দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। এ নির্বাচনে প্রার্থী হলেও নিজের পক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। কারণ, তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নন।
অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পাশাপাশি ভোট দেওয়ার অধিকারও পেয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে কেবল জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটার হিসেবে গণ্য করা হয়। বর্তমানে চট্টগ্রাম-৪ আসন শূন্য থাকায় সংসদের মোট ৩৪৯ জন সদস্য এই নির্বাচনের ভোটার তালিকায় রয়েছেন।
সংসদের সাধারণ আসনে বিএনপির ২১১ জন সদস্য রয়েছেন। জামায়াতের সদস্য সংখ্যা ৬৮। এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির ছয়জন, অন্যান্য দলের সাতজন এবং স্বতন্ত্র সাতজন সংসদ সদস্য রয়েছেন।
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোর ৩৬ জন সদস্য রয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের রয়েছেন ১৩ জন এবং একজন স্বতন্ত্র সদস্যও আছেন।
সংখ্যার হিসেবে সংসদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পক্ষে রয়েছে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা।
গত ৬ আগস্ট ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়ন জমা ও যাচাই-বাছাই শেষে ১৬ আগস্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অলি আহমদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
দুই প্রার্থীই নির্বাচনী মাঠে থাকলেও ভোটাধিকার রয়েছে কেবল সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুলের। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও নিজের পক্ষে একটি ভোটও দিতে পারছেন না অলি আহমদ।
মতামত