মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ থাকা যাত্রীবাহী ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ পুনরায় চালুর বিষয়ে খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর পাওয়া যাবে।
মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ থাকলেও দুই দেশের পণ্যবাহী ট্রেন বা বাণিজ্য বন্ধ থাকেনি, বরং বাণিজ্য প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। সড়ক, রেল ও জলপথের বাণিজ্য কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
বর্তমানে এই যাত্রায় ৬-৭ ঘণ্টা সময় লাগে। পদ্মা সেতু বা বিকল্প পথ ব্যবহার করে ভ্রমণের সময় অন্তত ৩ ঘণ্টা কমিয়ে আনা যায় কি না, তা নিয়ে বৈঠক ও পরিকল্পনা চলছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, আজকের বৈঠকটি সাধারণ মানুষের স্বার্থ ও সুবিধা সম্পর্কিত ছিল, তাই রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কথা বলতে চান না।
একই দিন সকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে হওয়া সৌজন্য সাক্ষাৎকে অত্যন্ত অর্থবহ এবং ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
মতামত