শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল ও উৎসবের আনন্দঘন পরিবেশে দেবী দুর্গার আগমন ভক্তদের মনে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয় জাগায়। দুর্গোৎসবের মূল বার্তা হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়।তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। এই উৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এর সঙ্গে বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এ উৎসব সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে।রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য ও সুন্দরের আলোয় উদ্ভাসিত হবে এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মতো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম জোরদার এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্ভয়ে, স্বাধীনভাবে ও নিরাপদ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। ধর্ম, বর্ণ কিংবা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রসহ সবার দায়িত্ব। দুর্গোৎসবের আনন্দ অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে। পাশাপাশি দেশে ও বিদেশে দুর্গোৎসব উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ১০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ৮২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া পাঁচজনের মধ্যে দুজন চট্টগ্রাম বিভাগের, আর ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের একজন করে রয়েছে। বিভাগভিত্তিক হিসাবে, হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ৪৮৮ জনের। এ ছাড়া সিলেটে ১৮৯, চট্টগ্রামে ৯৮, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮২, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৪৯ এবং রংপুরে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ১১ হাজার ৪০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৬৪ জনের মধ্যে এসব উপসর্গ দেখা দিয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষায় ৪৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ৯৭২ জনের।

বাংলাদেশের অর্থনীতি রক্ষায় বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর ইতিবাচক সাড়া: অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আর্থিক সহায়তার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। বাংলাদেশের অর্থায়ন প্রস্তাবগুলো নিয়ে এসব সংস্থার কাছ থেকে আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের (এপিডি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। বৈঠকে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনসহ দুই পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অর্থমন্ত্রী জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রস্তাবের চূড়ান্ত পর্যালোচনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন সেগুলো চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংশ্লিষ্ট দল কাজ করবে। বিস্তারিত পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।অর্থমন্ত্রী আরও জানান, চলতি বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল, তা বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উপলব্ধি করেছে। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল রাশিয়া

রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের কামচাতকা উপদ্বীপে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়।ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভিলিউচিনস্ক শহর থেকে প্রায় ১২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৪০ কিলোমিটার।ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, এই কম্পনে সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই। তবে ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানি হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।বিএনও নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) ভুলবশত ৯.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা জারি করেছিল। এতে জাপানের বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র কম্পনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়। তবে সংস্থাটির নিজস্ব পরিমাপে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.৯। সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা মাত্রার ভূমিকম্প ঘটলে তা রেকর্ড করা ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হতো।কামচাতকা উপদ্বীপ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলের অংশ। এই টেকটোনিক বলয়টি বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা।এর আগে, গত বছরের জুলাইয়ে কামচাতকা উপদ্বীপের উপকূলে ৮.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওই ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে একটি উপকূলীয় গ্রামের কিছু অংশ সমুদ্রে তলিয়ে যায়।সূত্র: এনডিটিভি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাভাষী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। শরতের নির্মল আকাশ, শুভ্র কাশফুল ও উৎসবের আনন্দঘন পরিবেশে দেবী দুর্গার আগমন ভক্তদের মনে নতুন আশা ও কল্যাণের প্রত্যয় জাগায়। দুর্গোৎসবের মূল বার্তা হলো অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়।তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছে। এই উৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এর সঙ্গে বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। এ উৎসব সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে।রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য ও সুন্দরের আলোয় উদ্ভাসিত হবে এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি বলেন, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মতো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম জোরদার এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্ভয়ে, স্বাধীনভাবে ও নিরাপদ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। ধর্ম, বর্ণ কিংবা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কেউ যেন বৈষম্য, বঞ্চনা বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রসহ সবার দায়িত্ব। দুর্গোৎসবের আনন্দ অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।বাণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। সব ভেদাভেদ ভুলে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে। পাশাপাশি দেশে ও বিদেশে দুর্গোৎসব উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন তিনি।

৮ ঘন্টা আগে
জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাবে সরকার: মাহ্‌দী আমিন

জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাবে সরকার: মাহ্‌দী আমিন

জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্বের বিকাশে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাঠাতে সব ধরনের সহযোগিতা সরকার করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে জাতীয় সংসদের এলডি হলে ‘বাংলাদেশ ইউথ মডেল ইউনাইটেড নেশনস-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন এসব কথা বলেন। ‘ফিউচার বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা জাতীয় ও বৈশ্বিক নীতি নিয়ে বিতর্কে অংশ নেবেন। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশব্যাপী একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করলে সেখানে প্রতিটি স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণরা অংশ নেবে। যারা চূড়ান্তভাবে বিজয়ী হবে, সরকার নিজস্ব অর্থায়নে তাদের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। আগামী বছর থেকে এই প্রস্তাবনা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করেন মাহ্‌দী আমিন। তিনি বলেন, যাতে তরুণরা বিশ্বমঞ্চে লাল সবুজের পতাকার প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতার বিকাশে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-এই তিন ক্ষেত্রের এক অপূর্ব ত্রিভুজ সমন্বয়ের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন বলেও জানান তার এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এর অধীনে দেশজুড়ে আয়োজন করা হবে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াড, পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, নতুন কুঁড়ি, ক্বিরাআত ও হিফজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক এবং কুইজ প্রতিযোগিতাসহ শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশমূলক সব আয়োজনে সরকারের সর্বাত্মক সহায়তা ও পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত থাকবে। তরুণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আজকের তরুণদের মাঝ থেকেই আগামী দিনে অনেকে সংসদ সদস্য ও নীতি নির্ধারক হিসেবে দেশের নেতৃত্ব দেবেন। তরুণদের মাঝ থেকেই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব গড়ে উঠবে, যারা শিক্ষা, সংস্কৃতি, শিল্প, রাজনীতি, নীতি প্রণয়ন ও সাংবাদিকতাসহ সমাজের প্রতিটি স্তরে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশকে ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ দেখাবে। তরুণদের পাশে থেকে অভিভাবকত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানসহ সরকারের পক্ষ থেকে আমরা তার সর্বাত্মক সহযোগিতার ব্যবস্থা করব। শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে মাহ্‌দী আমিন বলেন, তরুণদের উপস্থিতিই প্রমাণ করে তাদের মধ্যে দেশ নিয়ে একটি সুন্দর স্বপ্ন ও ভিশন রয়েছে। তারা নিজেদের প্রজন্মের সেরা হিসেবে গড়ে তুলতে অদম্য প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসছে। একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য তরুণদের মাঝে সঠিক মূল্যবোধ, আদর্শ, মেধা, যোগ্যতা ও সততার চর্চা অপরিহার্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে মাহ্‌দী আমিন বলেন, রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে এই তরুণরাই নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে। সে সময় তরুণরা একটি বৈষম্যহীন ও মেধাভিত্তিক সমাজের ভিত রচনা করেছে, যেখানে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাকস্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করবে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে মুখপাত্র বলেন, সরকার এমন এক বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর, যেখানে যেকোনো নাগরিকের সফল হওয়া কিংবা আত্মবিকাশের সুযোগ পাওয়ার জন্য কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের পরিচয়ের প্রয়োজন হবে না। সমাজে বজায় থাকবে ন্যায়বিচার ও সমতা, আর রাষ্ট্র পরিচালনায় থাকবে স্বচ্ছতা ও কার্যকর জবাবদিহিতা। অনুষ্ঠানে নিজের শিক্ষার্থী জীবনের স্মৃতিচারণ করে মাহ্‌দী আমিন জানান, ২০০৭ সালে সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের বারুক কলেজে অধ্যয়নকালে তিনিও ‘মডেল ইউনাইটেড নেশনস’-এ অংশ নিয়েছিলেন এবং বারুক কলেজের প্রতিনিধিত্ব করে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে গিয়েছিলেন। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের তরুণদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও অ্যাকাডেমিক দিক থেকে পূর্ণ ক্ষমতায়ন করতে হবে। নীতি প্রণয়নের প্রতিটি স্তরে তরুণদের প্রত্যাশা, দৃষ্টিভঙ্গি ও মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যুগোপযোগী দক্ষতা তৈরি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য পলিসি মেকিং প্রক্রিয়ায় তরুণদের মতামত সরাসরি সম্পৃক্ত করা জরুরি। কেবল বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তরুণদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা ও উদ্ভাবনী ধারণা মনোযোগ দিয়ে শোনার জন্য আয়োজকদের প্রতি আরও বেশি ‘নীতি সংলাপ’ আয়োজনের আহ্বান জানান মাহ্‌দী আমিন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আর উপস্থিত ছিলেন- ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এসএম আব্দুল আওয়াল এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।

৯ ঘন্টা আগে
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি দারিদ্র্য কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষকে সহায়তার পাশাপাশি নতুন করে মানুষের দরিদ্র হয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হবে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের বার্ষিক সভার ফাঁকে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।এর আগে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও ব্যাংক অব আমেরিকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে।ড. তিতুমীর বলেন, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাবে সাধারণ মানুষের ব্যয় বেড়েছে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে পড়তে পারে। তবে সরকার এসব চাপ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং জ্বালানির মূল্য সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সীমিত রাখার চেষ্টা করছে।তিনি জানান, বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে বাংলাদেশে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।উপদেষ্টা বলেন, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নানা ত্রুটি ছিল। প্রকৃত সহায়তাপ্রত্যাশীদের অনেকে তালিকায় স্থান পাননি, আবার অযোগ্য ব্যক্তিরাও সুবিধাভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। এ সমস্যা দূর করতে সরকার ডিজিটাল জনপরিকাঠামো ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো যায়।তিনি আরও বলেন, স্বাধীন গবেষণা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ড কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে দারিদ্র্য প্রায় ৫ শতাংশ কমতে পারে। এসব কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণার পাশাপাশি সরকারের পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলেও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে শুধু কঠোর মুদ্রানীতি যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, রাজস্ব ও আর্থিক খাতের সংস্কারও জরুরি। সরকারের লক্ষ্য রাজস্ব আয় বাড়ানো, কর ফাঁকি ও কর জালিয়াতি বন্ধ করা এবং পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা।তিনি জানান, গত অর্থবছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল প্রায় ৩ শতাংশ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১২ থেকে ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে।আইএমএফের অর্থনৈতিক পূর্বাভাস প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, পূর্বাভাস মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শর্ত ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। অতীতে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে যে সংশয় তৈরি হয়েছিল, বর্তমান সরকার সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে তা দূর করতে চায়।ব্যাংকিং খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের কারণে এ খাতে প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি সামনে এসেছে। বর্তমানে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং আমানতকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কাজ চলছে।ড. তিতুমীর জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানতকারীদের আস্থা ফেরানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমানতকারীরা প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ তুলতে পারছেন। একই সঙ্গে অনেকে নতুন করে অর্থ জমা রাখছেন। ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে আসাকেও আর্থিক খাতের ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।মধ্যপ্রাচ্যের সংকটে জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও সারের আমদানি ব্যয় বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, কৃষকদের ওপর চাপ কমাতে ডিজেলের দাম না বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। সংকট সৃষ্টিতে বাংলাদেশের ভূমিকা না থাকলেও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে বাংলাদেশকে উৎপাদনশিল্পের কেন্দ্র ও রপ্তানির প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়জনিত চাপ কমিয়ে টেকসই উন্নয়নের পথ তৈরি করা।উল্লেখ্য, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভা ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সভায় বৈশ্বিক অর্থনীতি, দারিদ্র্য হ্রাস, উন্নয়ন অর্থায়ন, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

১৩ ঘন্টা আগে
‘কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ’

‘কর্মসংস্থান ও শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে পূর্ণাঙ্গ টিভেট ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে বাংলাদেশ’

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটালাইজেশন ও সবুজ প্রযুক্তিনির্ভর পরিবর্তিত শ্রমবাজারের চাহিদা মেটাতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণকে (টিভেট) প্রধান হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে সরাসরি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করতে কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন এবং শিল্প চাহিদার সামঞ্জস্যে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার চীনের তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’- এর উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বক্তব্য উপস্থাপনকালে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এসব কথা বলেন। তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘টিভেট: পরিবর্তনকে যৌথভাবে গ্রহণ, যৌথভাবে মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা এবং যৌথভাবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ’। উচ্চপর্যায়ের এই বৈশ্বিক সম্মেলনে ৪০টিরও বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী, ১০০টিরও বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল, ইউনেস্কোর উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি, শিল্পখাতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান এবং কারিগরি শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা অংশ নিয়েছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চীনের শিক্ষামন্ত্রী হুয়াই জিনপেং, চীনের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রিমিয়ার দিং শুয়েশিয়াং, তিয়ানজিনের মেয়র ঝাং গং, মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি এবং ইউনেস্কোর ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অধিবেশনের প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ তার জনগণ এবং মানবসম্পদই জাতীয় অগ্রগতির প্রধান ভিত্তি।’ তিনি টিভেটকে এমন এক অপরিহার্য সেতুবন্ধন হিসেবে অভিহিত করেন, যা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের সঙ্গে, একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে এবং তরুণদের সম্ভাবনাকে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করে। ভবিষ্যতের অর্থনীতির চাহিদা পূরণে কেবল একাডেমিক শিক্ষা যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবহারিক, প্রযুক্তিগত এবং ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য। বাংলাদেশের টিভেট সংস্কার কর্মসূচি কেবল নতুন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি, যেখানে পাঠ্যক্রম বাস্তবভিত্তিক শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে; শিক্ষকরা দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের নিয়মিত হালনাগাদ রাখবেন; শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিল্প-সংযুক্ত অভিজ্ঞতা অর্জন করবে; এবং জাতীয় যোগ্যতা কাঠামো সরাসরি কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ তৈরি করবে।’ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো শিক্ষা ব্যবস্থাকে উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করা। গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উভয় দেশ শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ চীনের সফল অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশের টিভেট খাতকে আধুনিকায়ন, শিল্প-প্রতিষ্ঠান সংযোগ জোরদার, শিক্ষকদের সক্ষমতা উন্নয়ন এবং শিল্প-সংযুক্ত ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসারে কাজ করছে। সম্মেলনের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্যের আলোকে শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তিনটি সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানান। ১. উদীয়মান প্রযুক্তি ও পরিবর্তিত কর্মপরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোকে আরও অভিযোজনক্ষম ও গতিশীল করা। ২. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের বৈশ্বিক মানদণ্ড নিজ নিজ দেশের অর্থনীতি, শ্রমবাজারের বাস্তবতা এবং জাতীয় উন্নয়নের অগ্রাধিকারের আলোকে অভিযোজিত করতে পারা। ৩. সরকার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, নিয়োগদাতা, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং তরুণ সমাজকে অংশীদারিত্বমূলক সহযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা। চীন-বাংলাদেশ যৌথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাব: সম্মেলনের ফাঁকে শিক্ষামন্ত্রী মিলন চীনের শিক্ষা উপমন্ত্রী রেন ইউছুয়েনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বিদ্যমান বাংলাদেশি কারিগরি প্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন, যৌথ কারিগরি শিক্ষা কর্মসূচি চালু, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা সরকারি বৃত্তি সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে একটি ‘বাংলাদেশ-চীন যৌথ কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন সহযোগিতা বিষয়ক প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ এসব অগ্রাধিকারমূলক সহযোগিতা উদ্যোগ বাস্তবায়নে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণে সম্মত হয়। বিডি প্রতিদিন/এনইউ

১৩ ঘন্টা আগে
সাশ্রয়ের নসিহতের বিপরীতে লুটপাটের অভিযোগ— এটাই কি 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান'?

সাশ্রয়ের নসিহতের বিপরীতে লুটপাটের অভিযোগ— এটাই কি 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান'?

ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় ৩৪২ কোটি টাকার ট্যাবলেট বা প্যাড কেনার কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি মন্ত্রীদের স্বজনদের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সমালোচনা করেন।স্ট্যাটাসে হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের জন্য ৩৪২ কোটি টাকার ট্যাবলেট বা প্যাড কেনার কাজ পেতে অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাতিজার মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি কাজটি পেয়েছে।তিনি আরও লেখেন, দেশে কর্মসংস্থান, বাজারে স্বস্তি ও বিনিয়োগের সংকটের মধ্যে মন্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছে। কখনো মন্ত্রীর ছেলে, কখনো স্ত্রী, আবার কখনো ভাইয়ের নাম এসব অভিযোগে আলোচনায় আসছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, একদিকে জনগণকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ক্ষমতাবানদের স্বজনদের ঘিরে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠছে।স্ট্যাটাসের শেষে হাসনাত আব্দুল্লাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘এটাই কি তাহলে আই হ্যাভ আ প্ল্যান?’

১৩ ঘন্টা আগে
‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ বিরোধীদল এখন দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী

‘বেহেশতের লোভ দেখিয়ে’ বিরোধীদল এখন দায়িত্বহীন আচরণ করছে: প্রতিমন্ত্রী

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার ৬৫টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় শিবগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে অনুদানের অর্থ তুলে দেন তিনি।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর শাহে আলম বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ দেশেরই আপনজন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করে না। বিএনপি সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারে বিশ্বাস করে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে সরকার ও বিএনপি হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে রয়েছে। তাদের সামাজিক নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি জানান, দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার সরকারি ছুটি এক দিন বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি মন্দিরের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে হিন্দু নারীদের জন্য শাড়ির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীরাও হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।মীর শাহে আলম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার বাইরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে মন্দির পরিদর্শন করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তাঁর মতে, এটি সব ধর্মের মানুষের প্রতি সরকারের সমান দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।বিরোধী দলের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস, এ অবস্থায় বিরোধী দলের একদফা দাবির কথা বলা হাস্যকর। দেশের স্বার্থে সরকারকে সহযোগিতা করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, বিএনপি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাস করে। দেশের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করে জনগণের কাছে ভোট চাইবে দলটি। জনগণের ভোটে সরকার গঠন করতে পারলে দায়িত্ব পালন করবে, আর ভোট না পেলে বিরোধী দলে থাকবে বলেও জানান তিনি।অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব বিষ্ণুপদ পাল, শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এসএম তাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, মোকামতলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহমুদ হাসান তৌফিক এবং সদস্যসচিব রোকন-উদ-দৌলা রুবেলসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৪ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশের অর্থনীতি রক্ষায় বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর ইতিবাচক সাড়া: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের অর্থনীতি রক্ষায় বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর ইতিবাচক সাড়া: অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাপী নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আর্থিক সহায়তার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। বাংলাদেশের অর্থায়ন প্রস্তাবগুলো নিয়ে এসব সংস্থার কাছ থেকে আশাব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের (এপিডি) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। বৈঠকে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনসহ দুই পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।অর্থমন্ত্রী জানান, বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রস্তাবের চূড়ান্ত পর্যালোচনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে নীতিগতভাবে ইতিবাচক অবস্থান রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন সেগুলো চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংশ্লিষ্ট দল কাজ করবে। বিস্তারিত পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।অর্থমন্ত্রী আরও জানান, চলতি বছরের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল, তা বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ উপলব্ধি করেছে। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৪ ঘন্টা আগে
১৫ নভেম্বরের মধ্যে বাইকের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ

১৫ নভেম্বরের মধ্যে বাইকের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ

মোটরসাইকেলের পেছনের ডিজিটাল নম্বরপ্লেটের পাশাপাশি সামনেও ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানো বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এই নম্বরপ্লেট স্থাপন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে বিআরটিএ।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে আরএফআইডি (RFID) প্রযুক্তিসংবলিত রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ নম্বরপ্লেট ব্যবহারের বিধান রয়েছে। তবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নজরদারি আরও জোরদার করতে এবার সামনে নম্বরপ্লেট প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেলের মালিকদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে নিজেদের উদ্যোগে এই নম্বরপ্লেট লাগাতে হবে।বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, সামনের নম্বরপ্লেট স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হতে হবে। এর পটভূমি হবে সাদা এবং বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে কালো রঙে। নম্বরপ্লেটে কোনো নকশা বা অতিরিক্ত সাজসজ্জা রাখা যাবে না।নম্বরপ্লেটের আকারের ক্ষেত্রেও আলাদা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্কুটার মোটরসাইকেলের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। এতে ব্যবহৃত অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।অন্যদিকে, স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এসব নম্বরপ্লেটেও অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার রাখতে হবে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী সামনের নম্বরপ্লেট স্থাপনের জন্য মোটরসাইকেলের মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

১৫ ঘন্টা আগে
<span class='techtaranga_subtitle'>মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দের ভিত্তিতে নির্ধারিত হচ্ছে কর্মস্থল, আদেশ অনলাইনে / </span>চিকিৎসকদের পদায়নে অটোমেশন, প্রথম ধাপে ৯৫ জন

মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দের ভিত্তিতে নির্ধারিত হচ্ছে কর্মস্থল, আদেশ অনলাইনে / চিকিৎসকদের পদায়নে অটোমেশন, প্রথম ধাপে ৯৫ জন

স্বাস্থ্য খাতে বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি (অটোমেশন) চালু করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। নতুন এ ব্যবস্থার প্রথম ধাপে স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৯৫ জন জুনিয়র কনসালট্যান্টকে পদায়ন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পুরো স্বাস্থ্য খাতের বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম এ ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত যৌথভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে চিকিৎসকদের পদায়নের সরকারি আদেশ জারি করা হয়।নতুন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের মেধাক্রম, চাকরির মেয়াদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা,অর্জিত ডিগ্রি,নিজ বাড়ির অবস্থান এবং ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকাসহ নির্ধারিত বিভিন্ন মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে কর্মস্থল নির্ধারণ করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান,১০০ নম্বরের একটি মূল্যায়ন ম্যাট্রিক্স ও অ্যালগরিদমের মাধ্যমে চিকিৎসকদের স্কোর নির্ধারণ করে পদায়ন করা হচ্ছে। প্রথম পদায়নের আদেশ পাওয়া ডা. গাজী জাহাঙ্গীর হোসেন ৮১ দশমিক ৬৫ নম্বর পেয়ে তাঁর প্রথম পছন্দের কর্মস্থল নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদায়ন পেয়েছেন।তিনি বলেন,স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। নিয়মিত প্রশাসনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন করা হলেও অতীতে এ প্রক্রিয়ায় দলীয়করণ,দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ছিল। যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং তদবিরনির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যেই নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।প্রতিমন্ত্রী আরও জানান,প্রাথমিক পর্যায়ে জুনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) পর্যায়ের চিকিৎসকদের এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। চিকিৎসকদের বিসিএস ব্যাচের মেধাক্রম,মূল্যায়ন স্কোর এবং তাঁদের দেওয়া পছন্দের তালিকা বিশ্লেষণ করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে পদায়ন নির্ধারণ করা হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য,পর্যায়ক্রমে পুরো স্বাস্থ্য খাতের বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা।যেভাবে আবেদন ও পদায়নের আদেশ দেখা যাবেঃচিকিৎসকদের বদলি-পদায়নের জন্য আলাদা নতুন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ চালুর পরিবর্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিদ্যমান সেন্ট্রাল এইচআরআইএস (Central HRIS) ব্যবস্থার সংশ্লিষ্ট মডিউল ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।চিকিৎসকেরা নিজেদের প্রোফাইল ব্যবহার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইচআরআইএস পোর্টালে প্রবেশ করে নির্ধারিত ডিজিটাল ফরম পূরণ এবং পছন্দের কর্মস্থলের তালিকা জমা দিতে পারবেন।প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট:- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এইচআরআইএস পোর্টাল: https://hrm.dghs.gov.bd/- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর: https://dghs.gov.bd/- স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ: https://hsd.gov.bd/পদায়নসংক্রান্ত সরকারি আদেশ ও বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ওয়েবসাইটের আদেশ বা নোটিশ বিভাগে প্রকাশ করা হলে সেখান থেকে তা দেখা যাবে।সংশ্লিষ্টদের আশা,নতুন এ পদ্ধতির মাধ্যমে বদলি-পদায়নে ব্যক্তিগত তদবিরের প্রভাব কমবে,যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মস্থল নির্ধারণ সহজ হবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।এদিকে,পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদেরও হামের টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ অক্টোবর ২০২৬
১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
বিআইডিএসের মহাপরিচালক এনামুল হক বলেছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো না গেলে কৃষকের ঋণের বোঝা বাড়তে পারে এবং অনেকে কৃষি ছেড়ে দিতে পারেন। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

বিআইডিএসের মহাপরিচালক এনামুল হক বলেছেন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো না গেলে কৃষকের ঋণের বোঝা বাড়তে পারে এবং অনেকে কৃষি ছেড়ে দিতে পারেন। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

সংরক্ষিত শূন্য নারী আসন: ১২টা পর্যন্ত বিএনপির ২১টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসন-২৩-এর উপনির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। বেলা ১২টা পর্যন্ত ২১টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।   শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু হয়।  এর আগে, গত বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমার সময়সূচি জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মনোনয়নপ্রত্যাশী নারী প্রার্থীরা শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। ফরম পূরণ করে শনিবার (১৭ অক্টোবর) একই স্থান ও সময়ে তা জমা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসন-২৩-এর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

অ্যাকশন, মার্শাল আর্ট ও ষড়যন্ত্র—বড় পর্দায় ‘স্ট্রিট ফাইটার’

‘আ মাইনক্রাফট মুভি’, ‘দ্য সুপার মারিও ব্রোস. মুভি’, ‘রেসিডেন্ট ইভিল’ ও ‘ফাইভ নাইটস অ্যাট ফ্রেডিস’ এর সাফল্যের পর ২০২০ এর দশকে ভিডিও গেমভিত্তিক চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এবার বড় পর্দায় আসছে ক্যাপকমের জনপ্রিয় হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাট গেম ‘স্ট্রিট ফাইটার’। ১৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে অ্যাকশন ও মার্শাল আর্টভিত্তিক এই সিনেমা। ১৯৯৪ সালে কাইলি মিনোগ ও জঁ ক্লদ ভ্যান ড্যাম অভিনীত সংস্করণের পর নতুন এই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের সামনে নতুনভাবে হাজির হবে। এতে নোয়া সেন্টিনিও ও অ্যান্ড্রু কোজি অভিনয় করছেন। সবুজ চামড়ার ‘ব্ল্যাঙ্কা’ চরিত্রে দেখা যাবে জেসন মোমোয়াকে। ‘ব্যাড ট্রিপ’ ও ‘দ্য এরিক আন্দ্রে শো’ এর পরিচালক কিতাও সাকুরাই ছবিটি পরিচালনা করেছেন। নির্মাতা জানান, ‘প্রচলিত ভিডিও গেমভিত্তিক চলচ্চিত্রের মতো নয়, নিজস্ব শৈলীতে কিছু করার স্বাধীনতা এ সিনেমায় তাকে দেওয়া হয়েছিল।’ স্ট্রিট ফাইটার মূলত জনপ্রিয় ভিডিও গেম সিরিজ অবলম্বনে নির্মিত অ্যাকশন ও মার্শাল আর্টভিত্তিক সিনেমা। এখানে কারাতে, কুংফু, বিভিন্ন ধরনের ফাইটিং স্টাইল, শক্তিশালী যোদ্ধাদের দ্বন্দ্ব এবং বিশ্বকে ঘিরে ষড়যন্ত্র সবমিলিয়ে তৈরি হয়েছে একটি রোমাঞ্চকর জগৎ। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির উল্লেখযোগ্য দিক হলো, গেমের পরিচিত চরিত্রগুলোকে বড় পর্দায় জীবন্ত করে তোলা। বিশেষ করে জুঁ, চুন লি এর মতো চরিত্রের ভক্তদের কাছে সিনেমাটি বেশ আকর্ষণীয়। সিনেমার কাহিনি শুরু হয় ১৯৯৩ সালের প্রেক্ষাপটে।

রুপালি গয়নার উজ্জ্বলতা ধরে রাখার ৫ উপায়

পূজার সাজে শাড়ি হোক কিংবা কুর্তি, রুপালি গিলটি করা হার, ঝুমকা, চোকার ও চুড়ি সহজেই নজর কাড়ে। সাশ্রয়ী দামে নানা নকশার গয়না পাওয়া যায় বলে তরুণীদের মধ্যেও এই ধরনের গয়নার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তবে নিয়মিত ব্যবহারে অনেক সময় গয়নার রং ফিকে হয়ে যায়, কালচে ছোপ পড়ে, হারিয়ে যায় নতুনের মতো উজ্জ্বলতা। সামান্য অসতর্কতাও এর অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই সাধের গয়না দীর্ঘদিন ভালো রাখতে কয়েকটি ভুল এড়িয়ে চলা জরুরি। ১. ঘাম জমতে দেবেন না পূজার মণ্ডপে ঘোরাঘুরি বা দীর্ঘক্ষণ গয়না পরে থাকার ফলে ঘাম জমতে পারে। ঘামের লবণ ও অন্যান্য উপাদান গয়নার ওপর থাকা ধাতব পরতের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাড়ি ফিরে গয়না খুলে নরম, শুকনো কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। তার পর সংরক্ষণ করুন। ২. খোলা জায়গায় ফেলে রাখবেন না ড্রেসিং টেবিল কিংবা খোলা তাকের ওপর গয়না ফেলে রাখলে বাতাসের আর্দ্রতা ও অন্যান্য উপাদানের সংস্পর্শে তার রং বদলে যেতে পারে। তাই গয়না ব্যবহারের পর শুকনো, পরিষ্কার জায়গায় রাখুন। সম্ভব হলে ছোট জিপলক পাউচ বা গয়না রাখার উপযুক্ত বাক্স ব্যবহার করুন। ৩. পানি বা টুথপেস্ট দিয়ে পরিষ্কার করবেন না রুপালি গিলটি করা গয়না পরিষ্কারের জন্য পানি, টুথপেস্ট কিংবা ঘষে পরিষ্কার করার উপাদান ব্যবহার করা ঠিক নয়। এতে গয়নার ওপর থাকা রঙের পরত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পরিষ্কারের জন্য নরম, শুকনো কাপড়ই বেছে নিন। গয়নার সঙ্গে বিশেষ পরিচর্যার নির্দেশ থাকলে তা মেনে চলুন। ৪. সব গয়না একসঙ্গে রাখবেন না হার, ঝুমকা, চুড়ি ও আংটি এক বাক্সে গাদাগাদি করে রাখলে একটির সঙ্গে অন্যটির ঘষা লাগতে পারে। এতে গয়নার উপরিভাগে আঁচড় পড়ার পাশাপাশি রঙের পরতও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই প্রতিটি গয়না আলাদা পাউচে অথবা বাক্সের পৃথক খোপে রাখুন। ৫. প্রসাধনী ব্যবহারের পরেই গয়না পরবেন না পারফিউম, হেয়ার স্প্রে, লোশন ও অন্যান্য প্রসাধনীর রাসায়নিক উপাদান গয়নার রঙের পরতের ক্ষতি করতে পারে। তাই সাজগোজের সময় প্রথমে প্রসাধনী ব্যবহার করে তা শুকিয়ে নিতে হবে। তার পর গয়না পরুন। একইভাবে গয়না খোলার পর তার গায়ে প্রসাধনীর অবশিষ্টাংশ লেগে থাকলে নরম কাপড় দিয়ে মুছে রাখুন। রুপালি গিলটি করা গয়নার উজ্জলতা কত দিন থাকবে, তা নির্ভর করে গয়নার গুণমান, ব্যবহারের ধরন ও সংরক্ষণের ওপর। সঠিক যত্ন নিলে পছন্দের হার, ঝুমকা কিংবা চোকার দীর্ঘদিন ভালো রাখা সম্ভব।

সিলেটে ৯.৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক আটক,গ্রেপ্তার ২

সিলেটে ৯.৭৪ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক আটক,গ্রেপ্তার ২

সিলেটে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশির সময় বালুর নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ একটি ট্রাক আটক করেছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ট্রাকের দুই আরোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা ৫৫ মিনিটের দিকে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন অ্যাডভান্সার ওয়ার্ল্ডের সামনে পাকা সড়কে এ অভিযান চালানো হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়,এয়ারপোর্ট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নূর শাহীন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে চেকপোস্ট পরিচালনা করছিলেন। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থেকে সিলেট শহরগামী ঢাকা মেট্রো-ট-২০-২১২৫ নম্বরের একটি ট্রাককে থামার সংকেত দেওয়া হয়। তবে চালক সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ট্রাকটি আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে বালুর নিচে লুকানো ভারতীয় পণ্যগুলো উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১০ বস্তা ভারতীয় জিরা,৩৫ বস্তা বিস্কুট,১১ বস্তা আমুল কুল কেশর ফ্লেভারের জুস,৮ বস্তা জাইকো ফুচকা ও ২ বস্তা পিংকো ফুচকা।এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন হলেন মো. শামীম হোসেন (২৮) ও সামিম তরফদার (২৯)। তাঁদের দুজনের বাড়ি যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার মাঝিয়ালি এলাকায়।পুলিশ জানায়,এ ঘটনায় ১৫ অক্টোবর এয়ারপোর্ট থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি)/২৫ডি ধারায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream