শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবের মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সংঘটিত এই দুর্ঘটনায় এলাকায় এবং নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহতরা সবাই ‘আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্নভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়।   প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন।   দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এবং নিহত বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রবাসীরা কাজ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।   

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড তাওহিদ হৃদয়ের

মাইলফলক স্পর্শ করেই সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞদের কাতারে নাম লিখিয়েছিলেন তাওহিদ হৃদয়। চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির স্বাদ পান এই তরুণ টপ-অর্ডার ব্যাটার।কিন্তু শুধু মুশফিকদের স্পর্শ করেই থামেননি হৃদয়, শেষ পর্যন্ত সবাইকে ছাড়িয়ে নাম লিখিয়েছেন ইতিহাসে—টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের নতুন বিশ্বরেকর্ড এখন তাঁর দখলে।সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টেস্টের তৃতীয় দিনে ভেঙে গেছে একের পর এক দীর্ঘদিনের রেকর্ড:মুশফিকের ২১৯ রানের রেকর্ড ভঙ্গ: ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে খেলা মুশফিকুর রহিমের ২১৯ রানের ইনিংসটি প্রায় ৮ বছর ধরে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড হিসেবে অক্ষত ছিল। ৩৫০-এর বেশি বল খেলে অবিশ্বাস্য ধৈর্য ও দারুণ শট নির্বাচনের মাধ্যমে মুশফিককে টপকে যান তাওহিদ হৃদয়।মুমিনুলের প্রথম সেঞ্চুরিতে বড় ইনিংসের রেকর্ড ভাঙন: ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে ১৮১ রানের বিশাল ইনিংসে রূপ দিয়েছিলেন মুমিনুল হক। দীর্ঘ ১৩ বছর পর দ্বিতীয় সেশনেই সেই রেকর্ড নিজের করে নেন হৃদয়।সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মাহমুদুল হাসান জয়ের আগের ১৭১ রানের ইনিংস টপকে মাঠের সেরা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের একক মালিক হন তিনি।   ধৈর্যশীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের মিশেলে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপান্তরিত করে তাওহিদ হৃদয় বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে যুক্ত করলেন এক নতুন ও বর্ণিল স্বর্ণ অধ্যায়।

গ্রামপুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ও অবসরকালীন আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) বাড়ানোর বড় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিকের পরিমাণ ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রামপুলিশের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। তিনি ঘোষণা দেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামপুলিশের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য তারা সবার আগে জানতে পারেন। এসব তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সময়মতো জানালে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।তিনি আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনও গ্রামে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।অতীতের রাজনৈতিক ও সামাজিক দূরবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সমাজে ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটানো হয়েছিল। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি করে পারিবারিক ও সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করা হয়।তিনি স্পষ্ট করেন যে, এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়। সমাজের অপরাধ কমাতে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সম্প্রীতির সংস্কৃতিকে পুনর্জীবিত করতে হবে, যেখানে গ্রামপুলিশ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বক্তব্যের শুরুতে তরুণ প্রজন্মের পরিবেশিত ডিসপ্লের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সকলকে নজরুলবর্ষের শুভেচ্ছা জানান। দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল।১৯৭৫ সালের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এ কারণেই ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ ছিল দেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের অবদানকে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ণয়ের দিন। সময়ের সাথে সাথে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, যতবার দেশ ৭ নভেম্বরের এই মূল পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই বাংলাদেশ ও তার জনগণের সার্বভৌমত্ব চরম হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: গণতন্ত্র ও দেশ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর

মোহাম্মদ মাসুদ মজুমদার:জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আহমেদ আযম খান এমপি গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত মোকাবিলায় দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জনাব মো. আবুল হাশানাত হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব ইশরাক হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক জনাব আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি জনাব ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনাব ইলিয়াছ খান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতার অন্যতম মূল অঙ্গীকার ছিল গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে নানা বাধা সৃষ্টি হয়েছে এবং এ দেশের মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও গুমের শিকার হয়েছে। এমন এক সংকটময় ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ইতিহাসের প্রয়োজনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশকে রক্ষায় এগিয়ে আসে।মন্ত্রী বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু দেশের স্বাধীনতা রক্ষাই করেননি, ক্রান্তিলগ্নে দেশের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিকাশ এবং জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুসংহত অগ্রগতির মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।মন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় জীবনে বিভাজন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন সব অপতৎপরতা মোকাবিলা করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে হবে। একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও জাতীয় সংহতির কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব জনাব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অন্যান্য অতিথিরা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এর তাৎপর্য এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় সংহতি প্রতিষ্ঠায় দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।আলোচনা সভা শুরুর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

১ ঘন্টা আগে
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবের মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৭ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সংঘটিত এই দুর্ঘটনায় এলাকায় এবং নিহতদের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।   নিহতরা সবাই ‘আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্নভাবে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়।   প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের মধ্যে আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তাঁর দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন।   দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ এবং নিহত বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রবাসীরা কাজ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।   

৫ ঘন্টা আগে
গ্রামপুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রামপুলিশের বেতন বৃদ্ধি ও ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ও অবসরকালীন আনুতোষিক (গ্র্যাচুইটি) বাড়ানোর বড় ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের মাসিক বেতন ৭ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার ৫০০ টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানদের বেতন ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া সাধারণ গ্রামপুলিশ সদস্যদের অবসরকালীন আনুতোষিকের পরিমাণ ৭০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৮০ হাজার টাকা এবং গ্রামপুলিশ প্রধানদের জন্য ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত গ্রামপুলিশের মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা জানান। তিনি ঘোষণা দেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর থেকেই সরকারের এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তসমূহ কার্যকর করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রামপুলিশের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য তারা সবার আগে জানতে পারেন। এসব তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সময়মতো জানালে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।তিনি আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষের শিকড় এখনও গ্রামে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শান্তি ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি।অতীতের রাজনৈতিক ও সামাজিক দূরবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সমাজে ব্যাপক সামাজিক অবক্ষয় ঘটানো হয়েছিল। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার পরিবেশ তৈরি করে পারিবারিক ও সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করা হয়।তিনি স্পষ্ট করেন যে, এ ধরনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়। সমাজের অপরাধ কমাতে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ এবং সম্প্রীতির সংস্কৃতিকে পুনর্জীবিত করতে হবে, যেখানে গ্রামপুলিশ সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

৭ ঘন্টা আগে
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৮টার পর দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি ফাতিহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।এদিকে, দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি। শনিবার বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এতে হেঁটে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান। নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে র‍্যালিটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় অতিক্রম করবে। এরপর বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

৮ ঘন্টা আগে
নানা কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

নানা কর্মসূচিতে পালিত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস

আজ শনিবার, ৭ই নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার অভূতপূর্ব ও ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী যাবতীয় চক্রান্ত নস্যাৎ করা হয়েছিল। ঐতিহাসিক এই দিনে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে (পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রে অধিষ্ঠিত করা হয়। এর মাধ্যমে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন এবং স্থিতিশীলতার সূচনা ঘটেছিল।দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন।জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপি সপ্তাহব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আজ সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হবে। পায়ে হেঁটে এই ঐতিহাসিক শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, সকালে উদ্বোধনী বক্তব্যের পর নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি কাকরাইল, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলা মোটর ও ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারের পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রধানমন্ত্রীসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।৭ই নভেম্বরকে জাতীয় ইতিহাসের একটি অতীব তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতার এই সমন্বিত প্রতিরোধ তৎকালীন সব গভীর চক্রান্ত নস্যাৎ করেছিল। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বৈরাচারী প্রবৃত্তি প্রতিহত করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি সামরিক বাহিনী, ছাত্র-জনতা ও সকল রাজনৈতিক দলকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানান।জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টার জন্য ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ টোলমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব ধরণের যানবাহনের জন্য এই সুবিধা প্রযোজ্য থাকবে।

৯ ঘন্টা আগে
৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

যতবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে এবং গণতন্ত্র বিপন্ন হয়েছে, ততবারই ৭ নভেম্বরের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের চেতনায় বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বক্তব্যের শুরুতে তরুণ প্রজন্মের পরিবেশিত ডিসপ্লের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী সকলকে নজরুলবর্ষের শুভেচ্ছা জানান। দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে ৭ নভেম্বরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের দিন হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী সব চক্রান্ত নস্যাৎ করে দিয়েছিল।১৯৭৫ সালের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে তৎকালীন সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে গৃহবন্দি করা হয়েছিল। সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে স্বাধীনতার ঘোষককে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এবং দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করার অপচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। এ কারণেই ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের চেতনার বাতিঘর।ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ ছিল দেশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টও সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের অবদানকে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা নির্ণয়ের দিন। সময়ের সাথে সাথে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, যতবার দেশ ৭ নভেম্বরের এই মূল পথরেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে, ততবারই বাংলাদেশ ও তার জনগণের সার্বভৌমত্ব চরম হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

৯ ঘন্টা আগে
শুষ্ক আবহাওয়া শেষে বৃষ্টির নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস

শুষ্ক আবহাওয়া শেষে বৃষ্টির নতুন বার্তা দিলো আবহাওয়া অফিস

আগামী ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ৯ ও ১০ নভেম্বর বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর আগে কয়েক দিন আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আগামীকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (৯ নভেম্বর) থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে। এ দিন বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ দিন সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ের শুরুর দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে। পাশাপাশি তাপমাত্রাও কমতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, মৌসুমি স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

০৬ নভেম্বর ২০২৬
৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী

৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৭ নভেম্বর, ২০২৬। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সকল চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের শত্রু মিত্র চিহ্নিত করার দিন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিবৃতি দেন তারেক রহমান।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্ম, যুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনায় একটি প্রবাদ বাক্য প্রণিধানযোগ্য। ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, অতীতকে ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ’। সুতরাং, সারাবেলা ইতিহাস চর্চায় মশগুল থাকা সমীচীন নয়; একইভাবে ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ না করাও একটি ঐতিহাসিক ভুল। তিনি বলেন, আমি মনে করি, ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ। যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, যারা জনগণের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে দেশে একদলীয় স্বৈরাচারী শাসন কায়েম করতে চেয়েছিল, যারা দেশের শৌর্য, বীর্য, সাহস এবং সম্মানের প্রতীক সেনাবাহিনীর গৌরবকে ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের এই দিনে দেশপ্রেমিক সিপাহি জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছে। তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের পথ ধরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পরাজিত সেই অপশক্তি মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। বিডিআর পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে সেনাবাহিনীর গৌরব এবং মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করেছিল, জনগণের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করেছিল। হাজারো শহিদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে, বীর ছাত্র জনতার রক্তক্ষয়ী গণ অভ্যুত্থানে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর অবশেষে দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। ২০২৪ ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য ২০২৪ সালে যেভাবে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিল একইভাবে ১৯৭৫ সালেও সিপাহি জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে এসে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে দেশ এবং জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে, দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, এটিই হোক আমাদের এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক-ভৌগোলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে হলে আমাদের ৭ নভেম্বরের মতো সিপাহি জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে। ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ, ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে সিপাহি জনতার বিপ্লব, ৯০ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন কিংবা ২৪ এর ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, এভাবে ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে প্রতিটি বিপ্লব কিংবা অভ্যুত্থানের একটাই আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ কল্যাণমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সংঘটিত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনও দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। আমি জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদযাপন উপলক্ষ্যে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি। ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

০৬ নভেম্বর ২০২৬
জুমার পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

জুমার পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর, খেলাধুলার সরঞ্জাম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

রাজধানীর বনানীতে জুমার নামাজ আদায় শেষে একদল শিশু-কিশোরের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খেলাধুলা নিয়ে গল্প করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর তিনি শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং তারা কী কী খেলা খেলে ও পছন্দ করে তা জানতে চান।’ রুমন আরও জানান, কয়েকজন শিশু জানায় তারা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলে, তখন প্রধানমন্ত্রী তারা বাস্কেটবল ও টেবিল টেনিস খেলে কি না তাও জানতে চান। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শিশুদের আশ্বাস দেন যে তিনি তাদের জন্য খেলাধুলার সরঞ্জামের ব্যবস্থা করবেন। এরপর তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং ‘ঠিক আছে, সবাই ভালো থেকো’ বলে তাদের কাছ থেকে বিদায় নেন।

০৬ নভেম্বর ২০২৬
৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা জীবিত থাকা পর্যন্ত দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলতে পারে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

মৌলভীবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

মৌলভীবাজারে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা,র‍্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে মৌলভীবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাসের রহমান।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন,জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান,অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান মুজিব,জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জামাল মিয়া,জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপন,জেলা বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার দাস এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিনসহ অন্যান্য অতিথি ও নেতৃবৃন্দ।আলোচনা সভায় বক্তারা ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি,তাৎপর্য ও জাতীয় জীবনে এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরে জেলা জাসাসের শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এদিকে,বিকেলে জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেয়র চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা বিএনপির পৃথক কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ,রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!

বিয়ে করলেন পারশা মাহজাবীন, স্বামীর মুখ ঢেকে ছবি প্রকাশ

তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার পারশা মাহজাবিনের বিয়ের খবর এবং স্বামীর মুখ ঢেকে ছবি প্রকাশ করার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।   এ বিষয়ে পারশার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২৬ অক্টোবর দেশের বাইরে তাঁদের আক্দ সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভিসা জটিলতার কারণে সেই অনুষ্ঠানে তাঁর পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারেননি, কেবল বরের পরিবারের সদস্যরা সেখানে ছিলেন। আগামী ছয় মাসের মধ্যে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের নিয়ে বড় পরিসরে মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।   স্বামীর পরিচয় প্রকাশ না করার বিষয়ে রসাত্মক মন্তব্য করে পারশা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, পুরুষ মানুষের রূপ-লাবণ্য জনসমক্ষে এনে সমাজে তিনি কোনো ধরনের ফিতনা ছড়াতে চান না। একই সঙ্গে বরের পরিচয় জানতে চেয়ে তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে বিব্রত না করার অনুরোধও জানিয়েছেন এই গায়িকা। মূলত পরিচয় প্রকাশ করলে সবাই তাঁকে চিনে ফেলবে—এই কারণেই আপাতত জীবনসঙ্গীকে আড়ালে রেখেছেন এবং ছবিতে ফুল দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন তিনি।  

শীতকালে চুলের যত্ন নিবেন যেভাবে

শীতকাল মানেই মিষ্টি রোদ, পিঠা-পুলির উৎসব আর আরামদায়ক আবহাওয়া। কিন্তু এই ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গেই আমাদের ত্বক ও চুলের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতাও কমে যায়, যার ফলে ঠান্ডা ও শুষ্ক বাতাস চুলের ভেতরের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা টেনে নেয়। এর সঙ্গে ধুলাবালি ও কুয়াশা যোগ হয়ে চুলের ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দেয়।শীতকালে মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকানি বৃদ্ধি পায়, বাড়ে খুশকি, চুল সহজে ভেঙে যায় এবং চুলের আগা ফেটে যায়। অনেকেরই এ সময় চুল পড়ার পরিমাণও অনেকখানি বেড়ে যায়, ফলে চুল হারিয়ে ফেলে তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ও প্রাণবন্ত ভাব। তবে একটু সচেতনতা এবং প্রতিদিনের ছোট কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে শীতেও চুল সুস্থ, নরম ও চকচকে রাখা সম্ভব।শীতে চুলের যত্নে তেল মালিশ অত্যন্ত কার্যকর। সপ্তাহে অন্তত দুবার হালকা গরম তেল চুলের গোড়ায় মালিশ করা উচিত। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল কিংবা বাদাম তেল এই সময়ে দারুণ উপকারী। আঙুলের ডগা দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে ধীরে ধীরে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করলে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুলের গোড়া শক্ত হয়। শ্যাম্পু করার অন্তত আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা আগে তেল লাগিয়ে নিতে পারেন। চাইলে রাতে তেল লাগিয়ে পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করেও চমৎকার ফল পাওয়া যায়।শীতে অতিরিক্ত গরম পানিতে গোসল বা চুল ধোয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত গরম পানি মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বা সিবাম ধুয়ে ফেলে, ফলে স্ক্যাল্প আরও বেশি শুষ্ক হয়ে যায় এবং খুশকি বাড়ে। তাই চুল ধোয়ার জন্য সবসময় কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। সবচেয়ে ভালো হয় শ্যাম্পু শেষে চুলে ঠান্ডা পানি ঢাললে; এটি চুলের কিউটিকল বন্ধ করে চুলে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এবং চুলের আগা মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।শ্যাম্পু করার পর চুল নরম ও জটমুক্ত রাখতে অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। তবে মাথায় রাখবেন, কন্ডিশনার সবসময় চুলের আগা থেকে মাঝামাঝি অংশে লাগাতে হবে, কখনোই সরাসরি স্ক্যাল্প বা গোড়ায় লাগানো যাবে না। দুই থেকে তিন মিনিট চুলে রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এ ছাড়া শীতে চুলের বাড়তি পুষ্টির জন্য সপ্তাহে অন্তত একবার মানসম্মত হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।ভেজা অবস্থায় চুল সবচেয়ে বেশি সংবেদনশীল ও নরম থাকে, ফলে এ সময় চুল খুব সহজেই ভেঙে যায়। তাই চুল ভেজা অবস্থায় ভুলেও আঁচড়াবেন না। তোয়ালে দিয়ে খুব জোরে ঘষে চুল মোছার অভ্যাস বাদ দিন। এর পরিবর্তে নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে অতিরিক্ত পানি মুছে নিন। চুল কিছুটা শুকিয়ে ঝরঝরে হলে তবেই চওড়া দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ান। সবসময় চুলের নিচের অংশ থেকে জট ছাড়াতে শুরু করলে চুল কম ভাঙে।বাইরে বের হওয়ার সময় ঠান্ডা বাতাস, কুয়াশা ও ধুলাবালি থেকে চুল সুরক্ষিত রাখতে স্কার্ফ, ওড়না বা টুপি দিয়ে মাথা ও চুল ঢেকে রাখুন। তবে খেয়াল রাখবেন, চুল যেন খুব বেশি টাইট করে বাঁধা না হয়। ঘরে ফিরে এসেই চুল খোলা বাতাসে ছেড়ে দিন, যাতে স্ক্যাল্পে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে। দীর্ঘক্ষণ চুল ঢাকা রাখলে মাথার ত্বকে ঘাম জমে অন্য সমস্যা হতে পারে।শীতকালে চুলের যত্নে কোনো জাদুকরি উপায় নেই, বরং নিয়মিত কিছু অভ্যাসই পারে আপনার চুলকে সুরক্ষা দিতে। সঠিক নিয়মে তেল মালিশ, পরিমিত তাপমাত্রার পানির ব্যবহার এবং নিয়মিত কন্ডিশনিং—এই সহজ ছোট অভ্যাসগুলো মেনে চললেই শীতেও আপনার চুল থাকবে নরম, মসৃণ, দীপ্তিময় ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

কক্সবাজারে মাটিচাপা অস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারে মাটিচাপা অস্ত্র উদ্ধার,গ্রেপ্তার ১

কক্সবাজারের উখিয়ায় ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) বিশেষ অভিযানে একটি ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা গুলিসহ মো. জুবায়ের (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-৮/ইস্ট এলাকায় এ অভিযান শুরু হয়। ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ,পিপিএমের সার্বিক নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার রুহুল আমিন হাওলাদার ও আসাদুজ্জামান আশিকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে।এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্দেহজনক অবস্থায় জুবায়েরকে আটক করা হয়। তিনি ওই ক্যাম্পের এ/বি-৬৬ ব্লকের বাসিন্দা।পুলিশ জানায়,জিজ্ঞাসাবাদে জুবায়েরের হেফাজতে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ১টা ২৫ মিনিটে ক্যাম্পের একটি মাটির ভিটায় খনন চালানো হয়। এ সময় মাটির নিচে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় একটি ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলি সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জব্দতালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার জুবায়েরকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলিসহ উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream