স্টাফ রিপোর্টার :
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় এক উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাতের আঁধারে জমিতে টিনের ব্যারিকেড স্থাপন, মারধর ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মো. মাসুদ আকনসহ কয়েকজন।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, লেবুবুনিয়া মৌজায় অভিযোগকারীদের পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে মালিকানাধীন জমি রয়েছে। জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মো. জাহিদুল ইসলাম বশির খানের সঙ্গে বিরোধ চলছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। সে জমি কিনেছেন বেদখলি ও খালে ভেঙ্গে যাওয়া জমি আর দখল করে রাস্তার পাশের জমি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২০ আগস্ট রাতে বিরোধপূর্ণ জমিতে টিনের বেড়া দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ সময় বাধা দিতে গেলে অভিযোগকারীদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে। একপর্যায়ে একজনের হাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লেগে রক্তাক্ত জখম হওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, পরবর্তীতে তারা বিষয়টি থানায় জানালে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিরোধপূর্ণ জমিতে নতুন করে কোনো স্থাপনা বা বেড়া না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও রাতের আঁধারে টিনের বেড়া স্থাপনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে সরকারি চাকরিজীবী পরিচয় দিয়ে স্থানীয়দের ওপর প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ওয়ারিশের জমি ক্রয় করে অভিযোগকারীদের প্রাপ্য অংশ দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীরা জানান, বিরোধপূর্ণ জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তারা নিরাপদে নিজেদের সম্পত্তি ভোগদখল করতে পারবেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিরোধপূর্ণ সম্পত্তি নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কাঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম বশির বলেন, আমিও ঐ দগে জমি কিনেছি তাই ঘর তুলেছিলাম।
মতামত