শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি, জানতে চান হাইকোর্ট


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি, জানতে চান হাইকোর্ট
হাইকোর্ট (ফাইল ছবি)

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করে পরিবেশ সচিব এবং পরিবেশ অধিদফতরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।   

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। 

শীতলক্ষা নদীর তীরে বিভিন্ন শিল্প কারখানায নদীতে শিল্প বর্জ্য ফেলে পানি দূষণ করছে— এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) জনস্বার্থে একটি রিট করে।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৫ সালের ৬ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে নির্দেশনা দেন। নির্দেশনায় যে সমস্ত শিল্প কারখানা থেকে দূষণ হচ্ছে সেগুলো মনিটরিং কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কী পরিমান আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার হিসাব করে আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, আগে দেওয়া আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এইচআরপিবির পক্ষে আবেদন করলে আজ আদালত শুনানি শেষে আগামী তিন মাসের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষণের জন্য বিভিন্ন শিল্প কারখানা এর বর্জ্য ফেলে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিবেদন কোনও ব্যর্থতা ছাড়াই দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

যেসব শিল্প কারখানার বিরুদ্ধে নদী দূষণের অভিযোগ আছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আর এস কে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিড ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইয়িং অ্যান্ড প্রসেসিং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এম আর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লা নিড ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং এবং হাজী রাসুল ডাইং।

শুনানিতে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোনও শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ করছে। এর মাধ্যমে ওই এলাকার পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে।’ আদালত রিপোর্ট দাখিলের জন্য প্রায় এক বছর আগে আদেশ দিলেও এখন পর্যন্ত  প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি বলেও জানান তিনি। 

বিষয় : হাইকোর্ট পরিবেশ দূষণ নদী

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬


শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি, জানতে চান হাইকোর্ট

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করে পরিবেশ সচিব এবং পরিবেশ অধিদফতরকে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।   

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। 

শীতলক্ষা নদীর তীরে বিভিন্ন শিল্প কারখানায নদীতে শিল্প বর্জ্য ফেলে পানি দূষণ করছে— এ সম্পর্কিত রিপোর্ট সংযোজন করে জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) জনস্বার্থে একটি রিট করে।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০২৫ সালের ৬ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে নির্দেশনা দেন। নির্দেশনায় যে সমস্ত শিল্প কারখানা থেকে দূষণ হচ্ছে সেগুলো মনিটরিং কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং কী পরিমান আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার হিসাব করে আদালতে দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ জানান, আগে দেওয়া আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এইচআরপিবির পক্ষে আবেদন করলে আজ আদালত শুনানি শেষে আগামী তিন মাসের মধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষণের জন্য বিভিন্ন শিল্প কারখানা এর বর্জ্য ফেলে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে সে সম্পর্কে প্রতিবেদন কোনও ব্যর্থতা ছাড়াই দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

যেসব শিল্প কারখানার বিরুদ্ধে নদী দূষণের অভিযোগ আছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো খালেক টেক্সটাইল, লীনা পেপার মিল, আর এস কে ডাইং, খান ব্রাদার্স টেক্সটাইল, এসআরএস নিড ডাইং, মেসার্স রুবেল ডাইং, বাংলাদেশ ডাইয়িং অ্যান্ড প্রসেসিং, এশিয়ান ফেব্রিক, জিলানী ডাইং, গাজীপুর বোর্ড মিলস, নিউ আলম ডাইং, মায়ের দোয়া ডাইং, এম আর ডাইং, আব্দুর রব ডাইং, বিসমিল্লা নিড ডাইং, শিমুল ডাইং, রাজ্জাক ওয়াশিং এবং হাজী রাসুল ডাইং।

শুনানিতে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোনও শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাদের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ করছে। এর মাধ্যমে ওই এলাকার পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে।’ আদালত রিপোর্ট দাখিলের জন্য প্রায় এক বছর আগে আদেশ দিলেও এখন পর্যন্ত  প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়নি বলেও জানান তিনি। 


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream