গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, দেশবরেণ্য প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ, বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী ও একনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হওয়া সমগ্র জাতির জন্য এক পরম আনন্দ ও আশার আলো বয়ে এনেছে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সততা, ধৈর্য ও আপসহীন নেতৃত্বের যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা দেশের প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে চিরভাস্বর বলে উল্লেখ করেন উপাচার্য।
তিনি আরও বলেন, "তাঁর মতো একজন মননশীল, প্রাজ্ঞ, মার্জিত, দূরদর্শী ও জনমানুষের নেতা রাষ্ট্রের অভিভাবকের আসনে আসীন হওয়ায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন এবং সুশাসন আরও সুসংহত হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।" একজন বরেণ্য শিক্ষাবিদ ও দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা দেশের উচ্চশিক্ষা খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ভিসি হেমায়েত জাহান বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুযোগ্য ও দিকনির্দেশনামূলক অভিভাবকত্বে এবং চ্যান্সেলর হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্বমানের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন এবং প্রত্যাশা প্রকাশ করেন যে তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি সুখী, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.বি.এম. সাইফুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমানও পৃথক পৃথক অভিনন্দন বার্তায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে। একইসঙ্গে দেশ গড়ার প্রতিটি মহৎ উদ্যোগে মহামান্য রাষ্ট্রপতির পাশে থাকার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তাঁরা।
মতামত