ববি প্রতিনিধি:
ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে এই জমজমাট আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ডা. মো. কবিরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, "যুদ্ধের পর থেকে আমাদের দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আমরা যাতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারি, সেজন্য আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপিং শুরু করে। যখন খালেদ মোশাররফ জিয়াউর রহমানকে বন্দি করলো, তখন সিপাহী-জনতা বিপ্লব করে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে। জাতীয় সংহতি দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রেক্ষাপটে একটি মাইলফলক।"
প্রধান আলোচক ডা. মো. কবিরুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে ৭ই নভেম্বরের প্রেক্ষাপট ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, "সিপাহী-জনতার বিপ্লবে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি হয়।"
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাদা দলের আহ্বায়ক ড. আবদুল আলিম বছির ও সদস্য সচিব মেহেদী হাসান সোহাগ।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আশিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানসহ শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, "সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দেশের আমূল পরিবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন জিয়াউর রহমান। তারেক রহমানও যখন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তখন পতিত ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভারতে বসে উসকানি দিচ্ছেন। দেশে ফিরবেন? আপনি আসুন, আপনি যে গণহত্যা চালিয়েছেন তার জন্য ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত রয়েছে।"
অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।
মতামত