মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ জুন তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং সেদিনই তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।তদন্ত কর্মকর্তাসহ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর মধ্যে নিহত শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪ আগস্ট থেকে যুক্তিতর্ক শুরু করে প্রসিকিউশন। নয় কার্যদিবস পর ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়। মামলায় মোট ১২৩টি সিরিজ ডকুমেন্টস প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে নির্দেশনা, উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা এবং দমন-পীড়নের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সশস্ত্র কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা চালানো হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, তার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তার ফলে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও নিজ নিজ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থান ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, হত্যা ও নির্যাতনে নির্দেশ, উসকানি, সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়।প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, অমানবিক আচরণ, ষড়যন্ত্র, উসকানি ও অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতার মতো অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১৮ আগস্ট উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আসামি করা হয়েছে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে।মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি তাদের স্থাবর-অস্থাব

সিলেট পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

সিলেটে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান সিলেটের বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন রাষ্ট্রপতি। বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা করে তার সিলেট সার্কিট হাউজে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পৌঁছে তিনি গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন।সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজারে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সিলেট নগর ভবনে সিটি করপোরেশনের আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে সার্কিট হাউজে অবস্থান করবেন তিনি। সফর শেষে রাত ৮টার দিকে বিমানযোগে ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ছাড়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতির।রাষ্ট্রপতির সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম জানিয়েছেন, সফর উপলক্ষে প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ২০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে।এদিকে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে সিলেট সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, পর্যটননগরী সিলেটের সৌন্দর্য ও পরিবেশ যাতে রাষ্ট্রপতির সফরে যথাযথভাবে তুলে ধরা যায়, সেদিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিক সংবর্ধনার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে সিটি করপোরেশন প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

চার আলোচ্যসূচি নিয়ে আজ বসছে সচিব সভা

সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করাসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি নিয়ে আজ আজ মঙ্গলবার সচিব সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে এ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সচিব সভা সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি নীতিনির্ধারণী বৈঠক। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা অংশ নেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এবারের সভার আলোচ্যসূচিগুলো হলো সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করা; জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয়ে সচিবদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা; ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ নিয়ে আলোচনা এবং সরকারের কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিষয়সংক্রান্ত। সভায় বিবিধ বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাতের শুরুতে রুহুল কবির রিজভীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত। পরে বাংলাদেশ ও চীনের রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং চলমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন তারা।এ সময় দুই দেশের মধ্যে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।সাক্ষাতে চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন লিউ ইউইন, রাজনৈতিক অ্যাটাশে লিং শুয়ান এবং রুহুল কবির রিজভীর পিএস কাজী নজরুল ইসলাম ও এপিএস জাহেদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

৩৪ মিনিট আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ জুন তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং সেদিনই তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।তদন্ত কর্মকর্তাসহ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর মধ্যে নিহত শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪ আগস্ট থেকে যুক্তিতর্ক শুরু করে প্রসিকিউশন। নয় কার্যদিবস পর ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়। মামলায় মোট ১২৩টি সিরিজ ডকুমেন্টস প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে নির্দেশনা, উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা এবং দমন-পীড়নের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সশস্ত্র কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা চালানো হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, তার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তার ফলে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও নিজ নিজ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থান ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, হত্যা ও নির্যাতনে নির্দেশ, উসকানি, সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়।প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, অমানবিক আচরণ, ষড়যন্ত্র, উসকানি ও অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতার মতো অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

১ ঘন্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়: ইসি আনোয়ারুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়: ইসি আনোয়ারুল

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটের তারিখ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।এর আগে একই দিন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের কোনো আলোচনা হয়নি। এমনকি ইসি যে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে, সে বিষয়েও সরকার অবগত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছিলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে আয়োজনের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ভোট আগামী ১২ নভেম্বর আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ রাখা হয়েছে।ইসি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক পরিকল্পনায় দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর হতে পারে। চতুর্থ ধাপের জন্য আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি এবং ষষ্ঠ ধাপের জন্য ২২ এপ্রিল সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনায় রাখা হয়েছে।সপ্তম ও শেষ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ২৭ মে আয়োজনের প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এসব তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হতে পারে।

১ ঘন্টা আগে
ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না: মীর শাহে আলম

ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ব্যাপারে সরকার কিছু জানে না: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ইসির ঘোষিত এ সময়সূচি সম্পর্কে সরকার কিছুই জানে না।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।মীর শাহে আলম জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন যে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কয়েকটি ধাপের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনো চিঠিপত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ কিংবা আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে প্রস্তুতিমূলক সভা এবং আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বৈঠক করা হয়। এরপর নির্বাচন আয়োজনের তারিখ ও বাজেট নির্ধারণ করা হয়।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ইসি যে সময়সূচি ঘোষণা করেছে, সেটি নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় বা সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। ফলে এ বিষয়ে সরকার অবগত নয়।এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছিলেন, নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা ইসির, জানে না সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা ইসির, জানে না সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সাত ধাপের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রকাশ করলেও এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশনের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন যে নির্বাচন কমিশন কয়েক ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো চিঠিপত্র বা আলোচনা করা হয়নি।তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাদের সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে। তবে প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক বৈঠক করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় বিষয় পর্যালোচনা করে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়।মীর শাহে আলম আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে বাজেটসহ নানা প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় জড়িত। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কিংবা সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করা হয়নি।এ কারণে ইসি ঘোষিত ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে সরকার অবগত নয় বলেও স্পষ্ট করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী।

১ ঘন্টা আগে
বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান

বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদেও। কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াতে সম্মতি দিয়েছেন।এ বিষয়ে সম্প্রতি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা। চিঠিতে জানানো হয়েছে, সালমান এফ রহমানকে বাদ দিয়ে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।কোম্পানিটি জানিয়েছে, পর্ষদ থেকে পদত্যাগে সালমান এফ রহমান সম্মতি দেওয়ার পরই নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রস্তাবিত পর্ষদে বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে তিনজন পরিচালক, চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংকের একজন মনোনীত পরিচালক এবং পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ প্রস্তাবে বিএসইসির সম্মতিও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি যে ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছে, তা বিবেচনায় নিয়ে সালমান এফ রহমান পর্ষদ ছাড়তে রাজি হয়েছেন। তার পদে থাকার কারণে কোম্পানির ব্যবসা এবং সাধারণ শেয়ারধারীরা যাতে কোনো ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পদত্যাগে সম্মতি দিয়েছেন।২০২৪ সালের আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।বেক্সিমকো ফার্মা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পাশাপাশি লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও (এআইএম) তালিকাভুক্ত। কোম্পানির বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও সালমান এফ রহমানকে পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরানোর উদ্যোগে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।পর্ষদ পুনর্গঠনের সময় বিদেশি শেয়ারধারীদের একজন প্রতিনিধিকে পরিচালক করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিএসইসি। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সেই প্রস্তাবে সম্মতি না দেওয়ায় স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে নতুন পর্ষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল। গত ১৮ আগস্ট উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও আসামি করা হয়েছে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে।মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির পাশাপাশি তাদের স্থাবর-অস্থাব

২ ঘন্টা আগে
চার আলোচ্যসূচি নিয়ে আজ বসছে সচিব সভা

চার আলোচ্যসূচি নিয়ে আজ বসছে সচিব সভা

সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও জনকল্যাণমুখী করাসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি নিয়ে আজ আজ মঙ্গলবার সচিব সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে এ সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সচিব সভা সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি নীতিনির্ধারণী বৈঠক। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা অংশ নেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক সমন্বয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা করা হয়। এবারের সভার আলোচ্যসূচিগুলো হলো সরকারের কার্যক্রম আরও গতিশীল, জনকল্যাণমুখী ও কার্যকর করা; জনগণের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক বিষয়ে সচিবদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা; ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ নিয়ে আলোচনা এবং সরকারের কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক বিষয়সংক্রান্ত। সভায় বিবিধ বিষয়ও আলোচনায় আসতে পারে।

৩ ঘন্টা আগে
মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনে আগুন, রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক

মমেক হাসপাতালের নতুন ভবনে আগুন, রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক:ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মমেক) নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় হাসপাতালটির রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ডে হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ সদর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জুলহাজ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফায়ার স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ভবন থেকে প্রচুর ধোঁয়া বের হচ্ছে।তিনি আরও জানান, সদর ফায়ার স্টেশন থেকে আরেকটি টিম হাসপাতালে যাচ্ছে। সম্পূর্ণ ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণে আসার পর অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

১৮ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু / </span>২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু / ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু

সারাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৩৩ জন ডেঙ্গু রোগী, যা চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের নতুন রেকর্ড।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিভাগওয়ারী আক্রান্ত ও ভর্তি রোগীর চিত্র (২৪ ঘণ্টা)  গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১,৭৩৩ জন রোগীর আঞ্চলিক বিভাজন:ঢাকা বিভাগ: সিটি করপোরেশনের বাইরে ৩৮৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ১৭০ জন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ১৪৩ জন (মোট সংকলিত: ৭০১ জন)।খুলনা বিভাগ: ৩০২ জন।বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগ: বরিশাল ১৯১ জন এবং চট্টগ্রাম ১৯১ জন।রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগ: রাজশাহী ১৪৫ জন এবং ময়মনসিংহ ১১০ জন।রংপুর ও সিলেট বিভাগ: রংপুর ৮৬ জন এবং সিলেট ৭ জন।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির সার্বিক চিত্র:সূচক২০২৬ সালের হালনাগাদ তথ্য (১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত)মোট আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি৫৩,৫৭০ জনহাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্রপ্রাপ্ত৪৯,৩৭৫ জনবর্তমানে মোট চিকিৎসাধীন (ভর্তি)১,২৮২ জনচলতি বছরে মোট মৃত্যু১৫৭ জনগত দুই বছরের তথ্য:২০২৫ সাল: ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন আক্রান্ত এবং মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।  ২০২৪ সাল: ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন আক্রান্ত এবং মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু ঘটেছিল।  কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তির চাপ সবচেয়ে বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, মশারির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ এবং ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণ দেখা মাত্রই ল্যাব টেস্ট করিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।  

২০ ঘন্টা আগে
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
"অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর" স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য কি সমর্থন করেন?

"অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর" স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের বক্তব্য কি সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দিবো: আসিফ মাহমুদ

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যেই দুদককে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, দেশের বাইরে তার কোনো অর্থ বা সম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশের বাইরে তার নামে এক পয়সা বিনিয়োগ, ব্যাংকে অর্থ জমা, বাড়ি বা জমি তো নয়ই, সামান্য কোনো সম্পদ থাকার প্রমাণও যদি কেউ দিতে পারেন, তাহলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াবেন। একই সঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে শাস্তি হবে, সেটিও মেনে নেওয়ার কথা জানান তিনি।বিদেশে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সম্পদের তথ্য বের করার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তার ভাষ্য, অনুসন্ধান করে বিদেশে কারও সম্পদের তথ্য বের করা অসম্ভব কোনো বিষয় নয়।দুদকের অনুসন্ধানের ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সাত মাস আগের একটি ফেসবুক পোস্টের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। ওই পোস্টকে তিনি ভুয়া ও ভিত্তিহীন উৎসের তথ্য হিসেবে উল্লেখ করে দুদকের কার্যক্রম নিয়ে কটাক্ষ করেন।পোস্টের শেষাংশে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আসিফ মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেন, ছয় মাসের মধ্যে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে মোকাবিলা করতে ব্যর্থতা এবং দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতা আড়াল করতেই তার বিরুদ্ধে এমন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে।এ সময় ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে বিরোধী দলকে দমন-পীড়নের অভিযোগ তুলে তিনি প্রশ্ন করেন, এ ধরনের পদক্ষেপের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের পার্থক্যই বা কোথায়।

লিংক কপি করা হয়েছে!

অকালেই থেমে গেল নাট্যকার মারুফ হোসেন সজীবের পথচলা

তরুণ নাট্যকার ও পরিচালক মারুফ হোসেন সজীব আর নেই। তিনি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । সজীবের মৃত্যুর খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। তিনি সজীবের সঙ্গে কাজের স্মৃতি তুলে ধরে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। নির্মাতা আশিকুর রহমান জানান, হৃদরোগের সমস্যায় ভুগছিলেন সজীব। কিছুদিন আগে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থও হয়েছিলেন। তবে মঙ্গলবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বাদ জোহর জানাজা শেষে রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে সজীবকে দাফন করা হবে। নিজের গল্প ও নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে পরিচিতি পেয়েছিলেন মারুফ হোসেন সজীব। তিনি নিজেই গল্প লিখে নাটক নির্মাণ করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘বিলোপ’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘রঙিন কাগজ’, ‘আধার’, ‘সিকিউরিটি গার্ল’, ‘জলকৌড়ি’, ‘মেঘলা’ ও ‘নুসাইবা’। তরুণ এই নির্মাতার অকাল মৃত্যুতে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

বইপড়ুয়া পুরুষের প্রতি বেশি আকর্ষণ নারীদের

গেমিং কনসোল বা ভিডিও গেমের হেডসেট সরিয়ে রেখে হাতে বই তুলে নেওয়া পুরুষরাই নারীদের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। সম্পর্ক ও মনস্তত্ত্ববিষয়ক সংস্থা ‘ডেট সাইকোলজি’র সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত ওই সমীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষদের বই পড়ার অভ্যাসকে নারীরা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ইতিবাচক গুণ হিসেবে বিবেচনা করেন।সমীক্ষায় মোট ৭৪টি ভিন্ন ভিন্ন শখ ও জীবনযাত্রার অভ্যাসের ওপর নারীদের মতামত সংগ্রহ করা হয়। এতে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী নারীদের প্রায় ৯৮.২ শতাংশই জানিয়েছেন, বই পড়তে ভালোবাসেন এমন পুরুষদের প্রতি তাদের আকর্ষণ অন্য যেকোনো অভ্যাসের চেয়ে বেশি।গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শখ মূলত আত্মোন্নয়ন, সৃজনশীলতা, প্রজ্ঞা ও নতুন দক্ষতা অর্জনের সাথে সম্পর্কিত, সেগুলোর প্রতিই নারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি:বই পড়া (৯৮.২% নারী ইতিবাচক হিসেবে দেখেন)বিদেশি ভাষা শেখাবাদ্যযন্ত্র বাজানোরান্না করাকাঠের কাজ বা উডওয়ার্কিং (Woodworking)এছাড়াও চিত্রাঙ্কন, লেখালেখি, ফটোগ্রাফি, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হাইকিং, কামারশিল্প (Blacksmithing) এবং তীরন্দাজির (Archery) মতো সুনির্দিষ্ট ও গঠনমূলক শখগুলোকেও নারীরা পুরুষদের ব্যক্তিত্বের চমৎকার দিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।সমীক্ষায় কিছু বিতর্কিত ও অপছন্দনীয় অভ্যাসকেও চিহ্নিত করা হয়েছে, যা পুরুষদের প্রতি নারীদের আকর্ষণ দ্রুত কমিয়ে দেয়:নারীবিদ্বেষী অনলাইন সংস্কৃতি বা ‘ম্যানোস্ফিয়ার’-এ যুক্ত থাকা, পর্নোগ্রাফি দেখা, জুয়া খেলা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট বক্সে অহেতুক বিতর্কে জড়ানো। ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিং, কসপ্লে, কমিক বই বা ফাঙ্কো পপ ফিগার সংগ্রহ করা।বিখ্যাত ডেটিং কোচ কোর্টনি রায়ানের মতে, অতিরিক্ত মদ্যপান বা নাইটক্লাবকেন্দ্রিক জীবনযাত্রাকে অনেক নারীই মানসিক অসংলগ্নতা বা ‘অপরিণত আচরণ’ (Immaturity) হিসেবে গণ্য করেন।মনোবিজ্ঞানীদের মতে, শুধু কাউকে আকৃষ্ট করার জন্য কৃত্রিমভাবে এসব শখ গড়ে তোলার প্রয়োজন নেই। কৃত্রিমতার চেয়ে একজন পুরুষের নিজের ভালো লাগার কাজে সত্যিকারের আগ্রহ ও নিজস্ব ব্যক্তিত্বই দীর্ঘমেয়াদে সুন্দর ও টেকসই সম্পর্কের মূল ভিত্তি তৈরি করে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। মামলার সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ জুন তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং সেদিনই তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।পরবর্তী সময়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।তদন্ত কর্মকর্তাসহ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর মধ্যে নিহত শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর আগে দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ৪ আগস্ট থেকে যুক্তিতর্ক শুরু করে প্রসিকিউশন। নয় কার্যদিবস পর ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করা হয়। মামলায় মোট ১২৩টি সিরিজ ডকুমেন্টস প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা বিভিন্ন পর্যায়ে নির্দেশনা, উসকানি ও প্ররোচনা দিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা এবং দমন-পীড়নের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, তার অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সশস্ত্র কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা চালানো হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, তার নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তার ফলে এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।অন্য আসামিদের বিরুদ্ধেও নিজ নিজ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থান ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় সহযোগী সংগঠনের কর্মীদের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, হত্যা ও নির্যাতনে নির্দেশ, উসকানি, সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়।প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, অমানবিক আচরণ, ষড়যন্ত্র, উসকানি ও অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতার মতো অভিযোগ রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream