সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলেন শ্রমিকেরা


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলেন শ্রমিকেরা
মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলেন শ্রমিকেরা

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকেরা। এ সময় মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন বিক্ষোভকারীরা। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় এ বিক্ষোভ শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। পরে মিরপুর-১১, ১২ ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরিস্থিতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, সকাল থেকেই মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করছেন। সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে পোশাকশ্রমিকদের বেতন নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবুও শ্রমিকেরা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।

বিষয় : আগুন মিরপুর পুলিশের গাড়ি

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬


মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দিলেন শ্রমিকেরা

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন পোশাক শ্রমিকেরা। এ সময় মিরপুর-১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেন বিক্ষোভকারীরা। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় এ বিক্ষোভ শুরু হয়। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকেরা। পরে মিরপুর-১১, ১২ ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকেরাও বিক্ষোভে যোগ দেন। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরিস্থিতি সম্পর্কে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন জানান, সকাল থেকেই মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় শ্রমিকেরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করছেন। সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে পোশাকশ্রমিকদের বেতন নির্ধারণের জন্য এরই মধ্যে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে শ্রম মন্ত্রণালয়। তবুও শ্রমিকেরা ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream