রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

ক্রিকেট

এক ম্যাচে ইতিহাস, পরের ম্যাচেই হতাশা

এক ম্যাচে ইতিহাস, পরের ম্যাচেই হতাশা

ঢাকার হলগুলোতে আংশিক রঙিন সিনেমার প্রচলন হওয়ার পর প্রথম অংশে সাদা-কালো, পরের অংশে রঙিন সিনেমা দেখে মুগ্ধ ছিলেন দর্শক। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া দুই টেস্টের সিরিজটিও ছিল অনেকটা সে রকম। তবে এখানে রঙিন অংশ আগে, সাদা-কালো অংশ পরে। ডারউইনে দাপুটে ক্রিকেট খেলে ঐতিহাসিক জয় পান শান্তরা। সেই রোমাঞ্চ বিশ্বজুড়েই সমাদৃত ছিল। দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে না পারায় এমন সাফল্যের স্মৃতিই আজ ঝাপসা দেখাচ্ছে। দুই দিনে টেস্ট হারের বাজে অভিজ্ঞতা সিরিজের রঙিন অংশকে আড়াল করে দিয়েছে। সিরিজ শেষের সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হোসেন শান্তকে তাই কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। কিছু বিষয় মেনেও নেন অধিনায়ক। তিনি স্বীকার করেন, দ্বিতীয় টেস্টে মোটেও ভালো করতে পারেননি। দুই দিনে টেস্ট হারায় কিছুটা খারাপও লেগেছে তাঁর। যদিও তিনি মনে করিয়ে দেন, এক ম্যাচ আগেই বিশ্বসেরা দলকে হারিয়ে আলোড়ন তুলেছিলেন ক্রিকেটবিশ্বে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘কেউ ক্যাজুয়াল ছিল না। সবার ইচ্ছা ছিল ভালো করা। হতাশাজনক হলো আমরা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। একটা জিনিস বুঝতে হবে ২৩ বছর পর এ রকম কন্ডিশনে খেলতে এসে বিশ্বসেরা বোলিংয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলা কঠিন। আমি অজুহাত দিচ্ছি না। যারা নিয়মিত খেলে, তারাও কলাপস করে। আমরা খারাপ খেলেছি, কারণ কন্ডিশন অনেক কঠিন ছিল। খেলোয়াড়রা চেষ্টা করেছে। শেষে যেটা বলব, অবশ্যই আমরা আরেকটু ভালো খেলতে পারতাম।’ ম্যাকাইয়ে পেস ও বাউন্সি উইকেটে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল স্বাগতিকরা। সিরিজ বাঁচাতে বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। মিচেল স্টার্ক একা ১০ উইকেট নিয়েছেন সিরিজে! পেট কামিন্সও ছিলেন ধারাবাহিক। কঠিন উইকেটে এই বোলিং মোকাবিলা করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলা কঠিন ছিল। শান্তর মতে, ‘আমি যখন ফিল্ডিং করছিলাম, স্লিপে তখন ভাবছিলাম আসলেই অনেক বড় দলকে হারিয়েছি আমরা। প্রথম ম্যাচ জেতার পর খুব উত্তেজনা কাজ করেনি। গত দুই দিনে আমার অনেক উপলব্ধি হয়েছে, অনেক ভালো ম্যাচ জিতেছি। অবশ্যই এটা গর্ব করার মতো। এ ধরনের অভিজ্ঞতা আমাদের অনেক কাজে দেবে। নিউজিল্যান্ডে এ রকম একটা অভিজ্ঞতা ছিল। আশা করি, দক্ষিণ আফ্রিকায় জিততে পারব। ইতিবাচক দিকগুলোই নিতে চাই। পাশাপাশি যে ভুলগুলো হয়েছে, সেখানে উন্নতি করতে চাই।’ এই ভালো দিকগুলোর মধ্যে বোলারদের প্রাপ্তি বেশি। হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান মিরাজ প্রথম টেস্টে দারুণ করেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় টেস্টে ২১০ রানে বেঁধে ফেলার কারিগর ছিলেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। ব্যাটিংটা একটু ভালো হলে অসিদের চাপে ফেলার সুযোগ ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে অধিনায়ক শান্তর মত, ‘আমার মনে হয়, দ্বিতীয় ইনিংসে আরেকটু ভালো ব্যাটিং করতে পারতাম। তবে ওরাও ব্যাটিংয়ে অনেক সংগ্রাম করেছে। উইকেটটা অনেক কঠিন ছিল। হ্যাঁ, কিছু বাজে শট খেলেছি আমরা। আমি কারও ওপর আঙুল তুলতে চাই না। কারণ দল হিসেবে ভালো করতে পারিনি। আমি সেট হয়ে যে সময় আউট হয়েছি, তা গ্রহণযোগ্য নয়। আমার উচিত ছিল ইনিংস আরেকটু লম্বা করা। একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, এ রকম কন্ডিশন, এ রকম বোলিংয়ের বিপক্ষে আমরা কখনও খেলিনি। কোনো ব্যাটারকে পয়েন্ট আউট করা আমার মনে হয় না ভালো হবে। এই অভিজ্ঞতা সঙ্গে নিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো করা যায়, সেটা গুরুত্বপূর্ণ।’ পেস ও বাউন্সের নামে মানহীন উইকেটে খেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। এক দিনে ১৮ উইকেট হারানোর ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি শান্তর দৃষ্টিতে আনা হলে তিনি বলেন, ‘যখন উপমহাদেশে খেলি, এক দিনে ১৮-১৯ উইকেট পড়লে অনেক কথা হয়। অথচ এখানে প্রথম দিন ১৮ উইকেট পড়ে। উইকেট খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে ১৮ উইকেটে পড়েছে। আমাদের একার না, দুই দলের উইকেট পড়েছে। ওদেরও ব্যাটিং করতে সমস্যা হয়েছে।’  দুই দিনে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়া নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে টাইগার অধিনায়ক রেকর্ড মনে করিয়ে দেন, ‘সত্যি বলতে, দুই দিনে খেলা শেষ হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এ রকম কন্ডিশনে দুই বা তিন দিনে ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার ঘটনা অনেকবারই ঘটেছে। এমনটা হতেই পারে।’  ম্যাকাইয়ে দুই দিনে ইনিংস ও ৫১ রানে দ্বিতীয় টেস্ট হারলেও সিরিজ ড্র হয়েছে ১-১ ব্যবধানে। সে কথাই মনে করিয়ে দেন শান্ত,‌ ‘আপনারা কি ভুলে গেছেন প্রথম টেস্ট। আমার মনে হয়, দেশের মানুষ ভোলেনি, কেউ ভোলেনি। এই ম্যাচে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি। একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, আমরা কোন দলকে হারিয়েছি, এই টেস্টের ফল দেখলে বোঝা যাবে। ব্যাটিংয়ে দুইশতে অলআউট করে দিয়েছি। সব মিলিয়ে আমি বলব, সিরিজ উদযাপন করা উচিত এবং এই টেস্ট ম্যাচ থেকে শেখা উচিত কীভাবে কী করতে পারি।’

দেশে-বিদেশে ব্যর্থ পাকিস্তান

পাকিস্তান লিডস টেস্টে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে। পাঁচ দিনের ম্যাচে টিকতে পারেনি তিন দিনও তারা। ইংল্যান্ডের কাছে শুক্রবার (২১ আগস্ট) তৃতীয় দিনের চা বিরতির আগেই ইনিংস ও ১০৩ রানের ব্যবধানে হেরেছে পাকিস্তান। ম্যাচ শেষে সালমান আলী আগা পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক স্বীকার করেছেন, দেশের ভেতরে ও বাইরে কোনো জায়গাতেই ভালো করতে পারছে না তাদের দল।সালমান আলী আগা বাবর আজমের চোটের কারণে লিডস টেস্টে পাকিস্তান দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর তিনি বলেন, 'বোলিং, ব্যাটিং এবং ফিল্ডিং—সব বিভাগেই ইংল্যান্ড আমাদেরকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কোনো বিভাগেই আমরা যথেষ্ট ধারাবাহিক ছিলাম না। ইংল্যান্ডে ধারাবাহিকতা খুব জরুরি, কারণ এখানে বলের পার্শ্বীয় মুভমেন্ট হয়, তাই সব সময় মনোযোগী থাকতে হয়। সেই ব্যাপারটিরই অভাব ছিল। আমরা মনে করি, এই ধারাবাহিকতার অভাবের কারণেই আমাদের এমন পারফরম্যান্স হয়েছে।' পাকিস্তান গত তিন বছরে ১৯ টেস্টের ১৪টিতেই হেরেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের কাছে ঘরে-বাইরে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে তারা। সালমান বলেন, 'দেশের বাইরে আমরা ভালো খেলছি না। বিশ্বের কোথাওই আমরা ভালো করতে পারিনি। অবশ্যই এটা উদ্বেগের ব্যাপার। প্রতিটি বৈঠকেই আমরা এ নিয়ে আলোচনা করি। এমনকি দলের আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরেও। চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা।' তিনি আরও বলেন, 'যেকোনো পাকিস্তানি দলের জন্যই ইংল্যান্ড সফর একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। সম্পূর্ণ ভিন্ন কন্ডিশন থেকে এখানে এসেছি আমরা। এমন নয় যে এক মাস আগে এখানে এসেছি; মাত্র এক সপ্তাহ আগেই এসেছি। আপনারা হয়তো এই দুই দলের মধ্যে বিশাল পার্থক্য দেখতে পেয়েছেন। কিন্তু যেকোনো এশীয় দল এখানে এলে শুরুতেই সমস্যায় পড়ে। এখানকার কন্ডিশন এমন নয় যে এক সপ্তাহের মধ্যে মানিয়ে নেওয়া যায়। আমরা চেষ্টা করছি এবং আপনারা দেখবেন পরের ম্যাচে আমরা আরও ভালো খেলবো।'

দেশে-বিদেশে ব্যর্থ পাকিস্তান

বাংলাদেশকে হারানো সহজ নয়: অজি কোচ

ডারউইনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সেরা দল অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের কাছে শোচনীয় হার মানতে পারছে না। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড স্বাগতিকদের নিজস্ব মাঠে এমন অপ্রত্যাশিত ভরাডুবির পর নিজের হতাশা ও ক্ষোভ গোপন রাখতে পারেননি। দেশটির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়াতে তিনি স্বীকার করেছেন যে, এমন বিপর্যয় মেনে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন এবং দল হিসেবে নিজেদের নির্ধারিত মান ধরে রাখতে তারা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিং এবং চলমান ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থাকা সত্ত্বেও নিজেদের চেনা কন্ডিশনে মাঠের লড়াইয়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধির সামনে একপ্রকার ধসে পড়েছিল অজিরা।অজি প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড নিজের দলের এমন ছন্দহীন পারফরম্যান্সে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, দুই ইনিংস মিলিয়ে ৫০০ রানের কম করা প্রমাণ করে দলকে নিজেদের খেলায় অনেক বেশি উন্নতি করতে হবে। প্রথম টেস্টে হারের পর একাদশ ও দল নির্বাচন নিয়ে চতুর্দিক থেকে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠলেও আবেগপ্রবণ হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চান না তিনি। এই কোচ ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা সাজিয়ে এবং প্রয়োজনে একাদশে পরিবর্তন এনে সাফল্য পাওয়ার পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ম্যাকাইয়ে আগামী ২২ আগস্ট থেকে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের ধারায় ফিরতে মরিয়া অস্ট্রেলিয়া দল। তবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর কাজটি মোটেও সহজ হবে না বলে অকপটে মেনে নিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড। বর্তমানে দুর্দান্ত ফরমে থাকা ও আত্মবিশ্বাসে তুঙ্গে থাকা বাংলাদেশকে হারাতে স্বাগতিকদের শতভাগ সেরা ক্রিকেট খেলতে হবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। সিরিজ হারের বড় লজ্জা এড়াতে ভুলগুলো শুধরে নিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই স্বরূপে ফেরার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্যাঙ্গারু কোচ।

বাংলাদেশকে হারানো সহজ নয়: অজি কোচ

এশিয়া কাপ-এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী দল

জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০তম এশিয়ান গেমস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য নারী এশিয়া কাপের জন্য নারী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপ আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইন্দোনেশিয়া। অন্যদিকে, ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে-সাতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং হংকং।৩১ আগস্ট বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মিশন শুরু করবে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে তারা। ৮ সেপ্টেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল।সেমিফাইনালের টিকিট পাবে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল। ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর দু’টি সেমিফাইনাল এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। সবগুলো ম্যাচই দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের আলোয় অনুষ্ঠিত হবে।এ দিকে, টুর্নামেন্টের অন্যান্য দলের চেয়ে র‍্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থায় থাকায় এশিয়ান গেমসে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে ১৭ সেপ্টেম্বর কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে চীনের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি জিতলে সেমিফাইনালে ভারত বা জাপানের বিপক্ষে খেলবে তারা। বাংলাদেশ নারী দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শারমিন সুলতানা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, ঋতু মণি, ফাহিমা খাতুন, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা। 

এশিয়া কাপ-এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী দল

টাইগারদের ধাক্কার পর এবার শাস্তির শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশের কাছে ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়া রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে। অজিরা টাইগারদের কাছে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে। হারের পর আরও একটি দুঃসংবাদ পেতে যাচ্ছে স্বাগতিকরা। ধীরগতির ওভার রেটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড়দের জরিমানা করার কথা ভাবছে আইসিসি।অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে অন্যতম বড় হারগুলোর একটি হচ্ছে ঘরের মাঠে বিশাল ব্যবধানের হার। আর এই ম্যাচেই প্যাট কামিন্সের দল স্লো ওভার-রেটের খড়গে পড়তে যাচ্ছে।আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, টেস্টে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ ওভার করে বোলিং করতে হয়, সে হিসেবে সারাদিনে অন্তত ৯০ ওভার বোলিং করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু গত শনিবারে নির্ধারিত সময়ে মাত্র ৮৬ ওভার করতে পেরেছিল অস্ট্রেলিয়া, যা সর্বনিম্ন সীমার চেয়ে চার ওভার কম।আইনি বিধান অনুযায়ী, নির্ধারিত ওভারের চেয়ে প্রতি এক ওভার কম করার জন্য খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ কেটে রাখতে পারে আইসিসি। প্রতি টেস্টে প্রতিটি অজি খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি ২০ হাজার ডলার হওয়ায়, এক ওভারের জন্য ১ হাজার ডলার করে চার ওভারে মোট ৪ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।কেবল আর্থিক জরিমানাই নয়, স্লো ওভার-রেটের কারণে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লুটিসি) পয়েন্ট টেবিল থেকেও চার পয়েন্ট কাটা যেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া ৮৪ পয়েন্ট এবং ৭৭.৭৮ জয় শতাংশ নিয়ে পয়েন্ট তালিকার প্রথম স্থানে অবস্থান করছে। অন্যদিকে, ৩৬ পয়েন্ট এবং ৭৫ জয় শতাংশ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। আর ৪০ পয়েন্ট ও ৬৬.৬৭ শতাংশ জয় নিয়ে চারে বাংলাদেশ।

টাইগারদের ধাক্কার পর এবার শাস্তির শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রেকর্ডের পাতায় হাসান-মিরাজ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ বাংলাদেশের ৯ উইকেটে জয়ে বড় অবদান রাখেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে গুড়িয়ে দেন মিরাজ যদিও প্রথম ইনিংসে বল হাতে উইকেট পায়নি কোনো।২০১৯ সালে ভারতের কুলদীপ যাদবের  সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার পর সফরকারী স্পিনার হিসেবে পাঁচ উইকেট শিকারের কীর্তি গড়লেন মিরাজ। ২০১৩ সালের পর অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ উইকেট নেওয়া সফরকারী স্পিনার হলেন কুলদীপ ও মেহেদী। ২০১০ সালে সর্বশেষ অ্যাডিলেডে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন ইংল্যান্ড স্পিনার গ্রায়েম সোয়ান। ডারউইন টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মিরাজ। এ নিয়ে চতুর্থবার এক টেস্টে পঞ্চাশোর্ধ্ব রান ও পাঁচ উইকেট নেওয়ার নজির গড়লেন মিরাজ। যা বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন বাংলাদেশের হাসান। এক টেস্টে ১১১ রানে ৯ উইকেট শিকারে কোনো টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের কোনো পেসারের দ্বিতীয় সেরা পরিসংখ্যান। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় নিজের অভিষেক টেস্টে কোনো সফরকারী পেসারের এটি তৃতীয় সেরা পারফরম্যান্সে। এর আগে ১৯৯০ সালে এমসিজিতে পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম এবং ১৯২৪ সালে একই মাঠে ইংল্যান্ডের মরিস টেট ১১টি করে উইকেট নিয়েছিলেন। আকরাম ১৬০ রান ও টেট ২২৮ রান খরচ করেছিলেন। 

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে রেকর্ডের পাতায় হাসান-মিরাজ

ভারত-পাকিস্তানকে টপকে এশিয়ায় দ্রুততম জয় বাংলাদেশের

বাংলাদেশ ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো দুই ম্যাচে টেস্ট সিরিজ খেলেছিল। দীর্ঘ ২৩ বছর অপেক্ষা করতে হলো দ্বিতীয় আমন্ত্রণ পেতে টাইগারদের। মাত্র তৃতীয় টেস্ট খেলতে নেমেই ঐতিহাসিক জয়ের দেখা পেয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।এতে এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ায় দ্রুততম জয়ের রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। পরাশক্তি অজিদের বিপক্ষে প্রথম জয় পেতে পাকিস্তানের লেগেছিল ৭ টেস্ট এবং ভারতের ১২ টেস্ট। আর ১৫ বার চেষ্টা করেও এখনও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জিততে পারেনি শ্রীলঙ্কা।  এছাড়া ৩১ বছর পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া ঘরের মাঠে ভারত ছাড়া অন্য কোনো এশীয় দলের কাছে টেস্ট হারলো। সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে এমন হারের তেঁতো স্বাদ পেয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। ওই বছরের পর পাকিস্তান আর টেস্ট জেতেনি অজি ভূমিতে।অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সাত টেস্টে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়। প্রথমটি এসেছিল ২০১৭ সালে মিরপুরে। যেখানে তারা ঘরের মাঠের সুবিধা পুরোপুরি নিয়েছিল। এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই দাপুটে পারফরম্যান্সে জয় তুলে নিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

ভারত-পাকিস্তানকে টপকে এশিয়ায় দ্রুততম জয় বাংলাদেশের

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে পরিবর্তন বাংলাদেশের

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। টাইগাররা ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া টিমকে । এতে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে লাল-সবুজের জয় হল।রোববার (১৬ আগস্ট) এই জয়ের পর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের টেবিলে পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ তালিকার চার নম্বরে উঠেছে এই জয়ে। তাদের শতকরা পয়েন্ট হার (পিসিটি) ৫৮.৩৩ থেকে বেড়ে ৬৬.৬৭ হয়েছে। ২০২৫-২৭ চক্রে দ্বিতীয় হারের পরও অস্ট্রেলিয়া শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। কিন্তু দ্বিতীয় স্থানে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে ব্যবধান কমে গেছে। অস্ট্রেলিয়ার পিসিটি ৭৭.৭৭, দক্ষিণ আফ্রিকার ৭৫.০০।নিউজিল্যান্ড ৭২.২২ পিসিটি নিয়ে তিনে। বাংলাদেশ তাদের পরে অবস্থান করছে। ভারত ৪৮.১৫ পিসিটি নিয়ে পঞ্চম স্থানে। বাংলাদেশের সামনে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ। সেই ম্যাচ জিতলে শতকরা পয়েন্ট হার বাড়ানোর সুযোগ থাকছে। 

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ টেবিলে পরিবর্তন বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের ঐতিহাসিক জয়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান। ডারউইনে স্বাগতিকদের হারিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চার দিনই দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা। বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের সামনে এমন জয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।২৩ বছর আগে অস্ট্রেলিয়া সফরে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেই প্রতিশোধের গল্প লিখল শান্ত-তাসকিনরা। সিরিজে এগিয়ে গিয়ে ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিল লাল-সবুজ।দুই সেশনেরও বেশি সময় অপ্রত্যাশিতভাবে বাংলাদেশের বোলারদের দাপট চলল। দুইশ রানের আগেই অলআউট অস্ট্রেলিয়া! যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না। অবশ্য ধারণা করা হচ্ছিল, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপও একইভাবে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হবে। কিন্তু না, ব্যাটিংয়েও চলল বাংলাদেশের দাপট। তানজিদ হাসান তামিম ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি করলেন। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজও হাফ সেঞ্চুরিতে বড় স্কোরের শক্ত ভিত গড়ে দিলেন।এই তিন ব্যাটারের অনবদ্য ব্যাটিং এবং টেল এন্ডারের উল্লেখযোগ্য অবদানে বাংলাদেশ ২২৮ রানের বড় লিড নেয়। বিদেশের মাটিতে এর আগে প্রথম ইনিংসে এত বড় লিড কখনও পায়নি তারা। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে গেল চাপ নিয়ে। এবারও হাসান জোড়া আঘাতে তাদের গলা চেপে ধরেন।প্রথম ইনিংসে স্টিভ স্মিথ, আর দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিন বাংলাদেশের ধারালো বোলারদের সামনে যা একটু প্রতিরোধ গড়লেন। দেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরিতে অজিদের লিড এনে দেন। কিন্তু বল হাতে মিরাজ দেখালেন ঘূর্ণি জাদু। তাতে লিডটা বড় হলো না। বাংলাদেশের লক্ষ্যও থাকল নাগালের মধ্যে।প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ এবার ডাক মারলেন। এরপর সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক জয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারলেন। প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৫৪ রানে অলআউট করার স্মৃতি অজিদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কোনো কাজে দিলো না। ৫৭ রানের লক্ষ্য অনায়াসে পূরণ করে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখল বাংলাদেশ। 

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টাইগারদের ঐতিহাসিক জয়

অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হলে কী করতে হবে, জানালেন তামিম

 অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনেক আগেই। তবে তাদেরই মাটিতে তাদের বিপক্ষে কোনো ফরম্যাটেই জিততে পারেনি দলটি। খেলেছেই অবশ্য সব মিলিয়ে ৮টি ম্যাচ।  সে বিশ্বাস গড়ে উঠেছে ডারউইন টেস্টের প্রথম দুই দিনে। তবে সে বিশ্বাসকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হলে কী করতে হবে, সেটাও জানিয়ে দিয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান তামিম। ক্যারিয়ারে এর আগে টেস্টই খেলেছেন একটি। সেই তানজিদ আজ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। বিষয়টা তামিমের কাছে এ কারণেই স্পেশাল। তিনি বলেন, ‘বিসমিল্লাহ, প্রথমত আলহামদুলিল্লাহ। এখানে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই দারুণ ব্যাপার। আমার জন্য এটা খুবই স্পেশাল, কারণ এখানে এটাই আমার প্রথমবার এবং টেস্ট ক্রিকেটেও এটা আমার মাত্র দ্বিতীয় ম্যাচ। আর সেঞ্চুরি পেলাম, এটা আমার জন্য অনেক স্পেশাল।’ তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটার হিসেবে পরিচিত। আগের দিন ডেভিড ওয়ার্নাররা ধারাভাষ্যকক্ষে বারবারই আলোচনা করেছেন। সেই স্ট্রোকমেকার তামিমই কি না, আজ সেঞ্চুরিটা করলেন মোটে ৫১ স্ট্রাইক রেটে। অ্যাডাম গিলক্রিস্টকে বিষয়টা খানিকটা বিস্মিতই করেছিল। সে কারণে প্রশ্নটা না করে পারলেন না। সে বিষয়ে তামিম বলেন, ‘হ্যাঁ, দলের যেটা প্রয়োজন ছিল, আমি সেভাবেই খেলার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় উইকেট ভালো ছিল। তারা আমার কাছে অন্যভাবে এসেছিল, আর আমি স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছি এবং নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।’ অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের নামগুলো দেখুন— মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স, নাথান লায়ন। এদের মধ্যে সবচেয়ে অনভিজ্ঞ হ্যাজেলউডের ঝুলিতেও আছে ২৯৫টি উইকেট। এমন বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে এমন ব্যাটিংয়ের রহস্য কী? তামিম বললেন, ‘আমি শুধু বল দেখেছি আর বল অনুযায়ী খেলেছি। বেশি কিছু করার চেষ্টা করিনি, শুধু শান্ত থেকে ওরা যা বল করেছে আর যেভাবে পরিকল্পনা করেছে সেভাবে খেলেছি। আমি শুধু বলটা খেলেছি।’ আগের দিন মোটে ৫৩ ওভার খেলেই অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সেই উইকেটে দাঁড়িয়ে সেঞ্চুরি করলেন তামিম। ডারউইনের পিচ নিয়ে তামিম বলেন, ‘আমার মনে হয় উইকেট আগের চেয়ে, মানে প্রথম দিনের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। আমার মনে হয় এটা আরও ভালো হতে থাকবে। আর আমার মনে হয় এই উইকেটে যদি আমরা স্বাভাবিক ক্রিকেটীয় শট খেলি, তাহলে আমাদের জন্য ভালো হবে।’ অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে দেওয়া, ব্যাটিংয়ে নেমে ১০০’রও বেশি লিড… এমন পারফর্ম্যান্স দলের সবার মনে জয়ের বিশ্বাস না এনেই পারে না। তামিম অকপটে স্বীকার করে নিলেন বিষয়টা। তবে সেটা করতে হলে কী করতে হবে, তাও জানিয়ে দিলেন তামিম।  তামিম যখন এই সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন, দল তখন চা বিরতির জন্য উঠে গেছে প্যাভিলিয়নে। তৃতীয় সেশনে অবশ্য নতুন বলে খানিকটা পা হড়কে গিয়েছিল দলের, ১১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে গিয়েছিল। তবে হাসান মাহমুদকে সঙ্গে নিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ সেটা পেছনে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছেন এখন। তামিম যে পথ বাতলে দিয়েছেন, সেটা অনেক লম্বা, বন্ধুরও। তবে তা যদি শেষমেশ মাড়িয়েই ফেলতে পারেন মিরাজরা, তাহলে ডারউইনে ইতিহাস গড়ার বিশ্বাসটা জোর সম্ভাবনাতেই রূপ নেবে বৈকি! 

অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হলে কী করতে হবে, জানালেন তামিম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream