বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের সাক্ষাৎ

আজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. জলিল রহিমি জাহানাবাদি।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-ইরানের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রপতি বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

ভারতের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারের বাইরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। জানা যায়, নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন বসছে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এবারের আয়োজক ভারত।এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সফর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নানা আলোচনা ছিল। ভারতের পক্ষ থেকেও কয়েক দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এসময় অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধি অংশ নেবে না বলেও জানান তিনি।জানা যায়, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে দিল্লি আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। পরিশেষে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে তার অবসান ঘটলো।

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৯ সেপ্টেম্বর

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে ভোট হবে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ তফসিল ঘোষণা করেন। এর আগে এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন কমিশন উপনির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করে।তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত। পরদিন ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, রুহিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং ভুল্লি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকবেন।ইসি সচিব জানান, এবারের উপনির্বাচনেও বিদেশে থাকা ভোটারদের জন্য ‘আউট অব কান্ট্রি’ ভোটিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সর্বশেষ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ৩৮৬ জন ভোটার ৩৩টি দেশ থেকে এ ব্যবস্থায় নিবন্ধন করেছিলেন। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকেই সবচেয়ে বেশি ভোটার নিবন্ধিত হন।এ ছাড়া দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪৫ জন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৫ জন ছিলেন সরকারি চাকরিজীবী।গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরদিন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী তার সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকালে কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য থাকেন না। কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়।অন্যদিকে সংবিধানের ১২৩(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের কোনো আসন শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই সময়সীমা বিবেচনায় নিয়ে এবার ভোটের তফসিল ঘোষণা করল ইসি।আসনটি শূন্য হওয়ার পর গত ৩০ আগস্ট জামায়াতে ইসলামী এ আসনে তাদের প্রার্থী হিসেবে দেলাওয়ার হোসেনের নাম ঘোষণা করে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।অন্যদিকে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীন ও বড় মেয়ে মির্জা শামারুহর নাম রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছে।

ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এপেক্সের শোরুমে আগুন

রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে এপেক্সের একটি শোরুমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিস জানায়, মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এ ছাড়া আরও চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির আত্মপ্রকাশ

জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির আত্মপ্রকাশ

গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ও সমর্থক সাংবাদিকদের সংগঠন 'জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি (জেজেইউ)'র আত্মপ্রকাশ হয়েছে। জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হয়।ফেস দ্য পিপল এর সম্পাদক সাইফুর সাগর আহ্বায়ক এবং চ্যানেল আইয়ের আহসান কামরুল সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন।১০ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলরুমে আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা সামসিয়ারা জামান কমিটি ঘোষণা করেন।জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটির আত্মপ্রকাশআহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান বাদল — প্রকাশক, দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি; তালুকদার রুমী — সম্পাদক, দৈনিক পাঞ্জেরী; মাহমুদ রাকিব — এখন টিভি; আকতার হাবীব — চ্যানেল আই; শিমুল পারভেজ — দ্য নিউ নেশন; রিয়াজুর রহমান রিয়াজ — ডেইলি ইন্ডাস্ট্রি; ইসরাফিল ফরাজী — দৈনিক জনকণ্ঠ। যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন আবদুর রহিম — দৈনিক জনকণ্ঠ; কেফায়েত শাকিল — বাংলাভিশন; নুরুল ইসলাম খান মামুন — ভিওডি বাংলা; ওবায়দুর রহমান — ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট; একেএম রেজাউল করিম — ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট, নিজাম উদ্দিন দরবেশ — দৈনিক বর্তমান; রহমতুল্লাহ — দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ। সদস্য হিসেবে রয়েছেন: খোমেনি এহসান — সম্পাদক, অনলাইন বাংলা; আল ইমরান — এটিএন বাংলা; অন্তু মোজাহিদ — এশিয়া পোস্ট; জালাল আহমেদ — দৈনিক যায়যায়দিন; রাকেশ রহমান — ফ্রিল্যান্স জার্নালিস্ট; সাজ্জাদ হোসেন — সোনালী নিউজ; ফখরুল ইসলাম — ডিজিটাল হেড, দৈনিক ইত্তেফাক; আবু বকর সিদ্দিক — আরটিএনএন; মিফতাহুল জান্নাত — দৈনিক মানবজমিন; ফারজানা ববি — বাংলানিউজ; তাসবির ইকবাল — বাংলাদেশ টাইমস; মোর্শেদুল আলম — নতুন আশা; কেফায়েত রুমী — দেশ রূপান্তর; মেহেদী হাসান বাপ্পি — দেশ টিভি; রাশেদ মানিক — চ্যানেল আই; ওমর ফারুক — বাংলাভিশন, এইচএম ইমরান হোসেন — স্টার নিউজ, মেহরাজ রাব্বি — আজাদ বাণী।আহ্বায়ক সাইফুর সাগর বলেন: জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি (জেজেইউ) সময়ের প্রয়োজনে তৈরি হয়েছে। জুলাইপন্থী সব সাংবাদিকের জন্য এটি উন্মুক্ত। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে রাখতে জুলাইয়ের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।সদস্য সচিব আহসান কামরুল বলেন: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যম সঠিক ভূমিকা রাখতে না পারলেও এখনো গণমাধ্যমের কাছে মানুষের কাছে প্রত্যাশা রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেছেন: অন্যদের সমালোচনা করার আগে আমাদের নিজেদের আত্মসমালোচনা করতে হবে। আমরা যেন পূর্ববর্তীদের মতো না হয়ে যাই। এজন্য কেউ আহত হয় এমন কথার বদলে লোম দাঁড়িয়ে যাওয়া নাটক-সিনেমা-গানসহ সৃষ্টিশীল কাজ করতে হবে।ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস বলেছেন, সাংবাদিকদের অংশগ্রহণ ছাড়া অভ্যুত্থান সম্ভব ছিল না। ক্ষুদ্র অংশ হলেও তাদের সমর্থন ছিল। দলান্ধতার বদলে তাদেরকে এখনও দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।আলোকচিত্রী শহীদুল আলম বলেছেন, প্রেসক্লাবে শেখ হাসিনার ছবি সাংবাদিকরাই ঝুলিয়েছিল। এখনও যাতে একই ধরনের কাজ না হয়। দেশের মানুষের জন্য নিরপেক্ষভাবে সাংবাদিকতা করতে হবে, যাতে সরকার পরিবর্তন হলে সাংবাদিকদের পালিয়ে যেতে না হয়।জেজেইউ'র যুগ্ম আহ্বায়ক তালুকদার রুমি বলেন, ফ্যাসিবাদের সময়েও বহু সাংবাদিক আন্দোলন সংগ্রাম করেছে। তারা সেসময়ে বঞ্চিত ছিল, এখনও বঞ্চিত। জুলাইয়ের সাংবাদিকদের ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জেজেইউ কাজ করে যাবে।জেজেইউ'র সদস্য ও অনলাইন বাংলার সম্পাদক খোমেনি এহসান স্বাগত বক্তব্যে বলেছেন: এটি এমন এক উদ্যোগ যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্ভয়ে সত্য বলার অধিকার নিশ্চিত করা। এ সংগঠনের অঙ্গীকার হলো হামলা, মামলা ও চাকরিচ্যুতির হুমকি যেন সাংবাদিকের কলম থামিয়ে দিতে না পারে সেটি নিশ্চিত করা।  আমাদের অবস্থান সাংবাদিকতার স্বাধীনতার পক্ষে, পেশাগত মর্যাদার পক্ষে এবং জনগণের জানার অধিকারের পক্ষে।এছাড়াও শহীদ জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন এবং শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা সামসিয়ারা জামান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। দেরিতে হলেও এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হওয়ায়  তারা আশা প্রকাশ করেন। তবে চরম শত্রুও যেন অন্যায়ের শিকার না হন, সেটিও খেয়াল রাখতে হবে।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, জুলাই শহীদ পরিবারসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

৪৬ মিনিট আগে
আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।আজ বৃহস্পতিবার  রাজধানীর ধানমণ্ডির ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে এসোসিয়েশন ফর ডিজএবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত ‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আত্মহত্যাকে 'না' বলার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহন করতে পারে। তিনি বলেন, আত্মহত্যাকে ‘না’ বলতে হবে। একই সঙ্গে পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নিতে হবে। যেসব বিষয় পিতা-মাতা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব। আত্মদহত্যা প্রতিরোধে সমাজকে সচেতন করার ওপর জোর দিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গড্ডলিকা প্রবাহে সমাজকে চলতে দিলে সমাজ খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। তাই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে ইতিবাচক চিন্তা, পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সচেতনতার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন৷ 

১ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশে শিশু দত্তক নেওয়া কেন এত জটিল?

বাংলাদেশে শিশু দত্তক নেওয়া কেন এত জটিল?

বিয়ের পর দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়ায় অনেক নিঃসন্তান দম্পতি শিশু দত্তক নেওয়ার কথা ভাবলেও বাংলাদেশে প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল। দেশে শিশু দত্তক নেওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট আইন না থাকায় মূলত 'গার্জিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্ডস অ্যাক্ট, ১৮৯০' অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে কোনো শিশুর কেবল 'অভিভাবকত্ব' (Guardianship) পাওয়া যায়।আইনজীবীরা সতর্ক করে জানান, অনেক দম্পতি না বুঝে স্ট্যাম্প পেপারে চুক্তির মাধ্যমে শিশু দত্তক নিচ্ছেন, যা কোনোভাবেই আইনসিদ্ধ নয়।আদালতের অনুমতিতে অভিভাবকত্বের মাধ্যমে শিশুকে নিজ জিম্মায় এনে লালন-পালন করা গেলেও শিশুটির জৈবিক (জন্মদাতা) বাবা-মায়ের পরিচয় পরিবর্তন করা যায় না।আদালত কেবল শিশুর সর্বোচ্চ স্বার্থ ও শারীরিক-মানসিক কল্যাণ বিবেচনা করে অভিভাবকত্বের সিদ্ধান্ত দেন। কোনো আইনি বিরোধ না থাকলে কয়েকটি শুনানিতে রায় মিললেও জটিলতা থাকলে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ হতে পারে।উভয় ধর্মে প্রচলিত ব্যক্তিগত আইনে সন্তান দত্তক নেওয়ার সরাসরি বিধান নেই। ফলে তারা আদালতের মাধ্যমে অভিভাবকত্বের শরণাপন্ন হন।হিন্দু ধর্মে দত্তক গ্রহণের আইনি বিধান থাকলেও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ছেলে শিশু দত্তকের বিষয়ে বিশেষ আইনি কাঠামোর প্রয়োগ দেখা যায়।অভিভাবকত্বের মাধ্যমে বেড়ে ওঠা শিশু জৈবিক সন্তানের মতো পালক বাবা-মায়ের সম্পত্তির সরাসরি উত্তরাধিকারী (Heir) হতে পারে না। তবে মুসলিম আইন অনুযায়ী, পালক পিতা-মাতা জীবদ্দশায় হেবা (দান) করতে পারেন অথবা মৃত্যুর পর যেন সম্পত্তি পায় সেজন্য মোট সম্পত্তির সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত ওসিয়ত বা উইল (Will) করে যেতে পারেন।বাংলাদেশ ১৯৮৯ সালের শিশু অধিকার কনভেনশনে স্বাক্ষর করলেও মুসলিম আইনি কাঠামোর জটিলতায় দত্তকসংক্রান্ত ২১ নম্বর ধারায় অনুস্বাক্ষর করেনি। ১৯৭২ সালে যুদ্ধশিশু ও পরিত্যক্ত শিশুদের পুনর্বাসনে বিশেষ আইন থাকলেও পরবর্তীতে শিশু পাচার ও ধর্মান্তরের অভিযোগ ওঠায় বিদেশিদের জন্য বাংলাদেশি শিশু দত্তকের সুযোগ বন্ধ করা হয়। তবে প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকেরা আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে অভিভাবকত্বের সুযোগ পান।

১ ঘন্টা আগে
আমি একজন শিক্ষক, এর বাইরে আর কিছু না: সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহ

আমি একজন শিক্ষক, এর বাইরে আর কিছু না: সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহ

রাজধানীর কাফরুলে জুলাই আন্দোলনের সময় তরিকুল ইসলাম রুবেল নিহত হওয়ার ঘটনায় করা হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত পুলিশের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন কলিমউল্লাহ। তিনি দাবি করেন, ছাত্রজীবন থেকে শিক্ষকতা পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল না এবং এখনো নেই। তিনি নিজেকে শুধু একজন শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন।কলিমউল্লাহ আরও বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালনকালে জুলাই আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার প্রতিবাদ করেছিলেন। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বিরুদ্ধেও সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন বলে জানান তিনি। এসব কারণে তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল বলেও দাবি করেন সাবেক এই উপাচার্য।এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার এসআই মো. জহুরুল ইসলাম কলিমউল্লাহকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আসামিকে উপস্থিত রেখে শুনানির জন্য ১০ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।পুলিশের আবেদনে বলা হয়, কারাগারে থাকা কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে মামলার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার পরিচয় ও ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মহসিন রেজা আবেদনের বিরোধিতা করেন। তার দাবি, কলিমউল্লাহর কোনো রাজনৈতিক পদ বা পরিচয় নেই। তিনি একজন অধ্যাপক এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বলেই তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে যুক্তি দেন তিনি।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন পুলিশের আবেদনের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, কলিমউল্লাহ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যার ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য রয়েছে।দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত কলিমউল্লাহকে রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। পরে তার আইনজীবী মহসিন রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কোটা সংস্কার ও তৎকালীন সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছিল। আন্দোলন দমনে বিভিন্ন পর্যায়ের আসামিরা পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাতে কাফরুল থানা এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তরিকুল ইসলাম রুবেলসহ কয়েকজন আহত হন। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান রুবেল।পরে নিহতের স্বজন আতিউর রহমান কাফরুল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।এর আগে ২০২৫ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। একই দিন তার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

১ ঘন্টা আগে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ ২৯ অক্টোবর

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের সময়সূচি জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগামী ২৯ অক্টোবর এ আসনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশন ভবনে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৭ সেপ্টেম্বর। দুই দিন পর ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আপিলের সুযোগ থাকবে, যা চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এসব আপিলের নিষ্পত্তি করা হবে ৬ অক্টোবর।এ ছাড়া প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর। পরদিন ৮ অক্টোবর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর ২৯ অক্টোবর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

২ ঘন্টা আগে
জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে যোগ দিয়েছেন আফরোজা আব্বাস। আজ বৃহস্পতিবার  তিনি এই পদে যোগ দেন।তিনি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী।গত ১৬ জুন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আফরোজা আব্বাসকে অবৈতনিকভাবে এই পদে নিয়োগ দেয়। এ নিয়োগ যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য বলবৎ থাকবে। তবে সরকার ইচ্ছা করলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে। একইভাবে তিনিও যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারবেন।মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় মহিলা সংস্থা নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে।

২ ঘন্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

ব্রিকস সম্মেলনে ভারতে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী

ভারতের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারের বাইরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বিএনপির মিডিয়া সেল এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। জানা যায়, নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন বসছে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। এবারের আয়োজক ভারত।এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্রিকস সফর নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই নানা আলোচনা ছিল। ভারতের পক্ষ থেকেও কয়েক দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এসময় অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।পাশাপাশি ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধি অংশ নেবে না বলেও জানান তিনি।জানা যায়, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নিতে দিল্লি আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী। পরিশেষে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে তার অবসান ঘটলো।

২ ঘন্টা আগে
বিএনপি শুধু কথা নয়, বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে: সমাজকল্যামন্ত্রী

বিএনপি শুধু কথা নয়, বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে: সমাজকল্যামন্ত্রী

বিএনপি শুধু বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তারা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিশ্বাস করে বলে মন্তব্য করেছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ফেনীর ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফুলগাজী সফর উপলক্ষে মাঠ পরিদর্শনে যান মন্ত্রী। এ সময় তিনি সফরের প্রস্তুতি, সম্ভাব্য জনসমাগম, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে এবং দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে চায়। জনগণ অতীতেও বিএনপির ওপর আস্থা রেখেছে, ভবিষ্যতেও সেই আস্থা বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।মন্ত্রী জানান, ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফুলগাজীতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম ও পুরোহিতদের ভাতা এবং কৃষক কার্ডের কার্যক্রম। একই সঙ্গে ২৪৯ কিলোওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনেরও উদ্বোধন করা হবে।এ ছাড়া ওইদিন ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে মুহুরী প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচি শেষে ফুলগাজীর শ্রীপুরে তার মাতুলালয় মজুমদার বাড়িতে যাবেন তিনি এবং পারিবারিক কবরস্থানে জিয়ারত করবেন।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, সফরটি যাতে সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।পরিদর্শনের সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাউছার হামিদ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেলী নোশীন প্রত্যাশাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, ফুলগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল আলম স্বপন, সদস্য সচিব আবুল হোসেন ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসুল মজুমদার গোলাপসহ দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

২ ঘন্টা আগে
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়লে দুর্নীতি কমবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ অশুভ ইঙ্গিত: মিয়া গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ ১০ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের ভারসাম্য পরিবর্তন করে ভাইভার নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির সরকারের উদ্যোগে আমি গভীর উদ্বেগ  প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে চরম দলীয়করণ শুরু করেছে। তারা ইতোমধ্যেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসনসহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় বিবেচনায় মেধাহীন, অযোগ্য এবং বিতর্কিত লোকদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে অন্ধ দলীয় লোকদের নিয়োগ দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা। অথচ সরকারি চাকরির নিয়োগব্যবস্থায় এমন একটি বিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা মেধার মূল্যায়নকে দুর্বল করে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির পথ ন্যক্কারজনকভাবে উন্মুক্ত করবে। সরকারি চাকরির নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বিএনপি সরকারের নির্লজ্জ দলীয়করণের অশুভ ইঙ্গিত।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দেশবাসী মনে করে, সরকারের বড় আকারে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রশাসনকে দলীয়করণের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্তের নগ্ন হাতিয়ার। লিখিত পরীক্ষা একজন প্রার্থীর জ্ঞান, মেধা, বিশ্লেষণী সক্ষমতা ও প্রস্তুতিকে তুলনামূলকভাবে বস্তুনিষ্ঠভাবে যাচাই করার সুযোগ দেয়। লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র সংরক্ষণ, পুনর্মূল্যায়ন ও অডিট করা সম্ভব। কিন্তু মৌখিক পরীক্ষার মূল্যায়ন অনেকাংশেই বোর্ডের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ ও বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। ফলে ভাইভার নম্বরের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে মেধার ব্যবধান কৃত্রিমভাবে পরিবর্তন করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। ফলে লিখিত পরীক্ষায় অর্জিত মেধা ও যোগ্যতার অবমূল্যায়ন ঘটবে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।তিনি বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের পদগুলোতে দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী প্রতিযোগিতা করেন। তাঁদের অনেকেই দীর্ঘদিন প্রস্তুতি নিয়ে, সীমিত আর্থিক সামর্থ্যের মথ্যে কঠোর পরিশ্রম করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মেধা ও পরিশ্রমের মূল্যায়নকে এমন কোনো অনিশ্চিত ব্যবস্থার ওপর ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যেখানে মৌখিক পরীক্ষার অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সহজেই উল্টে দেওয়া সম্ভব।তিনি বলেন, প্রক্সি, জালিয়াতি ও পরীক্ষায় অনিয়ম প্রতিরোধ করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু জালিয়াতি বন্ধের অজুহাতে ভাইভার নম্বর বাড়ানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে না। প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষাব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক যাচাই, পরীক্ষাকেন্দ্রে কঠোর নজরদারি, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল মনিটরিং এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ করা সম্ভব। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, অতীতে সরকারি চাকরি ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের যে ভয়াবহ সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ তার অবসান চেয়েছে। একটি সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে সেই গণআকাঙ্ক্ষা ধারণ করা; নতুন কোনো পদ্ধতিতে পুরোনো দলীয়করণের সুযোগ তৈরি করা নয়। তাই নিয়োগব্যবস্থার এমন কোনো পরিবর্তন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, যা ভবিষ্যতে প্রশাসনে দলীয় আনুগত্যশীল ও অনুগত জনবল প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রশাসন চাই, যেখানে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিচয় হবে তাঁর মেধা, যোগ্যতা, সততা ও কর্মদক্ষতা; কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নয়। রাষ্ট্রের প্রশাসনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সর্বপ্রথম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আনুগত্য, আত্মীয়তা, ব্যক্তিগত সুপারিশ কিংবা অর্থের প্রভাবের কোনো স্থান থাকতে পারে না। রাষ্ট্রের প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে মেধা, যোগ্যতা, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে।তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি, অর্থের লেনদেন ও সুপারিশের সংস্কৃতি বন্ধ করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে পুরোনো বৈষম্য, দলীয়করণ ও অনিয়মের পুনরাবৃত্তি জনগণ মেনে নেবে না। তরুণ সমাজের মেধা, শ্রম ও ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সরকারকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।তিনি দেশের চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজের ন্যায্য দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, মেধার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বৈষম্যের অবসান এবং দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই হতে হবে নতুন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

লিংক কপি করা হয়েছে!

নিজেকে গড়ার গল্পে সালমার দুই দশক

সালমা এক-পা দু-পা করে সুরের ভুবনে দুই দশকের পথ অতিক্রম করে ফেলেছেন। রিয়েলিটি শো ‘ক্লোজআপ ওয়ান: তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’-এর শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে ২০০৬ সালে যে যাত্রা শুরু, তা আজও অব্যাহত রয়েছে। ‘নিজেকে প্রতিদিন একটু একটু করে গড়তে হবে। একদিন তোমার পাশের মানুষটাও যেন চমকে যায়’– এ কথাগুলো সালমা তাঁর উত্তরসূরিদের জন্য বলেছেন এমন নয়। সুরের ভুবনে পা রাখার পর এটাই ছিল তাঁর ব্রত। দুই দশকের পথ পাড়ি দিয়েও এ কথাগুলো নিজেকেই নিজে শোনান। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে হলে প্রতিনিয়ত নিজেকে বদলাতে হয়। কারণ সময়ের সঙ্গে মানুষের চিন্তা-চেতনা, ভালো লাগা, মন্দ লাগা সবকিছুই বদলে যায়। তাই তো সালমা কখনও নির্দিষ্ট গণ্ডির ভেতর নিজেকে আটকে রাখতে চাননি। যদিও তিনি স্বীকার করেন, কণ্ঠ বা গায়কিতে নিজস্ব একটা ছাপ সব সময় থেকে যায়। তা মেনে নিয়েই সৃষ্টিতে নতুন কিছু সংযোজন ঘটাতে হয়। জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে থাকার লক্ষ্যে নয়, যে প্রত্যাশা শ্রোতাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করার দায় থেকে মেতে উঠতে হয় নতুন ও অভিনব সব আয়োজনে। এভাবেই গানের ভুবনে এতটা পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়েছে।  দুই দশকের সংগীত যাত্রা নিয়ে সালমার কথার সঙ্গে একমত হবেন সংগীতপ্রেমীর অনেকে। কারণ সালমার কথার সত্যতা খুঁজতে খুব একটা পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। সাম্প্রতিক সময়ের প্রকাশিত তাঁর গানগুলোর দিকে নজর দিলেও তা স্পষ্ট হয়ে যায়। চলতি সপ্তাহে প্রকাশ পাওয়া ‘প্রেম লীলা’ গানের সূত্র ধরেই যদি আলোচনা শুরু করা যায় তাহলে আমরা দেখি, বিপ্লব সাহার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া এই গানে সালমা নিজেকে আরও একবার ভিন্নরূপে উপস্থাপন করেছেন। এর আগে প্রকাশিত ‘এমন ভালোবাসা চাই না’, ‘দিল দিওয়ানা’, ‘ওরে আমার জান’, ‘ভাবের কথা’, ‘দেখলে তারে মন’, ‘সানাই’, ‘একমাত্র ঠিকানা’, ‘মানুষ ক্যান বেইমান’, ‘মনের গহিনে’, ‘বন্ধু মায়ার জাদু জানে’, ‘ভালোবাসার তৃষ্ণা’, ‘পিরিতের ঘর’ থেকে শুরু করে গায়কিতে নিজস্বয়তা ধরে প্রতিটি গানে নতুন কিছু উপকরণ যোগ করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর এ প্রচেষ্টা গত দুই দশকের প্রতিটি আয়োজনে ছিল। এও স্পষ্ট হয়েছে, কীভাবে গানের ভুবনে এই দীর্ঘ পথ পেরিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন শীর্ষ তারকাদের কাতারে। তাই শুরুতে সালমার কাছে এ প্রশ্নটি এসে যায়– তাহলো পেছন ফিরে তাকালে সংগীতের এই দীর্ঘ সফর কীভাবে মনের পর্দায় ভেসে ওঠে? এর জাবাব দিতে গিয়ে অনেকের মতো সালমাও কিছু সময়ের জন্য ডুবে গিয়েছিলেন স্মৃতি রোমন্থনে। খানিক পর স্মৃতির অতল থেকে উঠে এসে বলেন, ‘ঠিক বিশ্বাস হয় না এতটা সময় কীভাবে পেছন ফেলে এলাম। পেছনের দিনগুলোর দিকে তাকালে সবই চলচ্চিত্রের মতো মনের পর্দায় ভেসে ওঠে। কৈশোরের খোলস ছেড়ে বেরুতে না বেরুতে ‘ক্লোজআপ ওয়ান : তোমাকেই খুঁজে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিলাম। গানে গানে একেকটি ধাপ পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে। মাথায় উঠল বিজয়ের মুকুট। এরপর থেকে আর থাকার অবকাশ হয়নি। প্রথম অ্যালবামের রেকর্ডিং অ্যালবাম প্রকাশ আর সেই অ্যালবামের গান নিয়ে শ্রোতা হৃদয়ে কড়া নাড়া; ভালোবাসা কুড়ানো সবই স্বপ্নের মতো। সেই যে শুরু হলো একের পর এক গান গেয়ে যাওয়া, অ্যালবাম, একক ও দ্বৈত গান, প্লেব্যাক, দেশ-বিদেশের মঞ্চে ছুটে যাওয়া আর কত না ব্যস্ততা– এর হিসাব কষাও কঠিন। এভাবে এক সময় গানই হয়ে উঠল নেশা থেকে পেশা। ব্যক্তিজীবনের কতই গল্প রচনা হয়ে গেল এ সময়ে। মাতৃত্বের স্বাদ পেলাম। শুরু হলো জীবনের আরেক অধ্যায়। কত স্মৃতি, কত ঘটনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির মিশেলে হয়ে উঠল সালাম নামের এক শিল্পীর জীবনের গল্প।  সালমার এ কথাগুলো শুনতে গিয়ে আমাদের চোখে নানা দৃশ্য ভেসে উঠল। দেখা হলো পেছনের অধ্যায়গুলোর দৃশ্যপট। তবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মৌসুমী আক্তার সালমার অবয়বটা রয়ে গেল কেবলই একজন শিল্পীর। যার কাছে সংগীত ধ্যান ও জ্ঞান। এখন প্রশ্ন হলো, যিনি সবকিছুর আগে গানকে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন, সেই সালমা গানের ভুবন থেকে কী পেলেন, তার কখনও হিসাব-নিকাশ করেছেন? প্রশ্ন সামনে রাখতেই সালমা বলেন, ‘আমি সব সময় শ্রোতাদের প্রত্যাশা পূরণের জন্যই গান করে যাওয়ার কথা ভেবেছি। গান প্রকাশ করে কত আয় হবে, না হবে তার হিশাব-নিকাশ কষতে বসিনি। তাছাড়া এ দেশে কেউ সঠিক উপায়ে রয়্যালিটি পেয়েছেন কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। সে কারণেই বছরের পর বছর রয়্যালিটি নিয়ে আন্দোলন, শিল্পী-প্রকাশকদের তর্ক-বিতর্ক চলছে তো চলছেই। তাই এত কিছু নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে প্রকাশকদের কাছে যা পাই, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার কথা না হয় বাদ দিন, অন্যদের দিকে তাকান, দেখবেন গানের রয়্যালিটির ওপর নির্ভর করে চলার মতো শিল্পী এ দেশে হাতেগোনা কয়েকজন। দেশের পেশাদার শিল্পীর ৯০ শতাংশই স্টেজনির্ভর। তাদের জীবনযাপন হুমকির মুখে তখনই পড়ে যখন স্টেজ শো বন্ধ থাকে; অনেকটা এ সময়ের মতো।’ সালমার এ কথা থেকে বোঝা যায়, গান গেয়ে অঢেল অর্থ-বিত্তের মালকিন বনে যাওয়ার স্বপ্ন না দেখলেও জীবিকার প্রয়োজনে যতটুকু দরকার, সেটি পাওয়ার বিষয়ে কোনো ব্যাঘাত যাতে না ঘটে– সেটি তাঁর চাওয়া। হয়তো এ কারণে তিনি তারকা শিল্পী হয়েও নতুনদের সঙ্গে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করেন না। এ অনুমান সঠিক কিনা– তা জানতে চাইলে সালমা বলেন, নতুনদের জন্য কাউকে না কাউকে সুযোগ দিতে হবে। আমিও একসময় নতুন ছিলাম। গুণী শিল্পীদের সহযোগিতায় পেয়েছি বলেই আজকের এ অবস্থানে আসতে পেরেছি। তাই শিল্পীর দায়বদ্ধতা থেকেই নতুনদের পাশে থাকি। নতুনদের কেউ যখন আমার সঙ্গে কাজ করতে চায়, তখন কোনোভাবেই তাকে নিরাশ করতে চাই না। বিশেষ করে যারা নিয়মিত সংগীতচর্চা করে যাচ্ছে কিন্তু গানের জন্য প্রতিষ্ঠিত কাউকে সহশিল্পী হিসেবে পাশে পাচ্ছে না। ভালো লাগা এখানেই যে এখন পর্যন্ত যাদের সঙ্গে দ্বৈত গান করেছি, সেই নতুনদের অনেকে গানের ভুবনে সম্ভাবনার ছাপ রাখতে পেরেছেন। একসঙ্গে গান গাওয়া ছাড়া হয়তো তাদের জন্য বেশি কিছু করতে পারিনি। তারপরও যখন তারা জানায়, আমার সঙ্গে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতা অন্যরকম আনন্দের ছিল, তখন নিজের মনটাও এক ধরনের ভালো লাগায় সিক্ত হয়।’ সালমার মুখে এমন কথা শুনে বোঝা যায়, তিনি এককভাবে সুদূরের যাত্রী হতে চান না, সঙ্গী করে নিতে চান তাদেরও, যারা সত্যিকার অর্থে তাঁর মতো গানকে হৃদয়ে ধারণ করেন।

ব্রেক আপ করলেই মিলবে ৭ দিনের ছুটি

অনেকেই প্রেম বা সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে ব্যতিক্রমী ছুটির ব্যবস্থা চালু করেছে ভারতের ফিনটেক ও সোশ্যাল লার্নিং স্টার্টআপ স্টকগ্রো। কোনো কর্মীর প্রেম বা সম্পর্ক ভেঙে গেলে তিনি চাইলে নিতে পারবেন সাত দিনের বেতনসহ ছুটি। এই ছুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ব্রেকআপ লিভ’।সাধারণত কর্মক্ষেত্রে পরিকল্পিত, নৈমিত্তিক, অসুস্থতাজনিত কিংবা চিকিৎসাজনিত ছুটির ব্যবস্থা থাকে। কিছু প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মীদের জন্য পিরিয়ডকালীন ছুটিও চালু রয়েছে। তবে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার মতো ব্যক্তিগত ও মানসিক পরিস্থিতির জন্য আলাদা ছুটির ব্যবস্থা বেশ ব্যতিক্রমী।স্টকগ্রোর এই নীতির আওতায় কোনো কর্মীর সম্পর্ক ভেঙে গেলে তিনি সাত দিনের বেতনসহ ছুটির সুযোগ পাবেন। এই ছুটি নিতে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কোনো প্রমাণও জমা দিতে হবে না। তবে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা ও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।প্রতিষ্ঠানটির এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য কর্মীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করা। কারণ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় কাজ করলে কর্মীদের মনোযোগ ও কাজের মান দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।স্টকগ্রোর ‘ব্রেকআপ লিভ’ চালুর খবর প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। অনেকে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরির আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এমন ছুটির ব্যবস্থা কেন নেই।তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মজার মন্তব্যও কম হয়নি। কেউ কেউ রসিকতা করে জানতে চেয়েছেন প্রেমিকার বা প্রেমিকের সঙ্গে ‘ব্রেকআপ’ হলে ছুটি মিললেও ম্যানেজারের সঙ্গে ‘ব্রেকআপ’ হলে কি একই সুবিধা পাওয়া যাবে?সম্পর্ক ভাঙার মতো ব্যক্তিগত বিষয়কে কর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত করে ছুটির নীতি চালুর এই উদ্যোগ তাই নতুন করে আলোচনায় এনেছে কর্মক্ষেত্রে মানসিক সুস্থতার গুরুত্ব।

জামালপুরে ধর্ষন মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুরে ধর্ষন মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুরে বিধবা এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় আসলাম হোসেন নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই আদালত  তাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম ওই দণ্ডাদেশ দেন।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, বকশীগঞ্জের নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের সলই মন্ডল পাড়া গ্রামের আসলাম হোসেন(৩০) একই গ্রামের এক বিধবা নারীকে ২০২৩ সালের ২০ জুলাই রাতে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় তার বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় আসলাম হোসেনকে আসামি করা হয়।তিনি জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম প্রধান আসামি আসলাম হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও চার লাখ টাকা জরিমানা করেন।

কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream