বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

৩ ঘণ্টার কথা বলে ৩০ দিন, ফোন ফেরত চাইলেন রিজওয়ান


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

৩ ঘণ্টার কথা বলে ৩০ দিন, ফোন ফেরত চাইলেন রিজওয়ান
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) কাছে থাকা মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে কী বিষয়ে তদন্ত চলছে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত থাকলেও এনসিসিআইএ এখনো তার সঙ্গে যথাযথভাবে যোগাযোগ করেনি বলে সংস্থাটিকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ইংল্যান্ডে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ চলার সময় গত ৩১ আগস্ট রিজওয়ানের মোবাইল ফোন নিয়ে যায় এনসিসিআইএ। তখন তাকে জানানো হয়েছিল, তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোনটি ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু প্রায় চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেটি এখনো ফেরত পাননি তিনি।

এর আগে এনসিসিআইএর তদন্তের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন রিজওয়ান। গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালত তার আবেদন খারিজ করে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে তদন্তের নামে তাকে অপ্রয়োজনীয় হয়রানি বা ভোগান্তিতে না ফেলতেও এনসিসিআইএকে সতর্ক করা হয়।

আদালতের ওই আদেশের প্রায় দুই সপ্তাহ পর এনসিসিআইএকে চিঠি দেন রিজওয়ান। সেখানে তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট। তবে এরপরও তদন্তকারী সংস্থাটি তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করেনি।

চিঠিতে কোন ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে, সেটি লিখিতভাবে জানানো এবং তাকে কবে এনসিসিআইএর সামনে হাজির হতে হবে, তা স্পষ্ট করার অনুরোধ করেন তিনি।

মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরেন রিজওয়ান। তার দাবি, যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড়াই তিনি এনসিসিআইএকে ফোনটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। তখন তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোন ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রায় চার সপ্তাহ পরও ফোনটি সংস্থাটির কাছেই রয়েছে।

রিজওয়ান জানান, ফোনটির পাসওয়ার্ডও তিনি এনসিসিআইএ কর্মকর্তাদের দিয়েছিলেন। এরপরও ফোন ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তার বক্তব্য, তিনি স্বেচ্ছায় ফোন হস্তান্তর করেছেন এবং তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এখন তদন্তের বিষয়টি পরিষ্কার করার পাশাপাশি ফোনটিও ফেরত দেওয়া উচিত।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এনসিসিআইএ।

তদন্তের অংশ হিসেবে ইমাম-উল-হক এনসিসিআইএর দেওয়া প্রশ্নপত্র পূরণ করে জমা দেন। তবে তদন্ত পরিচালনার এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনি পদক্ষেপ নেন রিজওয়ান। পরে লাহোর হাইকোর্ট তার আবেদন খারিজ করে তাকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


৩ ঘণ্টার কথা বলে ৩০ দিন, ফোন ফেরত চাইলেন রিজওয়ান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (এনসিসিআইএ) কাছে থাকা মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে কী বিষয়ে তদন্ত চলছে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত থাকলেও এনসিসিআইএ এখনো তার সঙ্গে যথাযথভাবে যোগাযোগ করেনি বলে সংস্থাটিকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।

ইংল্যান্ডে পাকিস্তানের টেস্ট সিরিজ চলার সময় গত ৩১ আগস্ট রিজওয়ানের মোবাইল ফোন নিয়ে যায় এনসিসিআইএ। তখন তাকে জানানো হয়েছিল, তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোনটি ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু প্রায় চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সেটি এখনো ফেরত পাননি তিনি।

এর আগে এনসিসিআইএর তদন্তের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে লাহোর হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন রিজওয়ান। গত ১৭ সেপ্টেম্বর আদালত তার আবেদন খারিজ করে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে তদন্তের নামে তাকে অপ্রয়োজনীয় হয়রানি বা ভোগান্তিতে না ফেলতেও এনসিসিআইএকে সতর্ক করা হয়।

আদালতের ওই আদেশের প্রায় দুই সপ্তাহ পর এনসিসিআইএকে চিঠি দেন রিজওয়ান। সেখানে তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট। তবে এরপরও তদন্তকারী সংস্থাটি তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করেনি।

চিঠিতে কোন ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে, সেটি লিখিতভাবে জানানো এবং তাকে কবে এনসিসিআইএর সামনে হাজির হতে হবে, তা স্পষ্ট করার অনুরোধ করেন তিনি।

মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার বিষয়টিও চিঠিতে তুলে ধরেন রিজওয়ান। তার দাবি, যুক্তরাজ্যে অবস্থানের সময় কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা ছাড়াই তিনি এনসিসিআইএকে ফোনটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। তখন তিন ঘণ্টার মধ্যে ফোন ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রায় চার সপ্তাহ পরও ফোনটি সংস্থাটির কাছেই রয়েছে।

রিজওয়ান জানান, ফোনটির পাসওয়ার্ডও তিনি এনসিসিআইএ কর্মকর্তাদের দিয়েছিলেন। এরপরও ফোন ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। তার বক্তব্য, তিনি স্বেচ্ছায় ফোন হস্তান্তর করেছেন এবং তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এখন তদন্তের বিষয়টি পরিষ্কার করার পাশাপাশি ফোনটিও ফেরত দেওয়া উচিত।

পাকিস্তানের দ্বিতীয় টেস্টে হারের পর রিজওয়ান ও ইমাম-উল-হকসহ সাত ক্রিকেটারকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এনসিসিআইএ।

তদন্তের অংশ হিসেবে ইমাম-উল-হক এনসিসিআইএর দেওয়া প্রশ্নপত্র পূরণ করে জমা দেন। তবে তদন্ত পরিচালনার এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে আইনি পদক্ষেপ নেন রিজওয়ান। পরে লাহোর হাইকোর্ট তার আবেদন খারিজ করে তাকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয়।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream