দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক/SAARC) পুনরায় সক্রিয় ও শক্তিশালী করতে ভুটানের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতি করলে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সার্ক পুনরুজ্জীবনে তাঁর দেশটির ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী জার্মানির উদ্দেশে যাত্রাপথে ঢাকার ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময় বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভিবাদন ও আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আঞ্চলিক সমৃদ্ধি ও দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর যৌথ কল্যাণে সার্ককে পুনরায় সক্রিয় করার ওপর জোর দেয় বাংলাদেশ। বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সার্ক প্রতিষ্ঠার নেপথ্যে বাংলাদেশের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি ও ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরেন।
ভুটানের নতুন মেগা প্রকল্প ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ গঠনে বাংলাদেশি পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করে সরাসরি অবদান রাখার আগ্রহ প্রকাশ করে ঢাকা।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি দেওয়া দেশ ভুটান। ভৌগোলিক ও সামাজিকভাবে দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন উভয় পক্ষ।
সংক্ষিপ্ত দ্বিপাক্ষিক ওই বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূতসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা সফরকালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ভুটান সরকারের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পৌঁছানো হয়।
মতামত