রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ) সনাতন চক্রবর্তী।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার নেপথ্যের কারণ জানতে দীর্ঘদিন ধরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং ভাই পার্থ দাসকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
তবে তাঁদের এই মুহূর্তে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিস্তারিত গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত কয়েক দিনে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে প্রধান অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসকে বিভিন্ন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আইনের আওতায় আনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষক পরিবারটির সঙ্গে আসামির নানামুখী পূর্বপরিচয় ও যোগাযোগ ছিল। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও শোকের ছায়া নেমে আসে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রতিটি সূত্র নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মতামত