রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

আইন ও আদালত

সিরাজগঞ্জে আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই আসামি গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জে আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই আসামি গ্রেপ্তার

সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানা থেকে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া চুরির মামলার আসামি আব্দুল মমিন বড় গেদাকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মমিন বড় গেদা সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের কোবদাসপাড়ার মহল্লার আব্দুস সবুরের ছেলে।শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে সদর থানা পুলিশ ও জেলা ডিএসবি শাখার যৌথ অভিযানে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলি বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসান এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাজতখানার ভেতরে থাকা আরেক আসামির হাতকড়া খোলার সময় আব্দুল মোমিন গেটে দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যান। পরে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার বারান্দায় গিয়ে গ্রিল না থাকার সুযোগে নিচে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। ঘটনার পর তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দুই দিন পর শনিবার দুপুরে যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার হাজতখানা থেকে পালিয়ে যান আব্দুল মমিন @ বড় গেদা। 

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর দায়ের করা এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) হাইকোর্টের এই আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রচলিত ব্যাংক আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলম গ্রুপের সাথে সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার কোম্পানি বেআইনিভাবে ইসলামী ব্যাংকের মোট ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার নিজেদের দখলে রাখে। এর আগে গত বছর ইসলামী ব্যাংকে এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ২৪টি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও ব্যক্তিবিশেষের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসাথে উক্ত শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়া দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। হাইকোর্টের নতুন এই আদেশের ফলে ব্যাংকিং খাতে এস আলমের শেয়ার হস্তান্তরের সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হলো।

ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ হাইকোর্টের

হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

৪১টি ব্যাংকের সিএসআর (Corporate Social Responsibility) তহবিল থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে সংস্থার সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অপর আসামি হলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি এবং এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।পাওয়ার ও আইনের অপব্যবহার: আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২-এর আওতায় গঠিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ (যেখানে শেখ হাসিনা সভাপতি ও শেখ রেহানা সহসভাপতি ছিলেন)-এর নামে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে জোরপূর্বক বা প্রভাব খাটিয়ে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করেছেন।সিএসআর নীতিমালার লঙ্ঘন: বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০০৮ সালের সার্কুলার এবং ২০২২ সালের সিএসআর গাইডলাইন অনুযায়ী, এ ধরনের ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ট্রাস্টে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অনুদান দেওয়ার কোনো আইনি বিধান নেই।ভুয়া ট্রাস্ট ও অনিয়ম: দুদকের সরজমিন অনুসন্ধানে ওই ট্রাস্টের প্রদত্ত ঠিকানায় কোনো দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর বা এনজিও বিষয়ক ব্যুরো অনুমোদিত নয় এবং তাদের প্রতিশ্রুত কার্যক্রমের কোনো বাস্তবায়নও পাওয়া যায়নি।নজরুল ইসলাম মজুমদারের ভূমিকা: ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তৎকালীন বিএবি সভাপতি নজরুল ইসলাম মজুমদার নির্বাহী কমিটির সভার এজেন্ডাবহির্ভূত থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ শিরোনামে এই অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং কোন ব্যাংক কত টাকা দেবে তা চিঠি দিয়ে নির্দিষ্ট করে দিতে বাধ্য করেন।দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মূলত 'ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে' প্রভাব বিস্তার করে এ বিশাল অংকের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ফারজানা রুপার সঙ্গে দুই সন্তানের সাক্ষাৎ অনুমোদন ট্রাইব্যুনালের

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন ফারজানা রুপার সঙ্গে তার দুই সন্তানকে দেখা করার অনুমতি দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ অনুমতি দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। অসুস্থ মায়ের সঙ্গে সন্তানদের সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ফারজানা রুপার আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ। তিনি জানান, কারাগারে অসুস্থ হয়ে গত ৩০ আগস্ট থেকে বিএমইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ফারজানা রুপা। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে চায়। পরে সন্তানদের হাসপাতালে গিয়ে মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফারজানা রুপাসহ ৪১ জন আসামি রয়েছেন। এ মামলায় গ্রেপ্তার ১১ আসামির মধ্যে অসুস্থতার কারণে ফারজানা রুপা ছাড়া বাকি ১০ জন বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে ফারজানা রুপাকে বিএমইউতে ভর্তি করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি বেশ কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। বর্তমানে হাসপাতালের প্রিজন সেলে তার চিকিৎসা চলছে।  

ফারজানা রুপার সঙ্গে দুই সন্তানের সাক্ষাৎ অনুমোদন ট্রাইব্যুনালের

হাইকোর্টে রিয়াজের জামিন আবেদন ফেরত, শুনানি হয়নি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চিত্রনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ সিদ্দিকের সংগঠিত পৃথক দুই মামলায় জামিন আবেদন ফেরত দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার হাজির হয়ে জামিন আবেদনের পর বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির জন্য গ্রহণ না করে ফেরত দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মঞ্জুরুল আলম সুজন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি করা হয়। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অপর একটি হত্যা মামলাতেও নায়ক রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ওই দুই মামলায় আগাম জামিন চেয়ে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। তবে শুনানি শেষে তার আগাম জামিন আবেদন গ্রহণ করেননি আদালত।

হাইকোর্টে রিয়াজের জামিন আবেদন ফেরত, শুনানি হয়নি

মৌলভীবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আব্দুল মতিন মিয়া (৫৮) হত্যা মামলার এক আসামিকে সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের অলিতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার জুয়েল মিয়া (৩০) সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার কিত্তেজালালপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে।র‌্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়,নিহত আব্দুল মতিন মিয়া মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার শমসেরগঞ্জ দৌলতপুর এলাকার বাসিন্দা। পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ভাই-বোনদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে একাধিক মামলাও চলমান ছিল।গত ২৮ জুন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আদালতে চলমান একটি মামলায় সাক্ষ্য দিতে বাড়ি থেকে মৌলভীবাজার আদালতের উদ্দেশে বের হন মতিন মিয়া। সাক্ষ্য দেওয়া শেষে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পান। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।ওইদিন রাত পৌনে ১১টার দিকে প্রতিবেশী সালিকের মাধ্যমে মতিনের স্ত্রী জানতে পারেন,সুন্দর মিয়ার পুকুরের পাশে পাকা সড়কের ওপর তার স্বামীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে আছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি মরদেহ শনাক্ত করেন।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এরপর আসামিদের গ্রেপ্তারে র‌্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯-এর শ্রীমঙ্গল ও সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের একটি যৌথ দল বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জগন্নাথপুর উপজেলার অলিতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।র‌্যাব জানায়,একই মামলায় গত ৬ আগস্ট আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গ্রেপ্তার জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।র‌্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মৌলভীবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সিলেটে অনলাইন জুয়ার আসর থেকে চারজন আটক

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার এলাকায় একটি চা দোকানে বসে অনলাইনে জুয়া খেলার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৯। এ সময় তাদের কাছ থেকে জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত ছয়টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শাহ সিকান্দর এলাকার মো. জলিল উদ্দিন (৩৮),হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সিংহগ্রামের মো. সামাইন (৩০),ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা এলাকার মো. নাইম মিয়া (৩৩) এবং হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মনতৈল উত্তরপাড়া এলাকার মো. শাহিন মিয়া (৩৫)।র‌্যাব জানায়,র‌্যাব-৯-এর সদর কোম্পানির একটি দল সোমবার রাতে দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সূত্রে জানতে পারে,লালাবাজারের মাহতাজ ভেরাইটিজ স্টোর নামের একটি চা দোকানে কয়েকজন ব্যক্তি অনলাইনে জুয়া খেলছেন।খবর পেয়ে রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করলে চারজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত ছয়টি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে জুয়া খেলার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। জব্দ করা মোবাইল ফোন যাচাই করেও অনলাইনে জুয়া খেলার বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় জুয়া প্রতিরোধ আইন,২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার চারজন ও জব্দ করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‌্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সিলেটে অনলাইন জুয়ার আসর থেকে চারজন আটক

প্রতারণার মামলায় বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

রাজধানীর গুলশানের বারিধারা এলাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির নামে ৭৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মরহুম রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো: শাহজাহান কবিরের আদালতে আপিল শর্তে বিদিশার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গতকাল ২৫ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান-২ নম্বরের অ্যারাবিকা রেস্টুরেন্ট থেকে বিদিশাকে গ্রেফতার করা হয়। এর পরের দিন ২৬ আগস্ট বিদিশাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তার আইনজীবী আপিল শর্তে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে বিদিশা কারাগারে আটক রয়েছেন। গত ২০ মে বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো: জামসেদ আলম। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো এক মাস কারাভোগ করতে হবে। এই মামলায় বিদিশা সিদ্দিক জামিন নিয়েছিলেন। গত ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর তার জামিন বাতিল হয়। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মামলার বাদি মোশাররফ হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে তিনি বিদিশার সাথে যোগাযোগ করেন। পরে বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয়। ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা বাদিকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন এবং তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। মামলার অভিযোগ থেকে আরো জানা যায়, বাদি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার কথা ছিল। তবে দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। মামলায় আরো বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭৫ লাখ টাকার একটি চেক দেয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মোশাররফ হোসেন বাদি হয়ে বিদিশা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০০৯ সালের ৯ আগস্ট তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কনিকা বিশ্বাস। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে সাতজন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন। সূত্র : বাসস

প্রতারণার মামলায় বিদিশার জামিন নামঞ্জুর

হাতকড়াবন্দি অবস্থায় বড় মায়ের শেষ বিদায়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বড় মায়ের জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক এক নেতা। এ সময় তিনি হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় বড় মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নেন।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় জানাজার নামাজ নির্ধারিত থাকলেও নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে না পারায় জানাজায় অংশ নিতে পারেননি রাশেদুল ইসলাম। পরে কবরস্থানে পৌঁছে দাফনের আগে খাটিয়ায় থাকা বড় মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখেন তিনি।হাতকড়া পরা অবস্থায় বড় মায়ের শেষ বিদায়ে অংশ নেওয়ার ছবি ও ভিডিও মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।রাশেদুল ইসলাম ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের চৌমুনী বাজার এলাকার ধনতলা গ্রামের মরহুম শামসুদ্দীনের ছেলে। তিনি জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া নাশকতার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২২ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন রাশেদুল ইসলাম।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, স্ট্রোকজনিত কারণে রাশেদুল ইসলামের বড় মা রহিমা বিবি (৯৫) মারা যান। পরে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রাশেদুল ইসলামের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।আবেদনের পর নির্ধারিত সময়ের জন্য তাকে প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়। পুলিশি প্রহরায় তিনি প্রথমে নিজ বাড়িতে যান। সেখানে হাতকড়া পরিহিত অবস্থায় বড় মায়ের মরদেহের পাশে অবস্থান করেন। পরে কবরস্থানে গিয়ে দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।এ বিষয়ে জয়পুরহাট জেলা কারাগারের প্রধান কারারক্ষী রেজাউল করিম বলেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত রাশেদুল ইসলাম প্যারোলে মুক্ত ছিলেন।জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম বলেন, তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন এবং মায়ের জানাজায় যাচ্ছেন এটুকু আমি জানি। রাশেদুল ইসলাম সর্বক্ষণ পুলিশি পাহারায় থাকবেন। 

হাতকড়াবন্দি অবস্থায় বড় মায়ের শেষ বিদায়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

স্কুলছাত্রী অপহরণ-ধর্ষণ মামলায় শ্রীমঙ্গলের ইমাদ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

মৌলভীবাজারে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক প্রধান আসামিকে ঢাকার হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।গ্রেপ্তারকৃত ইমাদ (১৫) মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তরসুর এলাকার জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে।র‍্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,ভুক্তভোগী মৌলভীবাজার সদর উপজেলার একটি স্থানীয় বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর পরিবারের আত্মীয় হওয়ায় আগে থেকেই তাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল।একপর্যায়ে ইমাদ ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে তা প্রত্যাখ্যান করে। এর জের ধরে গত ১১ আগস্ট ভুক্তভোগীর মা তাকে স্কুলে পাঠিয়ে চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য মৌলভীবাজার শহরে যান।পরে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে না পেয়ে তার মা বিদ্যালয়ে খোঁজ করেন। সেখানে সন্ধান না পেয়ে আশপাশের এলাকা ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না মেলায় মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।পরবর্তীতে গত ১৮ আগস্ট স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর মা জানতে পারেন,ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে ইমাদ অন্যদের সহযোগিতায় মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কালিয়ারগাঁও এলাকার নতুন বাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।অভিযোগ অনুযায়ী,পরে তাকে এক সহযোগীর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।মামলার পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-২, মৌলভীবাজার এবং র‍্যাব-৩-এর সিপিসি-২-এর যৌথ আভিযানিক দল গত ৩১ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ঢাকার হাতিরঝিল থানার মধুবাগ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমাদকে গ্রেপ্তার করে।মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় দায়ের করা মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় রুজু করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানিয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমাদকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‍্যাব জানিয়েছে,দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্কুলছাত্রী অপহরণ-ধর্ষণ মামলায় শ্রীমঙ্গলের ইমাদ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় পলাতক আসামি রিফাত পারভেজ শাওনকে (২৫) ঝিনাইদহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-৬-এর যৌথ আভিযানিক দল সোমবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। রিফাত পারভেজ শাওন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বড়ইছরা এলাকার কামাল পারভেজের ছেলে।র‍্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভুক্তভোগী সরাইল উপজেলার অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে রিফাত তাকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।মামলার এজাহার ও র‍্যাবের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের ১৪ মে সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অরুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিফাতের বিরুদ্ধে।পরবর্তীতে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে ২০২৬ সালের ১২ জুন দুপুরে ঢাকার মিরপুর এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।র‍্যাব জানায়, অপহরণের পর ভুক্তভোগীকে মিরপুরের একটি বাসায় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেওয়া হয়। সেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী ১৮ বছর পূর্ণ হলে তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিয়ে না করার কথা জানিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা সরাইল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৪০ মিনিটে র‍্যাব-৯, সিপিসি-১ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও র‍্যাব-৬, সিপিসি-২ ঝিনাইদহ ক্যাম্পের একটি যৌথ দল ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু থানাধীন দোয়েল চত্বর মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় পলাতক আসামি রিফাত পারভেজ শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।র‍্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় মামলা নম্বর-২৩, তারিখ ১৪ আগস্ট ২০২৬; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-০৩)-এর ৭/৯(১) ধারায় মামলা রয়েছে।গ্রেপ্তারের পর রিফাত পারভেজ শাওনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‍্যাব-৯ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

ওসমান হাদি হত্যার আসামী ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামী ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়ার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান অভিযোগসংশ্লিষ্ট ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়ার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। ফয়সাল করিম মাসুদ বর্তমানে ভারতে একটি কারাগারে আটক রয়েছেন। আবেদনে বলা হয়, ফয়সাল করিম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে সে দেশটির কারাগারে আটক রয়েছেন। 

ওসমান হাদি হত্যার আসামী ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সাগর-রুনি হত্যার সাথে জড়িত জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসান এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী ও অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন-সংশ্লিষ্ট সূত্র।রোববার (৩০ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, সাগর-রুনি হত্যার আগে পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছিলেন সাংবাদিক দম্পতি। সেটি প্রকাশের আগেই তাদের হত্যা করা হয়। পরে ওই তথ্যচিত্রের উপকরণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় বলে তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে।অনুসন্ধানে যুক্ত একজন কর্মকর্তা জানান, সাগর-রুনি হত্যার আগে ও পরে তৎকালীন র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান জিয়াউল আহসান এবং রোকেয়া প্রাচীর মধ্যে ২০ বারের বেশি যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব কথোপকথনের বিষয়বস্তু খতিয়ে দেখতে গিয়ে তদন্তকারীরা পেনড্রাইভ হস্তান্তরের ঘটনাও জানতে পারেন।তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের দুই দিন পর জিয়াউল আহসানের এক বিশ্বস্ত সহকারী রোকেয়া প্রাচীর কাছে গেলে তিনি দুটি পেনড্রাইভ দেন। সেগুলোতে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে তৈরি করা তথ্যচিত্র ছিল বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। পরে পেনড্রাইভ দুটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোকেয়া প্রাচীর কাছে দেওয়া হয়েছিল এবং দুই দিন পর তা ফেরত নেওয়া হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।এ ঘটনায় জিয়াউল আহসানের ওই সহকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পেনড্রাইভ হস্তান্তরসহ সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলো সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের একজন কর্মকর্তা।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের তৎকালীন বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।প্রথমে থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত শুরু করলেও চার দিনের মাথায় দায়িত্ব যায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে। দুই মাসের বেশি সময়েও রহস্য উদঘাটন না হওয়ায় হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল তদন্তভার র‌্যাবের হাতে দেওয়া হয়।দীর্ঘদিন র‌্যাব তদন্ত করেও দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে না পারায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র‌্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দেয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (পিবিআই) প্রধানকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। বর্তমানে ওই টাস্কফোর্সই মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে।তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না হওয়ায় একাধিকবার সময় বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল হাইকোর্ট আরও ছয় মাস সময় দেন। এ পর্যন্ত মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ১২৯ বার পেছানো হয়েছে।মামলাটিতে বিভিন্ন সময়ে রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তানভীর রহমান খানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পালও জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক। অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।দীর্ঘ ১৪ বছরেও চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ না হওয়ায় মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। নতুন করে উঠে আসা সম্পৃক্ততার তথ্য তদন্তে কতটা প্রভাব ফেলে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সাগর-রুনি হত্যার সাথে জড়িত জিয়াউল আহসান ও রোকেয়া প্রাচী

জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ড

জামালপুর সদরের রশিদপুর এলাকায় এক নারীকে নিজ ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে অপহরণের দায়ে তাদের প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের রশিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে মো. ছাত্তার আলী, কয়ড়ার পাড়া এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে আব্দুল মালেক এবং মৃত নায়েব আলীর ছেলে মো. আনোয়ার। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়- ওই ভুক্তভোগী নারী রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকায় জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক মনোমালিন্যের জেরে তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকে ওই নারী ছোট এক সন্তান নিয়ে নিজ বাড়িতে থাকতেন। একা থাকার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী ছাত্তার আলী দীর্ঘ দিন ধরে তাকে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। ছাত্তার এলাকায় প্রভাবশালী এবং মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত।

জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদন্ড

এনসিপি নেতা এহসান জাকারিয়াসহ ৫ জনের জামিন নামঞ্জুর

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়াসহ পাঁচ আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে কুলাউড়া আমলি আদালতে আসামিদের পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া,এনসিপি নেতা তোফায়েল আহমদ,সাহেল আহমদ,ফাহিম আহমদ জনি ও সোহাগ মিয়া।উল্লেখ্য,গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে কুলাউড়া পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকায় এনসিপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।জানা গেছে,দলীয় আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।মামলার বাদী তামিম আহমদের অভিযোগ, এনসিপির পদ দেওয়ার কথা বলে এহসান জাকারিয়াসহ আসামিরা তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া মৌলভীবাজার থেকে বড়লেখা যাওয়ার পথে কুলাউড়ার উত্তর বাজার এলাকায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এনসিপি নেতা এহসান জাকারিয়াসহ ৫ জনের জামিন নামঞ্জুর

সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের ব্যক্তিগত সহকারী গ্রেপ্তার

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায়  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) গাজী আসাদকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত গাজী আসাদ একই উপজেলার দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের বাহিরঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি থানা যুবলীগের সদস্য। দীর্ঘদিন তিনি স্বপন ভট্টাচার্য্যের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রাজগঞ্জ বাজার থেকে গাজী আসাদকে গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা রয়েছে।

 সাবেক প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্যের ব্যক্তিগত সহকারী গ্রেপ্তার
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream