শীতের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গের গ্রামাঞ্চলে শুরু হয়েছে আগাম জাতের নতুন আলু বাজারজাতের প্রস্তুতি। শীত মৌসুমে গ্রামবাংলার মানুষের পছন্দের তালিকায় অন্যতম থাকে নতুন আলু। তাই মৌসুমের শুরুতেই বাজারে আগাম জাতের আলু আসার খবরে আশাবাদী নীলফামারী জেলার ক্রেতা-বিক্রেতা ও কৃষকরা।
এ বছর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষ করেছেন। অনেক স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে তারা জমিতে আলু রোপণ করেছিলেন। এখন ফলন ঘরে তোলার সময় ঘনিয়ে আসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। গত বছরের তুলনায় এবার আলুর বাজারদর ভালো থাকবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। এতে উৎপাদন খরচের পাশাপাশি ভালো মুনাফা পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা।
প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগাম জাতের আলু চাষে তারা বেশ আশাবাদী। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন নিয়েও প্রত্যাশা রয়েছে তাদের। তবে শেষ পর্যন্ত বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তাও রয়েছে।
ডোমার উপজেলার চিলাহাটি এলাকার আলুর পাইকারি বিক্রেতা রাশেদুল ইসলাম জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আগাম জাতের আলু উত্তোলন শুরু হতে পারে। প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে আলু সংগ্রহ করে তা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি বিভিন্ন শহরের বাজারে সরবরাহ করা হবে। এ বছর আগাম জাতের আলুর বাজার ভালো থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি।
আগাম জাতের আলু বাজারে আসতে শুরু করলে স্থানীয় বাজারে নতুন আলুর সরবরাহ বাড়বে। পাশাপাশি শীতের শুরুতেই নতুন আলুর স্বাদ নিতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারা। তবে কৃষকদের প্রত্যাশা, উৎপাদন খরচ বিবেচনায় রেখে বাজারে আলুর ন্যায্য দাম নিশ্চিত হবে এবং মৌসুমজুড়ে বাজারদর স্থিতিশীল থাকবে।
মতামত