বান্দরবান শহরের ভিতরে নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত বোঝাই ১০ চাকার বালু-পাথরবাহী ট্রাকের দৌরাত্ম্যে জনজীবন অতিষ্ঠ। একসময় সোয়ালকের বড় মাঠে মাল আনলোড করে ৬ চাকার ছোট গাড়িতে করে শহরে মাল আনা হতো। কিন্তু এখন সেই নিয়ম না মেনে ভারী ট্রাকগুলো সরাসরি সদর হাসপাতাল, সরকারি কলেজ ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে।
শহরের প্রধান সড়কগুলো কয়েক মাসের বান্দরবান শহরের ভিতরে নিয়ম অমান্য করে অতিরিক্ত বোঝাই ১০ চাকার বালু-পাথরবাহী ট্রাকের দৌরাত্ম্যে জনজীবন
অতিষ্ঠ। একসময় সোয়ালকের বড় মাঠে মাল আনলোড করে ৬ চাকার ছোট গাড়িতে করে শহরে মাল আনা হতো। কিন্তু এখন সেই নিয়ম না মেনে ভারী ট্রাকগুলো সরাসরি সদর হাসপাতাল, সরকারি কলেজ ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। মধ্যেই ভেঙে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষায় সেই গর্তে পানি জমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে কয়েকগুণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র ৮-১০ দিন আগেও অতিরিক্ত বোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঘটনাস্থলেই ড্রাইভার নিহত হন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, "আগে প্রশাসন কঠোর ছিল। সোয়ালকে মাল নামিয়ে ছোট গাড়িতে আনা হতো। এখন রাত-দিন ১০ চাকার গাড়ি ঢুকছে। কেউ দেখার নেই।"
তাদের দাবি অবিলম্বে ১০ চাকার ভারী ট্রাক শহরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা সোয়ালকের ট্রানজিট পয়েন্ট আবার চালু করে ৬ চাকার গাড়িতে মাল পরিবহন বাধ্যতামূলক করা। শহরের প্রবেশমুখে ওজন স্কেল বসিয়ে অতিরিক্ত বোঝাই আটকানো। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।
মতামত