জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে পুরোনো একটি ল্যাপটপ চুরির অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, ২০১৯ সালে ছাত্র ফেডারেশনের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ চুরির ঘটনায় নাসীরুদ্দীনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব দাবি করেন রাশেদ খান।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ওই নারী শিক্ষার্থীর অভিযোগের পর তৎকালীন ছাত্র ফেডারেশনের নেতারা বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেন। তদন্তে বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর তাকে ছাত্র ফেডারেশন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয় বলেও উল্লেখ করেন রাশেদ খান।
নিজের দাবির সমর্থনে নাসীরুদ্দীনের বহিষ্কারসংক্রান্ত বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের একটি পুরোনো নোটিশের ছবিও পোস্টের মন্তব্যে যুক্ত করেন তিনি।
রাশেদ খানের আরও দাবি, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অনেকেই বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন। বহিষ্কারের পর নাসীরুদ্দীন দীর্ঘ সময় রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় ছিলেন এবং পরে এবি পার্টিতে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে আবার সক্রিয় হন। তবে সে সময় এবি পার্টির নেতাকর্মীরা তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়টি জানতেন না বলেও দাবি করেন রাশেদ খান।
পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে রাশেদ খান আরও নানা মন্তব্য করেন।
রাশেদ খানের এই পোস্টে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮০টি শেয়ার এবং দুই হাজারের কাছাকাছি মন্তব্য পড়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মতামত