প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৭২ রানেই অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অথচ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হয়েছিল ভালো অবস্থানে থেকে। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে স্বাগতিক দল। কিন্তু ২২১ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পরই শুরু হয় ব্যাটিং বিপর্যয়। এরপর মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই বাকি ৭ উইকেট হারায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
বৃহস্পতিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম সেশনেই এই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার ওয়ারিকান ৫৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থবারের মতো ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব।
দিনের শুরুটা অবশ্য দারুণ ছিল বাংলাদেশের। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় বলেই নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি তিনি। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাদমান। ২৩৪ বলের ইনিংসে ১১টি চার মেরে তিনি করেন ১০৫ রান।
এরপর ব্যাটিংয়ে নামেন আগের দিন ৪২ রানে চোট পেয়ে উঠে যাওয়া তাওহিদ হৃদয়। আর এক রানও যোগ করতে পারেননি। বিশপের বলে অহেতুক বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি।
ষষ্ঠ উইকেটে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলে যোগ করেন ৩২ রান। এরপর শুরু জোমেল ওয়ারিকানের জাদু। আর্ম ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন ১৫ রান করা মিরাজ।
সেখান থেকে নামে ধস। সব মিলিয়ে মাত্র ১৯ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ ও নাঈম হাসানকে ফেরান শামার জোসেফ। আর পরপর দুই বলে তাইজুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলামকে আউট করেন ওয়ারিকান।
৪ চারে ৮৮ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দিন মাত্র ৫৯ রান যোগ করতে পারে বাংলাদেশ।
মতামত