রাশিয়া দাবি করেছে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোপন পরিকল্পনার গোয়েন্দা তথ্য হাতে এসেছে। রাশিয়ার দাবি অনুযায়ী, তুরস্কের বন্দর ব্যবহার করে ওই অস্ত্র ইউক্রেনে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই খবরের পর আঙ্কারার কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছে মস্কো ও তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে ওয়াশিংটন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা শনিবার (১৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বলেন, গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও অস্ত্র পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এসব অস্ত্র প্রথমে তুরস্কের বন্দরে পৌঁছাবে, সেখান থেকে পরে ইউক্রেনে পাঠানো হবে।
জাখারোভা সতর্ক করে বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে যৌক্তিক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। যদি সন্তোষজনক জবাব না আসে, তাহলে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সঙ্গে মস্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সম্প্রতি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে ভুগছিল কিয়েভ। এজন্য ক্ষেপণাস্ত্র সহায়তা চেয়ে সম্প্রতি ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ইউক্রেনকে আর অস্ত্র সহায়তা দেওয়া হবে না। তুরস্কও বিভিন্ন সময় বলে এসেছে, তারা এমন কোনো পদক্ষেপ নেবে না যা যুদ্ধকে আরও উসকে দেয়।
এদিকে গত কয়েক দিন ধরে রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সামারা প্রদেশে টানা হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। ওই অঞ্চলেই রয়েছে রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রোসকসমসের স্থাপনা। শনিবার এক্সে এক বার্তায় জেলেনস্কি দাবি করেন, রোসকসমসের স্থাপনায় সফল হামলা চালানো হয়েছে এবং এতে মার্কিন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
মতামত