বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  আজ বুধবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন। তারেক রহমান বলেন, ‘আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমি আপনাদের সামনে একটু আলাপ করতে চাই, একই সাথে আপনাদের সহযোগিতা দরকার এই সমস্যাটির কিছুটা হলেও সমাধান করার জন্য। আমরা একসাথে হয়েই ১৯৭১ সালে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। আমরা সকলে একসাথে ১৯৯০-এর সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকেও সফল করেছিলাম। আবার সকলস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকেও সফল করেছিলাম। আমরা যদি এতগুলো কাজ পারি, তাহলে কেন আমরা দেশের অন্য যে সকল সমস্যা আছে, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে আমরা কন্ট্রিবিউট করি, একটু একটু করে যদি আমরা অংশগ্রহণ করি, কেন পারব না?’ তিনি বলেন, ‘আজকের যে বিষয়টি নিয়ে আমি আপনাদের সামনে আলাপ করতে চাই সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু। আমরা পত্রিকার পাতা খুললেই প্রায় দেখি যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ মারা গিয়েছেন, বিভিন্ন মানুষ অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন। যার আপনজনটি হারিয়ে গিয়েছে সেই কষ্টটা বুঝে। কিন্তু আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসি, তাহলে অনেক মানুষকে আমরা সাহায্য করতে পারব, এই আপনজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করতে।’ বিডি প্রতিদিন/জেডএ   

নতুন প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে শিশুদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়া যায় কি না, তা ভেবে দেখতে হবে। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং এ ধরনের অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বুধবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি এ সভা করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এসব কথা জানান। তিনি জানান, সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়। সভায় জানানো হয়, আগামী শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসবে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো, বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি হাজার বছরের। কিন্তু আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে আমরা তা হয়তো যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারছি না। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা বিদেশি সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছি, নতুন নতুন বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছি।’ ‘কিন্তু তার মানে এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাব। আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।’ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে উপস্থিত সবারই কোনো না কোনো যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিই, তাহলে আমরা সবাই মিলে যে ধরনের দেশ দেখতে চাই, অন্তত তার কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব। দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। আমরা যেন সেই সুযোগ কাজে লাগাই।’ সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি চিনি, ইউরিয়া ও এমওপি, ডিএপি সার এবং এলএনজিসহ মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৯তম সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবের আওতায় ই-জিপির মাধ্যমে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ কেজির বস্তায় মোট ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম প্রস্তাবে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনির ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি কেজি চিনির দাম পড়বে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রস্তাবে একই পরিমাণ চিনির ক্রয়মূল্য ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজির দাম ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা। উভয় ক্ষেত্রেই সুপারিশকৃত দরদাতা মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেড।  এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে মূল চুক্তিমূল্য ছিল ২০ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯৯ টাকা। ৩৬০ কোটি ৬৫ লাখ ২২ হাজার ২৫ টাকা ভেরিয়েশনের পর সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৭২৪ টাকা। প্রকল্পটির সুপারিশকৃত দরদাতা জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও ফুজিতা করপোরেশন এবং কোরিয়ার স্যামসাং সিঅ্যান্ডটির সমন্বয়ে গঠিত এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম।  একই প্রকল্পের পরামর্শক সেবা সংক্রান্ত আরেকটি প্রস্তাবে ৪০৫ কোটি টাকা ভেরিয়েশনসহ সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৬ কোটি ৭১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫৭ টাকা। এ কাজের জন্য জাপানের নিপ্পন কোয়েই, ওরিয়েন্টাল কনসালট্যান্টস গ্লোবাল, সিঙ্গাপুরের সিপিজি কনসালট্যান্টস এবং বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্টসের যৌথ উদ্যোগকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।  সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ জন্য ব্যয় হবে ২২০ কোটি ৬৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ৪৪৬ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ৪২ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব কার্যোত্তর অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৭৫ কোটি ৭৭ লাখ ৭২ হাজার ২৯০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৫৩১ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।  রাশিয়ার জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার। কানাডার কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির দুটি প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮২ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার।  এছাড়া জিটুজি ভিত্তিতে ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির দর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম-০.১০ মার্কিন ডলার। সৌদি আরবের এমএ’এডেন থেকে ২০২৬ সালের পঞ্চম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম ৮৬১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।  এছাড়া কমিটি কক্সবাজারের মহেশখালীতে জিটুজি পদ্ধতিতে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের লক্ষ্যে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (সিএনইই) দাখিল করা দর প্রস্তাব প্রত্যাহার করেছে। ১৫ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিলো প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা  এবং ২০ বছর মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা।

ত্রয়োদশ সংসদের চতুর্থ অধিবেশন নিয়ে নতুন ঘোষণা

আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন বসছে। ওই দিন বেলা সাড়ে তিনটায় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেছেন। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বানসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে ডাকা অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হয়। চতুর্থ অধিবেশন কত দিন চলবে, তা এখনো ঠিক হয়নি। অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ঠিক করা হবে, অধিবেশন কত দিন চলবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ মার্চ শুরু হয়। ২৫ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর ৩০ এপ্রিল প্রথম অধিবেশন শেষ হয়। এ সংসদের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালের ১১ মার্চ।

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন আধা ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  আজ বুধবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গুর ঝুঁকি মোকাবিলা করুন, এডিস মশার জন্মস্থান ধ্বংস করুন। তারেক রহমান বলেন, ‘আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আমি আপনাদের সামনে একটু আলাপ করতে চাই, একই সাথে আপনাদের সহযোগিতা দরকার এই সমস্যাটির কিছুটা হলেও সমাধান করার জন্য। আমরা একসাথে হয়েই ১৯৭১ সালে এই দেশকে স্বাধীন করেছিলাম। আমরা সকলে একসাথে ১৯৯০-এর সেই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকেও সফল করেছিলাম। আবার সকলস্তরের মানুষ একত্রিত হয়ে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানকেও সফল করেছিলাম। আমরা যদি এতগুলো কাজ পারি, তাহলে কেন আমরা দেশের অন্য যে সকল সমস্যা আছে, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে আমরা কন্ট্রিবিউট করি, একটু একটু করে যদি আমরা অংশগ্রহণ করি, কেন পারব না?’ তিনি বলেন, ‘আজকের যে বিষয়টি নিয়ে আমি আপনাদের সামনে আলাপ করতে চাই সেটি হচ্ছে ডেঙ্গু। আমরা পত্রিকার পাতা খুললেই প্রায় দেখি যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ মারা গিয়েছেন, বিভিন্ন মানুষ অসুস্থ হয়ে গিয়েছেন। যার আপনজনটি হারিয়ে গিয়েছে সেই কষ্টটা বুঝে। কিন্তু আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, সকলে মিলে যদি একটু একটু করে এগিয়ে আসি, তাহলে অনেক মানুষকে আমরা সাহায্য করতে পারব, এই আপনজন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করতে।’ বিডি প্রতিদিন/জেডএ   

৬ ঘন্টা আগে
ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত পুলিশকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত পুলিশকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামলায় আহত খুলনায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলমকে দেখতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে গেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে তারা আহত পুলিশ কর্মকর্তার শয্যাপাশে কিছু সময় অবস্থান করেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি জানান, বর্তমানে বিশেষ অভিযান চলছে। খুলনায় দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হন পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম। হামলাকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের রগ কেটে যায়।আইজিপি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬ ঘন্টা আগে
খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমের ওপর হামলা: দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমের ওপর হামলা: দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

খুলনায় পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ আলমের ওপর হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ছিনতাইকারীর হামলায় গুরুতর আহত শাহ আলমকে দেখতে গিয়ে তিনি এ আশ্বাস দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহত পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। শাহ আলমের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। হাসপাতালে পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। খুলনা জেলার এ সার্কেলে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম গত ৯ অক্টোবর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিশেষ অভিযান শেষে রিকশাযোগে পুলিশ ক্লাবে যাচ্ছিলেন। খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে তিন দুর্বৃত্ত তাঁর পথরোধ করে টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়। বাধা দিলে ধারালো চাপাতি দিয়ে তাঁর দুই হাতের কবজিতে গুরুতর জখম করা হয়। পরে শাহ আলমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পরদিন শুক্রবার রাতে পুলিশ সদস্যদের একা চলাচল না করার নির্দেশ দেয় খুলনা জেলা পুলিশ। জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। ইতিমধ্যে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

৬ ঘন্টা আগে
নতুন প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

নতুন প্রজন্মের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ার উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে শিশুদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়া যায় কি না, তা ভেবে দেখতে হবে। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং এ ধরনের অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বুধবার সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি এ সভা করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এসব কথা জানান। তিনি জানান, সভায় লালন উৎসব ও নজরুলবর্ষকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ও পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত ও প্রস্তাবিত কর্মসূচি সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়। সভায় জানানো হয়, আগামী শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসবে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো, বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক উৎসব এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে আরও সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সংস্কৃতি হাজার বছরের। কিন্তু আমাদের তরুণ প্রজন্মের কাছে আমরা তা হয়তো যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারছি না। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা বিদেশি সংস্কৃতির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছি, নতুন নতুন বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছি।’ ‘কিন্তু তার মানে এই নয় যে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাব। আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য কীভাবে আরও বেশি করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা যায়, তা নিয়ে ভাবতে হবে।’ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে উপস্থিত সবারই কোনো না কোনো যোগ্যতা রয়েছে। সবাইকে নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দিই, তাহলে আমরা সবাই মিলে যে ধরনের দেশ দেখতে চাই, অন্তত তার কিছুটা হলেও বাস্তবায়ন করতে পারব। দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। আমরা যেন সেই সুযোগ কাজে লাগাই।’ সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন। 

৭ ঘন্টা আগে
ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ও সৌদি আরব হয়ে চলাচলকারী ১০০টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এসব ফ্লাইটে মোট ১৫ হাজার ৩৯৩ জন যাত্রীর ভ্রমণের কথা ছিল। ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে যেসব প্রবাসী কর্মীর ভিসার মেয়াদ দ্রুত শেষ হয়ে আসছে, তারা পড়েছেন বেশি দুশ্চিন্তায়।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এক বার্তায় জানায়, বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৪১টি সরাসরি এবং ৫৯টি ট্রানজিট ফ্লাইট।এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ অন্যান্য এয়ারলাইন্স। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, যাত্রীরা বিনা খরচে টিকিটের তারিখ বা ফ্লাইট পরিবর্তন করতে পারছেন। তবে বিকল্প ফ্লাইটে আসন পাওয়া গেলেই কেবল এ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে অনেক যাত্রী টিকিট পরিবর্তনের সুযোগ পেলেও দ্রুত যাত্রা করতে পারছেন না।বাতিল বা স্থগিত হওয়া সরাসরি ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের সাতটি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের সাতটি ফ্লাইট রয়েছে।ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ, দাম্মাম, মদিনা ও জেদ্দা রুটে সরাসরি এবং ট্রানজিটের মাধ্যমে ফ্লাইট পরিচালিত হয়। তবে হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও স্বাভাবিকভাবে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাচ্ছে না। সেখানে বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত হয়েছে।এ পরিস্থিতিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রিয়াদ ও দাম্মাম রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত রেখেছে। অন্যদিকে, মদিনার প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সপ্তাহের শুরুতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও বর্তমানে উড়োজাহাজ ওঠানামা করছে।বিকল্প হিসেবে রিয়াদ ও দাম্মামগামী যাত্রীদের মদিনা ও জেদ্দা বিমানবন্দর দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে এয়ারলাইন্সগুলো। তবে এসব রুটে আগে থেকেই যাত্রীদের বুকিং থাকায় নতুন করে আসন বরাদ্দ দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক কর্মকর্তা জানান, যেসব যাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কাছাকাছি, টিকিট পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। যাত্রীদের দ্রুত গন্তব্যে পাঠাতে ফ্লাইটের আসন ব্যবহারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্ধারিত আসনের তুলনায় বেশি বুকিং নেওয়ার পরিস্থিতিও তৈরি হচ্ছে।ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও কয়েকজন যাত্রীকে ফিরে আসতে হয়েছে। তবে পরবর্তী ফ্লাইটে তাদের সৌদি আরবে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।এয়ারলাইন্স-সংশ্লিষ্টদের মতে, বিকল্প ফ্লাইটে আসন খালি না থাকায় বাতিল হওয়া ফ্লাইটের সব যাত্রীকে দ্রুত নতুন ফ্লাইটে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আগে থেকেই বুকিং থাকায় আসন বরাদ্দে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকা প্রবাসী কর্মীদের জন্য দ্রুত বিকল্প যাত্রার ব্যবস্থা করাই সবচেয়ে জরুরি হয়ে উঠেছে।

৭ ঘন্টা আগে
ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন

ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি চিনি, ইউরিয়া ও এমওপি, ডিএপি সার এবং এলএনজিসহ মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৯তম সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবের আওতায় ই-জিপির মাধ্যমে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ কেজির বস্তায় মোট ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে প্রথম প্রস্তাবে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনির ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি কেজি চিনির দাম পড়বে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রস্তাবে একই পরিমাণ চিনির ক্রয়মূল্য ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজির দাম ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা। উভয় ক্ষেত্রেই সুপারিশকৃত দরদাতা মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেড।  এদিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে মূল চুক্তিমূল্য ছিল ২০ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯৯ টাকা। ৩৬০ কোটি ৬৫ লাখ ২২ হাজার ২৫ টাকা ভেরিয়েশনের পর সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৭২৪ টাকা। প্রকল্পটির সুপারিশকৃত দরদাতা জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও ফুজিতা করপোরেশন এবং কোরিয়ার স্যামসাং সিঅ্যান্ডটির সমন্বয়ে গঠিত এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম।  একই প্রকল্পের পরামর্শক সেবা সংক্রান্ত আরেকটি প্রস্তাবে ৪০৫ কোটি টাকা ভেরিয়েশনসহ সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৬ কোটি ৭১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫৭ টাকা। এ কাজের জন্য জাপানের নিপ্পন কোয়েই, ওরিয়েন্টাল কনসালট্যান্টস গ্লোবাল, সিঙ্গাপুরের সিপিজি কনসালট্যান্টস এবং বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্টসের যৌথ উদ্যোগকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।  সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ জন্য ব্যয় হবে ২২০ কোটি ৬৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ৪৪৬ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ৪২ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব কার্যোত্তর অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৭৫ কোটি ৭৭ লাখ ৭২ হাজার ২৯০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৫৩১ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।  রাশিয়ার জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫০ টাকা। প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার। কানাডার কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির দুটি প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮২ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার।  এছাড়া জিটুজি ভিত্তিতে ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির দর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম-০.১০ মার্কিন ডলার। সৌদি আরবের এমএ’এডেন থেকে ২০২৬ সালের পঞ্চম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম ৮৬১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।  এছাড়া কমিটি কক্সবাজারের মহেশখালীতে জিটুজি পদ্ধতিতে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের লক্ষ্যে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (সিএনইই) দাখিল করা দর প্রস্তাব প্রত্যাহার করেছে। ১৫ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিলো প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা  এবং ২০ বছর মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা।

৭ ঘন্টা আগে
জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি সমাধানে একসঙ্গে কাজের ঘোষণা ডেপুটি স্পিকারের

জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি সমাধানে একসঙ্গে কাজের ঘোষণা ডেপুটি স্পিকারের

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি এবং বাস্তুচ্যুত সমস্যা সমাধানে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবে পার্লামেন্টারি ককাস বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি।  রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আজ বুধবার রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্স ইউনিট (রামরু) আয়োজিত ৩০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন ও ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’ অনুষ্ঠানের  "Introducing the Parliamentary Caucus on Climate Change and Displacement" সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।  তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ জনগণের সংসদ, জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সংসদ। এই সংসদ জনগণের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে। এই সংসদই অনুধাবন করতে পেরেছে যে, আমাদের জনগণ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে যেসব সমস্যায় ভুগছে তা মোকাবেলা করার জন্য আমাদের একটি পার্লামেন্টারি ককাস প্রয়োজন। তাই দীর্ঘ সময় পরে সকলকে সাথে নিয়ে একটি পার্লামেন্টারি ককাস গঠন করা হয়েছে। পার্লামেন্টারি ককাস গঠনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে সকলে মিলে একসাথে কাজ করা যাতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সংসদ কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। এই পার্লামেন্টারি ককাস তৃণমূল পর্যায়ে যারা বাস্তুচ্যুতি নিয়ে কাজ করে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যারা জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নিয়ে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এমপিদের সংশ্লিষ্ট করে জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস গঠন করা হয়েছে। এ ককাসের মাধ্যমে সংসদ সদস্যগণ নিজ নিজ এলাকায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ও বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সুপারিশ প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধনে ভূমিকা রাখতে পারবেন।  ডেপুটি স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য খুব সামান্য দায়ী হলেও এর বিরূপ প্রভাবের শিকার হচ্ছে বেশি। তিনি তৃণমূল পর্যায়ের বাস্তুচ্যুত মানুষের সমস্যা নিরসনে সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।  জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক সংসদীয় ককাসকে সর্বদলীয় ককাস উল্লেখ করে ককাস চেয়ারপার্সন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি তার বক্তব্যে বলেন, জনগণের সমস্যা দূরীকরণে ও তাদের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করতে সংসদের ভেতরে এবং বাইরে থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা আমাদের সাধ্যমত অবদান রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাবো।  রামরুর নির্বাহী পরিচালক ড. তাসনিম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুচ্যুতি বিষয়ক সংসদীয় ককাস এর  সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এমপি, আবুল হোসেন খান এমপি ও আনোয়ারুল হক এমপি এবং বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক।  দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও গবেষক, বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিবৃন্দ, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (NGO) এর প্রতিনিধিগণ, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ অন্যান্যরা অংশগ্রহণ করেন। 

৯ ঘন্টা আগে
এলপিজি বিক্রি বন্ধে অস্থিরতা হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

এলপিজি বিক্রি বন্ধে অস্থিরতা হলে ব্যবস্থা নেবে সরকার

বৃহস্পতি ও শুক্রবার সারা দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, পণ্য সরবরাহ বন্ধ রেখে বারবার দাম বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। ব্যবসায়ীদের আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। আজ বুধবার সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জ্বালানিমন্ত্রী। বৈঠকে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং আগামী বছর এলপিজির চাহিদা মেটানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা এবং আমদানির উৎস নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে এলপিজি সরবরাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলায় বেসরকারি আমদানিকারকদের বিকল্প উৎস খুঁজতে হচ্ছে। এর মধ্যেও ভোক্তাদের সহনীয় দামে এলপিজি সরবরাহের চেষ্টা করছে সরকার। সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে (বিইআরসি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীদের সমস্যাগুলো সমাধানেও আলোচনা চলছে। আগামী ৩০ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আবার বৈঠক হবে। ডিলার পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনকে সক্রিয় করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে এলপিজির দাম বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ভারতে সরকার ভর্তুকি দিয়ে নির্দিষ্ট কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীদের কম দামে এলপিজি সরবরাহ করে। বাংলাদেশে এ ধরনের ভর্তুকি নেই। বেসরকারি আমদানিকারকেরা এলপিজি আমদানি করে উন্মুক্ত বাজারে বিক্রি করেন। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারের দামের প্রভাব সরাসরি দেশের বাজারেও পড়ে। একই সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, এলপিজির সরবরাহ ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো এলপিজি আমদানি করে। সরকার সরাসরি এ পণ্য আমদানি করে না। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের লাভ-লোকসান ও কমিশনসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমস্যা শুনতে ও সমাধানে প্রস্তুত। তবে দাবি আদায়ের নামে বাজারব্যবস্থার অপব্যবহার বা জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি তৈরি করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে বৃহস্পতি ও শুক্রবার সারা দেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। গত সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মো. সেলিম খান এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দাবি পূরণ না হলে দুই দিনের কর্মসূচির পর আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে। এই কর্মসূচি ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আজ এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করে সরকার। বাজারে সংকট এলপিজি সরবরাহ সংকটে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কোথাও মিললেও সারা দেশে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তবে বাজারে এই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। সরবরাহ কমে যাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এর মধ্যে দুই দিনের ধর্মঘটের ঘোষণায় বাজারের অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

১২ ঘন্টা আগে
সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এ অবস্থায় সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে নিজের ভারিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আহ্বান জানান। স্ট্যাটাসটি ইত্তেফাক ডিজিটালের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে সৃষ্ট বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী এ পর্যন্ত ৮৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৫০টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এসব ফ্লাইট বাতিলের ফলে মোট ১৩ হাজার ৪৯০ জন যাত্রী ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।’ তিনি জানান, সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর বাংলাদেশ-সৌদি আরব রুটে সরাসরি এবং ট্রানজিটের মাধ্যমে চলাচলকারী বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় ৬১টি ফ্লাইট সরাসরি প্রভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং কিছু ফ্লাইটের চলাচল স্থগিত রাখা হয়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে রিয়াদগামী সব ফ্লাইট আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। জামায়াতের আমির বলেন, ‘এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি যাত্রী, বিশেষ করে প্রবাসী কর্মজীবী মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাদের অনেকেই কর্মসংস্থানে যোগদান, নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। অন্যদিকে, অনেক ধর্মপ্রাণ মানুষ পবিত্র ওমরা পালনের উদ্দেশ্যেও যাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিতের কারণে তাদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।’ বিশেষ করে যারা চাকরি নিয়ে সৌদি আরব যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন, তাদের বিষয়টি অত্যন্ত মানবিক ও গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিরোধীদলের নেতা লেখেন, ‘নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে তাদের চাকরির সুযোগ হারানো, নিয়োগকর্তার সঙ্গে চুক্তিগত জটিলতা এবং আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ভিসার মেয়াদ, নিয়োগসংক্রান্ত শর্ত এবং সৌদি আরবের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জটিলতাও তৈরি হতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু যাতায়াতের অসুবিধা নয়; বরং অনেক পরিবারের জীবিকা ও ভবিষ্যতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।’ ডা শফিকুর রহমান লেখেন, ‘এ অবস্থায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আমাদের আহ্বান, সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। বিশেষ করে চাকরি নিয়ে যাত্রার অপেক্ষায় থাকা প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে তাদের চাকরি, ভিসা কিংবা কর্মসংস্থানের সুযোগ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের জন্য যৌক্তিক সময়সীমা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করতে হবে।’ জামায়াতের আমির বলেন, ‘একই সঙ্গে, নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা বিমানবন্দর এড়িয়ে সৌদি আরবের অন্য নিরাপদ বিমানবন্দর কিংবা বিকল্প রুটে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সম্ভাবনা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিকল্প ফ্লাইট, পুনঃটিকিটায়ন এবং প্রয়োজনীয় যাত্রাসহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।’ স্ট্যাটাসের শেষ অংশে তিনি লেখেন, ‘আমরা মনে করি, এই সংকট মোকাবিলায় সামান্য অবহেলা কিংবা সিদ্ধান্ত গ্রহণে অযৌক্তিক বিলম্ব শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট যাত্রী ও তাদের পরিবারই নয় বরং দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মীদের কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক আয়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারকে দ্রুত, কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি, বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করুন এবং সৌদি আরবগামী যাত্রী ও প্রবাসী কর্মীদের নিরাপদ যাত্রা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বার্থ সুরক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করুন।’

১২ ঘন্টা আগে
দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

দেশের পাঁচ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।এ পরিস্থিতিতে এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৫ ঘন্টা আগে
১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ পিএম
সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও বিশৃঙ্খলা মূল সমস্যা নয়, মূল সমস্যা হলো আমাদের কলুষিত রাজনীতি। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও বিশৃঙ্খলা মূল সমস্যা নয়, মূল সমস্যা হলো আমাদের কলুষিত রাজনীতি। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

ব্রাহ্মণপাড়ায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় আগামী ছয় মাসের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে জহিরুল ইসলাম সরকারকে আহ্বায়ক এবং মাজহারুল ইসলামকে সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম সোহেল, সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটু ও সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী রবিউল আউয়ালের যৌথ স্বাক্ষরে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।নবগঠিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন তানভীর আলম সুমন। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শফিকুল ইসলাম আকন্দ, জুনায়েদ বোগদাদী, মাসুদ রানা, রেজাউল করিম ও ফারজানা আক্তার নুপুর।মোহাম্মদ ইউনুস মিয়াকে সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব করা হয়েছে। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন রোমান সরকার, জিয়াউর রহমান, ওমর ফারুক ও শামীম হাসান।এ ছাড়া আব্দুর রহমানকে দপ্তর সম্পাদক এবং মোহাম্মদ আলী আহম্মদকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন আনোয়ার হাজারী, রিফাতুল ইসলাম, কাজী নাজমুল হাজারী, মিজানুর রহমান, মাহফুজুর রহমান রিয়াদ, আলামিন হোসাইন, মমিনুল ইসলাম আকন্দ, হাফেজ মোহাম্মদ শাহজালাল, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হারুন অর রশিদ, আসাদুল নাঈম ও রাসেল আহমেদ।কমিটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মেহেদী হাসান রুবেল এবং নারী বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ফাতেমা সরকার।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ছয় মাস ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও দলকে আরও গতিশীল করার দায়িত্ব পালন করবে এই আহ্বায়ক কমিটি।

লিংক কপি করা হয়েছে!

মুক্তির আগেই মস্ত রেকর্ডের পথে রজনীকান্তের ‘জেলার ২’

সুপারহিট ছবি ‘জেলার’-এর সিক্যুয়েল নিয়ে আবারও ফিরছেন দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্ত। ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। এর চার দিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে অগ্রিম বুকিং! অভিনেতার ছবিটি ইতিমধ্যেই দারুণ সাড়া পাচ্ছে। রজনীকান্তের ছবি ‘জেলার ২’-এর অগ্রিম বুকিংয়ের পরিসংখ্যান শুনলে রীতিমত চোখ কপালে উঠবে! ভারতে ছবিটির অগ্রিম বুকিং থেকে ৫৭ কোটি টাকারও বেশি আয় হয়েছে এবং খবর অনুযায়ী, বিদেশের বাজারেও উদ্বোধনী দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি ২৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে খবর। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, অগ্রিম বুকিংয়ে বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটির মাইলফলকও ছুঁতে পারে এই ছবি। গত সপ্তাহে ‘জেলার ২’-এর অগ্রিম বুকিং শুরু হয়, যা বক্স অফিসে ছবিটিকে দারুণ সূচনা এনে দিয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র উদ্বোধনী দিনের (১৫ অক্টোবর) জন্য ছবিটির ১৪.৪৭ লক্ষ টিকিট অগ্রিম বিক্রি হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ভারতের অভ্যন্তরীণ বক্স অফিসে ৩০.৯০ কোটি টাকা আয় হয়েছে। ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনার কারণে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বোধনী দিনের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে। এছাড়াও স্যাকনিল্কের মতে, ‘জেলার ২’ ব্লকবাস্টার ওপেনিং পেতে চলেছে। মাত্র চার দিনেই ছবিটির অগ্রিম বুকিং ৪০ কোটি টাকার অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে। ইতিমধ্যেই ৩৮.০৯ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩.১০ কোটি টাকা এসেছে আনব্লকড আসন থেকে। ব্লক সিট হল এমন আসন যা আয়োজক এবং প্রেক্ষাগৃহের মালিকরা বিভিন্ন কারণে সংরক্ষণ করে রাখেন এবং এই আসনগুলোর টিকিট বিক্রি করা হয় না। এই আসনগুলো সাধারণত প্রচারমূলক কার্যক্রম, প্রেক্ষাগৃহের মালিকের দল, তারকা শিল্পী এবং বিশেষ অতিথিদের জন্য সংরক্ষিত থাকে। ফিল্মিবিট তামিলের খবর অনুযায়ী, ‘জেলার ২’ ছবির জন্য রজনীকান্ত ১১০ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। এর পাশাপাশি ছবির লভ্যাংশ থেকেও তিনি একটা বড় অংশ পাবেন বলে শোনা যাচ্ছে। বক্স অফিসে ছবিটি দারুণ ব্যবসা করলে তার মোট আয় ১৮০ কোটি টাকা ছুঁতে পারে। ‘জেলার ২’ পরিচালনা করেছেন নেলসন দিলীপকুমার এবং এটি সান পিকচার্স ব্যানারের অধীনে নির্মিত। ছবিটিতে মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান, রম্যা কৃষ্ণা এবং যোগী বাবুর মতো তারকারাও অভিনয় করেছেন। প্রধান ও অপ্রধান মিলিয়ে প্রায় ২৬ জন অভিনেতা-অভিনেত্রী রয়েছেন এবং সুপারস্টারদের পাশাপাশি পাঁচজন অতিথি শিল্পী হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন।

যেভাবে ছড়াতে পারে এইচআইভি

এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি এইডসে রূপ নিতে পারে। এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে কেবল শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়ায়, যা সঠিক নয়।সংক্রমিত রক্ত, বীর্য, যোনিরস, পায়ুপথের তরল এবং বুকের দুধের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। তবে সাধারণ স্পর্শ, একসঙ্গে খাওয়া বা করমর্দনে এইচআইভি ছড়ায় না। শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও যেসব কারণে সংক্রমণ হতে পারে:যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া রক্তদাতা বা রক্ত গ্রহণকারীর মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।মাদক গ্রহণকারী বা চিকিৎসায় একাধিক ব্যক্তির একই সুচ ব্যবহারের ফলে।অস্ত্রোপচার বা চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত না করলে।আক্রান্ত মায়ের গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা স্তন্যদানের মাধ্যমে (যদিও সঠিক চিকিৎসায় ঝুঁকি কমানো সম্ভব)। স্বাস্থ্যকর্মী বা অন্য কারও শরীরে দুর্ঘটনাবশত সংক্রমিত রক্ত প্রবেশ করলে।জীবাণুমুক্ত নয় এমন সুচ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র বা ট্যাটু করার সময়।প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, গলাব্যথা, ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাতের ঘাম বা লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে অনেকের দীর্ঘকাল কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। তাই নিশ্চিত হতে পরীক্ষা করানো জরুরি।ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শের ক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘পিইপি’ (পোস্ট-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস) শুরু করলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। নিয়মিত পরীক্ষা এবং অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সচেতনতা, নিরাপদ সরঞ্জাম ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসাই এইচআইভি প্রতিরোধের মূল উপায়।

টিকটকের ফ্যান্টাসিতে বাড়িছাড়া ৪ স্কুলছাত্রী,চুনারুঘাটে উদ্ধার

টিকটকের ফ্যান্টাসিতে বাড়িছাড়া ৪ স্কুলছাত্রী,চুনারুঘাটে উদ্ধার

পড়াশোনায় অনীহা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের কাল্পনিক জীবনধারায় আকৃষ্ট হয়ে বাড়ি ছেড়েছিল কুমিল্লা পুলিশ লাইন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থেকে তাদের উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীদের বয়স ৮ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে তিনজন পঞ্চম শ্রেণি ও একজন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।পুলিশ জানায়,গত ১২ অক্টোবর সকালে চার শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হলেও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়নি। পরে ওই দিন বিকেলে বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। তারা জেলা পুলিশ সুপারকে বিষয়টি জানালে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। পরে চুনারুঘাট থানা পুলিশের সহায়তায় রাত ২টার দিকে চার শিক্ষার্থীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষার্থীরা জানায়, পড়াশোনার প্রতি তাদের আগ্রহ কম ছিল। তারা নিয়মিত মোবাইল ফোন ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যোগাযোগ রাখত এবং টিকটকে ভিডিও প্রকাশ করত। এসব মাধ্যমে অপরিচিত কয়েকজন তরুণের সঙ্গে তাদের পরিচয় ও সখ্যতা গড়ে ওঠে। তবে ওই তরুণদের প্রকৃত নাম-ঠিকানা তারা জানত না।পুলিশ সুপারের ভাষ্য অনুযায়ী,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা কাল্পনিক জীবনযাপনের ধারণায় প্রভাবিত হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও উপার্জনের উদ্দেশ্যে তারা বাড়ি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময় তারা ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালঙ্কার সঙ্গে নিয়ে বের হয়।বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর কুমিল্লার টাউন হল সুপার মার্কেটে একটি মোবাইল ফোন চার হাজার টাকায় বিক্রি করে তারা। ওই টাকা নিয়ে প্রথমে ঢাকায় যায়। সেখানে পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু করতে না পেরে একই দিন এক শিক্ষার্থীর দাদাবাড়ি হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।পুলিশ জানায়,জেলা গোয়েন্দা শাখা বিক্রি করা মোবাইল ফোন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করেছে। পরে উদ্ধার হওয়া চার শিক্ষার্থীকে তাদের পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং শিশুদের অনলাইন কার্যক্রমে নজরদারির গুরুত্ব এ ঘটনায় আবারও সামনে এসেছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream