তাওহীদ হৃদয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করলেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃত ক্রিকেটে বিদেশি কোনো দলের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।
কাকতালীয়ভাবে, ২০২০ সালে এই পচেফস্ট্রুমে খেলেই অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ জিতেছিল বাংলাদেশ, যেখানে শিরোপাজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তাওহীদ। দীর্ঘ ছয় বছর পর সেই একই মাঠে ফিরে এবার করলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি।
এই ইনিংসের পথে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের ২৩ বছর পুরোনো রেকর্ড ভেঙে নিজের করে নিয়েছেন তাওহীদ। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ডিফেন্স হাউজিং কমিটি দলের বিপক্ষে শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতের করা ২১৮ রানই ছিল এর আগে ‘এ’ দলের হয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশির একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি। আগের দিন ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর বুধবার প্রথম সেশনেই শাহরিয়ারকে ছাড়িয়ে যান তাওহীদ এবং দ্বিতীয় সেশনে পৌঁছে যান স্বপ্নের ট্রিপল সেঞ্চুরিতে। এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল কেবল তামিম ইকবাল (৩৩৪) ও রকিবুল হাসানের (৩১৩), তবে তার দুটিই এসেছিল দেশের অভ্যন্তরীণ ঘরোয়া ক্রিকেটে।
এ দিন ১৬৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর তৃতীয় দিনের শেষ প্রান্তে বাঁহাতি স্পিনার সিমন্ডসকে কাট করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৩৫ বলে ডাবল সেঞ্চুরিতে পৌঁছান তিনি। পরে ৪৫০ বলে ২৫টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ঐতিহাসিক তিন শতকের ঘরে পৌঁছান তাওহীদ হৃদয়।
মতামত