শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

শ্রীমঙ্গলে নারী প্রশিক্ষকদের সনদ দিল গিভ বাংলাদেশ


সত্যজিৎ দাস
সত্যজিৎ দাস স্টাফ রিপোর্টার
| ফটো কার্ড

শ্রীমঙ্গলে নারী প্রশিক্ষকদের সনদ দিল গিভ বাংলাদেশ
স্থানীয় নারী কমিউনিটি প্রশিক্ষকের সনদ গ্রহণ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগান জনগোষ্ঠীর মধ্যে মাসিক স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং এ-সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার ও সংকোচ কমাতে পরিচালিত ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনের সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গল পৌর অডিটোরিয়ামে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (GBF) আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইনের মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া স্থানীয় নারী কমিউনিটি প্রশিক্ষকদের সম্মাননা ও সনদ দেওয়া হয়।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনটি পুষ্পা ফান্ড (Pushpa Fund) ও শেয়ারট্রিপের (ShareTrip) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। এর আওতায় চা-বাগান এলাকার স্থানীয় নারী ও তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কমিউনিটি প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। পরে তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্য,ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং মাসিক নিয়ে প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০৫টি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৮০ জন নারী ও কিশোরীর কাছে সচেতনতা কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১৭ জন পুরুষ কমিউনিটি সদস্য এবং কালীঘাট চা-বাগান উচ্চবিদ্যালয়ের ৫৮ জন ছাত্রীকে সচেতনতা ও সেবার আওতায় আনা হয়। সব মিলিয়ে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শ্রীমঙ্গলের ১ হাজার ৬৫৫ জন সদস্য সরাসরি সহায়তা পেয়েছেন।

ক্যাম্পেইনের শুরুতে পরিচালিত বেইজলাইন জরিপে অংশ নেওয়া নারী চা-শ্রমিকদের ৯৩ শতাংশ মাসিকের সময় অস্বাস্থ্যকর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করতেন বলে উঠে আসে। মাসিকজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাঁদের কর্মদিবস হারানোর পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হতো।

ক্যাম্পেইনের আওতায় মাসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা,পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি সামগ্রী বিতরণ,স্কুলভিত্তিক শিক্ষার্থী ওয়ার্কশপ এবং পুরুষ সদস্যদের নিয়ে সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় নারীদের নেতৃত্বে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক বার্তা কমিউনিটির ভেতরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি মিজানুর রহমান মিজান। গেস্ট অব অনার হিসেবে থাকার কথা ছিল মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের। তাঁদের অনুপস্থিতিতে এবং তাঁদের অনুমতি সাপেক্ষে গিভ বাংলাদেশ-এর ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনের সাফল্য উদযাপন ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন। তাঁরা ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করা স্থানীয় কমিউনিটি প্রশিক্ষকদের হাতে সনদ তুলে দেন।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বর্ষা আহমেদ বলেন,‘কালীঘাট চা-বাগানের নারীদের নিয়ে আমাদের এ উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রান্তিক নারীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চলমান কার্যক্রমের একটি অংশ। গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সকল নারীর জন্য মাসিক সমতা নিশ্চিত করতে চায়।’

ডা. সিনথিয়া তাসমিন বলেন, ‘তারুণ্যনির্ভর গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের কাজটি সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে একটি সুস্থ সুনাগরিক নারী জনগোষ্ঠী জন্ম নেবে।’ ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগে সরকারি পর্যায়ের স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন বলেন, মাসিকসংক্রান্ত সমস্যার কারণে নারী চা-শ্রমিকরা আর্থিকভাবে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরাও অনেক সময় এ কারণে ঝরে পড়ে। তাই গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের এ মানবিক উদ্যোগ দেশের সব বিদ্যালয় ও চা-বাগানে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা’ কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন,উন্মুক্ত আলোচনা ও ছবি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও চা-বাগানের স্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা যৌথ অঙ্গীকারে অংশ নেন। নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও WASH (পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা) সুবিধা নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন একটি তারুণ্যনির্ভর,স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক উন্নয়ন সংস্থা। দেশ-বিদেশে থাকা সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন অংশীদারের দেওয়া অনুদানের মাধ্যমে পরিচালিত সংগঠনটি বাংলাদেশের প্রান্তিক ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শ্রীমঙ্গলে নারী প্রশিক্ষকদের সনদ দিল গিভ বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা-বাগান জনগোষ্ঠীর মধ্যে মাসিক স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং এ-সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার ও সংকোচ কমাতে পরিচালিত ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনের সমাপনী ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শ্রীমঙ্গল পৌর অডিটোরিয়ামে গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের (GBF) আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইনের মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়া স্থানীয় নারী কমিউনিটি প্রশিক্ষকদের সম্মাননা ও সনদ দেওয়া হয়।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনটি পুষ্পা ফান্ড (Pushpa Fund) ও শেয়ারট্রিপের (ShareTrip) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং আলোর দিশারী সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। এর আওতায় চা-বাগান এলাকার স্থানীয় নারী ও তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কমিউনিটি প্রশিক্ষক হিসেবে গড়ে তোলা হয়। পরে তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্য,ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা এবং মাসিক নিয়ে প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০৫টি উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ১ হাজার ৫৮০ জন নারী ও কিশোরীর কাছে সচেতনতা কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ১৭ জন পুরুষ কমিউনিটি সদস্য এবং কালীঘাট চা-বাগান উচ্চবিদ্যালয়ের ৫৮ জন ছাত্রীকে সচেতনতা ও সেবার আওতায় আনা হয়। সব মিলিয়ে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শ্রীমঙ্গলের ১ হাজার ৬৫৫ জন সদস্য সরাসরি সহায়তা পেয়েছেন।

ক্যাম্পেইনের শুরুতে পরিচালিত বেইজলাইন জরিপে অংশ নেওয়া নারী চা-শ্রমিকদের ৯৩ শতাংশ মাসিকের সময় অস্বাস্থ্যকর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অনুসরণ করতেন বলে উঠে আসে। মাসিকজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাঁদের কর্মদিবস হারানোর পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখেও পড়তে হতো।

ক্যাম্পেইনের আওতায় মাসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা,পুনর্ব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি সামগ্রী বিতরণ,স্কুলভিত্তিক শিক্ষার্থী ওয়ার্কশপ এবং পুরুষ সদস্যদের নিয়ে সচেতনতামূলক সেশন পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় নারীদের নেতৃত্বে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে মাসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক বার্তা কমিউনিটির ভেতরে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি মিজানুর রহমান মিজান। গেস্ট অব অনার হিসেবে থাকার কথা ছিল মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানের। তাঁদের অনুপস্থিতিতে এবং তাঁদের অনুমতি সাপেক্ষে গিভ বাংলাদেশ-এর ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা ২.০’ ক্যাম্পেইনের সাফল্য উদযাপন ও সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন। তাঁরা ক্যাম্পেইন সম্পন্ন করা স্থানীয় কমিউনিটি প্রশিক্ষকদের হাতে সনদ তুলে দেন।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বর্ষা আহমেদ বলেন,‘কালীঘাট চা-বাগানের নারীদের নিয়ে আমাদের এ উদ্যোগ বাংলাদেশের প্রান্তিক নারীদের মাসিক স্বাস্থ্য ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চলমান কার্যক্রমের একটি অংশ। গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সকল নারীর জন্য মাসিক সমতা নিশ্চিত করতে চায়।’

ডা. সিনথিয়া তাসমিন বলেন, ‘তারুণ্যনির্ভর গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের কাজটি সমগ্র বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে একটি সুস্থ সুনাগরিক নারী জনগোষ্ঠী জন্ম নেবে।’ ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগে সরকারি পর্যায়ের স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুন্নাহার পারভীন বলেন, মাসিকসংক্রান্ত সমস্যার কারণে নারী চা-শ্রমিকরা আর্থিকভাবে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হন। বিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরাও অনেক সময় এ কারণে ঝরে পড়ে। তাই গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের এ মানবিক উদ্যোগ দেশের সব বিদ্যালয় ও চা-বাগানে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

অনুষ্ঠানে ‘উঠান পেরিয়ে দুই পা’ কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও প্রদর্শন,উন্মুক্ত আলোচনা ও ছবি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এতে সরকারি কর্মকর্তা ছাড়াও চা-বাগানের স্থানীয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারীরা যৌথ অঙ্গীকারে অংশ নেন। নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও WASH (পানি, স্যানিটেশন ও পরিচ্ছন্নতা) সুবিধা নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

গিভ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন একটি তারুণ্যনির্ভর,স্বেচ্ছাসেবী ও অলাভজনক উন্নয়ন সংস্থা। দেশ-বিদেশে থাকা সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন অংশীদারের দেওয়া অনুদানের মাধ্যমে পরিচালিত সংগঠনটি বাংলাদেশের প্রান্তিক ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream