রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
English
ইউনিকোড কনভার্টার
Bangla FM

এক দশকে পা রাখল কোরিয়ার 'ব্ল্যাকপিংক'



এক দশকে পা রাখল কোরিয়ার 'ব্ল্যাকপিংক'
এক দশকে পা রাখল কোরিয়ার 'ব্ল্যাকপিংক'

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ‘হুইসেল’ ও ‘বুমবায়াহ’ গান দিয়ে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিংক। আজ তাদের পথচলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। বিশেষ এই দিনটি একসঙ্গে উদ্‌যাপন করছেন জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা। দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অল্প পরিসরে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবে ব্ল্যাকপিংক। তবে অনুষ্ঠানের স্থান এখনো গোপন রাখা হয়েছে। নির্বাচিত ৪০ জন ভক্ত এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অনুষ্ঠানে চার সদস্যই উপস্থিত থাকবেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভক্তদের সামনে প্রায় এক বছর পর চার সদস্যকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে সিউলের উপকণ্ঠ গোয়াংয়ে ‘ডেডলাইন’ বিশ্বভ্রমণের একটি কনসার্টে একসঙ্গে মঞ্চে উঠেছিল ব্ল্যাকপিংক। দশ বছরের পথচলায় বিশ্বসংগীতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে ব্ল্যাকপিংক। জনপ্রিয় অনেক গান উপহার দেওয়ার পাশাপাশি ফ্যাশন, বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ও বিজ্ঞাপনেও নিজেদের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা।

২০২২ সালে প্রকাশিত ব্ল্যাকপিংকের অ্যালবাম ‘বর্ন পিংক’ নতুন ইতিহাস তৈরি করে। এটি কোনো নারী কে-পপ শিল্পীর প্রথম অ্যালবাম হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড ২০০-এর শীর্ষে জায়গা করে নেয়। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবাম তালিকাতেও অ্যালবামটি প্রথম স্থান অর্জন করে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের বেশি সময় পর দলীয় প্রকল্প হিসেবে তৃতীয় ইপি ‘ডেডলাইন’ প্রকাশ করে ব্ল্যাকপিংক। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ তালিকায় আট নম্বরে জায়গা করে নেয়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে ব্ল্যাকপিংক। চার সদস্য দল হিসেবে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে চুক্তি রাখলেও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য আলাদা পথ বেছে নেন জিসু, রোজেরা।

জেনি নিজের প্রতিষ্ঠান অড অ্যাটেলিয়ার শুরু করেন। লিসা গড়ে তোলেন লাউড। জিসু শুরু করেন ব্লিসু। আর রোজে যুক্ত হন দ্য ব্ল্যাক লেবেলের সঙ্গে।

রোজে ও ব্রুনো মার্সের ‘আপাতে’ গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর মাধ্যমে রোজে এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে ‘সং অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পাওয়া প্রথম কে-পপ শিল্পী হন।

জেনি নিজের প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ দিয়ে নিজের শিল্পী পরিচয় আরও শক্ত করেন। তাঁর টেম ইমপালার সঙ্গে করা ‘ড্রাকুলা’ গানটি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় জায়গা করে নেয়।

জিসু গানের বাইরে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের কাজের পরিধি বাড়িয়েছেন। লিসাও সংগীতের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন এইচবিওর দ্য হোয়াইট লোটাস–এ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেছেন তিনি।

বিষয় : ব্ল্যাকপিংক কে-পপ

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

Bangla FM

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এক দশকে পা রাখল কোরিয়ার 'ব্ল্যাকপিংক'

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ‘হুইসেল’ ও ‘বুমবায়াহ’ গান দিয়ে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু করেছিল দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ গার্ল গ্রুপ ব্ল্যাকপিংক। আজ তাদের পথচলার ১০ বছর পূর্ণ হলো। বিশেষ এই দিনটি একসঙ্গে উদ্‌যাপন করছেন জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা। দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অল্প পরিসরে ভক্তদের সঙ্গে দেখা করবে ব্ল্যাকপিংক। তবে অনুষ্ঠানের স্থান এখনো গোপন রাখা হয়েছে। নির্বাচিত ৪০ জন ভক্ত এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। অনুষ্ঠানে চার সদস্যই উপস্থিত থাকবেন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভক্তদের সামনে প্রায় এক বছর পর চার সদস্যকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে সিউলের উপকণ্ঠ গোয়াংয়ে ‘ডেডলাইন’ বিশ্বভ্রমণের একটি কনসার্টে একসঙ্গে মঞ্চে উঠেছিল ব্ল্যাকপিংক। দশ বছরের পথচলায় বিশ্বসংগীতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে ব্ল্যাকপিংক। জনপ্রিয় অনেক গান উপহার দেওয়ার পাশাপাশি ফ্যাশন, বিলাসবহুল ব্র্যান্ড ও বিজ্ঞাপনেও নিজেদের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন জিসু, জেনি, রোজে ও লিসা।

২০২২ সালে প্রকাশিত ব্ল্যাকপিংকের অ্যালবাম ‘বর্ন পিংক’ নতুন ইতিহাস তৈরি করে। এটি কোনো নারী কে-পপ শিল্পীর প্রথম অ্যালবাম হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড ২০০-এর শীর্ষে জায়গা করে নেয়। একই সময়ে যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল অ্যালবাম তালিকাতেও অ্যালবামটি প্রথম স্থান অর্জন করে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিন বছরের বেশি সময় পর দলীয় প্রকল্প হিসেবে তৃতীয় ইপি ‘ডেডলাইন’ প্রকাশ করে ব্ল্যাকপিংক। অ্যালবামটি বিলবোর্ড ২০০ তালিকায় আট নম্বরে জায়গা করে নেয়।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে ব্ল্যাকপিংক। চার সদস্য দল হিসেবে ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে চুক্তি রাখলেও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য আলাদা পথ বেছে নেন জিসু, রোজেরা।

জেনি নিজের প্রতিষ্ঠান অড অ্যাটেলিয়ার শুরু করেন। লিসা গড়ে তোলেন লাউড। জিসু শুরু করেন ব্লিসু। আর রোজে যুক্ত হন দ্য ব্ল্যাক লেবেলের সঙ্গে।

রোজে ও ব্রুনো মার্সের ‘আপাতে’ গানটি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর মাধ্যমে রোজে এমটিভি ভিডিও মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসে ‘সং অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পাওয়া প্রথম কে-পপ শিল্পী হন।

জেনি নিজের প্রথম একক অ্যালবাম ‘রুবি’ দিয়ে নিজের শিল্পী পরিচয় আরও শক্ত করেন। তাঁর টেম ইমপালার সঙ্গে করা ‘ড্রাকুলা’ গানটি বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকায় জায়গা করে নেয়।

জিসু গানের বাইরে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের কাজের পরিধি বাড়িয়েছেন। লিসাও সংগীতের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন এইচবিওর দ্য হোয়াইট লোটাস–এ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও পারফর্ম করেছেন তিনি।


Bangla FM

প্রকাশক: আনোয়ার মুরাদ
সম্পাদক: মো. রাশিদুল ইসলাম (রাশেদ মানিক)

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত বাংলা এফ এম
Radio Logo
Bangla FM Live
24/7 Live Audio Stream