মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে ইমরান (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ইমরান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার হাসানপুর এলাকার হারিছ মিয়ার ছেলে।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে,কুলাউড়ার তারাপাশা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর বাবার বাড়িতে প্রায় দেড় মাস আগে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের কাজ করতে যান ইমরান। এ সময় তার সঙ্গে কিশোরীর পরিচয় হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই বাড়িতে যাতায়াতের সুবাদে তাদের মধ্যে যোগাযোগ তৈরি হয়।
গত ৩ আগস্ট সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় কিশোরী। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে কুলাউড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
পরে এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
র্যাব জানায়,মামলার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯,সিপিসি-২,মৌলভীবাজারের একটি দল গত ৬ আগস্ট রাত সোয়া ১২টার দিকে রাজনগর উপজেলার মুনসুরনগর ইউনিয়নের বড়কাপন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে মামলার এজাহারভুক্ত ও পলাতক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার এবং কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী,বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ইমরান কিশোরীকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেয়। পরে তাকে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সৈয়ারপুর এলাকায় এক সহযোগীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সেখানে সহযোগীদের সহায়তায় ইমরান কিশোরীকে ধর্ষণ করে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
গ্রেপ্তার ইমরান ও উদ্ধার কিশোরীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুলাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯,সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান।
মতামত