নেত্রকোণার মদন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের বাউন্ডারি ওয়াল ও গেইট না থাকায় অনিরাপদ অবস্থায় রয়েছে জনসাধারণের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র । সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর হওয়া সত্তে¡ও বাউন্ডারি ওয়াল না থাকার ফলে অফিস চত্বর অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতের আধাঁরেও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অফিস চত্বরে অবাধে প্রবেশের সুযোগ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও সরকারি সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এলাকাবাসির ।
উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপজেলার সব জায়গার জমি কেনাবেচার মূল দলিল ও বালাম বই সংরক্ষিত থাকে। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় রাতের বেলায় যে কোনো সময় চুরির বা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বাউন্ডারি প্রাচীর না থাকার সুযোগে অফিস ছুটির পর বা রাতের আঁধারে বহিরাগত ও মাদকসেবীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া দিনের বেলাতেও অফিস প্রাঙ্গণে অবাধে গবাদিপশু চরে বেড়ায়। এই সরকারি দপ্তরটির যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দলিলপত্র নিরাপদে রাখতে দ্রুত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ।
মদন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও প্রাক্তণ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, সাব-রেজিষ্ট্রার অফিস একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস। এখানে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিপত্র সংরক্ষিত থাকে। বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে এলকাবাসির শস্কা হয়েছে । তাছাড়া বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় আসপাশের বাসাবাড়ির লোকজন অত্র অফিসের জায়াগা দখলের পায়ঁতারা করছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ অফিসের নিরাপত্তার বিয়ষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের জোর দাবি জানাছি।
এ ব্যাপারে সাব- রেজিস্ট্রার কায়েদে আজম সোহাগ বলেন, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অফিস হচ্ছে আমাদের অফিস। আমরা নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। এর আগে কয়েকবার গণপূর্ত বিভাগে আবেদন করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। আমাদের এখানে সকল শ্রেণির লোকজনের জমির মূল্যবান কাগজপত্র সংরক্ষিত রয়েছে। সব কিছুই দেখা এবং নিরাপত্তা দেয়া আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য।
নেত্রকোণা জেলা রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজ আহমেদ জানান, মদন উপজেলায় গুরুত্বপূর্ণ অফিস এটি । আসলে বাউন্ডারি ওয়াল না থাকায় অফিসটি নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে । বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করব।
নেত্রকোণা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ফারজান আনোয়ার বলেন, সাব-রেজিষ্ট্রার অফিসে সীমানা প্রাচীর না থাকা খুবই দুঃখ জনক বিষয়। এ বিষয়ে মাননীয় এমপি মহোদয়ের ডিও লেটার নিয়ে আইন মন্ত্রনালয়ে আবেদন করা হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এর সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।
মতামত