বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়কাল জুড়ে কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যা, উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে মামলার অন্য তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল এ ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।রায়ে পলাতক চার আসামির প্রত্যেকের অর্ধেকেরও বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।আসামিদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগই আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে:২০২৪ সালের ১৫, ১৭ ও ৩০ জুলাই তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উসকানিমূলক বক্তব্যকে সমর্থন এবং ২৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে সন্ত্রাসী ট্যাগ দিয়ে হত্যার নির্দেশ ও প্ররোচনা প্রদান।২৭ জুলাই হানিফের নির্দেশে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী কার্যালয়ে বৈঠক ডেকে আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ ও সশস্ত্র আক্রমণের নির্দেশ প্রদান।৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে কুষ্টিয়া শহরে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র ক্যাডাররা অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। এ হামলায় আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবুল ফরাজী ও ইউসুফ শেখ—এই ৬ জন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, মামলাটির আইনি সময়রেখা ছিল নিম্নরূপ:২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তদন্ত শুরু হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর ২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়।৮ ডিসেম্বর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়ে চলতি ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।পরবর্তীতে নতুন আলামত ও সাক্ষ্য নিয়ে পুনরায় শুনানির পর ৭ অক্টোবর ২০২৬ যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হলে রায় অপেক্ষমাণ (CAV) রাখা হয়। গত মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলেন।আসামিরা বর্তমানে পলাতক থাকলেও গ্রেপ্তারের পর বা আইনানুগ আত্মসমর্পণের পরই তাদের সাজা কার্যকর করা হবে।

তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের মরদেহ

রাজধানীর তুরাগ নদ থেকে নিখোঁজের এক দিন পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (৩৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন।পুলিশ সূত্র ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, গতকাল বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বর থেকে খবর পেয়ে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে ভাসমান মরদেহটি ডাঙায় নিয়ে আসে।মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিহতের পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা, হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। উক্ত সচল আইফোনের সূত্র ধরেই তাঁর নিখোঁজ ও পূর্ণাঙ্গ পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ।নিহত কে এম তাহসিফ সাউরি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট। তাঁর বাবার নাম কে এম এনায়েতুর। তিনি রাজধানীর উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের ১৪/বি নম্বর সড়কের বাসিন্দা ছিলেন।নিহতের স্বজন ও স্বজনদের খবর দেওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন জানান, সাউরির মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না। এটি কোনো দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ময়নাতদন্তের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

বিশেষ ফ্লাইটে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন তারেক রহমান

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।সফরকালে কৃষি, অবকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিল্পের মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।এ ছাড়া সফরের ব্যস্ত সূচির মধ্যে জাপানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি তিনি জাপানি বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে আয়োজিত ‌‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নানা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সফরের শেষ ভাগে টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি।  

ঢাকার বাতাস কতটা দূষিত জানাল আইকিউএয়ার

ঢাকার বায়ুমান সূচক (একিউআই) বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ছিল ১৪১। এই মান অনুযায়ী, ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যের জন্য অস্বাস্থ্যকর।সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ২৮৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।তালিকায় ২২২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি। আর ১৯৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক। অন্যদিকে, বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১১তম। একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। আর বায়ুর মান ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয়। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে বায়ু ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

স্পেনের ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহত হননি কোনো বাংলাদেশি

স্পেনের ট্রেন দুর্ঘটনায় হতাহত হননি কোনো বাংলাদেশি

স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হননি বলে জানিয়েছে মাদ্রিদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় তারা গভীর শোক প্রকাশ করছে। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। দুর্ঘটনার পর থেকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, দুর্ঘটনায় কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, বুধবার স্পেনে এক ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ৬৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক।

৩ ঘন্টা আগে
তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের মরদেহ

তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্টের মরদেহ

রাজধানীর তুরাগ নদ থেকে নিখোঁজের এক দিন পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির (৩৬) মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।গতকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন।পুলিশ সূত্র ও উদ্ধারকারী কর্মকর্তারা জানান, গতকাল বিকেলে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বর থেকে খবর পেয়ে টঙ্গী নৌপুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে ভাসমান মরদেহটি ডাঙায় নিয়ে আসে।মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিহতের পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা, হাতে একটি ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। উক্ত সচল আইফোনের সূত্র ধরেই তাঁর নিখোঁজ ও পূর্ণাঙ্গ পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ।নিহত কে এম তাহসিফ সাউরি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট। তাঁর বাবার নাম কে এম এনায়েতুর। তিনি রাজধানীর উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের ১৪/বি নম্বর সড়কের বাসিন্দা ছিলেন।নিহতের স্বজন ও স্বজনদের খবর দেওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন জানান, সাউরির মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না। এটি কোনো দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সুনির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ময়নাতদন্তের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

৪ ঘন্টা আগে
বিশেষ ফ্লাইটে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন তারেক রহমান

বিশেষ ফ্লাইটে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন তারেক রহমান

জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দেশে ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার অবতরণের কথা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।সফরকালে কৃষি, অবকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি ও শিল্পের মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।এ ছাড়া সফরের ব্যস্ত সূচির মধ্যে জাপানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি তিনি জাপানি বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে আয়োজিত ‌‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নানা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। সফরের শেষ ভাগে টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেন তিনি।  

৫ ঘন্টা আগে
এমপির আপত্তিকর ভাইরাল:  যা বললেন নাটোর-৪ এর এমপি আজিজ

এমপির আপত্তিকর ভাইরাল: যা বললেন নাটোর-৪ এর এমপি আজিজ

বিশেষ প্রতিনিধি:ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় ছেলের গ্রেপ্তার এবং জানাজায় হেনস্তার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল আজিজকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি তার একটি আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ‘ষড়যন্ত্র’ এবং ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’ (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বিকৃত রূপ বলে দাবি করেছেন এমপি নিজে ও তার দলীয় নেতারা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মুঠোফোনে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এমপি আব্দুল আজিজ বলেন, "আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এই গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওটি দেখা যাচ্ছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।"এর আগে সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর উপজেলার নয়াবাজারে দলীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীও বিষয়টিকে এআই-প্রযুক্তির কারসাজি বলে দাবি করেন।সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আলী বলেন, "আমাদের নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল আজিজকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি কথিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তার ছবি বা ভিডিওকে বিকৃত রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।"তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল যুগে এ ধরনের ভুয়া তথ্যের অপব্যবহার বন্ধে ভিডিওটির সত্যতা এবং উৎস যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। একই সাথে যারা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভুয়া ভিডিও ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

১৬ ঘন্টা আগে
জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাপান সফরে ১টি চুক্তি ও ২১ এমওইউ স্বাক্ষর: বিশ্ববাজারে নতুন বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি, চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং বেসরকারি পর্যায়ে দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে দুটি অনুদান চুক্তিও সই হয়েছে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাতে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চ ও বিশ্ববাজারে এক 'নতুন বাংলাদেশ'-এর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখন থেকে যৌথভাবে কাজ করবে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা আরও জোরদার করতে একটি টহলজাহাজ সরবরাহের জন্য ২১২ কোটি জাপানি ইয়েনের (প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার সমপরিমাণ) একটি অনুদান চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে।বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

১৬ ঘন্টা আগে
আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসায় একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

আগামীতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বেশি জিপিএ পাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠায় তিনি স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। তার মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা একই বিষয় ও একই প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। তাই স্কুল ও মাদ্রাসার পরীক্ষায় আলাদা প্রশ্নপত্র রাখার প্রয়োজন নেই। একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার পর ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা হবে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কেন বেশি জিপিএ পাচ্ছে।এদিকে, পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণের তথ্য তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছে। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িত পরীক্ষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই এক্সামিনার কারা কারা এই দুষ্টুমি করেছে, তাদেরকে আমি আইনের আওতায় আনব। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিষয়টি আমার মাথায় প্রচণ্ড বোঝা! আমি এনটিআরসি করেছিলাম বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে। সেই এনটিআরসিতে আমরা সার্টিফিকেট দেব, শিক্ষকরা গিয়ে এলাকার ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাছে যাবে, সেখানে তারা অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেবে। লাস্ট গভর্নমেন্ট তাদেরকে ঢালাও সার্টিফিকেট দিয়েছে, ঢালাও অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছে, ঢালাও জায়গায় জায়গায় পোস্টিং দিয়েছে! তিনি বলেন, এখন কচুয়ার পোস্টিং নিয়েছে রংপুরেরটা, রংপুরেরটা নিয়েছে বরিশালে, বরিশালেরটা নিয়েছে খাগড়াছড়িতে। এখন আমি আসার পরে সব আমার মাথায় ঢুকল যে আমাদের ট্রান্সফার করতে হবে। আমি দেখলাম অবভিয়াসলি কচুয়ায় যদি রংপুরের ছেলে থাকে তাকে রংপুর পাঠিয়ে দিই। আমি একটা অ্যাপস তৈরি করলাম ট্রান্সফারগুলি করার জন্য। শিক্ষকদের বদলির আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন সবাই ট্রান্সফার চায়। কচুয়া থেকে চায় ভিকারুননিসা! কচুয়া থেকে চায় আইডিয়াল স্কুল! কচুয়া থেকে চায় মনিপুর, শাহিন স্কুল! বুঝলেন তো? বদলি নিয়ে শিক্ষকদের চাপের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, শিক্ষক প্রতিনিধি হয়ে আমাকে ধমক দেয়—৩১ অক্টোবরের মধ্যে যদি ট্রান্সফার না হয়, তাহলে দেখে নেবে! কাকে? আমাকে! বুঝলেন তো? আপনি এমপিও শিক্ষক, আপনি স্কুলে গিয়ে পড়ান, মাদ্রাসায় গিয়ে পড়ান। আপনার দায়িত্ব এটা না, এটা আমার দায়িত্ব! লেট মি ডু ইট (আমাকে করতে দিন)!

২০ ঘন্টা আগে
দেশে-বিদেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে এক হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশে-বিদেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে এক হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে প্রবাসী এবং দেশে থাকা সব বাংলাদেশিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা সম্ভব হলে এর সুফল দেশের মানুষের পাশাপাশি প্রবাসীরাও ভোগ করবেন।তিনি বলেন, দেশের জন্য ভালো কিছু করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। মানুষ দেশে থাকুক বা বিদেশে, যার যার অবস্থান থেকে দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জাপানের টোকিওতে নিউ ওতানি হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।সভায় জাপানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তাদের প্রশ্নের জবাবে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কাজের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। স্কুলে জাপানিসহ তৃতীয় ভাষা চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানিসহ জার্মান, ফরাসি এবং আরও কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ রাখা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।’ এ বিষয়ে পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগামী বছর থেকে স্কুলগুলোতে জাপানিসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষা শেখানোর কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা রয়েছে।’ তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্পকলা ও সংস্কৃতিচর্চার সুযোগও নিশ্চিত করতে চায় সরকার। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। তারেক রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষায় দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া গেলে ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তারা বাড়তি সুবিধা পাবে। স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের সহযোগিতা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষ, নারী ও শিশুরা যাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ৫০টি করে শয্যা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা বাড়িয়ে ১৫০টিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সুবিধা চালুর পাশাপাশি শিশু ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে। এর ফলে গ্রামের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জেলা বা বিভাগীয় শহরে ছুটতে হবে না বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের বড় হাসপাতালগুলোতে রোগীর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা গেলে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সহজ হবে। এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোগের চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্ব দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে গ্রাম পর্যায়ে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে অন্তত ৮০ শতাংশ নারী নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন, পুষ্টি, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করবেন।’ তারেক রহমান বলেন, মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করা গেলে রোগের প্রকোপ কমবে এবং চিকিৎসাব্যবস্থার ওপর চাপও হ্রাস পাবে। জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং দেশটির সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দিয়ে পাঠানোর চেষ্টা করা হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখা সম্ভব হবে।’ জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীদের দেশে কাজে লাগানোর বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আগ্রহী হতে হবে। জাপানি ভাষার শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও প্রত্যাশার তুলনায় কম আবেদন পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘জাপানি ভাষায় দক্ষ প্রবাসীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অথবা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে সম্ভাব্য উদ্যোগ নেওয়ার পথ খুঁজে দেখা যেতে পারে।’ দেশের স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রবাসে অবস্থান করলেও সবাই বাংলাদেশের নাগরিক এবং দেশের উন্নয়নে প্রত্যেকেরই ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।’ তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও জনশক্তির দক্ষতা বাড়ানোর মতো ক্ষেত্রগুলোতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে সভায় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০ ঘন্টা আগে
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: কেন্দ্রে যাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম

 ইতিমধ্যে উপ-নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ। নির্বাচনি উত্তাপের পর ঠাকুরগাঁওয়ে এখন ভোটের অপেক্ষা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জনপ্রতিনিধি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম।জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে সংসদীয় আসন ৩ ঠাকুরগাঁও ১ আসন গঠিত হয়েছে, এ আসনে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম পাঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, কোনো পক্ষকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবেন। নির্বাচনের ফলাফল যে পক্ষেই যাক, তা মেনে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব বলেও জানান পুলিশ সুপার।এদিকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনি এলাকায় বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. সুরুজ মিয়া জানান, ভোটাররা যাতে নিরাপদে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

২২ ঘন্টা আগে
কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক এমপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক এমপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রউফ ও তার স্ত্রী জান্নাতুন নাহারের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বুধবার (২৮ অক্টোবর) কুষ্টিয়ায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি দায়ের করা হয়।দুদকের এজাহার অনুযায়ী, আবদুর রউফের বিরুদ্ধে ২ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৬০৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে।এজাহারে বলা হয়েছে, অনুসন্ধানে আবদুর রউফ ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে মোট ২ কোটি ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া তার ঋণের পরিমাণ ২৩ লাখ ৩১ হাজার ৭১২ টাকা। পারিবারিক খরচ, কর পরিশোধ ও অন্যান্য খাতে তার ব্যয় হয়েছে ৬৬ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৩ টাকা।অন্যদিকে, দুদকের হিসাবে আবদুর রউফের গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৬৫ হাজার ৮২৮ টাকা। এ আয়ের সঙ্গে তার সম্পদ ও ব্যয়ের হিসাব মিলিয়ে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্ত্রী জান্নাতুন নাহারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৯২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। এজাহারে বলা হয়, জান্নাতুন নাহারের নামে ১ কোটি ৭১ লাখ ৮৯ হাজার ২৯২ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। পারিবারিক খরচ, কর পরিশোধ ও অন্যান্য ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের মূল্য দাঁড়ায় ১ কোটি ৯৪ লাখ ৬৪ হাজার ২৯২ টাকা। এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, আবদুর রউফ সংসদ সদস্য থাকাকালে তার পদ-পদবি ব্যবহার করে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ঘুষ ও দুর্নীতির অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। এ অভিযোগে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং আবদুর রউফের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের এজাহার অনুযায়ী, ১৯৮৫ সাল থেকে ২০২৫ সালের ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের তথ্য পর্যালোচনা করে এ অনুসন্ধান করা হয়। গত ১৩ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয় মামলা দায়েরের অনুমোদন দেয়। তদন্তে আরও কোনো সম্পদ বা অন্য কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তা মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

২২ ঘন্টা আগে
আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি অন্ধ্র প্রদেশ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে কমতে পারে তাপমাত্রা।বুধবার (২৮ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ ছাড়া পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও বরিশাল জেলাসহ ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ কমে আসতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পূর্বাভাসে সবশেষ রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে এবং সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিন পর সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

২২ ঘন্টা আগে
২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করা না গেলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যাবে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামীলীগ নেতা হানিফের মৃত্যুদণ্ড, তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড

জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যা এবং আরও কয়েকজনকে আহত করার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এক বক্তব্যে আন্দোলন দমনে ‘যেকোনোভাবে’ নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেন দলটির নেতা আজগর আলী। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই বক্তব্যসহ আসামিদের নির্দেশনা ও সাংগঠনিক ভূমিকার প্রভাবেই কুষ্টিয়ায় হত্যাকাণ্ডগুলো সংঘটিত হয়। গত বছরের ৬ অক্টোবর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। একই বছরের ২ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালে মামলাটির বিচার শুরু হয়। মামলায় প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনে। তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ৯৯ জন সাক্ষ্য দেন। মামলায় চার আসামিই বর্তমানে পলাতক থাকায় তাঁদের পক্ষে রাষ্ট্রের খরচে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল। এর আগে গত ১০ জুন যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিলের পর পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। রায়ে আসামিদের স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বা তার মূল্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

লিংক কপি করা হয়েছে!
“
৩ দিন আগে

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

সাই পল্লবী তার গোপনে বিয়ে নিয়ে যা বললেন

দক্ষিণি তারকা সাই পল্লবী‘ রামায়ণ’ সিনেমার মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এরই মধ্যে তাকে জগপতি বাবুর সঙ্গে ‘জয়ম্মু নিশ্চয়ম্মু রা’ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় মৌসুমে দেখা যায়। সেখানে নিজের বোন পূজার বিয়ের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। একই সঙ্গে জানান, বোনের বিয়ের আয়োজন করতে গিয়ে কীভাবে তাকে নিয়ে গোপনে বিয়ে করার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। সাই পল্লবী বলেন, `আমি ওর (পূজা) লেহেঙ্গাগুলো পরখ করে দেখতাম। তখন অনেকে ভাবতেন, আমি গোপনে বিয়ে করছি। কারণ, আমি বাজারে গিয়ে বলতাম, ‘আমাকে বিয়ের সব পোশাক দেখান।’ তারা ভাবতেন, এটা আমার বিয়ে এবং আমি নিজের জন্য পোশাক পরখ করছি। তাই বিষয়টি আমাকে লুকিয়ে রাখতে হতো।’ অনুষ্ঠানে সাই পল্লবীর বোন পূজার একটি রেকর্ড করা বার্তাও শোনানো হয়। সেখানে বোনের বিয়ের আয়োজনের পুরো দায়িত্ব কীভাবে সাই পল্লবী সামলেছিলেন, তা তুলে ধরেন পূজা। তিনি বলেন, ‘পল্লবী আর আমি দুজনেই একমত যে বিয়েটা খুব সুন্দর হয়েছিল। আমার মনে হয়, আমি বিয়েটা উপভোগ করেছি। তবে সত্যি বলতে, সবকিছুই পল্লবী সামলেছিল। আমি অস্ট্রেলিয়ায় ছিলাম। বিয়ের মাত্র ১০ দিন আগে ভারতে ফিরেছিলাম। সাজসজ্জা থেকে শুরু করে আমার শাড়ি—সবকিছুর দায়িত্ব পল্লবী নিয়েছিল। সে আমার জন্য কেনাকাটা করতো, নিজে পোশাক, লেহেঙ্গা ও শাড়ি পরে দেখতো।’ পূজা আরও বলেন, ‘পল্লবী বিভিন্ন দোকানে গিয়ে পোশাকের বিকল্পগুলো দেখতো, যাতে সেগুলো আমাকে পাঠানো যায়। কোনও আত্মীয় বা অন্য কেউ আমাকে উদ্বিগ্ন করে তুললে, পল্লবী তাকে সামলে নিতো। সে চাইতো, আমি যেন ভালো থাকি এবং কোনও চাপ অনুভব না করি।’ এদিকে বলিউডে অভিষেকের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাই পল্লবী। ‘রামায়ণ’ সিনেমায় সীতার চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। রামের ভূমিকায় রয়েছেন রণবীর কাপুর এবং রাবণের চরিত্রে দেখা যাবে যশকে। সিনেমাটি আগামী ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ‘ওম: চ্যাপ্টার ১—উধিরাম: দ্য ব্লাড উড’ সিনেমাতেও অভিনয় করছেন সাই পল্লবী। রাজকুমার পেরিয়াসামি পরিচালিত এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে রয়েছেন ধানুশ ও মাম্মুট্টি। নতুন সূচি অনুযায়ী, সিনেমাটি আগামী ২০ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।

বারবার প্রস্রাবের সংক্রমণ? কিডনির সুস্থতায় ৩ যোগাসন

মূত্রনালির সংক্রমণ হলে বারবার প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ কিংবা তলপেটে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখেন, আবার কেউ কেউ পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। এসব অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কিডনির সুস্থতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান, সময়মতো প্রস্রাব করা এবং পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জীবনযাপনে যত্ন নেওয়া জরুরি। যোগাসন শরীরচর্চার একটি উপায়। নিয়মিত যোগাভ্যাস শরীরের নমনীয়তা ও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক করে। তবে মনে রাখা দরকার, কোনও যোগাসনই মূত্রনালির সংক্রমণ সারানোর বা কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। এ ধরনের সমস্যা কমাতে দৈনন্দিন অভ্যাসের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই আসনটি করতে প্রথমে ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা সোজা রাখুন এবং হাত শরীরের দুপাশে রাখুন। এরপর পা দুটি মুড়ে পদ্মাসনের ভঙ্গি তৈরি করুন। ডান পা বাঁ ঊরুর উপর এবং বাঁ পা ডান ঊরুর উপর রাখুন। ধীরে ধীরে পিঠ সামান্য তুলে শরীরকে ধনুকের মতো বাঁকানোর চেষ্টা করুন। স্বাচ্ছন্দ্য থাকলে হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। ঘাড়, পিঠ বা হাঁটুতে অস্বস্তি হলে জোর করে এই ভঙ্গি করবেন না। বিপরীত নমস্কার বদ্ধ কোণাসন ম্যাটের উপর পিঠ সোজা করে বসুন। দুই হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। এরপর দুই হাত পিঠের পিছনে নিয়ে গিয়ে নমস্কারের ভঙ্গি করার চেষ্টা করুন। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে শরীর সামনের দিকে ঝোঁকাতে পারেন, তবে যতটা সম্ভব স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখুন। মাথা মাটিতে ঠেকানোর জন্য জোর করবেন না। এই ভঙ্গিতে অসুবিধা হলে সোজা হয়ে বসে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়াই ভালো। পিঠ, হাঁটু বা কাঁধে সমস্যা থাকলে আগে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। নৌকাসন করতে প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের উপরের অংশ ও পা মাটি থেকে তুলুন। হাত সামনের দিকে বাড়িয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন। শরীরের ভঙ্গি নৌকার মতো হলে কয়েক সেকেন্ড থাকুন। তারপর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। শুরুতে অল্প সময় ধরে অভ্যাস করুন এবং শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী সময় বাড়ান। কোমর বা পিঠে ব্যথা থাকলে এই আসন করার আগে চিকিৎসক বা প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। মূত্রনালির সংক্রমণ ও কিডনির পাথর এড়াতে কী করবেন? পর্যাপ্ত পানি পান করুন, দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখবেন না এবং শৌচাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। তবে কতটা পানি পান করা প্রয়োজন, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। বিশেষ করে কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে যাদের পানি পানের পরিমাণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে, তারা চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলুন। মূত্রনালির সংক্রমণ বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সংক্রমণ সাধারণত নিজে থেকেই কিডনিতে পাথর তৈরি করে না। তবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাব, জ্বর, কাঁপুনি, কোমর বা পিঠের এক পাশে ব্যথা কিংবা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা বা বমি হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধে মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালীন সময়কাল জুড়ে কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যা, উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে মামলার অন্য তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারক প্যানেল এ ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।রায়ে পলাতক চার আসামির প্রত্যেকের অর্ধেকেরও বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।আসামিদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগই আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে:২০২৪ সালের ১৫, ১৭ ও ৩০ জুলাই তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উসকানিমূলক বক্তব্যকে সমর্থন এবং ২৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে সন্ত্রাসী ট্যাগ দিয়ে হত্যার নির্দেশ ও প্ররোচনা প্রদান।২৭ জুলাই হানিফের নির্দেশে কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী কার্যালয়ে বৈঠক ডেকে আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ ও সশস্ত্র আক্রমণের নির্দেশ প্রদান।৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনে নির্দেশপ্রাপ্ত হয়ে কুষ্টিয়া শহরে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সশস্ত্র ক্যাডাররা অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। এ হামলায় আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবুল ফরাজী ও ইউসুফ শেখ—এই ৬ জন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, মামলাটির আইনি সময়রেখা ছিল নিম্নরূপ:২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তদন্ত শুরু হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ৬ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পর ২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করা হয়।৮ ডিসেম্বর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়ে চলতি ২০২৬ সালের ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়।পরবর্তীতে নতুন আলামত ও সাক্ষ্য নিয়ে পুনরায় শুনানির পর ৭ অক্টোবর ২০২৬ যুক্তিতর্ক সমাপ্ত হলে রায় অপেক্ষমাণ (CAV) রাখা হয়। গত মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলেন।আসামিরা বর্তমানে পলাতক থাকলেও গ্রেপ্তারের পর বা আইনানুগ আত্মসমর্পণের পরই তাদের সাজা কার্যকর করা হবে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream