বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
Bangla FM

জাতীয়

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ে ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিউইয়র্কে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে এই সংকটের টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ৫ দফা প্রস্তাব পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।'দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: এ রিনিউড কল ফর এ ডিউরেবল সল্যুশন ফ্রম প্রোট্র্যাক্টেড ডিসপ্লেসমেন্ট, উইথ জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি' শীর্ষক ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে আসলেও অনির্দিষ্টকাল একা এই দায়িত্ব বহন করা সম্ভব নয়।প্রধানমন্ত্রীর পেশ করা ৫ দফা প্রস্তাবগুলো হলো: রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের নিয়ে একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করা; মিয়ানমারে বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করা এবং নিজভূমিতে রোহিঙ্গাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া, যাতে তারা প্রত্যাবাসনে আস্থা পান; রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উদার আতিথেয়তা প্রদানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখা; আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) বিচারিক ও তদন্ত কার্যক্রমকে অব্যাহত সহায়তা দিয়ে গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং মাদক পাচার, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা ও অবৈধ অস্ত্রসহ আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করা।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গারা বৈষম্য ও নিপীড়নের শিকার হয়ে আসছে এবং এই সংকটের উৎপত্তি ও সমাধান—উভয়ই মিয়ানমারেই নিহিত। তবে বর্তমান রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি নিরাপদ প্রত্যাবাসনের অনুকূল নয়।একই সঙ্গে ২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় মানবিক সহায়তার বাজেট কমানোর প্রবণতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানবিক সহায়তার উদারতা কখনো রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার অজুহাত হতে পারে না। বাংলাদেশ চায় রোহিঙ্গারা নিজেদের অধিকার নিয়ে নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে নিজ ঘরে ফিরে যাক এবং এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও তাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আগামীকাল জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে (UNGA 81) অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক দাতব্য, জনহিতকর ও মানবিক সহায়তা সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।আগামীকাল জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে রাষ্ট্রীয় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে এই বিশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই আয়োজনকে দেখা হচ্ছে।বৈঠকে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত ও প্রভাব বিস্তারকারী বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবিক ও জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:গেটস ফাউন্ডেশন (Gates Foundation)ভিসা ফাউন্ডেশন (Visa Foundation)রকফেলার ফাউন্ডেশন (Rockefeller Foundation)ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (IRC)রোটারি ইন্টারন্যাশনাল (Rotary International)চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জন এবং প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বৈঠকে তুলে ধরা হয়।বাংলাদেশে দারিদ্র্য হ্রাস, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মানোন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা তৈরি এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা বাড়াতে এসব সংস্থার সাথে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।প্রাতরাশ বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে যোগ দেন:দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি থেকে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির পথে’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এতে মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতের দাবি তুলে ধরা হয়। ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে রাষ্ট্রীয় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হিসেবে এটিই হতে যাচ্ছে সাধারণ পরিষদে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণ।

আগামীকাল জাতিসংঘে রাষ্ট্রীয় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

ভাইরাল ভিডিওর সেই বিউটি রাণীই সিলেটের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিউটি রাণী পাল জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন।সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশেদের স্বাক্ষর করা একটি স্মারকের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষকদের তালিকা বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে পাঠানো হয়।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে,বিভিন্ন উপজেলা থেকে বাছাই করা শিক্ষকদের মধ্য থেকে এবার চারজনকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিউটি রাণী পাল ছাড়াও রয়েছেন সিলেট সদর উপজেলার জহিরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন লস্কর,ওসমানীনগর উপজেলার আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান বেগম এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর চৌধুরীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আদরী রানী দাস।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাখাওয়াত এরশেদ চার শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বিউটি রাণী পাল চলতি বছরের ২৩ জুলাই নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও প্রকাশ করেন। এতে তাঁকে নীল শাড়ি পরা অবস্থায় বাতাসে আঁচল উড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। ভিডিওটির পেছনে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের জনপ্রিয় গান ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ ব্যবহার করা হয়।ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একটি পক্ষ ভিডিওটির কিছু অঙ্গভঙ্গি নিয়ে আপত্তি তোলে। অন্যদিকে শিক্ষক,লেখক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁর সমর্থনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলেন।পরে ওই ঘটনার প্রতিবাদে একই গান ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতীকী প্রতিবাদে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে দেশবাসী,পরিবার ও সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শিক্ষক বিউটি রাণী পাল।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সেই আলোচনার পর এবার জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার খবর নতুন করে তাঁকে আলোচনায় এনেছে।

ভাইরাল ভিডিওর সেই বিউটি রাণীই সিলেটের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু

সারা দেশে ছড়িয়ে পড়া হাম পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগ ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে দেশে চলমান এই হাম পরিস্থিতি ও মৃত্যুর হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গে সর্বমোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে।মোট মৃতের মধ্যে সরাসরি নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ১০১ জন এবং হামের বিভিন্ন মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে ৯৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন এবং ১ হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের বিভিন্ন উপসর্গ পাওয়া গেছে।এ পর্যন্ত দেশে মোট নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১ জন। আর হামের সন্দেহভাজন মোট সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছেন মোট ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন রোগী।একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন। হাম মহামারি ও সংক্রমণ ঠেকাতে আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পাশাপাশি শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণদের টিকাদানের তাগিদ দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু

বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়াতে ঢাকায় অফিস চায় মেটা

ফেসবুকের মালিকানাধীন মার্কিন বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা রাজধানী ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আজকে আমাদের মেটার সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ এটি মিটিং হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেখানে থাকার কথা ছিল। সময়ের কারণে থাকতে পারেননি।’তিনি বলেন, মেটার সঙ্গে ঢাকায় অফিস খোলার বিষয়ে কথা হয়েছে। তারা খুবই আগ্রহী। এর ফোকাল পয়েন্ট ঢাকায় করবে কারণ ভারতের চেয়েও বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারী বেশি। আমাদের সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট (সিএসএ) নিয়েও কথা হয়েছে। আমাদের ই-কমার্স, অনলাইন ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে মেটা সহযোগিতা করবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণসহ নিউইয়র্ক সফরের প্রথম দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে ব্যবসা বাড়াতে ঢাকায় অফিস চায় মেটা

জনস্বার্থে পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি

বদলি করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে। জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁদের নামের পাশে উল্লেখিত পদে বদলি করে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখার অতিরিক্ত ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খানের সই করা প্রজ্ঞাপনে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুমকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), ঢাকার মো. জাকিরুল হাসানকে বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আসহাবকে এসবি, ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীনকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। পড়াশোনা শেষে মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকায় রিপোর্ট করেছিলেন।এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুল হককে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল আলমকে এসবি, ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।এ ছাড়া বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার সুশান্ত মজুমদারকে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ৩ অক্টোবরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে হবে। অন্যথায় ৪ অক্টোবর থেকে তাঁদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।

জনস্বার্থে পুলিশের ৭ কর্মকর্তাকে বদলি

নৈতিক শিক্ষা না থাকলে ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝা কঠিন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নানা অধঃপতন ও অবক্ষয় সমাজে নৈতিক শিক্ষায় কম গুরুত্ব দেওয়ার ফলেই দেখা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে নৈতিক শিক্ষার অভাব দেখা দিলে কোনটি ভালো আর কোনটি মন্দ, সেই মৌলিক পার্থক্য অনুধাবন করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শীর্ষক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।  ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিটি শিশুর লেখাপড়া ও মৌলিক বিকাশের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তবে অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের অসচেতনতা ও উদাসীনতার কারণে শিশুরা মাঝপথেই শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়ছে।তিনি আরও জানান, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা, পুনর্বাসন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সমাজের প্রতিটি স্তরে শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

নৈতিক শিক্ষা না থাকলে ভালো-মন্দের পার্থক্য বোঝা কঠিন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ওবায়দুল কাদেরের মামলার রায় নিয়ে মন্তব্য, দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির জুলাই গণআন্দোলনের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করার অভিযোগে দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে শুনানির জন্য ওই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনাল এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুই আইনজীবীকে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে তলব করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হন।দুই আইনজীবী হলেন হাসানুজ্জামান তুষার ও হাসান চৌধুরী। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।গত ১৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জুলাই গণআন্দোলনের সময়কার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।ওবায়দুল কাদের ছাড়া মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

ওবায়দুল কাদেরের মামলার রায় নিয়ে মন্তব্য, দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে দাড়াবেন না কোন আইনজীবী

কুমিল্লায় আলোচিত ইয়াশাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির নেতারা।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে জেলা আইনজীবী সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাহাবুবুল হক খন্দকার।আলোচনা সভায়,  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়।অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ বলেন, “আমরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মৌখিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির কেউ অপ্রতিম হত্যা মামলায় আসামিদের পক্ষে লড়বেন না।”তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী না দাঁড়ালে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা যদি আসামির পক্ষে কেউ না দাঁড়াই, তাহলে রাষ্ট্র নিজেই আসামির পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করবে। কারণ একতরফা বিচার হলে সেখানে ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।”সভায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।(সংগৃহীত)

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে দাড়াবেন না কোন আইনজীবী

স্থানীয় সরকার ভোটের সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী

চলতি বছরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এই ভোট শুরু হতে পারে আগামী বছরের প্রথম দিকে। ইউপি নির্বাচন আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে শেষ করা হবে৷ ভোটের তারিখ ঠিক করবে নির্বাচন কমিশন৷বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।মীর শাহে আলম জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে মন্ত্রণালয়। সবচেয়ে বেশি প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য। স্থানীয় সরকারের সব অফিস, দফতরসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ভবনের ছাদে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সোলার প্যানেল বসানো হবে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর আওতায় ৬৫৪৪টি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সোলার প্যানেল বসানো হবে। এর জন্য ৩৭০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে এসব সোলার প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। ছাদে বসানো এসব সোলার প্যানেল থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এরমধ্যে ১৫০ মেগাওয়াট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা ব্যবহার করবে, বাকি ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরকারের কাছে বিক্রি করবে।

স্থানীয় সরকার ভোটের সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী

নিজ ভূমিতে রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিকল্প নেই: তারেক রহমান

'মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই' বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন।তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় দীর্ঘদিন ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। সংকটের স্থায়ী সমাধানে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।'প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থী-বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।প্রধানমন্ত্রীর সরকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক বাসস'কে এ কথা জানান।সহকারী প্রেস সচিব বলেন,  দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ও সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে বৈঠকে  গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হয়।দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এ সময় বারহাম সালেহ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

নিজ ভূমিতে রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিকল্প নেই: তারেক রহমান

মানবাধিকার সুরক্ষায় ঝুঁকি বাড়িয়েছে তিন আইন: এইচআরডব্লিউ

সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া তিনটি আইন বাংলাদেশের মানবাধিকার সুরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এমন দাবি করেছে। সংস্থাটির মতে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় নেওয়া কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থা বাতিল বা সীমিত করা হয়েছে এসব আইনের মাধ্যমে। ফলে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো অতীতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর সক্ষমতা কমতে পারে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ।এইচআরডব্লিউ বলেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (এনএইচআরসি) শক্তিশালী করতে দুটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। এর আওতায় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত, গুম প্রতিরোধ এবং আটককেন্দ্র পরিদর্শনের মতো ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল।তবে সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া নতুন এনএইচআরসি আইনে কমিশনের সরাসরি তদন্তের ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে প্রতিবেদন দিতে বলা যাবে। তবে ওই প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হলে বা প্রতিবেদন না দিলে কমিশনের নিজস্ব তদন্তের সুযোগ রয়েছে বলে আইনে উল্লেখ আছে।এইচআরডব্লিউর মতে, নতুন আইনে কমিশনার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারের প্রভাব বাড়ানো এবং কমিশনের বাজেট ও প্রশাসনিক স্বাধীনতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হওয়া জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে এইচআরডব্লিউ।সংস্থাটির দাবি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধ্যাদেশে গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা এনএইচআরসিকে দেওয়া হলেও নতুন আইনে সেই দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত বাহিনীকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো নিরাপত্তা সংস্থা বা আন্তঃসংস্থা তদন্ত দলের মাধ্যমে তদন্তের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।এ ছাড়া আটককেন্দ্র, এমনকি গোপন আটককেন্দ্রের সন্দেহ থাকলেও সেগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শনের যে ক্ষমতা আগের অধ্যাদেশে কমিশনকে দেওয়া হয়েছিল, নতুন আইনে তা আর নেই বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।গুমের ঘটনায় কমান্ড রেসপনসিবিলিটির আইনি মানদণ্ডও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে। আগের ব্যবস্থায় কোনো কর্মকর্তা কোনো লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতেন বা জানা উচিত ছিল এবং তা প্রতিরোধ করতে পারতেন—এমন পরিস্থিতিতেও দায় নির্ধারণের সুযোগ ছিল। নতুন ব্যবস্থায় সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার প্রমাণ প্রয়োজন হবে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।১০ সেপ্টেম্বর সংসদে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন আইন পাস করে র‍্যাবের নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) করা হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন নামে বাহিনীটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে।সংস্থাটির দাবি, র‍্যাবের জনবল, ক্ষমতা ও সম্পদ, এমনকি নথিপত্রও নতুন বাহিনীতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাহিনীটির লোগোও একই রাখা হয়েছে, শুধু ‘RAB’-এর পরিবর্তে ‘SRB’ লেখা হয়েছে।এইচআরডব্লিউ বলছে, নতুন আইনে নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য পর্যাপ্ত মানবাধিকার সুরক্ষা, প্রশিক্ষণ, স্বাধীন তদারকি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা রাখা হয়নি।এইচআরডব্লিউর এশিয়া বিষয়ক পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেন, অতীতের গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে প্রকৃত সংস্কার এবং নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তের পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থা প্রয়োজন।তার মতে, নিরাপত্তা বাহিনীকে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহির বাইরে রাখার উদ্যোগ মানুষের আস্থা তৈরিতে সহায়ক নয়।তবে সরকারের পক্ষ থেকে এনএইচআরসি আইনকে মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদারের উদ্যোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বলেছেন, নতুন আইনে কমিশনকে আরও কার্যকর ও স্বাধীন করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মানবাধিকার সুরক্ষায় ঝুঁকি বাড়িয়েছে তিন আইন: এইচআরডব্লিউ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সাইডলাইন বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা।বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।এ সময় বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক অংশীদারত্বের ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সাইডলাইন বৈঠক

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের যেসব দেশ উন্নতি করেছে, তারা শিক্ষা, গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনের পেছনে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছে। মেধাবী মানবসম্পদ গড়ে তোলার পাশাপাশি এসব খাতে বিনিয়োগ দেশের উন্নয়নের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।তিনি  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর)  সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (SUST) অডিটোরিয়ামে সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।মন্ত্রী কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আগামী দিনের বাংলাদেশকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে মেধার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের শুধু নিজেদের সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পরিবার, বন্ধু ও সমাজের অন্যদেরও সঠিক পথে চলতে উৎসাহিত করতে হবে। মাদক থেকে দূরে থেকে জ্ঞান, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে তরুণদের নতুন প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিলেটে একটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা শিগগিরই সিলেট সফর করবেন। এর মাধ্যমে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা এআইসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে।খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। সিলেটেও অনেক ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন, যারা মাসে কয়েকশ থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করছেন। এই সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে হবে, যাতে মেধাবী ও সম্ভাবনাময় তরুণরা আধুনিক প্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের জ্ঞান অর্জন করে নিজেদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় অবদান রাখতে পারেন।সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক দিদার চৌধুরী। এসময় সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেইন, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াতসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দেশের উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন নজরুলের প্রথম স্ত্রী

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ডে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে মাকছুদাকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক হবে।ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে এ আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা জানান প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম।এর আগে রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।পরে রোববার রাতে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন মরিয়মের বাবা মাসুম বিল্লাহ। মামলায় জামায়াতে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।মামলার বাদী মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, আসামিরা সবাই মিলে তার মেয়েকে নির্যাতন করে হত্যা করেছেন। তিনি বিশেষভাবে ওবায়দুর রহমানকে ঘটনার মূল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামকে আদালতে হাজির করা হয়। সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন নজরুলের প্রথম স্ত্রী

১ পয়সা বেশি ভাড়া আদায় করা হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী

সরকার নির্ধারিত হারের চেয়ে প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সাও বেশি বাসভাড়া আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে সতর্ক করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করলে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হবে। একই সঙ্গে ওই পরিবহনকে পরবর্তী সময়ে আর কোনো রুট পারমিট দেওয়া হবে না।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণের বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রচলিত আন্তর্জাতিক ও জাতীয় নীতিমালার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি লিটার জ্বালানির দাম এক টাকা বাড়লে বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে এক পয়সা বাড়ে। সে হিসাবে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ায় কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সুযোগ ছিল।তবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক হারের চেয়েও কম, অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি।মন্ত্রী বলেন, ১৭ পয়সার বেশি কোনোভাবেই ভাড়া বাড়ানো বা আদায় করা যাবে না। এ বিষয়ে কঠোরভাবে নজরদারি করা হবে এবং নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে।রেল ও নৌপথের ভাড়া বাড়ানো হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ট্রেন ও লঞ্চের ভাড়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।রেলভাড়া প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, সাধারণ মানুষের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেনের ভাড়া যাতে না বাড়ে, সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।এর আগে মঙ্গলবার সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠক শেষে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণের তথ্য জানান জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।

১ পয়সা বেশি ভাড়া আদায় করা হলে রুট পারমিট বাতিল: সড়ক মন্ত্রী
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream