বান্দরবানের গভীর বনাঞ্চল থেকে পারমিট ছাড়াই নির্বিচারে গাছ কেটে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, এই কাজে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা রয়েছে।
এলাকাবাসীরা বলছেন, "জোত-পালট বা বৈধ কাগজপত্র এখন লাগে না। বন বিভাগকে টাকা দিলেই সব বৈধ হয়ে যায়। শুধু কাঠ না, অন্য জিনিস পাচারের ক্ষেত্রেও তারা সাহায্য করে।"
বান্দরবানের গভীর বনাঞ্চল থেকে পারমিট ছাড়াই নির্বিচারে গাছ কেটে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, এই কাজে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতা রয়েছে।
আমাদের হাতে আসা একটি ছবিতে দেখা যায়, বনের ভেতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে কয়েকশ' গাছের গুঁড়ি। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, এত কাঠ একসাথে কিভাবে জড়ো হলো? কার অনুমতিতে এগুলো কাটা হলো?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ করলেও কাজ হয় না। উল্টো হুমকির মুখে পড়তে হয়। পাহাড়ের পরিবেশ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি সরকারও রাজস্ব হারাচ্ছে বলে তাদের ধারণা।
এ বিষয়ে বান্দরবান বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করেননি।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে বান্দরবানের বন উজাড় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এটা এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে লেখা। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না
মতামত