সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের প্রায় পনেরোটির বেশী হাওরে সরকারী ভাবে উন্মুক্ত করা হয়নি পোনামাছ।১৬থেকে ২২আগস্টকে জাতীয় মৎস সপ্তাহ ধরা হয়।এবং দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে পোনামাছ উন্মুক্ত করা হয়। তবে মধ্যনগর উপজেলায় এরঅন্যতা বিষয়টি প্রশ্ন রাখে মাৎসপ্রেমী জনমানুষের মনে।
পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে উপজেলার সকল হাওরের পানিতে দেশীয় অসংখ্য প্রজাতির মা ও পোনা মাছ সহ প্রাণীকূল হুমকীর স্বীকার হয়ে আজ বিলুপ্ত।
একসময় এই অঞ্চলটি ছিল দেশীয় মাছ ও শুঁটকি মাছের অন্যতম ও সুপরিচিত ভান্ডার।হাওরাঞ্চলে বর্ষার পানি ও শুকনোর মৌসুমে বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছের প্রজাতি নিধন করছে একশ্রেণীর অসাধু মৎস শিকাররা।এর মধ্যে কারেন্ট জাল,কোনাজাল,চায়না দোয়ারী জাল, বৈদ্যুতিক শক,কীটনাশক সহ অসংখ্য পদ্ধতিতে মা ও পোনামাছ শিকার করে পানিকে মাছ শূন্য করছে তারা।
এসবের বিরুদ্ধে কঠোর কোন পদক্ষেপ নেওয়া না হলেও মাঝে মধ্যে দেখা মিলে আংশিক উদ্যোগ নেয়ার।যা'হাোরের তুলনায়'খুবই নগন্য।ধান ও মাছের উপরে নির্ভর করে বেচে থাকেন এই ভাটির জনপদের বাসিন্দাগণ।এরমধ্যে মা ও পোনা মাছের উৎপাদনের কোন পদক্ষেপ নেয় নি মধ্যনগর উপজেলা প্রশাসন।এতে করে চলতি বছরে হাওরের পানিতে মাছ নেই বল্লেই চলে।তাছাড়া জেলেরা মাছ আহোরণ না নাকরেও অতিকষ্টে দিনযাপন করছেন।এমতবস্থায় মধ্যনগর হাওরপাড়ের মৎস শ্রমিক তথ্য সচেতন মহল ভাসমান পানিতে মা'মাছ ও মাছের পোনা উন্মুক্ত করার জোরদাবী জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলায় অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মৎস কর্মকর্তা মোঃশরিফুল হক আকন্দ'র সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান,উপজেলাটি নতুন তাই অফিস এবং লোকবল না থাকায় কোন বরাদ্দও নেই।যার দরুণ এমনটি।হয়তো খুব শ্রিগ্রই লোকবল নিযুক্ত হতে পারে এবং বরাদ্দ পেলেই হাওরে পোনামাছ উন্মুক্ত করা হবে।
মতামত