শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

ক্যাম্পাস

সৈয়দপুরের আর্মি ইউনিভার্সিটিতে ৩ দিনের ‘ক্লাচ কার্নিভাল' অনুষ্ঠিত

সৈয়দপুরের আর্মি ইউনিভার্সিটিতে ৩ দিনের ‘ক্লাচ কার্নিভাল' অনুষ্ঠিত

শাহজাহান আলী মনন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিতে  (বিএইউএসটি) ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এমই) বিভাগ এই আয়োজন করে। গত ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার এই উৎসবে নানা প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজন, জ্ঞানচর্চা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাহার ছিলো।কার্নিভালের বিভিন্ন আয়োজনে বিএইউএসটির পাশাপাশি হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএউইটি), ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর, রংপুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ফলে ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীল ধারণা বিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা, কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, নেতৃত্ব এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধিই ছিল এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।২০ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান- এর মধ্য দিয়ে ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএইউএসটির উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোবারক হোসেন মজুমদার, পিএসসি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ড. মো. শামীম রেজা (অব.), রেজিস্ট্রার কর্নেল চৌধুরী সাইফ উদ্দিন কাউসার, পিবিজিএম (অব.), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, এমই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মাহমুদুল আদিল, বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী।প্রথম দিনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় মেকানিক্স অলিম্পিয়াড, যেখানে যন্ত্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট মৌলিক ও প্রয়োগভিত্তিক জ্ঞান, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যাচাই করা হয়। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত রোবো সকার গ্রুপ স্টেজে শিক্ষার্থীদের তৈরি ও পরিচালিত রোবট নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে রোবটিক্স, নিয়ন্ত্রণ কৌশল, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দলগত সমন্বয়ের দক্ষতা প্রদর্শিত হয়। পাশাপাশি ইন্জিনিয়ারিং কুইজে প্রকৌশল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান যাচাই করা হয় এবং নন-ইন্জিনিয়ারিং কুইজে সাধারণ জ্ঞান, যুক্তিবোধ ও দ্রুত চিন্তাশক্তির পরীক্ষা নেওয়া হয়। দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আয়োজন ছিল কম্পিউটার এইডেড ডিজাইন (সিএডি) কনটেস্ট। যেখানে শিক্ষার্থীরা কম্পিউটারভিত্তিক নকশা প্রণয়নের মাধ্যমে তাঁদের কারিগরি জ্ঞান, নকশা দক্ষতা ও সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেন।কার্নিভালের দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে রোবো সকার গ্রুপ স্টেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের রোবটের কারিগরি সক্ষমতা, কৌশলগত পরিকল্পনা ও দলগত সমন্বয় কাজে লাগিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হয় আকর্ষণীয় ট্রেজার হান্ট। এতে অংশগ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা, যুক্তিবোধ, সংকেত বিশ্লেষণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, দলগত সমন্বয় ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার পরীক্ষা হয়। দিনজুড়ে কার্নিভাল প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক উদ্দীপনার পাশাপাশি উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে।কার্নিভালের তৃতীয় ও সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হয় আইডিয়াভার্স-ন্যাশনাল পোস্টার প্রেজেন্টেশন। যেখানে শিক্ষার্থীরা তাঁদের উদ্ভাবনী ধারণা, গবেষণাভিত্তিক চিন্তা ও বিভিন্ন সম্ভাবনাময় প্রকল্পের ধারণা পোস্টারের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি প্রজেক্ট উপস্থাপন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প ও বাস্তবভিত্তিক কাজ প্রদর্শনের সুযোগ পান। তিন দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ  রোবো সকার এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় কার্নিভালের শেষ পর্যায়ে। চূড়ান্ত পর্বে প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর রোবটিক্স দক্ষতা, কৌশলগত পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ ও দলগত সমন্বয়ের প্রতিফলন ঘটে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও সমসাময়িক জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়।পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএইউএসটির উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোবারক হোসেন মজুমদার, পিএসসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ড. মো. শামীম রেজা (অব.), রেজিস্ট্রার কর্নেল চৌধুরী সাইফ উদ্দিন কাউসার, পিবিজিএম (অব.), মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক জনাব মাহমুদুল আদিল এবং বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও সফল অংশগ্রহণকারীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন। বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান আনন্দঘন ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।কার্নিভালের সমাপনী পর্বে অনুষ্ঠিত ওয়েভ ফেস্টিভ্যাল -এ শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’-এর আয়োজন আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কার্নিভালের শেষ পর্বে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।তিন দিনব্যাপী ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’ শিক্ষার্থীদের মেধা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বহুমাত্রিক প্রকাশ ঘটানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের জ্ঞানকে বাস্তব প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার একটি কার্যকর ক্ষেত্র হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা, প্রকল্প প্রদর্শনী, পোস্টার উপস্থাপন, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এ কার্নিভাল শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্ব, দলগত কাজ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বিকাশে ভূমিকা রাখে। জ্ঞান, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও তারুণ্যের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য ‘ক্লাচ কার্নিভাল ২.০’সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

জবির ১৩ শিক্ষক পদে নিয়োগ স্থগিত করলেন হাইকোর্ট

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগে করা এক রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এ আদেশ দেন আদালত।বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশের পাশাপাশি রুল জারি করেন।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের দুটি এবং প্রভাষকের ১১টি পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকার আদালতের আইনজীবী বিজয়া রানী টিকাদার।রিটে অভিযোগ করা হয়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে তুলনামূলকভাবে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে উচ্চশিক্ষায় ভালো ফল করা অনেক যোগ্য প্রার্থী শিক্ষক পদে আবেদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন বলেও দাবি করা হয়।রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ। শুনানিতে তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ২০২১ সালের নির্দেশিকা রয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।শুনানি শেষে আদালত ২৫ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং এর ভিত্তিতে নেওয়া পরবর্তী কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সঙ্গে ওই বিজ্ঞপ্তির আওতাভুক্ত ১৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও শিহাব উদ্দিন খান। এদিকে হাইকোর্টের দেওয়া এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বলেন, ‘এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।’

জবির ১৩ শিক্ষক পদে নিয়োগ স্থগিত করলেন হাইকোর্ট

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা রাশেদ সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্যাম্পাস

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যাল শাখার গোপন কর্মসূচিতে সহায়তার অভিযোগ উঠেছে সংগঠনটির নেতা ও বর্তমানে সাংবাদিকতায় যুক্ত ফেইস দ্যা পিপলের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি  রাশেদুজ্জামান রাশেদের বিরুদ্ধে।  যিনি নিজেকে এখন সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্যাম্পাস।২০২৩ সালের জানুয়ারিতে পাওয়া  একটি কমিটি অনুমোদনের শাখা সভাপতি মো: ইব্রাহিম ফরাজি এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি প্যাডে রাশেদুজ্জামান রাশেদের নাম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ভূমি ব্যবস্থাপনা ও আইন বিভাগে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। নথিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে রাশেদের পাশাপাশি তুহিন আহমেদ ও আদিল মিয়ার নামও রয়েছে। বিভাগের কমিটির সভাপতি আওলাদ হোসেন সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান মজিদুল ইসলাম ফাহাদ। অভিযোগ রয়েছে  ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে পর্দার আড়াল থেকে সহযোগিতা করছেন সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া রাশেদ ও তার সাথে চলা বেশ কয়েজন সাংবাদিক। রাশেদ ছাত্রলীগের পদধারী নেতা হয়েও নিজেকে এখন বিএনপি পন্থী বলেও প্রচার করার চেষ্টা করছেন বিভিন্ন সময়। বিশেষ করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মসূচির তথ্য আদান-প্রদান, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।  এছাড়া বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের আওয়ামী ট্যাগ দিয়ে হুমকি দেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে তার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবরে সরকার ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটির নামে বিভিন্ন তৎপরতার খবর গণমাধ্যমে এসেছে। ২০২৬ সালের ২১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ গেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ও আহতদের স্মরণে শোক ব্যানার টাঙানোর খবর প্রকাশিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার খুব গোপনীয়ভাবে নিষিদ্ধ জবি ছাত্রলীগ ব্যানার পোস্টার লাগিয়ে যায় ক্যাম্পাসের আশেপাশে।

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা রাশেদ সাংবাদিক পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্যাম্পাস

ফাহাদ বলে প্রচারিত ছবি আসলে মাহিমের, বিব্রত ও নিরাপত্তাহীনতায় কিশোর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের অন্যতম আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ দাবি করে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে প্রকাশিত 'গাঁজাসহ দেড় বছর আগে আসামি ফাহাদকে আটক করেছিলেন অপ্রতিমের মা' একটি প্রতিবেদনে যে কিশোরের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি ফাহাদের ছবি নয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ছবিতে থাকা কিশোরের নাম মিনহাজুল ইসলাম মাহিম।বিষয়টি মাহিম নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তার বাড়ি কুমিল্লার কোটবাড়ির গাবতলিতে। তিনি জানান, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ফাহাদ দাবি করে প্রকাশিত ছবিটি তারই ছবি। তবে ছবিতে থাকা কিশোরটি অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের আসামি মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ নন।কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি অভিযান চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বর থেকে গাঁজাসহ বহিরাগত সাত কিশোরকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডি। সেখানে আটকৃত সাত জনের মধ্যে ফাহাদ নামের কেউ ছিলেন না।কিন্তু গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, যুগান্তর সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রক্টর অফিসে আটকৃত মাহিমকে ইশায়াত শাহারিয়ার অপ্রতিম হত্যার আসামি ফাহাদ হিসেবে দাবি করা হয়েছে। এতে মাহিম বিব্রত বোধ করছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কায় ভুগছেন বলে জানান তিনি। মাহিম বলেন, গতকাল থেকে নিউজে প্রকাশিত ছবিতে যে ছেলেকে ফাহাদ দাবি করা হচ্ছে সেটা আসলে ফাহাদ না। ওই ছবিটা আমার, আমি মিনহাজুল ইসলাম মাহিম। কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করে এভাবে অন্যজনে ছবি প্রচার করা উচিত না।'তিনি আরও বলেন, এই ছবিটা প্রকাশের পর থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি। আমাকে সবাই ফোন দিচ্ছে, মেসেজ দিচ্ছে এতে আমি বিব্রতবোধ করছি। আমি চাই যারা এটা প্রচার করছে তারা যেন সেটা ডিলিট করে সত্যটা তুলে ধরে।'সহকারী প্রক্টর মাহমুদুল হাসান (রাহাত) বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি যে ৭জনকে আটক করা হয়েছিল তাদেরকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ওখানে সাতজনের নাম আমার সঠিক মনে নাই। আমরা ডকুমেন্টসটাও খুঁজে পায়নি। তাই এখন সঠিকভাবে বলতে পারছি না সেখানে ফাহাদ নামের কেউ ছিল কিনা।'

ফাহাদ বলে প্রচারিত ছবি আসলে মাহিমের, বিব্রত ও নিরাপত্তাহীনতায় কিশোর

বেরোবিতে বাস ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু, কমবে অপেক্ষার ভোগান্তি

শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির পর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুরে বাসের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বাসের বর্তমান অবস্থান ও নির্ধারিত রুট জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এতে বাসের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার ভোগান্তিও কমবে।এই সুবিধা ব্যবহার করতে শিক্ষার্থীদের প্রথমে মোবাইলে গ্রামীণফোনের ALO App ইনস্টল করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া Student User অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করতে হবে। অ্যাপে সফলভাবে লগইন করার পর Vehicle Tracking অপশনে গেলেই চলাচলরত বাসগুলোর লাইভ লোকেশন ও নির্ধারিত রুট দেখা যাবে।লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়ায় অপেক্ষার ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান বলেন, “বাস ট্র্যাকিং সুবিধা চালু হওয়া শিক্ষার্থীবান্ধব ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সহজেই বাসের বর্তমান অবস্থান জানা যাবে, ফলে অপেক্ষার সময় ও অনিশ্চয়তা কমবে। পরিবহন ব্যবস্থায় প্রযুক্তির এমন ব্যবহার স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জাওয়াদ সাজিদ বলেন, “বাস ট্র্যাকিং সুবিধার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাসের অবস্থান ও সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে পারবে, ফলে অপেক্ষার সময় কমবে এবং যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। বিশেষ করে দূরবর্তী স্থান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন ব্যবস্থার অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ নেওয়া হবে।পরিবহন পুলের পরিচালক মাসুদ রানা বলেন, “বাসের লাইভ ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর তাদের দাবিটি প্রশাসনের অনুমোদনের জন্য পাঠাই। বিভিন্ন যাচাই-বাছাই শেষে সম্প্রতি কাজের অর্ডার হয়েছে এবং গ্রামীণফোন থেকে ডিভাইস নেওয়া হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আলাদা আইডি থাকবে। এর মাধ্যমে তারা বাসের অবস্থান দেখতে পারবেন। পরিবহন দপ্তর পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করবে। দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীদের চাওয়াটি পূরণ হওয়ায় আমরা আনন্দিত।”

বেরোবিতে বাস ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু, কমবে অপেক্ষার ভোগান্তি

ইবি সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে ‘পরীক্ষাগার ও অগ্নি নিরাপত্তা’ বিষয়ক কর্মশালা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে ‘পরীক্ষাগার ও অগ্নি নিরাপত্তা: প্রতিরোধ, প্রস্তুতি এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১৮০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি দুইটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে ল্যাবরেটরি নিরাপত্তা বিষয়ক সেশন শুরু হয়। সেশনটি পরিচালনা করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আহসানুল হক। এ সময় শিক্ষার্থীদের গবেষণাগারে ব্যবহৃত বিভিন্ন কেমিক্যাল, রিএজেন্ট ও রাসায়নিক পদার্থের নিরাপদ ব্যবহার, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর কর্মশালার দ্বিতীয় সেশনে অগ্নি নিরাপত্তা ও জরুরি প্রতিক্রিয়া বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মো. আরশেদ আলী। এ সেশনে অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয়, আগুন নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক কৌশল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। দ্বিতীয় সেশন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যদের অংশগ্রহণে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক ব্যবহারিক প্রদর্শনী ও হাতে কলমে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে আগুনে পুড়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার, গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগলে করণীয়, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার এবং ভেজা বস্তা ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন কৌশল শিক্ষার্থীদের হাতে কলমে শেখানো হয়। ব্যবহারিক সেশনে কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রায় ১২ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। আলোচনা সভার শুরুতে জাতীয় সংগীত, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতাপাঠ পরিবেশন করা হয়। ক্লাবের সদস্য ঐশী রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী এবং কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছাঃ খোদেজা খাতুন, কর্মশালার রিসোর্স পারসন অধ্যাপক ড. আহসানুল হক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন সাকিব, কোষাধ্যক্ষ হাসিব মিয়া, সহকারী কোষাধ্যক্ষ, প্রচার সম্পাদক রাবিউল রবি, ফটোগ্রাফি ও মিডিয়া সম্পাদক শুভ্রত কুমারসহ অন্যান্য এক্সিকিউটিভবৃন্দ ও ক্লাবের সদস্যবৃন্দ। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা প্রাথমিক উদ্ধারকাজ পরিচালনা করলেও বাংলাদেশে সাধারণ মানুষও দ্রুত এগিয়ে আসেন। তবে সঠিক প্রশিক্ষণের অভাবে তাঁদের আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও উদ্ধারকাজের সাফল্য শতভাগ হয় না।” তিনি আরও বলেন, “রাস্তার অপ্রশস্ততা ও যানজটের মতো বাস্তব সমস্যার কারণেও যথাসময়ে উদ্ধারকাজে বিড়ম্বনা তৈরি হয়। তাই এ ধরনের প্রশিক্ষণ শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে।” প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তৈরি হওয়া শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে অন্যদের উদ্বুদ্ধ ও প্রশিক্ষিত করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শাহজাহান আলী ল্যাবরেটরি ও অগ্নি নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাবিষয়ক জ্ঞান ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।” কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ওয়াদুদ হোসাইন বলেন, “অগ্নি দুর্ঘটনা বা যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিক পর্যায়ে কীভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, কীভাবে নিরাপদে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করতে হবে এবং কখন ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা নিতে হবে, এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে এ ধরনের একটি সময়োপযোগী কর্মশালা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সার্টিফিকেটের পাশাপাশি ল্যাবরেটরি, অগ্নি ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাস্তব ও ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করেছে। বিশেষ করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ব্যবহারিক সেশনটি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হয়েছে।”

ইবি সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে ‘পরীক্ষাগার ও অগ্নি নিরাপত্তা’ বিষয়ক কর্মশালা

চবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হাছান মিয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক প্রদেয় ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাসহ এক বছরের জন্য নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে প্রক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে এ নিয়োগ কার্যকর হবে।এতে সদ্য বিদায়ী প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।এ বিষয়ে চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হাছান মিয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গতকাল তাঁর নামে চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। যোগদানের দিন থেকে তিনি আগামী এক বছর প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম প্রক্টর হিসেবে অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর স্থলাভিষিক্ত হলেন। অধ্যাপক সরওয়ার্দী ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭তম প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাব। এ দায়িত্ব পালনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করছি।’তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকব। ক্যাম্পাসে মাদক চোরাচালানের বিষয়ে আমাদের অবস্থান থাকবে জিরো টলারেন্স। পাশাপাশি সহাবস্থানের রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার বাসিন্দা। তিনি মীরসরাইয়ের দুর্গাপুর নগেন্দ্র চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯৬ সালে মাধ্যমিক এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে ১৯৯৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। পরে ১৯৯৯-২০০০ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। একই বিভাগ থেকে তিনি মাস্টার্স ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ওই বিভাগেই শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। সম্প্রতি তিনি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

চবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক কামরুল হোসেন

জবির ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন রসায়ন বিভাগের ৯ শিক্ষক

জবি প্রতিনিধি:জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রথমবারের মতো প্রদান করা ‘স্পেশাল RESEARCH AWARD’ বা ‘বিশেষ গবেষণা সম্মাননা’ লাভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন শিক্ষক। এর মধ্যে  রসায়ন বিভাগ থেকেই সর্বোচ্চ ৯ জন বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষক এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর)  বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের নির্বাচিত গবেষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।রসায়ন বিভাগ থেকে সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষক ও গবেষকরা হলেন— অধ্যাপক ড. সৈয়দ আলম, অধ্যাপক ড. মোঃ আমিনুল হক, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জামির হোসেন, অধ্যাপক ড. এ. জে. সালেহ আহাম্মদ, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাজিবুল হক আকন্দ, অধ্যাপক ড. দেলোয়ার হোসেন রিপন, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান, ড. জগদীশ চন্দ্র সরকার এবং ইলিয়াস মাহমুদ।একই অনুষ্ঠানে সর্বমোট ৩৪ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে একা রসায়ন বিভাগের ৯ শিক্ষকের এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে বিভাগটি।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।” তিনি গবেষকদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং মৌলিক গবেষণায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।” গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি রসায়ন বিভাগসহ সকল বিভাগের শিক্ষকদের গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন সম্মাননাপ্রাপ্ত সকল শিক্ষককে অভিনন্দন জানান এবং তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী গবেষণায় মনযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রক্টর, প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোঃ আমিনুল হক জানান এই  স্বীকৃতি রসায়ন বিভাগের জন্য অত্যন্ত গর্বের ও আনন্দের। এই প্রাপ্তি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের মৌলিক ও প্রয়োগমুখী গবেষণা পরিচালনায় বিভাগকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

জবির ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন রসায়ন বিভাগের ৯ শিক্ষক

জবিতে ‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ৩৪ শিক্ষককে ‘Special Research Award’ প্রদান করা হয়। তাঁদের মধ্যে রসায়ন বিভাগ থেকেই আটজন শিক্ষক এ পুরস্কার অর্জন করেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়।সকাল ১০টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক । এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক, ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।” বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার পরিধি আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি পুরস্কারপ্রাপ্তদের পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাকেও গবেষণায় উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘Special Research Award’ শুধু স্বীকৃতি নয়; এটি গবেষণায় আরও উৎকর্ষ অর্জনের অনুপ্রেরণা। তিনি নতুন ও তরুণ গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত মোট ৩৪ জন শিক্ষক এ পুরস্কার অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে পাঁচজন, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে পাঁচজন, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে একজন এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে একজন রয়েছেন।

জবিতে ‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা

বেরোবির তিন হলে নতুন প্রভোস্ট, ছাত্র পরামর্শ দপ্তরেও নতুন মুখ

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) তিন আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবর্তন করা হয়েছে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক। চার শিক্ষককে এসব পদে নতুন দায়িত্ব দিয়ে পৃথক অফিস আদেশ জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে তাদের এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। আদেশ অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে।আদেশ অনুযায়ী, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদকে বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. জিন্নাতুল বাশারকে শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট এবং ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিনা আহসানকে শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট করা হয়েছে।এদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানাকে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সম্প্রতি ওই পদ থেকে তার পদত্যাগের বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।অফিস আদেশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজ নিজ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

বেরোবির তিন হলে নতুন প্রভোস্ট, ছাত্র পরামর্শ দপ্তরেও নতুন মুখ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বেরোবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

পারভেজ হাসান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার আলোকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও ক্যাম্পাসের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) রংপুরে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান’ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।উদ্বোধনকালে উপাচার্য বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। ক্যাম্পাসের কোথাও যাতে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি না হয়, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় এডিস মশার প্রাদুর্ভাব রোধে সুনির্দিষ্ট করণীয় নির্ধারণ করে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।উপাচার্য আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটসহ সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি।ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং স্বাস্থ্যসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান উপাচার্য।কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক মো. মাসুদ রানা, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মো. হারুন-আল-রশীদ, শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট ড. এ. টি. এম জিন্নাতুল বাসারসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বেরোবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

প্রাণিসম্পদ খাতে বৈষম্য দূরীকরণ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় পবিপ্রবিতে মানববন্ধন

প্রাণিসম্পদ খাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণ ও ভেটেরিনারি পেশার মর্যাদা রক্ষায় তিন দফা দাবিতে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বরিশাল ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেছেন অ্যানিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএনএসভিএম) অনুষদের শিক্ষার্থীরা।রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বরিশাল ক্যাম্পাসে ভেটেরিনারি সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানিম্যাল হাজবেন্ড্রি স্টুডেন্টস' অ্যাসোসিয়েশনের (ভিএএসএ) উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন।সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের (ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগ) পক্ষ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা এক সরকারি প্রজ্ঞাপনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরাধীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’-এর মোট ৪৯২টি পদ দুই অর্থবছরে রাজস্ব খাতে অস্থায়ীভাবে সৃজনে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৪৬টি এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২৪৬টি পদ সৃজনের কথা রয়েছে।এই প্রজ্ঞাপন জারির পর ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদে নিয়োগের যোগ্যতা, পেশাগত মর্যাদা ও পদোন্নতির কাঠামো নিয়ে ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দাবি ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় পবিপ্রবির এএনএসভিএম অনুষদের শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন করেন।শিক্ষার্থীদের প্রথম দাবি, ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ নিশ্চিত করা। তাদের দাবি, পদটির দায়িত্ব ও পেশাগত মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের যোগ্যতা নির্ধারণ করতে হবে।দ্বিতীয় দাবিতে শিক্ষার্থীরা পদোন্নতি ও পেশাগত মর্যাদার সুস্পষ্ট সীমা নির্ধারণের দাবি জানান। ক্যাডার কাঠামোয় অসামঞ্জস্য দূর করে নন-ভেটেরিনারি ব্যক্তিদের পদোন্নতির মাধ্যমে ভেটেরিনারি পেশাজীবীদের সমকক্ষ বা ঊর্ধ্বতন পদে আসার সুযোগ বন্ধের দাবি করেন তারা।তৃতীয় দাবিতে নতুন পদ সৃষ্টি, দ্রুত বাস্তবায়ন ও নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। দেশের প্রাণিসম্পদ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি উপজেলায় ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি নতুন সৃষ্ট পদগুলোতে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।এসময় ভিএএসএ এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল কাফি বলেন, “প্রস্তাবিত ‘সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার’ পদটি প্রথম শ্রেণির (৯ম গ্রেড) হওয়ায় এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাগত যোগ্যতা ও দক্ষতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রশাসনিক বিধি ও পেশাগত দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পদটিতে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো নন-ভেটেরিনারি ব্যক্তি বা ডিপ্লোমাধারীকে এ পদে নিয়োগের সুযোগ রাখা যাবে না।”ভিএএসএ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবু বক্কর সিদ্দিক রাফি বলেন, “দেশের প্রাণিসম্পদ সুরক্ষা ও জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে প্রতিটি উপজেলায় চারজন করে ভেটেরিনারি সার্জন (পশুচিকিৎসক) নিয়োগের সরকারি সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি এসব পদে শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রাণিসম্পদ খাতে বৈষম্য দূরীকরণ ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় পবিপ্রবিতে মানববন্ধন

ববির যশোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে রিয়ন-শাহরিয়ার

ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন যশোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের (২০২১-২০২২) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাহেদ শাহারিয়া রিয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের (২০২২-২০২৩) শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার ইসলাম।সম্প্রতি সংগঠনটির নতুন কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মো. সাহেদ শাহারিয়া রিয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. শাহরিয়ার ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়াও কমিটির বিভিন্ন পদে জায়গা পেয়েছেন ৫৯ জন শিক্ষার্থী। যশোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংগঠন। যশোর জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থে কাজ করার মাধ্যমে সংগঠনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

ববির যশোর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির  নেতৃত্বে রিয়ন-শাহরিয়ার

ববি রাজবাড়ী জেলা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রনি ও সম্পাদক প্রীতম

ববি প্রতিনিধি: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যয়নরত রাজবাড়ী জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'রাজবাড়ী জেলা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন'-এর ৯ম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ফিন্যান্স বিভাগের (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী মোঃ রনি শেখ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একক মনোনয়নে নির্বাচিত হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের (২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ) শিক্ষার্থী প্রীতম সাহা।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোঃ রনি শেখ এবং অনন্যা সাহা বৃষ্টি। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনে মোট ৭০টি ভোট কাস্ট হয়। এর মধ্যে মোঃ রনি শেখ ৪২টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অনন্যা সাহা বৃষ্টি পান ২৭টি ভোট এবং ১ টি ভোট নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে বাতিল গণ্য হয়।নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংগঠনের ৮ম কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি শাহিনুর আক্তার শানু। এছাড়া প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দেবপ্রিয়।নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ রনি শেখ তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "রাজবাড়ী জেলা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের একটি পরিবারের মতো। আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচিত করে সকল সদস্য যে আস্থা রেখেছেন, আমি তার মর্যাদা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব এবং সার্বিক কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাওয়াই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।"একক মনোনয়নে নির্বাচিত নতুন সাধারণ সম্পাদক প্রীতম সাহা বলেন, "সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষা ও শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকাই আমাদের অগ্রাধিকার। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সাথে পালন করব। সকলের সহযোগিতা নিয়ে রাজবাড়ী জেলার শিক্ষার্থীদের এই প্ল্যাটফর্মকে আমরা আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করে তুলতে বদ্ধপরিকর।"নবনির্বাচিত এই নতুন নেতৃত্ব বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত রাজবাড়ী জেলার সকল শিক্ষার্থীর কাছে সার্বিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন। শীঘ্রই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলেও নেতৃবৃন্দ জানান।

ববি রাজবাড়ী জেলা স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রনি ও সম্পাদক প্রীতম

দুটি পদ শূন্য রেখে বেরোবিতে প্রথমবারের মতো ছাত্র ফেডারেশনের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

দুটি নির্বাহী সদস্যপদ শূন্য রেখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুরে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেরোবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার সোহাগকে আহ্বায়ক এবং মিজানুর রহমান মিনারকে সদস্য সচিব করে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্যাডে সভাপতি সৈকত আরিফ ও সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন- অর্ঘ্য দীপ মজুমদার (অর্থ বিষয়ক), মো. শাহরিয়ার ইসলাম রাতুল (প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক), ফারহাতুল হাসান (দপ্তর বিষয়ক) এবং জীবন কুমার রায় (পাঠচক্র বিষয়ক)। নির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন শ্রীবাশ কুমার পাল, রিফাত শেখ ও কুনাল রায়। এছাড়াও নির্বাহী সদস্যের দুটি পদ শূন্য রাখা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ১৮ ধারা অনুযায়ী আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।

দুটি পদ শূন্য রেখে বেরোবিতে প্রথমবারের মতো ছাত্র ফেডারেশনের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি

১২০০ নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করে নিলো বেরোবি ছাত্রশিবির

পারভেজ হাসান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ১ হাজার ২০০ নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রংপুরের গুঞ্জন মোড় এলাকার রূপকথা থিম পার্ক ও কনভেনশন হলে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রত্যেক নবীন শিক্ষার্থীকে উপহার হিসেবে আল-কুরআন, ব্যাগ, কলম, চাবির রিং ও বই দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।বেরোবি শিবির সভাপতি রাকিব মুরাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ, রংপুর মহানগর সভাপতি আনিসুর রহমান, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ হোসাইন আহমদ মেহেদী।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নবীন শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা জিম বলেন, “অনুষ্ঠানে আসার আগে শিবির সম্পর্কে আমার মধ্যে ভয় ও নেতিবাচক ধারণা ছিল। তবে এখানে এসে তাদের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও কার্যক্রম দেখে সেই ধারণা বদলে গেছে। এখন মনে হচ্ছে, শিবির সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত অনেক ধারণার সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই।”অনুভূতি প্রকাশ করে আরেক নবীন শিক্ষার্থী জসিম মিয়া বলেন, “নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিবিরের পক্ষ থেকে আমাদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২২টি বিভাগের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বই, ব্যাগ, চাবির রিং ও কুরআন দেওয়া হয়েছে। এটি সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।”ক্যারিয়ার নিয়ে দিকনির্দেশনা দিতে গিয়ে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ নয়; এমন ধারণা ভুল। সিজিপিএ অন্তত ৩.৫০-এর ওপরে রাখলে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় সুযোগের দরজা খোলা থাকে। অক্সফোর্ড-ক্যামব্রিজের কাছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও র‍্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুটির কোনোটিই বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় নেই।”ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “আমরা রাজনীতির ধারা পাল্টে দিতে চাই। বাংলাদেশে কখনো চাঁদাবাজি করা ছাত্রদের কাজ হবে না।” তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য আইইএলটিএস কোর্স, হেলথ ক্যাম্প, উইন্টার ক্যাম্প, সাহিত্যচর্চা, রিসার্চ ওয়ার্কশপ ও জব শেয়ারের মতো বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন।বেরোবি শিবির সভাপতি রাকিব মুরাদ বলেন, “নবীনদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তারা যেন পরিবারের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি চরিত্র ও মেধার বিকাশ ঘটিয়ে একটি সুন্দর, মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে; এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

১২০০ নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করে নিলো বেরোবি ছাত্রশিবির
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream