বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

সারাদেশ

মানিকগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরের গলিত লাশ উদ্ধার

মানিকগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরের গলিত লাশ উদ্ধার

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কচুরিপানা থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরের গলিত লাশ উদ্ধার করেছেন সিংগাইর থানা পুলিশ।বুধবার(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের খাসেরচর পশ্চিমপাড়ার মুন্সিবাড়ি (শহর মুন্সির বাড়ি) সংলগ্ন জলাশয়ের কচুরিপানা থেকে এক অজ্ঞাত কিশোরের পঁচা-গলা লাশ উদ্ধার করেন।স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,বুধবার দুপুর ২টায় দিকে  স্থানীয় বাসিন্দারা পাশে থেকে পঁচা দুর্গন্ধ পায়। পরে খোঁজাখুঁজি এক পর্যায় শহর মুন্সির বাড়ির পেছনের কচুরিপানার মধ্যে একটি অর্ধগলিত মৃতদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে সিংগাইর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করেন।লাশটি পঁচে বিকৃত হয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি এটি হত্যা নাকি দুর্ঘটনা, তাখতিয়ে দেখতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিয়ের নাটক সাজিয়ে ইতালি প্রবাসী যুবকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মোবাইলে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক, এরপর বিয়ের আয়োজন। আর সেই বিয়েকে কেন্দ্র করে নানা কৌশলে ইতালি প্রবাসী এক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের এক তরুণী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত তরুণী দাবি করেছেন, তার পরিবার নেওয়া টাকা ফেরত দেবে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের চরযশোরদী গ্রামের আশরাফ আলীর ছেলে এরশাদ দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ জেলার এক তরুণী আরিফা রহমান ঐশীর সঙ্গে তার পরিচয় ও পরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।আরিফা রহমান ঐশীর বাবার নাম লিটন মিয়া ও মায়ের নাম জিবলী বেগম। তাদের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েজখালী-তেঘরিয়া এলাকায় বলে জানা গেছে।এরশাদ ও তার পরিবারের অভিযোগ, আরিফা ও তার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের আর্থিকভাবে সচ্ছল, সিলেট শহরে বাড়ি এবং বিদেশে অবস্থানরত স্বজনসহ নানা পরিচয় দিয়ে এরশাদ ও তার পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে বিয়ের প্রস্তাব দিলে এরশাদের পরিবারের সদস্যরা সিলেটে গিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের সময় সিলেট শহরে একটি বাড়ি ভাড়া করে বিয়ের আয়োজন করা হয় এবং কাবিননামায় ৮ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে এরশাদ ও তার পরিবারের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়।ভুক্তভোগী এরশাদের বাবা আশরাফ আলী বলেন, “আমার ছেলে ইতালিতে থাকে। মোবাইলে ওই মেয়ের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মেয়ের পরিবার নিজেদের অনেক পরিচয় দেয়। তারা বলে, মেয়ের মা কাউন্সিলর এবং বাবা লন্ডনে থাকেন। সিলেট শহরে তাদের বাড়িঘর রয়েছে। বিয়ের কথা বলে আমাদের সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।”তিনি আরও বলেন, “বিয়ের পর আমরা ছেলের বউকে বাড়িতে নিয়ে আসি। কিছুদিন পর তাকে বাপের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, তাদের দেওয়া আগের কথাবার্তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। কিন্তু এর আগেই বিভিন্ন কৌশলে আমার পরিবারের কাছ থেকে প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।”ইতালি প্রবাসী এরশাদ অভিযোগ করে বলেন, “বিয়ের কয়েকদিন পর আমার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা ধার হিসেবে নেওয়া হয়। আবার বিভিন্ন সময়ে আমার স্ত্রীকে দিয়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। একটি আইফোন কেনার জন্যও টাকা দিয়েছি। এছাড়া আমার বাবার কাছ থেকে ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৯ থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়েছে তারা।”তিনি আরও বলেন, “মোবাইলে আমার স্ত্রী ও শাশুড়ি যে পরিচয় দিয়েছিল, পরে তার অনেক কিছুর সঙ্গে বাস্তবতার মিল পাইনি। আমি জানতাম না যে, এভাবে প্রতারণার শিকার হব।”ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মেয়ের পরিবারের কথাবার্তায় সন্দেহ দেখা দিলে এরশাদের বাবা মেয়েকে তার শ্বশুরবাড়ি নগরকান্দায় নিয়ে আসেন। এরপর মেয়েকে পুনরায় সুনামগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।পরিবারটির দাবি, একপর্যায়ে মেয়ের মায়ের মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়। এমনকি ভিডিও কলে লাশ ফ্রিজে রাখা আছে বলেও দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর মেয়েকে নগরকান্দার শ্বশুরবাড়িতে আটকে রেখে জিম্মি করা হয়েছে—এমন অভিযোগ করে মেয়ের পরিবার নগরকান্দা থানায় যোগাযোগ করে। পরে পুলিশের সহযোগিতায় মেয়েকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং তারা সুনামগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন।নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, “মেয়ের বাবা-মা থানায় অভিযোগ করেন যে, তাদের মেয়েকে আটকে রেখে জিম্মি করা হয়েছে। অভিযোগের পর পুলিশ পাঠিয়ে মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছেলে পক্ষ চাইলে প্রতারণার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে।” ৮ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে একটি অঙ্গীকারনামাও করা হয়। তবে পরে বিভিন্ন কৌশলে মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।এ বিষয়ে আরিফা রহমান ঐশী বলেন, “মোবাইলে আমাদের সম্পর্ক হয়। বিয়ের পরে আমার পরিবারকে ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীর কাছ থেকে ও আমার শ্বশুরের কাছ থেকে আমার মা আরও ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়েছে। সেই টাকা ফেরত দেওয়া হবে, তবে কিছু সময় লাগবে।”তিনি আরও দাবি করেন, তার পরিবারের নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।তবে এরশাদ ও তার পরিবারের দাবি, বিয়ের নাটক সাজিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তারা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতারণার মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত তাদের টাকা ফেরত এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

বিয়ের নাটক সাজিয়ে ইতালি প্রবাসী যুবকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর বাসভবনের গ্যাসলাইনে আগুন

সিরাজগঞ্জ পৌর শহরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিজ বাসভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাতের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ওই এলাকার আরও দুটি ভবনের গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।বুধবার (০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বেলা সোয়া একটার দিকে সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের হোসেনপুর আল-মাহমুদ সড়কে অবস্থিত মন্ত্রীর বাসভবনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বজ্রপাত ও অগ্নিকাণ্ড: স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে মন্ত্রীর বাসভবনের প্রধান ফটকের ডান পাশের দেয়াল ঘেঁষে বাগানের ভেতরে থাকা ১০ ফুট দীর্ঘ গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যায় এবং লাইনের রাইজারটি আগুনে পুড়ে যায়।দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা: আগুনের তীব্রতা দেখে ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী শফিকুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন দেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।আশপাশের ভবনে ক্ষতি: একই সময়ে কাছের হোসেনপুর বাগানবাড়ির আরও দুটি ভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাত থেকে আগুন ধরে গেলে ফায়ার সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট গিয়ে তা নেভায়। এতে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপে বড় ধরণের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।জ্বালানিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আবু হেনা মোস্তফা নোমান জানান, হঠাৎ গ্যাসলাইনে আগুন ধরে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছিল। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খুব দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় কেউ হতাহত হননি।সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রহমান জানান, মন্ত্রীর বাসভবনসহ মোট তিনটি ভবনের গ্যাসলাইনে বজ্রপাতের কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। ফায়ার সার্ভিসের মোট তিনটি ইউনিট দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ ঘটনায় কিছু আর্থিক ক্ষতি হলেও কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেনি।

সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রীর বাসভবনের গ্যাসলাইনে আগুন

সৈয়দপুর রেলওয়ে স্কুল চত্বরে মাদক আড্ডা বন্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

নীলফামারী সৈয়দপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়’ চত্বরে সকাল-সন্ধ্যা বসছে মাদকসেবী ও কারবারীদের আড্ডা। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা ও সংলগ্ন এলাকার সামাজিক পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।চরম নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতি নিরসনে এবং মাদকমুক্ত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন।‎অভিযোগসূত্রে জানা যায়, স্কুলের দুইটি পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কিছু অসাধু ও বখাটে ব্যক্তি বিদ্যালয় ভবন দুটির প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকদ্রব্য গ্রহণ এবং আড্ডা দিয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের কর্মচারীরা এতে বাধা দিলে মাদকসেবিরা মারমুখী হয়ে নানা ধরনের হুমকি দিতে থাকে। এর ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরা নানাভাবে নেতিবাচক সামাজিক ও মানসিক প্রভাবের মুখোমুখি হচ্ছে।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা অত্যন্ত চিন্তিত। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর বিদ্যালয়ের আশেপাশে বহিরাগত ও অসৎ ব্যক্তিদের যাতায়াত ও মাদকের আড্ডা বাড়ে। এতে শুধু শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশই নষ্ট হচ্ছে না, বরং শিক্ষার্থীরাও চরম নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। আমরা দ্রুত পুলিশ প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপ এবং কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ কামনা করছি।‎এ বিষয়ে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম(রেজা) জানান, রেলপথ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিক। ওই এলাকায় অতি দ্রুত পুলিশের নৈশ ও বিশেষ টহল জোরদার করা হবে।তিনি বলেন, মাদকসেবনকারী বা সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ যে কেউ আমাদের তথ্য দিলে সাথে সাথে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মাদকের বিষয়ে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।‎স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ রক্ষা ও তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে বাঁচাতে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন দ্রুততম সময়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে স্কুল চত্বরে মাদক আড্ডা বন্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

নোয়াখালীতে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড়ে নারীকে ঝলসে দিলেন স্বজনরা

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ছাগলে শিমগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ঘটনায়  কুলছুমা(৩০) নামে এক নারীর শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে। গুরুতর আহত কুলছুমা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভুক্তভোগীর বাবা মো. জামসেদ বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এর আগে, গত রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আব্দুল গনি কুলছুমাকে বিয়ে করেন। গনির আগের সংসারের ছেলে সাইফুলের একটি ছাগল কয়েকদিন আগে কুলছুমার রোপণ করা একটি শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে কুলছুমা প্রতিবাদ করলে সাইফুল ও তার বোনদের সঙ্গে তার ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে কুলছুমার শরীরে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড় ঢেলে দেয় সাইফুল ও তার বোনেরা। এতে তার পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়।ঘটনার পর অভিযুক্তরা বিষয়টি কৌশলে পুলিশ বা স্থানীয় কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখার চেষ্টা করেন। তারা গোপনে চিকিৎসা করানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে ৫ হাজার টাকা দেয় এবং পরে আরও ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘটনাটি চেপে যেতে বলে। তবে প্রতিশ্রুত টাকা না দেওয়া এবং কুলছুমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ঘটনাটি জানাজানি হয়।চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ঘটনার কয়েকদিন পার হলেও বিষয়টি পুলিশকে না জানিয়ে গোপন রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে নাজমা ও আকলিমা নামে দুই অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নোয়াখালীতে ফুটন্ত গরম ভাতের মাড়ে নারীকে ঝলসে দিলেন স্বজনরা

উজিরপুরে তিন যানবাহনের সংঘর্ষে প্রতিবন্ধী নারী নিহত

বরিশালের উজিরপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি অজ্ঞাতনামা যানবাহন, লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে অজ্ঞাতপরিচয় এক প্রতিবন্ধী নারী নিহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে উপজেলার শিকারপুর ব্রিজ ও ইচলাদি টোলঘরের মধ্যবর্তী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত নারীর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। দুর্ঘটনার পরপরই তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তিনি প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৫ মিনিটের দিকে শিকারপুর ব্রিজ ও ইচলাদি টোলঘরের মধ্যবর্তী এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বরিশালগামী একটি অজ্ঞাতনামা যানবাহনের সঙ্গে বরিশালগামী একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স (ঢাকা মেট্রো-শ-১৩-০১৮৬) এবং কুয়াকাটা থেকে বেনাপোলগামী সেভেন ডিলাক্স পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৪৩১৪) সংঘর্ষ হয়।এ সময় মহাসড়কে থাকা ওই নারী গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উজিরপুর থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম ও আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।উজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে গৌরনদী হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ ও সংশ্লিষ্ট যানবাহনগুলোর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উজিরপুরে তিন যানবাহনের সংঘর্ষে প্রতিবন্ধী নারী নিহত

২৫০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর চাটখিলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে চাটখিল উপজেলার নোয়াখলা ইউনিয়নের শ্রীনগর সরকারি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্রকল্পের দক্ষিণ পাশে বালুর মাঠ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন—চাটখিল পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুন্দরপুর এলাকার বাসিন্দা মো. খোরশেদ আলম (৪০) এবং তার স্ত্রী শারমিন আক্তার মনি (২৫)।পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চাটখিল থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সন্দেহভাজন অবস্থায় খোরশেদ আলম ও শারমিন আক্তার মনিকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ২৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চাটখিল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোন্নাফ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে চাটখিল থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও মাদক পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।”

২৫০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

সৈয়দপুরে ট্রেনের ধাক্কায় আহত বৃদ্ধার মৃত্যু

নীলফামারীর সৈয়দপুরে ট্রেনের ধাক্কায় আহত অজ্ঞাত পরিচয় সত্তরোর্ধ বৃদ্ধা অবশেষে মারা গেছেন। আহত হওয়ার তিন দিন পর বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে শহরের পোস্ট অফিস মোড় সংলগ্ন ২ নং রেলগেটে খুলনাগামী রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ওই বৃদ্ধা আহত হন।  পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানেই তিনি আজ মারা গেছেন। সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নাজমুল হুদা বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, বৃদ্ধা গুরুত্বর জখম না হলেও বয়সের কারণে ভেতর থেকে খুবই ভেঙ্গে পড়েছিলেন। সেকারণে আঘাত সামলে উঠতে পারেননি। তাই যথেষ্ট চিকিৎসার পরও তিনি মারা গেছেন। সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, গত তিন দিনেও বৃদ্ধার  পরিচয় পাওয়া যায়নি। তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আজকের মধ্যে কোন আত্মীয় স্বজন না পাওয়া গেলে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে প্রশাসনের উদ্যোগে দাফন সম্পন্ন করা হবে। 

সৈয়দপুরে ট্রেনের ধাক্কায় আহত বৃদ্ধার মৃত্যু

অবৈধ ভাবে সার মজুত করায় ১ মাসের কারাদণ্ড

৫০০ বস্তা সার মজুত, গোদাগাড়ীতে ডিলারের এক মাসের কারাদণ্ড ।রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবৈধভাবে ৫০০ বস্তা সার মজুত রাখার অভিযোগে সোলায়মান পাটোয়ারী নামে এক সার ডিলারকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ডাইংপাড়া মোড়ে মেসার্স কৃষি ঘর নামে ওই সার ডিলারের প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান।অভিযানকালে সোলায়মান পাটোয়ারীর গোডাউনে মজুত করে রাখা ২০০ বস্তা এমওপি এবং ৩০০ বস্তা টিএসপি সার উদ্ধার করা হয়। মোট ৫০০ বস্তা সার মজুত রাখার অভিযোগে তাকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার অবৈধভাবে মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা অতিরিক্ত দামে বিক্রির চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবৈধ ভাবে সার মজুত করায় ১ মাসের কারাদণ্ড

বরিশালে ময়লার স্তূপ থেকে ২ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল নগরীতে ময়লা পরিষ্কার করার সময়  প্লাস্টিকের জারের ভিতর থেকে দুটি নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে নগরের নতুন বাজার এলাকার ফরেস্ট অফিসের সামনে থেকে নবজাতক দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নবজাতক দুইটির একটি ছেলে ও একটি  মেয়ে। প্রতি রাতের মত শহরের ময়লা- আবর্জনা পরিষ্কার করার সময় হঠাৎ প্লাস্টিকের বয়ামের ভিতরে নবজাতক  দুইটির মরদেহ দেখতে পেলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মৃত এই নবজাতক শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কে বা কাহারা কোথা থেকে এই বাচ্চা দুটোকে এখানে ফেলে রেখে গেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।এই ঘটনায় স্থানীয় এলাকা সহ নগরীতে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রহস্য উদঘাটনে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।

বরিশালে ময়লার স্তূপ থেকে ২ নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার

ডোমারে সুমন চন্দ্র নামে এক যুবকের আত্মহত্যা

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় সুমন চন্দ্র নামে এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত সুমন চন্দ্র বটতলী এলাকার বাবুল চন্দ্র রায়ের ছেলে।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, বুধবার সকালে সুমন চন্দ্রের আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়।তবে কী কারণে সুমন চন্দ্র আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ডোমারে সুমন চন্দ্র নামে এক যুবকের আত্মহত্যা

মৌলভীবাজারে মাদক কারবারির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১১ নম্বর মোস্তফাপুর ইউনিয়নের উত্তর জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আরাফাত আলী মনা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কোট রোড সড়কের রঘুনন্দনপুর এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা,বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মাওলানা মো. ফয়সল আহমদ হেলালী,ইয়াসিন আহমদ, শাবুউদ্দিন আহমদ,আলমাছ মিয়া,সুরুক মিয়া ও শফিক আহমদসহ স্থানীয়রা।বক্তারা অভিযোগ করেন,আরাফাত আলী মনা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাঁর কথিত মাদক কারবারের কারণে এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।মানববন্ধন শেষে অভিযুক্ত আরাফাত আলী মনার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানান।এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে একই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি আরাফাত আলী মনার বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়ে তাঁরা সেখানে মাদক সেবন ও মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পান বলে দাবি করা হয়। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে প্রশাসনের লোকজন এলাকায় আসেন। তবে তাঁদের উপস্থিতি টের পেয়ে আরাফাত আলী মনা সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, আরাফাত আলী মনা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁকে আটক করলেও পরে অদৃশ্য প্রভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন।এ ছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা আশিক মিয়ার দুটি গরু চুরি করে জবাই করার এবং গরুর মাংসের একাংশ ফ্রিজে ও অন্য অংশ পাশের নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশে শাস্তি ও জরিমানা করা হয়েছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগকারীর দাবি,তাঁদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে মানহানি ও অপদস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এ অবস্থায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশের কাছে আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারী।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আরাফাত আলী মনার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মৌলভীবাজারে মাদক কারবারির বিরুদ্ধে মানববন্ধন

শ্রীমঙ্গলে হাঁস শিকার করতে এসে বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে লোকালয়ে হাঁস শিকার করতে এসে দুইটি বনবিড়ালের বাচ্চা ধরা পড়েছে। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বাচ্চা দুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার (০১:৩০) দিকে উপজেলার লাহারপুর এলাকায় আব্দুল ওহাব উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সমর মোদকের বাড়ির হাঁসের চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা বাইরে এসে তিনটি বনবিড়ালকে হাঁস শিকারের চেষ্টা করতে দেখেন। এ সময় তারা বনবিড়ালগুলো ধরার চেষ্টা করলে একটি মা বনবিড়াল পালিয়ে যায়। পরে দুটি বাচ্চা বনবিড়ালকে আটক করে রাখা হয়।খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাচ্চা দুটিকে উদ্ধার করেন। পরে তারা বনবিড়াল দুটিকে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করেন।বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, বনবিড়াল সাধারণ গৃহপালিত বিড়ালের তুলনায় কিছুটা বড় এবং কান খাড়া। এরা সাধারণত মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করে। তবে শ্রীমঙ্গলের শহরতলি ও ঝোপঝাড়যুক্ত এলাকায়ও মাঝে মাঝে এদের দেখা যায়।পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ বলেন, বনবিড়াল মূলত নিশাচর প্রাণী। গোধূলি ও ভোরের সময় এরা বেশি সক্রিয় থাকে। দিনের বেলায় ঘন ঝোপঝাড়,কাশবন বা অন্য প্রাণীর পরিত্যক্ত গর্তে আশ্রয় নেয়। এরা সাধারণত একাকী জীবনযাপন করে এবং প্রজননকাল ছাড়া দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে না।তিনি আরও বলেন,বনবিড়ালের প্রধান খাদ্যের একটি বড় অংশ ইঁদুর। ইঁদুর ও ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ খাওয়ার মাধ্যমে এরা কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বনাঞ্চল ও প্রাকৃতিক আবাসস্থল কমে যাওয়ায় খাবারের সন্ধানে কখনো কখনো এরা লোকালয়ে ঢুকে হাঁস-মুরগি শিকার করে।

শ্রীমঙ্গলে হাঁস শিকার করতে এসে বনবিড়ালের বাচ্চা উদ্ধার

দুদকের মামলায় কারাগারে থাকা বান্দরবান সদরের পিআইও মিল্টন দস্তিদার বরখাস্ত

দুর্নীতির দায় আর এড়ানো গেল না। দুর্নীতি দমন কমিশনের দুদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকায় অবশেষে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হলেন বান্দরবান সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও মিল্টন দস্তিদারদুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই বরখাস্তের তথ্য জানানো হয়েছে।দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলহাজতে থাকলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়মেই এই ব্যবস্থা।বান্দরবানে ছিলেন ২ উপজেলার দায়িত্বে সূত্র জানায়, বরখাস্তকৃত মিল্টন দস্তিদার একসময় বান্দরবান সদর ও রোয়াংছড়ি উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দুই উপজেলার দুর্যোগ সহায়তা, ত্রাণ ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ তার হাত দিয়েই বাস্তবায়ন হতো।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের কথা, “যারা সরকারি টাকা-ত্রাণ নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, তাদের বিরুদ্ধে এভাবেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন। মামলার রায় না হওয়া পর্যন্ত এই বরখাস্তাদেশ বহাল থাকবে।

দুদকের মামলায় কারাগারে থাকা বান্দরবান সদরের পিআইও মিল্টন দস্তিদার বরখাস্ত

বাস-ইজিবাইক চলাচল নিয়ে দ্বন্দ্ব, ঝিনাইদহে সড়ক অবরোধ-ভাঙচুর

ঝিনাইদহে সড়কে বাস ও ইজিবাইক চলাচলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে সড়ক অবরোধ ও ইজিবাইক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার আঠারো মাইল এলাকায় ইজিবাইক ও বাসচালকদের মধ্যে সড়কে চলাচল নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের ওপর বাস রেখে অবরোধ করেন বাসশ্রমিকরা। এ সময় কয়েকটি ইজিবাইক ভাঙচুর করা হয়। ইজিবাইকচালক রাসেল অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা সড়কে ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু বাস মালিক সমিতি আমাদের চলতে দিচ্ছে না। এর আগেও সড়কে ইজিবাইক চালানোর জন্য বাস মালিকদের টাকা দিতে হয়েছে। এরপরও আমাদের সড়কে চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে।’ তবে জেলা বাস মালিক সমিতির সড়ক সম্পাদক ওহিদুল আলম থোকন বলেন, ‘ইতোপূর্বে সড়কে বাস ও ইজিবাইক চলাচল নিয়ে ইজিবাইক সমিতি ও বাস মালিক সমিতির মধ্যে সমঝোতা হয়েছিল। সে অনুযায়ী আঠারো মাইল পর্যন্ত ইজিবাইক চলাচলের বিষয়ে সম্মতি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ সদর উপজেলার আঠারো মাইল এলাকায় বিষয়টি দেখতে গেলে হঠাৎ ইজিবাইকচালকেরা অতর্কিত হামলা চালান। পরে শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেন।’ ইজিবাইক ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘উত্তেজিত শ্রমিকেরা কয়েকটি ইজিবাইক ভাঙচুর করেছেন।’ ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, সড়কে বাস ও ইজিবাইক চলাচল নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করতে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে। এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে দূরপাল্লার যাত্রীসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বাস-ইজিবাইক চলাচল নিয়ে দ্বন্দ্ব, ঝিনাইদহে সড়ক অবরোধ-ভাঙচুর

‎ডোমারে রেলগেট না থাকায় ফের দুর্ঘটনা, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তি

‎নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কাজীরহাট রেলঘুন্টি এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।‎বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ধারণা, খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় ওই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে নিহত হন।‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজীরহাট রেলঘুন্টি এলাকায় কোনো রেলগেট নেই। গভীর রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ের ওই ব্যক্তি রেললাইনের ওপর থাকাকালে চলন্ত ট্রেনের সামনে পড়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় ট্রেনের সজোরে ধাক্কায় তিনি নিহত হন। পরে ট্রেনটি তাকে টেনে-হিঁচড়ে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে নিয়ে যায়।‎সকালে স্থানীয়রা রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর পেয়ে চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য এবং চিলাহাটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহটি চিলাহাটি রেলওয়ে স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।‎সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার এসআই মাহবুব জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আনুমানিক ৫০ বছর বয়সী অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারীতে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।‎উল্লেখ্য, কাজীরহাট এলাকায় রেলগেট না থাকায় এর আগেও দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ সালের ২৪ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে চিলাহাটি রেলস্টেশনের অদূরে কাজীরহাটের অরক্ষিত লেভেল ক্রসিংয়ে ইটবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে খুলনাগামী একটি মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের হেলপার শাকিল (২২) নিহত হন এবং ট্রাকচালকসহ আরও দুজন গুরুতর আহত হন।‎স্থানীয়দের দাবি, কাজীরহাটে একটি নিরাপদ রেলগেট ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

‎ডোমারে রেলগেট না থাকায় ফের দুর্ঘটনা, ট্রেনের ধাক্কায় নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তি
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream