বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM
Topic Ads 1
প্রচারণামূলক শুটিংয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট রাচিনের

প্রচারণামূলক শুটিংয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট রাচিনের

নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার রাচিন রবীন্দ্র অকল্যান্ডে প্রচারণামূলক শুটিংয়ে ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরতে গিয়ে চোট পেয়েছেন।তিনি ক্যাচ ধরতে গিয়ে নিরাপত্তার জন্য রাখা ম্যাটের ওপর অস্বাভাবিকভাবে পড়ে যান। এতে রাচিনের ডান কাঁধ স্থানচ্যুত হয়েছে। এই চোট কাটিয়ে রবীন্দ্র কবে মাঠে ফিরতে পারবেন, সেটি এখনই বলা যাচ্ছে না। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক পরীক্ষায় বড় কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। পুনর্বাসনের প্রথম কয়েক সপ্তাহে রবীন্দ্রর অগ্রগতি দেখার পর কবে মাঠে ফিরতে পারবেন, সেটা জানা যাবে। ২২ অক্টোবর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করবে নিউজিল্যান্ড। এই সিরিজের দল আগামী সপ্তাহে ঘোষণা করার কথা। চোটের কারণে এই সিরিজে রাচিনের খেলা নিয়ে দেখা দিয়েছে শঙ্কা।  নিউজিল্যান্ডের পারফরম্যান্স ম্যানেজার মাইক স্যান্ডল বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমরা হতাশ। এখন আমাদের মূল লক্ষ্য, সে যেন ভালোভাবে সেরে ওঠে এবং যত দ্রুত সম্ভব মাঠে ফিরতে পারে।’ শুটিংয়ের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়দের নিয়ে সব বাণিজ্যিক শুটিংয়ের কার্যক্রমই সংশ্লিষ্ট সবার সম্মতিতে আগে থেকে ঠিক করা হয়। এ ক্ষেত্রেও যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এটি কিছুটা অপ্রত্যাশিত একটি দুর্ঘটনা ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনের ক্ষেত্রে আমাদের প্রক্রিয়াগুলো আমরা আরও পর্যালোচনা করবো।’ রাচিন রবীন্দ্রকে দ্রুত ফেরানোর ঝুঁকিও নিতে চান না নিউজিল্যান্ডের কোচ রব ওয়াল্টার। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসে আমাদের টেস্ট ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি আছে। তাই প্রয়োজনের আগে রবীন্দ্রকে দ্রুত মাঠে ফেরানোর কোনো তাড়া নেই। আশা করছি, শিগগিরই ওকে আবার দলে স্বাগত জানাতে পারব।’

হারমানপ্রীতদের সিদ্ধান্ত, ট্রফি বিতর্কে যা বললেন কপিল দেব

ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব নারী এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্কে এবার মন্তব্য করলেন। হারমানপ্রীতি কৌরের দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গলফের প্রসঙ্গ টেনে আনেন সাবেক তারকা ক্রিকেটার। রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপের শিরোপা জেতে ভারত। তবে ম্যাচ শেষে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে তৈরি হয় অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি মহসিন নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে ভারতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা মাঠে আসেননি। নাকভি একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান। নাভা রায়পুর ওপেন ২০২৬ গলফ টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ ঘটনা নিয়ে কপিলকে প্রশ্ন করা হয়। পেশাদার গলফ ট্যুর অব ইন্ডিয়ার সভাপতি কপিল তখন বলেন, ‘সবাইকে গলফ খেলতে বলুন।’ ভারতের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গেই এই মন্তব্য করেন তিনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানের প্রটোকল আগে থেকেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল। বিজয়ী ভারতীয় দলের জন্য ট্রফিও প্রস্তুত ছিল। কিন্তু নাকভি থাকায় খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা ট্রফি না নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান। অন্যদিকে রানার্সআপ শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু নাকভির কাছ থেকে পুরস্কারের অর্থের চেক গ্রহণ করেন। এসিসির সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় দলের ট্রফি তাদের জন্য রাখা হয়েছে। শিরোপা জয়ের পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা আলাদাভাবে উদযাপন করেন। দলের প্রধান কোচ আমোল মুজুমদার খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান। পরে বিসিসিআইয়ের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ও সহসভাপতি রাজীব শুক্লা সেই উদযাপনে যোগ দেন এবং খেলোয়াড়দের পদক তুলে দেন। এবারের ঘটনার সঙ্গে ২০২৫ সালের পুরুষদের এশিয়া কাপ ফাইনালেরও মিল রয়েছে। দুবাইয়ে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে ভারত শিরোপা জেতার পর নাকভির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি ভারতীয় দল।

হারমানপ্রীতদের সিদ্ধান্ত, ট্রফি বিতর্কে যা বললেন কপিল দেব

ইমরানের বন্দিত্ব নিয়ে এবার পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি ৭ সাবেক অধিনায়কের

পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তিন বছর ধরে কারাগারে বন্দী আছেন। তার এই বন্দিজীবন নিয়ে দেশটির সাতজন সাবেক অধিনায়ক মানবিক উদ্বেগ প্রকাশ করতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ। তারা সবাই অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক। সবাই স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ‘কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নন; বরং সাবেক অধিনায়ক হিসেবে কথা বলার তাগিদ অনুভব করেই এই চিঠি লিখেছেন’। চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, ‘এই (সাবেক অধিনায়কদের) দল জনাব ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলা আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে কোনো পক্ষ নিচ্ছে না।’ বিষয়টি সম্পূর্ণ পাকিস্তানের নিজস্ব ব্যাপার। চিঠিতে তারা লিখেছেন, মূল উদ্বেগের বিষয় হলো, কারাবন্দী যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে এবং ‘রাজনীতি যা–ই হোক না কেন, এটি মানবতার মৌলিক বিষয়’। ইমরানের পক্ষে খ্যাতিমান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের তরফ থেকে আসা এটিই সর্বশেষ আবেদন। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ৭৩ বছর বয়সী ইমরানের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, বর্তমান চিকিৎসাসেবা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার তুলনায় অপ্রতুল। সেই চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়—১. সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী গঠিত মেডিক্যাল বোর্ড—যাতে ইমরানের ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরাও অন্তর্ভুক্ত আছেন—তাকে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া, বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা। ২. আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুনর্বহাল হওয়া সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎকারের সুযোগ কোনো ধরনের বাধা বা প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই নিশ্চিত করা। ৩. স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, সে অনুযায়ী চিকিৎসকদের প্রস্তাবিত চিকিৎসা অবিলম্বে প্রদান করা।

ইমরানের বন্দিত্ব নিয়ে এবার পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি ৭ সাবেক অধিনায়কের

বিপিএলকে যে কারণে এত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন শান্ত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলতি বছরে মাঠে গড়াচ্ছে না। তবে এই টুর্নামেন্টকে জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। এছাড়া বিপিএল নিয়ে নিজের আলাদা রোমাঞ্চের কথা জানিয়েছেন তিনি।  বিপিএল খেলার কারণে উদীয়মান অনেক ক্রিকেটারের সুযোগ পাওয়ার বিষয়টিও শান্ত তুলে ধরেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিপিএলের অফিসিয়াল পেইজে প্রকাশিত এক ভিডিওতে নিজের অভিজ্ঞতা ও টুর্নামেন্টটির গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন শান্ত। জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে বিপিএলে অনেক বছর ধরেই খেলছি। প্রতিবছর যখনই শুনি বিপিএল শুরু হতে যাচ্ছে, তখনই একটি আলাদা রোমাঞ্চ কাজ করে। খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের জন্য এটি অনেক বড় একটি মঞ্চ। সেখানে ভালো পারফর্ম করতে পারলে নিজের জন্য এবং ক্যারিয়ারের জন্য সবসময়ই ইতিবাচক কিছু হয়।’ শান্ত আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের জন্য বিপিএল অনেক বড় একটি টুর্নামেন্ট। প্রতিবছরই দেখা যায় বেশ কয়েকজন উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় এখানে খেলার সুযোগ পায়। তাই এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চ।’

বিপিএলকে যে কারণে এত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন শান্ত

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের কপালে যেন বিতর্কই সঙ্গী

এবারের ইংল্যান্ড সফরটা যে করেই হোক, পাকিস্তান ক্রিকেট দল ভুলেই থাকতে চাইবে। মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে বরং বাইরের ঘটনায় বেশি সমালোচিত। জাতীয় দলকে নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে ঘটল আরেক আলোচিত ঘটনা। এমনকি বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখেও পড়তে হয়েছে ক্রিকেটারদের। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে নিয়ে আলোচিত ঘটনা ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথে ঘটেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ানে’র গতকালের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। গত পরশু বিক্ষোভকারীদের তোপের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার-স্টাফরা। পোর্টসমাউথের ম্যারিয়ট হোটেলে প্রায় ৪০ পুরুষ গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁদের দেখে আশ্রয়প্রার্থী বলে মনে করেন বিক্ষোভকারীরা। প্রথমে আশ্রয়প্রার্থী থাকার খবরে হোটেলের সামনে জড়ো হলেও পরে ভুল ভাঙে বিক্ষোভকারীদের। আসলে সেখানে ছিলেন পাকিস্তান অনূর্ধ্ব–১৯ দলের ক্রিকেটার- স্টাফরা। পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিব্রতকর অবস্থায় পড়লে ম্যারিয়ট হোটেলে যান ইংল্যান্ডের রিফর্ম পার্টির কাউন্সিলর জর্জ ম্যাডউইক। হোটেলে অবস্থানরত পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ক্রিকেটার-স্টাফ ও বাইরে থাকা বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা করেন। সেখান থেকে আস্তে আস্তে সরে যান বিক্ষোভকারীরা। পাকিস্তানের যুব ক্রিকেটাররা হেনস্তার শিকার হওয়ায় ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) যোগাযোগ করছেন পাকিস্তান ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে। নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দেখছে তারা। ম্যারিয়ট হোটেলে তখন কী ঘটেছিল, সেটা নিয়ে ‘গার্ডিয়ানে’র সঙ্গে কথা বলেন ম্যাডউইক। ব্রিটিশ এই সংবাদমাধ্যমকে রিফর্ম পার্টির কাউন্সিলর বলেন, ‘‘কোচের সঙ্গে কথা বলেছি আমি।তারপর বিক্ষোভকারীদের বলেছি, ‘আপনারা ভুল করছেন। তারা ক্রিকেট দলের অংশ।” আগে থেকেই বিদেশি আসার খবর পান বলে সেদিন বিক্ষোভকারীদের জড়ো হওয়ার ঘটনা ঘটে বলে উল্লেখ করেন ম্যাডউইক। গার্ডিয়ানকে রিফর্ম পার্টির কাউন্সিলর বলেন, ‘পোর্টসমাউথের মানুষ আগে থেকেই সতর্ক ছিলেন। একই কোম্পানির একটা কোচে প্রায় ৪০ জন বিদেশি আসার খবর শোনা গিয়েছিল। ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি বলার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিক্ষোভকারীরা চলে যান।’ ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল একটি চার দিনের ম্যাচে হেরেছে ১০ রানে। গতকাল শুরু হয় চার ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। আরুন্ডেলে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে পাকিস্তান পায় ১৭৭ রানের বিশাল জয়। আরও তিন ওয়ানডে বাকি রয়েছে। এদিকে হেডিংলি ও লর্ডসে হেরে পাকিস্তান জাতীয় দল এরই মধ্যে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে। এজবাস্টনে গতকাল শুরু হওয়া তৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড খেলছে সফরকারীদের ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্যে।

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তানের কপালে যেন বিতর্কই সঙ্গী

জ্যোতিদের সামনে এবার ভারতের চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশকে গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হার চাপে ফেলে দিয়েছে। সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ হিসেবে ভারতকে পেয়েছে টাইগ্রেসরা। নিগার সুলতানা জ্যোতিদের এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠতে তাই কঠিন লড়াই করতে হবে। বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে রানার্সআপ হয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে ভারত হয়েছে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন। নিয়ম অনুযায়ী, এক গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের সাথে অন্য গ্রুপের রানার্সআপের সেমিফাইনাল হওয়ায় মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ভারতকে এড়িয়ে সেমিফাইনালে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের। এজন্য গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হেরে সেই সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। কঠিন এই লড়াইয়ের আগে বাংলাদেশের বড় ভরসা মারুফা আক্তার। চলতি এশিয়া কাপে এখন পর্যন্ত দলের সেরা পারফরমার এই পেসার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩টি এবং ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে র‍্যাঙ্কিংয়ে ১৯ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে ১৮তম স্থানে উঠে এসেছেন মারুফা, যা বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে অবশ্য আত্মবিশ্বাসী মারুফা। তিনি বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচ। এ ম্যাচ জিততে পারলে আমরা ইনশাআল্লাহ ফাইনালে খেলব।’ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে এই পেসার আরো বলেন, ‘আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমি যেভাবে অবদান রেখে যাচ্ছি, দোয়া করবেন যেন এভাবে খেলা চালিয়ে যেতে পারি। আর দলের অন্য সিনিয়র আপুরাও যেন একইভাবে দলকে সহযোগিতা করতে পারেন। আপনারা দোয়া রাখলে কালকের ম্যাচটি আমরা ইনশাআল্লাহ জয় দিয়ে শেষ করতে পারব।’ তবে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরিসংখ্যান খুব একটা স্বস্তির নয়। দুই দল এখন পর্যন্ত ২৪ বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের জয় মাত্র ৩টি; ভারত জিতেছে ২১ ম্যাচে। তারপরও ইতিহাসে একটি সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশের। ২০১৮ সালে কুয়ালালামপুরে ভারতকে হারিয়েই এশিয়া কাপের একমাত্র শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। আট বছর পর এবার সেমিফাইনালের মঞ্চে আবারো মুখোমুখি দুই দল। দুবাইয়ে সেই সুখস্মৃতি ফিরিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটতে পারবেন কি জ্যোতিরা—সেটিই এখন দেখার।

জ্যোতিদের সামনে এবার ভারতের চ্যালেঞ্জ

বিগ ব্যাশের টানে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন চ্যাপম্যান

অলরাউন্ডার মার্ক চ্যাপম্যান অস্ট্রেলিয়ার বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) খেলতে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের (এনজেডসি) পূর্ণকালীন কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন থেকে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি আংশিক চুক্তিতে। চ্যাপম্যান মূলত আগামী ডিসেম্বরে শুরু হতে যাওয়া বিবিএলে অংশ নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের মূল ঘরোয়া মৌসুমের সময়েই এই লিগটি অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাজুয়াল চুক্তিতে আসার কারণে তিনি ফিন অ্যালেন, লকি ফার্গুসন, অ্যাডাম মিলনে ও টিম সেফার্টের মতো তারকাদের তালিকায় যুক্ত হলেন, যারা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিজেদের সুবিধামতো খেলার জন্য বোর্ডের সঙ্গে আংশিক চুক্তিতে রয়েছেন। তবে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের জার্সিতে তার প্রতিশ্রুতি বহাল থাকছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলতে যাওয়ার আগে আগামী নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক হোয়াইট-বল সিরিজে নিউজিল্যান্ডের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। সার্বিক সহযোগিতার জন্য নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন চ্যাপম্যান। এছাড়া আসন্ন ভারত সিরিজ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী এই কিউই অলরাউন্ডার।  অন্যদিকে, চ্যাপম্যান কেন্দ্রীয় চুক্তি ছেড়ে দেওয়ায় নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকায় একটি জায়গা হয়। বোর্ডের সেই শূন্যস্থানে দ্রুতগতির পেসার ম্যাট ফিশারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিগ ব্যাশের টানে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি ছাড়লেন চ্যাপম্যান

কোচদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য, মুখ খুললেন মিসবাহ

স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেটে একরকম আচরণ করা হয় না বলে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন দেশটির সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ও সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ানো মিসবাহ উল হক। মিসবাহর দাবি, ব্যর্থতার দায়ে স্থানীয় কোচদেরই বেশি সমালোচনার মুখে পড়তে হয় যেখানে  বিদেশি কোচদের তুলনামূলকভাবে বেশি ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব দেওয়া হয়। টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে মিসবাহ বলেন, ‘এটা সত্য যে পাকিস্তান ক্রিকেটে স্থানীয় ও বিদেশি কোচদের সঙ্গে ভিন্নভাবে আচরণ করা হয়। বিদেশি কোচদের তুলনায় স্থানীয় কোচদের বেশি পর্যালোচনা ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়।’ বিদেশি কোচ নিয়োগে আপত্তি না থাকলেও তাঁদের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থক, সমালোচক, সংবাদমাধ্যম ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক ধরনের পক্ষপাত রয়েছে বলে মনে করেন মিসবাহ, ‘বিদেশি কোচ নিয়োগে আমি কোনো সমস্যা দেখি না। তবে যে বিষয়টি আমাকে ভাবায়, তা হলো—আমরা (সমর্থক, সমালোচক, গণমাধ্যম ও পিসিবি) বিদেশি কোচদের প্রতি এক ধরনের সফট কর্নার দেখাই।’ বিদেশি কোচদের বাড়তি ক্ষমতা দেওয়ার দাবি করে মিসবাহ আরও বলেন, ‘আমরা বিদেশি কোচদের বেশি কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা দিয়ে থাকি এবং দল খারাপ করলে তাদের তুলনামূলকভাবে কম দায়ী করা হয়। বিপরীতে, স্থানীয় কোচদের সবসময় সবার কাছ থেকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।’ শুধু কোচ নয়, বাজে পারফরম্যান্সের পর খেলোয়াড়দেরও মানসিকভাবে চাপে ফেলার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মিসবাহ। তাঁর মতে, কোনো খেলোয়াড় খারাপ করলে তাকে সমালোচনার মুখে ফেলায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, ‘এর ফলে আমাদের খেলোয়াড়দের ফর্ম ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। চাপের মুখে আমাদের আতঙ্কিত হয়ে লোকদেখানো পরিবর্তন করা উচিত নয়। পারফরম্যান্স ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এরপর কীভাবে এগোব, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

কোচদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য, মুখ খুললেন মিসবাহ

ওয়ানডেতে বাদ পড়েও টেস্টে টিকে গেলেন লাবুশেন

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেও মারনাস লাবুশেনের ওপর আস্থা হারায়নি। এই ব্যাটার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ঘোষিত টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন। যদিও ওয়ানডে দল থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। দুই টেস্টের তিন ইনিংসে বাংলাদেশের বিপক্ষে লাবুশেনের রান ছিল ১, ৩১ ও ৪। এমন পারফরম্যান্সের পর ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হারের পর তাঁর টেস্ট দলে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের রদবদলের পথে না গিয়ে লাবুশেনকে রেখেই দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের দল দিয়েছে সিএ। সবশেষ তিন বছর আগে টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন লাবুশেন; ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। দীর্ঘ সময় ধরে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও নিজেদের টেস্টের পরিকল্পনায় এখনো আছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়া তিনটি টেস্ট খেলবে। ৯ অক্টোবর ডারবানের কিংসমিডে শুরু হবে সিরিজের প্রথম ম্যাচ। দ্বিতীয় টেস্ট ১৮ অক্টোবর গকেবেরহার সেন্ট জর্জ’স পার্কে। ২৭ অক্টোবর কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে হবে সিরিজের শেষ টেস্ট। লাবুশেনের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলে জায়গা ধরে রেখেছেন ম্যাথু রেনশও। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ওপেনিং করবেন তিনি। আগের শেফিল্ড শিল্ড মৌসুমে ১০ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি করার পর বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে সুযোগ পেয়েছিলেন রেনশ। তবে ম্যাকাইতে নিজের একমাত্র ইনিংসে ৮ রান করে আউট হন। ২০১৮ সালের আলোচিত বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির পর এবারই প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ওই সফরের দলের পাঁচ ক্রিকেটার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, স্টিভ স্মিথ ও ম্যাথিউ রেনশ এবারও দলে আছেন। অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দল: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোলান্ড, অ্যালেক্স ক্যারি, কুপার কনোলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, মাইকেল নেসার, ম্যাথিউ রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, বিউ ওয়েবস্টার।

ওয়ানডেতে বাদ পড়েও টেস্টে টিকে গেলেন লাবুশেন

বাবরদের ফোন জিম্মায়, পাকিস্তান দলে বাড়ছে অস্থিরতা

ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে এমনিতেই বেশ অস্থিরতা ছিল। সেই অস্থিরতা এবার বাবর আজমের দলে আরও বেড়ে গেল। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন জিম্মায় নিয়েছে। প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ৩৬৫ নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিসিবির কাছে ক্রিকেটারদের মোবাইল ফোন জমা দেওয়া হয়েছে এবং এজবাস্টন টেস্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেগুলো বোর্ডের কাছেই থাকবে। তবে ঠিক কোন কোন ক্রিকেটারের ফোন নেওয়া হয়েছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফোন জমা নেওয়ার কারণও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে জানায়নি পিসিবি। ঘটনাটি সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল পিসিবি। বিশেষ করে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত মোবাইল দীর্ঘ সময়ের জন্য বোর্ডের হেফাজতে রাখার বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাধারণ ম্যাচ-ডে বিধিনিষেধের চেয়ে আলাদা। আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালে ড্রেসিংরুমসহ নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রিত এলাকায় মোবাইল ফোন রাখা বা ব্যবহারের ওপর আইসিসির কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ম্যাচের স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতা রক্ষা এবং অননুমোদিত যোগাযোগ ঠেকাতেই এসব নিয়ম করা হয়েছে। অন্যদিকে, আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডে আনুষ্ঠানিক দুর্নীতিবিরোধী তদন্ত চললে অনুমোদিত কর্মকর্তাদের আরও বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। যৌক্তিকভাবে কোনো মোবাইল ডিভাইসে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট তথ্য থাকার সম্ভাবনা থাকলে লিখিত নির্দেশের মাধ্যমে সেটি জমা দিতে বলা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে ফোনের তথ্য কপি বা ডাউনলোড করা, এমনকি সংশ্লিষ্ট পাসওয়ার্ড বা অ্যাক্সেস কোডও চাওয়া হতে পারে। তবে ক্রিকেটারদের ফোন পিসিবির জিম্মায় নেওয়া হয়েছে বলেই যে কোনো অ্যান্টি-করাপশন তদন্ত চলছে, এমনটা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দুর্নীতি, বেটিং কিংবা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের কোনো তদন্তের সম্পর্ক থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি পিসিবি। কোনো ক্রিকেটারকেও এ ধরনের কোনো অপরাধে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত করা হয়নি। ক্রিকেটারদের ফোন নেওয়ার ক্ষেত্রে পিসিবির নিজস্ব চুক্তি, দলীয় নিয়ম কিংবা অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাবিধির কোনো ভূমিকা আছে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়। বোর্ড এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি। পাকিস্তানের ইংল্যান্ড সফর এমনিতেই নানা বিতর্কে জর্জরিত। প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর সিরিজের মাঝপথে দলে বড় পরিবর্তন আনে পিসিবি। সাতজন ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। পাশাপাশি শেষ টেস্টের আগে কোচিং প্যানেলেও পরিবর্তন আনে পিসিবি। এর মধ্যেই ক্রিকেটারদের ফোন জমা নেওয়ার ঘটনায় সফরটিকে ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

বাবরদের ফোন জিম্মায়, পাকিস্তান দলে বাড়ছে অস্থিরতা

রিজওয়ান-ইমামের বাদ পড়া নিয়ে নতুন তথ্য

ইংল্যান্ড সফরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পাকিস্তান দলের ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ে। প্রথম দুই টেস্টে হারের পর সাত ক্রিকেটারসহ  মোহাম্মদ রিজওয়ান, ইমাম উল হককে দেশে ফেরানোর সিদ্ধান্তের পেছনে শুধু পারফরম্যান্স নয়, ড্রেসিংরুমে আচরণগত সমস্যাও ছিল বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে রিজওয়ানের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। চার ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে মাত্র ৬১ রান। লর্ডস টেস্টে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারের কিছু বাজে শট এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বোঝার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ইমামের ক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল কিছুটা ভিন্ন। কাফের চোটের কারণে লর্ডস টেস্টের কোনো ইনিংসেই ব্যাট করেননি তিনি। তবে তাঁর চোট নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এমনকি একবারও ব্যাট না করায় দলের প্রতি ইমারের দায়বদ্ধতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন অনেকে। বাবর আজমের অনুপস্থিতিতে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়া সালমান আলী আগাকেও দ্বিতীয় টেস্টে বাদ দেওয়া হয়। বাকিদের সঙ্গে এই ক্রিকেটারও দেশে ফিরে গেছেন। পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিজওয়ান ও ইমামকে দল থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত শুধু তাঁদের অফফর্মের কারণে নেওয়া হয়নি। ড্রেসিংরুমে তাঁদের আচরণও এর অন্যতম কারণ ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের সময় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আচরণের ব্যাখ্যা দিতে রিজওয়ান, ইমাম ও সালমানকে একটি কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হবে। অন্যদিকে, বাকি ক্রিকেটারদের দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট দলের প্রধান কোচ মাইক হেসনের অনুরোধে। সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন ক্রিকেটারকে পরখ করে দেখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি সূত্র পিটিআইকে বলেছে, ‘বাকি খেলোয়াড়দের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন রেড-বল প্রধান কোচ মাইক হেসনের সুপারিশে। তিনি এমন কিছু খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন, যাদের সঙ্গে তিনি সাদা বলের ক্যাম্পে কাজ করেছেন।’ রিজওয়ান-ইমামকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেও বড় পরিবর্তনের আভাস মিলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনিয়র নির্বাচক আকিব জাভেদকে নির্বাচক কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বোর্ডে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছেন।

রিজওয়ান-ইমামের বাদ পড়া নিয়ে নতুন তথ্য

পাকিস্তানে রদবদল, বাবরকে নিয়েও প্রশ্ন

পাকিস্তানের ক্রিকেটে ব্যাপক রদবদল চলছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ব্যর্থতার পর। একের পর এক ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার অধিনায়ক বাবর আজমের নামও সেই তালিকায় উঠছে কি না, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার রশিদ লতিফ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) টেস্ট সিরিজ হাতছাড়া হওয়ার পর সাত ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফের কয়েকজনকে ছাঁটাই করেছে।  দায়িত্ব হারিয়েছেন প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলও। একই সময়ে  মিসবাহ উল হক নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। প্রধান নির্বাচক আকিব জাভেদও পিসিবির পরবর্তী নজরে থাকতে পারেন বলে খবর এসেছে।রশিদ এমন পরিস্থিতিতে বাবরের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পিসিবির দল পরিচালনার ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানতে চেয়েছেন, বাবরই কি হতে যাচ্ছেন পরবর্তী টার্গেট।রশিদ লিখেছেন, ‘যদি দলকে রিমোট কন্ট্রোলে চালাতেই হয়, তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন পাঠানো হলো? গ্যারি কারস্টেন ও জেসন গিলেস্পির কাছ থেকে নির্বাচনের ক্ষমতা কেন কেড়ে নেওয়া হলো? আর অধিনায়ক বাবর আজম যদি কথা না শুনে থাকে, তাহলে অধিনায়ককেই তো বরখাস্ত করা উচিত ছিল—তাহলে সরফরাজ ও উমর গুলকে কেন সরিয়ে দেওয়া হলো? বাবর আজম কি পরের টার্গেট?’এর আগে পিসিবির ছাঁটাইয়ের ঘটনায় বাবরের অধিনায়কত্ব ছাড়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেছিলেন রশিদ। তাঁর মতে, দলের একাধিক ক্রিকেটার ও কোচকে সরিয়ে দেওয়ার পর বাবরের উচিত ছিল তাঁদের পাশে দাঁড়ানো।এই প্রসঙ্গে রশিদ বলেন, ‘বাবরের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। দলের অর্ধেক ক্রিকেটারকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি যদি তার জায়গায় থাকতাম, তাহলে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিতাম। তুমি একজন পুতুল অধিনায়ক হয়ে গেছ। নেতা আর অধিনায়কের মধ্যে পার্থক্য আছে।’বাবরের কড়া সমালোচনা করে রশিদ আরও বলেন, ‘তোমরা সাতজন ক্রিকেটারকে ফেরত পাঠিয়েছ। ইমামের বিষয়টি আমি বুঝতে পারি, সে চোট পেয়েছিল। কিন্তু তারপরও ছয়জন ক্রিকেটারকে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তোমরা তোমাদের কোচ, তোমাদের মেন্টরকে ফিরিয়ে দিয়েছ। যে কোচ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতিয়েছিল, তাকেও সরিয়ে দিয়েছ। উমর গুলকেও ফিরিয়ে দিয়েছ। তুমি তোমার দলের হয়ে দাঁড়াচ্ছ না। তোমার কোচকে এক পাশে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর তুমি নীরবে বসে আছ। এতে বোঝা যায়, পিসিবির সবসময় একজন পুতুল অধিনায়কই প্রয়োজন।

পাকিস্তানে রদবদল, বাবরকে নিয়েও প্রশ্ন

বাংলাদেশের পথে শ্রীলঙ্কাও, ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে জয়

শ্রীলঙ্কাও বাংলাদেশের মতো উড়িয়ে দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া। ১০০ রান তো দূরে থাক, ইন্দোনেশিয়া প্রথমবারের নারী এশিয়া কাপ খেলতে আসা দুই ম্যাচ খেলে একটিতেও ৬০ রান পর্যন্ত করতে পারেনি। তবে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর বোলিং বিভাগে উন্নতি হলেও ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকছেই। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৯ উইকেটে হারানো শ্রীলঙ্কা গতকাল ৭৫ রানের আয়েশি জয় পেয়েছে । মাত্র ৪৯ রানেই শ্রীলঙ্কার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ ইন্দোনেশিয়ার ইনিংস। তবে টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে লঙ্কানরা ১২.৩ ওভারে ৬২ রানে ৬ উইকেটে পরিণত হয়। স্কোরবোর্ডে তখন ১০০ হওয়া নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে মিডল অর্ডার ব্যাটারদের দৃঢ়তায় শ্রীলঙ্কা ৭ উইকেটে করে ১২৪ রান। যেটা শেষ পর্যন্ত তাদের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়েছে। দুই ম্যাচের দুটিতেই জয় পাওয়া শ্রীলঙ্কার পরবর্তী প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। ৬ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে হবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গতকাল ৭৫ রানে জয়ের পর আতাপাত্তু বলেন, ‘এই পরিস্থিতির সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নেওয়া দরকার ছিল। কিন্তু আমরা তা করতে পারিনি এবং কয়েকটি উইকেট হারিয়েছি। পরের ম্যাচের জন্য এটা আমাদের শিক্ষণীয় বিষয়।বাংলাদেশ ম্যাচে ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমাদের ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। নিজেদের কাজ করতে হবে।’ ২৯ আগস্ট আমিরাতের দেওয়া ৮০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৭৩ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। কিন্তু গতকাল ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে আগে ব্যাটিং পেয়ে লঙ্কানদের ইনিংসে নামে ধস। সপ্তম উইকেটে কাওয়া কাভিন্দি ও নিলাক্ষীকা ডি সিলভার ৫০ রানের জুটিতে উদ্ধার হয় শ্রীলঙ্কা। নিলাক্ষীকা ৩৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৫০ রান। আতাপাত্তুর চোখে ম্যাচসেরা নিলাক্ষীকা হলেও শেষ পর্যন্ত লঙ্কান অধিনায়কই পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। কারণ, আতাপাত্তু ৫ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট। করেছেন হ্যাটট্রিকও। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে লঙ্কান অধিনায়ক বলেন, ‘আমি নীলাক্ষীর দুর্দান্ত ইনিংসের প্রশংসা করতে চাই। এই পুরস্কারটি (ম্যাচসেরার পুরস্কার) তার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাচ্ছি।’ দুই ম্যাচের দুটি জিতে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে বি গ্রুপ থেকে সেমিফাইনাল এক রকম নিশ্চিত করে ফেলেছে শ্রীলঙ্কা। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা লঙ্কানদের নেট রানরেট ‍+৪.১২৯। দুইয়ে থাকা বাংলাদেশের নেট রানরেট ‍+৩.৫৫। নিগার সুলতানা জ্যোতির দল ইন্দোনেশিয়াকে হারিয়েছে ৭১ রানে। বাংলাদেশের পরের দুই প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা ও আমিরাত। তিন ও চারে থাকা ইন্দোনেশিয়া, আমিরাত এখনো পর্যন্ত কোনো পয়েন্ট পায়নি।

বাংলাদেশের পথে শ্রীলঙ্কাও, ইন্দোনেশিয়াকে উড়িয়ে জয়

দক্ষিণ আফ্রিকায় হৃদয়ের ব্যাটে ট্রিপল সেঞ্চুরির ইতিহাস

তাওহীদ হৃদয় বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করলেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে স্বীকৃত ক্রিকেটে বিদেশি কোনো দলের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  কাকতালীয়ভাবে, ২০২০ সালে এই পচেফস্ট্রুমে খেলেই অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ জিতেছিল বাংলাদেশ, যেখানে শিরোপাজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তাওহীদ। দীর্ঘ ছয় বছর পর সেই একই মাঠে ফিরে এবার করলেন ট্রিপল সেঞ্চুরি। এই ইনিংসের পথে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের ২৩ বছর পুরোনো রেকর্ড ভেঙে নিজের করে নিয়েছেন তাওহীদ। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ডিফেন্স হাউজিং কমিটি দলের বিপক্ষে শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুতের করা ২১৮ রানই ছিল এর আগে ‘এ’ দলের হয়ে বিদেশের মাটিতে কোনো বাংলাদেশির একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি। আগের দিন ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর বুধবার প্রথম সেশনেই শাহরিয়ারকে ছাড়িয়ে যান তাওহীদ এবং দ্বিতীয় সেশনে পৌঁছে যান স্বপ্নের ট্রিপল সেঞ্চুরিতে। এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ট্রিপল সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল কেবল তামিম ইকবাল (৩৩৪) ও রকিবুল হাসানের (৩১৩), তবে তার দুটিই এসেছিল দেশের অভ্যন্তরীণ ঘরোয়া ক্রিকেটে। এ দিন ১৬৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর তৃতীয় দিনের শেষ প্রান্তে বাঁহাতি স্পিনার সিমন্ডসকে কাট করে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৩৫ বলে ডাবল সেঞ্চুরিতে পৌঁছান তিনি। পরে  ৪৫০ বলে ২৫টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ঐতিহাসিক তিন শতকের ঘরে পৌঁছান তাওহীদ হৃদয়।

দক্ষিণ আফ্রিকায় হৃদয়ের ব্যাটে ট্রিপল সেঞ্চুরির ইতিহাস

এশিয়া কাপের আগে ছেলেদের বিপক্ষে প্রস্তুত পাকিস্তান নারী দল

বেশি সময় বাকি নেই নারী এশিয়া কাপ শুরু হতে। আট দলের মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্ট এ সপ্তাহের শুক্রবার শুরু হচ্ছে। দলগুলো প্রস্তুত হচ্ছে এশিয়া কাপ সামনে রেখে। এই টুর্নামেন্টের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল। এশিয়া কাপ সামনে রেখে ছেলেদের বিপক্ষে টুর্নামেন্ট খেলে প্রস্তুতি নিচ্ছে ফাতিমা সানার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দল। লাহোরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমিতে (এনসিএ) কদিন অনুষ্ঠিত প্রাক-টুর্নামেন্ট ক্যাম্পে পাকিস্তানের মেয়েরা আবদুল কাদির ক্রিকেট একাডেমির ছেলেদের বিপক্ষে খেলেছেন। ছেলেদের এই দলে তরুণ-বয়স্ক ক্রিকেটার রয়েছেন। পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানার মতে এসব ম্যাচ এশিয়া কাপ সামনে রেখে দলের প্রস্তুতিতে দারুণ অবদান রেখেছে। সানা বলেন, ‘টুর্নামেন্টের (এশিয়া কাপ) জন্য আমরা দারুণভাবে প্রস্তুত। আমরা ছেলেদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলেছি। কিছুটা চাপেও পড়েছি। এসব অভিজ্ঞতা এশিয়া কাপে চ্যালেঞ্জগুলোর সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমাদের সহায়তা করবে।’ টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের পিছিয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগের অভাব এবং চাপের মুহূর্তে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে না পারাকে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বছরের জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচের মধ্যে কেবল একটি জিতেছিল পাকিস্তান। সানার দল জিতেছিল কেবল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে কাছাকাছি ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নষ্ট করায় পাকিস্তান সমালোচনার মুখে পড়েছিল। অন্যদিকে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের দুর্বল ফিল্ডিং এবং চাপের মধ্যে দিশেহারা হয়ে পড়ার প্রবণতাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। এখন পর্যন্ত দুইবার ২০১২ ও ২০১৬ সালে পাকিস্তান নারী এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলেছিল। দুইবারই তারা ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল। সবশেষ ২০২৪ টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে সেমিতে বিদায় নিয়েছিল পাকিস্তান। সানার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ১ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবারের এশিয়া কাপ শুরু করবে। ৫ ও ৭ সেপ্টেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ দুই ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ভারত ও হংকং।

এশিয়া কাপের আগে ছেলেদের বিপক্ষে প্রস্তুত পাকিস্তান নারী দল
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream