ক্যালিফোর্নিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেসনো শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো দুজন। এএনআই এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সিয়েরা স্কাই পার্ক বিমানবন্দরের কাছে ব্লাইথ এভিনিউ এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ফ্রেসনো ফায়ার বিভাগের বরাত দিয়ে এএনআই নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। ফ্রেসনো ফায়ার বিভাগ জানায়, আহত দুজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে বিমানটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে সেটি তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফ্রেসনো পুলিশ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় এবং নর্থ সেন্ট্রাল ফায়ার বিভাগসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দুর্ঘটনার কারণে আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক গ্যাস অ্যান্ড ইলেকট্রিক কম্পানি (পিজিই) ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎবিভ্রাটের মানচিত্র অনুযায়ী, স্থানীয় বাসিন্দাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়। হতাহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করেনি মার্কিন কর্তৃপক্ষ। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণও জানা যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে জনভোগান্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
দেশে চলমান তীব্র বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের যে সীমাহীন কষ্ট হচ্ছে, তার জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে এই সংকট স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে সরকারের একটি বিশেষ দীর্ঘমেয়াদী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর ফার্মগেটস্থ বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কাইব) মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সরকারপ্রধান এই দুঃখ প্রকাশ ও নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন।আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আজকে যেহেতু বিএনপি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছে, সেহেতু দেশের বহু শিল্প-কারখানার মালিকসহ সাধারণ মানুষ এই জ্বালানি সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছেন—আমি এবং আমার দলের পক্ষ থেকে তাঁদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।”তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জবাবদিহিতামূলক। তাই বিগত স্বৈরাচারী শাসনের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ ও সংকটকে স্রেফ অজুহাত বা ‘এক্সকিউজ’ হিসেবে না দেখিয়ে বাস্তবতাকে স্বীকার করে কাজ করাকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে জানান, এই জ্বালানি সংকট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, যা বাস্তবায়নে কিছু সময়ের প্রয়োজন। তবে এমন একটি সুদৃঢ় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে কোনো অস্থিরতা তৈরি হলেও দেশের মানুষকে আর এমন ক্রান্তিকালের মুখোমুখি হতে না হয়।‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই আলোচনা সভার শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ সব প্রয়াত নেতাকর্মী ও বীর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও অংশ নেন—মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আমানউল্লাহ আমান, ড. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রমুখ।
হাসিনাকে কেন ফেরত দিচ্ছে না ভারত?
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পরোয়ানা জারি ও রায় ঘোষণার পর ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ বন্দি বিনিময় (Extradition) চুক্তির আওতায় তাকে প্রত্যর্পণের এই উদ্যোগ নেওয়া হলেও, ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দু-র এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—চুক্তি থাকা সত্ত্বেও ভারতকে এখনই হাসিনাকে হস্তান্তরে বাধ্য করা যাবে না।২০১৩ সালের বন্দি বিনিময় চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো বিচার বা মামলা যদি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হয় কিংবা অভিযুক্তের অপরাধ ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বলে মনে হয়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশকে ফেরত দিতে বাধ্য নয় অপর পক্ষ। চুক্তির ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারে যদি শতভাগ নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচার বজায় না থাকে, তবে প্রত্যর্পণ আবেদন খারিজ করা সম্ভব। অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে মামলা পরিচালনা করা এবং ট্রাইব্যুনাল থেকে চূড়ান্ত সাজা বা মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশ্ন রয়েছে।ভারতের ১৯৬২ সালের নিজস্ব ‘প্রত্যর্পণ আইন’ (Extradition Act 1962) অনুযায়ী সাজানো বা রাজনৈতিক বিচারের ক্ষেত্রে কাউকে অন্য রাষ্ট্রের হাতে তুলে দেওয়া আটকানোর আইনি বিধান রয়েছে।দিল্লির কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক অবস্থান:আইনি ব্যাখ্যার পাশাপাশি নতুন দিল্লির রাজনৈতিক হিসেব-নিকাশকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় ধরে ভারতের নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত মিত্র হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। সংকটের সময়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া কোনো সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে সাজা খাটার জন্য ঢাকা কর্তৃপক্ষের হাতে সোপর্দ করা হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের কূটনৈতিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে।ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকার চিঠি পাওয়ার পরও চুক্তির আইনি অজুহাত দেখিয়ে ভারত এই প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রী করতে পারে বা শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরে সরাসরি না বলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জনগণের সংকট দেখছে না সরকার: শফিকুর রহমান
বিরোধদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন দেশে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসহ জনগণের নানা ‘সংকট’ সমাধানে সরকার ব্যর্থ। তিনি বলেছেন, ‘সংসদে দাঁড়িয়ে যারা দেশের কোনো সংকট নেই বলে মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দিয়ে জনগণের সমস্যার সমাধান হবে না।’ আজ শনিবার ফেনীর মহিপালে ১১ দলীয় ঐক্যের আয়োজনে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পথসভার আয়োজন করা হয়। জামায়াত আমির বলেন, ‘বিদ্যুৎ কোথাও নেই কিন্তু বিদ্যুৎ শুধু সংসদে আছে। জিজ্ঞেস করলে বলেন, কোনো সংকট নেই! সংসদে দাঁড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলেন, তাদের দ্বারা দেশের মানুষের সমস্যার সমাধান হবে না।’ গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে সমবেত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘‘আপনারা দুটো ভোট দিয়েছেন। একটি সংসদের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশকে মেরামত ও সংস্কার করার জন্য। সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই একমত হয়েছিলাম—গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে তা বাস্তবায়ন করা হবে। ছয় মাস চলে গেছে, সরকার এখনো তা বাস্তবায়ন করেনি। ” বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান অভিযোগ তুলে বলেন, ‘শুরু থেকেই এই সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে। অতীতে যারা জনগণের দাবি অগ্রাহ্য করেছে, তাদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে।’ সরকার সব জায়গায় দলীয়করণ করছে অভিযোগ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘সব জায়গায় আপনারা দলীয়করণ করবেন, আর বিরোধী দল বসে বসে কি আঙুল চুষবে? বিরোধী দল সেসব জায়গায় প্রতিরোধ গড়ে তুলবে!’
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারী সিফাত আব্দুল্লাহকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের। এই আহ্বানের সঙ্গে আপনি একমত?
টমি মিয়ার জীবনী নিয়ে আসছে সিনেমা
টমি মিয়ার জীবনী নিয়ে আসছে সিনেমা
বিশ্বের ১৩৩ দেশের মাঝে বাংলাদেশের চার হাফেজের অনন্য অর্জন
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সংসদে বক্তব্য রাখলেন মির্জা আব্বাস
পৃথক তিনটি অভিযানে অ/স্ত্র/সহ শীর্ষ স/ন্ত্রা/সী গ্রেপ্তার
রাজবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাকে মারধর: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি
মতপ্রকাশের স্বাধীনতার গলা কি চেপে ধরছে সরকার? : হান্নান মাসউদ
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তারেক রহমানকে নিয়ে গান গাইলেন বাউল জুলহাস।