সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

অব্যবহৃত জলাশয় কাজে লাগিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেব: প্রধানমন্ত্রী

দেশের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত পুকুর, বিল, হাওড়-বাঁওড়সহ বিভিন্ন জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে মাছ চাষের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও তরুণদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।রোববার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিস্তৃত জলাশয়কে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা গেলে মাছ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। দেশের যেসব পুকুর ও জলাশয় দীর্ঘদিন ধরে কোনো কাজে আসছে না, সেগুলো সংস্কার করে তরুণদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, মৎস্য খাত শুধু মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে না, গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ৫২টি দেশে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। মৎস্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ভবিষ্যতে এ খাতের অর্থনৈতিক অবদান আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।অনুষ্ঠানে দেশের সফল মৎস্য চাষি, উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে ২৪ জনকে স্বর্ণপদক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কার্প হ্যাচারিতে পোনা অবমুক্ত করেন এবং মাছ ধরার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এ শিক্ষার সব খরচ সরকার বহন করবে। পাশাপাশি ভালো ফলাফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।রোববার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে শিক্ষায় পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের উচ্চশিক্ষায় আরও বেশি সুযোগ তৈরি করতেই অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তিনি নারী শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্বে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।এ সময় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের প্রতিবছর নতুন বইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানান তিনি। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারের দায়িত্বে থাকা নারীদের পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঢাকা জানিয়েছে, সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত না হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন না।রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব একেএম শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি চায় বাংলাদেশ।এর মধ্যে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো এবং ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা জানান, এসব বিষয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য ইতোমধ্যে দিল্লিকে বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাওয়ার আগে এসব বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন অবস্থানের কথা জানানো হলো। ফলে সফরটি কবে এবং কোন প্রেক্ষাপটে হবে, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ঢাকা-দিল্লির আলোচনার অগ্রগতির ওপর।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।ফখরুলের নামে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ে একটি বৈধ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী অন্যটি বাতিল হয়ে গেছে। যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়। তার ক্ষেত্রেও দুটি মনোনয়নপত্রের একটি বৈধ এবং অন্যটি বাতিল হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৮ আগস্ট মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট হবে।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সংসদ সদস্যদের। তাদের প্রকাশ্য ভোটেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

আমাদেরকে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

আমাদেরকে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলে মন্তব্য করেছেন ফরিদপুর-২ আসনের সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আমাদের মেয়েদের শিক্ষাকে প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক করে উনি সকলের দ্বারেদ্বারে ঘরে ঘরে শিক্ষা ব্যবস্থা পৌঁছে দিয়েছিলেন। রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুলড্রেস, পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও জুতা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শামা ওবায়েদ বলেন, তার সুযোগ্য পুত্র ও উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে এই শিক্ষা আরও চার বছর বাড়িয়ে গ্রাজুয়েশন পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। আজকে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা গত ১৭ বছরে ধস নেমেছে। এই ধস শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে এই অর্থ বছরের বাজেটে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশের ইতিহাসে বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষাব্যবস্থায়।তিনি বলেন, বিএনপি সরকার যতবার ক্ষমতায় ছিল সব সময় শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শুধু প্রাথমিক শিক্ষা না মাধ্যমিক, কলেজসহ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তারা যেন বাংলাদেশের ভিতরে ও বিদেশে গিয়ে দক্ষ করিগর হিসেবে কাজ করতে পারে। এবং বাংলাদেশের ভিতরে কর্মসংস্থানের যেন সমস্যা না হয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের সন্তানদের যদি মানুষ করতে হয় ও তাদের সুন্দর একটি জীবন দিতে, তাহলে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে হবে। আমাদেরকে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি সন্তানদেরকে ঠিকমতো পড়া টেবিলে বসাতে হবে। যাতে তারা মানুষের মতো মানুষ হয়ে দেশ পরিচলনায় সহযোগিতা করতে পারে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার দবির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. শাহিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা- সালথা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ, সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওহিদুজ্জামান মোল্যা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. আছাদ মাতুব্বর, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহা: তাশেম উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আফরোজা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ, শাহিনুর রহমান, প্রচার সম্পাদক নাসির মাতুব্বর, যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাসুদ, হাসান আশরাফ, এনায়েত হোসন প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুলড্রেস, পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও জুতা বিতরণ করা হয়। 

৫ ঘন্টা আগে
অব্যবহৃত জলাশয় কাজে লাগিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেব: প্রধানমন্ত্রী

অব্যবহৃত জলাশয় কাজে লাগিয়ে তরুণদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেব: প্রধানমন্ত্রী

দেশের অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত পুকুর, বিল, হাওড়-বাঁওড়সহ বিভিন্ন জলাশয় সংস্কার করে তরুণদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে মাছ চাষের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও তরুণদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।রোববার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিস্তৃত জলাশয়কে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা গেলে মাছ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। দেশের যেসব পুকুর ও জলাশয় দীর্ঘদিন ধরে কোনো কাজে আসছে না, সেগুলো সংস্কার করে তরুণদের উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, মৎস্য খাত শুধু মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করছে না, গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয় বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ৫২টি দেশে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। মৎস্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে ভবিষ্যতে এ খাতের অর্থনৈতিক অবদান আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।অনুষ্ঠানে দেশের সফল মৎস্য চাষি, উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে ২৪ জনকে স্বর্ণপদক ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কার্প হ্যাচারিতে পোনা অবমুক্ত করেন এবং মাছ ধরার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

৬ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে ‘অনুকূল পরিবেশ’ চায় ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে সামনে রেখে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ। এ জন্য দিল্লির কাছে কয়েকটি বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা।রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম জানান, তারেক রহমানের সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ঢাকা ও নয়াদিল্লির কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে সম্প্রতি দিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্যের পর সফর আয়োজনের প্রক্রিয়ায় কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে।বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়েও সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা।এ ছাড়া ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজনদের বাংলাদেশে ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তুলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত মার্চে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে এ ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।মুখপাত্র বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ প্রয়োজন। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে বাংলাদেশ এসব বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

৯ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দিল্লির কাছে চার শর্ত বাংলাদেশের

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দিল্লির কাছে চার শর্ত বাংলাদেশের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরের আগে ভারতকে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো  প্রত্যর্পণসহ চারটি শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে  রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে  এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে যোগাযোগ চলছিল। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মিডিয়া ইন্টারঅ্যাকশনের কারণে সফর আয়োজনের প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য উপযুক্ত ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে শেখ হাসিনা ও অন্যান্য পলাতক দণ্ডিত আসামিদের প্রত্যর্পণের অনুরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ভারতকে আহ্বান জানানো হয়েছে।পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার অভিযুক্তদেরও বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা। এ বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করবে সরকার।

১০ ঘন্টা আগে
নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

নারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এ শিক্ষার সব খরচ সরকার বহন করবে। পাশাপাশি ভালো ফলাফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।রোববার কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে শিক্ষায় পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই নারীদের উচ্চশিক্ষায় আরও বেশি সুযোগ তৈরি করতেই অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তিনি নারী শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্বে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।এ সময় প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যও সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের প্রতিবছর নতুন বইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেস ও স্কুল ব্যাগ দেওয়ার উদ্যোগের কথা জানান তিনি। প্রায় এক কোটি ২০ লাখ শিশুকে এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারের দায়িত্বে থাকা নারীদের পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে এ কার্ড পৌঁছে দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

১১ ঘন্টা আগে
অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী

অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর করবেন না প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঢাকা জানিয়েছে, সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত না হলে প্রধানমন্ত্রী ভারত যাবেন না।রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব একেএম শহীদুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি চায় বাংলাদেশ।এর মধ্যে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো এবং ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তসহ অন্যান্য পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা জানান, এসব বিষয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য ইতোমধ্যে দিল্লিকে বার্তা দিয়েছে ঢাকা। বাংলাদেশের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাওয়ার আগে এসব বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন অবস্থানের কথা জানানো হলো। ফলে সফরটি কবে এবং কোন প্রেক্ষাপটে হবে, তা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে ঢাকা-দিল্লির আলোচনার অগ্রগতির ওপর।

১১ ঘন্টা আগে
নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে স্কেল এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে। যেকোনো সময় নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।মুখ্য সচিব বলেন, মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য পে স্কেলের খসড়া ইতোমধ্যে সচিব কমিটিতে নীতিগতভাবে চূড়ান্ত হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর নতুন বেতন কাঠামো না থাকায় প্রায় ১৮ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপে রয়েছেন। তাদের আর্থিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে নতুন পে স্কেল প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলেও জানান তিনি।প্রস্তাবিত কাঠামোতে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ রয়েছে। তবে সব গ্রেডে একই হারে বেতন না বাড়িয়ে তুলনামূলকভাবে নিচের গ্রেডের কর্মচারীদের বেশি সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।খসড়া অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হতে পারে। শুরুতে মূল বেতন বাড়ানোর পর পর্যায়ক্রমে ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয়ের কথা রয়েছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে এর আংশিক কার্যকর এবং ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে। তবে কত ধাপে এটি বাস্তবায়িত হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।এর আগে নবম পে কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছিল। এখন মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরই চূড়ান্ত বেতন কাঠামো ও বাস্তবায়নের সময়সূচি স্পষ্ট হবে।

১২ ঘন্টা আগে
পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে  আরও পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে আরও পর্যালোচনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি চাকরিজীবীদের নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে ফের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশমালার খসড়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও শেষ মুহূর্তে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামো নিয়ে নতুন জটিলতা দেখা দিয়েছে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের অধীনে থাকা ব্যক্তিরা মূল বেতনের সমান ভাতা দাবি করায় গেজেট প্রকাশের আগে বিষয়টি আরও পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এর ফলে নবম পে-স্কেলের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরও একবার অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নতুন এই জটিলতার কারণে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫-এর প্রতিবেদন নিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের পর্যালোচনা শুরু করতে যাচ্ছে অর্থ বিভাগ। অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী এক অনির্ধারিত বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে নবম পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি ও বিভিন্ন খাতের বেতন কাঠামোর ভারসাম্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কমিশনের প্রতিবেদন এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসের দাবিগুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার নির্দেশনা দিয়েছেন। বেতন কাঠামোতে কোথাও কোনো বৈষম্য বা অসংগতি থাকলে তা দ্রুত নিরসন করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক সংকট এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পে-স্কেলের সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে এর বাস্তবায়ন আরও কিছুটা পেছানো যায় কি না, সে চিন্তাও করছে সরকার। জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামো পর্যালোচনার জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি শিগগিরই বৈঠকে বসবে। এর আগে ১২ আগস্ট একটি বৈঠক ডাকা হলেও কমিটির সদস্যদের অনুপস্থিতির কারণে তা অনুষ্ঠিত হয়নি। জানা গেছে, কমিটির প্রথম বৈঠকে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এবং এর গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে বিচারকদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত কত অর্থের প্রয়োজন এবং তা কোন পদ্ধতিতে দেওয়া সম্ভব এসব বিষয় পর্যালোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পাবে। এদিকে, গত ১২ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটি জাতীয় বেতন কমিশন, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে একটি নতুন প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। ওই প্রস্তাবে গ্রেডভেদে মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। প্রস্তাবে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি হারে বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া নতুন বেতন কাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে প্রথম ধাপে শুধু মূল বেতন এবং পরের বছর বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। ২০১৫ সালে সর্বশেষ অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়লেও নতুন কোনো বেতন কাঠামো দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নবম পে-স্কেল ঘোষণার উদ্যোগ নেওয়া হলেও আর্থিক সক্ষমতা এবং বিভিন্ন খাতের দাবির সমন্বয়ে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছে এই প্রক্রিয়া।

১৩ ঘন্টা আগে
কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। রোববার সকাল ৯:১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে তিনি রওনা হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আচমিতা ইউনিয়নে জর্জ ইনস্টিটিউট মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এসব কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।’ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর কিশোরগঞ্জে এটি তারেক রহমানের প্রথম সফর। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বিতরণ ও স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি কটিয়াদী কার্ড হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন। বেলা ১টায় তিনি আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশনের মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জাতীয় মৎস্য পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিকেল সোয়া ৩টায় কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী পুরোনো কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে যাবেন। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদরিসহ বিভিন্ন ধর্মের প্রতিনিধিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

১৩ ঘন্টা আগে
লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

 লোডশেডিংয়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সব ঠিক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যে গ্যাস-সংকট কেটে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। আর তখন বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দোয়া-মোনাজাত ও দরিদ্রদের মাঝে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে “গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে”; এগুলো হঠকারিতা। তাদের বন্ধুরাই ক্ষমতায় ছিল, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এলএনজি টার্মিনাল বসানো বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার দেশে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানানোর চেষ্টা করছে, এ জন্য সময় লাগবে। সংকট সমাধানে সরকার চীন ও মালয়েশিয়ার সাথে কথা বলেছে।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান যদি বিরোধী দল দিতে পারে, সেগুলো সরকার গ্রহণ করবে। যদি না পারে, তাহলে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের। বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’ তারেক রহমান বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসনে আমাদের প্রতিনিধিরা জনগণের সেবায় কাজ করছেন। পাশের লেকটি পরিষ্কার করতে ছয় মাস সময় লাগে। এসব সহজ কাজ না। কিন্তু সমালোচনা করা সহজ। তাই যারা সমালোচনায় ব্যস্ত আছেন, তারা এখনই মাঠে নামুন। মানুষ এবং দেশের জন্য কাজ করুন, সঠিক কথা বলুন। দেশে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় এমন কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।’

১৫ আগস্ট ২০২৬
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে কি দুর্নীতি কমবে?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।ফখরুলের নামে দুটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ে একটি বৈধ হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী অন্যটি বাতিল হয়ে গেছে। যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন।এর আগে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়। তার ক্ষেত্রেও দুটি মনোনয়নপত্রের একটি বৈধ এবং অন্যটি বাতিল হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৮ আগস্ট মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট হবে।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সংসদ সদস্যদের। তাদের প্রকাশ্য ভোটেই দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

লিংক কপি করা হয়েছে!
৪ দিন আগে

অধ্যাপক আসিফ নজরুল
অধ্যাপক আসিফ নজরুল
সাবেক উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার

স্বাধীনতা দিবসে কলকাতার রাজপথে জয়া আহসান

বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান ভারতের চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সাধারণত অভিনয় ও কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাকে। তবে এবার এই অভিনেত্রী কলকাতার রাজপথে একটি মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। অন্যদের সঙ্গে মিছিলে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি গানেও কণ্ঠ মেলাতে দেখা যায় তাকে।পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের ডাকে আয়োজিত কর্মসূচিতে রাজনীতিক, নারী বিধায়ক, চলচ্চিত্র ও সংগীত অঙ্গনের তারকা এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে কলকাতায় নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত ওই মিছিলে অংশ নেন জয়া আহসান।জয়া আহসানের সঙ্গে মিছিলে সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী, পৌষালী অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষালসহ আরও অনেকে এ সময় তাদের ‘কারার ঐ লৌহ কপাট’ গানে কণ্ঠ মেলাতেও দেখা যায়।মিছিলের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জয়া আহসানের অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে তিনি কলকাতার এমন কর্মসূচিতে কেন অংশ নিলেন।তবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কলকাতার রাতের রাজপথ নারীদের জন্য আরও নিরাপদ করার দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জয়া আহসানও।জয়া আহসানের অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবেও দেখছেন অনেকে। নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে তারকাদের সঙ্গে রাজপথে নেমে আওয়াজ তোলায় তার প্রশংসা করেছেন তারা।

অতিরিক্ত চুল পড়া কি কোন বড় রোগ?

ঘরের মেঝেতে চুল পড়ে থাকতে দেখলে অনেকেই  শ্যাম্পু বদলানোর কথা ভাবেন। হ্যাঁ, এটা ভাবাটা স্বাভাবিক। কিন্তু কখনো কখনো চুল পড়া শুধু চুলের গোড়া কিংবা শ্যাম্পুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থাকে না। কখনো কখনো চুল পড়ার কারণ হতে পারে শরীরের দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ। শরীরে পুষ্টির অভাব, হরমোনের পরিবর্তন, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ কিংবা শারীরিক দুর্বলতা থাকলে চুল পড়ে যেতে পারে। তাই চুলের সঠিক যত্ন নেওয়ার পরও অতিরিক্ত চুল ঝরলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কোনো বিকল্প নেই। থাইরয়েডের সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, রক্তস্বল্পতা, অটোইমিউন রোগ, খুশকি এবং ভিটামিন ডি ও বি-১২ এর অভাবে চুল পড়তে পারে।বিশেষজ্ঞরা বলেন, হঠাৎ অতিরিক্ত চুল পড়া, চুলকানি, মাথার সিঁথি চওড়া হওয়া বা গোল ছোপ হয়ে চুল উঠে যাওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন পরিবর্তন, ব্রণ বা ঘন ঘন তৃষ্ণা পাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসক থাইরয়েড, ব্লাড সুগার ও রক্ত পরীক্ষা করে মূল রোগটি শনাক্ত করবেন। মূল রোগ নিয়ন্ত্রণে এনে চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখলে এবং খাদ্যে পর্যাপ্ত, ভিটামিন, প্রোটিন ও আয়রন রাখতে পারলে ঝরে যাওয়া চুল আবার স্বাভাবিকভাবে গজাতে পারে বলে জানান ডা. কাকলী হালদার। বেশ কিছু শারীরিক অবস্থার ক্ষেত্রে চুল পড়া উল্লেখযোগ্য প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। সেগুলোর মধ্যে আছে— ‘কম সক্রিয় এবং অতি সক্রিয়—উভয় ধরনের থাইরয়েডই চুল বৃদ্ধির চক্র ব্যাহত করতে পারে। থাইরয়েড বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে যখন এর ভারসাম্য নষ্ট হয়, তখন চুলের গোড়া স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সঠিক সংকেত পায় না। পাশাপাশি গোড়া দুর্বল হয়ে অতিরিক্ত চুল ঝরার কারণ হয়।’ ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। দুর্বল রক্ত​​সঞ্চালন এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতা মাথার ত্বকে রক্ত ​​প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে এবং চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া আরও সক্রিয় করে তুলতে পারে। এই অবস্থাগুলোর কোনোটিই শুরুতে খুব জোরালোভাবে প্রকাশ পায় না। চুল পড়া, ক্লান্তি বা ত্বকের সূক্ষ্ম পরিবর্তন প্রায়শই এর প্রাথমিক লক্ষণ হয়ে থাকে বলে জানান ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম। নারীদের শরীরে কিছু পরিমাণ অ্যান্ড্রোজেন হরমোন উৎপন্ন হয়। কিন্তু পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে আক্রান্ত নারীদের ক্ষেত্রে বেড়ে যাওয়ার কারণে মাথার ত্বকে চুল পাতলা হয়ে যায়। আবার কখনো কখনো শরীরের অন্য অংশে লোম বেড়ে যেতে পারে। ‘অ্যালোপেসিয়া বলতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি চুল পড়ে যাওয়া বা চুলের ঘনত্ব কমে যাওয়া বোঝায়। এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে এবং এর কারণও একেক ক্ষেত্রে একেক রকম। তাই অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক চুল পড়লে নিজে থেকে কোনো ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট শুরু না করে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।’ নিয়মিত খাবার খাওয়া সত্ত্বেও অনেকের শরীরে চুলের গোড়া বা ফলিকল যে পুষ্টির ওপর নির্ভরশীল, তার ঘাটতি থাকে। এর কারণ হতে পারে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের ঘাটতি, শরীরের পুষ্টি শোষণ করার ক্ষমতা না থাকা বা শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবারের জোগান দিতে না পারা। ‘ভিটামিন ডি, জিংক, বায়োটিন এবং প্রোটিন হলো চুল পড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত সাধারণ ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম।’ ইতি খন্দকার, ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট অ্যান্ড ডায়েট কনসালট্যান্ট, আর রাহা হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকস লিমিটেড। দুশ্চিন্তার বিষয় হলো, এই ঘাটতিগুলো খুব কম প্রাথমিক পর্যায়ে বোঝা যায়। রক্ত ​​পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধরা পড়ার আগে পর্যন্ত, চুল পড়া, ভঙ্গুর নখ বা কম শক্তি হতে পারে একমাত্র লক্ষণ। চুল পড়াকে শুধু বংশগত বা মানসিক চাপের ফল বলে ধরে নেওয়ার আগে বিষয়টি মনে রাখা উচিত। তাই সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ দেন ইতি খন্দকার। বৃদ্ধির চক্র দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শুধু মেজাজকেই প্রভাবিত করে না, এটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে কর্টিসলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কর্টিসলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া চুলের গোড়াকে একটি বিশ্রাম পর্বে ঠেলে দিতে পারে। একে টেলোজেন এফ্লুভিয়াম বলা হয়। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে কোনো চাপপূর্ণ ঘটনা বা দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের দুই থেকে তিন মাস পরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে চুল ঝরে পড়ে। এই বিলম্বই বেশির ভাগ মানুষকে বিভ্রান্ত করে। চুল পড়া শুরু হতে হতে, মানসিক চাপের সময়টা হয়তো শেষ হয়ে যায়, তাই এর মধ্যকার যোগসূত্রটি স্পষ্ট হয় না। এ ক্ষেত্রে চুল পড়াটা একটি বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া। ‘কর্টিসল হরমোন নিঃসরণ বেড়ে গেলে তা চুলের ফলিকলে আঘাত করে। এ ছাড়া চুলের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরিতে বাধা দেয়। এর কারণে প্রচুর চুল পড়তে পারে।’ চুল পড়ার মূল কারণ যদি থাইরয়েডের সমস্যা হয়, তাহলে কোনো বাহ্যিক চিকিৎসা তা উল্লেখযোগ্যভাবে বন্ধ করতে পারবে না। যদি এটি আয়রনের অভাবে হয়, তাহলে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চুল পুনরুদ্ধার হবে না। একইভাবে চুল পড়ার কারণ যদি হরমোনজনিত, অপুষ্টিজনিত বা মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে প্রথমে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। এতে চুল ঝরা কমবে।

নোয়াখালীতে ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নোয়াখালীতে ‘ট্রিপল মার্ডার’ মামলায় ৩ জনের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন

নোয়াখালী সদর উপজেলার আলোচিত ট্রিপল মার্ডার মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ওমর নাসির সাজু (৩২), ওমর শরীফ সুলতান (২৫) এবং নোয়াখালী পৌরসভা এলাকার মো. সৌরভ (২৭)। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার ফিরোজ মাহমুদ বাপ্পী (২৭), কুদরত উল্যাহ (৬৫) ও হারুনুর রশীদ বাবুল (৪৫)।মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২১ মে দুপুরে নোয়াখালী সরকারি কলেজের হোস্টেলের পুকুরে কুকুরকে গোসল করানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে শালিসি বৈঠক বসে। পরে পূর্বপরিকল্পিত হামলায় গুলিতে ওয়াসিম, রাজিব ও ইয়াছিন নিহত হন। এ ঘটনায় নিহত রাজিবের স্ত্রী সুধারাম থানায় হত্যা মামলা করেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream