শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।চিফ হুইপ বলেন, আগের সরকারের সময়ে করা বিভিন্ন অনৈতিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধু দেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধু দেশের জাহাজ আগে খালাস পাওয়ার মতো ব্যবস্থা দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে দেশের স্বার্থবিরোধী অনেক চুক্তি করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেসব চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিফ হুইপ। স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়টি নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি ডলারের ঋণ বর্তমান সরকার পরিশোধ করেছে। দেশে বর্তমানে ১৬ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, দেশকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেও কাজ করা হচ্ছে।

দেশজুড়ে বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং

কয়লাসংকট কাটিয়ে ওঠার পরপরই এবার কারিগরি ত্রুটির মুখে পড়েছে ভারতের ঝাড়খন্ডে অবস্থিত আদানির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। একটি ইউনিট হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে আদানির কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কমে যায়। পরবর্তীতে কয়লা সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আবারও বাড়ানো শুরু হয়। এমনকি গতকাল রাতে তা ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু দিবাগত রাত ১২টার দিকে হঠাৎ বয়লারে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি ইউনিট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াটেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বয়লারের ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু করার আগে এটি সম্পূর্ণ শীতল হতে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। এর পর কাজ শুরু হবে, যা শেষ করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে আরও কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।এদিকে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে দেশে তীব্র গ্যাসসংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমে গেছে। পাশাপাশি কয়লাসংকট ও কারিগরি ত্রুটির কারণে অন্যান্য কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ রয়েছে এবং পাশের অপর বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে চলছে কয়লার অভাব। একইভাবে বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লাস্বল্পতায় উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে।বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গরম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জ্বালানি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো দিয়ে চাহিদার ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলস্বরূপ, দেশে বিদ্যুৎসংকট তীব্র রূপ নিচ্ছে।গতকাল বিকেল ৩টায় দেশজুড়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং রেকর্ড করা হয়। এমনকি ছুটির দিনের সকালেও সারা দেশে আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং সহ্য করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে। ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকায়।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দর কার্যকর হয়েছে।বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবী স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন মূল্যসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। এছাড়া স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।অন্যদিকে, অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে নির্ধারিত মূল্যের ওপর ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম বহাল থাকবে। এক্সচেঞ্জ বা পারচেজের সময় আলাদাভাবে ভ্যাট কর্তনের সুযোগ থাকছে না।বাজুসের পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই নির্ধারিত দরেই স্বর্ণ বিক্রি করতে হবে।

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

বাকস্বাধীনতা চর্চার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সৌজন্যতা ও ভাষার শালীনতা বজায় রাখার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে গণতান্ত্রিক দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ যেন পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ করে না দেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতা রক্ষার নামে আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি যেন গালিগালাজ বা কুৎসিত কাদা ছোড়াছুড়িতে রূপ না নেয়। মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা যেন ব্যক্তিশত্রুতায় পরিণত না হয়—সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে।গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে যেকোনো ধরনের ফাটল বা বিভেদ পরাজিত ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। জাতীয় স্বার্থে সব রাজপথের শক্তির মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।  ‘জুলাই শহীদদের’ আত্মত্যাগ স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করা বর্তমান সরকারের জন্য এক পরম ও পবিত্র দায়িত্ব। সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দল কাদামাখা আলোচনার পরিবর্তে প্রতিযোগিতা করবে কীভাবে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়।

লালবাগে পাঁচতলা ভবনের নিচে মাটি খুঁড়ে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

লালবাগে পাঁচতলা ভবনের নিচে মাটি খুঁড়ে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর লালবাগে একটি পাঁচতলা ভবনের নিচতলার পাশের মাটি খুঁড়ে শেখ ওয়াসিম রনি নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বন্ধু মাসুম চৌধুরীকে আটক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে লালবাগের বিসি দাস স্ট্রিটের ওই ভবনে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভবনের নিচতলার একটি কক্ষের পাশের বারান্দার মাটি খুঁড়ে রনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ ও নিহতের পরিবারের ভাষ্য, মাসুমের কাছে রনি তিন লাখ টাকা পাওনা ছিলেন। ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার পর মাসুম তাকে ডেকে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর রনিকে হত্যা করে মরদেহ মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং আটক মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জান

৫৮ মিনিট আগে
ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, শিগগিরই সিদ্ধান্ত: চিফ হুইপ

শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।চিফ হুইপ বলেন, আগের সরকারের সময়ে করা বিভিন্ন অনৈতিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষার পরই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হবে। চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ ও কোনো বন্ধু দেশের দুটি জাহাজ একসঙ্গে এলে বন্ধু দেশের জাহাজ আগে খালাস পাওয়ার মতো ব্যবস্থা দেশের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে দেশের স্বার্থবিরোধী অনেক চুক্তি করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেসব চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছে।এদিকে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত আমন্ত্রণ না জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন চিফ হুইপ। স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়টি নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি ডলারের ঋণ বর্তমান সরকার পরিশোধ করেছে। দেশে বর্তমানে ১৬ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি নেই উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, দেশকে আরও এগিয়ে নিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যেও কাজ করা হচ্ছে।

১ ঘন্টা আগে
২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন চলবে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সৌদি আরবের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে সৌদি সরকার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধন হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।গত ২৭ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন শুরু হয়। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।চূড়ান্ত তালিকা পাওয়ার পর সৌদি অংশের অর্থ পাঠানো, হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান ও হজ প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজে যেতে আগ্রহী ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং হজ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।হজের নিবন্ধন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

২ ঘন্টা আগে
এআই নজরদারিতে বদলে যাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

এআই নজরদারিতে বদলে যাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে আরও নিরাপদ, আধুনিক ও যানজটমুক্ত করতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ক্যামেরায় নজরদারি, স্বয়ংক্রিয় জরিমানা ব্যবস্থা, নতুন ওভারপাস-আন্ডারপাস নির্মাণ এবং মহাসড়কটি ১০ লেনে উন্নীত করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমার পাশাপাশি দুর্ঘটনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের প্রধান দুই বাণিজ্যিক কেন্দ্রের মধ্যে পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত ও নির্বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।মহাসড়কে ট্রাফিক আইন কার্যকর করতে গত ১৮ আগস্ট থেকে চালু হয়েছে এআইনির্ভর ক্যামেরা ও ‘অটো ফাইন’ ব্যবস্থা। যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় এই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালানো হচ্ছে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে মোট ১ হাজার ৪২৭টি এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে গাড়ির চলাচল পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অতিরিক্ত গতি, ভুল লেনে চলা, ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং, বিপরীত পথে গাড়ি চালানো ও অবৈধ পার্কিংয়ের মতো অনিয়ম শনাক্ত করা হচ্ছে।এআইভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় জরিমানা চালুর প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৪৪৯টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ১৫ লাখ ৫১ হাজার টাকা। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে।মামলা হলে সংশ্লিষ্ট গাড়ির নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে মামলা ও জরিমানার তথ্য পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। নির্ধারিত পদ্ধতিতে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে জরিমানার অর্থ পরিশোধের সুযোগও রাখা হয়েছে।সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যানজট ও দুর্ঘটনা কমিয়ে যাতায়াত নিরাপদ করতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শুধু সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, এআই ক্যামেরা ও অটো ফাইন চালুর ফলে মহাসড়কে ট্রাফিক আইন প্রয়োগে নতুন একটি ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে আইন ভঙ্গের ঘটনা শনাক্ত হওয়ায় চালকদের মধ্যে নিয়ম মেনে চলার প্রবণতা বাড়বে এবং দুর্ঘটনা কমাতে এটি ভূমিকা রাখবে।বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান জানান, শুরুতে ক্যামেরায় বেশি আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়লেও নিয়মিত নজরদারির ফলে চালকদের সচেতনতা বাড়বে। একই সঙ্গে যারা বারবার আইন ভাঙবেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার মতে, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থায় সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হওয়ায় ট্রাফিক আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও বাড়বে।এদিকে মহাসড়কের সক্ষমতা বাড়াতে ১০ লেনে উন্নীত করার উদ্যোগও এগিয়ে চলছে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও কয়েকটি আন্ডারপাস নির্মাণের কথাও রয়েছে।মহাসড়কের অন্যতম যানজটপ্রবণ এলাকা পদুয়াবাজারে বিদ্যমান ওভারপাস সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যমান বাজেটের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পদুয়াবাজারসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে পাঁচটি আন্ডারপাস নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।এ ছাড়া সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৩২ কিলোমিটার অংশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে রূপান্তরের নির্দেশনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে নকশার কাজ শেষ হয়েছে। অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ শুরু হবে।সব মিলিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি থেকে শুরু করে সড়ক সম্প্রসারণ ও নতুন অবকাঠামো নির্মাণ—বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ভবিষ্যতের বাড়তি যানবাহনের চাপ সামাল দেওয়ার উপযোগী করে তোলার চেষ্টা চলছে।

৩ ঘন্টা আগে
যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ: পরিবর্তন হলো ১৬৮৪ শিক্ষার্থীর ফলাফল

যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ: পরিবর্তন হলো ১৬৮৪ শিক্ষার্থীর ফলাফল

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশিত হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের পর বোর্ডের অধীনে মোট ১ হাজার ৬৮৪ জন পরীক্ষার্থীর ফলাফল পরিবর্তিত হয়েছে।পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো: আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের আবেদন পাওয়ার পর অভিজ্ঞ পরীক্ষকদের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী উত্তরপত্র পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। এ সময় নম্বর গণনা, নম্বর ওঠানো বা লিখনসংক্রান্ত কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করা হয়।প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুনঃনিরীক্ষণের ফলে বিভিন্ন গ্রেডে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। এর মধ্যে আগে অকৃতকার্য থাকা ৩৮০ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এছাড়া এ মাইনাস থেকে এ গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন ৩০৮ জন, বি থেকে এ গ্রেডে ১২ জন, বি থেকে এ মাইনাসে ১৫০ জন, সি থেকে এ গ্রেডে ১ জন, সি থেকে এ মাইনাসে ১ জন এবং সি থেকে বি গ্রেডে ৬৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। পাশাপাশি ডি থেকে এ মাইনাসে ১ জন এবং ডি থেকে সি গ্রেডে ১৪ জন পরীক্ষার্থী উন্নীত হয়েছেন।পুনঃনিরীক্ষণের পর সংশোধিত ফলাফল বোর্ড কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রগুলোতেও সংশোধিত ফলাফল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

১৭ ঘন্টা আগে
ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৪৭ জন নারী পুরুষ

ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরল ৪৭ জন নারী পুরুষ

মনির হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:ভারতে দালাল এর খপ্পরে পড়ে এক বছর থেকে দুই বছর কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরল ৪৭ জন নারী পুরুষ। এদের মধ্যে ৪৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিএসএফ সদস্যরা বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির কাছে এদের সকলকে হস্তান্তর করেন। এরা ভারতের পুলিশের কাছে আটক হয়ে জেলখানায় যায়। সেখান থেকে এদের বেসরকারী একটি সংস্থা ছাড়িয়ে এনে নিজেদের শেল্টার হোমে রাখে।ফেরত আসারা হলো, আজিজুর রহমান এর ছেলে আশিক শিকদার (২৭), দেলোয়ার এর ছেলে তাজুল ইসলাম (২৯), মৃত আব্দুল হালিম ছেলে  জীবন মিয়া (২৯), দুদু মিয়া পাইক ছেলে সুজন মিয়া (২৪), মৃত আব্দুর রহমান ছেলে জাকির মন্ডল (২৫), আব্দুল গাজী ছেলে নাজির গাজী (৩১), মৃত আব্দুল বাকী ছেলে উজ্জল হোসেন (৩৬), মজিব ইসলাম উদ্দিন ছেলে সাকিব (২৮), চাঁদ আলম এর ছেলে কামরুজ্জামান কাজল (৩৪), আলাউদ্দিন ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩২), মহসিনের ছেলে মাসুদ মিয়া (২৪), চন্দ্রা গাইনি ছেলে পলিন গাইনি (৩২), সালাম খাঁর ছেলে রহিম (২৩),  নূর আলীর ছেলে রুহুল ইসলাম (৩২), আবুল হোসেনের ছেলে জালাল উদ্দিন(২৫), নূর ইসলাম সর্দারের ছেলে ইসমাইল (৩১), খোরশেদ আলমের ছেলে  মাহরুপ বিল্লাহ সর্দার (৩১), খোরশেদ আলমের ছেলে ইসমাইল হোসেন (২১), আলমগীর মোল্লার ছেলে জীবন মোল্যা (৩২),  সুলতান আলীর ছেলে সান্টু আলী (৩২), আলমগীর সরকারের ছেলে নাঈম সরকার (২৩), সুরুজ মিয়ার মেয়ে তহমিনা (২৬),  আবু হাসানের মেয়ে মোছা মরিয়ম (২৫), বেলাল হোসেনের মেয়ে রাতুল খান (২৪), আব্দুল হোসেনের ছেলে আবু ইউসুপ (২৭), মৃত বাছচা মিয়ার ছেলে আনোয়ার (৩০), দীন ইসলামের ছেলে রফিজ (২৬), অথৈ আলীর ছেলে শহিদ প্রামাণিক (৩২), মৃত জুলিয়াস হোসেনের মেয়ে সুরাইয়া আক্তার (২৪), নূর কবিরের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩২), আব্দুল জাব্বারের ছেলে আসাদ উজ্জামান (৩১), আব্দুল মান্নানের ছেলে ইয়াছিন মিয়া (২৫), আব্দুল সাত্তারের ছেলে ইকবাল হোসেন (২৩), বাবুল হাসানের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩২),  রুনাছং রানার ছেলে দিলীপ রানা (২৫), কুদ্দুস মোল্লার ছেলে শাহীন মোল্যা (৩৪),  রেহাজুল ইসলামের ছেলে মাসুম বিল্লাহ সুমন (৩২),  মো: ইব্রাহীমের ছেলে ইমরান হোসেন (৩৪) ও রাউল সরদার ছেলে জেসান সরদার (৩২)। এদের  সকলের বাড়ি নড়াইল, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জ, সাতক্ষীরা,  ঢাকা, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়।বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, এক থেকে দুই বছর আগে ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পরে পড়ে এরা সকলে ভারতের তামিলনাড়ুসহ বিভিন্ন এলাকায় যায়। পরে সেদেশের পুলিশের হাতে এরা আটক হয়। বিভিন্ন মেয়াদে সাজা শেষে এদেরকে তামিলনাড়ুর সালেমের আত্তূর ও ত্রিচি ক্যাম্প নামে একটি বেসরকারি শেল্টার হোমে তাদের আশ্রয় হয়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের পর ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তারা দেশে ফিরে এসেছে। ইমিগ্রেশনের আনুমানিকতা শেষ করে এদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হবে। পরে থানা থেকে এদেরকে মহিলা আইনজীবী সমিতি, রাইটস যশোর ও জাস্টিস এন্ড কেয়ার নামে তিনটি এনজিও সংস্থা তাদের নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।ফেরত আসাদের গ্রহনকারী যশোর মহিলা আইনজীবি সমিতির এরিয়া কোয়াঅর্ডিনেটর রেখা বিশ্বাস বলেন, ফেরত আসাদের থানা থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে যশোরের নিজস্ব শেল্টার হোমে রেখে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে হস্তান্তর করবে বলে তারা জানায়। 

১৭ ঘন্টা আগে
বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

বাকস্বাধীনতা চর্চার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সৌজন্যতা ও ভাষার শালীনতা বজায় রাখার জন্য সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সাথে গণতান্ত্রিক দলগুলোর পারস্পরিক বিভেদ যেন পরাজিত ফ্যাসিস্ট শক্তিকে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ করে না দেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেওয়া এক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতা রক্ষার নামে আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি যেন গালিগালাজ বা কুৎসিত কাদা ছোড়াছুড়িতে রূপ না নেয়। মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা যেন ব্যক্তিশত্রুতায় পরিণত না হয়—সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে।গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে যেকোনো ধরনের ফাটল বা বিভেদ পরাজিত ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসিত হওয়ার পথ সুগম করতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। জাতীয় স্বার্থে সব রাজপথের শক্তির মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী।  ‘জুলাই শহীদদের’ আত্মত্যাগ স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করা বর্তমান সরকারের জন্য এক পরম ও পবিত্র দায়িত্ব। সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দল কাদামাখা আলোচনার পরিবর্তে প্রতিযোগিতা করবে কীভাবে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তোলা যায়।

১৮ ঘন্টা আগে
সংসদে গালমন্দের শিকার রুমিন ফারহানা: গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ

সংসদে গালমন্দের শিকার রুমিন ফারহানা: গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ

জাতীয় সংসদে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া হট্টগোল, বাধা সৃষ্টি এবং নিজ দলের সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শিকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জাতীয় সংসদে ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল-২০২৬’-এর ওপর জনমত যাচাইয়ের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি তাঁর এই ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সংসদে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ ও অতীতের স্মৃতি স্মরণ:গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন: আগের দিনের (বুধবার) হট্টগোলের প্রসঙ্গ টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, “গতকাল আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, তাতে এই সংসদে কোনো ভিন্নমত (Dissendent voice) তোলা যায় বলে মনে হয় নাই। বক্তব্য দেওয়ার পর যে আচরণ লক্ষ্য করেছি, তা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের সংসদে মানায় না।”  স্বপক্ষের এমপিদের গালাগাল ও অসদাচরণ: তিনি গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন, বক্তব্য শেষে তাঁর আশপাশের সংসদ সদস্যরা তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন, যা ন্যূনতম সংসদীয় রীতি-নীতির পরিপন্থী।  একাদশ জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে একাকী লড়াইয়ের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “কয়েক হাজার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা ভোটের মাধ্যমে নতুন সংসদ পেলাম। সেখানেও যদি ন্যূনতম পরিবর্তন না ঘটে, তবে বিরোধীদল সেজে স্রেফ না-তে ভোট দেওয়ার জন্য সংসদে থাকার কোনো দরকার আছে বলে মনে করি না।” রুমিন ফারহানার ক্ষোভ ও অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদকে আশ্বস্ত করেন এবং বলেন, “গতকাল যা হওয়ার, হয়ে গেছে। এখন আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাই।” স্পিকার আশা প্রকাশ করেন, সংসদীয় মর্যাদা রক্ষার্থে এখন থেকে সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সদস্যরা বক্তব্য দেওয়াকালীন সময়ে সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখবেন।  

১৮ ঘন্টা আগে
দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি যতই ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী হোন না কেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান।সাক্ষাতে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের বর্তমান কার্যক্রম, বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনে থাকা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কমিশনের সক্ষমতা আরও বাড়াতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অপশাসন এবং জবাবদিহিতার ঘাটতির কারণে দুর্নীতি দেশে বড় ধরনের সমস্যায় পরিণত হয়েছে। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও দমনের কার্যকর উদ্যোগের ওপর দেশের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে।তিনি দুদককে সততা, সাহস ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ করে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ দ্রুত অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি।এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা বিপুলসংখ্যক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া এবং মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমানোর বিষয়েও দুদককে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেন তিনি।দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। পাশাপাশি দুদককে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব পালনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।সাক্ষাতে দুদক কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।

২০ ঘন্টা আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু মোকাবিলায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তিন মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় আগামী তিন মাসকে গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার। এ সময়ে সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু মশক নিধন করলেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। এজন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশন, জেলায় জেলা প্রশাসক এবং উপজেলায় ইউএনওরা কর্মসূচির সমন্বয় করবেন। এ কার্যক্রমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বিএনসিসি, গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার বাসাবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। পাশাপাশি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল খুঁজে বের করে তা পরিষ্কার করা এবং মানুষকে নিজেদের বাড়ি ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতন করা হবে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ের কর্মসূচির পাশাপাশি টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানোরও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের সঙ্গে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

২১ ঘন্টা আগে
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২০ পিএম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

স্থায়ী কমিটি অকার্যকর না করার আহ্বান নাহিদের

জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোকে কোনোভাবেই অকার্যকর করে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, কার্যকর স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে সংসদে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চায় বিরোধী দল।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।নাহিদ ইসলাম বলেন, স্থায়ী কমিটিগুলো সঠিকভাবে গঠন করা না হলে বিরোধী দলের পক্ষে এসব কমিটিতে কার্যকরভাবে কাজ করা কঠিন হবে। তাই কারও ইচ্ছামতো নয়, সংসদীয় কার্যক্রমের গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিটিগুলো গঠন করার আহ্বান জানান তিনি।স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি জানান নাহিদ। তিনি বলেন, এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতাও সংসদে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। জুলাই সনদ অনুযায়ী স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদ বিরোধী দলের পাওয়ার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।নাহিদ জানান, ১০ সদস্যের একটি কমিটিতে বিরোধী দল থেকে তিনজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারদলীয় চিফ হুইপের পক্ষ থেকে ২৬ শতাংশ সদস্য রাখার হিসাব দেওয়া হয়। এর ফলে কোনো কমিটিতে দুজন, আবার কোনো কমিটিতে তিনজন বিরোধীদলীয় সদস্য রাখা হয়েছে।তিনি অভিযোগ করেন, কোন মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে বিরোধী দলের কতজন সদস্য থাকবেন, সে বিষয়ে একটি তালিকা দেওয়া হলেও চূড়ান্ত তালিকা তৈরির সময় তা পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে কয়েকটি কমিটিতে সদস্যসংখ্যায় অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও ভুল নামও যুক্ত হয়েছে।বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই অনেক সদস্যকে বিভিন্ন কমিটিতে রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ। তার ভাষ্য, কোনো কমিটিতে দুজন, কোনো কমিটিতে তিনজন এবং একটি মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত কমিটিতে চারজন বিরোধীদলীয় সদস্য রাখা হয়েছে।নাহিদ বলেন, চলতি অধিবেশনে স্থায়ী কমিটিগুলো অনুমোদনের ক্ষেত্রে কিছুটা তাড়াহুড়া করা হয়েছে। তাই পরবর্তী অধিবেশনে কমিটিগুলোর তালিকা ও গঠনপ্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার জন্য স্পিকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

লিংক কপি করা হয়েছে!

বিপদে পাশে দাঁড়ানো মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাঁধন

ইতালির ভেনিসে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হওয়ার পর নিজের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং বিপদে পাশে দাঁড়ানো মানুষদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন বার্তার মাধ্যমে এই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।পোস্টে বাঁধন লেখেন, “জীবন যখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, তখন সবসময় মনে রাখবেন অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে।” নিজের দুঃসহ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি লেখেন, “কী দীর্ঘ এক যাত্রা ছিল এটি! যেখানে ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি। কিন্তু এত কিছুর পরও উপলব্ধি করেছি—কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সমর্থন।”বিপদের পর আইনি ও মানসিক সমর্থন দেওয়ার জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকার, ইতালি সরকার, ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নিজের কিছু মানুষ যখন দূরে সরে গিয়েছিল, তখন এসব প্রতিষ্ঠানই তাঁর সুরক্ষার বড় উৎস হয়ে উঠেছিল।৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে অবস্থান করছেন বাঁধন। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে স্বজনদের সঙ্গে ভেনিসের একটি পার্কে অবস্থানকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী-সমর্থক তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পরপরই স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশ দূতাবাস তাঁর সহায়তায় এগিয়ে আসে এবং দেশ-বিদেশের সংস্কৃতিপ্রেমীরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

আক্কেল দাঁত ওঠার সময় কেন এত ব্যথা?

আমাদের মুখগহ্বরের পেছনের সারিতে সবার শেষে যে দাঁত গজায়, তাকে ‘থার্ড মোলার’ বা তৃতীয় পেষণ দাঁত বলা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সন্ধিক্ষণে মানুষের বিচারবুদ্ধি পরিপক্ব হওয়ার বয়সে এটি ওঠে বলে বাংলায় একে ‘আক্কেল দাঁত’ এবং ইংরেজিতে ‘উইজডম টুথ’ বলা হয়ে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উপসর্গ ছাড়াই এটি স্বাভাবিকভাবে উঠলেও অনেকের জন্য তা তীব্র যন্ত্রণা, মাড়ির প্রদাহ এবং জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে এই দাঁত মাড়ি ভেদ করে বের হতে শুরু করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি বয়সেও আক্কেল দাঁত উঠতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখের ওপর-নিচের চোয়ালের চার কোণে চারটি আক্কেল দাঁত থাকার নিয়ম থাকলেও সবার ক্ষেত্রে সবকটি ওঠে না। বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি দশজনের মধ্যে অন্তত আটজনের ক্ষেত্রেই এক বা একাধিক আক্কেল দাঁত অনুপস্থিত থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আক্কেল দাঁতকে মূলত মানবদেহের একটি অবশিষ্টাঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আদিম যুগে মানুষের খাদ্যাভ্যাস যখন শক্ত ও অপুষ্ট ফলমূল, বীজ এবং কাঁচা মাংসের ওপর নির্ভরশীল ছিল, তখন খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে হজমের উপযোগী করতে বাড়তি মোলার দাঁতের প্রয়োজন হতো। তবে কালের পরিক্রমায় উন্নত খাদ্যাভ্যাস ও রান্নার প্রচলনের কারণে বিবর্তনের ধারায় মানুষের চোয়ালের আকার আগের চেয়ে ছোট হয়ে এসেছে। ফলে আধুনিক মানুষের মুখে এই দাঁত স্বাভাবিকভাবে ওঠার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। মাড়িতে পর্যাপ্ত স্থান না থাকার কারণে আক্কেল দাঁত মাড়ি বা চোয়ালের হাড়ের মধ্যে আংশিক অথবা সম্পূর্ণ বাঁকা হয়ে আটকে পড়ে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ইমপ্যাক্টেড টুথ’ বলা হয়। আংশিক বের হওয়া দাঁতের ওপর মাড়ির ফাঁকে খাদ্যকণা ও জীবাণু জমে তীব্র সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি করে, যাকে ‘পেরিকোরোনাইটিস’ বলে। এর ফলে তীব্র ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁতে ক্ষয়রোগ (ক্যাভিটি), এমনকি দাঁতের গোড়ায় সিস্ট বা পুঁজ জমে পাশের সুস্থ দাঁতটিও নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।  চোয়ালের গঠন ও দাঁতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকলে বড় কোনো সমস্যা ছাড়াই আক্কেল দাঁত উঠে আসতে পারে। তবে স্থানসংকটের কারণে দাঁত আটকে গেলে প্রচণ্ড ব্যথার পাশাপাশি রোগীদের মুখ পুরোপুরি খুলতে কিংবা খাবার গিলতে সমস্যা হয়। মাড়ির এই সংক্রমণ দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলে তা বিরল ক্ষেত্রে মুখ ও গলার গভীরে ছড়িয়ে পড়ে ‘লুডউইগস অ্যাঞ্জাইনা’র মতো প্রাণঘাতী সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যার জন্য রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আক্কেল দাঁত যদি মুখে কোনো জটিলতা তৈরি না করে, তবে তা তুলে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। তবে ঘন ঘন সংক্রমণ, অসহ্য যন্ত্রণা কিংবা পাশের দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দাঁতটি ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সাধারণত মাড়িতে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করার মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ে এই ক্ষুদ্র অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। আক্কেল দাঁত অপসারণের পর পুরোপুরি সেরে উঠতে কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এ সময়ে ক্ষত নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি কুসুম গরম লবণপানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখা এবং শক্ত খাবারের বদলে তরল বা নরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে ধূমপান ও শক্ত খাবার পুরোপুরি পরিহার করা জরুরি, অন্যথায় ‘ড্রাই সকেট’ বা ক্ষতের রক্ত সরে গিয়ে মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।   সূত্র: বিবিসি বাংলা

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঝোপ থেকে ২ এয়ারগান উদ্ধার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ঝোপ থেকে ২ এয়ারগান উদ্ধার

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি এয়ারগান উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯। উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাথরখোলা গ্রামের পেচারপুল সেতুর পাশের একটি ঝোপ থেকে এয়ারগান দুটি উদ্ধার করা হয়।র‍্যাব সূত্রে জানা যায়,গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-২,শ্রীমঙ্গলের একটি দল জানতে পারে,পাথরখোলা এলাকায় এয়ারগান পড়ে থাকতে পারে। পরে রাত ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে র‍্যাবের দলটি ভানুগাছ চৌমহনা থেকে পাথরখোলাগামী সড়কের পেচারপুল সেতুর আশপাশে তল্লাশি চালায়।এ সময় সেতুর দক্ষিণ পাশে সড়কের পূর্ব দিকে ঝোপের ভেতর প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় দুটি এয়ারগান পাওয়া যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় র‍্যাবের তদন্ত কার্যক্রম চলছে।র‍্যাব জানায়,পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উদ্ধার করা এয়ারগান দুটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মাধ্যমে কমলগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‍্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।র‍্যাব আরও জানায়,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream