প্রশাসনের আশ্বাসে ১৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর জামালপুর থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন দূরপাল্লার রোডে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তাদের ঘোষিত কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন।
এর আগে বাসে ভাঙচুর ও মানববন্ধনে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং ধর্মঘটের কারণে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
উল্লেখ্য সোমবার রাতে জামালপুরের লাহিড়ীকান্দা এলাকায় রাজিব বাস ও ইজিবাইকের সঘের্ষে ৪জন নিহত হয়। বুধবার সকালে জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে রাজীব পরিবহনের বেপরোয়া চলাচলে দুর্ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করে স্থানীয়রা। ওই সময় রাজীব পরিবহনের দুটি বাসে ভাঙচুর ও শ্রমিকদের মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিরাপত্তার অভাবের কথা জানিয়ে পরিবহন শ্রমিকরা বুধবার রাত থেকে জামালপুর-ঢাকা রোডে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। ধর্মঘটের কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টার্মিনালে এসে বাস না পেয়ে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। বাধ্য হয়ে অনেককে ভেঙে ভেঙে ছোট যানবাহনে গন্তব্যে যেতে হয়। পরে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বাস চলাচল শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেন জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শুভ।
রাজিব পরিবহনের রোডে পারমিট বাতিল এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আন্দোলন করছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় ছাত্রশক্তি ও জাতীয় যুবশক্তির নেতাকর্মীরা। অভিযোগ রয়েছে সেখানে বাস মালিক ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। তাতে ছাত্রশক্তি ও যুবশক্তির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
মতামত