বিএনপির রাজনীতিতে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পথচলা শুরু হয় কলেজজীবন থেকেই। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক অভিষেক ঘটে। পরে রাজধানীর সরকারি বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ ছাত্র সংসদের এজিএস নির্বাচিত হন তিনি।
রাজনীতিতে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান তৈরি করেন মিষ্টি। একপর্যায়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন। তবে মিরপুরকেন্দ্রিক রাজনীতিই ছিল তার মূল কর্মকেন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিজের একটি রাজনৈতিক বলয় গড়ে তুলেছিলেন তিনি।
বিএনপির প্রয়াত সাবেক এমপি ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টু ছিলেন মিষ্টির বড় ভাই। পারিবারিকভাবেও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল।
মিষ্টির স্বামী সাইদুর রহমান নিউটন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। বিএনপির ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের শাসনামলে সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্বামী নিহত হওয়ার পর মিষ্টি নির্বাচনে অংশ নেন। পরে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
এরপর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকে বিএনপির মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন (মহিলা আসন-২৩) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
১৯৭৪ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া মিষ্টির বাবা হাজী মো. নিজামউদ্দিন আহমেদ এবং মা হাজী মোছা. হোসনে আরা আহমেদ।
মতামত