বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে লাইন-১-এর চারটি এবং লাইন-৫-এর একটি প্যাকেজের পূর্তকাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-০৬ প্যাকেজে বাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে দুটি সুড়ঙ্গ ও বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ এবং খিলক্ষেত স্টেশন। এ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

একই লাইনের সিপি-০৯ প্যাকেজে ট্র্যাক ও বিদ্যুৎব্যবস্থা নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণসংক্রান্ত সিপি-০২ প্যাকেজে ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা। এতে ওয়ার্কশপ, স্টাবিলিং শেড, অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

অন্যদিকে, লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুনবাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি পাঁচটি উড়ালস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা।

এ ছাড়া লাইন-১-এর সিপি-০৪ প্যাকেজে রামপুরা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণ এবং সিপি-০৭ প্যাকেজে ট্রানজিশন থেকে বালু নদের শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য যথাক্রমে ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা।

লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্প দুটির মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

মেট্রোরেল লাইন-১ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত দুটি রুটে নির্মাণ করা হচ্ছে। আর লাইন-৫ গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, আফতাবনগর হয়ে দাসেরকান্দি পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে প্রকল্প দুটিতে অর্থায়ন করছে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার কাজের প্রস্তাব অনুমোদন

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে লাইন-১-এর চারটি এবং লাইন-৫-এর একটি প্যাকেজের পূর্তকাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এ ছাড়া লাইন-১-এর আরও দুটি এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের একটি প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-০৬ প্যাকেজে বাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে দুটি সুড়ঙ্গ ও বিমানবন্দর, বিমানবন্দর টার্মিনাল-৩ এবং খিলক্ষেত স্টেশন। এ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

একই লাইনের সিপি-০৯ প্যাকেজে ট্র্যাক ও বিদ্যুৎব্যবস্থা নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণসংক্রান্ত সিপি-০২ প্যাকেজে ব্যয় হবে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা। এতে ওয়ার্কশপ, স্টাবিলিং শেড, অপারেশন ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।

অন্যদিকে, লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুনবাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি পাঁচটি উড়ালস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা।

এ ছাড়া লাইন-১-এর সিপি-০৪ প্যাকেজে রামপুরা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণ এবং সিপি-০৭ প্যাকেজে ট্রানজিশন থেকে বালু নদের শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে। এসব প্যাকেজের মূল চুক্তিমূল্য যথাক্রমে ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা।

লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-০২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণ করা হবে। এ কাজের মূল চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্প দুটির মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

মেট্রোরেল লাইন-১ বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত দুটি রুটে নির্মাণ করা হচ্ছে। আর লাইন-৫ গাবতলী থেকে টেকনিক্যাল মোড়, কল্যাণপুর, শ্যামলী, কারওয়ান বাজার, তেজগাঁও, আফতাবনগর হয়ে দাসেরকান্দি পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে প্রকল্প দুটিতে অর্থায়ন করছে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream