সিলেট নগরীর খাদিমপাড়া ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে সেবার সার্বিক পরিস্থিতি দেখতে পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মাহবুবুল আলম।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালটিতে গিয়ে তিনি চিকিৎসাসেবার বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেন। এ সময় বহির্বিভাগ, অন্তর্বিভাগ ও জরুরি বিভাগসহ হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি রোগীদের জন্য সরবরাহ করা পথ্যের মানও যাচাই করেন।
পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা,রোগী ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন বিভাগীয় পরিচালক। সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় বিষয়ে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দিকনির্দেশনা দেন।
ডা. মাহবুবুল আলম বলেন,“সরকারি হাসপাতালের সেবার মূল লক্ষ্য হচ্ছে রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। এজন্য চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগীদের খাবার,পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার প্রতিটি বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।”
এ সময় সিলেট জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত,খাদিমপাড়া ৩১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. তারিকুল ইসলামসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সিলেট সদর উপজেলার বিভিন্ন ইপিআই কেন্দ্রেও যান বিভাগীয় পরিচালক। সেখানে বর্তমানে চলমান MR (হাম-রুবেলা) ভ্যাকসিনেশন ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
টিকাদান কার্যক্রমের মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা,শিশুদের টিকার আওতায় আসার পরিস্থিতি এবং কর্মসূচির অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন বিভাগীয় পরিচালক। এ সময় সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. মোহাম্মদ নূরে আলম শামীম এবং সিলেট সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আরা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শারমিন আরা বলেন,“ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়মিত কর্মসূচির বাইরে থেকে যাওয়া শিশুদেরও টিকাদানের আওতায় নিয়ে আসা। মাঠপর্যায়ে আমরা শিশুদের শনাক্তকরণ ও টিকা দেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।”
স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান,হাম ও রুবেলার মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগের ঝুঁকি কমাতে টিকাদান কার্যক্রমের আওতা বাড়ানো এবং কোনো শিশু যাতে টিকা থেকে বাদ না পড়ে,সে বিষয়ে মাঠপর্যায়ে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
মতামত