কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার টাটেরা সড়কে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার টানা এক ঘণ্টা বৃষ্টির পর কুমিল্লা-মিরপুর সড়কের টাটেরা সেকান্দর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনের সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যানবাহনের চালক ও যাত্রী এবং সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই ওই সড়কে পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জলাবদ্ধতার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটে।
সড়কে চলাচলকারী গাজী মোস্তফা কামাল বলেন, ‘একটু বৃষ্টি হলেই টাটেরা সেকান্দর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সামনের সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাচলে অনেক সমস্যা হয়। যানবাহন চলাচলের সময়ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কার না করলে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।’
টাটেরা সড়কের সিএনজিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই সড়কে পানি জমে যায়। এতে সিএনজি ও অটোরিকশা চলাচল করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা ঘটে। অনেক সময় যাত্রী ও চালকেরা দুর্ঘটনার শিকার হন।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সড়কের পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। বর্ষা মৌসুমে এ সমস্যা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী গোলাপ হোসেন ভূঁইয়া জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি তলিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সত্য। তবে সড়কটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এটি উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের অধীনে না থাকায় সওজের সঙ্গেই যোগাযোগ করা উচিত বলে তিনি পরামর্শ দেন।
এলাকাবাসীর দাবি, স্থায়ী সংস্কার ও দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এ ভোগান্তি আরও চরম আকার ধারণ করবে।
মতামত