বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় ১২ জন সাবেক উপদেষ্টার তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি, অপপ্রচার ও সামাজিক মাধ্যমে পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন তার মেয়াদের ১২ জন সাবেক উপদেষ্টা।মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে সাবেক উপদেষ্টারা বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে অব্যাহত হয়রানি, অনলাইনে অপপ্রচার এবং পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় আমরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি ও কঠোরতম নিন্দা জানাচ্ছি।”বিবৃতি প্রদানকারী সাবেক ১২ জন উপদেষ্টা হলেন— সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সিআর আবরার, আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক-ই-আজম, ফরিদা আখতার, শারমিন এস মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।বিবৃতিতে তারা দেশ পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, “বছরের পর বছর লাগামহীন অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ধ্বংসসাধন, ব্যাপক দুর্নীতি, পদ্ধতিগত দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে দেশ যখন ধ্বংসের প্রান্তসীমায় পৌঁছেছিল, ঠিক সেই সময়ে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পুনর্গঠনের কঠিন দায়িত্ব পালন করেছে। এই সরকারই ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিয়মিত ঘটে চলা গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়েছিল।”বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। তাদের প্রত্যাশা ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, স্বৈরাচারী শাসনের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।পরিকল্পিত অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, “গভীর অনুতাপের সঙ্গে আমরা লক্ষ করছি, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত ও স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মিতভাবে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার হুমকি দিচ্ছে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত এসব কাপুরুষোচিত কৌশলের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কোনো প্রকার ভয়ভীতি, মিথ্যাচার বা হুমকির কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার ও পরিবর্তনের সংকল্প টলবে না।উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে অবস্থানকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কিছু লোক উচ্চস্বরে অপবাদমূলক স্লোগান দিয়ে হেনস্তা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রবাসী সমর্থক তার দিকে তেড়ে গিয়ে উসকানিমূলক আচরণ করছে। এর পরপরই দেশের সচেতন মহল ও সাবেক উপদেষ্টারা এ ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।

দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ফ্লাইট চলাচল স্থগিত হওয়ায় দেশে আটকা পড়েছেন কয়েক হাজার সৌদি প্রবাসী। তাঁদের মধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে এ বিষয়ে আলোচনা সহজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব বাংলাদেশি কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাঁদের মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মস্থলে ফেরানোর বিষয়ে সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এর আগেও ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মীদের কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল।নুরুল হক বলেন, এ ধরনের বিষয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সাধারণত সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখায়। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সৌদি আরব নিজেও সংকটের মধ্যে থাকায় আলোচনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এদিকে রিয়াদে সাম্প্রতিক হামলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি: পারটেক্সের দুই ভাইসহ ৮ জনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের দুই ছেলে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেল এবং রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালউদ্দিন চৌধুরীসহ আটজনকে পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির মামলায় ৭ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় দেন।  দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এস ডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) রেজাউল করিম তরফদার। দণ্ডিতদের মধ্যে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেলের নামে ১০ কাঠার দু’টি প্লট বরাদ্দ দিয়েছিল রাজউক। রাসেল ও রুবেল দু’জনই পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত এম এ হাসেমের ছেলে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন আম্বার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এমডি রাসেল। আর পারটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবেল সিটি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। দুদকের কৌঁসুলি খন্দকার শামীম হোসেন বলেন, ‘অপরাধমূলক অসদাচরণের দায়ে ৮ আসামিকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ‘এছাড়া অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গের দায়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাদের আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।’ দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে জানিয়ে কৌঁসুলি শামীম বলেন, সেক্ষেত্রে তাদের সাত বছর করে কারাভোগ করতে হবে। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সাইফুল ইসলাম মিঠু বলেন, ‘আসামিরা জামিনে ছিলেন। তবে আজ তারা আদালতে হাজির হননি। এজন্য আদালত জামিন বাতিল করে তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।’ মামলার বিবরণ অনুযায়ী-আসামি ইকবালউদ্দিন, ফয়েজ, ওয়াহিদুল, জাফর উল্লাহ, জহিরুল হক ও রেজাউল করিম বৈধ আবেদনকারীদের সুযোগ না দিয়ে শওকত আজিজ রাসেল ও আশফাক আজিজ রুবেলকে পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি করে প্লট বরাদ্দ দেন। রাজউক কর্মকর্তারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০০১ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে এসব অনিয়ম করেন। তখন রাসেল ও রুবেলের বাবা এম এ হাসেম নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস মতিঝিল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন কমিশনের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। ২০১৯ সালের ২৬ অগাস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মঙ্গলবার রায় দেওয়া হলো।

এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ

এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন। একইসঙ্গে ব্যর্থতার এ ধারা দীর্ঘ না করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।  মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। একটি জেনারেশন থেকে শুরু করতে হবে, যেন পরবর্তী সময়ে এই অবক্ষয় রোধ হয়। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী এবার চতুর্থ শ্রেণি থেকে কালচার, স্পোর্টস ও নৈতিকতা এবং ‘‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’’ এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা পাস করেছে তারা তো করেছেই, কিন্তু ঝরে পড়া ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। তাদের কীভাবে রিভাইটালাইজ বা পুনরুজ্জীবিত করতে পারি, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেয়া পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় থাকবে নাকি, থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদের আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

 ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় ১২ জন সাবেক উপদেষ্টার তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা

ড. ইউনূসকে হয়রানির ঘটনায় ১২ জন সাবেক উপদেষ্টার তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হয়রানি, অপপ্রচার ও সামাজিক মাধ্যমে পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন তার মেয়াদের ১২ জন সাবেক উপদেষ্টা।মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে সাবেক উপদেষ্টারা বলেন, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে অব্যাহত হয়রানি, অনলাইনে অপপ্রচার এবং পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনায় আমরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি ও কঠোরতম নিন্দা জানাচ্ছি।”বিবৃতি প্রদানকারী সাবেক ১২ জন উপদেষ্টা হলেন— সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সিআর আবরার, আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাখাওয়াত হোসেন, ফারুক-ই-আজম, ফরিদা আখতার, শারমিন এস মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।বিবৃতিতে তারা দেশ পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, “বছরের পর বছর লাগামহীন অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ধ্বংসসাধন, ব্যাপক দুর্নীতি, পদ্ধতিগত দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে দেশ যখন ধ্বংসের প্রান্তসীমায় পৌঁছেছিল, ঠিক সেই সময়ে অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশ পুনর্গঠনের কঠিন দায়িত্ব পালন করেছে। এই সরকারই ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিয়মিত ঘটে চলা গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য কর্মকাণ্ডের অবসান ঘটিয়েছিল।”বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। তাদের প্রত্যাশা ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, স্বৈরাচারী শাসনের ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার রক্ষার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।পরিকল্পিত অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, “গভীর অনুতাপের সঙ্গে আমরা লক্ষ করছি, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত ও স্বার্থান্বেষী মহল নিয়মিতভাবে অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার ও ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে এবং তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করার হুমকি দিচ্ছে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত এসব কাপুরুষোচিত কৌশলের আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”তারা দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, কোনো প্রকার ভয়ভীতি, মিথ্যাচার বা হুমকির কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের সংস্কার ও পরিবর্তনের সংকল্প টলবে না।উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে অবস্থানকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কিছু লোক উচ্চস্বরে অপবাদমূলক স্লোগান দিয়ে হেনস্তা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রবাসী সমর্থক তার দিকে তেড়ে গিয়ে উসকানিমূলক আচরণ করছে। এর পরপরই দেশের সচেতন মহল ও সাবেক উপদেষ্টারা এ ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।

৪ ঘন্টা আগে
১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সৌদির দাম্মামেরও বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত

১৭ অক্টোবর পর্যন্ত সৌদির দাম্মামেরও বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত

সৌদি আরবে বিমানবন্দরে হামলার ঘটনার পর যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ঢাকা থেকে দাম্মাম ও রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এতে বলা হয়, স্থগিতাদেশ বাংলাদেশ সময় ও তারিখ অনুযায়ী কার্যকর থাকবে।ফ্লাইটগুলো কবে আবার চালু হবে, সে বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত ও নতুন সময়সূচি যথাসময়ে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে জরুরি প্রয়োজনে সৌদি আরবে যাতায়াত কিংবা বাংলাদেশে ফিরতে যাত্রীরা জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে টিকিট ও ভ্রমণসংক্রান্ত তথ্যের জন্য নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিক্রয়কেন্দ্রে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

৬ ঘন্টা আগে
প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী

প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় সরকার, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, গবেষক ও নাগরিক সমাজকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেছেন, প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার থেকে শুরু করে বর্জ্য সংগ্রহ এবং পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ন্যাশনাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ (এনপিএপি) বাংলাদেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, ইউএনডিপি বাংলাদেশ এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপ যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এর প্রতিপাদ্য ছিল ‘চক্রাকার অর্থনীতির পথে সমন্বিত উদ্যোগ’।পরিবেশমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিক দূষণের কারণে নগরের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা, নদী, জলাভূমি, উপকূলীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে উৎপাদন, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও দৈনন্দিন জীবনেও প্লাস্টিকের গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার রয়েছে। তাই দূষণ কমাতে অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিকের ব্যবহার সীমিত করা, পুনঃব্যবহার বাড়ানো এবং বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে।বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা, ২০২৬ কার্যকর করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর মতে, এ নির্দেশিকার সুফল পেতে নির্ভরযোগ্য তথ্য, উৎপাদক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে সমন্বয়, পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের অবকাঠামো এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে।এনপিএপি বাংলাদেশের কার্যক্রম তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় বিভিন্ন পক্ষের উদ্যোগের মধ্যে সমন্বয় তৈরি, নীতি বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং নতুন সমাধান ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরিতে প্ল্যাটফর্মটি ভূমিকা রাখবে। এ সময় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ ও বিনিয়োগ নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার কথা বলেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এনপিএপির সাফল্য শুধু সভা-সেমিনামের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যাবে না। নীতির বাস্তবায়ন, নির্ভরযোগ্য তথ্য তৈরি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কার্যকর সমাধানের প্রসার এবং বর্জ্যকর্মীদের জীবনমানের উন্নয়নই হবে এ উদ্যোগের সাফল্য নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড।ইউএনডিপি বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ বলেন, প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব বর্জ্য ফেলার স্থানে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্লাস্টিক নালা বন্ধ করে জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি বাড়ায় এবং নদীপথে সাগরে পৌঁছায়। খোলা জায়গায় প্লাস্টিকসহ বর্জ্য পোড়ানোর ফলে বাতাসে ক্ষতিকর কণা ও বিষাক্ত পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয় বাসিন্দা ও বর্জ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়।তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে পরিবারগুলোকে বর্জ্য আলাদা করার বিষয়ে সচেতন করা এবং সংগ্রহের সময়ও পৃথক ব্যবস্থা রাখার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্লোবাল প্লাস্টিক অ্যাকশন পার্টনারশিপের পরিচালক ক্লেমঁস শ্মিড ভিডিও বার্তায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ইউএনডিপি জানায়, এনপিএপি বাংলাদেশ সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্ল্যাটফর্ম। এটি প্লাস্টিক বিষয়ে অভিন্ন জাতীয় তথ্যভিত্তি তৈরি, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ, পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান হায়দার এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার এম. আসাদুজ্জামান।এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থা, কূটনৈতিক মিশন, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

৭ ঘন্টা আগে
এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন সফরসঙ্গী

এখন কেমন আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যা জানালেন সফরসঙ্গী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ মিশনকে। অন্যদিকে, ঘটনার পর ড. ইউনূস সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর সফরসঙ্গী লামিয়া মোর্শেদ।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে লামিয়া মোর্শেদ জানান, বিমানবন্দরের ঘটনার কোনো প্রভাব ড. ইউনূসের ওপর পড়েনি। ঘটনার কয়েক মিনিট আগে তোলা কিছু ছবিও পোস্ট করেন তিনি। পাশাপাশি ড. ইউনূসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বার্তা পাঠানো ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে ড. ইউনূসের যুক্তরাষ্ট্র সফরের কারণ জানতে চেয়ে বারবার প্রশ্ন করতে দেখা যায়। ওই ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ করে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে মানুষ হত্যার অভিযোগও করেন।এ ঘটনায় সরকারের আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি ঘটনাটিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিশোধ নেওয়া নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই শেখ হাসিনাকে ফেরত চায় বাংলাদেশ।জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, পুনর্মিলন বা সমঝোতার পরিবেশ তৈরিতে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, ড. ইউনূস রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁকে হেনস্তার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও একই ধরনের আচরণের চেষ্টা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় গভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় সরকার।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অপরাধী চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দেশের নাগরিকদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা মোকাবিলা করা হবে।

৮ ঘন্টা আগে
ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ডিম উৎপাদন বাড়িয়ে রপ্তানির সক্ষমতা অর্জন করতে হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

দেশের বাজারে ডিমের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়াতে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ জন্য ডিমের গুণগত মান নিশ্চিত করা, পোলট্রি খামারের ব্যয় কমানো এবং তরুণদের এ খাতে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘প্রোটিন, যা শক্তি দেয় ও সুরক্ষা করে’।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এ বছর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে নাইজেরিয়ায় হ্যাচিং ডিম রপ্তানি করা হয়েছে। তাঁর মতে, মানসম্মত ডিম উৎপাদন বাড়ানো গেলে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রপ্তানির বাজারও সম্প্রসারণ করা সম্ভব। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।পোলট্রি খাতের উৎপাদন ব্যয় কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পশুখাদ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরি। একই সঙ্গে পশুখাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানান তিনি।ডিমকে সহজলভ্য ও পুষ্টিকর খাবার উল্লেখ করে তিনি বলেন, তুলনামূলক কম খরচে ডিম থেকে প্রোটিন পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় একটি করে ডিম রাখার পরামর্শ দেন তিনি।পোলট্রি শিল্পে তরুণ উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, তরুণেরা এ খাতে যুক্ত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও গতিশীল হবে।গ্রামীণ নারীদের আয় বাড়ানোর প্রসঙ্গে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালনের সুযোগ তৈরি করা গেলে নারীরা পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ডিম বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। এতে তাঁদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা বাড়বে। এ সময় তিনি হাঁস-মুরগি ও ছাগল বিতরণের মাধ্যমে এ খাতের উন্নয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের অতীত উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।খামারের বিদ্যুৎ ব্যয় কমাতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়েও সরকারের সহযোগিতার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। পোলট্রি খামারগুলোকে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনার উপায় নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের আহ্বায়ক মসিউর রহমান এবং ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মো. সিরাজুল হক।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক কৃষিবিদ মোহা. রেজাউল আমিন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আগে র‍্যালি ও বিনা মূল্যে ডিম বিতরণ করা হয়। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ওয়ার্ল্ডস পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল যৌথভাবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

৮ ঘন্টা আগে
দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

রিয়াদ বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ফ্লাইট চলাচল স্থগিত হওয়ায় দেশে আটকা পড়েছেন কয়েক হাজার সৌদি প্রবাসী। তাঁদের মধ্যে অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় আটকে পড়া বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে এ বিষয়ে আলোচনা সহজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অভিবাসনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) একটি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, যেসব বাংলাদেশি কর্মীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে, তাঁদের মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মস্থলে ফেরানোর বিষয়ে সৌদি আরবসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। এর আগেও ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে কর্মীদের কর্মস্থলে ফেরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল।নুরুল হক বলেন, এ ধরনের বিষয়ে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো সাধারণত সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখায়। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সৌদি আরব নিজেও সংকটের মধ্যে থাকায় আলোচনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপরও এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এদিকে রিয়াদে সাম্প্রতিক হামলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের খোঁজখবর নিয়েছেন।

৮ ঘন্টা আগে
এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ

এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ

এসএসসিতে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন। একইসঙ্গে ব্যর্থতার এ ধারা দীর্ঘ না করে শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।  মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। একটি জেনারেশন থেকে শুরু করতে হবে, যেন পরবর্তী সময়ে এই অবক্ষয় রোধ হয়। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী এবার চতুর্থ শ্রেণি থেকে কালচার, স্পোর্টস ও নৈতিকতা এবং ‘‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’’ এ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা পাস করেছে তারা তো করেছেই, কিন্তু ঝরে পড়া ও ফেল করা শিক্ষার্থীদের আগে অ্যাড্রেস করতে হবে। তাদের কীভাবে রিভাইটালাইজ বা পুনরুজ্জীবিত করতে পারি, সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এসএসসি পরীক্ষার নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এসএসসিতে আমরা যেটা করব, তা হচ্ছে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে যারা ফেল করবে, ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষা আবার নেব। ফেইলের এ লিগ্যাসি আমরা বছরের পর বছর টেনে নিয়ে যাব না। ১৫ দিনের মধ্যে নেয়া পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করবে তারা সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় থাকবে নাকি, থাকবে না। সেখানে না পারলে তাদের আমরা কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় নিয়ে যাব। জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. সরদার কেরামত আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং আরডিএ বগুড়ার ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

১০ ঘন্টা আগে
হাসিনা আমলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে শূন্য করার চক্রান্ত ছিল

হাসিনা আমলে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে শূন্য করার চক্রান্ত ছিল

সরকারের অধীনে থাকা পরিত্যক্ত স্থাপনা ও সম্পদকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, আগের সরকারের সময়ে বিভিন্ন সম্পত্তি অব্যবহৃত রেখে কিংবা বিক্রি করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সম্পদশূন্য করার চক্রান্ত ছিল। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে বলে জানান তিনি।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ১০ একর জমি ও পরিত্যক্ত কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।আহমেদ আযম খান বলেন, নির্বাচিত সরকার হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইস্টার্ন কেমিক্যালের ১০ একর জমি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ক্ষতি এড়াতে সেখানে বড় কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। ঢাকায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকার জন্য সবচেয়ে উপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।পরিদর্শনকালে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ইস্টার্ন কেমিক্যালের পরিত্যক্ত জমি ও কারখানা কীভাবে প্রকল্পের আওতায় এনে কাজে লাগানো যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রামে দুই দিনের সফরে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অন্যান্য সম্পত্তিও সরেজমিনে পরিদর্শন করা হবে।এ সময় রাঙ্গুনিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

১১ ঘন্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার: মীর শাহে আলম

চলতি অর্থবছরের জুনের মধ্যে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকার কোনো ধরনের কলঙ্ক নিতে চায় না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী জানান, অতিরিক্ত নির্বাচনী তারিখ নির্ধারণের সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগিয়ে আগামী জুনের মধ্যে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনই জানাবে।তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত না হলে বরাদ্দের অর্থ অব্যবহৃত থেকে যাবে এবং পরবর্তী অর্থবছরে চলে যাবে।নির্বাচনের পরিবেশ সম্পর্কে মীর শাহে আলম বলেন, সরকার ও প্রশাসন নির্বাচনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না। সব প্রার্থীর সমান অধিকার নিশ্চিত করে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে এ কাজে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।এদিকে, গ্রাম পুলিশের আইনগত ক্ষমতা, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে প্রস্তাবনা চেয়েছে সরকার। প্রতিমন্ত্রী জানান, গ্রাম পুলিশ আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান। তাদের চাওয়া-পাওয়া ও দাবিগুলো পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, আগামী ৭ নভেম্বর সকাল সাড়ে ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে সারা দেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার গ্রাম পুলিশ সদস্য অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যেন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং সব প্রার্থী সমান সুযোগ পান, সে বিষয়ে সরকার তার অবস্থানে অটল রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্ক বা কলঙ্ক এড়াতে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।

১২ ঘন্টা আগে
দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও বাস্তবভিত্তিক যথাযথ নগর পরিকল্পনার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দুর্যোগে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম প্রস্তুতির পাশাপাশি পরিকল্পিত নগরায়ণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগ মোকাবিলায় নগর ব্যবস্থাপনায় আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।সোমবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ নিয়েও সচেতন হওয়া জরুরি। ঢাকা শহরের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে অপরিকল্পিত নগর ব্যবস্থার কারণে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরে অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বাড়িঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং দূষণমুক্ত রাখার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন এবং মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুন্সী রফিকুল আলম।

১২ ঘন্টা আগে
১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
খুলনার চার থানায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে আপনি যৌক্তিক মনে করেন কি?

খুলনার চার থানায় পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে আপনি যৌক্তিক মনে করেন কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন

প্রয়াত বিএনপি নেতার স্ত্রীকে সেলাইমেশিন দিল জামায়াত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে প্রয়াত এক বিএনপি নেতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। তাঁর স্ত্রীকে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিতে একটি সেলাইমেশিন উপহার দিয়েছেন দলটির স্থানীয় নেতারা।মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর জামষাইট গ্রামে প্রয়াত মো. সাইফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রী ঝুমা আক্তারের হাতে সেলাইমেশিনটি তুলে দেওয়া হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বনগ্রাম ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আবু ইছা, ইউনিয়ন প্রচার সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মাওলানা মো. ইদ্রিস আলী, পেশাজীবী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন এবং সমাজসেবক চেরাগ আলী ও মো. মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রয়াত সাইফুল ইসলাম বনগ্রাম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারটি আর্থিক সংকটে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে তাঁর স্ত্রীর উপার্জনের সুযোগ তৈরি এবং পরিবারের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে সেলাইমেশিন দেওয়ার উদ্যোগ নেয় জামায়াতে ইসলামী।সেলাইমেশিন হস্তান্তরের পর সাইফুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।ঝুমা আক্তার জানান, তাঁর তিনটি মেয়ে রয়েছে। তাঁর স্বামী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও জামায়াতে ইসলামী দলীয় পরিচয়ের বাইরে এসে তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই সহযোগিতাকে পরিবারের জন্য বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জামায়াতের নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।ঝুমা বলেন, মানুষের দুর্দিনে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়।

লিংক কপি করা হয়েছে!

কথায় কথায় চড়-থাপ্পড়, সিগারেটের ছ্যাঁকা দিতেন অভিনেত্রীর প্রেমিক

সাবেক প্রেমিকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ভারতীয় টেলিভিশন অভিনেত্রী নীতি টেলর। তাঁর দাবি, সম্পর্কের সময় পোশাক ও চলাফেরা নিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতেন ওই ব্যক্তি। এমনকি তাঁকে মারধর করার পাশাপাশি শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকাও দেওয়া হয়েছিল। সেই ক্ষতের দাগ এখনও রয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।এক সাক্ষাৎকারে অতীতের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন নীতি। তিনি জানান, সাবেক প্রেমিক প্রায়ই তাঁর পোশাক, বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা এবং কোথায় যাচ্ছেন—এসব বিষয়ে প্রশ্ন করতেন। বয়স কম থাকায় তখন প্রতিটি বিষয়ে তাঁকে জবাব দিতে এবং নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে হতো বলে জানান অভিনেত্রী।নির্যাতনের একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে নীতি বলেন, একবার সাবেক প্রেমিকের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে তাঁর পরিবেশ ভালো লাগেনি। তাই বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। যাওয়ার আগে প্রেমিককে বিষয়টি জানাতে গিয়েছিলেন তিনি।নীতির অভিযোগ, বন্ধুদের সঙ্গে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেননি তাঁর সাবেক প্রেমিক। বন্ধুরা তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেবেন বলার পরও তিনি আপত্তি জানান। পরে বাড়ির বাইরে তাঁর হাত ধরে টানাটানি, ধাক্কা দেওয়া এবং চড় মারার ঘটনা ঘটে বলে দাবি করেন অভিনেত্রী।তিনি আরও জানান, ওই ঘটনার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছিল। বন্ধুরা তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলে সাবেক প্রেমিক তাঁকে ধাক্কা দিতে ও হাত ধরে টানতে থাকেন বলে অভিযোগ নীতির। বন্ধুরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তারক্ষীও তাঁর বন্ধুদের জানিয়েছিলেন, এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে।তবে সেখান থেকে চলে আসার পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি বলে জানান নীতি। বাড়িতে ফেরার পরও সাবেক প্রেমিক চিৎকার করতে থাকেন এবং বন্ধুদের সঙ্গে চলে আসার কারণে আপত্তি জানান।অভিনেত্রীর অভিযোগ, একপর্যায়ে সাবেক প্রেমিকের হাতে থাকা সিগারেট দিয়ে তাঁর শরীরে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। সেই ঘটনার ক্ষতচিহ্ন এখনও শরীরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।সাবেক সম্পর্কের এই অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নীতি টেলর তাঁর জীবনের কঠিন সময়ের কথা সামনে এনেছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক প্রেমিকের কোনো বক্তব্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

যেভাবে ছড়াতে পারে এইচআইভি

এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, যা মানুষের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দেয়। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি এইডসে রূপ নিতে পারে। এ বিষয়ে সচেতনতার অভাব এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকের ভুল ধারণা রয়েছে যে কেবল শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই এই ভাইরাস ছড়ায়, যা সঠিক নয়।সংক্রমিত রক্ত, বীর্য, যোনিরস, পায়ুপথের তরল এবং বুকের দুধের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। তবে সাধারণ স্পর্শ, একসঙ্গে খাওয়া বা করমর্দনে এইচআইভি ছড়ায় না। শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াও যেসব কারণে সংক্রমণ হতে পারে:যথাযথ পরীক্ষা ছাড়া রক্তদাতা বা রক্ত গ্রহণকারীর মাধ্যমে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।মাদক গ্রহণকারী বা চিকিৎসায় একাধিক ব্যক্তির একই সুচ ব্যবহারের ফলে।অস্ত্রোপচার বা চিকিৎসার যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে জীবাণুমুক্ত না করলে।আক্রান্ত মায়ের গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা স্তন্যদানের মাধ্যমে (যদিও সঠিক চিকিৎসায় ঝুঁকি কমানো সম্ভব)। স্বাস্থ্যকর্মী বা অন্য কারও শরীরে দুর্ঘটনাবশত সংক্রমিত রক্ত প্রবেশ করলে।জীবাণুমুক্ত নয় এমন সুচ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিদ্র বা ট্যাটু করার সময়।প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, গলাব্যথা, ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, রাতের ঘাম বা লসিকাগ্রন্থি ফুলে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে অনেকের দীর্ঘকাল কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। তাই নিশ্চিত হতে পরীক্ষা করানো জরুরি।ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শের ক্ষেত্রে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘পিইপি’ (পোস্ট-এক্সপোজার প্রফিল্যাক্সিস) শুরু করলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। নিয়মিত পরীক্ষা এবং অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। সচেতনতা, নিরাপদ সরঞ্জাম ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসাই এইচআইভি প্রতিরোধের মূল উপায়।

পলাশবাড়ীতে ডিবির হাতে শ্রমিক লীগ নেতা সুরুজ হক লিটন গ্রেপ্তার

পলাশবাড়ীতে ডিবির হাতে শ্রমিক লীগ নেতা সুরুজ হক লিটন গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে উপজেলা শ্রমিক লীগের নেতা সুরুজ হক লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত সোমবার (১২ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আওয়ামী লীগের গবেষণা সেল সিআরআইয়ের পরিচালক হিসেবে পরিচিত তন্ময় আহমেদ মুনের মামা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান সুরুজ হক লিটনের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পতিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ এবং তাঁদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা নেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন সুরুজ হক লিটন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিস্তারিত এবং আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এদিকে, সুরুজ হক লিটনের সঙ্গে তন্ময় আহমেদ মুনের পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে আত্মীয়তার সম্পর্কের ভিত্তিতে তন্ময় আহমেদ মুনের বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতা বা অপরাধের দায় প্রতিষ্ঠিত হয় না।সুরুজ হক লিটনকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ কী—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলে তা জানা যাবে। এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream