মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম জানান, রাউজানে যুবদলকর্মী মুহাম্মদ করিম হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি; নিহত করিমের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ ৯টি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি তিনি সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অস্ত্র প্রদর্শন এবং চিকিৎসকের কাছে সাজ্জাদ বাহিনীর চাঁদা দাবির ঘটনায় পুলিশের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সাফল্যের বিবরণ দেন।
রাউজানের উরকিরচরে যুবদলকর্মী করিমকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে এটিকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে না। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাউজানে ২৭টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে ২০টি রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ঘটেছে।
বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসীদের নাম ভাঙিয়ে এক চিকিৎসকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বায়েজিদ বোস্তামী ও হাটহাজারী এলাকা থেকে একটি চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চক্রটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন স্তরে ভাগ হয়ে চাঁদা আদায় ও অস্ত্র নিয়ে হামলার কাজ করত।
গত ১ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মহড়ায় আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে সাদেক, কামরুল ও হানিফ নামের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সাদেকের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ ও সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন।
মতামত