মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
Bangla FM

দেশে মনে হয় আমিই একমাত্র অপরাধী, মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ চাই: জিয়াউল আহসান


ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ
| ফটো কার্ড

দেশে মনে হয় আমিই একমাত্র অপরাধী, মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ চাই: জিয়াউল আহসান
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার চলাকালে নিজেকে 'মিডিয়া ট্রায়ালের' শিকার বলে অভিযোগ করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি ফেনীর আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, গণমাধ্যমের অতিরিক্ত বিভ্রান্তিকর প্রচারের কারণে আদালতে অন্যায্য পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী অভিযোগ করেন যে, গণমাধ্যমে কেবল প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য প্রকাশ হলেও আসামিপক্ষের জেরা প্রচার করা হয় না। পরে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জিয়াউল আহসান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার পর মিডিয়ার আচরণে মনে হচ্ছে তিনিই দেশের একমাত্র অপরাধী।

ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বা হাজতখানায় কেক কাটার যে খবর গণমাধ্যমে এসেছে, সেটিকে মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, ঘটনার দিন তিনি উপস্থিতই ছিলেন না।

অভিযোগ শোনার পর ট্রাইব্যুনাল গণমাধ্যমকে বিচারাধীন বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেন এবং মন্তব্য করেন যে, বিচারের আগেই কাউকে 'খুনি' বা 'ধর্ষক' বলে আখ্যায়িত করা সংগত নয়। একই সাথে বিষয়টি চিফ প্রসিকিউটরকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম বলেন, প্রসিকিউশন থেকে তথ্য বিকৃত করা হয় না এবং আসামিদের প্রতি সম্মানজনক আচরণের নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। জবাবে ডিফেন্স ও প্রসিকিউশন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা গণমাধ্যমে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কথা বলা সংক্রান্ত নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দেশে মনে হয় আমিই একমাত্র অপরাধী, মিডিয়া ট্রায়াল বন্ধ চাই: জিয়াউল আহসান

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার চলাকালে নিজেকে 'মিডিয়া ট্রায়ালের' শিকার বলে অভিযোগ করেছেন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান। তিনি ফেনীর আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলার প্রসঙ্গ টেনে দাবি করেন, গণমাধ্যমের অতিরিক্ত বিভ্রান্তিকর প্রচারের কারণে আদালতে অন্যায্য পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে জিয়াউল আহসানের আইনজীবী অভিযোগ করেন যে, গণমাধ্যমে কেবল প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য প্রকাশ হলেও আসামিপক্ষের জেরা প্রচার করা হয় না। পরে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জিয়াউল আহসান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার পর মিডিয়ার আচরণে মনে হচ্ছে তিনিই দেশের একমাত্র অপরাধী।

ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বা হাজতখানায় কেক কাটার যে খবর গণমাধ্যমে এসেছে, সেটিকে মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, ঘটনার দিন তিনি উপস্থিতই ছিলেন না।

অভিযোগ শোনার পর ট্রাইব্যুনাল গণমাধ্যমকে বিচারাধীন বিষয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেন এবং মন্তব্য করেন যে, বিচারের আগেই কাউকে 'খুনি' বা 'ধর্ষক' বলে আখ্যায়িত করা সংগত নয়। একই সাথে বিষয়টি চিফ প্রসিকিউটরকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রসিকিউশনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম বলেন, প্রসিকিউশন থেকে তথ্য বিকৃত করা হয় না এবং আসামিদের প্রতি সম্মানজনক আচরণের নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। জবাবে ডিফেন্স ও প্রসিকিউশন উভয় পক্ষের আইনজীবীরা গণমাধ্যমে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কথা বলা সংক্রান্ত নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream