২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ায় বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ন্যায়বিচার, মানবাধিকার রক্ষা এবং ক্ষমতাবানদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষেত্রে পিল্লাইয়ের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন তিনি।
এক বিবৃতিতে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিচারপতি পিল্লাই তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রাম, জাতিসংঘে দায়িত্ব পালন এবং আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় ভূমিকা প্রমাণ করে, আইনের শাসন নিশ্চিত না হলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
বিবৃতিতে ইউনূস আরও উল্লেখ করেন, ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি যাঁদের কথা বলার সুযোগ সীমিত, তাঁদের অধিকার রক্ষায়ও কাজ করেছেন পিল্লাই। তাঁর মতে, এই পুরস্কার বিচারপতি পিল্লাইয়ের সাহস ও সততার স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এটি ন্যায়বিচার ও শান্তির পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে।
এর আগে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ৮৫ বছর বয়সী নাভানেথেম নাভি পিল্লাইকে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করে। ভারতীয় তামিল বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকার এই আইনজ্ঞ ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক এবং রুয়ান্ডাবিষয়ক আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মতামত