বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে / ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৯৬ জন। এর মাধ্যমে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮১ জনে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে সর্বোচ্চ ৪৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৯৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫২ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, রংপুর বিভাগে ৭৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জন ভর্তি হন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৯০ হাজার ৩৫৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাসেবা শেষে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ২৯৯ জন।উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪১৩ জন।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে পাঠ্যক্রমের অংশ করা হবে।তিনি আরও জানান, ২০২৮ সাল থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষাক্রমে বিভিন্ন পরিবর্তন ও সংশোধন আনা হবে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন বইও যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ধীরগতি অব্যাহত থাকবে: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চলমান ধীরগতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে থাকতে পারে। তবে ২০২৮ অর্থবছরে তা কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে দেশের অর্থনীতির এই চিত্র উঠে এসেছে। ‘মেক সাবসিডিজ অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ওয়ার্ক বেটার ফর দ্য পুওর’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের হিসাবের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একইভাবে ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাসও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমানো হয়েছে।বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি কমতে শুরু করেছে। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, দেশের অভ্যন্তরে কম রাজস্ব আদায় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চাপ তৈরি করেছে।এ কারণে বিনিয়োগ কমেছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়েছে এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয়ও বেড়েছে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।তবে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতির কারণে দেশের বৈদেশিক খাত কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা এড়ানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় ও জ্বালানি খাতে দ্রুত এবং বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছেন। একই সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি থেমে গেছে এবং নারীদের কর্মসংস্থান কমেছে।ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতিও অবনতির দিকে গেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালের জুনে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। এদিকে জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আদায় ৮ দশমিক ৩ শতাংশে রয়েছে, যা বিশ্বে অন্যতম নিম্ন হার। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতিও বেড়ে জিডিপির ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি নিম্নআয়ের মানুষকে সহায়তা করছে। তবে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেক এখনো এসব সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে রয়েছে।এদিকে চলতি বছরে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ২০২৭ সালে তা কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে নামতে পারে। সংস্থাটির মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, কোনো সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে ঢাকা জেলার সাবরেজিস্ট্রি অফিসগুলোর নির্ধারিত পদে লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি বলেন, সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। একদিনে পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে পরিবর্তনের উদ্যোগ কোথাও না কোথাও থেকে শুরু করতে হয়। লটারির মাধ্যমে বদলি সেই পরিবর্তনের সূচনা।আইনমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় পোস্টিংকে অনেক সময় ‘প্রাইস পোস্টিং’ হিসেবে দেখা হয়। ধারণা রয়েছে, ঢাকায় পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রেই প্রথমবারের মতো লটারি করা হচ্ছে।সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটিতে স্বচ্ছতা আনতেই লটারির মাধ্যমে বদলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার জন্য লটারিতে নির্বাচিত ১৮ জন সাবরেজিস্ট্রারকে তাদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপ বিবেচনা করে বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হবে।দুর্নীতি বন্ধে মানসিকতার পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্ব দেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে যে দুর্নীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে সরকার কাজ করছে। লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলিও সেই উদ্যোগের অংশ।মো. আসাদুজ্জামান জানান, দেশে মোট ৩৭২টি সাবরেজিস্ট্রার পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে।

পাঁচ দিনের ব্যবধানেই আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে মিলল কোটি টাকার বরাদ্দ

পাঁচ দিনের ব্যবধানেই আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণে মিলল কোটি টাকার বরাদ্দ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি রক্ষা, ফাউন্ডেশনের সার্বিক বিকাশ এবং স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ১ কোটি ৯ লাখ টাকা অবমুক্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।​সম্প্রতি পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির পাঁচ দিনের মাথায় এই অর্থ অনুমোদিত হলো। সোমবার (৫ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব স্বাক্ষরিত ছাড়পত্রটি রংপুর জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।​মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) 'বিশেষ বরাদ্দ' খাত থেকে এ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। বরাদ্দের সিংহভাগ অর্থাৎ ১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে শহীদ আবু সাঈদের বসতভিটা, কবরস্থান এবং সাঈদ ফাউন্ডেশনের স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণে। এছাড়া বাকি ৯ লাখ টাকা পীরগঞ্জের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সুবিধার জন্য বিভাজন করা হয়েছে।​প্রকল্পের অর্থ ছাড়ের দ্রুততায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাঈদের স্বজনেরা। শহীদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন জানান, স্মৃতি রক্ষায় সরকারের এই ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন সঠিকভাবে নির্ধারিত কাজেই ব্যবহৃত হয়, তা কঠোরভাবে নজরদারি করার তাগিদ দেন তিনি। একই সাথে দেশের সকল শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ​রংপুর জেলা পরিষদ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিশ্রুত অর্থ পাওয়ায় দ্রুতই একটি কারিগরি কমিটি গঠন করে মূল নকশা ও প্রাক্কলন তৈরি করা হবে। জুলাই বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে অনুপ্রেরণা হিসেবে তুলে ধরতে এই প্রকল্পকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে রূপদান করা হবে।

৫ ঘন্টা আগে
২২ জেলায় হচ্ছে শিশু স্বর্গ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২২ জেলায় হচ্ছে শিশু স্বর্গ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিশুর চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে চলতি অর্থবছরেই ২২টি জেলায় সরকারি উদ্যোগে ‘শিশু স্বর্গ’ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে (নিনস) বিশ্ব সেরিব্রাল পালসি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি গবেষণায় দেশে অন্তত সাড়ে তিন লাখ শিশু সেরিব্রাল পালসিতে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অথচ দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নিনসের বহির্বিভাগে গত বছর চিকিৎসা নিয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ শিশু। ফলে আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশ চিকিৎসাসেবার বাইরে রয়েছে।তিনি বলেন, পারিবারিক সীমাবদ্ধতা ও সামাজিক বাস্তবতার কারণে অনেক শিশু আড়ালে থেকে যাচ্ছে। তাদের অধিকার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এ লক্ষ্যেই আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দেশের ২২টি জেলায় ‘শিশু স্বর্গ’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ড. মুহিত জানান, সরকারি উদ্যোগে কড়াইল বস্তিতে সম্প্রতি একটি পাইলট প্রকল্পও চালু করা হয়েছে। সেখানে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৩০০ শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে।প্রত্যন্ত এলাকার শিশুদের চিকিৎসাসেবার আওতায় আনতে কমিউনিটি বেসড আর্লি কেস ডিটেকশন ব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। অর্থাৎ রোগের প্রাথমিক লক্ষণেই শিশুদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের প্রশংসা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য একটি সার্বজনীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

৭ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে / </span> ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু

ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে / ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার ৯৯৬ জন। এর মাধ্যমে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮১ জনে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে সর্বোচ্চ ৪৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৯৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫২ জন, বরিশাল বিভাগে ২০৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, রংপুর বিভাগে ৭৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জন ভর্তি হন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৬ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৯০ হাজার ৩৫৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাসেবা শেষে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ২৯৯ জন।উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪১৩ জন।

৯ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ ভিশন রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ ভিশন রয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রীড়াকে আরও গুরুত্ব দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মাহদী আমিন বলেন, আগামী বছর থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে আলাদা বিষয় হিসেবে যুক্ত করা হবে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে ক্রীড়াকে সরাসরি সম্পৃক্ত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।তিনি জানান, এবারের গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির প্রায় ৩০ হাজার স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিকভাবে দাবা, হ্যান্ডবল, সাঁতার ও কাবাডি—এই চারটি খেলায় অংশ নিয়েছে। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে সারা দেশ থেকে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উন্নত ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে নিতে খেলাধুলাকে শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সেই পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।মাহদী আমিন আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ‘প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। বড় পরিসরে এই প্রতিযোগিতাও আয়োজন করা হবে।বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি জাতীয় ক্রীড়া সমিতির আয়োজনে এবং কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় এবারের গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ ছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনউদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল।

১২ ঘন্টা আগে
ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন চার বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী

২০২৭ সাল থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমে চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে পাঠ্যক্রমের অংশ করা হবে।তিনি আরও জানান, ২০২৮ সাল থেকে প্রয়োজনের ভিত্তিতে শিক্ষাক্রমে বিভিন্ন পরিবর্তন ও সংশোধন আনা হবে। শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন বইও যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।৫৩তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

১২ ঘন্টা আগে
মেট্রোরেল লাইনে কুকুর, কিছুক্ষণ বন্ধ চলাচল

মেট্রোরেল লাইনে কুকুর, কিছুক্ষণ বন্ধ চলাচল

রাজধানীর উত্তরা-মতিঝিল রুটের মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে পড়ায় সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে কুকুরটি সরিয়ে নেওয়ার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৫৪ মিনিটের দিকে মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে পড়ে। এতে একটি ট্রেন কারওয়ান বাজার স্টেশনে আটকে যায়। নিরাপত্তার কারণে ওই সময় কিছুক্ষণের জন্য মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়।ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশনস) মোহসিন শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, পরে কুকুরটি সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলে মেট্রোরেল চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।

১২ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ধীরগতি অব্যাহত থাকবে: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ধীরগতি অব্যাহত থাকবে: বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে চলমান ধীরগতি আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে থাকতে পারে। তবে ২০২৮ অর্থবছরে তা কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের অক্টোবর ২০২৬-এর বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেটে দেশের অর্থনীতির এই চিত্র উঠে এসেছে। ‘মেক সাবসিডিজ অ্যান্ড সোশ্যাল প্রটেকশন ওয়ার্ক বেটার ফর দ্য পুওর’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আগের হিসাবের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়েছে বিশ্বব্যাংক। একইভাবে ২০২৬ অর্থবছরের পূর্বাভাসও শূন্য দশমিক ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট কমানো হয়েছে।বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ২০২৩ সাল থেকেই বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির গতি কমতে শুরু করেছে। জ্বালানি ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা, দেশের অভ্যন্তরে কম রাজস্ব আদায় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চাপ তৈরি করেছে।এ কারণে বিনিয়োগ কমেছে, রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হয়েছে এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রভাবে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। একই সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয়ও বেড়েছে। আর্থিক খাতের দুর্বলতা ঋণপ্রবাহ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।তবে শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতির কারণে দেশের বৈদেশিক খাত কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে।বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা এড়ানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরতে ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় ও জ্বালানি খাতে দ্রুত এবং বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ অর্থবছরে দেশে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বেড়েছে। আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের মধ্যে পড়েছেন। একই সময়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি থেমে গেছে এবং নারীদের কর্মসংস্থান কমেছে।ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতিও অবনতির দিকে গেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ২০২৬ সালের জুনে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। এদিকে জিডিপির তুলনায় রাজস্ব আদায় ৮ দশমিক ৩ শতাংশে রয়েছে, যা বিশ্বে অন্যতম নিম্ন হার। ২০২৬ অর্থবছরে রাজস্ব ঘাটতিও বেড়ে জিডিপির ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হয়েছে, আগের অর্থবছরে যা ছিল ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, জ্বালানি ও কৃষি ভর্তুকি নিম্নআয়ের মানুষকে সহায়তা করছে। তবে দেশের সবচেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলোর প্রায় অর্ধেক এখনো এসব সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে রয়েছে।এদিকে চলতি বছরে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ২০২৭ সালে তা কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে নামতে পারে। সংস্থাটির মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতিতে নতুন প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

১৩ ঘন্টা আগে
লটারিতে ঢাকার ১৮ সাবরেজিস্ট্রারের বদলি

লটারিতে ঢাকার ১৮ সাবরেজিস্ট্রারের বদলি

সাবরেজিস্ট্রারদের বদলিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি কমাতে লটারির মাধ্যমে পদায়ন প্রক্রিয়া শুরু করেছে আইন মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলার ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৮টি সাবরেজিস্ট্রার পদে ১৮ জন কর্মকর্তাকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়।অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই লটারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।লটারিতে নির্বাচিত ১৮ কর্মকর্তাকে তাদের যোগ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট সাবরেজিস্ট্রি অফিসের কাজের চাপ বিবেচনা করে বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।আইনমন্ত্রী বলেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে দুর্নীতির যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, সরকার তা ভাঙতে চায়। সাবরেজিস্ট্রারদের লটারির মাধ্যমে বদলি সেই পরিবর্তনেরই একটি পদক্ষেপ।বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের নিয়মিত নজরদারিতে রাখা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হবে না।আইনমন্ত্রী জানান, সারা দেশে সাবরেজিস্ট্রারের মোট ৩৭২টি পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৯টি পদ শূন্য রয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, কোনো সাবরেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি করা হবে না। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে ঢাকা জেলার সাবরেজিস্ট্রি অফিসগুলোর নির্ধারিত পদে লটারির মাধ্যমে বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।তিনি বলেন, সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি ও পদায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। একদিনে পুরো ব্যবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে পরিবর্তনের উদ্যোগ কোথাও না কোথাও থেকে শুরু করতে হয়। লটারির মাধ্যমে বদলি সেই পরিবর্তনের সূচনা।আইনমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় পোস্টিংকে অনেক সময় ‘প্রাইস পোস্টিং’ হিসেবে দেখা হয়। ধারণা রয়েছে, ঢাকায় পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেই গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রেই প্রথমবারের মতো লটারি করা হচ্ছে।সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রক্রিয়াটিতে স্বচ্ছতা আনতেই লটারির মাধ্যমে বদলির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা জেলার জন্য লটারিতে নির্বাচিত ১৮ জন সাবরেজিস্ট্রারকে তাদের যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাজের চাপ বিবেচনা করে বিভিন্ন স্থানে পদায়ন করা হবে।দুর্নীতি বন্ধে মানসিকতার পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্ব দেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি দপ্তরগুলোতে যে দুর্নীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে সরকার কাজ করছে। লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলিও সেই উদ্যোগের অংশ।মো. আসাদুজ্জামান জানান, দেশে মোট ৩৭২টি সাবরেজিস্ট্রার পদের মধ্যে বর্তমানে ১৩৯টি পদ খালি রয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে : প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে : প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের নিজেদের প্রতিভা ও গুণাবলি বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের ভিত্তি যেমন তার সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ওপর নির্ভর করে, তেমনি দেশের ভবিষ্যৎও নির্ভর করে শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপর। মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি মূলত শিশুদের নিয়ে। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনাই হওয়া উচিত এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনি নিজেও শিশু হিসেবে সেখানে এসেছিলেন। তিনি বলেন, আজকে তোমরা শিশু হিসেবে যেমন এখানে উপস্থিত হয়েছো, একদিন আমিও এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম। শিশু হিসেবেই এসেছিলাম। একজন শিশু অতিথি হিসেবে আমি এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম। শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তিনি ও তার ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখতে পেয়ে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। শিশুদের শুধু পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও সংগীতচর্চার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি তোমাদের কাছে পড়ালেখার কথা বলব না। তোমাদের আজকে আমি বলব, তোমাদের খেলাধুলা করতে হবে। শিশুদের বিভিন্ন প্রতিভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ভালো ছবি আঁকতে পারে, কেউ কবিতা আবৃত্তি করতে পারে, কেউ গান, নাচ কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে এবং সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু—১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে—ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান তিনি। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিশুদের শুধু সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী করে তুলতে হবে। একটি শিশুর শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে অন্তত কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সবার জন্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনো না কোনো কিছু একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে। সরকারপ্রধান আরও বলেন, এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকে অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে। তার মতে, একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে শিশুদের সহায়তা করবে। শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; তাদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তোমাদেরকে কিন্তু মানবিক হতে হবে। তোমাদেরকে এই দেশের প্রকৃতি, এই দেশের পশুপাখির প্রতিও কিন্তু তোমাদেরকে মানবিক হতে হবে।

১৫ ঘন্টা আগে
৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। এতে বাংলাদেশের সংকট কমবে?

এশিয়ার বড় বাজারগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। এতে বাংলাদেশের সংকট কমবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

নিত্যপণ্যের চড়া দামে নাহিদের ক্ষোভ, দায় দিলেন সিন্ডিকেটকে

আবারও ভয়ংকর সিন্ডিকেটের কবলে বাংলাদেশ পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।পোস্টে নাহিদ ইসলাম মাল্টার অস্বাভাবিক দাম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, বর্তমানে এক কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ নথিপত্র অনুযায়ী, আমদানিতে প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা। আমদানি শুল্ক, পরিবহন ব্যয় ও মুনাফা ধরলেও এর সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা। সে হিসাবে খুচরা বাজারে মাল্টার দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।সরবরাহ সংকটের কারণে মাল্টার দাম বেড়েছে—এমন বক্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার দাবি, গত বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। ফলে সরবরাহ সংকটের যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। নাহিদের অভিযোগ, এ সুযোগে গত দুই মাসে অসাধু সিন্ডিকেট জনগণের কাছ থেকে কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।পোলাওয়ের চালের দাম নিয়েও তিনি অভিযোগ করেন। তার দাবি, ১২০ টাকার চাল এখন ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সুগন্ধি চাল দেশে উৎপাদিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক সংকট বা যুদ্ধের প্রভাব এখানে পড়ার কথা নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বিদেশে রপ্তানির কারণে দাম বেড়েছে বলা হলেও ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হওয়ার পরও তখন চালের দাম ১২০ টাকার বেশি ছিল না বলে দাবি করেন নাহিদ। তার হিসাব অনুযায়ী, গত তিন মাসে শুধু পোলাওয়ের চাল থেকেই আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে।ডিমের দাম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এক ডজন ডিমের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে। মুরগির খাবারের দাম বৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে দেখানো হলেও খাবারের দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে প্রতিটি ডিমের দাম সর্বোচ্চ এক টাকা বাড়ার কথা ছিল। অথচ দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা। এতে জনগণের কাছ থেকে অতিরিক্ত কয়েক হাজার কোটি টাকা চলে গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন নাহিদ। তার বক্তব্য, কয়েক দফায় ১২ কেজি এলপিজির দাম বাড়ানো হলেও বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। আমদানি পর্যাপ্ত থাকলে এই অতিরিক্ত অর্থ কারা নিচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর চাল, আটা, তেল, চিনি, মুরগি, মাছ ও সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ১৬০ টাকায় রেখে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি এখন কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে দুধের দামও সম্প্রতি বেড়েছে। মানুষের আয় না বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় প্রতিনিয়ত বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।তার দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য থেকে মানুষ অনেকটাই স্বস্তিতে ছিল। কিন্তু নির্বাচনের পর কার মদদ বা ইন্ধনে সেই সিন্ডিকেট আবার সক্রিয় হয়েছে, তা জানতে চান তিনি।নাহিদ বলেন, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজির কারণে মানুষ এমনিতেই চাপে রয়েছে। এর মধ্যে আবার সিন্ডিকেট সক্রিয় হওয়ায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে। জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ লুটের এই ব্যবস্থা দ্রুত বন্ধ করে সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।দেশের মানুষের জীবন নিয়ে আর কোনো অপশক্তিকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

লিংক কপি করা হয়েছে!

কেন তারকাদের বিচ্ছেদে ভক্তরা হতাশ হন?

বিনোদন জগতে তারকাদের প্রেম ও বিয়ে যেমন খবরের শিরোনাম হয়, তেমনি বিচ্ছেদের খবরও তৈরি করে সমান তুমুল আলোচনা। সাম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ ১০ বছরের সম্পর্ক ও চার বছরের সংসারের ইতি টেনে বিচ্ছেদের যৌথ ঘোষণা দিয়েছেন প্রীতম হাসান ও শেহতাজ মুনিরা হাশেম। তাদের এই বিচ্ছেদ বিনোদন অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বড় ধাক্কা দিয়েছে।প্রীতম-শেহতাজ একা নন; সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শোবিজে বিচ্ছেদের তালিকাটা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। ২০২৬ সালের মার্চে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ ও নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানা। ২০২৫ সালেও সামনে আসে একাধিক বিচ্ছেদের খবর—সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও রোজা আহমেদ, দিলশাদ নাহার কণা ও গোলাম মোহাম্মদ ইফতেখার, মৌসুমী আক্তার সালমা ও আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগর এবং অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু ও মমরেনাজ মোমোর দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদের খবর। এর আগে ২০২৪ সালে মাহিয়া মাহি ও রকিব সরকার, অভিনেতা আরিফিন শুভ ও অর্পিতা সমাদ্দার এবং চিত্রনায়িকা পরীমণি ও শরিফুল রাজের সম্পর্কের ভাঙন নতুন করে আলোচনায় আসে। অতীতেও তাহসান-মিথিলা, হাবিব-রেহান, শখ-নিলয়, হৃদয় খান-সুজানাদের মতো আলোচিত জুটির বিচ্ছেদ শোবিজে সম্পর্কের ভঙ্গুরতাকেই তুলে ধরে।নিউইয়র্কভিত্তিক সাইকোথেরাপিস্ট ক্যাথরিন শেফলারের মতে, সাধারণ মানুষ তারকাদের একটি ‘নিখুঁত জুটি’ হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু তাদের সম্পর্ক ভাঙলে সাধারণ মানুষের মনে অবচেতনভাবেই নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়—তারা ভাবতে থাকেন, সব থেকেও যদি ওদের সম্পর্ক না টেকে, তবে সাধারণ মানুষ হিসেবে আমাদের পক্ষে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব তো?ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ড. অ্যান্ড্রিয়া লাইনারের মতে, ভক্তরা তারকাদের সঙ্গে এক ধরণের ‘প্যারাসোশ্যাল’ বা একপাক্ষিক আবেগীয় সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তারকাদের সাফল্য ও জীবনযাত্রার কারণে অনেকেই ভাবেন তারা সমস্ত মানসিক বা সামাজিক জটিলতা মুক্ত। ফলে তাদের বিচ্ছেদ সাধারণ অনুরাগী ও ভক্তদের মনে বিভ্রান্তি ও হতাশা বাড়ায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিককালে তারকা ও সাধারণ মানুষের সম্পর্কের গভীরতা নষ্ট হওয়ার পেছনে অন্যতম বড় কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল নির্ভরশীলতা।কর্মব্যস্ততা ও দূরত্বের কারণে সম্পর্কের মূল ভিত্তি সামনাসামনি কথা বলা কমে গেছে। প্রেম কিংবা ক্ষোভ—সবকিছুই এখন সীমাবদ্ধ মেসেজিং অ্যাপ ও স্ট্যাটাসে।আইনজীবীদের মতে, ডিজিটাল চ্যাট বা পুরোনো ছবি সহজে মোছা যায় না। রাগের মাথায় দেওয়া পুরনো বার্তা বা পোস্ট ক্ষমার পথ কঠিন করে তোলে এবং ক্ষত তাজা রাখে।সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সাজানো জীবনের সঙ্গে নিজের বাস্তব জীবনের তুলনা মানসিক দূরত্ব বাড়ায়। পাশাপাশি ভার্চুয়াল জগতে অবাধ যোগাযোগ পারস্পরিক বিশ্বাস নড়বড়ে করে দিয়ে সম্পর্কের ভিত ভেঙে দিচ্ছে।

ডায়াবেটিস রোগীদের মাটির নিচের সবজি নিষেধ? জেনে নিন

ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকেই ধরে নেন মাটির নিচে জন্মানো সবজি খাওয়া একেবারেই বারণ। ধারণা করা হয়—আলু, কচু, ওল, গাজর, বিট বা শালগমের মতো সবজি রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দেয়। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। ভিটামিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর এসব সবজি সম্পূর্ণ বাদ না দিয়ে পরিমাপ ও রান্নার নিয়মে সচেতন হওয়াই মূল বিষয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ এসএ মল্লিক মাটির নিচের সবজি খাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।আলু পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে খাওয়ার ক্ষেত্রে আলু খোসাসহ খাওয়া ভালো এবং অন্য সবজির সঙ্গে অল্প পরিমাণে মেশানো যেতে পারে। আলুর দিন ভাতের পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিনের অনুপাত বাড়ানো উচিত।ফাইবার ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও কচুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কিছুটা বেশি। তাই এটি প্রতিদিন না খেয়ে মাঝে মধ্যে সীমিত পরিমাণে খাওয়া নিরাপদ।আলুর চেয়ে ওলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। শাকসবজি বা চিংড়ির সঙ্গে রান্না করে ওল মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে, তবে এটিও দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা অনুচিত।ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মুলা বেশ নিরাপদ। সালাদ হিসেবে কাঁচা কিংবা রান্না করে নিয়মিত পরিমাণে মুলা খাওয়া যায়।গাজর ও বিটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব বেশি নয়। তাই এগুলো সালাদ বা অন্যান্য সবজির সঙ্গে মিশিয়ে নিশ্চিন্তে খাওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সবজিই একেবারে বর্জনীয় নয়; বরং তা কতটুকু এবং কীসের সঙ্গে খাওয়া হচ্ছে—সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। তবে ব্যক্তিগত শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া শ্রেয়।

মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় জরিমানা

মৌলভীবাজারে মোবাইল কোর্ট, ৭ মামলায় জরিমানা

মৌলভীবাজার পৌরশহরে অবৈধ দখল ও পৌরসভা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৭টি মামলায় মোট ৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।মঙ্গলবার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফয়সাল ইবনে ইদ্রিসের নেতৃত্বে পৌরশহরে একটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন,২০০৯-এর ১০৮ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১০৯ ধারায় ৪টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় মোট ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় মৌলভীবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী উপস্থিত ছিলেন।একই দিনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমির নেতৃত্বে শহরের শমসেরনগর রোড ও পশ্চিম বাজার এলাকায় পৃথক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন,২০০৯-এর ১০৯ ধারায় ৩টি মামলা করা হয় এবং মোট ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।অভিযান প্রসঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুল হক অমি জানান,পৌর এলাকার সড়ক,ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন রাখা এবং পৌরশহরের শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে আইন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন অবৈধ দখল ও পৌর আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।সংশ্লিষ্টরা জানান,পৌরশহরের সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা,জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং শহরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream