কুড়িগ্রামে মানবাধিকার, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও)গুলোর সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম জেলা হাবের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় সমস্যা নিয়ে অ্যাডভোকেসি এবং মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা-সংলগ্ন জেলা হাবের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি রওশনারা বেগমের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন জেলা হাবের সাধারণ সম্পাদক এম রশিদ আলী।
সভায় ইউএসএসের জেলা সমন্বয়কারী রবিউল ইসলামসহ জেলার ১৫টি সিএসওর প্রায় ৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, একশনএইড বাংলাদেশ এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের (সিপিজে) যৌথ সহযোগিতায় ‘সুশীল—সাপোর্টিং দ্য ইউনিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি অব সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনস (সিএসও’স) টু আপহোল্ড হিউম্যান রাইটস, ন্যাশনাল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড রুল অব ল ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় সভাটি আয়োজন করা হয়।
সভায় জেলা হাবের চলমান কার্যক্রম, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার, নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
বক্তারা বলেন, মানবাধিকার, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করা নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো জেলা হাবের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের সিএসও, সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সমমনা নেটওয়ার্কের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে বিভিন্ন জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
তাঁরা বলেন, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সমাজের প্রতিটি মানুষের সমান মর্যাদা, অধিকার ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এসব সংগঠন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
মতামত