সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনের সরকারি বাসভবনে উঠেছেন।রোববার সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে অশ্বারোহী দলের এসকর্টে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল মাঠে পৌঁছায়।সেখানে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারের সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, জনবিভাগের সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, প্রেস সচিব সরওয়ার আলম এবং সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি তার কার্যালয়ে গিয়ে বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন এবং বঙ্গভবনের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।এর আগে শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বসবাস করতেন।

মধ্যবর্তী ভোটে হার নিয়ে ট্রাম্পের বড় সতর্কবার্তা

৮০ বছর বয়সী ট্রাম্প সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমাকে অভিশংসিত করা হবে। আমাকে তারা অভিশংসিত করবে। কেন করবে, সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই।’ ট্রাম্প দাবি করেছেন, রিপাবলিকানরা আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে হেরে গেলে তাকে অভিশংসিত করা হবে।নির্বাচনি প্রচারণার সময় সাউথ ক্যারোলাইনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার সমর্থকদের সতর্ক করে বলেন, ডেমোক্র্যাটরা তার মেয়াদের শেষ দুই বছরে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিলে তারা "সবকিছু হারাবে"।ট্রাম্প নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে শুক্রবার অস্বাভাবিকভাবে কঠোর ভাষায় কথা বলেন। কারণ, তিনি আইন পাস করাতে পারবেন না এবং নিজের অনুগত কংগ্রেসের ওপরও নির্ভর করতে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন।যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ট্রাম্পই একমাত্র ব্যক্তি, যাকে দুবার অভিশংসিত করা হয়েছে। তবে দুইবারের কোনোটিতেই তাকে পদ থেকে সরানো সম্ভব হয়নি। অনেক ডেমোক্র্যাট প্রকাশ্যেই ট্রাম্পকে তৃতীয়বারের মতো অভিশংসনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তার দ্বিতীয় মেয়াদে অন্তত তিনজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা তার বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাবও উত্থাপন করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তাতে তেমন কোনো ফল হয়নি।তবে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন করা হবে কি না—এ নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেই মতভেদ রয়েছে। দলের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, এর ফলে ভোটারদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হতে পারে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এর ফলে দ্রব্যমূল্য কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আড়ালে পড়ে যেতে পারে।অতীতে মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পকে বেশ নির্লিপ্ত মনে হয়েছে। এই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে—এমন পূর্বাভাসই ব্যাপকভাবে দেওয়া হচ্ছে। কিছু জরিপকারী আবার সিনেটের নিয়ন্ত্রণও ডেমোক্র্যাটরা ফিরে পেতে পারে বলে সামান্য ব্যবধানে তাদের এগিয়ে রাখছেন।শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রিপাবলিকানরা ভোট দিতে না গেলে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা অর্থনীতি ধ্বংস করবে এবং তার সরকারের অর্জনগুলো বাতিল করে দেওয়ার সুযোগ পাবে।তিনি বলেন, 'আমরা যদি হেরে যাই, তাহলে আপনারা সীমান্ত হারাবেন, আপনারা করছাড় হারাবেন, আমরা যা কিছু করেছি, সবকিছু হারাবেন। আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় করছাড় দিয়েছি। একবার ভাবুন—বকশিশের ওপর কোনো কর নেই, আমাদের প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার ওপর কোনো কর নেই, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার মজুরির ওপর কোনো কর নেই। এর সবকিছুই চলে যাবে।'তিনি আরও বলেন, 'আপনাদের কর বেড়ে যাবে। আপনাদের আয় কমে যাবে। আপনাদের কর্মসংস্থান নষ্ট হবে। শেষ পর্যন্ত সেগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। আপনাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো অন্যত্র চলে যাবে।'ট্রাম্প দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় ডারলাইন গ্রাহামের হয়ে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর পর জুলাইয়ে তার বোন ডারলাইন গ্রাহামকে ওই সিনেটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।ডারলাইন গ্রাহাম এখন পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়ছেন। তবে দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে তিনি সরাসরি জয় পাননি। ফলে মঙ্গলবার তাকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে লড়তে হবে।২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক বিতর্কে তার পারফরম্যান্স ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। তাইওয়ান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি স্বীকার করেন যে জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি 'এতটা অবহিত নন'।ট্রাম্পের নিজের দলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে গ্রাহামের সাফল্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।একসময় রক্ষণশীল রাজনীতিতে ট্রাম্পের সমর্থনকে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু মঙ্গলবার রিপাবলিকান দলের প্রাথমিক নির্বাচনে তার মনোনীত তিন প্রার্থী হেরে গেছেন।দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প তার 'মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন' সমর্থকদের ভোট দিতে উৎসাহিত করেন। তিনি তাদের বলেন, এমনভাবে যেন তারা 'ধরে নেন' যে ট্রাম্প নিজেই ব্যালটে প্রার্থী হিসেবে আছেন।ট্রাম্প বলেন, 'তারা বলে, "ট্রাম্প যখন ব্যালটে থাকেন, তখন দারুণ করেন। কিন্তু তিনি যখন ব্যালটে থাকেন না, তখন তার লোকজন ভোট দিতে আসে না।" তাই আমি আসলে আপনাদের যা করতে বলছি, তা হলো—দয়া করে ধরে নিন যে আমি ব্যালটে আছি। শুধু আসুন এবং ভোট দিন।'

নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনি পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ নৌ ও বিমানবাহিনীর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এ পর্ষদের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।এই পদোন্নতি পর্ষদে নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদমর্যাদার যোগ্য কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচনা করা হবে।নির্বাচনি পর্ষদের কার্যক্রম শুরুর আগে নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে অ্যাডমিরাল র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।এ সময় পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ কিংবা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব না দিয়ে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, শৃঙ্খলা ও দূরদর্শিতার ভিত্তিতে মূল্যায়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।পরে প্রধানমন্ত্রী বিমানবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনারে স্বাগত জানালেন পিজিআর সদস্যরা 

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আজ প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনে নিজের কার্যালয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবন থেকে বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হন তিনি।  এদিন বেলা ১১টায় বঙ্গভবনে পৌঁছালে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গার্ড অব অনার' দেয় প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের চৌকস দল। এর আগে গত শুক্রবার শপথ গ্রহণের পর শনিবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে তাঁর রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। গত ২০ আগস্ট দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। পরবর্তীতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের কাছে শপথ নেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। সবশেষ গতকাল সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।      

তৃণমূলের স্বাস্থ্যকাঠামো পুনর্গঠনে সরকারের বড় পরিকল্পনা: জয়পুরহাটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তৃণমূলের স্বাস্থ্যকাঠামো পুনর্গঠনে সরকারের বড় পরিকল্পনা: জয়পুরহাটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তৃণমূলের স্বাস্থ্যকাঠামো ঢেলে সাজানো হচ্ছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ‘হেলথ হাব’ এবং প্রতি তিনটি ওয়ার্ডে একটি করে ‘হেলথ ওয়েলবিং সেন্টার’ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। রোববার বিকালে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা জানান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন।​মন্ত্রী জানান, হেলথ হাবে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা এক ছাতার নিচে মিলবে। সেখানে চিকিৎসক পদায়ন করা হবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস পরীক্ষা এবং স্তন ও জরায়ু ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তের কাজ করবেন।​চিকিৎসা সুবিধার সম্প্রসারণ নিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা হাসপাতালের শয্যা ১৫১টিতে উন্নীত করা হচ্ছে এবং চালু হচ্ছে ডায়ালাইসিস সেবা। জেলা হাসপাতালে ১০টি এবং ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার হাসপাতালে ৫০টি করে ডায়ালাইসিস মেশিন বসানো হচ্ছে।​মেডিকেল কলেজের শিক্ষক সংকট ও আইসিইউ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে বন্ধ থাকা আইসিইউ ও নতুন মেডিকেল কলেজ চালু করা হবে। সেবার মান বাড়লেও কর্তব্যে অবহেলা বরদাশত করা হবে না বলে তিনি সতর্ক করেন। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে বলে জানান তিনি।​হাসপাতাল পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. আল মামুন, জয়পুরহাট ৪০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েলসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

৭ ঘন্টা আগে
সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামের দাওয়াত দিতে হবে: জামায়াত আমির

সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে ইসলামের দাওয়াত দিতে হবে: জামায়াত আমির

কুরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান অর্জন ছাড়া কুরআনের বিধান যথাযথভাবে পালন করা কিংবা অন্যদের ইসলামের পথে আহ্বান করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।শনিবার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে তা’লীমুল কুরআন বিভাগের জেলা ও মহানগর দায়িত্বশীলদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শুধু মুখে ইসলামের কথা বললেই মানুষকে আল্লাহর পথে ডাকা সম্ভব নয়। ব্যক্তিজীবনের পাশাপাশি সমাজ ও জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কুরআনের নির্দেশনা অনুসরণের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ তুলে ধরতে হবে। সব ধরনের সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল করা কিতাবের নির্দেশনা মেনে নবী-রাসুলরা মানুষকে সঠিক পথে আহ্বান করেছেন। মানুষ যখন আল্লাহর বিধান অনুসরণ করেছে, তখন তারা সম্মান ও শান্তির সঙ্গে জীবনযাপন করেছে। আর কিতাবের শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে মানুষের জীবনে নেমে এসেছে নানা দুর্ভোগ ও বিপর্যয়।জামায়াত আমির কুরআন শুদ্ধভাবে অর্থসহ পড়া, বোঝা এবং বাস্তব জীবনে তার শিক্ষা প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেন। তার মতে, কুরআনের জ্ঞান অর্জন ও সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনার মধ্যেই দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ নিহিত।

৭ ঘন্টা আগে
বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ না পেয়ে দুঃখ প্রকাশ সাবেক রাষ্ট্রপতি

বঙ্গভবনে আমন্ত্রণ না পেয়ে দুঃখ প্রকাশ সাবেক রাষ্ট্রপতি

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের ওই অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনায় দুঃখ ও বিব্রতবোধ করছেন বলেও মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাবেক রাষ্ট্রপতিকে শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা ছিল না। বঙ্গভবনের কর্মকর্তারাও জানান, অনুষ্ঠানটির মূল আয়োজক মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তাদের পক্ষ থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতির জন্য আসন রাখার কোনো নির্দেশনাও পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, তিনি কোনো আমন্ত্রণ পাননি এবং বিষয়টি তাকে দুঃখিত ও বিব্রত করেছে। এ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এদিকে নিজের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথাও জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, আগের তুলনায় শরীর খারাপ যাচ্ছে এবং পা ফুলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরাতেও সমস্যা হচ্ছে। এ সময় দেশবাসীর কাছে দোয়া চান তিনি। গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্রে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও অটোনমিক নিউরোপ্যাথিসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ২০২৩ সালের এপ্রিলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগ সরকার, অন্তর্বর্তী সরকার এবং পরবর্তী বিএনপি সরকারের সময়ও রাষ্ট্রপতির পদে ছিলেন।

৮ ঘন্টা আগে
বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বঙ্গভবনের সরকারি বাসভবনে উঠেছেন।রোববার সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে বাংলাদেশ পুলিশের একটি সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল তাকে অভ্যর্থনা জানায়। পরে অশ্বারোহী দলের এসকর্টে রাষ্ট্রপতির গাড়িবহর বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল মাঠে পৌঁছায়।সেখানে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) একটি চৌকস দল রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এরপর বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি ও তার পরিবারের সদস্যদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, জনবিভাগের সচিব এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরী, প্রেস সচিব সরওয়ার আলম এবং সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাষ্ট্রপতি তার কার্যালয়ে গিয়ে বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেন এবং বঙ্গভবনের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।এর আগে শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনের দরবার হলে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে বসবাস করতেন।

৯ ঘন্টা আগে
অবশেষে এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

অবশেষে এক্সিলারেটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু

কক্সবাজারের মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে তিন দিন বন্ধ থাকার পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে টার্মিনালটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। শুরুতে জাতীয় গ্রিডে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, দেশের দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হওয়ায় এলএনজিভিত্তিক মোট সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। রাতের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে আরও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, নতুন একটি এলএনজি কার্গো নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই টার্মিনালে পৌঁছায়। এ কারণে পরিকল্পনার আগেই গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছে।তার তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ২টার দিকে এলএনজিভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ ছিল প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। নতুন কার্গো পৌঁছানোর পর তা বেড়ে প্রায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়। এর মধ্যে সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে প্রায় ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।এদিকে দেশে সব মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে। সরবরাহ আরও স্থিতিশীল রাখতে অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান।উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে সাময়িকভাবে কার্যক্রম চালু হলেও এলএনজি কার্গোর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় ১৯ আগস্ট থেকে টার্মিনালটির গ্যাস সরবরাহ আবারও বন্ধ ছিল।

১০ ঘন্টা আগে
রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ইস্যু, সমাধানের দায়িত্ব তাদেরই: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকট মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ইস্যু, সমাধানের দায়িত্ব তাদেরই: আইনমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকটকে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এর স্থায়ী সমাধানের দায়িত্ব দেশটিরই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।রোববার (২৩ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বাংলাদেশ হস্তক্ষেপ করতে চায় না। রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের নাগরিক নয় এবং এ ভূখণ্ডের নিজস্ব জনগোষ্ঠীর অংশও নয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যেভাবে বিষয়টিকে বিবেচনা করছে, বাংলাদেশও একই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছে।তবে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর পরিস্থিতির ধরন বদলে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং সহায়তা করে আসছে। ফলে বিষয়টি এখন আর শুধু মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট নয়, বরং আন্তর্জাতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে।আসাদুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার নীতির ভিত্তিতে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে যে পদক্ষেপ নিতে হবে, সে বিষয়ে দেশের মানুষের সমর্থন নিশ্চিত করা জরুরি। জাতীয় ঐকমত্য তৈরি করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে সংবিধান ও আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যেই সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কাজ করছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

১৩ ঘন্টা আগে
মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও সততা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে।শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাব কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ‘বার্ষিক সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব তাকে দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করবেন তিনি। মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখা এবং দেশ ও মানুষের সেবা করাই তার প্রধান লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়জীবন, সহপাঠী এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়কার বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধের কারণে ১৯৬৯-৭০ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। যুদ্ধ শেষে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সময় তারা তৎকালীন বিভাগীয় প্রধান ড. এম এন হুদার কাছে বিশেষ বিবেচনার আবেদন করেছিলেন। পরে শিক্ষকদের সহযোগিতায় তাদের শিক্ষাজীবন নিয়মিত করার ব্যবস্থা হয়।শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, শিক্ষকদের স্নেহ, দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতাই তাদের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার ভিত্তি তৈরি করেছে।অনুষ্ঠানে অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, সাবেক উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফেরদৌসী নাহার এবং ডিইউইডিএএ সভাপতি সৈয়দ আলী জওহর রিজভীসহ বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ ঘন্টা আগে
মাসখানেকের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন নীতিমালা: ববি হাজ্জাজ

মাসখানেকের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন নীতিমালা: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা, নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।রোববার (২৩ আগস্ট) বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ তথ্য জানান। ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্ধারিত কাঠামো অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন। একই নিয়মের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও তদারকি করা হবে।তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি শিক্ষিত ও দক্ষ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যেও কাজ চলছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই এর ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।কর্মশালায় শ্রেণি কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

১৩ ঘন্টা আগে
ইলিয়াস হোসাইনের ‘বাংলা এডিশন’ এর নিবন্ধন ফিরে পেল

ইলিয়াস হোসাইনের ‘বাংলা এডিশন’ এর নিবন্ধন ফিরে পেল

সাময়িকভাবে বাতিল হওয়ার পর সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইনের নেতৃত্বাধীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বাংলা এডিশন’-এর নিবন্ধন পুনর্বহাল করেছে সরকার।রোববার (২৩ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে নিবন্ধনের ওপর দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়। এর ফলে পোর্টালটি আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়মিত সংবাদ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।এর আগে ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার এক আদেশে ‘বাংলা এডিশন’-এর নিবন্ধন বাতিল করেছিল। পরে নিবন্ধন ফিরে পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। আবেদন পর্যালোচনার পর এবার নিবন্ধন পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।২০২৫ সালের ১৬ জুলাই যাত্রা শুরু করে ‘বাংলা এডিশন’। শুরু থেকেই জুলাই আন্দোলন, জনস্বার্থ, মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন সংকট এবং আগ্রাসনবিরোধী নানা বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছিল পোর্টালটি।নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার পর ‘বাংলা এডিশন’ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ, জুলাই আন্দোলনের চেতনা ধারণ এবং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করাকে তারা অগ্রাধিকার দেবে।

১৪ ঘন্টা আগে
নতুন মন্ত্রীর হাতে বিমান-পর্যটনে গতি আনার উদ্যোগ

নতুন মন্ত্রীর হাতে বিমান-পর্যটনে গতি আনার উদ্যোগ

নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত,এমপি। মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করাকে নিজের প্রথম কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।রোববার (২৩ আগষ্ট) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ সময় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। পরে মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি।সভায় মন্ত্রী বলেন,প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ,তাঁকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ায়। মন্ত্রণালয়ে নেতৃত্বের পরিবর্তনকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে তিনি বলেন,নতুন নেতৃত্বে একটি কার্যকর টিম গড়ে তুলে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।মন্ত্রী বলেন,কাজের সুবিধার্থে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে একদিন সিভিল এভিয়েশন বা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অফিস করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দূর করাই হবে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন,ভালো কাজের জন্য যেমন পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে, তেমনি খারাপ কাজের জন্য তিরস্কারের ব্যবস্থাও থাকবে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক পদ্ধতির বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর সফট ওপেনিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরে জাপানি একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন,আগামী বছর ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও কাজ চলছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে শিগগিরই লিজ নেওয়া ১০টি বিমান যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।ঈশ্বরদী বিমানবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পাবনায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় তেজস্ক্রিয় সামগ্রী পরিবহনের সুবিধার্থে সেখানে শিগগিরই ফ্লাইট চালুর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। যশোর বিমানবন্দরে বাণিজ্যিক ফ্লাইট কমে যাওয়ায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের সঙ্গে নতুন ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।বগুড়া বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই (Feasibility Study) চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,আগামী অক্টোবরের মধ্যে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালুর বিষয়ে তাঁরা আশাবাদী।মতবিনিময় সভার শেষে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান নবনিযুক্ত মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

১৪ ঘন্টা আগে
১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
র‍্যাব কাগজেই বিলুপ্ত, থাকছে নতুন নামে। এর সাথে কি আপনি একমত?

র‍্যাব কাগজেই বিলুপ্ত, থাকছে নতুন নামে। এর সাথে কি আপনি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যে পথে হেঁটেছে, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে

৫ আগস্টের পর জনগণ ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটেছে বলে আশা করেছিল। কিন্তু বর্তমান সরকারও দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগের পথেই এগোচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সীরাতুন্নবী উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ অভিযোগ করেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ আর কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ দেখতে চায় না। সরকার যদি আবারও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ আওয়ামী লীগের মতোই তাদেরও প্রত্যাখ্যান করবে।তিনি অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ রাষ্ট্রকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে জুলাই জাদুঘর থেকে গুরুত্বপূর্ণ অনেক উপাদান সরিয়ে ফেলা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি দল ছাড়া অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর ইতিহাসও মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।জামায়াত আমির বলেন, দেশের ইতিহাস ও জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি নিয়ে কোনো ধরনের বিকৃতি বা পক্ষপাতমূলক আচরণ মেনে নেওয়া উচিত নয়। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।

লিংক কপি করা হয়েছে!
৭ দিন আগে

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

‘ধুরন্ধর’-এর পর মধুবালার বায়োপিকে আলোচনায় সারা অর্জুন

সারা অর্জুন কিংবদন্তি অভিনেত্রী মধুবালার বায়োপিকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। এই গ্ল্যামারকন্যা সম্প্রতি নতুন করে  এই খবরে আলোচনায় এসেছেন। বলিউডে তাকে নিয়ে চর্চা বাড়ছিল আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ সিনেমায় অভিনয়ের পর থেকেই।বিনোদন জগতে সারার পথচলা দীর্ঘদিনের। তামিল সিনেমা ‘দেবিয়া থিরুমাগাল’-এ মাত্র ছয় বছর বয়সে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তিনি। এরপর একে একে তামিল, তেলেগু ও হিন্দি-তিন ইন্ডাস্ট্রিতেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। রূপালী পর্দার অমর নায়িকা মধুবালার চরিত্রে এই তরুণ অভিনেত্রীর অভিনয় ক্যারিয়ারকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।মধুবালার জীবন নিয়ে সঞ্জয় লীলা বানসালি বায়োপিকের কাজে হাত দেবেন। মিড-ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধুবালার বায়োপিকের শুটিং লাভ অ্যান্ড ওয়ার-এর কাজ শেষ করেই শুরু করবেন সঞ্জয় লীলা বানসালি।প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের গোড়েগাঁওয়ের রয়্যাল পামসে আগামী সেপ্টেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। একই জায়গায় বর্তমানে লাভ অ্যান্ড ওয়ার-এর শেষ গানের শুটিং করছেন বানসালি। আগামী সপ্তাহেই সেই কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।মধুবালার বায়োপিক পরিচালনা করবেন নির্মাতা জসমিত কে. রিন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা অর্জুন ইতোমধ্যে চরিত্রটির জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছেন। মধুবালার ব্যক্তিত্ব, অঙ্গভঙ্গি এবং তিনি যে সময় ও পরিবেশে বেড়ে উঠেছিলেন, সেসব বিষয় পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে চান জসমিত।১৮ জুন ২০০৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন সারা অর্জুন। তিনি অভিনেতা রাজ অর্জুনের মেয়ে।  মাত্র ১৮ মাস বয়সে তিনি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কাজ শুরু করেন। পাঁচ বছর বয়সেই তিনি ভারতের অন্যতম পরিচিত শিশুশিল্পী হয়ে ওঠেন। এ সময়ে তিনি শতাধিক বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন।

হরমোন ভারসাম্যহীনতার কারণ কী?

বর্তমানে হরমোন ভারসাম্যহীনত্যা একটি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা আমাদের শরীরে হরমোনের মাত্রায় অতিরিক্ত তারতম্য বা বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তাকে হরমোন ভারসাম্যহীনতা বলে। হরমোন আমাদের শরীরে গুরত্বপূর্ণ কাজ করে।  তারা রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে টিস্যু এবং অঙ্গগুলিতে ভ্রমণ করে, শরীরের অনেক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। হরমোনে হেরফের দেখা দিলে শরীরে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা দিতে পারে এবং বিভিন্ন উপসর্গসহ স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।  খাবারে অতিরিক্ত পরিমানে চিনি, কার্বোহাইড্রেট ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকলে তা ইনসুলিনের মাত্রাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণ হতে পারে।   ঘুম কম হলে গ্রোথ হরমোন ও ইনসুলিনের মতো হরমোন উৎপাদনে ব্যঘাত ঘটায়।   স্ট্রেসের কারণে হরমোন অতিরিক্ত উৎপাদনের দিকে ধাবিত করতে পারে যা হরমোন ভারসাম্যহীনতার কারণ।   নারীদের মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবে কমে যায়।   হাইপোথইরয়েডিজম এর মতো অবস্থার জন্য দায়ী থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।  পরিবেশগত কিছু বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে এলে এন্ডোক্রাইন ফাংশন ব্যাহত হতে পারে এবং হরমোন ভারসাম্যহীনতার দিকে পরিচালিত হতে পারে।  * পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া, ক্লান্তি বা শক্তির অভাব * ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়া * শরীরের বিভিন্ন অংশে লোম গজানো * মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া  * অস্থিরতার কারণে মুখে ব্রণ, ত্বক শুষ্ক বা তৈলাক্ত হয়ে যাওয়া  * অতিরিক্ত চুল পড়া হরমোন ভারসাম্যহীনতা আয়ত্তে আনতে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। হরমোনে ভারসাম্যহীনতার চিকিৎসা অর্ন্তনিহিত কারণ এবং জড়িত নির্দিষ্ট হরমোনের উপর নির্ভর করে। যেমন- ১: খাবারে পরিবর্তন আনতে হবে। ফল, শাক- সবজি, চর্বিহীন প্রেটিন ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় যুক্ত করতে হবে।  ২: নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।  ৩: পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমাতে হবে। ৪: হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি দেয়া যেতে পারে। এটি মেনোপোজ বা হাইপোথাইরয়েডিজমের মতো পরিস্থিতিতে হরমোনের মাত্রা পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়।  ৫: যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে তারা থাইরয়েডের ঔষধ সেবন করলে এর মাত্রা স্বাভাবিক হতে পারে।  ৬: আংকুপাচার হরমোন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং উপসর্গ উপশম করতে সাহায্য করে।  হরমোন ভারসাম্যহীনতা শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। জীবনধারায় কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। 

সিরাজগঞ্জে কৃষক ছানোয়ার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জে কৃষক ছানোয়ার হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় কৃষক ছানোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও আট মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।রবিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সিরাজগঞ্জের দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন,মো. মানিক হোসেন ওরফে হীরা মানিক, মো. শাহাদত হোসেন, মো. মাহমুদুল হাসান নয়ন, মো. রুবেল মিয়া, মো. শরিফুল ইসলাম ও মোছা. রাবেয়া খাতুন। তাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার চর বেড়া, রামআরচর ও চর গোজা এলাকায়।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত ছানোয়ার হোসেন একজন কৃষক ছিলেন। তিনি মো. হিরা নামে এক ব্যক্তির কাছে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা পাওনা ছিলেন। পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হিরার সঙ্গে ছানোয়ারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি বসতবাড়ির সম্পত্তি নিয়ে তার ভাসুরের স্ত্রী রাবেয়া খাতুনের সঙ্গেও বিরোধ চলছিল।২০২০ সালের ৮ জুলাই সন্ধ্যার দিকে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে পাওনা টাকা নেওয়ার কথা বলে ছানোয়ার বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উল্লাপাড়া থানাধীন কওড়া সড়াতলা এলাকায় সূর্য নদীর পানিতে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি পচে-গলে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় স্বজনরা প্রথমে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করতে পারেননি। পরে নিহতের দুই ছেলে রিফাত ও সিফাতের সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তাদের জৈবিক পিতা ছানোয়ার হোসেনের বলে প্রমাণিত হয়।ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে ছানোয়ারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া যায়। পরে নিহতের স্ত্রী সেলিনা খাতুন বাদী হয়ে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে সলঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন।মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ছয় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও আট মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।রায়ে আরও বলা হয়, দণ্ডিত আসামিদের বিচারকালীন হাজতবাস বিধান অনুযায়ী সাজা থেকে বাদ যাবে। আদালতে উপস্থিত আসামিদের সাজা কার্যকর করতে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন শাকিল মোহাম্মদ শরিফুল হায়দার এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আকন্দ।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream