ফরিদপুরের সালথায় স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সোনাপুর বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহত কয়েকজনকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাপুর এলাকায় সালথা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক ও বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন শাখাওয়াত সমর্থকদের সঙ্গে সোনাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আজিজুল হকের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার বিকেলে আজিজুল হকের সমর্থক টুকু মাতুব্বর ও মোসলেম মাতুব্বর হামলার শিকার হয়েছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সমর্থকেরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
টুকু মাতুব্বর অভিযোগ করেন, জয়নুল আবেদীন শাখাওয়াতের পক্ষের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালিয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় তাঁর মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জয়নুল আবেদীন শাখাওয়াত বলেন, কাউকে দলে ভেড়ানোর জন্য তিনি কোনো চাপ দেননি। তাঁর দাবি, তাঁর চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে টুকু মাতুব্বরদের বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মতামত