গাজীপুরের কালীগঞ্জ সরকারী সম্পত্তি দখলের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচলানা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আল আমিন হালদার। এসময় বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল আলম সঙ্গে ছিলেন।
জানা যায়, উপজেলার বালীগাঁও গ্রামের মৃত শরৎ চন্দ্র আচার্য্যরে দুই পুত্র সুরেন্দ্র আচার্য ও সচীন্দ্র আচার্য কালীগঞ্জের বালীগাঁও মৌজার সিএস ৩৫৪, এসএ ৩৮৭নং খতিয়ানের এসএ ৭৭৪, ৭৭৬, ৮৬৪, ৮৬৫, ৮০৬, ৮০৫, ৭৭৭, ৮৮৮, ৮৬৬/১২৭২, ৮৭৭সহ বিভিন্ন দাগে প্রায় ৩২০ শতাংশ সম্পত্তি রেখে ১৯৬৫ সালে স্বপরিবারে ভারতে চলে যান। ভারতে তারা নাগরিকত্ব গ্রহণ করে নদীয়ার হরিণঘাটা থানার মহাদেবপুর গ্রামে সহায় সম্পত্তি কিনে বসবাস শুরু করেন। তারা আর কখনোই বাংলাদেশে ফিরে আসেননি। তাদের রেখে যাওয়া উক্ত সম্পত্তি আরএস রেকর্ডে "বেস্টেড এন্ড নন রেসিডেন্ট প্রপার্টি, ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকার, ঢাকা সদর উত্তর মহকুমা ম্যানেজমেন্ট কমিটি" এর এখতিয়ারভুক্ত হয়। এরশাদ সরকার উক্ত অর্পিত সম্পত্তির একটি অংশে সরকারি খরচে পুকুর খনন করে অপর অংশে আপদকালীন সময়ে জরুরী প্রয়োজনে অবতরণের জন্য হ্যালিপ্যাড নির্মাণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে একটি ভূমিদস্যু চক্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন কাগজপত্র সৃজন করে উক্ত সম্পত্তি জবরদখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জনস্বার্থে এই সম্পত্তি নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রীট চলমান আছে এবং দূর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বালীগাঁও গ্রামের মৃত স্বর্ণকমল আচার্যের পুত্র সুমন আচার্য্য স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে সরকারি সম্পত্তি থেকে বিভিন্ন গাছপালা ও পুকুর থেকে এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কাটা শুরু করে। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমান আদালত ঘটনাস্থল থেকে এস্বেকভেটরটি জব্দ করে ব্যাটারী খুলে নিয়ে আসে।
মতামত