শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM
সর্বশেষ

ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় আগামীকাল শনিবার থেকে সারা দেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’। আগামীকাল সকাল ৯ টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

দেশকে এগিয়ে নিতে বরিশাল অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে: চিফ হুইপ

সাগর, নদী, মাছ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদসহ নানা প্রাকৃতিক সম্পদে বরিশাল অঞ্চল সমৃদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, ‘বলতে গেলে আমরা ডায়মন্ড খনির ওপর বসে আছি।’শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ), ঢাকা আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চিফ হুইপ বলেন, দীর্ঘদিন অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও বরিশাল অঞ্চলে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এ সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।তিনি বলেন, বরিশালের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে আছে। অথচ সাগর, নদী ও পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে এ অঞ্চলে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এখনো বরিশালে পর্যাপ্ত শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠেনি। পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হলে এখানে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ ভাঙা ও মেরামত শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব।নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে কাজে লাগিয়ে সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বরিশালেও একই ধরনের শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনাও রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা গেলে বরিশাল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হতে পারে।তিনি আরও বলেন, বরিশালসহ উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে যোগাযোগ, শিল্প, বন্দর, পর্যটন, মৎস্য ও কৃষিকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। এভাবে এগোতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বরিশাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। গত ১৭ বছরে রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে এবং ভালো মানুষ রাজনীতিতে আসতে আগ্রহ হারিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সবার মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় প্রয়োজন।গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, অতীতে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে বরিশালের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে সম্মিলিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো নিয়ে কাজ করা গেলে এ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক জানান, পটুয়াখালীতে এক্সপার্ট প্রেসেসিং জোনের কাজ এগিয়ে চলছে। এটি চালু হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।সেমিনারে বিডিজেএ’র উপদেষ্টা ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, দেশের মোট ইলিশ উৎপাদনের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ বরিশাল বিভাগ থেকে আসে। এ ছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল।মূল প্রবন্ধে আরও বলা হয়, প্রতিবছর দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ অভ্যন্তরীণ পর্যটক কুয়াকাটা, ভাসমান পেয়ারা বাজার ও সুন্দরবনে ভ্রমণ করেন। তবে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যানের অভাবে দেশের শিল্পখাতের অবদান ৩০ শতাংশের বেশি হলেও বরিশালে শিল্পখাতের অবদান ২ শতাংশেরও কম।বিডিজেএ সভাপতি মাহবুব সৈকতের সভাপতিত্বে সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সানবির রুপল ও নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কাজী জেবেল। এতে সংসদ সদস্য, সাংবাদিক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কয়েকটি মন্দিরেও দেওয়া হয়েছে অনুদান।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।এ সময় ঢাকা-১৭ আসনের ২৮টি মসজিদের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০টি মন্দিরকে দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টাকা করে। সব মিলিয়ে মন্দিরগুলোর জন্য অনুদানের পরিমাণ ৩০ লাখ টাকা।ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা এবং শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছ

আহত সেনা কর্মকর্তাকে সিএমএইচে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন ওই সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি আহত কর্মকর্তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের সাহস জোগানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সান্ত্বনা দেন। এ সময় হাসপাতাল এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এর আগে, গত বুধবার হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত কর্মকর্তাকে ঢাকার সিএমএইচে নেওয়া হয়।দুর্ঘটনায় দুই সেনা সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন তিনি।

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হওয়া মাছ ধরার ট্রলারসহ ১২ জেলেকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জলসীমার নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসমান অবস্থায় থাকা ‘এফবি নাঈম’ নামক মৎস্য ট্রলারসহ ১২ জন জেলেকে সফলভাবে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ পদ্মা।গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বঙ্গোপসাগরে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত বহাল থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকার, বৈরী আবহাওয়া ও সী স্টেট ৪-এর উত্তাল সমুদ্র পরিস্থিতি উপেক্ষা করে বানৌজা পদ্মা তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তীব্র অনুসন্ধান শেষে রাডারের সাহায্যে ভাসমান ট্রলারটি শনাক্ত করা হয় এবং রাত প্রায় সাড়ে দশটায় ট্রলারসহ ১২ জন জেলেকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার অভিযانের সময় নৌবাহিনীর সদস্যরা বিপন্ন জেলেদের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করেন। পাশাপাশি, মাছ ধরার সময় আহত হওয়া এক জেলেকে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া ও উত্তাল সমুদ্রের ঝুঁকি সত্ত্বেও বানৌজা পদ্মা ট্রলারটিকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার টোয়িং করে সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চরে অবস্থিত বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের আউটপোস্টের নিকট নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে ট্রলার ও জেলেদের কোস্ট গার্ডের নিকট হস্তান্তর করে।উদ্ধার হওয়া জেলেদের সূত্রে জানা যায়, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পায়রা বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে ট্রলারটি সাগরে যাত্রা করেছিল। এরপর গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে ১২ জন জেলেসহ এটি বঙ্গোপসাগরে ভাসতে থাকে। সমুদ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি যেকোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিপদগ্রস্ত জেলে ও নৌযান রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এমন মানবিক ও পেশাদার পদক্ষেপ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।

১০ ঘন্টা আগে
শীত মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারি চালু হচ্ছে: বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

শীত মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারি চালু হচ্ছে: বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

সিলেট প্রতিনিধি : চলতি শীত মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারি থেকে পাথর উত্তোলন শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় এলাকায়ই সিলেটের বেশির ভাগ পাথর কোয়ারি। বন্ধ থাকা পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েই গত সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হন সিলেট সিটি করর্পোরেশনের সাবেক এই মেয়র।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং) ফেসবুক ভিত্তিক একটি সংবাদ মাধ্যমকে  দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরিফুলহ হক চৌধুরী বলেন, এই মৌসুমেই সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো চালু হবে বলে আমার আশা।তিনি বলেন, সিলেটের পর্যটন ও পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা জাফলংকে সংরক্ষিত রেখে বাকি এলাকাগুলোতে পাথর উত্তোলনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত ভাবে এগোচ্ছে সরকার। চলতি মৌসুমেই এ বিষয়ে সুখবর আসতে পারে।মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় পাথর উত্তোলন নিয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ছয়জন মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সচিবদের নিয়ে একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছিল।তিনি জানান, আদালতের আদেশে সংরক্ষিত জাফলং এলাকাকে অক্ষত রেখে বাকি এলাকাগুলোতে হস্তচালিত পদ্ধতিতে পাথর উত্তোলনের পক্ষে এই কমিটি একটি নীতিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।তবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং সরকার আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছে। আদালত থেকে যে সিদ্ধান্তই আসুক, তার পরদিন থেকেই সরকার সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।চলতি মৌসুমে পাথর উত্তোলন শুরু হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মামলার বাদীপক্ষ আদালতের সামনে তাদের বক্তব্য যথাযথ ভাবে উপস্থাপন করেছেন। তবে সরকারপক্ষও নিজেদের অবস্থান যথাযথভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এই মৌসুমেই পাথর উত্তোলন শুরু হবে।দীর্ঘ দিন থেকে সিলেট অঞ্চলের পাথর কোয়ারিগুলো থেকে পাথর ও বালু উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। পরিবেশ ও প্রাণ ঝুঁকিতে পড়ায় অনেকগুলো কোয়ারি থেকে বালু-পাথর উত্তোলনে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞাও আছে।তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রমিকরা দীর্ঘ দিন ধরেই পাথর উত্তোলনের দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় আন্দোলনও করেছেন।

১২ ঘন্টা আগে
দেশকে এগিয়ে নিতে বরিশাল অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে: চিফ হুইপ

দেশকে এগিয়ে নিতে বরিশাল অঞ্চলের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে: চিফ হুইপ

সাগর, নদী, মাছ, গ্যাস ও খনিজ সম্পদসহ নানা প্রাকৃতিক সম্পদে বরিশাল অঞ্চল সমৃদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেন, ‘বলতে গেলে আমরা ডায়মন্ড খনির ওপর বসে আছি।’শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ), ঢাকা আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চিফ হুইপ বলেন, দীর্ঘদিন অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও বরিশাল অঞ্চলে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে এ সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।তিনি বলেন, বরিশালের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে টিকে আছে। অথচ সাগর, নদী ও পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে এ অঞ্চলে বড় সম্ভাবনা রয়েছে। এখনো বরিশালে পর্যাপ্ত শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠেনি। পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া হলে এখানে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ ভাঙা ও মেরামত শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব।নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জাহাজ নির্মাণ শিল্পকে কাজে লাগিয়ে সিঙ্গাপুর বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বরিশালেও একই ধরনের শিল্প গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি এ অঞ্চলে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনাও রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করা গেলে বরিশাল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হতে পারে।তিনি আরও বলেন, বরিশালসহ উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। বিচ্ছিন্ন প্রকল্পের পরিবর্তে যোগাযোগ, শিল্প, বন্দর, পর্যটন, মৎস্য ও কৃষিকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। এভাবে এগোতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে বরিশাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ ও যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করতে হবে। গত ১৭ বছরে রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে এবং ভালো মানুষ রাজনীতিতে আসতে আগ্রহ হারিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, উন্নয়নের জন্য রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সবার মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় প্রয়োজন।গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, অতীতে ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে বরিশালের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে সম্মিলিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো নিয়ে কাজ করা গেলে এ অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক জানান, পটুয়াখালীতে এক্সপার্ট প্রেসেসিং জোনের কাজ এগিয়ে চলছে। এটি চালু হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।সেমিনারে বিডিজেএ’র উপদেষ্টা ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, দেশের মোট ইলিশ উৎপাদনের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ বরিশাল বিভাগ থেকে আসে। এ ছাড়া প্রায় ১২ শতাংশ মানুষ মৎস্য খাতের ওপর নির্ভরশীল।মূল প্রবন্ধে আরও বলা হয়, প্রতিবছর দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ অভ্যন্তরীণ পর্যটক কুয়াকাটা, ভাসমান পেয়ারা বাজার ও সুন্দরবনে ভ্রমণ করেন। তবে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যানের অভাবে দেশের শিল্পখাতের অবদান ৩০ শতাংশের বেশি হলেও বরিশালে শিল্পখাতের অবদান ২ শতাংশেরও কম।বিডিজেএ সভাপতি মাহবুব সৈকতের সভাপতিত্বে সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সানবির রুপল ও নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক কাজী জেবেল। এতে সংসদ সদস্য, সাংবাদিক, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

১২ ঘন্টা আগে
সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ

সরকারি টাকা নষ্ট হবে, তাই প্রধানমন্ত্রী মোটা ও সাদা কাপড় পরেন: চিফ হুইপ

সরকারি অর্থ ব্যয়ে চরম অপচয় রোধ এবং জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম মনি।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।ব্যক্তিগত জীবনযাত্রায় চরম কৃচ্ছ্রসাধন: চিফ হুইপ জানান, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত কঠোর নীতি অনুসরণ করছেন। নিজের পোশাক-আশাক ও জীবনযাপনে ব্যয় কমানোর দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজে সাধারণ মোটা সাদা কাপড় পরেন। বিমানবন্দরে অতিরিক্ত যাতায়াত কমিয়েছেন, নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ও নিরাপত্ত বহর ছোট করেছেন এবং নিজের অফিসেই অতি সাধারণ খাবারের ব্যবস্থা রাখছেন।”প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের দাপ্তরিক খরচের চিত্র তুলে ধরে আগের সরকারের সাথে তুলনা করেন চিফ হুইপ। তিনি দাবি করেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বছরে খাবারের পেছনে ৩৫ কোটি টাকা খরচ করেছেন, সেখানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রতিজনের খাবারের বিল মাত্র ১৫০ টাকা ধরা হয়েছে।”বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ঋণের ভার বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার যে বিশাল ঋণের বোঝা রেখে গেছে, সেখান থেকে বর্তমান সরকার গত ৫ মাসেই ২০৫ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে।”সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কঠোর স্বচ্ছতা আনার ঘোষণা দিয়ে চিফ হুইপ বলেন, এখন থেকে কোনো এমপি বা মন্ত্রী সরকারি কাজে দেশের বাইরে বা ভেতরে গেলে শুধু মৌখিক খরচের হিসাব দিলে হবে না, তার যথাযথ নথি ও ভাউচার জমা দিতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে চিফ হুইপ দৃঢ়তার সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর এসব উদ্যোগ কোনো লোক দেখানো বিষয় নয়, বরং বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপের মাধ্যমেই রাজকোষের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

১৩ ঘন্টা আগে
ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন: তথ্যমন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সৎ, যোগ্য ও ভালো মানুষদের রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান।তিনি বলেছেন, ভালো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারলে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের স্বপ্ন টেকসই হবে না। দেশের মানসম্মত উন্নয়নের জন্য রাজনীতিতে যোগ্য মানুষের অংশগ্রহণ জরুরি।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ) আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল বিভাগ: সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।আন্দালিভ রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে নেতৃত্বের বড় সংকট তৈরি হয়েছে। ভালো ও মেধাবী তরুণদের অনেকে রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছেন। এর ফলে রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক রাজনীতিবিদের সন্তানও রাজনীতিতে আসতে আগ্রহী নন।তিনি বলেন, ভালো উপাদান থাকলেও দক্ষ নেতৃত্ব ছাড়া যেমন ভালো ফল পাওয়া যায় না, তেমনি ভালো মানুষ নেতৃত্বে না এলে উন্নয়ন ও অগ্রগতির সুফল ধরে রাখা সম্ভব নয়।বরিশালের ঐতিহ্য ও দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের মানুষের অবদানের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ফুটবল থেকে রাজনীতি—বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরিশাল বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে। পাকিস্তান আমল থেকে স্বাধীনতার পর পর্যন্ত এ অঞ্চল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা উঠে এসেছেন।তিনি বলেন, বরিশালকে সত্যিকার অর্থে স্বপ্নের নগরীতে পরিণত করতে হলে আগামী দিনে যোগ্য ও ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে হবে। বরিশালসহ আশপাশের জেলা ও নির্বাচনি এলাকা থেকে মেধাবী তরুণ-তরুণীদের রাজনীতিতে আসতে উৎসাহ দিতে হবে। এজন্য তাদের জন্য অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।মন্ত্রী আরও বলেন, অবকাঠামো নির্মাণ, গ্যাস সরবরাহ ও শিল্পায়ন উন্নয়নের অংশ হলেও দেশের এখন প্রয়োজন মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়ন। আর সেটি নিশ্চিত করতে ভালো মানুষের নেতৃত্বে আসা জরুরি।বর্তমান রাজনীতিবিদদের পরবর্তী প্রজন্মের যোগ্য ও মেধাবীদের রাজনীতিতে আসার পথ তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তরুণদের উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের জন্য রাজনীতির পরিবেশ সহজ করতে হবে।আন্দালিভ রহমান বলেন, অনেক অবকাঠামো ও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে যাওয়া সম্ভব হলেও ভালো নেতৃত্ব তৈরি করা না গেলে সেগুলো ধরে রাখা কঠিন হবে। তাই ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।তিনি আরও বলেন, ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী বা সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়ার পাশাপাশি দেশের মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণদের কেউ যদি রাজনীতিতে এসে দেশ পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে আসে, সেটিই ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে।

১৪ ঘন্টা আগে
ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কয়েকটি মন্দিরেও দেওয়া হয়েছে অনুদান।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়।এ সময় ঢাকা-১৭ আসনের ২৮টি মসজিদের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়। এছাড়া শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০টি মন্দিরকে দেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টাকা করে। সব মিলিয়ে মন্দিরগুলোর জন্য অনুদানের পরিমাণ ৩০ লাখ টাকা।ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা এবং শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছ

১৪ ঘন্টা আগে
আহত সেনা কর্মকর্তাকে সিএমএইচে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

আহত সেনা কর্মকর্তাকে সিএমএইচে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের ঘটনায় গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএমএইচে গিয়ে চিকিৎসাধীন ওই সেনা কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি আহত কর্মকর্তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।প্রধানমন্ত্রী আহত সেনা কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের সাহস জোগানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সান্ত্বনা দেন। এ সময় হাসপাতাল এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এর আগে, গত বুধবার হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলন চলাকালে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত এবং একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহত কর্মকর্তাকে ঢাকার সিএমএইচে নেওয়া হয়।দুর্ঘটনায় দুই সেনা সদস্যের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন তিনি।

১৬ ঘন্টা আগে
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন করে মোট দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী।নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৪৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬১ জন, খুলনায় ৬০ জন, রংপুরে ৩৮ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং বরিশালে ১৮ জন ভর্তি হয়েছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ নারী।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৪৯ হাজার ২২০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৪৫ জন।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ৪৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এদিকে, মোট আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের হার ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নারীর হার ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রে নারীদের হার বেশি—৫২ দশমিক ১ শতাংশ।

১৭ ঘন্টা আগে
জানুয়ারি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানি সম্পদমন্ত্রী

জানুয়ারি-মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: পানি সম্পদমন্ত্রী

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ীর পাংশার হাবাসপুরে প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ হলে দেশের ২৪টি জেলায় কৃষি, মৎস্য ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। এর ফলে এসব এলাকার অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।তিনি জানান, ২০০৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমানে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে।শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে সাত বছর মেয়াদি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্প এলাকার কারিগরি সমীক্ষা সম্পন্ন করার লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গ্রামীণ উন্নয়নের চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়ে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষিতে গতি আনার পাশাপাশি দেশের স্বনির্ভরতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।এর আগে চলতি বছরের ১৩ মে একনেক সভায় পদ্মা ব্যারেজ প্রক

১৭ ঘন্টা আগে
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেছেন, ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক সদিচ্ছা দরকার। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

বক্তব্য প্রত্যাহারে দুদক মুখপাত্রকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মুখপাত্র আখতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আসিফ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জনি এ নোটিশ পাঠান।এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের কথা জানান। এসব অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেন দুদকের এই কর্মকর্তা।আইনি নোটিশে আখতারুল ইসলামকে তার দেওয়া বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যথাযথভাবে যাচাই করা এবং প্রমাণ-সমর্থিত তথ্য ছাড়া কোনো বক্তব্য না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আখতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

লিংক কপি করা হয়েছে!

আজ কনকচাঁপার জন্মদিন, কত বছরে পা রাখলেন এই সঙ্গীতশিল্পী

বাংলা চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠের অমলিন জাদুতে কয়েক দশক ধরে শ্রোতাদের হৃদয় জয় করে রাখা জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপার ৫৭তম জন্মদিন উদযাপিত হচ্ছে।শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জীবনের আরও একটি বছর পার করে ৫৭ বছরে পা রাখলেন তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই কালজয়ী কণ্ঠশিল্পী। ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকার শান্তিবাগে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।ইউরোপ সফর শেষে বৃহস্পতিবারই (১০ সেপ্টেম্বর) দেশে ফেরেন কনকচাঁপা। জন্মদিনের প্রথম প্রহরে পরিবারের সদস্যদের ভালোবাসা ও সারপ্রাইজ আয়োজনে কেক কাটেন তিনি। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বয়স ও জীবনের এই মাইলফলক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই শিল্পী।কনকচাঁপা বলেন, “অনেকে লজ্জা পেয়ে বলেন জন্মদিন শুধুই একটা সংখ্যা বা তারা এটি পছন্দ করেন না। কিন্তু আমি সরলভাবেই বলি—১১ সেপ্টেম্বর তারিখটি আমার খুব প্রিয়, ১১ সংখ্যাটি প্রিয়। কারণ আজ থেকে ৫৬ বছর আগে এই দিনে আমি জন্মেছিলাম। আজ ৫৭ বছরে পা দিলাম।”সন্তান, নাতনি ও স্বজনদের ভালোবাসাকে ‘আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভক্তরা তাঁকে যতটুকু যোগ্য তারচেয়েও বেশি ভালোবাসেন। এই নিঃশর্ত ভালোবাসায় তিনি চির-বিস্মিত ও কৃতজ্ঞ।বয়সকে ভার না মনে করে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকার জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি সবার সুস্থতা ও নিরাপত্তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন।দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে আধুনিক গান, নজরুলসঙ্গীত, লোকগীতি এবং চলচ্চিত্রে ৩ হাজারের বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কনকচাঁপা। প্রকাশিত হয়েছে ৩৫টি একক অ্যালবাম। বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকে রুপালি পর্দায় চিত্রনায়িকা শাবনূরের ঠোঁটে কনকচাঁপার কণ্ঠ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল।যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে’, ‘তুমি আমার এমনই একজন’, ‘অনেক সাধনার পরে আমি’, ‘তুমি মোর জীবনের ভাবনা’, ‘ভালো আছি ভালো থেকো’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’ সহ অসংখ্য কালজয়ী গান এখনও বাঙালি শ্রোতাদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে। বড় কোনো জমকালো আয়োজন ছাড়াই পরিবার ও ভক্তদের অকৃত্রিম ভালোবাসার মধ্য দিয়েই নিজের বিশেষ দিনটি উদযাপন করছেন গানের এই মানসী।

আক্কেল দাঁত ওঠার সময় কেন এত ব্যথা?

আমাদের মুখগহ্বরের পেছনের সারিতে সবার শেষে যে দাঁত গজায়, তাকে ‘থার্ড মোলার’ বা তৃতীয় পেষণ দাঁত বলা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সন্ধিক্ষণে মানুষের বিচারবুদ্ধি পরিপক্ব হওয়ার বয়সে এটি ওঠে বলে বাংলায় একে ‘আক্কেল দাঁত’ এবং ইংরেজিতে ‘উইজডম টুথ’ বলা হয়ে থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের উপসর্গ ছাড়াই এটি স্বাভাবিকভাবে উঠলেও অনেকের জন্য তা তীব্র যন্ত্রণা, মাড়ির প্রদাহ এবং জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে এই দাঁত মাড়ি ভেদ করে বের হতে শুরু করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে আরও বেশি বয়সেও আক্কেল দাঁত উঠতে পারে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মুখের ওপর-নিচের চোয়ালের চার কোণে চারটি আক্কেল দাঁত থাকার নিয়ম থাকলেও সবার ক্ষেত্রে সবকটি ওঠে না। বৈজ্ঞানিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি দশজনের মধ্যে অন্তত আটজনের ক্ষেত্রেই এক বা একাধিক আক্কেল দাঁত অনুপস্থিত থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আক্কেল দাঁতকে মূলত মানবদেহের একটি অবশিষ্টাঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আদিম যুগে মানুষের খাদ্যাভ্যাস যখন শক্ত ও অপুষ্ট ফলমূল, বীজ এবং কাঁচা মাংসের ওপর নির্ভরশীল ছিল, তখন খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে হজমের উপযোগী করতে বাড়তি মোলার দাঁতের প্রয়োজন হতো। তবে কালের পরিক্রমায় উন্নত খাদ্যাভ্যাস ও রান্নার প্রচলনের কারণে বিবর্তনের ধারায় মানুষের চোয়ালের আকার আগের চেয়ে ছোট হয়ে এসেছে। ফলে আধুনিক মানুষের মুখে এই দাঁত স্বাভাবিকভাবে ওঠার মতো পর্যাপ্ত জায়গা থাকে না। মাড়িতে পর্যাপ্ত স্থান না থাকার কারণে আক্কেল দাঁত মাড়ি বা চোয়ালের হাড়ের মধ্যে আংশিক অথবা সম্পূর্ণ বাঁকা হয়ে আটকে পড়ে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ইমপ্যাক্টেড টুথ’ বলা হয়। আংশিক বের হওয়া দাঁতের ওপর মাড়ির ফাঁকে খাদ্যকণা ও জীবাণু জমে তীব্র সংক্রমণ ও প্রদাহের সৃষ্টি করে, যাকে ‘পেরিকোরোনাইটিস’ বলে। এর ফলে তীব্র ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়া, দাঁতে ক্ষয়রোগ (ক্যাভিটি), এমনকি দাঁতের গোড়ায় সিস্ট বা পুঁজ জমে পাশের সুস্থ দাঁতটিও নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।  চোয়ালের গঠন ও দাঁতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকলে বড় কোনো সমস্যা ছাড়াই আক্কেল দাঁত উঠে আসতে পারে। তবে স্থানসংকটের কারণে দাঁত আটকে গেলে প্রচণ্ড ব্যথার পাশাপাশি রোগীদের মুখ পুরোপুরি খুলতে কিংবা খাবার গিলতে সমস্যা হয়। মাড়ির এই সংক্রমণ দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকলে তা বিরল ক্ষেত্রে মুখ ও গলার গভীরে ছড়িয়ে পড়ে ‘লুডউইগস অ্যাঞ্জাইনা’র মতো প্রাণঘাতী সংক্রমণ ঘটাতে পারে, যার জন্য রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অস্ত্রোপচার করাতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আক্কেল দাঁত যদি মুখে কোনো জটিলতা তৈরি না করে, তবে তা তুলে ফেলার প্রয়োজন পড়ে না। তবে ঘন ঘন সংক্রমণ, অসহ্য যন্ত্রণা কিংবা পাশের দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকলে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দাঁতটি ফেলে দেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। সাধারণত মাড়িতে লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগ করে অবশ করার মাধ্যমে অত্যন্ত কম সময়ে এই ক্ষুদ্র অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। আক্কেল দাঁত অপসারণের পর পুরোপুরি সেরে উঠতে কয়েক দিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এ সময়ে ক্ষত নিরাময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবনের পাশাপাশি কুসুম গরম লবণপানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখা এবং শক্ত খাবারের বদলে তরল বা নরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ক্ষতস্থানে রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে ধূমপান ও শক্ত খাবার পুরোপুরি পরিহার করা জরুরি, অন্যথায় ‘ড্রাই সকেট’ বা ক্ষতের রক্ত সরে গিয়ে মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।   সূত্র: বিবিসি বাংলা

কক্সবাজারে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজারে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজার সদরে অভিযান চালিয়ে মাদক মামলায় ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ কামাল হোসেনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫। গতকাল বিকেলে গোপন সংবাদে এই অভিযান পরিচালিত হয়।গোয়েন্দা তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কক্সবাজার পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড তারাবনিয়াছড়া মসজিদ সংলগ্ন রফিকের নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি অবস্থান করছে। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিত র‌্যাব অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতার কামাল টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়ার হোসেন আলী পুতিয়ার সন্তান। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও মামলার বিবরণ মতে জানা যায়, ধৃত আসামির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম সিএমপি কর্ণফুলী থানা, চন্দনাইশ থানা ও কক্সবাজারের রামু থানায় একাধিক মাদক মামলা ও সাজা পরোয়ানা রয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত এই আসামির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোন পোস্ট নেই !
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream