মানিকগঞ্জে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রক্রিয়াজাত করার অভিযোগে ৯ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
২৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জাগীর এলাকার একটি পরিত্যক্ত গোডাউনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৩টি ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রক্রিয়াজাত করার সময় মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে নয় জনকে আটক করা হয়। পরে আজ বুধবার
সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)ও এক্সুকেটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিক্তা খাতুনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। তাদের মধ্যে একজনকে এক বছর এবং বাকি আটজনকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মানিকগঞ্জ সদরের পূর্ব দাশড়া এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান, গাজীপুরের দিঘিরচালা এলাকার কালো মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম খলিল, ঢাকার বাড্ডা এলাকার নেয়ামতুল্লাহর ছেলে মাসুদ জানা, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী এলাকার আদম আলীর ছেলে হুমায়ুন কবির, ঢাকার বড় বেরাত এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে মারুফ, গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে রুবেল, জামালপুরের তুলসীপুর এলাকার জিল হাফেজের ছেলে সোহেল রানা, ঢাকার বাড্ডা এলাকার নিয়ামত মিয়ার ছেলে ইমন হাসান এবং একই এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে তুহিন।
জানা যায়, সিংগাইর উপজেলার হিরু নামের এক ব্যক্তি ওই নয়জনকে ভাড়া করে ঘোড়া জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াজাত করার জন্য চুক্তি করে ছিলেন। প্রক্রিয়াজাত করা মাংস ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন হোটেলে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ঘোড়া জবাই করা হয়।
এবিষয়ে, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন জানান, পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১-এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সুকেটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রিতা খাতুন বলেন,অবৈধভাবে নিষিদ্ধ ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রক্রিয়াজাত করার কারনে নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এই অভিযান নিয়মিত চলবে।
মতামত