মানের সঙ্গে দেওয়া হয়নি এবং অনেকটা আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার মতো মনে হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতাদের গাড়ি অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংবর্ধনায় অনুপস্থিত নেতাদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ আরও কয়েকজন নেতা রয়েছেন।এর আগে সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে সার্কিট হাউসে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

অকালেই থেমে গেল নাট্যকার মারুফ হোসেন সজীবের পথচলা

তরুণ নাট্যকার ও পরিচালক মারুফ হোসেন সজীব আর নেই। তিনি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । সজীবের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। তিনি সজীবের সঙ্গে কাজের স্মৃতি তুলে ধরে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। নির্মাতা আশিকুর রহমান জানান, হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন সজীব। কিছুদিন আগে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থও হয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বাদ জোহর জানাজা শেষে রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে সজীবকে দাফন করা হবে। নিজের গল্প ও নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছিলেন মারুফ হোসেন সজীব। তিনি নিজেই গল্প লিখে নাটক নির্মাণ করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিলোপ’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘রঙিন কাগজ’, ‘আধার’, ‘সিকিউরিটি গার্ল’, ‘জলকৌড়ি’, ‘মেঘলা’ ও ‘নুসাইবা’। তরুণ এই নির্মাতার অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

বইপড়ুয়া পুরুষের প্রতি বেশি আকর্ষণ নারীদের

গেমিং কনসোল বা ভিডিও গেমের হেডসেট সরিয়ে রেখে হাতে বই তুলে নেওয়া পুরুষরাই নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। সম্পর্ক ও মনস্তত্ত্ববিষয়ক সংস্থা ‘ডেট সাইকোলজি’র সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষদের বই পড়ার অভ্যাসকে নারীরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক গুণ হিসেবে বিবেচনা করেন।সমীক্ষায় মোট ৭৪টি ভিন্ন ভিন্ন শখ ও জীবনযাত্রার অভ্যাসের ওপর নারীদের মতামত সংগ্রহ করা হয়। এতে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী নারীদের প্রায় ৯৮.২ শতাংশই জানিয়েছেন, বই পড়তে ভালোবাসেন এমন পুরুষদের প্রতি তাদের আকর্ষণ অন্য যেকোনো অভ্যাসের চেয়ে বেশি।গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শখ মূলত আত্মোন্নয়ন, সৃজনশীলতা, প্রজ্ঞা ও নতুন দক্ষতা অর্জনের সাথে সম্পর্কিত, সেগুলোর প্রতিই নারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি:বই পড়া (৯৮.২% নারী ইতিবাচক হিসেবে দেখেন)বিদেশি ভাষা শেখাবাদ্যযন্ত্র বাজানোরান্না করাকাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং (Woodworking)এছাড়াও চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, কামারশিল্প (Blacksmithing) এবং তীরন্দাজির (Archery) মতো সুনির্দিষ্ট ও গঠনমূলক শখগুলোকেও নারীরা পুরুষদের ব্যক্তিত্বের চমৎকার দিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।সমীক্ষায় কিছু বিতর্কিত ও অপছন্দনীয় অভ্যাসকেও চিহ্নিত করা হয়েছে, যা পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ দ্রুত কমিয়ে দেয়:নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’-এ যুক্ত থাকা, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট বক্সে অহেতুক বিতর্কে জড়ানো। ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং, কসপ্লে, কমিক বই বা ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ করা।বিখ্যাত ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, অতিরিক্ত মদ্যপান বা নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাত্রাকে অনেক নারীই মানসিক অসংলগ্নতা বা ‘অপরিণত আচরণ’ (Immaturity) হিসেবে গণ্য করেন।মনোবিজ্ঞানীদের মতে, শুধু কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে এসব শখ গড়ে তোলার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিমতার চেয়ে একজন পুরুষের নিজের ভালো লাগার কাজে সত্যিকারের আগ্রহ ও নিজস্ব ব্যক্তিত্বই দীর্ঘমেয়াদে সুন্দর ও টেকসই সম্পর্কের মূল ভিত্তি তৈরি করে।

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড: রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে ককটেল হামলা

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড: রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে ককটেল হামলা

জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ ৭ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চরম রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুর ১টা ১৫ থেকে ১টা ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের যাতায়াতের সুরক্ষিত প্রবেশপথে এই আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুষ্কৃতকারীরা।এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন:ওবায়দুল কাদের — সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।শেখ ফজলে শামস পরশ — সভাপতি, যুবলীগ।মাইনুল হোসেন খান নিখিল — সাধারণ সম্পাদক, যুবলীগ।সাদ্দাম হোসেন — সভাপতি, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান — সাধারণ সম্পাদক, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ।(অন্যতম প্রধান সহযোগী শীর্ষ নেতা)আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিশ্চিত করেছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত সকল আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।রায় ঘোষণার পর পরই সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় আদালত অঙ্গনে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, “প্রধান বিচারপতির প্রবেশপথের কাছে কে বা কারা ককটেল ছুড়ে পালিয়ে গেছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও আলামত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আদালতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream