রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী

রাজনীতিতে নেতৃত্ব অর্জন করতে হলে কাজ, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের জন্য কে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, সেটিই বিবেচনায় নেওয়া উচিত।রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিএনপির প্রয়াত নেতা ও সাবেক হুইপ মশিউর রহমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, মশিউর রহমানের মতো অভিজ্ঞ ও নিবেদিত রাজনৈতিক নেতার অভাব এখন অনুভূত হচ্ছে। ঝিনাইদহে তিনি শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন, যার প্রভাব খুলনা বিভাগসহ জাতীয় রাজনীতিতেও পড়েছিল। মৌলবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রামেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটি পুনরুদ্ধার করতে না পারার বিষয়টি দলের জন্য বেদনাদায়ক। মশিউর রহমান বেঁচে থাকলে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি হয়তো ভিন্ন হতে পারত। তবে এ ব্যর্থতার দায় কোনো একক ব্যক্তির ওপর চাপানো ঠিক হবে না। সম্মিলিত ভুল ও সিদ্ধান্তহীনতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে দলকে এগিয়ে নিতে হবে। মশিউর রহমান দলের আদর্শ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁকে যথাযথ সম্মান জানাতে হলে তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলি ও ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করতে হবে।আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, নেতৃত্ব কখনো স্থায়ীভাবে কারও হাতে সীমাবদ্ধ থাকে না। যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে কেউ নেতৃত্বের জায়গায় আসতে পারেন। এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। তাঁদের ভূমিকা নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য শিক্ষণীয়।তিনি আরও বলেন, অনেক সময় রক্তের সম্পর্কের চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শের বন্ধন বেশি শক্তিশালী হয়। দলের আদর্শ, সহকর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠন শক্তিশালী হয়। যারা ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিতে চান, তাঁদের মশিউর রহমানের মতো গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দলের ঐক্য ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, ঝিনাইদহ সদর হয়ে মাগুরা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ঝিনাইদহের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। সরকার প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ওয়াই-আকৃতির সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর নির্দেশনায় এ বিষয়ে সমীক্ষা শুরু হয়েছে।স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সহসম্পাদক মনির খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কূটনীতিক সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।রোববার (৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তিনি বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের স্থলাভিষিক্ত হবেন।এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসাদ আলম সিয়ামের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।২০২৫ সালের ২০ জুন থেকে পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসা আসাদ আলম সিয়াম এবার দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার আগে তাঁকে সেখান থেকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিনি।এর আগে জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট: ইসি সচিব

দেশের প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরের ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।রোববার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব তথ্য জানান।আখতার আহমেদ বলেন, প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে আসন্ন কোনো নির্বাচনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না। যদিও অব্যবহৃত ইভিএমগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।এদিকে নাগরিকদের সেবা আরও সহজ ও উন্নত করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ পরিকল্পনার আওতায় ছয় বছর বয়স থেকেই নাগরিকদের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব।

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। গত এক দিনে মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২ হাজার ৩৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন।রোববার (৮ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪৬১ জন। এর মধ্যে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই মারা গেছেন ৩৮ জন। এছাড়া অক্টোবর মাসে ১৭৪ জন, সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে রোগী মারা গেছেন।প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ১২৪ জন ঢাকা বিভাগের। এছাড়া খুলনায় ৩৩২ জন, চট্টগ্রামে ২৭২ জন, বরিশালে ২৩১ জন, রাজশাহীতে ২১৩ জন, ময়মনসিংহে ৭৪ জন, রংপুরে ৭৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৫ জন ভর্তি হয়েছেন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯১৩ জনে। এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৯ জন।

রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী

রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী

রাজনীতিতে নেতৃত্ব অর্জন করতে হলে কাজ, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মাধ্যমে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে দলের জন্য কে সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, সেটিই বিবেচনায় নেওয়া উচিত।রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত বিএনপির প্রয়াত নেতা ও সাবেক হুইপ মশিউর রহমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, মশিউর রহমানের মতো অভিজ্ঞ ও নিবেদিত রাজনৈতিক নেতার অভাব এখন অনুভূত হচ্ছে। ঝিনাইদহে তিনি শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন, যার প্রভাব খুলনা বিভাগসহ জাতীয় রাজনীতিতেও পড়েছিল। মৌলবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রামেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।তিনি আরও বলেন, গত নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটি পুনরুদ্ধার করতে না পারার বিষয়টি দলের জন্য বেদনাদায়ক। মশিউর রহমান বেঁচে থাকলে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি হয়তো ভিন্ন হতে পারত। তবে এ ব্যর্থতার দায় কোনো একক ব্যক্তির ওপর চাপানো ঠিক হবে না। সম্মিলিত ভুল ও সিদ্ধান্তহীনতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে দলকে এগিয়ে নিতে হবে। মশিউর রহমান দলের আদর্শ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁকে যথাযথ সম্মান জানাতে হলে তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলি ও ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করতে হবে।আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান বলেন, নেতৃত্ব কখনো স্থায়ীভাবে কারও হাতে সীমাবদ্ধ থাকে না। যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যে কেউ নেতৃত্বের জায়গায় আসতে পারেন। এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার কাজে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। তাঁদের ভূমিকা নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য শিক্ষণীয়।তিনি আরও বলেন, অনেক সময় রক্তের সম্পর্কের চেয়ে রাজনৈতিক আদর্শের বন্ধন বেশি শক্তিশালী হয়। দলের আদর্শ, সহকর্মীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সংগঠন শক্তিশালী হয়। যারা ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দিতে চান, তাঁদের মশিউর রহমানের মতো গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দলের ঐক্য ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, ঝিনাইদহ সদর হয়ে মাগুরা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার সঙ্গে ঝিনাইদহের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। সরকার প্রকল্পটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পাশাপাশি পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ওয়াই-আকৃতির সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর নির্দেশনায় এ বিষয়ে সমীক্ষা শুরু হয়েছে।স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম। এ ছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সহসম্পাদক মনির খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।

২ ঘন্টা আগে
পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

পররাষ্ট্র সচিব হলেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী

বাংলাদেশের নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কূটনীতিক সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি দেশের ২৯তম পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।রোববার (৮ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। তিনি বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামের স্থলাভিষিক্ত হবেন।এদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসাদ আলম সিয়ামের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।২০২৫ সালের ২০ জুন থেকে পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসা আসাদ আলম সিয়াম এবার দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার আগে তাঁকে সেখান থেকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হয়। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরেও তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিনি।এর আগে জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করেন সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

২ ঘন্টা আগে
প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট: ইসি সচিব

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট: ইসি সচিব

দেশের প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে উপজেলা সদরের ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।রোববার (৮ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব তথ্য জানান।আখতার আহমেদ বলেন, প্রথম পর্যায়ে ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে আসন্ন কোনো নির্বাচনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে না। যদিও অব্যবহৃত ইভিএমগুলোর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সে ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।এদিকে নাগরিকদের সেবা আরও সহজ ও উন্নত করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ পরিকল্পনার আওতায় ছয় বছর বয়স থেকেই নাগরিকদের ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব।

৩ ঘন্টা আগে
নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর পুকুরে ভেসে উঠল চার শিশুর লাশ

নিখোঁজের ১৮ ঘণ্টা পর পুকুরে ভেসে উঠল চার শিশুর লাশ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে নিখোঁজের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ইয়াছিন হোসেন (৪) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল শনিবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আজ রোববার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামের হাজী বাড়ির পুকুরে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন এক প্রতিবেশী। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করেন। ইয়াছিন ওই বাড়ির দিনমজুর মো. জিতু মেয়ার ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুর ১২টার পর থেকে ইয়াছিনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে ওই দিন রাতে শিশুটির বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শিশুটির বাবা মো. জিতু মেয়া বলেন, ‘আমার অবুঝ ছেলের সঙ্গে বা আমাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা নেই। কারও প্রতি আমাদের সন্দেহও নেই। হয়তো খেলতে গিয়ে সে পানিতে পড়ে মারা গেছে। আমরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের আবেদন করেছি।’ ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় তাদের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

৬ ঘন্টা আগে
এসআরবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফারুক আহমেদ

এসআরবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ফারুক আহমেদ

এলিট ফোর্স স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ানের (এসআরবি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ। রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে তিনি বাহিনীর মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। এসআরবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর ফারুক আহমেদ এসআরবি সদস্যদের সঙ্গে স্বাগত দরবারে অংশ নেন। সেখানে তিনি জনমানুষের কল্যাণে আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতার সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিকভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। দেশের জননিরাপত্তা ও আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সব পর্যায়ের সদস্যদের উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশও দেন মহাপরিচালক ফারুক। ১৯৯৮ সালে ১৭ তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন ফারুক আহমেদ। রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে এক বছর মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ নেন তিনি। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন), র‌্যাব সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) এবং হাইওয়ে পুলিশের প্রধানের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে লাইবেরিয়া ও সুদানেও দায়িত্ব পালন করেছেন ফারুক আহমেদ। তিনি রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে (ইইই) স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

৬ ঘন্টা আগে
কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা

কাজে ফিরেছেন পোশাক শ্রমিকরা

কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ কাটিয়ে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানাগুলোতে কাজে ফিরেছেন শ্রমিকরা। আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) এসব শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকদের উপস্থিতিতে উৎপাদন কার্যক্রমে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এর মধ্য দিয়ে তৈরি পোশাকশিল্পে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরতে শুরু করেছে। এদিকে, গত ৫ নভেম্বর থেকে পোশাক শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধ শুরু হয়েছে । আজ অধিকাংশ কারখানায় বেতন পরিশোধ করা হবে বলে আশা করছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু।  শিল্প পুলিশের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. ইসরাইল হাওলাদার আজ বলেন, শিল্পাঞ্চলগুলোর পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন। আশুলিয়ায় দু’একটি কারখানায় সমস্যা দেখা গেলে সেখানে ছুটি ঘোষণা করা হয়। এরপর শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে কারখানা ত্যাগ করে। মো. ইসরাইল হাওলাদার বলেন, আজ শিল্পাঞ্চলগুলোতে কোনো বিক্ষোভ, সংঘর্ষ বা সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। মোতায়েন করা বিজিবির সদস্যরা ঢাকার সাভার, আশুলিয়া ও মিরপুর, নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, বিসিক শিল্পনগরী, চাষাঢ়া, কাঁচপুর ও শিমরাইল এবং গাজীপুরের চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, মৌচাক, আমবাগ, কাশিমপুর, নাওজোর, ভোগড়া বাইপাস, গাছা ও সালনা এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।

৮ ঘন্টা আগে
সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিঃশেষ ৩০০ পরিবার

সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ বছর ১০ মাসে নিঃশেষ ৩০০ পরিবার

সড়ক দুর্ঘটনায় শুধু একজন বা দুজন নয়, একসঙ্গে প্রাণ হারাচ্ছেন একই পরিবারের একাধিক সদস্য। কখনো মোটরসাইকেলে স্বামী-স্ত্রী, কখনো অটোরিকশায় পরিবারের কয়েকজন, আবার কখনো মাইক্রোবাস কিংবা প্রাইভেটকারে থাকা পুরো পরিবারই ফিরছে লাশ হয়ে। এমন দুর্ঘটনায় গত ছয় বছর ১০ মাসে প্রায় ৩০০ পরিবার পুরোপুরি নিঃশেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।  সংস্থাটির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন যানবাহনে একই পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এর মধ্যে অটোরিকশা, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। রবিবার (৮ নভেম্বর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।  প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অটোরিকশা দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুই থেকে সাতজন পর্যন্ত নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ৫২৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৭২৮ জন। এর মধ্যে একই পরিবারের দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ২১১টি, তিনজন ১১৮টি, চারজন ৯২টি, পাঁচজন ৫৩টি, ছয়জন ৩৮টি এবং সাতজন নিহত হওয়ার ঘটনা ১৩টি। মাইক্রোবাস দুর্ঘটনাতেও একই পরিবারের একাধিক সদস্যের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের ১৮৬টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৭০৮ জন।  এর মধ্যে একই পরিবারের দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ৪৮টি, তিনজন ৪৬টি, চারজন ৩৯টি, পাঁচজন ২৮টি, ছয়জন ২০টি, ১১ জন চারটি এবং ১৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে একটি। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও বাবা-সন্তানের একসঙ্গে মৃত্যুর ঘটনাও উদ্বেগজনক। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা ১৯৩টি এবং বাবা-সন্তান নিহত হওয়ার ঘটনা ১৫৯টি। এসব দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ৩৮৬ জন এবং বাবা-সন্তান ৩১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুই থেকে পাঁচজন নিহত হওয়ার ১০৮টি ঘটনায় প্রাণ গেছে ৩৫২ জনের। অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হওয়ার ৪৫টি ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬২ জন। বাস দুর্ঘটনায় ৩২টি ঘটনায় একই পরিবারের ৮৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া পিকআপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার একটি ঘটনা রয়েছে। পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে কাজে কিংবা ঘুরতে যাওয়ার প্রবণতা, মহাসড়কে অটোরিকশা চলাচল, ফিটনেসবিহীন মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স, চালকদের অদক্ষতা এবং বিশ্রামহীনভাবে গাড়ি চালানোকে এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো এবং ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতাকেও দায়ী করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কমাতে মোটরসাইকেল আরোহীদের মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, মহাসড়কে রোড ডিভাইডার ও সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং গ্রামীণ সড়ক থেকে মহাসড়কে যানবাহন প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপদ নকশা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। পাশাপাশি যানবাহনের চলাচল নজরদারি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিডি প্রতিদিন/এনইউ

৯ ঘন্টা আগে
শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

চলমান শ্রমিক অসন্তোষের মধ্যে শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ৩৩ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যরা ঢাকার সাভার, আশুলিয়া ও মিরপুর; নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেট, জালকুড়ি, বিসিক শিল্পনগরী, চাষাঢ়া, কাঁচপুর ও শিমরাইল এবং গাজীপুরের চন্দ্রা, পল্লীবিদ্যুৎ, মৌচাক, আমবাগ, কাশিমপুর, নাওজোর, ভোগড়া বাইপাস, গাছা ও সালনা এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। বিজিবি সদর দপ্তরের মনিটরিং সেল থেকে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও সরাসরি ভিডিও চিত্র সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যরা। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিল্পাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা, জনসাধারণের জানমালের সুরক্ষা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে বিজিবির মোতায়েন ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। প্রসঙ্গত, ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে পোশাকশ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ চলছিল। এর মধ্যে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণে ছয় সদস্যের নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার।

৯ ঘন্টা আগে
বাঁওড়ে মাছ উৎপাদন ১০ শতাংশ বৃদ্ধির উদ্যোগ সরকারের

বাঁওড়ে মাছ উৎপাদন ১০ শতাংশ বৃদ্ধির উদ্যোগ সরকারের

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন বাড়ানো এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মৎস্য উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।  দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার মধ্যে রয়েছে যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া। দীর্ঘ ১৫ বছর পর এসব জেলায় এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রস্তাবিত এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় বা মরা নদীগুলো খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।  ২০২৫ সালে যশোরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক ওই অঞ্চলের বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেন। ওই বছরের ডিসেম্বরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রকল্প গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। প্রকল্পের জনবল কাঠামো অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়। বর্তমান সরকারের সময়ে জনবল কাঠামোর অনুমোদন পাওয়ার পর প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্দিষ্ট অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমেও মাছের বসবাস ও বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে বাঁওড় ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, পোনা সরবরাহ ও সম্প্রসারণ সেবার অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জরাজীর্ণ ৬টি বাঁওড় ব্যবস্থাপকের অফিস ভবন পুননির্মাণে ৭ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার টাকার উল্লেখ করা হয়েছে। পাঁচ বছরে ২৯০টি বিল নার্সারি স্থাপনে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং রুই ও দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণে পৃথকভাবে ৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। বিল নার্সারির মাধ্যমে পোনা লালন-পালন ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের সরঞ্জাম খাতে ৮ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে জলাশয় খনন, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন, পানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু মাছের উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং বাঁওড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য। নির্বাচিত জলাশয় চিহ্নিত করে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, মাছের নিরাপত্তায় নজরদারি এবং স্থানীয় মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘অভয়াশ্রমের নির্ধারিত এলাকায় মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে, যাতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। বর্ষা মৌসুমে মাছ আশপাশের নদী ও বিলে ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে স্থানীয় জেলেরা মাছ আহরণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যজীবীদের জীবিকায় দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. খালেদ কনক বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর পর দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার বাঁওড় বা মরা নদীতে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দরিদ্র মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার মানুষের সঙ্গে সরকারের একটি সম্পর্ক তৈরি হবে। তিনি বলেন, অনেক বাঁওড় অগভীর হয়ে যাওয়ায় মাছের বসবাস ও উৎপাদনের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে জলাশয়ের উন্নয়ন এবং সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনার কার্যকর কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, বাঁওড়ের প্রকৃত মৎস্যজীবীদের একটি তালিকা তৈরি করাও প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। নব্বইয়ের দশকে গঠিত মৎস্যজীবী সমিতিগুলোর সদস্যতালিকা দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ হয়নি। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অন্তর্ভুক্তি, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাছ আহরণের সুফল সুষমভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁওড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের জীবিকা ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে। মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য অর্জিত হলে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এর সুফল অব্যাহত থাকবে। সূত্র: বাসস

৯ ঘন্টা আগে
৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

হিন্দুস্তান থেকে প্যারাশুটে নামবেন, না হেলিকপ্টারে, একটু বলে দিন: রিজভী

শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জনগণের কাছে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করা হবে।রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজনে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, শহীদদের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফেরার কথা বলছেন। তিনি নাকি ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন। কিন্তু আবু সাঈদসহ এত মানুষের প্রাণহানি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে হত্যার ঘটনার বিচার হবে না কেন? দেশে ফিরলে এসব হত্যাকাণ্ডের জবাব দিতে হবে।২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে বিএনপির এই নেতা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের শাসনামলে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মতো ঘটনা রাষ্ট্রের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল বলে তিনি মনে করেন। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষও নির্যাতন ও হত্যার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।রিজভী বলেন, ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষের আন্দোলনেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তাঁর দাবি, ৭ নভেম্বরের গণজাগরণের চেতনা পরবর্তী সময়ে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানেও প্রেরণা জুগিয়েছে।তিনি আরও বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীরা ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে সতর্ক রয়েছেন। বাংলাদেশকে কোনো দেশের অধীনস্থ বা সেবাদাস হতে দেওয়া হবে না।বিএনপির রাজনীতি নিয়ে রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে সরে যাননি। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অটল রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ইসলামের নামে রাজনীতি করা কিছু দলের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগও তোলেন বিএনপির এই নেতা।

লিংক কপি করা হয়েছে!

চট্টগ্রামে পরীমণিকে বয়কটের আহ্বান ও জুতা নিক্ষেপ

সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অপমানজনক আচরণের প্রতিবাদে ঢাকাই চলচ্চিত্রের চিত্রনায়িকা পরীমণিকে বয়কটের আহ্বান জানিয়ে বিক্ষোভ ও তাঁর ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করেছেন চট্টগ্রামের একদল সাংবাদিক।শনিবার (৭ নভেম্বর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে এবং সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব। স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ ও সংবাদ প্রকাশ করতে না দেওয়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জনগণের জানার অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। তারকাখ্যাতি থাকলেই কেউ আইনের ঊর্ধ্বে চলে যান না এবং একজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে এ ধরনের উদ্ধত আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে দেশের পুরো সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তারা। প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে বিক্ষুব্ধরা চিত্রনায়িকা পরীমণির ছবিতে জুতা নিক্ষেপ করে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন।এর আগে গত ৫ নভেম্বর আদালতে জামিন পাওয়ার পর ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে দৈনিক সমকালের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক রবিউল হোসেন রাজুর ওপর চড়াও হন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সেই ঘটনার জের ধরেই সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে এই প্রতিবাদের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

শীতে ঠোঁটের যত্ন নেওয়া জরুরি

শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই অনেকের ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চামড়া ওঠা কিংবা ঠোঁটের কোণে ফাটল ধরার মতো সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। মুখের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় ঠোঁটের ত্বক বেশ পাতলা হয় এবং এতে কোনো তেল উৎপাদনকারী গ্রন্থিও থাকে না। ফলে সহজেই ঠোঁট তার আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে এবং অবহেলা করলে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও ফাটলের সৃষ্টি হয়।বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া এবং ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাসের কারণে ঠোঁটের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হয়।ঠোঁট শুকিয়ে গেলে অনেকেই জিভ দিয়ে ভেজানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লালা শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠোঁট আরও বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে। শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।সুগন্ধিযুক্ত লিপস্টিক, লিপবাম বা টুথপেস্টের উপাদানে অ্যালার্জি বা প্রদাহ হতে পারে। আয়রন বা ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি কিংবা একজিমা ও নানা ধরনের সংক্রমণের কারণেও ঠোঁট ফাটার সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুগন্ধি ও স্বাদহীন পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভালো মানের লিপবাম ব্যবহার করুন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে এটি লাগানো অত্যন্ত উপশমকারী।বারবার জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো এবং শুকনো চামড়া টেনে তোলার অভ্যাস ত্যাগ করুন। শরীর হাইড্রেটেড রাখতে নিয়মমাফিক পর্যাপ্ত পানি পান করুন।সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষার জন্য বাইরে যাওয়ার সময় এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার ব্রড-স্পেকট্রাম লিপবাম ব্যবহার করুন।মেনথল, কর্পূর বা অতিরিক্ত সুগন্ধযুক্ত পণ্য ঠোঁটের অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তাই এমন কোনো প্রসাধনী ব্যবহারের পর জ্বালাপোড়া অনুভূত হলে তা বর্জন করুন।সাধারণ যত্ন নেওয়ার পরও যদি ঠোঁটের ফাটল না কমে কিংবা তীব্র ব্যথা, প্রদাহ বা ক্ষত ও সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ছোট কিছু সতর্কতাই পারে শীতের আগেই আপনার ঠোঁটকে কোমল ও সুরক্ষিত রাখতে।

উখিয়ায় এআরও সদস্য আটক,বিমানবন্দরে আরেক রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার

উখিয়ায় এআরও সদস্য আটক,বিমানবন্দরে আরেক রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের কক্সবাজারের উখিয়ায় সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা অর্গানাইজেশনের (এআরও) সক্রিয় সদস্য সন্দেহে নূর মোহাম্মদ (৪২) নামে এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। একই দিন কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা থেকে সন্দেহজনকভাবে চলাফেরার অভিযোগে সামসুল আলম ওরফে সামসু নামে আরও এক রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১০ মিনিটের দিকে উখিয়ার শফিউল্লাহকাটা পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে নূর মোহাম্মদকে আটক করা হয়।৮ এপিবিএন সূত্রে জানা যায়,গত ৭ নভেম্বর নারীঘটিত অভিযোগকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদকে অপহরণ করে জামতলী ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ পিপিএমের নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) তফসীর উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করেন।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর মোহাম্মদ এআরওর সক্রিয় সদস্য এবং এর আগে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ক্যাম্প এলাকায় বিভিন্ন নারীঘটিত অভিযোগ রয়েছে বলেও জানানো হয়।এছাড়া তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে। মামলা দুটি হলো ২০২২ সালের ২১ মার্চের ৯১ নম্বর মামলা এবং একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বরের ৯৩ নম্বর মামলা। উভয় মামলাই বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। আটক নূর মোহাম্মদকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।অন্যদিকে,একই দিন সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় সন্দেহজনকভাবে চলাফেরার অভিযোগে সামসুল আলম ওরফে সামসুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার পরিচয় ও এফসিএন নম্বর যাচাই করা হয়।বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উখিয়ার ১৪ এপিবিএনের আওতাধীন লম্বাশিয়া ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।৮ এপিবিএন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream