বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

নেপালে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

নেপালে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা
ছবি: সংগৃহীত

নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যার পর নতুন করে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নেপাল-চীন সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একটি জলপ্রবাহ এখনো বাধাগ্রস্ত থাকায় সেটি ভেঙে গেলে দ্বিতীয় দফায় শক্তিশালী ঢল নামতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।

কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বত উন্নয়ন সংস্থা আইসিআইএমওডি জানিয়েছে, বুধবার ভোতে কোশি নদীর অববাহিকায় হঠাৎ পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। পরে প্রবল স্রোত ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। পানির সঙ্গে পলি, পাথর ও বিপুল ধ্বংসাবশেষও ভাটির দিকে চলে আসে।

গালচিতে মাত্র আধা ঘণ্টায় ত্রিশূলী নদীর পানি প্রায় ৯ মিটার এবং মালেখুতে প্রায় ৭ মিটার বেড়ে যায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পাহাড়ি এলাকায় বরফ বা পাথরের ধস থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। ধ্বংসাবশেষ নদীর কোনো অংশ আটকে সাময়িক প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি করলেও পরবর্তী সময়ে সেটি ভেঙে বড় ঢলের সৃষ্টি হতে পারে।

আইসিআইএমওডির জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং জানান, উজানে এখনো একটি বাধা থাকার কারণে দ্বিতীয় দফার বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে জিলং বন্দর এলাকার আশপাশে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাসুয়া ছাড়াও নুওয়াকোট ও ধাদিং জেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বন্যায় অবকাঠামো ও পানি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নদী উপত্যকার বসতিগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে।

বর্তমানে সন্দেহভাজন বাধাটির অবস্থান ও স্থায়িত্ব যাচাইয়ে জলপ্রবাহ, ভূকম্পন এবং উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬


নেপালে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক বন্যার পর নতুন করে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নেপাল-চীন সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একটি জলপ্রবাহ এখনো বাধাগ্রস্ত থাকায় সেটি ভেঙে গেলে দ্বিতীয় দফায় শক্তিশালী ঢল নামতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা।

কাঠমান্ডুভিত্তিক আন্তর্জাতিক পর্বত উন্নয়ন সংস্থা আইসিআইএমওডি জানিয়েছে, বুধবার ভোতে কোশি নদীর অববাহিকায় হঠাৎ পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে শুরু করে। পরে প্রবল স্রোত ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। পানির সঙ্গে পলি, পাথর ও বিপুল ধ্বংসাবশেষও ভাটির দিকে চলে আসে।

গালচিতে মাত্র আধা ঘণ্টায় ত্রিশূলী নদীর পানি প্রায় ৯ মিটার এবং মালেখুতে প্রায় ৭ মিটার বেড়ে যায়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পাহাড়ি এলাকায় বরফ বা পাথরের ধস থেকে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। ধ্বংসাবশেষ নদীর কোনো অংশ আটকে সাময়িক প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি করলেও পরবর্তী সময়ে সেটি ভেঙে বড় ঢলের সৃষ্টি হতে পারে।

আইসিআইএমওডির জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং জানান, উজানে এখনো একটি বাধা থাকার কারণে দ্বিতীয় দফার বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণে জিলং বন্দর এলাকার আশপাশে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রাসুয়া ছাড়াও নুওয়াকোট ও ধাদিং জেলার নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বন্যায় অবকাঠামো ও পানি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় নদী উপত্যকার বসতিগুলোও ঝুঁকিতে রয়েছে।

বর্তমানে সন্দেহভাজন বাধাটির অবস্থান ও স্থায়িত্ব যাচাইয়ে জলপ্রবাহ, ভূকম্পন এবং উপগ্রহের তথ্য বিশ্লেষণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream