বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
সর্বশেষ

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লুটপাটের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সফরকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।রহমান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (আরডিএফ) উদ্যোগে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় মোবাইল হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।মোবাইল হাসপাতালটির মাধ্যমে সাধারণ চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, দাঁতের চিকিৎসা, বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি।

ইসরায়েলের নির্বাচনে বড় সাফল্যের আভাস আরব দলগুলোর

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো সম্মিলিতভাবে রেকর্ড ১৯টি আসন পেতে পারে। মঙ্গলবারের নির্বাচনের বুথফেরত জরিপে এমন আভাস পাওয়া গেছে। ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে এই পূর্বাভাস সত্যি হলে তা হবে আরব দলগুলোর বড় সাফল্য। একই সঙ্গে, ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি নাগরিকদের ভোট দেওয়ার হারও কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর তথ্য অনুযায়ী, আরব নাগরিকদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ১৯৯৯ সালের ভোটদানের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম—এই দুই আরব নেতৃত্বাধীন দল মিলে ১৯টি আসন পেতে পারে। ভোট গণনার এক-তৃতীয়াংশের বেশি শেষ হওয়ার পর জয়েন্ট লিস্টের ভোটের হার ৯ শতাংশের বেশি ছিল। তবে এখনো ভোট গণনা চলছে। তাই চূড়ান্ত ফলাফলে আসনসংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের বিপরীতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের ইয়াশার পার্টির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে আরব দলগুলোর আসন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রা’আম পার্টির নেতা মানসুর আব্বাস আশা করছেন, চূড়ান্ত ফলাফলে নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে। চ্যানেল ১২-কে তিনি বলেন, বর্তমান আসনসংখ্যার হিসাবে সরকার গঠনের মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। নির্বাচনের আগে ও পরেও দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবির তাঁর দলটির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানান তিনি। বর্তমানে নেসেটে রা’আমের পাঁচটি আসন রয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে ক্ষমতায় থাকা জোট সরকারেও অংশ নিয়েছিল দলটি। ইসরায়েলের সাবেক রাষ্ট্রদূত অ্যালন পিঙ্কাস আল-জাজিরাকে বলেন, আরব দলগুলোকে বাইরে রেখে সরকার গঠন করা গাদি আইজেনকোটের মতো বিরোধী নেতাদের জন্য কঠিন হতে পারে। নির্বাচনি প্রচারের সময় কয়েকটি দল আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন না পেলে তাদের সেই অবস্থান পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে। পিঙ্কাসের মতে, আরব নাগরিকদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা সম্ভব নয়। কেবল নির্বাচনে ভোটের প্রয়োজন হলেই তাদের সমর্থন চাওয়ার রাজনীতিরও মূল্য দিতে হবে। তবে আরব দলগুলোর দাবির সঙ্গে ইহুদি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের নীতিগত অবস্থানের বিরোধ দেখা দিতে পারে। এতে সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: আল-জাজিরা।

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করে বাজুস। এদিন সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানায়, বুধবার সকাল ৯টায় সংগঠনটির মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) একই মানের প্রতি ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। এ ছাড়া নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা। এদিকে সোনার দাম বাড়লেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৬৭৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ / বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের জোরপূর্বক যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশসহ মোট ২৯টি দেশের নাগরিকদের পাচার এবং সশস্ত্র বাহিনীতে জোরপূর্বক সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানোর মারাত্মক প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন প্রতিনিধিদল।ইউক্রেনবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উন্মোচিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় আন্তর্জাতিক দালাল চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কিংবা ব্যবসায়িক ভিসার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশসহ ওই দেশগুলোর অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল তরুণ ও পুরুষদের রাশিয়া নিয়ে যেত।রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রতারণার শিকার এসব ব্যক্তির পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হতো। পরবর্তীতে তাঁদের রুশ ভাষায় রচিত সামরিক চুক্তিপত্রে জোরপূর্বক সই করতে বাধ্য করা হতো, যার ভাষা বা শর্তাবলি তাঁরা বুঝতে পারতেন না।চুক্তিতে স্বাক্ষরের পর প্রশিক্ষণ ছাড়াই বা নামমাত্র প্রশিক্ষণে তাঁদের ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সম্মুখসারিতে পাঠানো হতো।এই ভয়াবহ চক্রের শিকার হয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ও অন্য দেশের নাগরিক নিহত, গুরুতর আহত অথবা নিখোঁজ হয়েছেন। ওদিকে তাঁদের ওপর নির্ভরশীল স্বজনেরা ঋণের বোঝা ও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।জাতিসংঘের এই তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ফিলিপাইন, ঘানা, নাইজেরিয়া, কেনিয়া ও উজবেকিস্তানসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকার মোট ২৯টি দেশের নাম রয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্র্যাক’-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনেও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতারণামূলক মানবপাচার ও জোরপূর্বক যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।ইউক্রেনবিষয়ক জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন অবিলম্বে এই আন্তর্জাতিক বেআইনি নিয়োগ বন্ধ করতে রুশ কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে এই মানবপাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত দোষী ব্যক্তিদের সনাক্ত করে কঠোর আইনি শাস্তির মুখোমুখি করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লুটপাট করে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লুটপাটের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংস করে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সফরকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।রহমান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (আরডিএফ) উদ্যোগে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় মোবাইল হাসপাতালের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।মোবাইল হাসপাতালটির মাধ্যমে সাধারণ চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, দাঁতের চিকিৎসা, বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা এবং বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি।

৪২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা কাটলেও উপকূলে কাটেনি ঝড়ের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা কাটলেও উপকূলে কাটেনি ঝড়ের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আঘাত হেনে স্থলভাগে উঠে এসেছে সকালে। এতে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘের কারণে দেশের উপকূলের ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়ের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার সকালে ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম সম্পন্ন করে বর্তমানে অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকুলীয় এলাকায় অবস্থান করছে। এটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এই অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

১ ঘন্টা আগে
‘ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়তে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সব নির্বাচন ওই মানের হয়’

‘ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়তে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সব নির্বাচন ওই মানের হয়’

শুধু একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন নয়, বরং ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে অনুষ্ঠানের টেকসই সংস্কৃতি গড়ে তোলাই নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের যে নূন্যতম মানদণ্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা ধরে রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলোতে আরও উন্নত মান নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকবে। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও একই মানদণ্ড বজায় রাখতে কমিশন বদ্ধপরিকর। এক সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, ‘শুধু একটা ভালো নির্বাচন করাই আমাদের লক্ষ্য নয়। ভবিষ্যতে যাতে সবগুলো নির্বাচন সেই একই মানদণ্ডের হয়, সেই প্রচেষ্টা আমাদের থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থা শুধু এককালীন আয়োজন নয়। একটা ভালো নির্বাচন করেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। বরং দেশে একটা ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সব নির্বাচন ওই মানের হয়। সেই ব্যবস্থাটা আমাদের করতে হবে।’ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোও একই মানদণ্ডে আয়োজনের চেষ্টা থাকবে। সম্ভব হলে আরও ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এক্ষেত্রে সব অংশীজনের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। চাপমুক্ত পরিবেশে কাজ করছে ইসি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, এই অঙ্গীকারই কমিশনকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট আয়োজন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর পোস্টাল ভোটিংয়ের মাধ্যমে প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং কারাবন্দীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। কমিশনের দৃঢ় অঙ্গীকারের কারণেই এসব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। সিইসি বলেন, আমাদের কমিটমেন্টের মধ্যে কোনো খাদ নেই। আসন্ন ইউপি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত জাতীয় নির্বাচনের মতোই আগামী নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। কমিশনের ওপর কোনো পক্ষের চাপ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং তারা সেভাবেই কাজ করছেন। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রার্থীদের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না হলেও প্রার্থীদের পেছনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন থাকতে পারে। এ কারণে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সিইসি বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা খুবই দরকার। এজন্য আমরা তাদের সঙ্গে বসার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এই নভেম্বর মাসের মধ্যেই তাদের সঙ্গে বসব আমরা।’ তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। গণতন্ত্রকে টেকসই করতে এবং পূর্ণমাত্রায় গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচনে জালিয়াতি হলে তা প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। ইউপি নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা, কঠোর হবে আচরণবিধি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন সিইসি। ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকা, নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রয়েছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় রাখা হয়েছে। তিনি জানান, আইনগতভাবে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং আদালতের নির্দেশনার আওতায় থাকা ইউনিয়ন পরিষদগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রতি ধাপে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। ইউপি নির্বাচনে সহিংসতাকে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশি ঘটে। এ কারণে আচরণবিধি বাস্তবায়নে কমিশনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারি জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে সংযুক্ত করা ক্যামেরাও থাকবে। এতে নির্বাচনে সহিংসতা বা অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তা রেকর্ডে থাকবে। সিইসি বলেন, ‘আচরণবিধি আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। এ ব্যাপারে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে কমিশনের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত মূল্যায়নে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশন এবং সামগ্রিক নির্বাচনব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। বিশেষ করে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপদে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ ছিল। সিইসি বলেন, মানুষের হারানো আস্থা ফিরিয়ে আনা, নির্বাচন কমিশনকে আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠাকে কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে ভোটার তালিকা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রায় ৭৭ হাজার কর্মী নিয়োগ ও তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তিনি জানান, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ নারী ভোটারকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ২১ লাখের বেশি মৃত ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সিইসি বলেন, ভোটার তালিকার নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা মানুষের আস্থা ফেরানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। স্বচ্ছতা ও অংশীজনদের সহযোগিতায় গুরুত্ব ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষের আস্থা ধরে রাখা, প্রতিটি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং সব অংশীজনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেন সিইসি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের প্রতিটি পদক্ষেপ এমন হতে হবে, যাতে মানুষ নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পায় এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা গোপনীয়তার সুযোগ না থাকে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল, ভোটার, নাগরিক সমাজ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সবার সহযোগিতা কমিশনকে দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতের নির্বাচনেও এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে হবে। সাংবাদিকদের নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সুযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সাংবাদিকদের জন্য কমিশনের দরজা উন্মুক্ত। তারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তবে সাংবাদিকের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নীতিমালা অনুসরণ করে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। জাতীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র কমিশন থেকে দেওয়া হবে। স্থানীয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে প্রেস ক্লাবের সাথে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। তিনি বলেন, কমিশন সব সময় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে চায় এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে সাংবাদিকদের কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করে। অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ ব্যবস্থা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ প্রতিকারব্যবস্থা কার্যকর রাখার কথা জানান সিইসি। তিনি বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। নির্বাচনী অনিয়মের প্রতিকার যেন স্থানীয় পর্যায়েই দ্রুত পাওয়া যায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় কমিশন। কালো টাকা ব্যবহার ও ভোট কেনার বিষয়ে তিনি বলেন, এসব অনিয়মের খবর পাওয়া গেলে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিইসি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। সব অংশীজন নিয়ম মেনে নির্বাচনী মাঠে থাকলে কমিশনের জন্য অনিয়ম প্রতিরোধ করা সহজ হবে। ১০ মাস থেকে এক বছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন ইতিহাস ও বাস্তব অভিজ্ঞতা বিবেচনায় দেশের সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইসি। তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করেন। নির্বাচন না হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া উপজেলা পরিষদসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের কাঠামো ও কার্যক্রমের সাথে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্পর্ক রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভূমিকা প্রয়োজন হয়। এ কারণেও ইউপি নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সিইসি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরপরই পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে বিভিন্ন পরীক্ষা, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষা এবং বর্ষা মৌসুমের সম্ভাব্য বন্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনী সময়সূচি নির্ধারণ করতে হবে। তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী থাকবে না। নারী প্রার্থী বাড়াতে প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোকে একটি বড় সামাজিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন সিইসি। তিনি বলেন, নারী ভোটার পাওয়া গেলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তুলনামূলক কঠিন। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের নিরুৎসাহিত করা, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানিমূলক প্রচারণা নারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। এক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক দলসহ সমাজের বিভিন্ন পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোতে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য আইনে রাখা হয়েছে। তবে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। তরুণ ভোটারদের জন্য বিশেষ সুযোগ তরুণদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উৎসাহিত করতে ভোটার হওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের কথা জানান সিইসি। তিনি বলেন, ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তারা ভোটার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগে বছরের ১ জানুয়ারিকে ভিত্তি ধরে বয়স গণনা করা হলেও এবার নতুন সুযোগের ফলে আরও বেশি তরুণ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন। তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও অংশগ্রহণমূলক করতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সব পক্ষের সহযোগিতায় সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজন করতে সব অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন সিইসি। তিনি বলেন, নির্বাচনে সব পক্ষের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশন অনিয়ম ও সহিংসতা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। একইসাথে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও ভোটারদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে কমিশন। সিইসি বলেন, কমিশন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই কমিশনের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য ও মানসম্মত স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে। বিডি প্রতিদিন/জেডএ 

১ ঘন্টা আগে
খুলনায় চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জামায়াতের উদ্বেগ

খুলনায় চাঁদাবাজি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতে জামায়াতের উদ্বেগ

খুলনা অঞ্চলে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, প্রকাশ্যে গুলি ও চাঁদাবাজির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চলের নেতারা। এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে দাবি করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নেপথ্যের মদদদাতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দলটি। গতকাল মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জামায়াতের খুলনা অঞ্চলের নেতারা বলেন, খুলনার সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ভোর, দিনদুপুর, সন্ধ্যা ও রাতে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, গুরুতর জখম, জবরদখল ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ছিঁচকে চুরি থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক তার চুরির মতো অপরাধও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। বিবৃতিতে বলা হয়, মাদকের অবাধ বিস্তার এই নৈরাজ্যের অন্যতম কারণ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে মাদকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও অপরাধীদের দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নেতারা। মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপরাধী চক্রগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটন করলেও সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতির তুলনায় তা যথেষ্ট নয়। অপরাধীদের মদদদাতা ও নেপথ্যের প্রভাবশালীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক সমাজ প্রতিবাদ ও কর্মসূচি পালন করলেও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি বলে দাবি করা হয়। বিবৃতিতে নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে সন্ত্রাস, খুন, মাদক কারবার ও চাঁদাবাজি দমন করতে হবে। অন্যথায় সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর দায় সরকার ও প্রশাসনকে নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তাঁরা। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি, সহকারী পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, অঞ্চল টিমের সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান এমপি, মাস্টার শফিকুল আলম ও মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি। এ ছাড়া বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল করিম ও সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মদ ইউনুস এবং সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।

২ ঘন্টা আগে
পে স্কেল: সিনিয়দের টপকে বড় অংকের বেতন জুনিয়রদের

পে স্কেল: সিনিয়দের টপকে বড় অংকের বেতন জুনিয়রদের

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আগামী রোববার (১ নভেম্বর) থেকে নবম পে স্কেলের আওতায় বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাওয়ার ক্ষণগণনা শুরু হলেও, নানা জটিলতায় হোঁচট খেয়েছে পুরো প্রক্রিয়া। বেতন কাঠামোর মারপ্যাঁচে এমন কিছু অদ্ভুত ত্রুটি সামনে এসেছে, যেখানে সিনিয়কদের টপকে জুনিয়রদের পকেটে বেশি টাকা চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এই গোলমেলে পরিস্থিতির জেরে প্রথম ধাপে বর্ধিত বেতন হাতছাড়া হতে চলেছে দুই লাখেরও বেশি সরকারি চাকরিজীবীর। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর, বেতন নির্ধারণের প্যাঁচালো নিয়মের কারণেই এই বিপত্তি। এই তালিকায় যেমন বর্তমান চাকরিজীবীরা আছেন, তেমনি বাদ যাননি পেনশনভোগী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও। তবে সংশ্লিষ্টরা আশ্বস্ত করেছেন, এই জট কেটে গেলে আটকে থাকা কর্মীরাও তাঁদের প্রাপ্য বকেয়া টাকা বুঝে পাবেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন কাঠামোয় গ্রেড সাজানোর সময় বেশ কিছু গরমিল তৈরি হয়েছে। যেমন—তাত্ত্বিকভাবে ১১তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা হওয়ার কথা, আর ১২তম গ্রেডের ক্ষেত্রে তা ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ, স্বাভাবিক হিসেবে ১১তম গ্রেডের কর্মী ৭০০ টাকা বেশি পাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে বেতন সমন্বয় করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি! দেখা গেল, ১১তম গ্রেডের কর্মীর মূল বেতন যেখানে গিয়ে ঠেকল ৩৭ হাজার টাকায়, সেখানে ১২তম গ্রেডের কর্মীর পকেট ভারী হচ্ছে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকায়। অর্থাৎ, জুনিয়র কর্মী উল্টো ৭০০ টাকা বেশি পেয়ে যাচ্ছেন। নতুন কাঠামোর ত্রুটিপূর্ণ নিয়ম প্রয়োগের ফলেই এমন অমিল তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্ত কর্মচারীদের। তাঁদের স্পষ্ট কথা, এই নিয়মগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা না করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে না। আগামী রবিবারই চার মাসের বকেয়াসহ নতুন স্কেলে বেতন পাওয়ার কথা, অথচ মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকতেই দুই লাখের বেশি কর্মীর হিসাব-নিকাশই শেষ করা যায়নি। এই অচলাবস্থা নিরসনে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে আকুতি জানিয়েও মঙ্গলবার পর্যন্ত কোনো সুরাহা মেলেনি। ১৪ লাখ কর্মীর মধ্যে সোমবার পর্যন্ত নতুন কাঠামোর আওতায় বেতন চূড়ান্ত হয়েছে ১২ লাখের, আর বাকি দুই লাখ এখনো ঝুলে আছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পর ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিল বেতন নির্ধারণের কর্মযজ্ঞ। কিন্তু হিসাব মেলাতে গিয়ে গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড এবং বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে দেখা দেয় একের পর এক জটিলতা। এর সঙ্গে কাটা ঘায়ে নুনের মতো যোগ হয়েছে আইবাস++ সফটওয়্যারের নানা বিপত্তি। পুরো বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখে কুলুপ এঁটেছেন অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার। তবে অর্থ বিভাগের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রজ্ঞাপন তৈরি ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কিছু পেশাগত অনভিজ্ঞতার কারণেই মূলত এই ভুলের সৃষ্টি হয়েছে। এখন এগুলো সামাল দিতে অভিজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাঁদের বেতন নতুন নিয়মে এখনো সাজানো সম্ভব হয়নি, তাঁরা আপাতত পুরোনো নিয়মেই বেতন পাবেন। বকেয়া টাকা কোথাও হারাচ্ছে না, পরবর্তীতে তা পরিশোধ করা হবে। তবে সংশ্লিষ্টদের শঙ্কা, ১ নভেম্বরের ডেডলাইনের মধ্যে অনেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের এই জটিলতার জট খোলা হয়তো সম্ভব হবে না।

২ ঘন্টা আগে
আট বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, ঢাকাসহ দেশের ১২ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ

আট বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, ঢাকাসহ দেশের ১২ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ

দেশের আট বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ১২০ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাপপ্রবাহ নিয়ে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষীপুর, ভোলা ও বরিশাল জেলাসহ ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে। এছাড়াও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

২ ঘন্টা আগে
১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

১০০ কোটি টাকার মালিক অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার নুরুল আমিনের বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

অবসরপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রার খন্দকার নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। নামে-বেনামে গড়ে তুলেছেন সম্পদের বিশাল সাম্রাজ্য। কানাঘুষা রয়েছে, ঢাকার মিরপুরে সাবরেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন তার মাসিক অবৈধ কামাই ছিল ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার মতো। সব মিলিয়ে তার সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় শতকোটি টাকা ছুঁয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে এত বিপুল পরিমাণ বিত্তবৈভব তিনি কীভাবে কামালেন, তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এদিকে বৈধ আয়ের সঙ্গে এই অঢেল সম্পত্তির হিসাব কিছুতেই মিলছে না। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক); সরকারি চাকরির বেতনে এত সম্পদের পাহাড় গড়া আসলেই সম্ভব কি না, তা এখন খতিয়ে দেখছে তারা। টাঙ্গাইলে বাড়ি, ফ্ল্যাট ও কোটি টাকার জমি: অনুসন্ধানে জানা যায়, টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকায় স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পদ গড়েছেন নুরুল আমিন। সেখানে খাদ্যগুদাম-সংলগ্ন এলাকায় তার স্ত্রীর নামে পাঁচতলা দুই ইউনিটের একটি বাড়ি রয়েছে। ওই জমির আনুমানিক মূল্য দুই কোটি টাকা এবং ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় তিন কোটি টাকা। বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই এলাকায় খাদ্যগুদামের সীমানাপ্রাচীর-সংলগ্ন ৫ শতাংশ জমি রয়েছে তার, যার বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। টাঙ্গাইলের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড-সংলগ্ন ‘প্যারাডাইস শাহজাহান সিরাজ নিবাস’ ভবনের নিচতলায় পশ্চিম পাশের একটি ফ্ল্যাট বর্তমানে ‘স্বপ্ন’ সুপারশপকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ওই ভবনে তার আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে; যার মূল্য প্রায় এক কোটি ৬০ লাখ টাকা। এছাড়া ভিক্টোরিয়া রোডের দত্ত টাওয়ারে প্রায় ৭০ লাখ টাকা মূল্যের একটি দোকান এবং বাসাইলের বিয়ালা গ্রামে নিজ বাড়িতে আনুমানিক ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবন রয়েছে তার। পূর্বাচলে সাত কোটি টাকার প্লট, মিরপুরে দোকান: রাজধানীর পূর্বাচলে প্রায় সাত কোটি টাকা মূল্যের একটি প্লট রয়েছে বলে জানা গেছে। মিরপুর ১০ নম্বরে শাহ আলী মার্কেটেও দোকান ও অফিস থাকার তথ্য রয়েছে। বড় ভাই, বোন, ভাগনে, শাশুড়ি এবং শ্যালকদের নামেও জমি ও সম্পদ কিনেছেন নুরুল আমিন। অর্জিত এই সম্পদ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রথমে এর সত্যতা স্বীকার করেন। তবে পরে কয়েকটি সম্পদের বিষয়ে অস্বীকৃতি জানান। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নুরুল আমিনের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। অভিযোগ রয়েছে-ঢাকার মিরপুর এলাকায় সাবরেজিস্ট্রার হিসাবে দায়িত্ব পালনের সময় নুরুল আমিন প্রতি মাসে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয় করতেন। ওই সময় তার একটি সিন্ডিকেট ছিল। চাকরি জীবনে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-সংক্রান্ত অভিযোগ ওঠা এবং শাস্তিমূলক বদলির তথ্যও পাওয়া গেছে। পরে তিনি টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সাবরেজিস্ট্রার হিসাবে কর্মজীবন শেষ করেন। আয়ের উৎসের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি : নুরুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সম্পদের বিষয়ে জানতে চায় যুগান্তর। তিনি জানান, ২০০৯ সালে সাবরেজিস্ট্রার পদে যোগ দেন এবং ২০২৪ সালে অবসরে যান। টাঙ্গাইলের বাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তবে এসব সম্পদ কবে কেনা হয়েছে, কীভাবে অর্থের সংস্থান হয়েছে এবং চাকরির আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য কতটুকু-জানতে চাইলে এর সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি নুরুল আমিন। গাড়িতে লোকজন থাকার কথা জানিয়ে পরে ফোন করে বিস্তারিত বলবেন বলে জানান। পরে আর ফোন রিসিভ করেননি তিনি। এদিকে দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, নুরুল আমিনের সম্পদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই কমিশনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। তার সম্পদের প্রকৃত পরিমাণ ও অর্থের উৎস নির্ধারণে জমির দলিল, ভবন নির্মাণের ব্যয়, ব্যাংক হিসাব, আয়কর রিটার্ন এবং চাকরি জীবনের আয়-ব্যয়ের তথ্য যাচাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২ ঘন্টা আগে
‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যকে সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনার অনুরোধ বিপিএসএর

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যকে সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনার অনুরোধ বিপিএসএর

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের দেওয়া বক্তব্যের পক্ষে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএসএ)। বিবৃতিতে আইজিপির বক্তব্যকে পুলিশের সক্ষমতা সুদৃঢ় করতে একটি সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করার অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বিপিএসএ বলেছে, আইজিপির বক্তব্যকে প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্যের মূল তাৎপর্য হলো আইনের সীমার মধ্যে থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশ সদস্যদের পেশাগত আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন স্বাক্ষরিত এই বিবৃতি আজ গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। গতকাল সোমবার এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ‘যেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’ একই অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অর্থ না পেয়ে পুলিশের সমালোচনা করার অভিযোগও তোলেন। এই বক্তব্যের পর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন আইজিপি। আজকে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ এমন পরিস্থিতিতে বিপিএসএর দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি দেশের পরিবর্তিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মব কালচার এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের আইন প্রয়োগে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পুলিশের আইনানুগ কঠোরতাকে একদিকে নেতিবাচকভাবে দেখা এবং অপর দিকে অপরাধ দমনে নিষ্ক্রিয়তাকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে পারে। দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের ওপর হামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যদের ওপর ১৭৬টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ৪ জন সদস্য নিহত এবং ৩৭০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ বাস্তবতা পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা ও তাঁদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে। তাই পুলিশ সদস্যদের এমন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, যেখানে তাঁরা আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে নির্ভয়ে, নিরপেক্ষভাবে এবং পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পুলিশ দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সর্বদা অবিচল ও অঙ্গীকারবদ্ধ বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অপরাধ দমনে পুলিশ যদি তার আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগে অযথা দ্বিধাগ্রস্ত হয়, তবে অপরাধীরা উৎসাহিত হতে পারে। এতে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। আইজিপির বক্তব্যকে তাই জননিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করার একটি সময়োপযোগী আহ্বান হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এদিকে আইজিপির বক্তব্যকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পক্ষে বিপজ্জনক বার্তা হিসেবে দেখছে মানবাধিকার ও নাগরিক সংগঠনগুলো। বক্তব্য প্রত্যাহার, সরকারের ব্যাখ্যা এবং আইজিপির জবাবদিহি দাবি করেছে তারা। নিন্দা জানিয়েছে কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। সাংবাদিকদের সম্পর্কে বলা বক্তব্যের প্রতিবাদও জানিয়েছে সাংবাদিক সংগঠনগুলো। সমালোচনার মুখে গতকাল রাতে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। ব্যাখ্যায় বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি। আইন প্রয়োগের কঠোরতা বোঝাতে গিয়ে তিনি ক্রসফায়ার শব্দটি আক্ষরিক অর্থে উল্লেখ করেছেন। পরে আবার এই ব্যাখ্যা সংশোধন করে ‘আক্ষরিক’ শব্দের পরিবর্তে ‘রূপক’ অর্থে ব্যবহার করার কথা বলা হয়। সাংবাদিকদের সম্পর্কে করা মন্তব্যের বিষয়ে বলা হয়, ‘তিনি সাংবাদিকদের সম্পর্কে ঢালাও কোনো মন্তব্য করতে চাননি, এটি অসাবধানতাবশত হয়েছে।’

১৭ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

প্রধানমন্ত্রীর গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। তিনি বাংলাদেশকে এমন এক বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করেছেন, যারা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো মূল্যবোধে বিশ্বাসী। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় উন্নয়নে তারেক রহমান সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি জোরালো সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের জাপান সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টোকিওতে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এরপর নিজের অফিসিয়াল ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে জাপানের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মতো অভিন্ন মূল্যবোধের অংশীদার বন্ধু হিসেবে, প্রধানমন্ত্রী রহমানকে তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানাতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’ তাকাইচি বলেন, গণতান্ত্রিক সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের জাতি গঠনমূলক উদ্যোগগুলোকে জাপান দৃঢ়ভাবে সমর্থন করবে। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত রহমান প্রশাসনের জাতি গঠনমূলক প্রচেষ্টাকে জাপান জোরালো সমর্থন দেবে।’ এই বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি জাপানের স্বীকৃতি এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করার আগ্রহ ফুটে উঠেছে। তাকাইচি বলেন, ‘মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক’ অঞ্চল গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তিনি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, উভয় নেতা ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা ‘বিগ-বি’ উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এই উদ্যোগটি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি মূল ভিত্তি। দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই উদ্যোগটিকে ‘শেয়ারিং প্রসপারিটি বিগ-বি’ নামক একটি নতুন কৌশলগত সহযোগিতা কাঠামোয় উন্নীত করা হবে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বাংলাদেশকে ১৭ কোটি মানুষের একটি বিশাল ও তরুণ জনগোষ্ঠীর বাজার হিসেবে বর্ণনা করেন, যা জাপানের অর্থনীতির জন্য ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়াকে সংযুক্তকারী বাংলাদেশ জাপানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তাদের আলোচনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাকাইচি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই জাপান যে স্বীকৃতি দিয়েছিল, তার প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে জাপানের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জাপানকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি বিশেষ অংশীদার হিসেবে অভিহিত করেন। তাকাইচির ভাষ্যমতে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের প্রতি জাপানের অবিচল সমর্থনের কথা স্বীকার করেন। জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশ সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোগের মাধ্যমে তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। তিনি শীর্ষ সম্মেলনের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। তিনি লেখেন, “আমাদের দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ আওতায়—এবং আজ ঘোষিত ‘নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি’র আলোকে—আমরা সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোগের মাধ্যমে একসঙ্গে কাজ করবো।” তাকাইচি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে আমি প্রধানমন্ত্রী রহমানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবো।’ এই দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদার করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। উভয় নেতাই অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রতি তাদের অঙ্গীকারের ওপর জোর দিয়েছেন।

১৮ ঘন্টা আগে
দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাকে বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না: তথ্য উপদেষ্টা

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনাকে বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না: তথ্য উপদেষ্টা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে কোনো ধরনের গণপিটুনি বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না; বরং আইনি প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, দেশে ফিরলে তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইন অনুযায়ী যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করার কথা, সেটিই করা হবে।তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা ও জল্পনা চলছে। কখনো বলা হচ্ছে তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে ফিরবেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথা বলা হচ্ছে। এভাবে একই আলোচনা চলতে থাকবে। তবে তিনি দেশে ফিরলে সরকার খুশি হবে বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সে সময়ও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে।শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে কোনো ধরনের মব বা বেআইনি পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলে আশ্বস্ত করে জাহেদ উর রহমান বলেন, শেখ হাসিনা অন্যদের প্রতি ন্যায়বিচার করেননি, তবে বর্তমান সরকার তার ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে।

১৮ ঘন্টা আগে
২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এটি বাস্তবায়িত হবে বলে মনে করেন কি?

আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এটি বাস্তবায়িত হবে বলে মনে করেন কি?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ০ জন

বিদ্যুৎ খাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল আওয়ামী লীগ: রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের সুযোগ তৈরি করতেই আওয়ামী লীগ সরকার দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল। জবাবদিহিতা থাকায় বর্তমান সরকারের আমলে সেই সুযোগ নেই। গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিটি খাত ও প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ক্যাব যুব সংসদ আয়োজিত ‘রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও শৈলকুপা পৌরসভা এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইফলাইন গ্রাহক সমীক্ষা: ফলাফল ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক গণসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, দেশে শতভাগ বিদ্যুতের কথা বলা হলেও প্রত্যন্ত অঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আবার অনেক দরিদ্র পরিবার বিদ্যুৎ ভাগাভাগি করে ব্যবহার করে। তাই শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দিয়ে হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ করা কঠিন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণের ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে আয়োজকদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণার মাধ্যমে নতুন ধারণা ও প্রশ্ন উঠে আসা প্রয়োজন। কোনো পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত সত্য ধরে না নিয়ে তা যাচাই-বাছাই করা জরুরি। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে। এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও আগ্রহী। নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট চলছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহসহ সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই। দেশ এগিয়ে যাবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!
“
২ দিন আগে

রাশেদ খান
রাশেদ খান
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী

ট্রাম্পের প্রচারে নিল ইয়ংয়ের গান, গড়াল আদালত পর্যন্ত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক অ্যাকশন কমিটি ‘ট্রাম্প ৪৭ কমিটি ইনকরপোরেটেড’-এর বিরুদ্ধে ১ কোটি ডলারের মামলা করেছেন সংগীতশিল্পী নিল ইয়ং। সোমবার (২৬ অক্টোবর) করা মামলায় তাঁর অভিযোগ, মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচার সমাবেশে ট্রাম্পের মঞ্চে প্রবেশের সময় অনুমতি ছাড়াই বারবার তাঁর ‘রকিন’ ইন দ্য ফ্রি ওয়ার্ল্ড’ (Rockin’ in the Free World) গানটি বাজানো হয়েছে। এতে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।অনুমতি ছাড়া ট্রাম্পের প্রচারে নিজের গান ব্যবহারের অভিযোগে এটি নিল ইয়ংয়ের দ্বিতীয় মামলা। এর আগে ২০২০ সালেও একই ধরনের অভিযোগে মামলা করেছিলেন তিনি। পরে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়। তবে নতুন মামলায় ইয়ংয়ের দাবি, আগের সমঝোতার শর্ত ভেঙে আবারও তাঁর গান ব্যবহার করা হচ্ছে।নিল ইয়ংয়ের মতে, গানটির বক্তব্য ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ১৯৮৯ সালে প্রকাশিত এই গানটি মূলত একটি প্রতিবাদী সংগীত। এতে মার্কিন রাজনীতির প্রতিশ্রুতির সঙ্গে দরিদ্র, গৃহহীন ও সমাজের অবহেলিত মানুষের বাস্তব জীবনের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গানটির কথায় রাস্তায় বেঁচে থাকা মানুষের জীবনের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, ‘সংক্ষেপে, গানটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প যা কিছুর প্রতিনিধিত্ব করেন, তার সম্পূর্ণ বিপরীত।’ ভ্যারাইটি জানিয়েছে, সোমবার ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন জেলা আদালতে ট্রাম্প ৪৭ কমিটির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ইয়ং। মামলায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১২ অক্টোবর ওহাইওর ইয়ংস্টাউনে ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে গানটি বাজানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিযোগ করা হয়েছে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত অন্যান্য সমাবেশেও গানটির রেকর্ডিং ‘অসংখ্যবার’ বাজানো হয়েছে। ইয়ংয়ের আইনজীবীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জনসমক্ষে গানটির আরও ব্যবহার বন্ধে আদালতের নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন। পাশাপাশি ইতিমধ্যে গানটি ব্যবহারের জন্য ১ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন তাঁরা। মামলায় বলা হয়েছে, ‘ট্রাম্প এখন এবং চলতি বছরের সব সমাবেশের সময় ব্যক্তিগতভাবে জানতেন যে সমাবেশে গানটি বাজানোর জন্য লাইসেন্স প্রয়োজন। তিনি এটাও জানতেন যে ইয়ং সেই প্রয়োজনীয় লাইসেন্স দেননি এবং দিতেও রাজি হবেন না।’ সূত্র: ভ্যারাইটি

বারবার প্রস্রাবের সংক্রমণ? কিডনির সুস্থতায় ৩ যোগাসন

মূত্রনালির সংক্রমণ হলে বারবার প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ কিংবা তলপেটে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেকেই দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখেন, আবার কেউ কেউ পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। এসব অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কিডনির সুস্থতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান, সময়মতো প্রস্রাব করা এবং পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি জীবনযাপনে যত্ন নেওয়া জরুরি। যোগাসন শরীরচর্চার একটি উপায়। নিয়মিত যোগাভ্যাস শরীরের নমনীয়তা ও সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক করে। তবে মনে রাখা দরকার, কোনও যোগাসনই মূত্রনালির সংক্রমণ সারানোর বা কিডনিতে পাথর হওয়া প্রতিরোধের নিশ্চিত উপায় নয়। এ ধরনের সমস্যা কমাতে দৈনন্দিন অভ্যাসের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই আসনটি করতে প্রথমে ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা সোজা রাখুন এবং হাত শরীরের দুপাশে রাখুন। এরপর পা দুটি মুড়ে পদ্মাসনের ভঙ্গি তৈরি করুন। ডান পা বাঁ ঊরুর উপর এবং বাঁ পা ডান ঊরুর উপর রাখুন। ধীরে ধীরে পিঠ সামান্য তুলে শরীরকে ধনুকের মতো বাঁকানোর চেষ্টা করুন। স্বাচ্ছন্দ্য থাকলে হাত দিয়ে পায়ের বুড়ো আঙুল ধরতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। ঘাড়, পিঠ বা হাঁটুতে অস্বস্তি হলে জোর করে এই ভঙ্গি করবেন না। বিপরীত নমস্কার বদ্ধ কোণাসন ম্যাটের উপর পিঠ সোজা করে বসুন। দুই হাঁটু ভাঁজ করে পায়ের পাতা পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। এরপর দুই হাত পিঠের পিছনে নিয়ে গিয়ে নমস্কারের ভঙ্গি করার চেষ্টা করুন। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে শরীর সামনের দিকে ঝোঁকাতে পারেন, তবে যতটা সম্ভব স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখুন। মাথা মাটিতে ঠেকানোর জন্য জোর করবেন না। এই ভঙ্গিতে অসুবিধা হলে সোজা হয়ে বসে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়াই ভালো। পিঠ, হাঁটু বা কাঁধে সমস্যা থাকলে আগে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। নৌকাসন করতে প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের উপরের অংশ ও পা মাটি থেকে তুলুন। হাত সামনের দিকে বাড়িয়ে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করুন। শরীরের ভঙ্গি নৌকার মতো হলে কয়েক সেকেন্ড থাকুন। তারপর ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। শুরুতে অল্প সময় ধরে অভ্যাস করুন এবং শরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী সময় বাড়ান। কোমর বা পিঠে ব্যথা থাকলে এই আসন করার আগে চিকিৎসক বা প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিন। মূত্রনালির সংক্রমণ ও কিডনির পাথর এড়াতে কী করবেন? পর্যাপ্ত পানি পান করুন, দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব চেপে রাখবেন না এবং শৌচাগার ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। তবে কতটা পানি পান করা প্রয়োজন, তা ব্যক্তিভেদে আলাদা হতে পারে। বিশেষ করে কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে যাদের পানি পানের পরিমাণ সীমিত রাখতে বলা হয়েছে, তারা চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলুন। মূত্রনালির সংক্রমণ বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সংক্রমণ সাধারণত নিজে থেকেই কিডনিতে পাথর তৈরি করে না। তবে কিছু নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ পাথর তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাব, জ্বর, কাঁপুনি, কোমর বা পিঠের এক পাশে ব্যথা কিংবা প্রস্রাবে রক্ত দেখা দিলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা বা বমি হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

তানজিন তিশাকে এবার আইনি নোটিশ, আপত্তিকর ছবি-ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ

তানজিন তিশাকে এবার আইনি নোটিশ, আপত্তিকর ছবি-ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ

ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরীর বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ভেরিফাইড পেজে ছড়ানোর অভিযোগে তানজিন তিশাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সানায়া আনামের পক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) এ নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট শুভ্র সিনহা রনি। বিষয়টি নিশ্চিত করে শুভ্র সিনহা রনি বলেন, ‘দুই দিনের মধ্যে ছবি ও ভুল তথ্য না সরানো হলে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।’  এদিকে নোটিশে বলা হয়, সানায়া আনাম ঢাকার সিএমএম আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছেন এবং মামলাগুলো চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার তানজীন তিশা তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ ‘Tanjin Tisha’ নামক পেজ থেকে সানায়া আনামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন। এছাড়া তিনি দেশের গণমাধ্যমকেও বিভিন্ন তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন। এছাড়া তানজিন তিশা গত বছরের ৭ নভেম্বর তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে সানায়া আনামকে ভাইরালের হুমকি দেন। সেখানে বলেন, ‘ফেমাস হইলে বইলো, আমি তোমার ছবি আপলোড করে দিবো নে।’ এরই ধারাবাহিকতায় তানজিন তিশা সানায়া আনামের ছবি  ফেইসবুকে আপলোড দিয়ে তার সম্মানহানির ঘটনায় লিপ্ত রয়েছেন বলে নোটিশে বলা হয়।  আরও বলা হয়, তানজীন তিশা পোস্টে ‘এই দুজন এক কেন? এই দুই বোনের মিলিত হয়ে ঘৃণা কেন’ মর্মে লেখা লিখেছেন। বাস্তবিকপক্ষে তারা বোন নয়। তানজীন তিশা সানায়া আনামকে অপর আরেকজনের বোন বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব জায়গায় ভুলভাবে উপস্থাপন করছেন। প্রকৃতপক্ষে সানায়া আনাম একজন ফ্যাশন ডিজাইনার ও অপরজন একজন নারী উদ্যেক্তা। সেই হিসেবে তাদের মধ্যে পরিচয় রয়েছে। তানজিন তিশা  এই সম্পর্ককে নেতিবাচক হিসেবে ব্যবহার করে সানায়া আনামের মানহানি ঘটিয়ে যাচ্ছেন বলে নোটিশে উল্লেখ করে বলা হয়। তানজিন তিশা পোস্টে দুইজন মাইনরের ছবি প্রকাশ করেছেন। এগুলো ছবি প্রকাশের ক্ষেত্রে তিনি অনুমতিও নেননি, যা সাইবার সুরক্ষা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।  আইনি নোটিশ পাওয়ার দুই দিনের মধ্যে তানজিন তিশাকে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে সানায়া আনামের সব ছবি ও লেখা সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। ভবিষ্যতে সানায়া আনামের কোনও ছবি তার ফেসবুক পেজে প্রকাশ না করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তানজিন তিশার বিরুদ্ধে আর্থিক মানহানি এবং সাইবার ট্রাইব্যুনালসহ যেকোনও আদালতে আইনি প্রতিকার নিতে বাধ্য হবেন মর্মে আইনি নোটিশে বলা হয়েছে। 

Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream