মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন। অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসা। প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ভিসা জানিয়েছে, দেশের আরও বেশি ব্যাংক হিসাবধারীকে কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে তারা আগ্রহী।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, দ্রুত ও ব্যবহারবান্ধব করার বিষয়েও ভিসার আগ্রহের কথা জানানো হয়।নিত্যদিনের লেনদেনকে আরও সহজ করতে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা, এক্সপ্রেসওয়ে এবং অন্যান্য সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনাও বৈঠকে উঠে আসে।এ ছাড়া বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে ভিসার ভূমিকা রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিদেশে কাজ করা বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় নিরাপদ ও সহজ উপায়ে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরির প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়।বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভিসার একটি প্রযুক্তি উন্নয়ন কেন্দ্র কিংবা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিকে আহ্বান জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তিখাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সময়ে ৫৮টি মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। নিয়াজ মেহেদী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৪৩ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ ৭১ জন, মতিঝিল বিভাগ ৫৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৫০ জন, মিরপুর বিভাগ ১২৪ জন, গুলশান বিভাগ ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৮ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ৩ জন এবং সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনআরও পড়ুনরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ১টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইল, ২টি গ্যাস লাইট, ৬টি ফয়েল পেপার, নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা, ৫টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু, ৬ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৬৯৫৬ পিস ইয়াবা এবং ৩০ বোতল এস্কাফ সিরাপ (ফেন্সিডিল) উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান নিয়াজ মেহেদী।

এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে ভঙ্গুর বাংলাদেশ এখন পুনর্গঠনের সময় এসেছে।আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসন বাংলাদেশকে একটি ঋণ নির্ভর ও আমদানি নির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল ক্ষেত্রে ভঙ্গুর এই রাষ্ট্রটি এবার পুনর্গঠনের পালা। দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রা পথে এসডিজি’র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।তিনি আরও বলেন, এরই অংশ হিসেবে জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অবকাঠামো দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি’র সঙ্গে সমন্বিত করেছে।টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিএনপির জননীতি’র দিকে লক্ষ্য করলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে সব সময় বিএনপির সকল পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি জনবান্ধব।তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের উন্নয়নে- স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯-দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা। ঐতিহাসিকভাবে প্রতিটিই মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (এমডিজি) কিংবা বর্তমানের সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) ভিশন ও মিশনের সঙ্গে খুব বেশি অমিল নেই।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলছে। আপনারা লক্ষ্য করবেন, এসডিজি’র প্রতিপাদ্য ‘নো ওয়ান লিভ বিহাইন্ড’ কিংবা ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ মূলনীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে।তিনি বলেন, সকল শ্রেণি পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহীত ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ'র মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন এসডিজি’র এই মূল অগ্রাধিকারগুলোই প্রতিফলিত হয়েছে।তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সুসংহত করতে বর্তমান সরকার ‘পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন বা রিকোভারি-রিহ্যাবিলিটেশন-রিকন্সট্রাকশন এই থ্রি-আর কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত রূপান্তর- সবকিছুই একটি সুসংহত নকশায় বাস্তবায়িত হবে।

মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের কৃষক আটক: জবাবে ২ ভারতীয়কে ধরে আনে গ্রামবাসী

মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের কৃষক আটক: জবাবে ২ ভারতীয়কে ধরে আনে গ্রামবাসী

মেহেরপুরে ইছাখালী সীমান্তে আবদুল মান্নান (৭০) নামের এক বাংলাদেশি কৃষককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে যাওয়ার পর, সীমান্ত এলাকায় অবস্থানরত দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরবর্তীতে বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে উভয় পক্ষ নাগরিক হস্তান্তরের মাধ্যমে পরিস্থিতির সুরাহা করে।আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল আটটার দিকে ইছাখালী সীমান্তে নিজ জমিতে কাঁচা মরিচের খেতে কীটনাশক ছিটাতে গেলে কৃষক আবদুল মান্নানকে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্ত এলাকা থেকে নারায়ণ দেব ও সচিন কর্মকার নামে দুই ভারতীয় কৃষককে আটক করে নিয়ে আসেন।দুপুর দুইটার দিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, বৈঠকের মাধ্যমে আবদুল মান্নানকে ফেরত আনা হয়েছে এবং গ্রামবাসীর আটকে রাখা দুই ভারতীয় নাগরিককেও বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।গতকাল সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের কাজিয়ার চর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের সময় আজিবর রহমান (২৩) নামের এক বাংলাদেশি তরুণকে আটক করেছে বিএসএফ।কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়নের (২২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, ওই তরুণকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

৪৪ মিনিট আগে
যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি

যেভাবে প্রকাশ্য ভোটে নির্বাচিত হবেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি ও ভোটগ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে সংসদ ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সাল কামাল। বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সর্বশেষ তথ্য ও ভোট দেওয়ার নিয়ম তুলে ধরেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সাধারণ নির্বাচনের মতো গোপন ব্যালটে হবে না। সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্য পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে প্রত্যেক এমপির ভোটের সংখ্যা হবে একটি। ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় সংখ্যক ব্যালট পেপার প্রস্তুত করবে। প্রতিটি ব্যালট পেপারে থাকবে দুটি আলাদা অংশ কাউন্টার ফয়েল ও আউটার ফয়েল। কাউন্টার ফয়েলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম এবং তার নির্ধারিত বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত থাকবে। সেখানে ভোটারের স্বাক্ষরের জন্যও নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে। অন্যদিকে আউটার ফয়েলে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম আদ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে আলাদা ঘরে ছাপানো থাকবে। প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে ভোট দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট স্থান থাকবে। একই অংশে ভোটারের বিভক্তি নম্বরও উল্লেখ থাকবে। ভোট দেওয়ার সময় প্রথমে সংসদ সদস্যকে নিজের নির্ধারিত ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েলে স্বাক্ষর করতে হবে। এরপর ব্যালটের আউটার ফয়েলে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্দিষ্ট স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হবে। স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যালট পেপারটি নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, এ নির্বাচনে সাধারণ গোপন ভোটের মতো ব্যালটে কোনো টিক চিহ্ন বা সিল ব্যবহার করা হবে না। সংসদ সদস্য যে প্রার্থীকে ভোট দেবেন, তার নামের পাশে নিজের নাম লিখে স্বাক্ষর করবেন। ফলে ভোটটি কার দেওয়া এবং কোন প্রার্থীকে দেওয়া হয়েছে, তা স্বাক্ষরের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনে ‘বিভক্তি নম্বর’-এরও নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে যে নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হয়, সেটিই তার বিভক্তি নম্বর। আর ব্যালট পেপারের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়ি বাদ দিলে যে অংশ অবশিষ্ট থাকে, সেটিকে আউটার ফয়েল বলা হয়। এই নিয়মেই সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

১ ঘন্টা আগে
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় প্রস্তুত সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। অ্যামচেম বাংলাদেশের পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল আট সদস্যের এই প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন। অ্যামচেম প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, প্রায় দুই মাস আগে সংগঠনটির নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। নতুন কমিটি বাংলাদেশে আরও মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। আগ্রহী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

১ ঘন্টা আগে
গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়।জানা গেছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেবে সংসদ সচিবালয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তার সংসদ সদস্য পদ বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম এগোবে।এর আগে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেয় জামায়াতে ইসলামী। গত ২৩ জুলাই দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ চিঠি দেন।সংসদ সচিবালয়ের চিঠির পর নির্বাচন কমিশন যদি সাতক্ষীরা-৪ আসনকে শূন্য ঘোষণা করে, তাহলে বিষয়টি সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদ সদস্যদের এ বিষয়ে অবহিত করবেন।সরকারদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানান, জামায়াতের চিঠির পর সংসদ সচিবালয়ের দায়িত্ব হচ্ছে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো। ইসি তাদের সিদ্ধান্ত জানালে সাংবিধানিক ও সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে মূল প্রশ্ন উঠেছে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের পর। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য নিজ দলের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হওয়ার বিধান রয়েছে। অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছরের বেশি কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতার বিধান রয়েছে।তবে চিফ হুইপের বক্তব্য অনুযায়ী, গাজী নজরুল নিজে দল থেকে পদত্যাগ করেননি এবং সংসদে দলের বিপক্ষেও ভোট দেননি। একইভাবে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এখনো কোনো আদালতের রায় বা কারাদণ্ড হয়নি। ফলে সংবিধানের ওই দুই বিধান তার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রযোজ্য কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন।এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ব্যক্তিগত ভিডিওকে কেন্দ্র করে গাজী নজরুলকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। প্রথম দিকে জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী ভিডিওগুলো এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছিলেন।পরে গাজী নজরুল নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে দাবি করেন, ভিডিওতে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে তিনি মরিয়মকে বিয়ে করেন।জামায়াতের সাংগঠনিক তদন্তে নৈতিক স্খলনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী গাজী নজরুলকে বহিষ্কার করা হয়। গত ২২ জুলাই দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।৭৪ বছর বয়সী গাজী নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে এবার তৃতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে ১৯৯১ সালেও তিনি একই আসন থেকে সংসদ সদস্য হন। তিনি জামায়াতের সাতক্ষীরা জেলা আমির এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে পরবর্তী সাংবিধানিক ও সংসদীয় পদক্ষেপ।

৩ ঘন্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টায় শুরু হতে যাওয়া এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সভার বিষয়টি জানানো হয়েছে।এর আগে গত ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন।মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত।নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আজকের সভায় নির্বাচন পরিচালনা ও ভোটগ্রহণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

৩ ঘন্টা আগে
১৮০ দিনের কাজের হিসাব জনগণকে জানাবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

১৮০ দিনের কাজের হিসাব জনগণকে জানাবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১৮০ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম, অর্জন ও সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।তিনি জানান, ছয় মাসের এই সময়সীমা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই জনগণের সামনে সরকারের কাজের অগ্রগতি, সীমাবদ্ধতা এবং পরবর্তী পরিকল্পনা তুলে ধরতে পারেন।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তথ্য উপদেষ্টা।জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীদের সমন্বয়ে একটি কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বিস্তারিতভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তিনি নিজেও ওই কমিটির সদস্য।সরকারের রেল খাতের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণে কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রিক কমিউটার’ নামে নতুন এক জোড়া ট্রেন চালু হয়েছে।বাণিজ্য খাতের অগ্রগতি হিসেবে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। একইভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার ১ হাজার ৫৪টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে।স্থানীয় সরকার খাতের কার্যক্রম তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় দেশের প্রথম বায়ো-ড্রাইং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এটি চালু হলে বর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও বৃত্তাকার অর্থনীতির বিকাশে ভূমিকা রাখবে।সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পকেও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন জাহেদ উর রহমান।তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে গত ১০ মার্চ কর্মসূচিটির কার্যক্রম শুরু হয়। জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৭০ হাজার ৮৬১টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।তথ্য উপদেষ্টা জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে তথ্য সংগ্রহের পর আগামী ১০ অক্টোবর থেকে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, জনগণের সামনে সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম তুলে ধরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

৪ ঘন্টা আগে
সিলেটে নতুন করে হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস

সিলেটে নতুন করে হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস

সিলেটে হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। দীর্ঘ ১৪ মাস পর সিলেটে একজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হাম উপসর্গে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১৮ জনের হাম শনাক্ত এবং উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৯১ জন। একই সময়ে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে আরও চারজনের শরীরে। এক সঙ্গে তিন সংক্রামক রোগের প্রকোপে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সিলেটে বাড়ছে উদ্বেগ।রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম এবং শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।হামে একদিনে ৩ জনের মৃত্যু, শিশুর সাথে আছে তরুণীও সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগে হাম ও হাম উপসর্গে মারা গেছেন আরও তিন জন। মৃতদের মধ্যে সিলেট এমএজি ওসমানী  মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণবারী ৩ বছর ৮ মাস বয়সী মো. এহসানুল হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ১৮ বছর বয়সী বর্ণা রানী দাস বানিয়াচং উপজেলার এবং শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ৮ মাস বয়সী আয়ান সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, ৭ আগস্ট সিলেট বিভাগে ২ শিশুর মৃত্যু হলেও ৮ আগস্ট কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। এক দিন পর ৯ আগস্টের সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৫ জনে।মৃত ১২৫ জনের মধ্যে নিশ্চিত হাম ছিল ছয় জনের। বাকি ১১৯ জন মারা গেছেন হাম উপসর্গ নিয়ে। জেলা ভিত্তিক মৃতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সিলেটে ৪৪, হবিগঞ্জে ১৬, মৌলভীবাজারে ১৩ এবং সুনামগঞ্জে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১৮ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৯১ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৯১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী।চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৯ জন। এর মধ্যে সিলেটে ২৯১, হবিগঞ্জে ১০৩, মৌলভীবাজারে ১০২ এবং সুনামগঞ্জে ৩৩৫ জন শনাক্ত হয়েছেন। হবিগঞ্জের শনাক্তদের মধ্যে দু’জন রুবেলা আক্রান্ত।সিলেটের ডেপুটী সিভিল সার্জন ডা. জন্মে জয় শংকর দত্ত জানান, সিলেটে একজন করোনা রোগী শনাক্ত নিয়ে উদ্বেগের কিছু  নেই। তবে হামে মৃত্যুর বিষয়টি উদ্বেগজনক। বিশেষ করে প্রাপ্ত বয়স্কদের আক্রান্ত এবং মৃত্যুর বিষয়টি আরও উদ্বেগের বিষয়। হাম উপসর্গে যেসব শিশু মারা যাচ্ছে তাদের অনেকেই টিকা নেয়নি। টিকা ক্যাম্পেইন চলাকালে হয়তো স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের খুঁজে বের করতে পারেনি, নয়তো অভিভাবকরা টিকা দিতে আগ্রহ দেখায়নি। ডেঙ্গুর বিষয়টি নিয়ে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। সচেতনতা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঠেকানো সম্ভব।

৪ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসা। প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আগ্রহের কথা জানান।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।বৈঠকে বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। ভিসা জানিয়েছে, দেশের আরও বেশি ব্যাংক হিসাবধারীকে কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে তারা আগ্রহী।কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, দ্রুত ও ব্যবহারবান্ধব করার বিষয়েও ভিসার আগ্রহের কথা জানানো হয়।নিত্যদিনের লেনদেনকে আরও সহজ করতে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা, এক্সপ্রেসওয়ে এবং অন্যান্য সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনাও বৈঠকে উঠে আসে।এ ছাড়া বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে ভিসার ভূমিকা রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিদেশে কাজ করা বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের আয় নিরাপদ ও সহজ উপায়ে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো তৈরির প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়।বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভিসার একটি প্রযুক্তি উন্নয়ন কেন্দ্র কিংবা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপনের বিষয়েও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিকে আহ্বান জানানো হয়।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তিখাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে ডিজিটাল অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানসহ ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৪ ঘন্টা আগে
প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও তৎকালীন সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা—এমন দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।এ দাবির পক্ষে সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি ফোনালাপের রেকর্ড উপস্থাপন করেন প্রসিকিউশন। তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে শেখ হাসিনার কথোপকথনের ওই রেকর্ডটি ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক চলাকালে আদালতে তুলে ধরা হয়।রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ফোনালাপে আন্দোলনকারীদের মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেওয়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়।কথোপকথনের একপর্যায়ে শেখ হাসিনাকে দলীয় নেতাদের সংগঠিত করার পাশাপাশি প্রত্যেক এমপিকে নিজ নিজ এলাকায় সক্রিয় হওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়িত্ব নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় ‘সুরক্ষা’ নিশ্চিত করার কথাও উঠে আসে।ফোনালাপে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গও আসে। শেখ হাসিনা সেতু ভবনে আগুন দেওয়ার কথা উল্লেখ করে কয়েকটি এলাকায় র‌্যাব মোতায়েনের বিষয়ে কথা বলেন বলে দাবি করেছে প্রসিকিউশন।এ ছাড়া আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান শনাক্ত করার বিষয়েও কথোপকথনে নির্দেশনার উল্লেখ রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আন্দোলন দমনের পাশাপাশি পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তাও ওই আলোচনায় প্রতিফলিত হয়েছে।প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ফোনালাপের শেষাংশেও বিভিন্ন স্থানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনা যায় বলে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়।তবে ফোনালাপের রেকর্ডের সত্যতা, প্রেক্ষাপট এবং আইনগত গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আদালতের চূড়ান্ত মূল্যায়নই হবে এ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত এই ফোনালাপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

৫ ঘন্টা আগে
রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সময়ে ৫৮টি মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। নিয়াজ মেহেদী বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৪৩ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ ৭১ জন, মতিঝিল বিভাগ ৫৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৫০ জন, মিরপুর বিভাগ ১২৪ জন, গুলশান বিভাগ ৫৫ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৮ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ৩ জন এবং সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেফতার করে।আরও পড়ুনআরও পড়ুনরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা আজ। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে ১টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইল, ২টি গ্যাস লাইট, ৬টি ফয়েল পেপার, নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা, ৫টি ককটেল সাদৃশ্য বস্তু, ৬ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৬৯৫৬ পিস ইয়াবা এবং ৩০ বোতল এস্কাফ সিরাপ (ফেন্সিডিল) উদ্ধার করা হয়।  গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান নিয়াজ মেহেদী।

৬ ঘন্টা আগে
১১ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
সাকিব আল হাসান ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, তবে মানুষ হিসেবে তিনি ‘নষ্ট ও পচে যাওয়া’। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের এই মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

সাকিব আল হাসান ভালো খেলোয়াড় হতে পারেন, তবে মানুষ হিসেবে তিনি ‘নষ্ট ও পচে যাওয়া’। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের এই মন্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

'হেযবুত তওহীদ'কে নিষিদ্ধ চায় হেফাজতে ইসলাম

২০১৩ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আলোচিত ১৩ দফা দাবি পেশ করা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এবার বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে নতুন করে ৯ দফা দাবি পেশ করেছে। রাজনৈতিক ও কৌশলগত প্রেক্ষাপটে আগের বেশ কিছু দাবি থেকে সরে এসে সংগঠনটি এবার ৯ দফায় তাদের দাবি নির্দিষ্ট করেছে।গত রোববার সরকারি সফরে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার গমনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফটিকছড়ির ঐতিহাসিক আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় যান। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মহিবুল্লাহ বাবুনগরী। পরবর্তীতে শীর্ষ নেতাদের সাথে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৯ দফা সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।২০১৩ সালের আলোচিত ১৩ দফা দাবির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হেফাজত নিজেদের মূল্যায়নে বাদ দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কিছু বিষয়ে ‘আশ্বস্ত’ হয়ে তারা দাবি সংক্ষেপ করেছে। ৯ দফার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি নতুন দাবি হলো 'হেযবুত তওহীদ' নামের সংগঠনটিকে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা। হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী জানান, হিযবুত তাওহীদ ইসলামি আকীদাকে বিকৃত করছে এবং সমাজে বিভিন্ন ফিতনা ছড়াচ্ছে। তাদের তৎপরতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ হওয়ায় তাদের নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়েছে।

নামাজের সময়সূচী
লোডিং হচ্ছে...
লিংক কপি করা হয়েছে!
১৭ ঘন্টা আগে

ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান
আমির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
১৭ ঘন্টা আগে

ডা. জাহেদ উর রহমান
ডা. জাহেদ উর রহমান
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরীর অবৈধ সম্পদের উৎস সন্ধানে দুদকে আবেদন

বিলাসবহুল জীবনযাপন, বিতর্কিত মন্তব্য ও আয়ের উৎস নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে অভিনেত্রী ও মডেল স্নিগ্ধা চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আয়ের বৈধ উৎস অনুসন্ধানের দাবি জানিয়ে রবিবার (৯ আগস্ট) দুদক চেয়ারম্যান বরাবর আবেদনপত্র জমা দেন মিরপুরের এক বাসিন্দা। আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, দৃশ্যমান বড় কোনো আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও তিনি কোটি টাকার গাড়ি ব্যবহার ও অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। এ পর্যন্ত ‘রাস্তা’ ও ‘প্রেশার কুকার’ নামের দুটি চলচ্চিত্রে কাজ করলেও একটি এখনও মুক্তি পায়নি।অবৈধ কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার অভিযোগ: তার বিরুদ্ধে ব্লাকমেইল করে সম্পত্তি অর্জন ছাড়াও মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালান এবং একাধিক আন্তর্জাতিক শীর্ষ সন্ত্রাসীর সাথে সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।সম্প্রতি স্নিগ্ধা চৌধুরীর একটি ভিডিও বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তিনি দাবি করেন—তার দামি গাড়ি মিরপুর এলাকায় প্রবেশ করবে না, তার সাথে বডিগার্ড থাকে এবং তার বয়ফ্রেন্ড অত্যন্ত প্রভাবশালী।দুদকে জমা দেওয়া এই আবেদনের প্রেক্ষিতে সংস্থাটি কোনো পদক্ষেপ নেয় কি না, সেদিকেই এখন সবার নজর।

না খেয়ে থাকলে কি ওজন কমে? জেনে নিন

ওজন কমানোর আসল চাবিকাঠি হল সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস । সঠিক পরিমাণে প্রোটিন, ফাইবার এবং ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীর দীর্ঘক্ষণ তৃপ্ত থাকে। সেই সাথে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ স্মুদি রাখলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।  গবেষণায় দেখা গেছে, তুলনামূলকভাবে কম শর্করা ও বেশি প্রোটিনযুক্ত খাদ্য ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। তবে শুধুমাত্র স্মুদি খেলেই ওজন কমে যাবে, বিষয়টি এমন নয়। সুষম খাদ্য, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই -সবই ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সবুজ প্রোটিন স্মুদি উপকরণ:১ কাপ টাটকা পালং শাক, ১টি ছোট কলা,১ স্কুপ প্রোটিন পাউডার,১ কাপ ডাবের পানি  সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। চাইলে পালং শাক হালকা ভাপিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ ও ফাইবার রয়েছে। কলায় শরীরে পটাশিয়াম ও শক্তি জোগায়। অন্যদিকে ডাবের পানি ইলেক্ট্রোলাইটের ভালো উৎস। এই স্মুদি শরীরকে দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখতে সাহায্য করতে পারে। ১টি কলা, ১ টেবিল চামচ পিনাট বাটার,১ স্কুপ প্রোটিন পাউডার, ১ কাপ কাঠবাদামের দুধ। সব উপকরণ ব্লেন্ড করে পরিবেশন করুন। এই স্মুদিতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের ভালো সমন্বয় রয়েছে। শরীরচর্চার পরে বা সকালের নাশতায় এটি খাওয়া যেতে পারে। যাদের ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের জন্য কাঠবাদামের দুধ একটি ভালো বিকল্প। ১ কাপ ব্লুবেরি বা স্ট্রবেরি,১ কাপ কাঠবাদামের দুধ, ১ স্কুপ প্রোটিন পাউডার,১ টেবিল চামচ তিসির বীজ। সব উপকরণ একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। বেরিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও ফাইবার রয়েছে, যা শরীরের জন্য উপকারী। তিসির বীজে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এই স্মুদি সকাল বা বিকেলের স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। স্মুদি খাওয়ার সময় যা মনে রাখা জরুরি অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করা যাবে না প্রোটিন পাউডার ব্যবহার করলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো। স্মুদি কখনওই সারাদিনের একমাত্র খাবার হতে পারে না। পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ক্যালোরি নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ছাড়া শুধু স্মুদি খেয়ে ওজন কমানো সম্ভব নয়। 

আজকের আবহাওয়া
আবহাওয়া তথ্য লোড হচ্ছে...
--°
গড় তাপমাত্রা
--°
সর্বোচ্চ
--%
বৃষ্টির সম্ভাবনা
লোড হচ্ছে...
আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আপিল শুনানি চলছে

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আপিল শুনানি চলছে

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় সর্বোচ্চ আদালতে তৃতীয় দিনের মতো আপিল শুনানি চলছে। আজ ‎মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি চলছে। মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার গাজীপুর-২ আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এমএ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। ‎এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিচার চলাকালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন আসামি মারা যান। ‎নিম্ন আদালতের রায়ের পর ডেথ রেফারেন্স, জেল আপিল ও আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ১৫ জুন হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বিচারিক আদালতের রায় আংশিক পরিবর্তন করে ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখেন। এ ছাড়া সাতজনের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করা হয় এবং ১১ জন খালাস পান। ‎হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দীপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু (যিনি পরবর্তী সময়ে কাশিমপুর কারাগারে মারা যান), হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু। অন্যদিকে টিপু ও নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়। ‎যে সাতজন আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় তারা হলেন মো. আলী, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া রতন, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর, আবু সালাম ওরফে সালাম এবং মশিউর রহমান ওরফে মনু। ‎এ ছাড়া মৃত্যুদণ্ডের আদেশ থেকে খালাস পান আমির হোসেন, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন, লোকমান ও দুলাল মিয়া। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ থেকে খালাস পাওয়া চারজন হলেন মনির, রকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু, আইয়ুব আলী এবং জাহাঙ্গীর। পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !