ফুটবল মাঠে বল পায়ে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেন হামজা চৌধুরী। এবার মাঠের বাইরেও মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বাংলাদেশের এই ফুটবলার। গাজার অসহায় ও গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসার জন্য তাঁর উদ্যোগে সংগ্রহ করা হয়েছে ১ লাখ পাউন্ডেরও বেশি অর্থ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
গাজার শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তা করতে পেরে নিজের কৃতজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন হামজা। একই সঙ্গে এই উদ্যোগে যারা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা, অনুদান দেওয়া কিংবা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করা—সবাইকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান এই বাংলাদেশি মিডফিল্ডার।
হামজার এই মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে নুজুম স্পোর্টস। তাঁর পরিকল্পনাকে সফল করতে দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফুটবল মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত গড়লেন হামজা চৌধুরী।
সংগৃহীত অর্থ দেওয়া হবে ‘চিলড্রেন নট নাম্বার্স’ নামের একটি সংস্থাকে। গাজায় শিশুদের জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ করছে তারা। এই অর্থ দিয়ে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় শিশুদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এত অল্প সময়ে বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করতে পেরে আনন্দিত হামজা। তবে গাজার শিশুদের দুর্ভোগের তুলনায় এই সহায়তাকে সামান্য বলেই মনে করেন তিনি।
তার মতে, এখনো অনেক কিছু করার বাকি। ছোট-বড় প্রতিটি উদ্যোগই মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টের শেষে ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য প্রার্থনা করেছেন হামজা। তাদের কষ্ট লাঘব, শক্তি ও ধৈর্য কামনা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার আশাও প্রকাশ করেছেন ২৯ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।
মতামত