যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন, তার নাম সংসদেই জানিয়ে দেওয়া হবে: সিইসি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর জাতীয় সংসদেই সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচনি কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন।বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর সময় তিনি এ কথা জানান।সিইসি বলেন, ভোট প্রদান ও ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকতে পারবেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে তিনি সব সদস্যের সহযোগিতাও কামনা করেন।স্বাগত বক্তব্যে এ এম এম নাসির উদ্দিন জানান, সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।ভোট দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কেও সংসদ সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ব্যালট গ্রহণের সময় সদস্যরা পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। এরপর ব্যালটে দুই প্রার্থীর নাম ঠিকভাবে উল্লেখ রয়েছে কি না, তা যাচাই করে ভোট প্রদান করতে হবে।ভোটগ্রহণ শেষ হলে ব্যালট গণনা করা হবে। গণনা শেষে যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশি ভোট পাবেন, তার নাম জাতীয় সংসদেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে জানান সিইসি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।এ নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।রাষ্ট্রপতি পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ।১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের পর সে বছরই সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি। প্রায় সাড়ে তিন দশক পর আবারও ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নির্বাচন সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং এই নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনি কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে তারা আশাবাদী।
ভোট দেবেন মির্জা ফখরুল, সংসদ কক্ষে ঢুকতে পারবেন না অলি
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দেশে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ সংসদ সদস্য না হওয়ায় তিনি ভোট দিতে তো পারবেনই না, ভোটকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত সংসদ কক্ষেও প্রবেশ করতে পারবেন না।দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য এ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রয়েছেন ৫০ জন। অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে অবস্থান করায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস ভোটে অংশ নিতে পারবেন না।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করতে একজন প্রার্থীকে অন্তত ১৭৫ ভোট পেতে হবে। সংসদে বিএনপির রয়েছে ২৪৭ জন সদস্য। দলটির সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণ অধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনেরও একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন।অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য সংখ্যা ৯০। এর মধ্যে জামায়াতের ৭৭ জন, জাগপার সমর্থনে নির্বাচিত একজন সংরক্ষিত নারী সদস্য, জাতীয় নাগরিক পার্টির আটজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন এবং খেলাফত মজলিসের একজন সদস্য রয়েছেন।ভোট গ্রহণের শুরুতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনরত স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর ভোট দেওয়ার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন। এরপর ভোট গ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ থাকবে। ভোট গণনার সময় আবারও সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে।এ নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। সংসদের নিয়মিত অধিবেশন না থাকায় ভোটের জন্য বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে সভাপতিত্বের পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।ভোটের জন্য নির্ধারিত পদ্ধতিও আলাদা। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ব্যালট গ্রহণ করবেন। ব্যালট পেপারের নির্ধারিত অংশে পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করার পর পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে একইভাবে নাম ও স্বাক্ষর দিতে হবে।রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালও সংসদ সদস্য হিসেবে ভোট দিতে পারবেন। তাদের জন্য সংসদ কক্ষে পৃথক আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।মির্জা ফখরুল নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যাবে। তবে অলি আহমদ সংসদ সদস্য না হওয়ায় শুরু থেকেই তিনি ভোটার তালিকার বাইরে রয়েছেন।গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ৬ আগস্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নজির ছিল একবারই। সে সময় বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এরপরের সাতটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি।এবার দুই পক্ষের প্রার্থী থাকায় প্রায় সাড়ে তিন দশক পর আবারও ভোটের লড়াইয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর সেই লড়াইয়ে একজন প্রার্থী ভোট দেবেন নিজেই, অন্যজন থাকবেন ভোটকেন্দ্রের বাইরেই।
মন্ত্রিসভায় নতুন দুই মুখ, কাল প্রজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা না থাকলেও নতুন করে দুই সংসদ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের এমপি মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন। তাদের মধ্যে সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অথবা নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের আগে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২২ আগস্ট নতুন দুই সদস্য রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিতে পারেন।এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ১ জুন পদত্যাগ করেন। এরপর থেকেই পদটি পূরণের জন্য নতুন মন্ত্রীর নাম নিয়ে আলোচনা চলছিল। বর্তমানে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রণালয়টির দায়িত্ব পালন করছেন।অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে গাইবান্ধা-৪ আসন থেকে জয় পান শামীম কায়সার লিংকন। নির্বাচনে তিনি ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়েছিলেন। কয়েক দিন ধরে তাঁকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা চলছে।তবে মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সাচিং প্রু জেরী বিষয়টি সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনও এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানিয়েছেন।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৫০। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। নতুন দুই সদস্য যুক্ত হলে মন্ত্রিসভার আকার আরও বাড়বে।এদিকে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলটির মনোনীত প্রার্থী। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাঁর জয়ের সম্ভাবনা বেশি বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।নতুন রাষ্ট্রপতির শপথকে সামনে রেখে বঙ্গভবনেও প্রস্তুতি চলছে। তবে শপথের তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করা হয়নি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
র্যাব কাগজেই বিলুপ্ত, থাকছে নতুন নামে। এর সাথে কি আপনি একমত?
নারীদের জন্য বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ নামল ঢাকার সড়কে
নারীদের জন্য বিআরটিসির ‘পিংক বাস’ নামল ঢাকার সড়কে
ফজলুল হক মুসলিম হলে সংঘর্ষের সিসিটিভি ফুটেজের কপি নিয়ে টালবাহানা
খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে অন্ধ শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্রেইল কোরআন উপহার ছাত্রদলের
গণঅধিকার পরিষদের হাম'লা'কারীদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম আমির হামজার
গৃহবধূ থেকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ,বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন
'সরকার নিরাপত্তা না দিলে এক সপ্তাহের মধ্যে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যাবে': ফাহিম ফারুক
আওয়ামী লীগ ও আগস্ট: শুধুই কাকতালীয় নাকি রাজনৈতিক অভিশাপ?